পরিচ্ছেদঃ জুতা নিয়ে কবরস্থানে প্রবেশ করা নিষেধ

৩১৬০. বাশীর বিন খাসাসিয়্যাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, জাহেলী যুগে তার ছিল যাহম বিন মা‘বাদ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, “হে খাসাসিয়্যার পুত্র, তোমার নাম কি?” তিনি জবাবে বলেন, “যাহম।” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, “তুমি বরং বাশীর।” তারপর থেকে তার নাম সেটাই হয়ে যায়। রাবী বলেন, “একবার আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হাঁটছিলাম, তখন তিনি আমাকে বলেন, “খাসাসিয়্যার পুত্র, তুমি কি সকাল করেছে এমন অবস্থায় যে, তুমি আল্লাহর প্রতি বিরাগভাজন?” আমি জবাবে বললাম, “আমি মোটেও আল্লাহর প্রতি বিরাগভাজন হয়ে সকাল করিনি। আল্লাহ আমার যাবতীয় কল্যাণ সাধন করে দিয়েছেন। তারপর তিনি মুশরিকদের কবরের কাছে আসেন এবং বলেন, “প্রভুত কল্যাণ লাভের আগেই এরা চলে গিয়েছে।” এই কথা তিনবার বলেন। তারপর তিনি মুসলিমদের কবরের কাছে এসে বলেন, “এরা প্রভুত কল্যাণ পেয়েছে।” এই কথা তিনবার বলেন। তারপর তিনি হাঁটছিলেন, এমন সময় একটি দৃশ্য তাঁর গোচরীভূত হয়, তিনি দেখতে পান এক ব্যক্তি জুতা পায়ে কবরের মাঝে হাঁটছে। তিনি তাকে ডাক দিলেন, “হে জুতা পরিধানকারী ব্যক্তি, তোমার জুতা খুলে ফেলো।” অতঃপর যখন তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে চিনতে পারেন, তখন তিনি জুতা খুলে রেখে দেন।”[1]

আব্দুর রহমান বিন মাহদী রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমি আব্দুল্লাহ বিন উসমানের সাথে জানাযায় ছিলাম। যখন তিনি গোরস্থানে পৌঁছলেন, তখন আমি তাকে এই হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি বলেন, “চমৎকার হাদীস। বর্ণনাকারীও নির্ভরযোগ্য।” তারপর তিনি তার জুতা খুলে ফেলেন এবং কবরের মাঝে খালি পায়ে হাঁটেন।”

আবূ হাতিম ইবনু হিব্বান রহিমাহুল্লাহ বলেন, “খুব সম্ভব তার জুতা মৃত প্রাণীর চামড়ার ছিল, যা পাকা করা হয়নি। ফলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত প্রাণীর চামড়া পরিধান করা অপছন্দ করেছেন।

আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী “নিশ্চয়ই মৃত ব্যক্তি লোকদের জুতার আওয়াজ শুনতে পায়, যখন তারা সেখান থেকে চলে আসে” এখানে প্রমাণ রয়েছে যে, গোরস্থানে জুতা পরিধান গমন করা যায়।”

ذِكْرُ الزَّجْرِ عَنْ دُخُولِ الْمَقَابِرِ بِالنِّعَالِ

3160 - أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ حَدَّثَنَا بُنْدَارٌ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ وَأَبُو دَاوُدَ قَالَا: حَدَّثَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ شَيْبَانَ حَدَّثَنِي خَالِدُ بْنُ سُمَيْرٍ حَدَّثَنِي بَشِيرُ بْنُ نَهِيكٍ حَدَّثَنَا بَشِيرُ بْنُ الْخَصَاصِيَةَ - وَكَانَ اسْمُهُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ زَحْمُ بْنُ مَعْبَدٍ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (مَا اسْمُكَ؟ ) قَالَ: زَحْمٌ قَالَ: ((أَنْتَ بَشِيرٌ)) , فَكَانَ اسْمُهُ -: بَيْنَمَا أَنَا أَمْشِي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: (يَا ابْنَ الْخَصَاصِيَةِ مَا أَصْبَحْتَ تَنْقِمُ عَلَى اللَّهِ؟ ) قُلْتُ: مَا أَصْبَحْتُ أَنْقِمُ عَلَى اللَّهِ شَيْئًا كُلُّ خَيْرٍ فَعَلَ اللَّهُ بِي فَأَتَى عَلَى قُبُورِ الْمُشْرِكِينَ فَقَالَ: (سَبَقَ هَؤُلَاءِ خَيْرًا كَثِيرًا) - ثَلَاثَ مَرَّاتٍ - ثُمَّ أَتَى عَلَى قُبُورِ الْمُسْلِمِينَ فَقَالَ: (لَقَدْ أَدْرَكَ هَؤُلَاءِ خَيْرًا كَثِيرًا) - ثَلَاثَ مَرَّاتٍ - فَبَيْنَمَا هُوَ يَمْشِي إِذْ حَانَتْ مِنْهُ نَظْرَةٌ فَإِذَا هُوَ بِرَجُلٍ يَمْشِي بَيْنَ الْقُبُورِ وَعَلَيْهِ نَعْلَانِ فَنَادَاهُ: (يَا صَاحِبَ السِّبْتِيَّتَيْنِ أَلْقِ سِبْتِيَّتَيْكَ) فَنَظَرَ فَلَمَّا عَرَفَ الرَّجُلُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَلَعَ نعليه فرمى بهما.
الراوي : بَشِيرُ بْنُ الْخَصَاصِيَة | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان
الصفحة أو الرقم: 3160 | خلاصة حكم المحدث: حسن ـ ((الأحكام)) (172 ـ 173) , ((الإرواء)) (760).
قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ: كُنْتُ أَكُونَ مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُثْمَانَ فِي الْجَنَائِزِ فَلَمَّا بَلَغَ الْمَقَابِرَ حَدَّثَتْهُ بِهَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ: حَدِيثٌ جَيِّدٌ وَرَجُلٌ ثِقَةٌ ثُمَّ خَلَعَ نَعْلَيْهِ فَمَشَى بَيْنَ الْقُبُورِ.
قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: يُشْبِهُ أَنْ تَكُونَ تِلْكَ مِنْ جِلْدِ مَيْتَةٍ لَمْ تُدْبَغْ , فَكَرِهَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لُبْسَ جِلْدِ الْمَيْتَةِ
وَفِي قَوْلِهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (إِنَّهُ لَيَسْمَعُ خَفْقَ نِعَالِهِمْ إِذَا وَلَّوْا عَنْهُ) دَلِيلٌ عَلَى إِبَاحَةِ دُخُولِ الْمَقَابِرِ بِالنِّعَالِ.

3160 - اخبرنا الحسن بن سفيان حدثنا بندار: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي وابو داود قالا: حدثنا الاسود بن شيبان حدثني خالد بن سمير حدثني بشير بن نهيك حدثنا بشير بن الخصاصية - وكان اسمه في الجاهلية زحم بن معبد فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم: (ما اسمك؟ ) قال: زحم قال: ((انت بشير)) , فكان اسمه -: بينما انا امشي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: (يا ابن الخصاصية ما اصبحت تنقم على الله؟ ) قلت: ما اصبحت انقم على الله شيىا كل خير فعل الله بي فاتى على قبور المشركين فقال: (سبق هولاء خيرا كثيرا) - ثلاث مرات - ثم اتى على قبور المسلمين فقال: (لقد ادرك هولاء خيرا كثيرا) - ثلاث مرات - فبينما هو يمشي اذ حانت منه نظرة فاذا هو برجل يمشي بين القبور وعليه نعلان فناداه: (يا صاحب السبتيتين الق سبتيتيك) فنظر فلما عرف الرجل رسول الله صلى الله عليه وسلم خلع نعليه فرمى بهما. الراوي : بشير بن الخصاصية | المحدث : العلامة ناصر الدين الالباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان الصفحة او الرقم: 3160 | خلاصة حكم المحدث: حسن ـ ((الاحكام)) (172 ـ 173) , ((الارواء)) (760). قال عبد الرحمن بن مهدي: كنت اكون مع عبد الله بن عثمان في الجناىز فلما بلغ المقابر حدثته بهذا الحديث فقال: حديث جيد ورجل ثقة ثم خلع نعليه فمشى بين القبور. قال ابو حاتم: يشبه ان تكون تلك من جلد ميتة لم تدبغ , فكره صلى الله عليه وسلم لبس جلد الميتة وفي قوله صلى الله عليه وسلم: (انه ليسمع خفق نعالهم اذا ولوا عنه) دليل على اباحة دخول المقابر بالنعال.

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ ইবনু হিব্বান (হাদিসবিডি)
১০. কিতাবুল জানাইয এবং জানাযার পুর্বাপর সংশ্লিষ্ট বিষয় (كِتَابُ الْجَنَائِزِ وَمَا يَتَعَلَّقُ بِهَا مُقَدَّمًا أَوْ مؤخراً)