পরিচ্ছেদঃ যে দুইজন ফেরেস্তা প্রশ্ন করবেন, তাদের নামের বিবরণ (মহান আল্লাহ আমাদেরকে অনুগ্রহ করে তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় অটল রাখুন)
৩১০৭. আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন তোমাদের কাউকে অথবা কোন মানুষকে কবরস্থ করা হয়, তখন তার কাছে কালো-নীল বর্ণের দুইজন ফেরেস্তা আসেন। তাদের একজনের নাম মুনকার আরেকজনের নাম নাকীর। অতঃপর তারা দুইজন তাকে বলেন, “তোমরা এই ব্যক্তি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে কী বলতে?” অতঃপর সে যা বলতো, তাই বলবে। যদি সে ব্যক্তি মুমিন হয়ে থাকে, তবে তিনি বলবেন, “তিনি আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসূল। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন মা‘বূদ নেই।” ফেরেস্তাগণ তাকে বলবেন, “নিশ্চয়েই আমরা জানতাম যে, আপনি এটাই বলবেন।” তারপর তার জন্য তার কবরকে (দৈর্ঘ-প্রস্থে) ৭০ গজ প্রশস্ত করে দেওয়া হবে। তার কবরকে আলোকিত করা হবে এবং তাকে বলা হবে, “আপনি ঘুমিয়ে পড়ুন।” অতঃপর তিনি বাসর রাতের ন্যায় ঘুমিয়ে যাবেন, যাকে পরিবারের সবচেয়ে প্রিয়জন ছাড়া কেউ জাগিয়ে তুলে না। তিনি এভাবেই থাকবেন, যতক্ষন না তাকে তার শয়ন থেকে পুনরুত্থান করেন।
আর যদি সে ব্যক্তি মুনাফিক হয়, তবে সে ব্যক্তি বলবে, “আমি জানি না। আমি লোকদেরকে একটা কিছু বলতে শুনতাম, অতঃপর আমিও বলতাম।” তখন ফেরেস্তাগণ বলবেন, “নিশ্চয়ই আমরা জানতাম যে, তুমি এরকম কিছু বলবে।” তারপর মাটিকে বলা হবে, “তাকে চাপ দাও।” অতঃপর মাটি তাকে এমন চাপ দিবে যে, তার দুই পাজরের হাড়গুলো পরস্পরের মাঝে ঢুকে যাবে! অতঃপর যতক্ষন না মহান আল্লাহ তাকে সেখান থেকে পুনরুত্থান না করবেন, ততক্ষন পর্যন্ত সে এভাবে শাস্তিপ্রাপ্ত হতেই থাকবে।”[1]
আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “মিনহাল বিন আমর যাযান থেকে, তিনি বারা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আ‘মাশের হাদীসটি আ‘মাশ হাসান বিন উমারাহ থেকে, তিনি মিনহাল বিন আমর থেকে এভাবে শ্রবণ করেছেন। এই হাদীসটি যাযান বারা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে শ্রবণ করেননি। এই জন্য হাদীসটি আমরা সংকলন করি নাই।”
ذِكْرُ الْإِخْبَارِ عَنِ اسْمِ الْمَلَكَيْنِ اللَّذَيْنِ يَسْأَلَانِ النَّاسَ فِي قُبُورِهِمْ ثبَّتنا اللَّهُ بتفضُّله لِسُؤَالِهِمَا فِي ذَلِكَ الْوَقْتِ
3107 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُعَاذٍ الْعَقَدِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ قَالَ: حَدَّثَنِي سَعِيدٌ الْمَقْبُرِيُّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (إِذَا قُبِرَ أَحَدُكُمْ أَوِ الْإِنْسَانُ أَتَاهُ مَلَكَانِ أَسْوَدَانِ أَزْرَقَانِ يُقَالُ لِأَحَدِهِمَا: الْمُنْكَرُ وَالْآخَرُ: النَّكِيرُ فَيَقُولَانِ لَهُ: مَا كُنْتَ تَقُولُ فِي هَذَا الرَّجُلِ مُحَمَّدٍ؟ فَهُوَ قَائِلٌ مَا كَانَ يَقُولُ فَإِنْ كَانَ مُؤْمِنًا قَالَ: هُوَ عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ فَيَقُولَانِ لَهُ: إِنْ كُنَّا لِنَعْلَمُ إِنَّكَ لَتَقُولُ ذَلِكَ ثم يفسح له في قبره سبعون ذراعا فِي سَبْعِينَ ذِرَاعًا ويُنَوَّر لَهُ فِيهِ فَيُقَالُ لَهُ: نَمْ فَيَنَامُ كَنَوْمَةِ الْعَرُوسِ الَّذِي لَا يُوقِظُهُ إِلَّا أَحَبُّ أَهْلِهِ إِلَيْهِ حَتَّى يَبْعَثَهُ اللَّهُ مِنْ مَضْجَعِهِ ذَلِكَ وَإِنْ كَانَ مُنَافِقًا قَالَ: لَا أَدْرِي كُنْتُ أَسْمَعُ النَّاسَ يَقُولُونَ شَيْئًا فَكُنْتُ أَقُولُهُ فَيَقُولَانِ لَهُ: إِنْ كُنَّا لَنَعْلَمُ أَنَّكَ تَقُولُ ذَلِكَ ثُمَّ يُقَالُ لِلْأَرْضِ: التئِمي عَلَيْهِ فَتَلْتَئِمُ عَلَيْهِ حَتَّى تَخْتَلِفَ فِيهَا أَضْلَاعُهُ فَلَا يَزَالُ مُعَذَّبًا حَتَّى يَبْعَثَهُ اللَّهُ من مضجعه ذلك) الراوي : أَبُو هُرَيْرَةَ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان الصفحة أو الرقم: 3107 | خلاصة حكم المحدث: حسن صحيح - ((الصحيحة)) (1391) , ((الظلال)) (8641). قال أبوحاتم ـ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِ ـ: خَبَرُ الْأَعْمَشِ عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ زَاذَانَ عَنِ الْبَرَاءِ سَمِعَهُ الْأَعْمَشُ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عُمَارَةَ عَنِ الْمِنْهَالِ بْنِ عَمْرٍو وَزَاذَانُ لَمْ يَسْمَعْهُ مِنَ الْبَرَاءِ فَلِذَلِكَ لَمْ أُخرِّجه.