পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - ব্যভিচারীর দণ্ড প্রসঙ্গে যা বর্ণিত হয়েছে

১২০৫। আবূ হুরাইরা ও যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, ’হে আল্লাহর রসূল! আমি আল্লাহর কসম খেয়ে বলছি যে, আপনি আল্লাহর কিতাব মুতাবেক আমাদের মাঝে ফয়সালা করে দিন’। তখন তার প্রতিপক্ষ যে এর থেকেও বেশি বাকপটু সে দাঁড়িয়ে বলল, ’সে ঠিকই বলেছে, হ্যাঁ, আপনি আমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ মুতাবেক ফয়সালা করুন এবং আমাকে কথা বলার অনুমতি দিন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি বলো। তখন বেদুঈন বলল, ’আমার ছেলে এ লোকের বাড়িতে মজুর ছিল। অতঃপর তার স্ত্রীর সঙ্গে সে যিনা করে’। লোকেরা আমাকে বললো, তোমার ছেলের উপর রজম (পাথরের আঘাতে হত্যা) ওয়াজিব হয়েছে।

তখন আমার ছেলেকে একশ বকরী এবং একটি বাঁদীর বিনিময়ে এর নিকট হতে মুক্ত করে এনেছি। পরে আমি আলিমদের নিকট জিজ্ঞেস করলে তারা বললেন, ’তোমার ছেলের উপর একশ’ বেত্ৰাঘাত এবং এক বছরের নির্বাসন ওয়াজিব হয়েছে’। আর এ নারীকে রজম করতে হবে। সব শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যে সত্ত্বার হাতে আমার প্রাণ! আমি তোমাদের মাঝে কিতাবুল্লাহ মুতাবেকই ফয়সালা করব। বাঁদী এবং বকরী পাল তোমাকে ফেরত দেয়া হবে, আর তোমার ছেলেকে একশ’ বেত্ৰাঘাতসহ এক বছরের নির্বাসন দেয়া হবে’। আর অপরজনের ব্যাপারে বললেন, ’হে উনাইস! তুমি আগামীকাল সকালে এ লোকের স্ত্রীর নিকট যাবে, সে যিনা করার স্বীকৃতি দিলে তাকে রজম করবে’।[1]

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عنهما - أَنَّ رَجُلًا مِنَ الْأَعْرَابِ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم. فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَنْشُدُكَ بِاللَّهِ إِلَّا قَضَيْتَ لِي بِكِتَابِ اللَّهِ, فَقَالَ الْآخَرُ - وَهُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ - نَعَمْ. فَاقْضِ بَيْنَنَا بِكِتَابِ اللَّهِ, وَأْذَنْ لِي, فَقَالَ: «قُلْ». قَالَ: إنَّ ابْنِي كَانَ عَسِيفًا عَلَى هَذَا فَزَنَى بِامْرَأَتِهِ, وَإِنِّي أُخْبِرْتُ أَنَّ عَلَى ابْنِي الرَّجْمَ, فَافْتَدَيْتُ مِنْهُ بِمَائَةِ شَاةٍ وَوَلِيدَةٍ, فَسَأَلَتُ أَهْلَ الْعِلْمِ, فَأَخْبَرُونِي: أَنَّمَا عَلَى ابْنِيْ جَلْدُ مَائَةٍ وَتَغْرِيبُ عَامٍ, وَأَنَّ عَلَى امْرَأَةِ هَذَا الرَّجْمَ, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ, لَأَقْضِيَنَّ بَيْنَكُمَا بِكِتَابِ اللَّهِ, الْوَلِيدَةُ وَالْغَنَمُ رَدٌّ عَلَيْكَ, وَعَلَى ابْنِكَ جَلْدُ مِائَةٍ وَتَغْرِيبُ عَامٍ, وَاغْدُ يَا أُنَيْسُ إِلَى امْرَأَةِ هَذَا, فَإِنْ اعْتَرَفَتْ فَارْجُمْهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, هَذَا وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ

-

صحيح. رواه البخاري (5/ 301/فتح)، ومسلم (3324 - 1325) وتمامه: فغدا عليها. فاعترفت. فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فرجمت

عن ابي هريرة - رضي الله عنه - وزيد بن خالد الجهني رضي الله عنهما - ان رجلا من الاعراب اتى رسول الله - صلى الله عليه وسلم. فقال: يا رسول الله! انشدك بالله الا قضيت لي بكتاب الله, فقال الاخر - وهو افقه منه - نعم. فاقض بيننا بكتاب الله, واذن لي, فقال: «قل». قال: ان ابني كان عسيفا على هذا فزنى بامراته, واني اخبرت ان على ابني الرجم, فافتديت منه بماىة شاة ووليدة, فسالت اهل العلم, فاخبروني: انما على ابني جلد ماىة وتغريب عام, وان على امراة هذا الرجم, فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «والذي نفسي بيده, لاقضين بينكما بكتاب الله, الوليدة والغنم رد عليك, وعلى ابنك جلد ماىة وتغريب عام, واغد يا انيس الى امراة هذا, فان اعترفت فارجمها». متفق عليه, هذا واللفظ لمسلم - صحيح. رواه البخاري (5/ 301/فتح)، ومسلم (3324 - 1325) وتمامه: فغدا عليها. فاعترفت. فامر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم، فرجمت


Abu Hurairah and Zaid bin Khalid al-Juhani (RAA) narrated that a Bedouin came to the Prophet (ﷺ) and said, 'O Messenger of Allah! I beseech you by Allah, that you judge between us according to Allah's laws' The man's opponent who was wiser than him got up and said, 'Yes, judge between us according to Allah's Law and kindly allow me (to speak).' The Prophet (ﷺ) said:

"Speak." He said, 'My son was a laborer working for that man (the Bedouin) and he committed illegal sexual intercourse with his wife, and I was informed that my son deserved to be stoned to death (as punishment for this offence). I ransomed him with one hundred sheep and a slave girl. But when I asked the knowledgeable people they told me that my son should receive a hundred lashes and be exiled for a year, and the man's wife should be stoned to death. The Messenger of Allah (ﷺ) replied, "By Him in Whose Hands my soul is, I shall judge between you according to the Law of Allah (i.e. His Book). The slave girl and the sheep are to be returned to you. As for your son, he has to receive one hundred lashes and be exiled for a year. O Unais! Go to this man's wife, and if she confesses, then stone her to death." Agreed upon, and this is Muslim's version.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - বেত্ৰাঘাত এবং পাথর নিক্ষেপ করা প্রসঙ্গে

১২০৬। উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার কাছ থেকে নাও আমার কাছে থেকে নাও, অবশ্য আল্লাহ ব্যভিচারিণীদের জন্য ব্যবস্থা করেছেন; তা হচ্ছে, কুমার-কুমারী ব্যভিচার করলে তাদের শাস্তি হবে- একশত বেত্ৰাঘাত ও এক বছরের জন্য দেশ হতে বহিষ্কার করা, আর বিবাহিত পুরুষ ও বিবাহিতা স্ত্রীলোক যিনা করলে তাদের প্রত্যেককে একশ করে দুররা মারা ও রজম (পাথর নিক্ষেপে হত্যা) করা হবে।[1]

وَعَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «خُذُوا عَنِّي, خُذُوا عَنِّي, فَقَدْ جَعَلَ اللَّهُ لَهُنَّ سَبِيلًا, الْبِكْرُ بِالْبِكْرِ جَلْدُ مِائَةٍ, وَنَفْيُ سَنَةٍ, وَالثَّيِّبُ بِالثَّيِّبِ جَلْدُ مِائَةٍ, وَالرَّجْمُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

-

صحيح. رواه مسلم (1690)

وعن عبادة بن الصامت - رضي الله عنه - قال: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «خذوا عني, خذوا عني, فقد جعل الله لهن سبيلا, البكر بالبكر جلد ماىة, ونفي سنة, والثيب بالثيب جلد ماىة, والرجم». رواه مسلم - صحيح. رواه مسلم (1690)


'Ubadah bin As-Samit (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Receive from me (this revelation), receive from me (this revelation). Allah has ordained a way for those women (unmarried females who committed adultery). When an unmarried man, commits adultery with an unmarried woman, they should receive one hundred lashes and be exiled for a year. If they (fornicate while they) were married, they shall receive hundred lashes and be stoned to death. Reported by Muslim.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - যিনার অপরাধের স্বীকারোক্তি এবং তা একাধিকবার স্বীকার করা শর্ত কিনা?

১২০৭। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, এক মুসলিম ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল। তিনি তখন মসজিদে ছিলেন। সে তাঁকে ডেকে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমি যিনা করেছি। তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এভাবে কথাটি সে চারবার বলল। যখন সে নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য দিল তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার মধ্যে কি পাগলামির দোষ আছে? সে বলল, না। তিনি বললেন: তাহলে কি তুমি বিবাহিতা? সে বলল, হ্যাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা তাকে নিয়ে যাও আর পাথর মেরে হত্যা করো।[1]

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: أَتَى رَجُلٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَهُوَ فِي الْمَسْجِدِ - فَنَادَاهُ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي زَنَيْتُ, فَأَعْرَضَ عَنْهُ, فَتَنَحَّى تِلْقَاءَ وَجْهِهِ, فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي زَنَيْتُ, فَأَعْرَضَ عَنْهُ, حَتَّى ثَنَّى ذَلِكَ عَلَيْهِ أَرْبَعَ مَرَّاتٍ, فَلَمَّا شَهِدَ عَلَى نَفْسِهِ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ. دَعَاهُ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ «أَبِكَ جُنُونٌ» قَالَ. لَا. قَالَ: «فَهَلْ أَحْصَنْتَ». قَالَ: نَعَمْ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «اذْهَبُوا بِهِ فَارْجُمُوهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح رواه البخاري (5271)، ومسلم (1691) (16)

وعن ابي هريرة - رضي الله عنه - قال: اتى رجل من المسلمين رسول الله - صلى الله عليه وسلم - وهو في المسجد - فناداه فقال: يا رسول الله! اني زنيت, فاعرض عنه, فتنحى تلقاء وجهه, فقال: يا رسول الله! اني زنيت, فاعرض عنه, حتى ثنى ذلك عليه اربع مرات, فلما شهد على نفسه اربع شهادات. دعاه رسول الله - صلى الله عليه وسلم - فقال «ابك جنون» قال. لا. قال: «فهل احصنت». قال: نعم. فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - «اذهبوا به فارجموه». متفق عليه - صحيح رواه البخاري (5271)، ومسلم (1691) (16)


Abu Hurairah (RAA) narrated, 'A Muslim man came to the Prophet (ﷺ) while he was in the mosque, and called him saying, 'O Messenger of Allah! I have committed adultery.' The Messenger of Allah (ﷺ) turned his face away from him, so the man came round (from the other side) towards his face and said, 'O Messenger of Allah! I have committed adultery.' The Messenger of Allah (ﷺ) again turned his face away from him, but the man repeated his statement four times. When he testified four times that he did it, the Messenger of Allah (ﷺ) called him saying, "Are you insane?" The man said, 'No.' The Messenger of Allah (ﷺ) then asked him, "Are you married?" The man answered, 'Yes.' The Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Take him away and stone him (to death)." Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - ব্যভিচারের স্বীকারোক্তিকারীকে বার বার জিজ্ঞেস করা যাতে শাস্তি থেকে রক্ষা পায়

১২০৮। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, যখন মায়িয ইবনু মালিক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এল তখন তাকে বললেন সম্ভবত তুমি চুম্বন করেছ অথবা ইশারা করেছ অথবা (খারাপ দৃষ্টিতে) তাকিয়েছ? সে বলল, না, হে আল্লাহর রসূল![1]

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: لَمَّا أَتَى مَاعِزُ بْنُ مَالِكٍ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لَهُ: «لَعَلَّكَ قَبَّلْتَ, أَوْ غَمَزْتَ, أَوْ نَظَرْتَ» قَالَ: لَا، يَا رَسُولَ اللَّهِ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

-

صحيح. رواه البخاري (6824) وتمامه: قال: أنكتها -لا يكني- قال: فعند ذلك أمر برجمه

وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال: لما اتى ماعز بن مالك الى النبي - صلى الله عليه وسلم - قال له: «لعلك قبلت, او غمزت, او نظرت» قال: لا، يا رسول الله. رواه البخاري - صحيح. رواه البخاري (6824) وتمامه: قال: انكتها -لا يكني- قال: فعند ذلك امر برجمه


Ibn 'Abbas (RAA) narrated, 'When Ma'iz came to the Prophet (ﷺ) (admitting that he had committed adultery), he said to him, "Perhaps you have just kissed, or touched or looked (at the woman)." Ma'iz said,'No, O Messenger of Allah.' Related by Al-Bukhari.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - যা দ্বারা ব্যভিচার সাব্যস্ত হয়

১২০৯। ’উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি তাঁর ভাষণে বলেছিলেন: নিশ্চয় আল্লাহ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন। আর তাঁর উপর কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। এবং আল্লাহর অবতীর্ণ বিষয়াদির একটি ছিল রজমের আয়াত। আমরা সে আয়াত পড়েছি, বুঝেছি, আয়ত্ত করেছি। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাথর মেরে হত্যা করেছেন। আমরাও তাঁর পরে পাথর মেরে হত্যা করেছি। আমি আশংকা করছি যে, দীর্ঘকাল অতিবাহিত হবার পর কোন লোক এ কথা বলে ফেলতে পারে যে, আল্লাহর কসম!! আমরা আল্লাহর কিতাবে পাথর মেরে হত্যার আয়াত পাচ্ছি না। ফলে তারা এমন একটি ফরয ত্যাগের কারণে পথভ্রষ্ট হবে, যা আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন। আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী ঐ ব্যক্তির উপর পাথর মেরে হত্যা অবধারিত যে বিবাহিত হবার পর যিনা করবে, সে পুরুষ হোক বা নারী, যখন সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যাবে অথবা গর্ভ বা স্বীকারোক্তি পাওয়া যাবে।[1]

وَعَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ - رضي الله عنه - أَنَّهُ خَطَبَ فَقَالَ: إِنَّ اللَّهَ بَعَثَ مُحَمَّدًا بِالْحَقِّ, وَأَنْزَلَ عَلَيْهِ الْكِتَابَ, فَكَانَ فِيمَا أَنْزَلَ اللَّهُ عَلَيْهِ آيَةُ الرَّجْمِ. قَرَأْنَاهَا وَوَعَيْنَاهَا وَعَقَلْنَاهَا, فَرَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَرَجَمْنَا بَعْدَهُ, فَأَخْشَى إِنْ طَالَ بِالنَّاسِ زَمَانٌ أَنْ يَقُولَ قَائِلٌ: مَا نَجِدُ الرَّجْمَ فِي كِتَابِ اللَّهِ, فَيَضِلُّوا بِتَرْكِ فَرِيضَةٍ أَنْزَلَهَا اللَّهُ, وَإِنَّ الرَّجْمَ حَقٌّ فِي كِتَابِ اللَّهِ عَلَى مَنْ زَنَى, إِذَا أُحْصِنَ مِنَ الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ, إِذَا قَامَتْ الْبَيِّنَةُ, أَوْ كَانَ الْحَبَلُ, أَوْ الِاعْتِرَافُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (6829) و (6830) في حديث طويل، ومسلم (1691) واللفظ لمسلم

وعن عمر بن الخطاب - رضي الله عنه - انه خطب فقال: ان الله بعث محمدا بالحق, وانزل عليه الكتاب, فكان فيما انزل الله عليه اية الرجم. قراناها ووعيناها وعقلناها, فرجم رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ورجمنا بعده, فاخشى ان طال بالناس زمان ان يقول قاىل: ما نجد الرجم في كتاب الله, فيضلوا بترك فريضة انزلها الله, وان الرجم حق في كتاب الله على من زنى, اذا احصن من الرجال والنساء, اذا قامت البينة, او كان الحبل, او الاعتراف. متفق عليه - صحيح. رواه البخاري (6829) و (6830) في حديث طويل، ومسلم (1691) واللفظ لمسلم


'Umar bin al-Khattab (RAA) narrated that he addressed the people and said, 'Verily Allah has sent Muhammad with the Truth and sent down the Book to him, and the verse of stoning was included in what Allah sent down. We recited, memorized and comprehended it. The Messenger of Allah (ﷺ) accordingly (to what was in the verse) stoned to death (whoever committed adultery while being married), and we stoned after his death. But I am afraid that after a long time passes, someone may say, 'We do not find the Verses of stoning in Allah's Book, and thus they may go astray by abandoning an obligation that Allah has sent down. Verily, stoning is an obligation in the Book of Allah to be inflicted on married men and women who commit adultery, when their crime is proven, evident by pregnancy, or through the confession (of the adulterer).' Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - দাসীর ব্যভিচার করার বিধান

১২১০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছি, তোমাদের কোন দাসী ব্যভিচার করলে এবং তার ব্যভিচার প্রমাণিত হলে তাকে ’হদ’ স্বরূপ বেত্ৰাঘাত করবে এবং তাকে ভর্ৎসনা করবে না। এরপর যদি সে আবার ব্যভিচার করে তাকে ’হদ’ হিসাবে বেত্ৰাঘাত করবে। কিন্তু তাকে ভর্ৎসনা করবে না। তারপর সে যদি তৃতীয়বার ব্যভিচার করে এবং তার ব্যভিচার প্রমাণিত হয় তবে তাকে বিক্রি করে দেবে, যদিও তা চুলের রাশির (তুচ্ছ মূল্যের) বিনিময়ে হয়।[1]

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «إِذَا زَنَتْ أَمَةُ أَحَدِكُمْ, فَتَبَيَّنَ زِنَاهَا, فَلْيَجْلِدْهَا الْحَدَّ, وَلَا يُثَرِّبْ عَلَيْهَا, ثُمَّ إِنْ زَنَتْ فَلْيَجْلِدْهَا الْحَدَّ, وَلَا يُثَرِّبْ عَلَيْهَا, ثُمَّ إِنْ زَنَتِ الثَّالِثَةَ, فَتَبَيَّنَ زِنَاهَا, فَلْيَبِعْهَا وَلَوْ بِحَبْلٍ مِنْ شَعَرٍ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ وَهَذَا لَفْظُ مُسْلِمٍ

-

صحيح. رواه البخاري (2152)، ومسلم (1703)

وعن ابي هريرة - رضي الله عنه - سمعت رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقول: «اذا زنت امة احدكم, فتبين زناها, فليجلدها الحد, ولا يثرب عليها, ثم ان زنت فليجلدها الحد, ولا يثرب عليها, ثم ان زنت الثالثة, فتبين زناها, فليبعها ولو بحبل من شعر». متفق عليه وهذا لفظ مسلم - صحيح. رواه البخاري (2152)، ومسلم (1703)


Abu Hurairah (RAA) narrated, 'I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say, "When the slave-woman of one of you commits adultery and she is proven guilty (through witnesses or confession), he should flog her as prescribed (for the slave woman), but he should not admonish her. If she does this again, then she should be flogged again but he should not admonish her. If she commits it for the third time, and she is proven guilty, then he must sell her even if it was for a rope of hair." Agreed upon, and the wording is from Muslim.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - মনিব স্বীয় দাসের উপর হাদ্দ কায়েম করবে

১২১১। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের দাস-দাসীর উপরও দণ্ড জারী করবে। আবূ দাউদ মুসলিমে হাদীসটি মাওকুফ হিসেবে বর্ণিত আছে।[1]

وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَقِيمُوا الْحُدُودَ عَلَى مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

وَهُوَ فِي «مُسْلِمٍ» مَوْقُوفٌ

-

ضعيف مرفوعا. رواه أبو داود (4473)، مرفوعا وفي سنده ضعيف

حسن. رواه مسلم (1705)، عن أبي عبد الرحمن قال: خطب علي فقال: يا أيها الناس! أقيموا على أرقائكم الحد. من أحصن منهم ومن لم يحصن. فإن أمة لرسول الله صلى الله عليه وسلم زنت، فأمرني أن أجلدها، فإذا هي حديث عهد بنفاس. فخشيت إن أنا جلدتها أن أقتلها، فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم. فقال: أحسنت

وعن علي - رضي الله عنه - قال: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «اقيموا الحدود على ما ملكت ايمانكم». رواه ابو داود وهو في «مسلم» موقوف - ضعيف مرفوعا. رواه ابو داود (4473)، مرفوعا وفي سنده ضعيف حسن. رواه مسلم (1705)، عن ابي عبد الرحمن قال: خطب علي فقال: يا ايها الناس! اقيموا على ارقاىكم الحد. من احصن منهم ومن لم يحصن. فان امة لرسول الله صلى الله عليه وسلم زنت، فامرني ان اجلدها، فاذا هي حديث عهد بنفاس. فخشيت ان انا جلدتها ان اقتلها، فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم. فقال: احسنت


'Ali (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Inflict the prescribed punishment to those whom you possess (i.e. your slaves)." Related by Abu Dawud and Muslim (but only traced to the Companion).


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত গর্ভবতীর রজম (পাথর নিক্ষেপ করা) বিলম্বিত করা

১২১২। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত; জুহাইনাহ গোত্রের কোন এক স্ত্রীলোক যিনার দ্বারা অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে হাজির হয়ে বললঃ হে আল্লাহর নবী! আমি হদ্দের উপযুক্ত হয়েছি, আপনি আমার উপর যিনার হদ্দ ক্বায়িম করুন (প্রস্তরাঘাতে হত্যা করে আমার প্রায়শ্চিত্ত বা তাওবার ব্যবস্থা করুন)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ওয়ালীকে (অভিভাবককে) ডাকালেন ও বললেন, তার সাথে ভাল ব্যবহার কর, সন্তান প্রসব করলে আমার নিকটে তাকে নিয়ে এসো।

অভিভাবক তাই করলো (সন্তান প্রসব করার পর তাকে নবীর দরবারে নিয়ে এলো); রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পরনের কাপড় শক্ত করে বেঁধে দিতে আদেশ করলেন, তারপর তার আদেশত্রুমে তাকে রজম করা হলো। তারপর তার জানাযা নামায পড়ালেন। উমার (রাঃ) বললেন: হে আল্লাহর নবী! সে ব্যভিচার করেছে তবু আপনি তার জানাযা নামায পড়লেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বলেন, সে তো এমন তওবা করেছে যে, যদি তা মদীনাবাসীর ৭০ জনের মধ্যে বন্টন করে দেয়া হয় তবে তাদের জন্য তার এ তওবা যথেষ্ট হয়ে যাবে। (হে উমার!) তুমি কি এর চেয়ে উৎকৃষ্ট কোন ব্যক্তি পেয়েছ? যে স্বয়ং আল্লাহর জন্য প্রাণ বিসর্জন করেছে। সহীহ মুসলিম[1]

وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ حَصِينٍ - رضي الله عنه: أَنَّ امْرَأَةً مِنْ جُهَيْنَةَ أَتَتْ نَبِيَّ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَهِيَ حُبْلَى مِنَ الزِّنَا - فَقَالَتْ: يَا نَبِيَّ اللَّهِ! أَصَبْتُ حَدًّا, فَأَقِمْهُ عَلَيَّ, فَدَعَا نَبِيُّ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَلِيَّهَا. فَقَالَ: «أَحْسِنْ إِلَيْهَا فَإِذَا وَضَعَتْ فَائْتِنِي بِهَا». فَفَعَلَ. فَأَمَرَ بِهَا فَشُكَّتْ عَلَيْهَا ثِيَابُهَا, ثُمَّ أَمَرَ بِهَا فَرُجِمَتْ, ثُمَّ صَلَّى عَلَيْهَا, فَقَالَ عُمَرُ: أَتُصَلِّي عَلَيْهَا يَا نَبِيَّ اللَّهِ وَقَدْ زَنَتْ فَقَالَ: «لَقَدْ تَابَتْ تَوْبَةً لَوْ قُسِّمَتْ بَيْنَ سَبْعِينَ مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ لَوَسِعَتْهُمْ, وَهَلْ وَجَدَتْ أَفَضَلَ مِنْ أَنْ جَادَتْ بِنَفْسِهَا لِلَّهِ?». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

-

صحيح رواه مسلم (1696)

وعن عمران بن حصين - رضي الله عنه: ان امراة من جهينة اتت نبي الله - صلى الله عليه وسلم - وهي حبلى من الزنا - فقالت: يا نبي الله! اصبت حدا, فاقمه علي, فدعا نبي الله - صلى الله عليه وسلم - وليها. فقال: «احسن اليها فاذا وضعت فاىتني بها». ففعل. فامر بها فشكت عليها ثيابها, ثم امر بها فرجمت, ثم صلى عليها, فقال عمر: اتصلي عليها يا نبي الله وقد زنت فقال: «لقد تابت توبة لو قسمت بين سبعين من اهل المدينة لوسعتهم, وهل وجدت افضل من ان جادت بنفسها لله?». رواه مسلم - صحيح رواه مسلم (1696)


'Imran bin Husain (RAA) narrated, 'A woman from Juhainah came to the Prophet (ﷺ) while she was pregnant due to committing adultery and said, 'O Messenger of Allah! I have done something for which a prescribed punishment is to be inflicted, so please inflict it on me. The Messenger of Allah (ﷺ) called her guardian and said, "Be good to her, and when she delivers bring her back to me." Her guardian brought her back when she had delivered and the Messenger of Allah (ﷺ) gave his commands and her clothes were tied around her and then the Prophet (ﷺ) gave his commands and she was stoned to death. The Messenger of Allah (ﷺ) offered funeral prayer for her and thereupon 'Umar said, 'O Messenger of Allah! You offer funeral prayer for her even though she committed adultery?' The Messenger of Allah (ﷺ) replied, "She has offered such a repentance (for her sin) that if it was divided between seventy of the inhabitants of Madinah, it would be sufficient for them. Have you found such repentance better than sacrificing her life for the sake of Allah, the Almighty?" Related by Muslim.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - আহলে কিতাবের বিবাহিত ব্যক্তিকে রজম মারা

১২১৩। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত; তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলাম গোত্রের একজন পুরুষ, একজন ইয়াহুদী পুরুষ ও একজন রমণীকে রজম করেছিলেন। মুসলিম[1]

وَعَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: رَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - رَجُلًا مَنْ أَسْلَمَ, وَرَجُلًا مِنَ الْيَهُودِ, وَامْرَأَةً. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

-

صحيح. رواه مسلم (1701) وفي رواية عنده: «وامرأته» والمراد بذلك: المرأة التي زنا بها، وليست زوجته

وعن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما قال: رجم رسول الله - صلى الله عليه وسلم - رجلا من اسلم, ورجلا من اليهود, وامراة. رواه مسلم - صحيح. رواه مسلم (1701) وفي رواية عنده: «وامراته» والمراد بذلك: المراة التي زنا بها، وليست زوجته


Jabir bin 'Abdullah (RAA) narrated, "The Messenger of Allah (ﷺ) stoned a man from Aslam to death, a Jewish man and a woman. Related by Muslim.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - আহলে কিতাবের বিবাহিত ব্যক্তিকে রজম মারা

১২১৪। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; দুজন ইয়াহুদীকে রজম করা প্রসঙ্গে বুখারী ও মুসলিমের হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। বুখারী[1]

وَقِصَّةُ رَجْمِ الْيَهُودِيَّيْنِ فِي «الصَّحِيحَيْنِ» مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ

-

انظر البخاري (6841)، ومسلم (1699)

وقصة رجم اليهوديين في «الصحيحين» من حديث ابن عمر - انظر البخاري (6841)، ومسلم (1699)


The story of stoning the two Jews is mentioned in Al-Bukhari and Muslim on the authority of Ibn 'Umar.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - অসুস্থ ব্যক্তির উপর হাদ্দ জারী করা প্রসঙ্গে

১২১৫। সাঈদ ইবনু সা’দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমাদের মহল্লায় একটা জীর্ণ শীর্ণ ক্ষুদ্র লোক বাস করত। সে তাদের কোন এক দাসীর সাথে নোংরা কাজ (যিনা) করে ফেলে। ফলে সা’দ এ ঘটনা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে ব্যক্ত করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: ওর উপর হদ্দ জারি করো। লোকেরা বললো: সে এর থেকে অনেক দুর্বল (একশ দুররা তো বরদাস্ত করার কোন শক্তি ওর নেই)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: একটা ডাল, নাও, যাতে একশো শাখা থাকে, তারপর তাকে ঐটি দিয়ে একবার প্রহার কর ফলে লোকেরা তাই করলো।[1]

وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَ بَيْنَ أَبْيَاتِنَا رُوَيْجِلٌ ضَعِيفٌ, فَخَبَثَ بِأَمَةٍ مِنْ إِمَائِهِمْ, فَذَكَرَ ذَلِكَ سَعْدٌ لِرَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «اضْرِبُوهُ حَدَّهُ». فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّهُ أَضْعَفُ مِنْ ذَلِكَ, فَقَالَ: «خُذُوا عِثْكَالًا فِيهِ مِائَةُ شِمْرَاخٍ, ثُمَّ اضْرِبُوهُ بِهِ ضَرْبَةً وَاحِدَةً». فَفَعَلُوا. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالنَّسَائِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَإِسْنَادُهُ حَسَنٌ. لَكِنْ اخْتُلِفَ فِي وَصْلِهِ وَإِرْسَالِهِ

-

صحيح. رواه أحمد (522)، والنسائي في «الكبرى» (4/ 313)، وابن ماجه (2754)

وعن سعيد بن سعد بن عبادة رضي الله عنهما قال: كان بين ابياتنا رويجل ضعيف, فخبث بامة من اماىهم, فذكر ذلك سعد لرسول الله - صلى الله عليه وسلم - فقال: «اضربوه حده». فقالوا: يا رسول الله! انه اضعف من ذلك, فقال: «خذوا عثكالا فيه ماىة شمراخ, ثم اضربوه به ضربة واحدة». ففعلوا. رواه احمد, والنساىي, وابن ماجه, واسناده حسن. لكن اختلف في وصله وارساله - صحيح. رواه احمد (522)، والنساىي في «الكبرى» (4/ 313)، وابن ماجه (2754)


Sa'id bin Sa'd bin 'Ubadah (RAA) narrated, 'A small weak man was staying in our tribe, and he committed adultery with one of their slave-women. Sa'd mentioned this to the Messenger of Allah (ﷺ), and thereupon he said, "Flog him (according to) the prescribed penalty." The people then said, 'O Messenger of Allah! He is too weak to bear it.' The Messenger of Allah (ﷺ) then said, "Get a stalk of the raceme of a palm tree with a hundred twigs and strike him just once." So, they did. Related by Ahmad, An-Nasa'i and Ibn Majah with a good chain of narrators.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - যে ব্যক্তি লুত সম্প্রদায়ের ন্যায় সমকামীতে লিপ্ত হবে অথবা কোন জন্তুর সাথে ব্যভিচার করবে তার বিধান

১২১৬। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাকে তোমরা লুত (আঃ) এর কওমের ন্যায় পুরুষে পুরুষে ব্যভিচার করতে দেখবে তাদের উভয়কে হত্যা করবে, আর যাকে কোন জন্তুর সাথে ব্যভিচার করতে দেখবে তাকে এবং জন্তুটিকেও হত্যা করবে।[1]

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ وَجَدْتُمُوهُ يَعْمَلُ عَمَلَ قَوْمِ لُوطٍ, فَاقْتُلُوا الْفَاعِلَ وَالْمَفْعُولَ بِهِ, وَمَنْ وَجَدْتُمُوهُ وَقَعَ عَلَى بَهِيمَةٍ, فَاقْتُلُوهُ وَاقْتُلُوا الْبَهِيمَةَ». رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالْأَرْبَعَةُ, وَرِجَالُهُ مُوَثَّقُونَ, إِلَّا أَنَّ فِيهِ اِخْتِلَافًا

-

حسن. رواه أحمد (1/ 300)، وأبو داود (4462)، والنسائي (4/ 322)، الترمذي (1456)، وابن ماجه (1561) وهذا الحديث في الحقيقة حديثان جمعهما الحافظ هنا الأول حديث عمل قوم لوط، وهو المخرج هنا، والثاني حديث الوقوع على البهيمة وهو عندهم أيضا. وسند الأول هو سند الثاني، وفيه عمرو بن أبي عمرو، وهو حسن الحديث

وعن ابن عباس رضي الله عنهما; ان النبي - صلى الله عليه وسلم - قال: «من وجدتموه يعمل عمل قوم لوط, فاقتلوا الفاعل والمفعول به, ومن وجدتموه وقع على بهيمة, فاقتلوه واقتلوا البهيمة». رواه احمد والاربعة, ورجاله موثقون, الا ان فيه اختلافا - حسن. رواه احمد (1/ 300)، وابو داود (4462)، والنساىي (4/ 322)، الترمذي (1456)، وابن ماجه (1561) وهذا الحديث في الحقيقة حديثان جمعهما الحافظ هنا الاول حديث عمل قوم لوط، وهو المخرج هنا، والثاني حديث الوقوع على البهيمة وهو عندهم ايضا. وسند الاول هو سند الثاني، وفيه عمرو بن ابي عمرو، وهو حسن الحديث


Ibn 'Abbas (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Whoever you find doing as the people of Lot did (i.e. homosexuality), kill the one who does it and the one to whom it is done, and if you find anyone having sexual intercourse with animal, kill him and kill the animal." Related by Ahmad and the four Imams with a trustworthy chain of narrators.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - দেশ থেকে বিতাড়িত করার বিধান এখনও চালু রয়েছে, রহিত করা হয়নি

১২১৭। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হদ্দের দুররা মেরেছেন (মারিয়েছেন) ও দেশ হতে বিতাড়িত করেছেন। আবূ বকর (রাঃ) তার খিলাফতকালে দুররা মেরেছেন ও দেশ হতে বিতাড়িত করেছেন। উমার (রাঃ) দুররা মেরেছেন ও দেশ হতে বিতাড়িত করেছেন।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - ضَرَبَ وَغَرَّبَ وَأَنَّ أَبَا بَكْرٍ ضَرَبَ وَغَرَّبَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ, إِلَّا أَنَّهُ اخْتُلِفَ فِي رَفْعِهِ, وَوَقْفِهِ

-

صحيح. رواه الترمذي (1438)، وزاد: «وأن عمر ضرب وغرب». وسنده صحيح،، ولا يضر من رفعه -وهو ثقات- وقف من وقفه. والله أعلم

وعن ابن عمر رضي الله عنهما: ان النبي - صلى الله عليه وسلم - ضرب وغرب وان ابا بكر ضرب وغرب. رواه الترمذي, ورجاله ثقات, الا انه اختلف في رفعه, ووقفه - صحيح. رواه الترمذي (1438)، وزاد: «وان عمر ضرب وغرب». وسنده صحيح،، ولا يضر من رفعه -وهو ثقات- وقف من وقفه. والله اعلم


Ibn 'Umar (RAA) narrated, "The Messenger of Allah (ﷺ) applied the punishment of flogging and also that of exile, Abu Bakr (RAA) applied the punishments of flogging and exile and also 'Umar applied them." Related by At-Tirmidhi with a trustworthy chain of narrators, but scholars differed over its being traced back to the Prophet (ﷺ) or only to the companion.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - পুরুষের মেয়েলী সাজে সজ্জিত হয়ে মেয়েদের কাছে প্ৰবেশ করার বিধান

১২১৮। ইবনু ’আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা’নত করেছেন নারীরূপী পুরুষ ও পুরুষরূপী নারীদের উপর এবং বলেছেনঃ তাদেরকে বের করে দাও তোমাদের ঘর হতে এবং তিনি অমুক অমুককে বের করে দিয়েছেন।[1]

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - الْمُخَنَّثِينَ مِنَ الرِّجَالِ, وَالْمُتَرَجِّلَاتِ مِنَ النِّسَاءِ, وَقَالَ: «أَخْرِجُوهُمْ مِنْ بُيُوتِكُمْ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

-

صحيح. رواه البخاري (6834)

وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال: لعن رسول الله - صلى الله عليه وسلم - المخنثين من الرجال, والمترجلات من النساء, وقال: «اخرجوهم من بيوتكم». رواه البخاري - صحيح. رواه البخاري (6834)


Ibn 'Abbas (RAA) narrated, "The Messenger of Allah (ﷺ) cursed men who are effeminate and women who take the similitude of men, and said, "Get them out of your homes." Related by Al-Bukhari.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - সন্দেহের অবকাশ থাকলে হাদ্দকে প্ৰতিহত করা প্রসঙ্গে

১২১৯। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সম্ভব হলে হদ্দকে এড়িয়ে চলো (হদ্দ জারি করবে না-বাধ্য হলে করবে)।[1]

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «ادْفَعُوا الْحُدُودَ, مَا وَجَدْتُمْ لَهَا مَدْفَعًا». أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ, وَإِسْنَادُهُ ضَعِيفٌ

-

ضعيف. رواه ابن ماجه (2545)

وعن ابي هريرة - رضي الله عنه - قال: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «ادفعوا الحدود, ما وجدتم لها مدفعا». اخرجه ابن ماجه, واسناده ضعيف - ضعيف. رواه ابن ماجه (2545)


Abu Hurairah (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Avert the infliction of the prescribed punishment as long as you find a way out (i.e. to avoid their infliction). Related by Ibn Majah with a weak chain of narrators.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - সন্দেহের অবকাশ থাকলে হাদ্দকে প্ৰতিহত করা প্রসঙ্গে

১২২০। আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিরমিযীতে এরূপ শব্দে আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: সাধ্যানুযায়ি মুসলিমদের উপর হতে হদ্দকে প্রতিহত কর।[1]

وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَالْحَاكِمُ: مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا بِلَفْظِ: «ادْرَأُوا الْحُدُودَ عَنِ الْمُسْلِمِينَ مَا اسْتَطَعْتُمْ». وَهُوَ ضَعِيفٌ أَيْضًا

-

ضعيف جدا. رواه الترمذي (1424)، والحاكم (4/ 384)، وتمامه: «فإن كان له مخرج فخلوا سبيله، فإن الإمام إن يخطئ في العفو خير من أن يخطئ في العقوبة». قلت: وفي سنده يزيد بن زياد الدمشقي وهو متروك

واخرجه الترمذي, والحاكم: من حديث عاىشة رضي الله عنها بلفظ: «ادراوا الحدود عن المسلمين ما استطعتم». وهو ضعيف ايضا - ضعيف جدا. رواه الترمذي (1424)، والحاكم (4/ 384)، وتمامه: «فان كان له مخرج فخلوا سبيله، فان الامام ان يخطى في العفو خير من ان يخطى في العقوبة». قلت: وفي سنده يزيد بن زياد الدمشقي وهو متروك


At-Tirmidhi and Al-Hakim transmitted on the authority of 'Aishah (RAA) with the wording, 'Allah's Messenger (ﷺ) said:
"Avert infliction of the prescribed punishment on the Muslims as much as you can." It is also a weak hadith.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - সন্দেহের অবকাশ থাকলে হাদ্দকে প্ৰতিহত করা প্রসঙ্গে

১২২১। আলী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত; তিনি বলেন: সন্দেহের অবকাশ থাকলে দণ্ডকে প্রতিহত করবে।[1]

وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ: عَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - (مِنْ) قَوْلِهِ بِلَفْظِ: «ادْرَأُوا الْحُدُودَ بِالشُّبُهَاتِ

-

ضعيف جدا أيضا. رواه البيهقي (838)

ورواه البيهقي: عن علي - رضي الله عنه - (من) قوله بلفظ: «ادراوا الحدود بالشبهات - ضعيف جدا ايضا. رواه البيهقي (838)


Al-Baihaqi transmitted on the authority of 'Ali (RAA) that he said, 'Avert the prescribed punishment by rejecting doubtful evidence.'


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ১. ব্যভিচারীর দণ্ড - যে ব্যক্তি কোন পাপ কাজ করে ফেলে তাহলে তার তা গোপন করা উচিত

১২২২। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যেসব নোংরা বস্তু হতে দূরে থাকার জন্য আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন তা হতে দূরে থাকবে। আল্লাহ না করুন যদি কেউ তাতে পড়েই যায়, তবে যেন সে তা গোপন করে নেয়- আল্লাহর পর্দা দিয়ে আর মহান আল্লাহর কাছে তওবা করে। কেননা যে ব্যক্তি নিজের রহস্যাবৃত বস্তুকে প্রকাশ করে ফেলবে তার উপরে আমরা আল্লাহর কিতাবের ফায়সালা জারি করব।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «اجْتَنِبُوا هَذِهِ الْقَاذُورَاتِ الَّتِي نَهَى اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا, فَمَنْ أَلَمَّ بِهَا فَلْيَسْتَتِرْ بِسِتْرِ اللَّهِ تَعَالَى, وَلِيَتُبْ إِلَى اللَّهِ تَعَالَى, فَإِنَّهُ مَنْ يَبْدِ لَنَا صَفْحَتَهُ نُقِمْ عَلَيْهِ كِتَابَ اللَّهِ - عز وجل». رَوَاهُ الْحَاكِمُ, وَهُوَ فِي «الْمُوْطَّإِ» مِنْ مَرَاسِيلِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ

-

صحيح. وهو مخرج في «مشكل الآثار» للطحاوي برقم (91)

وعن ابن عمر قال: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «اجتنبوا هذه القاذورات التي نهى الله تعالى عنها, فمن الم بها فليستتر بستر الله تعالى, وليتب الى الله تعالى, فانه من يبد لنا صفحته نقم عليه كتاب الله - عز وجل». رواه الحاكم, وهو في «الموطا» من مراسيل زيد بن اسلم - صحيح. وهو مخرج في «مشكل الاثار» للطحاوي برقم (91)


Ibn 'Umar (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Avoid these filthy practices which Allah, the Almighty has prohibited. He who commits any of these, should conceal with Allah's Most High Veil (i.e. should not speak about it), and should turn to Allah, the Most High in repentance, for if anyone uncovers his hidden sins (to us), we shall inflict on him the punishment prescribed by Allah, the Al-Mighty." Related by Al-Hakim and in Al-Muwatta' but traced to its narrator Zaid bin Aslam as hadith Mursal.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ২. যিনার অপবাদ প্রদানকারীর শাস্তি - যিনার অপবাদ প্রদানকারীর শাস্তির প্রমাণ

১২২৩। আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: যখন কুরআনে আমার উপর আরোপিত অপবাদ হতে মুক্তি সংক্রান্ত আয়াত অবতীর্ণ হলো তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিম্বারে উঠে দাঁড়ালেন ও এর উল্লেখ করলেন এবং কুরআনের আয়াত পাঠ করে শুনালেন। তারপর মিম্বার হতে অবতরণ করলেন, এবং দুজন পুরুষ (হাসসান ইবনু সাবিত, মিসতাহ ইবনু আসাসা) ও একজন স্ত্রীলোক (হামনা বিনতু জাহাশ)-কে তাঁর আদেশত্রুমে হদ্দ মারা হলো।[1]

عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: لَمَّا نَزَلَ عُذْرِي, قَامَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَلَى الْمِنْبَرِ, فَذَكَرَ ذَلِكَ وَتَلَا الْقُرْآنَ, فَلَمَّا نَزَلَ أَمَرَ بِرَجُلَيْنِ وَامْرَأَةٍ فَضُرِبُوا الْحَدَّ. أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ وَالْأَرْبَعَةُ
- وأشار إلِيه البخاري

-

حسن. رواه احمد (6/ 35)، وأبو داود (4474)، والنسائي في «الكبرى» (4/ 325)، والترمذي (3181)، وابن ماجه (2567) من طريق ابن إسحاق، عن عبد الله بن أبي بكر، عن عمرة، عن عائشة

عن عاىشة رضي الله عنها قالت: لما نزل عذري, قام رسول الله - صلى الله عليه وسلم - على المنبر, فذكر ذلك وتلا القران, فلما نزل امر برجلين وامراة فضربوا الحد. اخرجه احمد والاربعة - واشار اليه البخاري - حسن. رواه احمد (6/ 35)، وابو داود (4474)، والنساىي في «الكبرى» (4/ 325)، والترمذي (3181)، وابن ماجه (2567) من طريق ابن اسحاق، عن عبد الله بن ابي بكر، عن عمرة، عن عاىشة


'Aishah (RAA) narrated, 'When my vindication was revealed, the Prophet (ﷺ) mounted the pulpit and mentioned what happened and recited the verses of the Quran (which had been revealed). When he came down from the pulpit he ordered that two men and a women should be given the prescribed flogging (for this false accusation of 'Aishah (RAA) which is eighty lashes).' Related by Ahmad and the four Imams. Al-Bukhari refereed to it.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ২. যিনার অপবাদ প্রদানকারীর শাস্তি - স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করার বিধান

১২২৪। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: ইসলামের সর্বপ্রথম সংঘটিত লি’আন’ এজন্য ছিল যে, হিলাল ইবনু উমাইয়াহ তার স্ত্রীর সাথে শারীক ইবনু সাহিমার ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে (হিলালকে) বলেন, প্রমাণ উপস্থিত কর অন্যথায় তোমার পিঠের উপর অপবাদের হদ্দ মারা হবে।[1]

وَعَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - قَالَ: أَوَّلَ لِعَانٍ كَانَ فِي الْإِسْلَامِ أَنَّ شَرِيكَ بْنُ سَمْحَاءَ قَذَفَهُ هِلَالُ بْنُ أُمَيَّةَ بِامْرَأَتِهِ, فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْبَيِّنَةَ، وَإِلَّا فَحَدٌّ فِي ظَهْرِكَ». الْحَدِيثَ أَخْرَجَهُ أَبُو يَعْلَي, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ

-

صحيح. رواه أبو يعلي في «المسند» (2824) ولكن لفظه عنده: «يا هلال! أربعة شهود، وإلا ... » وهو مطول عنده

وعن انس بن مالك - رضي الله عنه - قال: اول لعان كان في الاسلام ان شريك بن سمحاء قذفه هلال بن امية بامراته, فقال له رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «البينة، والا فحد في ظهرك». الحديث اخرجه ابو يعلي, ورجاله ثقات - صحيح. رواه ابو يعلي في «المسند» (2824) ولكن لفظه عنده: «يا هلال! اربعة شهود، والا ... » وهو مطول عنده


Anas bin Malik (RAA) narrated, "The first Li'an that took place in Islam was when Hilal bin Umaiyah accused his wife of having committed adultery with Shuraik bin Sahma.' Thereupon the Messenger of Allah (ﷺ) said to him, "Either you produce evidence (for your claim) or you will receive punishment on your back (i.e. flogged for your accusation of it is false."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ২. যিনার অপবাদ প্রদানকারীর শাস্তি - স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করার বিধান

১২২৫। বুখারীতে হাদীসটি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে।[1]

وَهُوَ فِي الْبُخَارِيِّ نَحْوُهُ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ

-

روى البخاري (2671) عن ابن عباس؛ أن هلال بن أمية قذف امرأته عند النبي صلى الله عليه وسلم بشريك بن سمحاء، فقال النبي صلى الله عليه وسلم «البينة أو حد في ظهرك» فقال: يا رسول الله إذا رأى أحدنا على امرأته رجلا ينطلق يلتمس البينة؟ فجعل يقول: «البينةَ، وإلا حد في ظهرك

وهو في البخاري نحوه من حديث ابن عباس - روى البخاري (2671) عن ابن عباس؛ ان هلال بن امية قذف امراته عند النبي صلى الله عليه وسلم بشريك بن سمحاء، فقال النبي صلى الله عليه وسلم «البينة او حد في ظهرك» فقال: يا رسول الله اذا راى احدنا على امراته رجلا ينطلق يلتمس البينة؟ فجعل يقول: «البينة، والا حد في ظهرك


Al-Bukhari related a similar hadith on the authority of Ibn 'Abbas (RAA).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ২. যিনার অপবাদ প্রদানকারীর শাস্তি - দাসের প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করার শাস্তি

১২২৬। আব্দুল্লাহ ইবনু আমির ইবনু রাবীআহ (রহঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি আবূ বকর, উমার ও উসমান (রাঃ) খলীফাদের এবং তাদের পরবর্তী খলিফাগণের যুগও পেয়েছি- তারা কেউ দাসের উপর অপবাদের হদ্দ ৪০ কোড়া ছাড়া (আর বেশি) মারতেন না।

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرٍ بْنِ رَبِيعَةَ قَالَ: لَقَدْ أَدْرَكَتُ أَبَا بَكْرٍ, وَعُمَرَ, وَعُثْمَانَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ, وَمِنْ بَعْدَهُمْ, فَلَمْ أَرَهُمْ يَضْرِبُونَ الْمَمْلُوكَ فِي الْقَذْفِ إِلَّا أَرْبَعِينَ. رَوَاهُ مَالِكٌ, وَالثَّوْرِيُّ فِي جَامِعِهِ

-

صحيح. وهو في «الموطأ» (2/ 8287) بنحوه ولم يذكر أبا بكر

وعن عبد الله بن عامر بن ربيعة قال: لقد ادركت ابا بكر, وعمر, وعثمان رضي الله عنهم, ومن بعدهم, فلم ارهم يضربون المملوك في القذف الا اربعين. رواه مالك, والثوري في جامعه - صحيح. وهو في «الموطا» (2/ 8287) بنحوه ولم يذكر ابا بكر


'Abdullah bin 'Amir bin Rabi'ah narrated, 'I witnessed the time of Abu Bakr, 'Umar and 'Uthman (RAA), and those who came after them. I never saw them flogging a slave for Qadhf (false accusation of adultery) except forty lashes.' Related by Malik, and Ath-Thawri in his book al-Jami.'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ২. যিনার অপবাদ প্রদানকারীর শাস্তি - দাসের প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ আরোপকারীর বিধান

১২২৭। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে কেউ আপন ক্রীতদাসের প্রতি অপবাদ আরোপ করল- অথচ সে তা থেকে পবিত্র যা সে বলেছে- ক্বিয়ামাত দিবসে তাকে কশাঘাত করা হবে। তবে যদি এমনই হয় যেমন সে বলেছে (সে ক্ষেত্রে কশাঘাত করা হবে না)।[1]

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قَذْفَ مَمْلُوكَهُ يُقَامُ عَلَيْهِ الْحَدُّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ, إِلَّا أَنْ يَكُونَ كَمَا قَالَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (6858) ومسلم (1660)، واللفظ لمسلم وزاد: «بالزنا» بعد «مملوكه». واما البخاري فعنده: «وهو برئ مما قال جلد يوم القيامة». والباقي مثله

وعن ابي هريرة - رضي الله عنه - قال: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «من قذف مملوكه يقام عليه الحد يوم القيامة, الا ان يكون كما قال». متفق عليه - صحيح. رواه البخاري (6858) ومسلم (1660)، واللفظ لمسلم وزاد: «بالزنا» بعد «مملوكه». واما البخاري فعنده: «وهو برى مما قال جلد يوم القيامة». والباقي مثله


Abu Hurairah (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"He who accuses his slave of committing adultery (without proof) will be punished with the prescribed penalty on the Day of Resurrection unless it is (true) as he said." Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - চোরের হাত কর্তনের আবশ্যকতা এবং যে পরিমাণ চুরিতে হাত কাটা যাবে-এ প্রসঙ্গে

১২২৮। আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন চোরের হাত চার ভাগের এক ভাগ দিনার বা তার অধিক পরিমাণ মাল চুরি ছাড়া কাটা যাবে না।

বুখারীতে এভাবে আছে, এক চতুর্থাংশ দীনার বা তার অধিক চুরির কারণে হাত কাটা যাবে। আহমাদে আছে এক চতুর্থাংশ দীনারের চুরির কারণে হাত কাট, এর কমে হাত কেটো না।[1]

عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تُقْطَعُ يَدُ سَارِقٍ إِلَّا فِي رُبُعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَاللَّفْظُ لِمُسْلِم وَلَفْظُ الْبُخَارِيِّ: تُقْطَعُ الْيَدُ فِي رُبُعِ دِينَارٍ فَصَاعِدًا

وَفِي رِوَايَةٍ لِأَحْمَدَ: «اقْطَعُوا فِي رُبُعِ دِينَارٍ, وَلَا تَقْطَعُوا فِيمَا هُوَ أَدْنَى مِنْ ذَلِكَ

-

صحيح. وهذا لفظ مسلم (1684)
البخاري (6789)

المسند (6/ 80 - 81) من طريق يحيى بن يحيى الغساني، قال: قدمت المدينة، فلقيت أبا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم وهو عامل على المدينة، قال: أتيت بسارق فأرسلت إليّ خالتي عمرة بنت عبد الرحمن؛ أن لا تعجل في أمر هذا الرجل حتى آتيك، فأخبرك ما سمعت من عائشة في أمر السارق، قال: فأتتني، وأخبرتني أنها سمعت عائشة تقول: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - فذكره. وزاد: وكان ربع الدينار يومئذ ثلاثة دراهم، والدينار اثني عشر درهما. قال: وكانت سرقته دون ربع الدينار، فلم أقطعه

عن عاىشة رضي الله عنها قالت: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «لا تقطع يد سارق الا في ربع دينار فصاعدا». متفق عليه. واللفظ لمسلم ولفظ البخاري: تقطع اليد في ربع دينار فصاعدا وفي رواية لاحمد: «اقطعوا في ربع دينار, ولا تقطعوا فيما هو ادنى من ذلك - صحيح. وهذا لفظ مسلم (1684) البخاري (6789) المسند (6/ 80 - 81) من طريق يحيى بن يحيى الغساني، قال: قدمت المدينة، فلقيت ابا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم وهو عامل على المدينة، قال: اتيت بسارق فارسلت الي خالتي عمرة بنت عبد الرحمن؛ ان لا تعجل في امر هذا الرجل حتى اتيك، فاخبرك ما سمعت من عاىشة في امر السارق، قال: فاتتني، واخبرتني انها سمعت عاىشة تقول: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - فذكره. وزاد: وكان ربع الدينار يومىذ ثلاثة دراهم، والدينار اثني عشر درهما. قال: وكانت سرقته دون ربع الدينار، فلم اقطعه


'Aishah (RAA) narrated that Allah's Messenger (ﷺ) said:
"A thief's hand should not be cut off except for a quarter of a Dinar or more." Agreed upon and the wording is from Muslim. The version of Al-Bukhari reads, 'The hand of a thief is to be cut off for a quarter of a Dinar or more."

In a version by Ahmad, "Cut off a thief's hand for a quarter of Dinar, and do not cut it off for what is less than that."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - চোরের হাত কর্তনের আবশ্যকতা এবং যে পরিমাণ চুরিতে হাত কাটা যাবে-এ প্রসঙ্গে

১২২৯। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দিরহাম মূল্যের ঢালের চুরিতে হাত কেটেছিলেন।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَطَعَ فِي مِجَنٍ، ثَمَنُهُ ثَلَاثَةُ دَرَاهِمَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (6795)، ومسلم (1686)، واللفظ للبخاري

وعن ابن عمر رضي الله عنهما: ان النبي - صلى الله عليه وسلم - قطع في مجن، ثمنه ثلاثة دراهم. متفق عليه - صحيح. رواه البخاري (6795)، ومسلم (1686)، واللفظ للبخاري


Ibn 'Umar (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) cut off the hand of a thief for stealing a shield that was worth three Dirhams. Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - চোরের হাত কর্তনের আবশ্যকতা এবং যে পরিমাণ চুরিতে হাত কাটা যাবে-এ প্রসঙ্গে

১২৩০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর লা’নত বর্ষিত হয় চোরের উপর যে একটি ডিম চুরি করেছে। তাতে তার হাত কাটা গেছে বা একটি দড়ি চুরি করেছে যার ফলে তার হাত কাটা গেছে।[1]

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَعَنَ اللَّهُ السَّارِقَ؛ يَسْرِقُ الْبَيْضَةَ، فَتُقْطَعُ يَدُهُ، وَيَسْرِقُ الْحَبْلَ، فَتُقْطَعُ يَدُهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ أَيْضًا

-

صحيح رواه البخاري (6799)، ومسلم (1687)

وعن ابي هريرة - رضي الله عنه - قال: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «لعن الله السارق؛ يسرق البيضة، فتقطع يده، ويسرق الحبل، فتقطع يده». متفق عليه ايضا - صحيح رواه البخاري (6799)، ومسلم (1687)


Abu Hurairah (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"May Allah curse the thief who steals an egg for which his hand is cut off, or steals a rope for which his hand is to be cut off.' Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - ‘আরিয়া’র (নিজের প্রয়াজন মেটাতে ফেরত দেয়ার শর্তে সাময়িকভাবে কোন কিছু গ্ৰহণ করা) অস্বীকারকারীর বিধান এবং শাস্তির ক্ষেত্রে সুপারিশ করা নিষেধ

১২৩১। ’আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি কি আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি গুলোর একটি শাস্তির ব্যাপারে আমার কাছে সুপারিশ করছ? এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং খুতবা দিলেন। বললেন, হে লোকসকল! তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতরা এ জন্য ধ্বংস হয়েছিল যে, তারা তাদের মধ্যকার উচ্চ শ্রেণীর কোন লোক চুরি করলে তাকে ছেড়ে দিত। পক্ষান্তরে কোন দুর্বল চুরি কোন করলে তার উপর নির্ধারিত শাস্তি প্ৰয়োগ করত।

অন্য সূত্রে ’আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। কোন এক নারী আসবাবপত্র চেয়ে নিয়ে তা (ফেরত না দিয়ে) অস্বীকার করে বসত, ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত কাটার আদেশ দিয়েছিলেন।[1]

وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا؛ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَتَشْفَعُ فِي حَدٍ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ؟». ثُمَّ قَامَ فَاخْتَطَبَ، فَقَالَ: «أَيُّهَا (1) النَّاسُ! إِنَّمَا هَلَكَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ، وَإِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الضَّعِيفُ أَقَامُوا عَلَيْهِ الْحَدَّ ... ». الْحَدِيثَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ، وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
وَلَهُ مِنْ وَجْهٍ آخَرَ: عَنْ عَائِشَةَ: كَانَتِ امْرَأَةٌ تَسْتَعِيرُ الْمَتَاعَ، وَتَجْحَدُهُ، فَأَمَرَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بِقَطْعِ يَدِهَا

-

صحيح. رواه البخاري (6788)، ومسلم (1688)، واللفظ لمسلم، وزاد: «وَايْمُ اللهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَرَقَتْ لَقَطَعْتُ يَدَهَا

وعن عاىشة رضي الله عنها؛ ان رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قال: «اتشفع في حد من حدود الله؟». ثم قام فاختطب، فقال: «ايها (1) الناس! انما هلك الذين من قبلكم انهم كانوا اذا سرق فيهم الشريف تركوه، واذا سرق فيهم الضعيف اقاموا عليه الحد ... ». الحديث. متفق عليه، واللفظ لمسلم وله من وجه اخر: عن عاىشة: كانت امراة تستعير المتاع، وتجحده، فامر النبي - صلى الله عليه وسلم - بقطع يدها - صحيح. رواه البخاري (6788)، ومسلم (1688)، واللفظ لمسلم، وزاد: «وايم الله لو ان فاطمة بنت محمد سرقت لقطعت يدها


'Aishah (RAA) narrated, 'Allah's Messenger (ﷺ) said (to Usamah bin Zaid), "Are you interceding with regards to one of Allah's prescribed penalties?" Then he got up and addressed the people saying, "O People! What destroyed the nations before you, was that when a noble person committed theft, they used to leave him (without punishment), but if a weak person among then committed theft, they would inflict the legal punishment on him" Agreed upon and the wording is from Muslim. Muslim has another version on the authority of 'Aishah (RAA) who said, 'A woman used to borrow (people's) belongings and deny having taken them, so the Prophet (ﷺ) ordered that her hand be cut off.'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - আমানতের খিয়ানতকারী, ছিনতাইকারী এবং লুন্ঠনকারীর হাত কাটা যাবে না

১২৩২। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমানতের খিয়ানতকারী ও ছিনতাইকারী, লুণ্ঠনকারীর হাত কাটা যাবে না।[1]

وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه -، عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَيْسَ عَلَى خَائِنٍ وَلَا مُنْتَهِبٍ، وِلَا مُخْتَلِسٍ، قَطْعٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ، وَالْأَرْبَعَةُ، وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ، وَابْنُ حِبَّانَ

-

صحيح، رواه أحمد (3/ 380)

وعن جابر - رضي الله عنه -، عن النبي - صلى الله عليه وسلم - قال: «ليس على خاىن ولا منتهب، ولا مختلس، قطع». رواه احمد، والاربعة، وصححه الترمذي، وابن حبان - صحيح، رواه احمد (3/ 380)


Jabir (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"There is no cutting of the hand for the treacherous, for snatching (like the one who snatches and runs away), or for forcibly seizure (looting or robbery)." Related by Ahmad and the four Imams. At-Tirmidhi and Ibn-Hibban graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - খেজুর গাছের মাথি এবং ফল চুরি করার বিধান

১২৩৩। রাফি ইবনু খাদীজা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, ফলে ও খেজুরের গাছের মাথিতে হাত কাটার বিধান নেই।[1]

وَعَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ - رضي الله عنه -، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَا قَطْعَ فِي ثَمَرٍ وَلَا كَثَرٍ». رَوَاهُ الْمَذْكُورُونَ, وَصَحَّحَهُ أَيْضًا التِّرْمِذِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ

-

صحيح. رواه أحمد (3/ 463 و464، 540 و141)، وأبو داود (4388)، والنسائي (8/ 88)

وعن رافع بن خديج - رضي الله عنه -، قال سمعت رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقول: «لا قطع في ثمر ولا كثر». رواه المذكورون, وصححه ايضا الترمذي, وابن حبان - صحيح. رواه احمد (3/ 463 و464، 540 و141)، وابو داود (4388)، والنساىي (8/ 88)


Rafi' bin Khudiaj (RAA) narrated, 'I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say, "There is no cutting off of a hand for taking fruit or the pith of a palm tree." Related by Ahmad and four Imams. At-Tirmidhi and Ibn Hibban graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - চুরির স্বীকারোক্তিকারীকে বারবার জিজ্ঞেস করা যাতে স্বীকার করা থেকে ফিরে আসে

১২৩৪। আবূ উমাইয়া মাখযুমী (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে কোন এক চোরকে আনা হলো যে যথারীতি চুরির কথা স্বীকার করেছিল কিন্তু তার নিকটে কোন মাল পাওয়া যায়নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তুমি চুরি করেছ বলে তো আমি মনে করছি না! সে বলল: হাঁ। (আমি চুরি করেছি)। বৰ্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই কি তিনবার তাকে এ কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলেছেন। অতঃপর তাঁর আদেশত্রুমে তার হাত কাটা হলো এবং তাকে পুনরায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে আনা হলো। তাকে তিনি বললেন: আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও ও তওবা কর। সে বললঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইছি ও তাওবা করছি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকটির জন্য ৩ বার এই বলে প্রার্থনা জানালেন যে, হে আল্লাহ! তুমি তার তওবা কবুল কর।[1]

وَعَنْ أَبِي أُمَيَّةَ الْمَخْزُومِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: أُتِيَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - بِلِصٍّ قَدِ اعْتَرَفَ اعْتِرَافًا، وَلَمْ يُوجَدْ مَعَهُ مَتَاعٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «مَا إِخَالَكَ سَرَقْتَ». قَالَ: بَلَى، فَأَعَادَ عَلَيْهِ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا، فَأَمَرَ بِهِ فَقُطِعَ. وَجِيءَ بِهِ، فَقَالَ: «اسْتَغْفِرِ اللَّهَ وَتُبْ إِلَيْهِ»، فَقَالَ: أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ، فَقَالَ: «اللَّهُمَّ تُبْ عَلَيْهِ»، ثَلَاثًا. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ وَاللَّفْظُ لَهُ، وَأَحْمَدُ، وَالنَّسَائِيُّ، وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ

-

ضعيف. رواه أحمد (5/ 293) وأبو داود (4380)، والنسائي (8/ 67)

وعن ابي امية المخزومي - رضي الله عنه - قال: اتي النبي - صلى الله عليه وسلم - بلص قد اعترف اعترافا، ولم يوجد معه متاع، فقال رسول الله - صلى الله عليه وسلم - «ما اخالك سرقت». قال: بلى، فاعاد عليه مرتين او ثلاثا، فامر به فقطع. وجيء به، فقال: «استغفر الله وتب اليه»، فقال: استغفر الله واتوب اليه، فقال: «اللهم تب عليه»، ثلاثا. اخرجه ابو داود واللفظ له، واحمد، والنساىي، ورجاله ثقات - ضعيف. رواه احمد (5/ 293) وابو داود (4380)، والنساىي (8/ 67)


Abu Umaiyah al-Makhzumi (RAA) narrated, 'A thief who has made a confession was brought to the Messenger of Allah (ﷺ) but no goods were found with him. Allah's Messenger (ﷺ) said to him, "I do not think you have stolen!" The man replied, 'Yes I have.' The Prophet (ﷺ) repeated it to him twice or thrice, so he gave his commands concerning him, and his hand was cut off. He was then brought to the Messenger of Allah (ﷺ) who said to him, "Ask forgiveness of Allah and turn to Him in repentance." The man said, 'I ask Allah's forgiveness and turn to Him in repentance.' The Messenger of Allah (ﷺ) then said three times, "O Allah! forgive him." Related by Abu Dawud, Ahmad and An-Nasa'i with a trustworthy chain or narrators, and it is Abu Dawud's version.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - হাত কাটার পর রক্ত বন্ধ করা প্রসঙ্গে

১২৩৫। ইমাম হাকিম আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে এ অর্থেই একটি হাদীস সংকলন করেছেন, তাতে রাবী বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাকে নিয়ে গিয়ে তার হাত কেটে দাও ও তার রক্ত বন্ধ করে দাও। হাদীসটি বাযযারও সংকলন করেছেন ও তিনি হাদীসটির সানাদকে নির্দোষ বলেছেন।[1]

وَأَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَسَاقَهُ بِمَعْنَاهُ، وَقَالَ فِيهِ: «اذْهَبُوا بِهِ، فَاقْطَعُوهُ، ثُمَّ احْسِمُوهُ». وَأَخْرَجَهُ الْبَزَّارُ أَيْضًا، وَقَالَ: لَا بَأْسَ بِإِسْنَادِهِ

-

صعيف، رواه الحاكم (4/ 381) والبزار (1560) من طريق الدراودي

واخرجه الحاكم من حديث ابي هريرة، فساقه بمعناه، وقال فيه: «اذهبوا به، فاقطعوه، ثم احسموه». واخرجه البزار ايضا، وقال: لا باس باسناده - صعيف، رواه الحاكم (4/ 381) والبزار (1560) من طريق الدراودي


Al-Hakim transmitted the same hadith on the authority of Abu Hurairah (RAA) giving similar meaning. The Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Take him away and cut off his hand and cauterize him." Al-Bazzar transmitted the same hadith but commented that its chain of narrators is not sound.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - চোরের উপর হাদ্দ জারী করা হলে তাকে মালের ক্ষতিপূরণের জন্য দায়ী করা যাবে না

১২৩৬। আব্দুর রহমান উবনু আউফ (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ চোরের উপর হাদ্দ জারি করা হলে তাকে মালের ক্ষতিপূরণের জন্য দায়ী করা যাবে না।[1]

وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ؛ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يُغَرَّمُ السَّارِقُ إِذَا أُقِيمَ عَلَيْهِ الْحَدُّ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ، وَبَيَّنَ أَنَّهُ مُنْقَطِعٌ. وَقَالَ أَبُو حَاتِمٍ: هُوَ مُنْكَرٌ

-

ضعيف رواه النسائي (8/ 92)

وعن عبد الرحمن بن عوف رضي الله عنه؛ ان رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قال: «لا يغرم السارق اذا اقيم عليه الحد». رواه النساىي، وبين انه منقطع. وقال ابو حاتم: هو منكر - ضعيف رواه النساىي (8/ 92)


'Abdur Rahman bin 'Auf (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"A thief is not to be fined if the prescribed punishment has been inflicted on him." Related by An-Nasa'i who said that its chain of narrators is disconnected.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - সংরক্ষিত মাল চুরির অপরাধ ব্যতীত হাত কাটা যাবে না

১২৩৭। ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর ইবনিল ’আস (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে গাছে ঝুলন্ত খেজুর প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ যদি নিয়ে যাওয়ার জন্য আচলে না বেঁধে কেবল প্রয়োজন (ক্ষুধা) মেটানোর জন্য খায় তবে তাতে কোন দোষ নেই। আর যদি কিছু নিয়ে বেরিয়ে যায় তবে তাকে জরিমানা করতে হবে ও শাস্তিও দিতে হবে। আর যদি খামারে রাখার পর সেখান হতে তার কিছু উঠিয়ে নিয়ে যায় আর তার মূল্য একটি ঢাল পরিমাণ হয়ে যায়। তবে তার হাত কাটা হবে।[1]

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ سُئِلَ عَنِ التَّمْرِ الْمُعَلَّقِ؟ فَقَالَ: «مَنْ أَصَابَ بِفِيهِ مِنْ ذِي حَاجَةٍ، غَيْرَ مُتَّخِذٍ خُبْنَةً، فَلَا شَيْءَ عَلَيْهِ، وَمَنْ خَرَجَ بِشَيْءٍ مِنْهُ، فَعَلَيْهِ الْغَرَامَةُ وَالْعُقُوبَةُ، وَمَنْ خَرَجَ بِشَيْءٍ مِنْهُ بَعْدَ أَنْ يُؤْوِيَهُ الْجَرِينُ، فَبَلَغَ ثَمَنَ الْمِجَنِّ فَعَلَيْهِ الْقَطْعُ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ، وَالنَّسَائِيُّ، وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

-

حسن. رواه أبو داود (4390)، والنسائي (8/ 85)، والحاكم (4/ 380)

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما، عن رسول الله - صلى الله عليه وسلم انه سىل عن التمر المعلق؟ فقال: «من اصاب بفيه من ذي حاجة، غير متخذ خبنة، فلا شيء عليه، ومن خرج بشيء منه، فعليه الغرامة والعقوبة، ومن خرج بشيء منه بعد ان يوويه الجرين، فبلغ ثمن المجن فعليه القطع». اخرجه ابو داود، والنساىي، وصححه الحاكم - حسن. رواه ابو داود (4390)، والنساىي (8/ 85)، والحاكم (4/ 380)


'Abdullah bin 'Amro bin al-'As (RAA) narrated, 'The Messenger of Allah (ﷺ) was asked about dated which are still hanging on the palm tree, he then said, "If a needy person eats some dates, but without taking a supply away in his garment, he is not to be blamed, but if anyone takes away any of it, he is to be fined and punished. And if anyone takes away any of it (the dates) after it has been put in the place where it is going to be dried, and it amounts to the price of a shield, he must have his hand cut off." Related by Abu Dawud and An-Nasa'i. Al-Hakim graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - ইমামের কাছে আনার পূর্বেই চোরকে ক্ষমা করা জায়েয

১২৩৮। সাফওয়ান ইবনু উমাইয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছিলেন- যখন তিনি (সাফওয়ান) তার এক চাদর চুরির ব্যাপারে হাত কাটার আদেশ দেয়ার পর সুপারিশ করেছিলেন- কেন তুমি তাকে (চোরকে) আমার কাছে আনার আগেই এ সুপারিশ করনি।[1]

وَعَنْ صَفْوَانَ بْنِ أُمِّيَّةٍ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لَهُ لَمَّا أَمَرَ بِقَطْعِ الَّذِي سَرَقَ رِدَاءَهُ, فَشَفَعَ فِيهِ: «هَلَّا كَانَ ذَلِكَ قَبْلِ أَنْ تَأْتِيَنِي بِهِ?». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةَ، وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْجَارُودِ, وَالْحَاكِمُ

-

صحيح. رواه أحمد (6/ 466) وأبو داود (4394)، والنسائي (8/ 69)، وابن ماجه (2595)، وابن الجارود (828)، والحاكم (4/ 380) - وطرقهم مختلفة - عن صفوان بن أمية قال: كنت نائما في المسجد على خميصة لي ثمن ثلاثين درهما، فجاء رجل فاختلسها مني، فأخذ الرجل، فأتي به رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأمر به ليقطع. قال: فأتيته، فقلت: أتقطعه من أجل ثلاثين درهما! أنا أبيعه وأنسئه ثمنها. قال: فذكره. والسياق لأبي داود. «تنبيه» عزو الحديث للأربعة وهم من الحافظ -رحمه الله- إذ لم يروه الترمذي

وعن صفوان بن امية - رضي الله عنه - ان النبي - صلى الله عليه وسلم - قال له لما امر بقطع الذي سرق رداءه, فشفع فيه: «هلا كان ذلك قبل ان تاتيني به?». اخرجه احمد, والاربعة، وصححه ابن الجارود, والحاكم - صحيح. رواه احمد (6/ 466) وابو داود (4394)، والنساىي (8/ 69)، وابن ماجه (2595)، وابن الجارود (828)، والحاكم (4/ 380) - وطرقهم مختلفة - عن صفوان بن امية قال: كنت ناىما في المسجد على خميصة لي ثمن ثلاثين درهما، فجاء رجل فاختلسها مني، فاخذ الرجل، فاتي به رسول الله صلى الله عليه وسلم، فامر به ليقطع. قال: فاتيته، فقلت: اتقطعه من اجل ثلاثين درهما! انا ابيعه وانسىه ثمنها. قال: فذكره. والسياق لابي داود. «تنبيه» عزو الحديث للاربعة وهم من الحافظ -رحمه الله- اذ لم يروه الترمذي


Safwan bin Umaiyah (RAA) narrated, 'When the Messenger of Allah (ﷺ) commanded that the thief who had stolen his cloak (i.e. Safwan's) should have his hand cut off. Safwan wanted to intercede, for the thief's hand not to be removed. Thereupon the Messenger of Allah (ﷺ) said to him, "Why didn't you do so before bringing him to me?" Related by Ahmad, the four Imams, and Al-Hakim graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - বারংবার চুরি করলে চোরের শান্তি

১২৩৯। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; কোন এক চোরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আনা হলে তিনি তাকে হত্যা করতে বলেন। সাহাবীগণ বলেন, এ তো চুরি করেছে মাত্র। তিনি বলেন: তার হাত কেটে দাও ফলে তার হাত কাটা হল। তারপর দ্বিতীয় বার তাকে আনা হলে তিনি এবারেও বললেন: তাকে হত্যা করো। কিন্তু পূর্বের মতই ঘটল (হত্যা করা হল না) তারপর তৃতীয়বার তাকে আনা হলে ঐ রূপ ঘটলো। তারপর চতুৰ্থবার তাকে আনা হলো এবং ঐ রূপ ঘটল। তারপর তাকে পঞ্চম দফা আনা হলে তিনি তাকে হত্যা করার আদেশ দিলেন।[1]

وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: جِيءَ بِسَارِقٍ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «اقْتُلُوهُ». فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّمَا سَرَقَ. قَالَ: «اقْطَعُوهُ» فَقَطَعَ, ثُمَّ جِيءَ بِهِ الثَّانِيَةِ, فَقَالَ «اقْتُلُوهُ» فَذَكَرَ مِثْلَهُ, ثُمَّ جِيءَ بِهِ الرَّابِعَةِ كَذَلِكَ, ثُمَّ جِيءَ بِهِ الْخَامِسَةِ فَقَالَ: «اُقْتُلُوهُ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنِّسَائِيُّ, وَاسْتَنْكَرَهُ

-

ضعيف. رواه أبو داود (4410)، والنسائي (8/ 90 - 91) من طريق مصعب بن ثابت، عن محمد بن المنكدر، عن جابر. به. قال النسائي: هذا حديث منكر، ومصعب بن ثابت ليس بالقوي في الحديث

وعن جابر قال: جيء بسارق الى النبي - صلى الله عليه وسلم - فقال: «اقتلوه». فقالوا يا رسول الله! انما سرق. قال: «اقطعوه» فقطع, ثم جيء به الثانية, فقال «اقتلوه» فذكر مثله, ثم جيء به الرابعة كذلك, ثم جيء به الخامسة فقال: «اقتلوه». اخرجه ابو داود, والنساىي, واستنكره - ضعيف. رواه ابو داود (4410)، والنساىي (8/ 90 - 91) من طريق مصعب بن ثابت، عن محمد بن المنكدر، عن جابر. به. قال النساىي: هذا حديث منكر، ومصعب بن ثابت ليس بالقوي في الحديث


Jabir (RAA) narrated, 'A thief was brought to the Prophet (ﷺ) and he said to them, "Kill him." The people said, 'He has just stolen O Messenger of Allah!' He then said, "Cut off his hand." He was brought to him the second time and the Messenger of Allah (ﷺ) also said, "Kill him." They said the same and the Messenger of Allah (ﷺ) said to them, 'Cut off his hand." The same man was brought a third time and a fourth time and same was said. When they brought him the fifth time, the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Kill him." Related by Abu Dawud and An-Nasa'i who regarded it as Munkar (a type of weak hadith).


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৩. চুরির দণ্ড - বারংবার চুরি করলে চোরের শান্তি

১২৪০। হারিস ইবনু হাত্বিব হতে অনুরূপ হাদীস নাসায়ীতে সংকলিত হয়েছে। আর ইমাম শাফিঈ বলেনঃ ৫ম দফায় চোরকে হত্যা করার আদেশ মানসুখ বা বাতিল হয়ে গেছে।[1]

وَأَخْرُجَ مِنْ حَدِيثِ الْحَارِثِ بْنِ حَاطِبٍ نَحْوَهُ. وَذَكَرَ الشَّافِعِيُّ أَنَّ الْقَتْلَ فِي الْخَامِسَةِ مَنْسُوخٌ

-

منكر. رواه النسائي (8/ 89 - 90)

واخرج من حديث الحارث بن حاطب نحوه. وذكر الشافعي ان القتل في الخامسة منسوخ - منكر. رواه النساىي (8/ 89 - 90)


Ab-Nasa'i also reported a similar hadith on the authenticity of Al-Harith bin Hatib. Ash-Shafi'i mentioned that the killing in the fifth time (of stealing) is abrogated.


হাদিসের মানঃ মুনকার (সহীহ হাদীসের বিপরীত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মদ পানকারীর শাস্তি

১২৪১। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। মন্দ পানকারী এ ব্যক্তিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে নিয়ে আসা হলো। তিনি তাকে দু’খানা ছড়ি (এক যোগে ধরে তার) দ্বারা চল্লিশের মত কোড়া মারলেন। আনাস (রাঃ) বলেন: ১ম খলিফা আবূ বকর (রাঃ) এরূপ কোড়া মেরেছেন, ’উমার (রাঃ) তাঁর খিলাফতকালে এ ব্যাপারে লোকেদের সাথে পরামর্শ করলেন। আব্দুর রহমান ইবনু ’আওফ (রাঃ) বলেন: সর্বাপেক্ষা হালকা শাস্তি হচ্ছে আশি (কোড়া)। ’উমার (রাঃ) ঐ (৮০-র) আদেশই জারি করলেন।[1]

عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَتَى بِرَجُلٍ قَدْ شَرِبَ الْخَمْرَ, فَجَلَدَهُ بِجَرِيدَتَيْنِ نَحْوَ أَرْبَعِينَ. قَالَ: وَفَعَلَهُ أَبُو بَكْرٍ, فَلَمَّا كَانَ عُمَرُ اسْتَشَارَ النَّاسَ, فَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ: أَخَفَّ الْحُدُودِ ثَمَانُونَ, فَأَمَرَ بِهِ عُمَرُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (6773)، ومسلم (1706) واللفظ لمسلم. «تنبيه»: الرواية: «أخف الحدود ثمانون» وليس كما ذكرها الحافظ، ولتوجيه ذلك انظر «الفتح

عن انس بن مالك - رضي الله عنه: ان النبي - صلى الله عليه وسلم - اتى برجل قد شرب الخمر, فجلده بجريدتين نحو اربعين. قال: وفعله ابو بكر, فلما كان عمر استشار الناس, فقال عبد الرحمن بن عوف: اخف الحدود ثمانون, فامر به عمر. متفق عليه - صحيح. رواه البخاري (6773)، ومسلم (1706) واللفظ لمسلم. «تنبيه»: الرواية: «اخف الحدود ثمانون» وليس كما ذكرها الحافظ، ولتوجيه ذلك انظر «الفتح


Anas bin Malik (RAA) narrated, 'A man who had drunk wine was brought to the Prophet (ﷺ) and he commanded that the man should be beaten (lashed). The man was given about forty lashes with two palm branches. Anas added, Abu Bakr (RAA) did the same, but when 'Umar (RAA) became the Caliph, he consulted the people and 'Abdur Rahman bin 'Auf said, "The mildest punishment for drinking is eighty (lashes).' So, 'Umar (RAA) gave his commands accordingly. Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে শাস্তির হুকুম

১২৪২। মুসলিমে ওয়ালীদ উবনু উকবার ঘটনায় আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৪০ কোড়া মেরেছেন, আবূ বাকার (রাঃ)ও ৪০ কোড়া মেরেছেন, উমার (রাঃ) আশি কোড়া মেরেছেন, আলী (রাঃ) বলেন: এগুলো সবই সুন্নাত (সঠিক)। কিন্তু আশি কোড়া মারা আমার নিকট অধিক প্রিয় (বুখারীর বর্ণনায় আশি কোড়া মারার কথা আছে)। এ হাদীসে আরো আছে কোন একজন লোক তার বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিল, সে মদ বমি করেছিল। ফলে উসমান (রাঃ) বলেন: সে মদ খেয়েছে বলেই তো মদ বমি করেছে।[1]

وَلِمُسْلِمٍ: عَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - فِي قِصَّةِ الْوَلِيدِ بْنِ عَقَبَةَ - جَلَدَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - أَرْبَعِينَ, وَأَبُو بَكْرٍ أَرْبَعِينَ, وَعُمَرُ ثَمَانِينَ, وَكُلٌّ سُنَّةٌ, وَهَذَا أَحَبُّ - إِلَيَّ. وَفِي هَذَا الْحَدِيثِ: أَنَّ رَجُلًا شَهِدَ عَلَيْهِ أَنَّهُ رَآهُ يَتَقَيَّأْ الْخَمْرَ, فَقَالَ عُثْمَانُ: إِنَّهُ لَمْ يَتَقَيَّأْهَا حَتَّى شَرِبَهَا

-

صحيح رواه مسلم (1707)

ولمسلم: عن علي - رضي الله عنه - في قصة الوليد بن عقبة - جلد النبي - صلى الله عليه وسلم - اربعين, وابو بكر اربعين, وعمر ثمانين, وكل سنة, وهذا احب - الي. وفي هذا الحديث: ان رجلا شهد عليه انه راه يتقيا الخمر, فقال عثمان: انه لم يتقياها حتى شربها - صحيح رواه مسلم (1707)


Muslim transmitted on the authority of 'Ali (RAA) concerning the story of al-Walid bin 'Uqbah that the Messenger of Allah inflicted forty lashes, Abu Bakr (RAA) forty lashes and 'Umar (RAA) eighty. All of them are in accordance with the Sunnah of the Prophet (ﷺ) but this one (the eighty lashes) is preferable to me.

In this hadith also a man witnessed that he had seen him vomiting wine, 'Uthman (RAA) said:
'He would not have vomited it, unless that he had drunk it.'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - বার বার মদ পানকারীর বিধান

১২৪৩। মুআবিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ পানকারী প্রসঙ্গে বলেন: যখন তা পান করবে তখন তাকে কোড়া মারো, তারপর পান করলে কোড়া মারো তারপর ৩য় বার পান করলেও তাকে কোড়া মারো, তারপর ৪র্থ বার মদ পান করলে তার গর্দান কেটে দাও।

তিরমিযীর বক্তব্যে হাদীসটি মানসুখ হয়েছে বলে ব্যক্ত হয়েছে, ইমাম যুহরী হতে আবূ দাউদ এটা মানসুখ হওয়াকে স্পষ্ট করে বর্ণনা করেছেন।[1]

وَعَنْ مُعَاوِيَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - أَنَّهُ قَالَ فِي شَارِبِ الْخَمْرِ: «إِذَا شَرِبَ فَاجْلِدُوهُ, ثُمَّ إِذَا شَرِبَ [الثَّانِيَةِ] فَاجْلِدُوهُ, ثُمَّ إِذَا شَرِبَ الثَّالِثَةِ فَاجْلِدُوهُ, ثُمَّ إِذَا شَرِبَ الرَّابِعَةِ فَاضْرِبُوا عُنُقَهُ». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ وَهَذَا لَفْظُهُ, وَالْأَرْبَعَةُ
وَذَكَرَ التِّرْمِذِيُّ مَا يَدُلُّ عَلَى أَنَّهُ مَنْسُوخٌ, وَأَخْرَجَ ذَلِكَ أَبُو دَاوُدَ صَرِيحًا عَنْ الزُّهْرِيِّ

-

صحيح رواه أحمد (4/ 96 و 101) والنسائي في «الكبرى»، وأبو داود (4482)، والترمذي (1444)، وابن ماجه (2573)

وعن معاوية - رضي الله عنه - عن النبي - صلى الله عليه وسلم - انه قال في شارب الخمر: «اذا شرب فاجلدوه, ثم اذا شرب [الثانية] فاجلدوه, ثم اذا شرب الثالثة فاجلدوه, ثم اذا شرب الرابعة فاضربوا عنقه». اخرجه احمد وهذا لفظه, والاربعة وذكر الترمذي ما يدل على انه منسوخ, واخرج ذلك ابو داود صريحا عن الزهري - صحيح رواه احمد (4/ 96 و 101) والنساىي في «الكبرى»، وابو داود (4482)، والترمذي (1444)، وابن ماجه (2573)


Mu'awiyah (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said regarding the one who drinks alcohol, 'If he drinks (for the first time) flog him, then if he drinks for the second time flog him, then if he drinks for the third time flog him then if he drinks for the fourth time you should kill him." Related by Ahmad and the wording is his. It is also transmitted by the four Imams.

At-Tirmidhi mentioned what indicates that it is abrogated, but Abu Dawud reported it clearly on the authority of Az-Zuhari.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মুখমণ্ডল
ে প্রহার করা নিষেধ

১২৪৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা হদ্দ মারবে তখন মুখণ্ডলে মারবে না।[1]

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا ضَرَبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَتَّقِ الْوَجْهَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (5/ 182 / فتح)، ومسلم (2612)، واللفظ الذي ذكره الحافظ هو لمسلم، لكنه ملفق من روايتين كل شطر من رواية. وعنده زيادة لفظ: «أخاه». ولم يقع هذا اللفظ في رواية البخاري. ولكن لفظه: «إذا قاتل أحدكم فليجتنب الوجه» وهو رواية لمسلم مع زيادة اللفظ المذكور آنفًا، ومع زيادة أخرى، وهي قوله: «فإن الله خلق آدم على صورته». وانظر لهذا الحديث «كتاب التوحيد» لإمام الأئمة بتحقيقنا

وعن ابي هريرة - رضي الله عنه - قال: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «اذا ضرب احدكم فليتق الوجه». متفق عليه - صحيح. رواه البخاري (5/ 182 / فتح)، ومسلم (2612)، واللفظ الذي ذكره الحافظ هو لمسلم، لكنه ملفق من روايتين كل شطر من رواية. وعنده زيادة لفظ: «اخاه». ولم يقع هذا اللفظ في رواية البخاري. ولكن لفظه: «اذا قاتل احدكم فليجتنب الوجه» وهو رواية لمسلم مع زيادة اللفظ المذكور انفا، ومع زيادة اخرى، وهي قوله: «فان الله خلق ادم على صورته». وانظر لهذا الحديث «كتاب التوحيد» لامام الاىمة بتحقيقنا


Abu Hurairah (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"When one of you is flogging (while inflicting a prescribed punishment) he should avoid the face." Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মসজিদে হাদ্দ কায়েম করা নিষেধ

১২৪৫। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মসজিদে কোন হাদ্দ কায়িম করা (জারি করা) যাবে না।[1]

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تُقَامُ الْحُدُودُ فِي الْمَسَاجِدِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ, وَالْحَاكِم

-

حسن. رواه الترمذي (1401)، والحاكم (4/ 369) وهو وإن كان ضعيف السند عندهما إلا أن له شواهد يتقوى بها، كما ذهب إلى ذلك الحافظ نفسه في التلخيص

وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «لا تقام الحدود في المساجد». رواه الترمذي, والحاكم - حسن. رواه الترمذي (1401)، والحاكم (4/ 369) وهو وان كان ضعيف السند عندهما الا ان له شواهد يتقوى بها، كما ذهب الى ذلك الحافظ نفسه في التلخيص


Ibn 'Abbas (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Prescribed punishments are not to be inflicted in mosques." Related by At-Tirmidhi and Al-Hakim.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মদের প্রকৃত অর্থ

১২৪৬। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: আল্লাহ মদ হারাম করার আয়াত নাযিল করেছেন। আর মদীনায় (তখন) খেজুরের মদ ছাড়া অন্য কোন মদ পান করা হত না।[1]

وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه - قَالَ: لَقَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ تَحْرِيمَ الْخَمْرِ, وَمَا بِالْمَدِينَةِ شَرَابٌ يَشْرَبُ إِلَّا مِنْ تَمْرٍ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ

-

حسن رواه مسلم (1982)

وعن انس - رضي الله عنه - قال: لقد انزل الله تحريم الخمر, وما بالمدينة شراب يشرب الا من تمر. اخرجه مسلم - حسن رواه مسلم (1982)


Anas (RAA) narrated, 'Allah sent down the verses stating the prohibition of alcohol when there was no other beverage to drink in Madinah except that prepared from dates (wine of dates).' Related by Muslim.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মদের প্রকৃত অর্থ

১২৪৭। ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, মদ হারাম করে আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে। আর তা তৈরী হয় পাঁচ রকম জিনিস থেকেঃ আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও যব। আর মদ হল, যা বুদ্ধিকে বিলোপ করে। (অর্থাৎ চেতনার মধ্যে ব্যতিক্রম ঘটায়, সঠিকভাবে কোন বস্তুকে উপলব্ধি করার ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।)[1]

وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - قَالَ: نَزَلَ تَحْرِيمُ الْخَمْرِ, وَهِيَ مِنْ خَمْسَةٍ: مِنَ الْعِنَبِ, وَالتَّمْرِ, وَالْعَسَلِ, وَالْحِنْطَةِ, وَالشَّعِيرِ. وَالْخَمْرُ: مَا خَامَرَ الْعَقْلَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (5581)، ومسلم (3032)

وعن عمر - رضي الله عنه - قال: نزل تحريم الخمر, وهي من خمسة: من العنب, والتمر, والعسل, والحنطة, والشعير. والخمر: ما خامر العقل. متفق عليه - صحيح. رواه البخاري (5581)، ومسلم (3032)


'Umar (RAA) narrated, 'When the prohibition of Khamr (alcoholic drinks) was revealed, it used to be made from grapes, dates, honey, wheat and barley. Khamr is what shields one's mind' Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মদের প্রকৃত অর্থ

১২৪৮। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: প্রত্যেক নেশা আনয়নকারী বস্তু খামর (মাদক) আর প্রত্যেক নেশা আনয়নকারী বস্তু হারাম।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ, وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمُ

-

صحيح. رواه مسلم (2003)، وفي رواية (… .... وكل خمر حرام) وزاد في أخرى: «من شرب الخمر في الدنيا فمات وهو يدمنها، ولم يتب، لم يشربها في الآخرة

وعن ابن عمر رضي الله عنهما; عن النبي - صلى الله عليه وسلم - قال: «كل مسكر خمر, وكل مسكر حرام». اخرجه مسلم - صحيح. رواه مسلم (2003)، وفي رواية (… .... وكل خمر حرام) وزاد في اخرى: «من شرب الخمر في الدنيا فمات وهو يدمنها، ولم يتب، لم يشربها في الاخرة


Ibn 'Umar (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Every intoxicant is Khamr, and every intoxicant is prohibited." Related by Muslim.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মদের প্রকৃত অর্থ

১২৪৯। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে বস্তুর অধিক পরিমাণ ব্যবহারে নেশা আনে ঐ বস্তুর অল্প ব্যবহারও হারাম।[1]

وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ, فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ. وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

-

صحيح رواه أحمد (3/ 343)، وأبو داود (3681)، والترمذي (1865)، وابن ماجه (3393)، وابن حبان (5358)، وسنده حسن إلا أن له شواهد يصح بها. «تنبيه» عزوه للأربعة وهم من الحافظ - رحمه الله - إذ لم يروه النسائي

وعن جابر - رضي الله عنه - ان رسول الله - صلى الله عليه وسلم - قال: «ما اسكر كثيره, فقليله حرام». اخرجه احمد, والاربعة. وصححه ابن حبان - صحيح رواه احمد (3/ 343)، وابو داود (3681)، والترمذي (1865)، وابن ماجه (3393)، وابن حبان (5358)، وسنده حسن الا ان له شواهد يصح بها. «تنبيه» عزوه للاربعة وهم من الحافظ - رحمه الله - اذ لم يروه النساىي


Jabir (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"If a large quantity of any beverage intoxicates, then a small amount of it is prohibited." Related by Ahmad and the four Imams. Ibn Hibban graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - নাবীয রস খাওয়ার বৈধতা এবং এর শর্ত প্ৰসঙ্গ

১২৫০। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য মশকে কিশমিশ, ভিজিয়ে নাবিজ করা হতো আর তিনি তা সে দিন, পরের দিন এবং তার পরে ৩য় দিন সন্ধা বেলাও পান করতেন। তারপরও কিছু থেকে গেলে তা ঢেলে ফেলে দিতেন।[1]

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُنْبَذُ لَهُ الزَّبِيبُ فِي السِّقَاءِ, فَيَشْرَبُهُ يَوْمَهُ, وَالْغَدَ, وَبَعْدَ الْغَدِ, فَإِذَا كَانَ مَسَاءُ الثَّالِثَةِ شَرِبَهُ وَسَقَاهُ, فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٌ أَهْرَاقَهُ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ

-

صحيح رواه مسلم (2004) (82)

وعن ابن عباس رضي الله عنهما قال: كان رسول الله - صلى الله عليه وسلم - ينبذ له الزبيب في السقاء, فيشربه يومه, والغد, وبعد الغد, فاذا كان مساء الثالثة شربه وسقاه, فان فضل شيء اهراقه. اخرجه مسلم - صحيح رواه مسلم (2004) (82)


Ibn 'Abbas (RAA) narrated, 'Raisins used to be soaked for the Messenger of Allah (ﷺ) in a water skin, and he would drink it that day, the next day and the following day. When it was the evening of the third day, he would drink it and give some to others. If anything was left from it, he would spill it.' Related by Muslim.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মদ দিয়ে চিকিৎসা করা হারাম

১২৫১। উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: তোমাদের রোগ নিরাময়ের ব্যবস্থা আল্লাহ তার হারামকৃত বস্তুর মধ্যে করেননি।[1]

وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ لَمْ يَجْعَلْ شِفَاءَكُمْ فِيمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمْ». أَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

-

حسن. رواه البيهقي (10/ 5)، وابن حبان (1391)، عن أم سلمة قالت: نبذت نبيذًا في كوز فدخل رسول الله صلى الله عليه وسلم - وهو يغلي - فقال: «ما هذا؟» قلت: اشتكت انبة لي فنبذت لها هذا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: … ....... فذكره. واللفظ للبيهقي. وفي رواية ابن حبان: « ... في حرام». قلت: وله شاهد صحيح، عن ابن مسعود

وعن ام سلمة رضي الله عنها, عن النبي - صلى الله عليه وسلم - قال: «ان الله لم يجعل شفاءكم فيما حرم عليكم». اخرجه البيهقي, وصححه ابن حبان - حسن. رواه البيهقي (10/ 5)، وابن حبان (1391)، عن ام سلمة قالت: نبذت نبيذا في كوز فدخل رسول الله صلى الله عليه وسلم - وهو يغلي - فقال: «ما هذا؟» قلت: اشتكت انبة لي فنبذت لها هذا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: … ....... فذكره. واللفظ للبيهقي. وفي رواية ابن حبان: « ... في حرام». قلت: وله شاهد صحيح، عن ابن مسعود


Umm Salamah (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Allah did not make your cure in what He made Haram (unlawful) to you." Related by Al-Baihaqi and graded as Sahih by Ibn Hibban.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৪. মদ্যপানকারীর শাস্তি এবং নিশাজাতীয় দ্রব্যের বর্ণনা - মদ দিয়ে চিকিৎসা করা হারাম

১২৫২। ওয়ায়িল আল হাযরামী হতে বর্ণিত; তারিক ইবনু সুওয়াইদ (রাঃ) মদ দিয়ে ওষুধ তৈরী করা প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, উত্তরে তিনি বলেন, ওটাতো ওষুধ নয় বরং তা ব্যাধি।[1]

وَعَنْ وَائِلٍ الْحَضْرَمِيِّ; أَنَّ طَارِقَ بْنَ سُوَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - سَأَلَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - عَنْ الْخَمْرِ يَصْنَعُهَا لِلدَّوَاءِ? فَقَالَ: «إِنَّهَا لَيْسَتْ بِدَوَاءٍ, وَلَكِنَّهَا دَاءٌ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ. وَأَبُو دَاوُدَ وَغَيْرُهُمَا

-

صحيح. رواه مسلم (1984)، وأبو داود (3873) واللفظ لمسلم؛ إلا أنه عنده عنه بتذكير الضمير إنه ..... ولكنه

وعن واىل الحضرمي; ان طارق بن سويد رضي الله عنهما - سال النبي - صلى الله عليه وسلم - عن الخمر يصنعها للدواء? فقال: «انها ليست بدواء, ولكنها داء». اخرجه مسلم. وابو داود وغيرهما - صحيح. رواه مسلم (1984)، وابو داود (3873) واللفظ لمسلم؛ الا انه عنده عنه بتذكير الضمير انه ..... ولكنه


Wa'il Al-Hadrami narrated that Tariq bin Suwaid asked the Messenger of Allah (ﷺ) about Khamr which he made only to be used as a medicine. The Prophet (ﷺ) replied, "It is not a medicine, it is a disease." Related by Muslim and Abu Dawud.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৫. শাসন এবং শাসনকারীর বিধান - শাসন করা বৈধ এবং এর নির্ধারিত সীমা

১২৫৩। আবূ বুর্‌দা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহর নির্দিষ্ট হদসমূহের কোন হদ ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে দশ বেত্ৰাঘাতের বেশি দণ্ড দেয়া যাবে না।[1]

عَنْ أَبِي بُرْدَةَ الْأَ نْصَارِيِّ - رضي الله عنه - أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَا يُجْلَدُ فَوْقَ عَشَرَةِ أَسْوَاطٍ, إِلَّا فِي حَدِّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (175 - 176 / فتح)، ومسلم (1708)

عن ابي بردة الا نصاري - رضي الله عنه - انه سمع رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقول: «لا يجلد فوق عشرة اسواط, الا في حد من حدود الله». متفق عليه - صحيح. رواه البخاري (175 - 176 / فتح)، ومسلم (1708)


Abu Burdah Al-Ansari (RAA) narrated that he heard the Messenger of Allah (ﷺ) say, "No more than ten lashes are to be given except when inflicting one of the Hudud (prescribed punishments) of Allah." Agreed upon.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৫. শাসন এবং শাসনকারীর বিধান - আল্লাহর হাদ্দ ব্যতিরেকে সম্মানী ব্যক্তিদের ভুল ত্রুটি ক্ষমা করা

১২৫৪। আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: সম্মানী ব্যক্তিদের ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করবে। তবে আল্লাহর নির্ধারিত হদ্দ ব্যতীত।[1]

وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَقِيلُوا ذَوِي الْهَيْئَاتِ عَثَرَاتِهِمْ إِلَّا الْحُدُودَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ

-

حسن. رواه أبو داود (4375)، والنسائي في «الكبرى». وله شواهد تقويه

وعن عاىشة رضي الله عنها ان النبي - صلى الله عليه وسلم - قال: «اقيلوا ذوي الهيىات عثراتهم الا الحدود». رواه ابو داود, والنساىي - حسن. رواه ابو داود (4375)، والنساىي في «الكبرى». وله شواهد تقويه


'Aishah (RAA) narrated that Allah's Messenger (ﷺ) said:
"Forgive the people with high moral values when they slip but not what calls for the infliction of Hudud." Related by Ahmad, Abu Dawud, An-Nasa'i and Al-Baihaqi.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৫. শাসন এবং শাসনকারীর বিধান - তা'যীযের কারণে মৃত্যুবরণকারীদের বিধান

১২৫৫। ’আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি কাউকে শরীয়াতের দণ্ড দেয়ার সময় সে তাতে মরে গেলে আমার দুঃখ হয় না। কিন্তু মদ পানকারী ছাড়া। সে মারা গেলে আমি জরিমানা দিয়ে থাকি।[1]

وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: مَا كُنْتُ لِأُقِيمَ عَلَى أَحَدٍ حَدًّا, فَيَمُوتُ, فَأَجِدُ فِي نَفْسِي, إِلَّا شَارِبَ الْخَمْرِ; فَإِنَّهُ لَوْ مَاتَ وَدَيْتُهُ. أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ

-

صحيح. رواه البخاري (6778) وعنده: «صاحب خمر» بدل: «شارب خمر» وزاد: وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يسنه

وعن علي - رضي الله عنه - قال: ما كنت لاقيم على احد حدا, فيموت, فاجد في نفسي, الا شارب الخمر; فانه لو مات وديته. اخرجه البخاري - صحيح. رواه البخاري (6778) وعنده: «صاحب خمر» بدل: «شارب خمر» وزاد: وذلك ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يسنه


'Ali (RAA) narrated, 'I would not blame myself for the death of a man when I inflicted prescribed punishment on him, with the exception of one who drunk Khamr, for if he were to die, I would pay Diyah for him.'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৫. শাসন এবং শাসনকারীর বিধান - সম্পদ রক্ষার্থে নিহত হওয়া ব্যক্তি প্রসঙ্গে

১২৫৬। সাঈদ ইবনু যাইদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার সম্পপদ রক্ষার্থে নিহত হয় সে শহীদের দরজা লাভ করে।[1]

وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ قُتِلَ دُونَ مَالِهِ فَهُوَ شَهِيدٌ». رَوَاهُ الْأَرْبَعَةُ, وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ

-

صحيح. رواه أبو داود (4772)، والنسائي (7/ 116)، والترمذي (1421)، وابن ماجه (2580) واقتصر على هذه الجملة فقط. وزاد الباقون: «ومن قتل دون دينه فهو شهيد، ومن قتل دون دمه فهو شهيد، ومن قتل دون أهله فهو شهيد» والسياق للترمذي -وليست الجملة الأولى عند النسائي- وقال: «هذا حديث حسن صحيح». قلت: وانظر رقم (1198)

وعن سعيد بن زيد - رضي الله عنه - قال: قال رسول الله - صلى الله عليه وسلم: «من قتل دون ماله فهو شهيد». رواه الاربعة, وصححه الترمذي - صحيح. رواه ابو داود (4772)، والنساىي (7/ 116)، والترمذي (1421)، وابن ماجه (2580) واقتصر على هذه الجملة فقط. وزاد الباقون: «ومن قتل دون دينه فهو شهيد، ومن قتل دون دمه فهو شهيد، ومن قتل دون اهله فهو شهيد» والسياق للترمذي -وليست الجملة الاولى عند النساىي- وقال: «هذا حديث حسن صحيح». قلت: وانظر رقم (1198)


Sa'id bin Zaid (RAA) narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Whoever is killed while protecting his property, he is a martyr." Related by the four Imams and At-Tirmidhi graded it as Sahih.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৫. শাসন এবং শাসনকারীর বিধান - ফিতনা দেখা দিলে মুসলিমদের করণীয়

১২৫৭। আবদুল্লাহ ইবনু খাব্বাব হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, সমাজে ফিতনা দেখা দিলে, হে আল্লাহর বান্দা তুমি তাতে হত্যাকারী না হয়ে নিহত হও। হাসান[1]

وَأَخْرَجَ أَحْمَدُ نَحْوَهُ: عَنْ خَالِدِ بْنِ عُرْفُطَةَ - رضي الله عنه

-

حسن كسابقه. ولكنه ضعيف السند في المسند

واخرج احمد نحوه: عن خالد بن عرفطة - رضي الله عنه - حسن كسابقه. ولكنه ضعيف السند في المسند


'Abdullah bin Khabbab (RAA) narrated, 'I heard my father say:
'I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say, "There will be times of Fitan, so O slave of Allah be in it the one who is killed and do not be the killer." Related by Abu Khaithamah and Ad-Daraqutni.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud

পরিচ্ছেদঃ ৫. শাসন এবং শাসনকারীর বিধান - ফিতনা দেখা দিলে মুসলিমদের করণীয়

১২৫৮। ইমাম আহমাদও অনুরূপ হাদীস খালিদ ইবনু উরফুতাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَبَّابٍ [قَالَ]: سَمِعْتَ أَبِي - رضي الله عنه - يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «تَكُونُ فِتَنٌ, فَكُنْ فِيهَا عَبْدَ اللَّهِ الْمَقْتُولَ, وَلَا تَكُنْ الْقَاتِلَ». أَخْرَجَهُ ابْنُ أَبِي خَيْثَمَةَ. وَالدَّارَقُطْنِيُّ

-

حسن بشواهده. وهذا الحديث مداره على رجل من عبد القيس، وهو مجهول

وعن عبد الله بن خباب [قال]: سمعت ابي - رضي الله عنه - يقول: سمعت رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقول: «تكون فتن, فكن فيها عبد الله المقتول, ولا تكن القاتل». اخرجه ابن ابي خيثمة. والدارقطني - حسن بشواهده. وهذا الحديث مداره على رجل من عبد القيس، وهو مجهول


Ahmad transmitted a similar hadith on the authority of Khalid bin 'Urfutah.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
বুলুগুল মারাম
পর্ব - ১০ঃ দণ্ড বিধি (كتاب الحدود) 10/ Hudud
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৫৪ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫৪ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে