সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত) ৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب)

পরিচ্ছেদঃ ১. নবী (ﷺ)-এর সহনশীলতা ও চরিত্র সম্পর্কে

৪৭৭৩। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চরিত্রের দিক থেকে সর্বোত্তম ব্যক্তি ছিলেন। একদিন তিনি আমাকে কোনো দরকারে পাঠালেন। আমি বললাম, আল্লাহর কসম! আমি যাবো না। কিন্তু আমার অন্তরে ছিলো যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে যে প্রয়োজনে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন সেখানে যাবো। আনাস (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি রাওয়ানা হয়ে বাজারে খেলাধুলায় রত বালকদের পাশ দিয়ে যেতে খেলায় লিপ্ত হলাম। হঠাৎ পিছন দিক থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে আমার ঘাড় ধরলেন। পিছন দিকে ফিরে দেখি তিনি হাসছেন।

তিনি বললেন, হে উনাইস! আমি তোমাকে যেখানে যেতে বলেছি তুমি সেখানে যাও। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! হ্যাঁ, এই তো যাচ্ছি। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আমি সাত বছর অথবা নয় বছর তাঁর খেদমত করেছি! কিন্তু আমার মনে পড়ছে না যে, তিনি আমার কোনো কাজের জন্য আমাকে বলেছেনঃ তুমি এটা কেন করলে? অথবা কোনো কাজ না করলে তিনি আমার কৈফিয়ত তালাশ করেননি, এ কাজ কেন করলে না।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي الْحِلْمِ وَأَخْلَاقِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ الشُّعَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ يَعْنِي ابْنَ عَمَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، قَالَ: قَالَ أَنَسٌ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ أَحْسَنِ النَّاسِ خُلُقًا، فَأَرْسَلَنِي يَوْمًا لِحَاجَةٍ، فَقُلْتُ: وَاللَّهِ لَا أَذْهَبُ وَفِي نَفْسِي أَنْ أَذْهَبَ لِمَا أَمَرَنِي بِهِ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: فَخَرَجْتُ، حَتَّى أَمُرَّ عَلَى صِبْيَانٍ وَهُمْ يَلْعَبُونَ فِي السُّوقِ، فَإِذَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَابِضٌ بِقَفَايَ مِنْ وَرَائِي فَنَظَرْتُ إِلَيْهِ وَهُوَ يَضْحَكُ فَقَالَ: يَا أُنَيْسُ اذْهَبْ حَيْثُ أَمَرْتُكَ قُلْتُ: نَعَمْ، أَنَا أَذْهَبُ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ أَنَسٌ: وَاللَّهِ لَقَدْ خَدَمْتُهُ سَبْعَ سِنِينَ، أَوْ تِسْعَ سِنِينَ، مَا عَلِمْتُ قَالَ لِشَيْءٍ صَنَعْتُ: لِمَ فَعَلْتَ كَذَا وَكَذَا، وَلَا لِشَيْءٍ تَرَكْتُ: هَلَّا فَعَلْتَ كَذَا وَكَذَا

حسن

حدثنا مخلد بن خالد الشعيري، حدثنا عمر بن يونس، حدثنا عكرمة يعني ابن عمار، قال: حدثني إسحاق يعني ابن عبد الله بن أبي طلحة، قال: قال أنس: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم من أحسن الناس خلقا، فأرسلني يوما لحاجة، فقلت: والله لا أذهب وفي نفسي أن أذهب لما أمرني به نبي الله صلى الله عليه وسلم، قال: فخرجت، حتى أمر على صبيان وهم يلعبون في السوق، فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم قابض بقفاي من ورائي فنظرت إليه وهو يضحك فقال: يا أنيس اذهب حيث أمرتك قلت: نعم، أنا أذهب يا رسول الله، قال أنس: والله لقد خدمته سبع سنين، أو تسع سنين، ما علمت قال لشيء صنعت: لم فعلت كذا وكذا، ولا لشيء تركت: هلا فعلت كذا وكذا حسن


Anas said:
the Messenger of Allah (ﷺ) was one of the best of men in character. One day he sent me to do something, and I said: I swore by Allah that I would not go. But in my heart I felt that I should go to do what the Prophet of Allah (ﷺ) had commanded me; so I went out and came upon some boys who were playing in the street. All of a sudden the Messenger of Allah (ﷺ) who had come up behind caught me by the back of the neck, and when I looked at him he was laughing. He said: Go where I ordered you, little Anas. I replied: Yes, I am going, Apostle of Allah! Anas said: I swear by Allah, I served him for seven or nine years, and he never said to me about a thing which I had done: Why did you do such and such? Nor about a thing which I left: why did not do such and such?


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ১. নবী (ﷺ)-এর সহনশীলতা ও চরিত্র সম্পর্কে

৪৭৭৪। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদীনায় আমি দশ বছর যাবত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমত করেছি। তখন আমি বালক ছিলাম। সব কাজ আমার মালিক যেভাবে করাতে চেয়েছেন সেভাবে করতে পারিনি। সেজন্য তিনি আমার প্রতি কখনো মনঃক্ষুন্নতা প্রকাশ করেননি এবং কখনো আমাকে বলেননি, তুমি এটা কেন করলে অথবা এটা কেন করলে না।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي الْحِلْمِ وَأَخْلَاقِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ يَعْنِي ابْنَ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: خَدَمْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَشْرَ سِنِينَ بِالْمَدِينَةِ وَأَنَا غُلَامٌ لَيْسَ كُلُّ أَمْرِي كَمَا يَشْتَهِي صَاحِبِي أَنْ أَكُونَ عَلَيْهِ مَا قَالَ لِي فِيهَا أُفٍّ قَطُّ، وَمَا قَالَ لِي لِمَ فَعَلْتَ هَذَا أَوْ أَلَّا فَعَلْتَ هَذَا

صحيح

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا سليمان يعني ابن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال: خدمت النبي صلى الله عليه وسلم عشر سنين بالمدينة وأنا غلام ليس كل أمري كما يشتهي صاحبي أن أكون عليه ما قال لي فيها أف قط، وما قال لي لم فعلت هذا أو ألا فعلت هذا صحيح


Narrated Anas ibn Malik:

I served the Prophet (ﷺ) at Medina for ten years. I was a boy. Every work that I did was not according to the desire of my master, but he never said to me: Fie, nor did he say to me: Why did you do this? or Why did you not do this?


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ১. নবী (ﷺ)-এর সহনশীলতা ও চরিত্র সম্পর্কে

৪৭৭৫। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সঙ্গে মসজিদে বসে কথাবার্তা বলতেন। অতঃপর তিনি উঠে গেলে আমরাও দাঁড়াতাম এবং তিনি তাঁর কোনো স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ না করা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতাম। একদিন তিনি আমাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলছিলেন এবং তিনি দাঁড়ালেন আমরাও তাঁর সঙ্গে দাঁড়ালাম।

দেখলাম যে, জনৈক বেদুঈন তাকে নাগালে পেয়ে তাঁর চাদর ধরে এমন জোরে টান দিলো যে, তার ঘাড় লাল হয়ে গেলো। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, তাঁর চাদরটা ছিলো খসখসে। তিনি ফিরে তাকালেন। বেদুঈন তাঁকে বললো, এই দু’ উটের বোঝা পরিমাণ খাদ্য আমাকে দাও। কারণ তুমি তো তোমার নিজের সম্পদ থেকেও দিচ্ছ না আর তোমার বাবার সম্পদ থেকেও দিচ্ছ না।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না, আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি; না, আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি; না, আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি। তুমি আমাকে যে জোরে টান দিয়েছ তুমি তোমার উপর আমাকে তার প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ না দেয়া পর্যন্ত আমি তোমাকে কিছুই দিবো না। বেদুঈনও বারবার বলছিল, আল্লাহর কসম! আমি আপনাকে তার প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ দিবো না।

অতঃপর বর্ণনাকারী এ হাদীস বর্ণনা করেন। অতঃপর তিনি একটি লোককে ডেকে এনে বললেনঃ তার এ দু’ উটের একটিকে যব এবং অপরটিতে খেজুর বোঝাই করে দিয়ে দাও। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা আল্লাহর কল্যাণ নিয়ে প্রত্যাবর্তন করো।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي الْحِلْمِ وَأَخْلَاقِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِلَالٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَاهُ، يُحَدِّثُ قَالَ: قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: وَهُوَ يُحَدِّثُنَا: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْلِسُ مَعَنَا فِي الْمَجْلِسِ يُحَدِّثُنَا، فَإِذَا قَامَ قُمْنَا قِيَامًا حَتَّى نَرَاهُ قَدْ دَخَلَ بَعْضَ بُيُوتِ أَزْوَاجِهِ، فَحَدَّثَنَا يَوْمًا فَقُمْنَا حِينَ قَامَ، فَنَظَرْنَا إِلَى أَعْرَابِيٍّ قَدْ أَدْرَكَهُ فَجَبَذَهُ بِرِدَائِهِ فَحَمَّرَ رَقَبَتَهُ، قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: وَكَانَ رِدَاءً خَشِنًا، فَالْتَفَتَ، فَقَالَ لَهُ الْأَعْرَابِيُّ: احْمِلْ لِي عَلَى بَعِيرَيَّ هَذَيْنِ فَإِنَّكَ لَا تَحْمِلُ لِي مِنْ مَالِكَ وَلَا مِنْ مَالِ أَبِيكَ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَا، وَأَسْتَغْفِرُ اللَّهَ، لَا، وَأَسْتَغْفِرُ اللَّهَ، لَا، وَأَسْتَغْفِرُ اللَّهَ لَا أَحْمِلُ لَكَ حَتَّى تُقِيدَنِي مِنْ جَبْذَتِكَ الَّتِي جَبَذْتَنِي فَكُلُّ ذَلِكَ يَقُولُ لَهُ الْأَعْرَابِيُّ: وَاللَّهِ لَا أُقِيدُكَهَا، فَذَكَرَ الْحَدِيثَ، قَالَ: ثُمَّ دَعَا رَجُلًا فَقَالَ لَهُ احْمِلْ لَهُ عَلَى بَعِيرَيْهِ هَذَيْنِ: عَلَى بَعِيرٍ شَعِيرًا، وَعَلَى الْآخَرِ تَمْرًا ثُمَّ الْتَفَتَ إِلَيْنَا فَقَالَ: انْصَرِفُوا عَلَى بَرَكَةِ اللَّهِ تَعَالَى

ضعيف

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا أبو عامر، حدثنا محمد بن هلال، أنه سمع أباه، يحدث قال: قال أبو هريرة: وهو يحدثنا: كان النبي صلى الله عليه وسلم يجلس معنا في المجلس يحدثنا، فإذا قام قمنا قياما حتى نراه قد دخل بعض بيوت أزواجه، فحدثنا يوما فقمنا حين قام، فنظرنا إلى أعرابي قد أدركه فجبذه بردائه فحمر رقبته، قال أبو هريرة: وكان رداء خشنا، فالتفت، فقال له الأعرابي: احمل لي على بعيري هذين فإنك لا تحمل لي من مالك ولا من مال أبيك، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: لا، وأستغفر الله، لا، وأستغفر الله، لا، وأستغفر الله لا أحمل لك حتى تقيدني من جبذتك التي جبذتني فكل ذلك يقول له الأعرابي: والله لا أقيدكها، فذكر الحديث، قال: ثم دعا رجلا فقال له احمل له على بعيريه هذين: على بعير شعيرا، وعلى الآخر تمرا ثم التفت إلينا فقال: انصرفوا على بركة الله تعالى ضعيف


Narrated AbuHurayrah:

The Messenger of Allah (ﷺ) used to sit with us in meetings and talk to us. When he stood up we also used to stand up and see him entering the house of one of his wives. One day he talked to us and we stood up as he stood up and we saw that an Arabi (a nomadic Arab) caught hold of him and gave his cloak a violent tug making his neck red.

AbuHurayrah said: The cloak was coarse. He turned to him and the Arabi said to him: Load these two camels of mine, for you do not give me anything from your property or from your father's property.

The Prophet (ﷺ) said to him: No, I ask Allah's forgiveness; no, I ask Allah's forgiveness; no, I ask Allah's forgiveness. I shall not give you the camel-load until you make amends for the way in which you tugged at me.

Each time the Arabi said to him: I swear by Allah, I shall not do so.

He then mentioned the rest of the tradition. He (the Prophet), then called a man and said to him: Load these two camels of his: one camel with barley and the other with dates. He then turned to us and said: Go on your way with the blessing of Allah.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ২. আত্মমর্যাদাবোধ

৪৭৭৬। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উত্তম পথ, গাম্ভীর্যপূর্ণ উত্তম আচরণ এবং পরিমিতিবোধ নাবুওয়াতের পঁচিশ ভাগের এক ভাগ।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي الْوَقَارِ

حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا قَابُوسُ بْنُ أَبِي ظَبْيَانَ، أَنَّ أَبَاهُ، حَدَّثَهُ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ الْهَدْيَ الصَّالِحَ، وَالسَّمْتَ الصَّالِحَ، وَالِاقْتِصَادَ جُزْءٌ مِنْ خَمْسَةٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ

حسن

حدثنا النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا قابوس بن أبي ظبيان، أن أباه، حدثه حدثنا عبد الله بن عباس، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال: إن الهدي الصالح، والسمت الصالح، والاقتصاد جزء من خمسة وعشرين جزءا من النبوة حسن


Narrated Abdullah ibn Abbas:

The Prophet (ﷺ) said: Good way, dignified good bearing and moderation are the twenty-fifth part of Prophecy.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৩. যে ব্যক্তি রাগ সংবরণ করে

৪৭৭৭। সাহল ইবনু মু‘আয (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার রাগ প্রয়োগে ক্ষমতা থাকার সত্ত্বেও সংযত থাকে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে সকল সৃষ্টিকূলের মধ্যে থেকে ডেকে নিবেন এবং তাকে হুরদের মধ্য থেকে তার পছন্দমত যে কোনো একজনকে বেছে নেয়ার স্বাধীনতা দিবেন।[1]

হাসান।

بَابُ مَنْ كَظَمَ غَيْظًا

حَدَّثَنَا ابْنُ السَّرْحِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ يَعْنِي ابْنَ أَبِي أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي مَرْحُومٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ كَظَمَ غَيْظًا وَهُوَ قَادِرٌ عَلَى أَنْ يُنْفِذَهُ، دَعَاهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَى رُءُوسِ الْخَلَائِقِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ حَتَّى يُخَيِّرَهُ اللَّهُ مِنَ الْحُورِ الْعِينِ مَا شَاءَ قَالَ أَبُو دَاوُدَ: اسْمُ أَبِي مَرْحُومٍ: عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَيْمُونٍ

حسن

حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، عن سعيد يعني ابن أبي أيوب، عن أبي مرحوم، عن سهل بن معاذ، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: من كظم غيظا وهو قادر على أن ينفذه، دعاه الله عز وجل على رءوس الخلائق يوم القيامة حتى يخيره الله من الحور العين ما شاء قال أبو داود: اسم أبي مرحوم: عبد الرحمن بن ميمون حسن


Narrated Mu'adh ibn Jabal:

The Messenger of Allah (ﷺ) said: If anyone suppresses anger when he is in a position to give vent to it, Allah, the Exalted, will call him on the Day of Resurrection over the heads of all creatures, and ask him to choose any of the bright and large eyed maidens he wishes.

Abu Dawud said: The name of the transmitter Abu Marhum is 'Abd al-Rahman b. Maimun.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৩. যে ব্যক্তি রাগ সংবরণ করে

৪৭৭৮। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জনৈক সাহাবীর পুত্র থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। অতঃপর আখিরাতে আল্লাহ তাকে ডাকবেন এর স্থানে বলেনঃ আল্লাহ তাকে শান্তি ও ঈমানের দ্বারা পরিপূর্ণ করবেন। তারপর বলেন, যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সৌন্দর্যবর্ধক পোশাক পরা থেকে বিরত থাকে এবং বর্ণনাকারী বিশর বলেন, আমার ধারণা তিনি নম্রতা পরিত্যাগের কথা বলেছেন, আল্লাহ তাকে সম্মানের পোশাক পরিধান করাবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য বিবাহ করবে আল্লাহ তাকে রাজমুকুট পরিধান করাবেন।[1]

দুর্বলঃ মিশকাত হা/ ৫০৮৯।

بَابُ مَنْ كَظَمَ غَيْظًا

حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ يَعْنِي ابْنَ مَهْدِيٍّ، عَنْ بِشْرٍ يَعْنِي ابْنَ مَنْصُورٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَبْنَاءِ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: نَحْوَهُ قَالَ: مَلَأَهُ اللَّهُ أَمْنًا وَإِيمَانًا لَمْ يَذْكُرْ قِصَّةَ دَعَاهُ اللَّهُ زَادَ وَمَنْ تَرَكَ لُبْسَ ثَوْبِ جَمَالٍ وَهُوَ يَقْدِرُ عَلَيْهِ قَالَ بِشْرٌ: أَحْسِبُهُ قَالَ تَوَاضُعًا» كَسَاهُ اللَّهُ حُلَّةَ الْكَرَامَةِ، وَمَنْ زَوَّجَ لِلَّهِ تَعَالَى تَوَّجَهُ اللَّهُ تَاجَ الْمُلْكِ

ضعيف، المشكاة (٥٠٨٩)

حدثنا عقبة بن مكرم، حدثنا عبد الرحمن يعني ابن مهدي، عن بشر يعني ابن منصور، عن محمد بن عجلان، عن سويد بن وهب، عن رجل من أبناء أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم عن أبيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: نحوه قال: ملأه الله أمنا وإيمانا لم يذكر قصة دعاه الله زاد ومن ترك لبس ثوب جمال وهو يقدر عليه قال بشر: أحسبه قال تواضعا» كساه الله حلة الكرامة، ومن زوج لله تعالى توجه الله تاج الملك ضعيف، المشكاة (٥٠٨٩)


Suwaid b. Wahb quoted a son of a Companion of the Prophet (ﷺ) who said his father reported the Messenger of Allah (ﷺ) said:
He then mentioned a similar tradition described above. This version has: Allah will fill his heart with security and faith. He did not mention the words "Allah will call him". This version further adds: He who gives up wearing beautiful garments when he is able to do so (out of humility, as Bishr's version has) will be clothed by Allah with the robe of honour, and he who marries for Allah's sake will be crowned by Allah with the crown of Kingdom.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৩. যে ব্যক্তি রাগ সংবরণ করে

৪৭৭৯। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের মধ্যকার কোন ব্যক্তিকে তোমরা বড় বীর মনে করো? সাহাবীগণ বললেন, যাকে কেউ যুদ্ধে হারাতে পারে না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, বরং প্রকৃত বীর হলো সেই ব্যক্তি যে রাগের সময় নিজেকে সংযত রাখতে পারে।[1]

সহীহ।

بَابُ مَنْ كَظَمَ غَيْظًا

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا تَعُدُّونَ الصُّرَعَةَ فِيكُمْ؟ قَالُوا: الَّذِي لَا يَصْرَعُهُ الرِّجَالُ قَالَ: لَا، وَلَكِنَّهُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ

صحيح

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم التيمي، عن الحارث بن سويد، عن عبد الله، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ما تعدون الصرعة فيكم؟ قالوا: الذي لا يصرعه الرجال قال: لا، ولكنه الذي يملك نفسه عند الغضب صحيح


`Abd Allah (b. Mas`ud) reported the Messenger of Allah (ﷺ) as saying:
Whom do you consider a wrestler among you? The people replied: (the man) whom the men cannot defeat in wrestling. He said: No, it is he who controls himself when he is angry.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৪. ক্রোধের সময় যা বলতে হয়

৪৭৮০। মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, দু’ ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে পরস্পরকে গালি দিতে লাগলো। তাদের একজন এতটা রাগান্বিত হলো যে, মনে হচ্ছিল, রাগের প্রচন্ডতায় তার নাক ফেটে যাবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি এমন একটি বাক্য জানি যা বললে রাগের প্রতিক্রিয়া চলে যাবে। তখন মু‘আয (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা কি? তিনি বললেন, সে বলবেঃ ‘‘হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট অভিশপ্ত শয়তান থেকে আশ্রয় চাইছি।’’ আব্দুর রাহমান বলেন, তখন মু‘আয (রাঃ) তাকে তা পড়ার তাকীদ দিতে থাকলেন। কিন্তু সে তা পড়তে সম্মত হলো না এবং ঝগড়া করতে থাকলো এবং তার রাগ আরো বৃদ্ধি পেলো।[1]

দুর্বল।

بَابُ مَا يُقَالُ عِنْدَ الْغَضَبِ

حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ: اسْتَبَّ رَجُلَانِ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَغَضِبَ أَحَدُهُمَا غَضَبًا شَدِيدًا حَتَّى خُيِّلَ إِلَيَّ أَنَّ أَنْفَهُ يَتَمَزَّعُ مِنْ شِدَّةِ غَضَبِهِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنِّي لَأَعْلَمُ كَلِمَةً لَوْ قَالَهَا لَذَهَبَ عَنْهُ مَا يَجِدُهُ مِنَ الْغَضَبِ؟ فَقَالَ: مَا هِيَ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: يَقُولُ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ قَالَ: فَجَعَلَ مُعَاذٌ يَأْمُرُهُ، فَأَبَى وَمَحِكَ، وَجَعَلَ يَزْدَادُ غَضَبًا

ضعيف

حدثنا يوسف بن موسى، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن معاذ بن جبل، قال: استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم، فغضب أحدهما غضبا شديدا حتى خيل إلي أن أنفه يتمزع من شدة غضبه، فقال النبي صلى الله عليه وسلم: إني لأعلم كلمة لو قالها لذهب عنه ما يجده من الغضب؟ فقال: ما هي يا رسول الله؟ قال: يقول: اللهم إني أعوذ بك من الشيطان الرجيم قال: فجعل معاذ يأمره، فأبى ومحك، وجعل يزداد غضبا ضعيف


Narrated Mu'adh ibn Jabal:

Two men reviled each other in the presence of the Prophet (ﷺ) and one of them became excessively angry so much so that I thought that his nose will break up on account of excess of anger. The Prophet (ﷺ) said: I know a phrase which, if he repeated, he could get rid of this angry feeling. They asked: What is it, Messenger of Allah? He replied: He should say: I seek refuge in Thee from the accursed devil. Mu'adh then began to ask him to do so, but he refused and persisted in quarrelling, and began to enhance his anger.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৪. ক্রোধের সময় যা বলতে হয়

৪৭৮১। সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে দু’ ব্যক্তি পরস্পরকে গালি দিতে লাগলো। তখন তাদের একজনের চোখ লাল হতে থাকে ও ঘাড়ের রগ মোটা হতে থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি অবশ্যই এমন একটি বাক্য জানি এ ব্যক্তি তা বললে নিশ্চয়ই তার রাগ চলে যাবে। তা হলোঃ অভিশপ্ত শয়তান থেকে আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইছি। লোকটি বললো, আপনি কি আমার পাগল ভাব দেখছেন![1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُقَالُ عِنْدَ الْغَضَبِ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ صُرَدٍ، قَالَ: اسْتَبَّ رَجُلَانِ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَجَعَلَ أَحَدُهُمَا تَحْمَرُّ عَيْنَاهُ وَتَنْتَفِخُ أَوْدَاجُهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنِّي لَأَعْرِفُ كَلِمَةً لَوْ قَالَهَا هَذَا لَذَهَبَ عَنْهُ الَّذِي يَجِدُ: أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ فَقَالَ الرَّجُلُ: هَلْ تَرَى بِي مِنْ جُنُونٍ؟

صحيح

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عدي بن ثابت، عن سليمان بن صرد، قال: استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم، فجعل أحدهما تحمر عيناه وتنتفخ أوداجه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إني لأعرف كلمة لو قالها هذا لذهب عنه الذي يجد: أعوذ بالله من الشيطان الرجيم فقال الرجل: هل ترى بي من جنون؟ صحيح


Sulaiman b. Surad said:
Two men reviled each other in the presence of the Prophet (ﷺ). Then the eyes of one of them became red and his jugular veins swelled. The Apostle of Allah (ﷺ) said: I know a phrase by repeating which the man could get rid of the angry feelings: I seek refuge in Allah from the accursed devil. The man said: Do you see insanity in me.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৪. ক্রোধের সময় যা বলতে হয়

৪৭৮২। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো যদি দাঁড়ানো অবস্থায় রাগের উদ্রেক হয় তাহলে সে যেন বসে পড়ে। এতে যদি তার রাগ দূর হয় তো ভালো, অন্যথায় সে যেন শুয়ে পড়ে।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُقَالُ عِنْدَ الْغَضَبِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ أَبِي حَرْبِ بْنِ أَبِي الْأَسْوَدِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَنَا: إِذَا غَضِبَ أَحَدُكُمْ وَهُوَ قَائِمٌ فَلْيَجْلِسْ، فَإِنْ ذَهَبَ عَنْهُ الْغَضَبُ وَإِلَّا فَلْيَضْطَجِعْ

صحيح

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، حدثنا داود بن أبي هند، عن أبي حرب بن أبي الأسود، عن أبي ذر، قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لنا: إذا غضب أحدكم وهو قائم فليجلس، فإن ذهب عنه الغضب وإلا فليضطجع صحيح


Narrated AbuDharr:

The Messenger of Allah (ﷺ) said to us: When one of you becomes angry while standing, he should sit down. If the anger leaves him, well and good; otherwise he should lie down.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৪. ক্রোধের সময় যা বলতে হয়

৪৭৮৩। বকর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ যার (রাঃ)-কে পাঠালেন ... অতঃপর উপরোক্ত হাদীস। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, দু’টি হাদীসের মধ্যে এটি অধিক সহীহ।[1]

সহীহ।

بَابُ مَا يُقَالُ عِنْدَ الْغَضَبِ

حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ بَقِيَّةَ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ دَاوُدَ، عَنْ بَكْرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعَثَ أَبَا ذَرٍّ، بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَهَذَا أَصَحُّ الْحَدِيثَيْنِ

صحيح لغيره

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن داود، عن بكر أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث أبا ذر، بهذا الحديث قال أبو داود: وهذا أصح الحديثين صحيح لغيره


Bakr said:
The Prophet (ﷺ) sent Mu`adh for some of his work. He then transmitted the rest of the tradition mentioned above.

Abu Dawud said: This tradition is sounder of the two traditions.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৪. ক্রোধের সময় যা বলতে হয়

৪৭৮৪। আবূ ওয়াইল আল-কাস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা উরওয়াহ ইবনু মুহাম্মাদ আস সা‘দির নিটক গেলাম। তখন এক ব্যক্তি তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি করে তাকে রাগিয়ে দিলো। অতএব তিনি দাঁড়ালেন এবং উযু করলেন। অতঃপর বললেন, আমার পিতা আমার দাদা আতিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাগ হচ্ছে শয়তানী প্রভাবের ফল। শয়তানকে আগুন থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর আগুন পানি দিয়ে নিভানো যায়। অতএব তোমাদের কারো রাগ হলে সে যেন উযু করে নেয়।[1]

দুর্বল।

بَابُ مَا يُقَالُ عِنْدَ الْغَضَبِ

حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْمَعْنَى، قَالَا: حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو وَائِلٍ الْقَاصُّ، قَالَ: دَخَلْنَا عَلَى عُرْوَةَ بْنِ مُحَمَّدٍ السَّعْدِيِّ، فَكَلَّمَهُ رَجُلٌ فَأَغْضَبَهُ، فَقَامَ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ رَجَعَ وَقَدْ تَوَضَّأَ، فَقَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي عَطِيَّةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ الْغَضَبَ مِنَ الشَّيْطَانِ، وَإِنَّ الشَّيْطَانَ خُلِقَ مِنَ النَّارِ، وَإِنَّمَا تُطْفَأُ النَّارُ بِالْمَاءِ، فَإِذَا غَضِبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَتَوَضَّأْ

ضعيف

حدثنا بكر بن خلف، والحسن بن علي المعنى، قالا: حدثنا إبراهيم بن خالد، حدثنا أبو وائل القاص، قال: دخلنا على عروة بن محمد السعدي، فكلمه رجل فأغضبه، فقام فتوضأ ثم رجع وقد توضأ، فقال: حدثني أبي، عن جدي عطية، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن الغضب من الشيطان، وإن الشيطان خلق من النار، وإنما تطفأ النار بالماء، فإذا غضب أحدكم فليتوضأ ضعيف


Narrated Atiyyah as-Sa'di:

AbuWa'il al-Qass said: We entered upon Urwah ibn Muhammad ibn as-Sa'di. A man spoke to him and made him angry. So he stood and performed ablution; he then returned and performed ablution, and said: My father told me on the authority of my grandfather Atiyyah who reported the Messenger of Allah (ﷺ) as saying: Anger comes from the devil, the devil was created of fire, and fire is extinguished only with water; so when one of you becomes angry, he should perform ablution.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৫. ক্ষমা করা ও অপরাধ উপেক্ষা করা

৪৭৮৫। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দু’টি কাজের যে কোনো একটি গ্রহণের স্বাধীনতা দেয়া হতো তখন তিনি দু’টির মধ্যে সহজতরটি গ্রহণ করতেন, যদি না তা পাপ কাজ হতো। আর যদি তা পাপ কাজ হতো তবে তিনি তা থেকে অন্যদের তুলনায় সবচেয়ে বেশি দূরে থাকতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপারে প্রতিশোধ নেননি। কিন্তু আল্লাহর প্রদত্ত সীমারেখা বা নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তিনি আল্লাহর জন্য অবশ্যই তার প্রতিশোধ নিতেন।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي التَّجَاوُزِ فِي الْأَمْرِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، أَنَّهَا قَالَتْ: مَا خُيِّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أَمْرَيْنِ إِلَّا اخْتَارَ أَيْسَرَهُمَا، مَا لَمْ يَكُنْ إِثْمًا، فَإِنْ كَانَ إِثْمًا كَانَ أَبْعَدَ النَّاسِ مِنْهُ، وَمَا انْتَقَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِنَفْسِهِ، إِلَّا أَنْ تُنْتَهَكَ حُرْمَةُ اللَّهِ تَعَالَى فَيَنْتَقِمُ لِلَّهِ بِهَا

صحيح

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة رضي الله عنها، أنها قالت: ما خير رسول الله صلى الله عليه وسلم في أمرين إلا اختار أيسرهما، ما لم يكن إثما، فإن كان إثما كان أبعد الناس منه، وما انتقم رسول الله صلى الله عليه وسلم لنفسه، إلا أن تنتهك حرمة الله تعالى فينتقم لله بها صحيح


`A’ishah said:
the Messenger of Allah (ﷺ) was never given his choice between two things without taking the easier(or lesser) of them provided it involved no sin, for if it did, no one kept farther away from it than he. And the Messenger of Allah (ﷺ) never took revenge on his own behalf for anything unless something Allah had forbidden has been transgressed, in which event he took revenge for it for Allah’s sake.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৫. ক্ষমা করা ও অপরাধ উপেক্ষা করা

৪৭৮৬। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কোনো খাদেমকে এবং কোনো মহিলাকে মারধর করেননি।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي التَّجَاوُزِ فِي الْأَمْرِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: مَا ضَرَبَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَادِمًا وَلَا امْرَأَةً قَطُّ

صحيح

حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت: ما ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم خادما ولا امرأة قط صحيح


`A’isha said:
the Messenger of Allah (saws ) never struck a servant or a woman.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৫. ক্ষমা করা ও অপরাধ উপেক্ষা করা

৪৭৮৭। আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) মহান আল্লাহর এ বাণী ‘‘তুমি ক্ষমানীতি অবলম্বন করো’’ (সূরা আল-আরাফঃ ১৯৯) সম্পর্কে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মানুষের চারিত্রিক দুর্বলতা ক্ষমা করার আদেশ দেয়া হয়েছে।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي التَّجَاوُزِ فِي الْأَمْرِ

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الطُّفَاوِيُّ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ الزُّبَيْرِ، فِي قَوْلِهِ (خُذِ الْعَفْوَ) [الأعراف: ١٩٩] قَالَ: أُمِرَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَأْخُذَ الْعَفْوَ مِنْ أَخْلَاقِ النَّاسِ

صحيح

حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا محمد بن عبد الرحمن الطفاوي، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبد الله يعني ابن الزبير، في قوله (خذ العفو) [الأعراف: ١٩٩] قال: أمر نبي الله صلى الله عليه وسلم أن يأخذ العفو من أخلاق الناس صحيح


Explaining the Qur’anic verse “Hold to forgiveness”, `Abd Allah b. Al-Zubair said:
The Prophet of Allah (ﷺ) was commanded to hold to forgiveness from the conduct of the people.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৬. লোকজনের সঙ্গে উত্তমরূপে বসবাস করা

৪৭৮৮। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কোনো ব্যক্তি কোনো বিষয়ে জানানো হলে তিনি এভাবে বলতেন নাঃ তার কি হলো যে, সে একথা বলে? বরং তিনি বলতেনঃ লোকজনের কি হলো যে, তারা এই এই বলে।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي حُسْنِ الْعِشْرَةِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ يَعْنِي الْحِمَّانِيَّ، حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا بَلَغَهُ عَنِ الرَّجُلِ الشَّيْءُ لَمْ يَقُلْ: مَا بَالُ فُلَانٍ يَقُولُ؟ وَلَكِنْ يَقُولُ: مَا بَالُ أَقْوَامٍ يَقُولُونَ كَذَا وَكَذَا؟

صحيح

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبد الحميد يعني الحماني، حدثنا الأعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن عائشة رضي الله عنها، قالت: كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا بلغه عن الرجل الشيء لم يقل: ما بال فلان يقول؟ ولكن يقول: ما بال أقوام يقولون كذا وكذا؟ صحيح


Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:

When the Prophet (ﷺ) was informed of anything of a certain man, he would not say: What is the matter with so and so that he says? But he would say: What is the matter with the people that they say such and such?


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৬. লোকজনের সঙ্গে উত্তমরূপে বসবাস করা

৪৭৮৯। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলো। তখন তার শরীরে হলুদ রঙ এর আলামত ছিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারো মুখের উপর তার দোষত্রুটি নির্দশ করতে সংকোচবোধ করতেন। তাই লোকটি যখন চলে যেতে লাগলো তখন তিনি বললেনঃ তোমরা যদি এ ব্যক্তিকে তার চেহারার ঐ রঙ ধুয়ে ফেলতে বলতে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, সালম আলী (রাঃ) বংশীয় নন। তিনি জ্যোর্তিবিদ্যা চর্চা করতেন। তিনি আদী ইবনু আরতাত (রাঃ)-এর সামনে চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দিলে তিনি তার সাক্ষ্য গ্রহণ করেননি।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي حُسْنِ الْعِشْرَةِ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا سَلْمٌ الْعَلَوِيُّ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَجُلًا، دَخَلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعَلَيْهِ أَثَرُ صُفْرَةٍ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَلَّمَا يُوَاجِهُ رَجُلًا فِي وَجْهِهِ بِشَيْءٍ يَكْرَهُهُ، فَلَمَّا خَرَجَ قَالَ: لَوْ أَمَرْتُمْ هَذَا أَنْ يَغْسِلَ ذَا عَنْهُ» قَالَ أَبُو دَاوُدَ: سَلْمٌ لَيْسَ هُوَ عَلَوِيًّا، كَانَ يُبْصِرُ فِي النُّجُومِ، وَشَهِدَ عِنْدَ عَدِيِّ بْنِ أَرْطَاةَ عَلَى رُؤْيَةِ الْهِلَالِ فَلَمْ يُجِزْ شَهَادَتَهُ

ضعيف

حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، حدثنا حماد بن زيد، حدثنا سلم العلوي، عن أنس، أن رجلا، دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليه أثر صفرة، وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم قلما يواجه رجلا في وجهه بشيء يكرهه، فلما خرج قال: لو أمرتم هذا أن يغسل ذا عنه» قال أبو داود: سلم ليس هو علويا، كان يبصر في النجوم، وشهد عند عدي بن أرطاة على رؤية الهلال فلم يجز شهادته ضعيف


Narrated Anas ibn Malik:

A man who had the mark of yellowness on him came to the Messenger of Allah (ﷺ). The apostle of Allah (ﷺ) rarely mentioned anything of a man which he disliked before him. When he went out, he said: Would that you asked him to wash it from him.

Abu Dawud said: Salam is not 'Alawi (from the descendants of 'Ali). He used to foretell events by stars. He bore witness before 'Abi b. Arafat to the visibility of moon, but he did not accept his witness.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৬. লোকজনের সঙ্গে উত্তমরূপে বসবাস করা

৪৭৯০। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু‘মিন ব্যক্তি সরল ও ভদ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে, কিন্তু পাপীষ্ঠ ব্যক্তি ধোঁকাবাজ ও নির্লজ্জ হয়।[1]

হাসান।

بَابٌ فِي حُسْنِ الْعِشْرَةِ

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ فُرَافِصَةَ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، ح وحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُتَوَكِّلِ الْعَسْقَلَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ رَافِعٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رَفَعَاهُ جَمِيعًا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: الْمُؤْمِنُ غِرٌّ كَرِيمٌ، وَالْفَاجِرُ خِبٌّ لَئِيمٌ

حسن

حدثنا نصر بن علي، قال: أخبرني أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن الحجاج بن فرافصة، عن رجل، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، ح وحدثنا محمد بن المتوكل العسقلاني، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا بشر بن رافع، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، رفعاه جميعا قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: المؤمن غر كريم، والفاجر خب لئيم حسن


Narrated AbuSalamah ; AbuHurayrah:

The Prophet (ﷺ) said: The believer is simple and generous, but the profligate is deceitful and ignoble.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৬. লোকজনের সঙ্গে উত্তমরূপে বসবাস করা

৪৭৯১। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসার জন্য অনুমতি চাইলে তিনি বললেন, গোত্রের কতই না খারাপ লোক। অতঃপর তিনি বললেনঃ আসতে দাও! যখন সে ভিতরে এলো তার সঙ্গে তিনি নম্রভাবে কথা বললেন (সে চলে গেলে) আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এ ব্যক্তির সঙ্গে নম্রভাবে কথা বললেন, অথচ ইতোপূর্বে আপনি তার সম্পর্কে অন্যরকম মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বললেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট ঐ ব্যক্তিই সবচেয়ে খারাপ, যাকে মানুষ তার অশালীন কথার ভয়ে ত্যাগ করেছে।[1]

সহীহ।

بَابٌ فِي حُسْنِ الْعِشْرَةِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: اسْتَأْذَنَ رَجُلٌ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: بِئْسَ ابْنُ الْعَشِيرَةِ، أَوْ بِئْسَ رَجُلُ الْعَشِيرَةِ، ثُمَّ قَالَ: ائْذَنُوا لَهُ فَلَمَّا دَخَلَ أَلَانَ لَهُ الْقَوْلَ، فَقَالَتْ عَائِشَةُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَلَنْتَ لَهُ الْقَوْلَ وَقَدْ قُلْتَ لَهُ مَا قُلْتَ، قَالَ: إِنَّ شَرَّ النَّاسِ عِنْدَ اللَّهِ مَنْزِلَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَنْ وَدَعَهُ، أَوْ تَرَكَهُ، النَّاسُ لِاتِّقَاءِ فُحْشِهِ

صحيح

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن ابن المنكدر، عن عروة، عن عائشة، قالت: استأذن رجل على النبي صلى الله عليه وسلم، فقال: بئس ابن العشيرة، أو بئس رجل العشيرة، ثم قال: ائذنوا له فلما دخل ألان له القول، فقالت عائشة: يا رسول الله، ألنت له القول وقد قلت له ما قلت، قال: إن شر الناس عند الله منزلة يوم القيامة من ودعه، أو تركه، الناس لاتقاء فحشه صحيح


`A’isha said :
A man asked permission to see the Prophet (ﷺ), and he said: He is a bad son of the tribe, or: He is a bad member of the tribe. He then said : Give him permission. Then when he entered, he spoke to him leniently. `A’isha asked : Apostle of Allah! You spoke to him leniently while you said about him what you said! He replied: The one who will have the worst position in Allah’s estimation on the Day of Resurrection will be the one whom people left alone for fear of his ribaldry.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)

পরিচ্ছেদঃ ৬. লোকজনের সঙ্গে উত্তমরূপে বসবাস করা

৪৭৯২। আয়িশাহ (রাঃ) এ ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আয়িশাহ! সবচেয়ে খারাপ মানুষ তারাই যাদেরকে মানুষ তাদের জিহ্বার অনিষ্ট থেকে আত্মরক্ষার জন্য সম্মান করে।[1]

সনদ দুর্বল।

بَابٌ فِي حُسْنِ الْعِشْرَةِ

حَدَّثَنَا عَبَّاسٌ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي هَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَتْ فَقَالَ تَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ‏ يَا عَائِشَةُ إِنَّ مِنْ شِرَارِ النَّاسِ الَّذِينَ يُكْرَمُونَ اتِّقَاءَ أَلْسِنَتِهِمْ ‏ ‏.‏

ضعيف الإسناد

حدثنا عباس العنبري، حدثنا أسود بن عامر، حدثنا شريك، عن الأعمش، عن مجاهد، عن عائشة، في هذه القصة قالت فقال تعني النبي صلى الله عليه وسلم ‏ يا عائشة إن من شرار الناس الذين يكرمون اتقاء ألسنتهم ‏ ‏.‏ ضعيف الإسناد


The tradition mentioned above has been transmitted by `A’isha through a different chain of narrators. This version has:
the Prophet (ﷺ) said: `A’isha! There are some bad people who are respected for fear of their tongues.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)
৩৬/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) 36. General Behavior (Kitab Al-Adab)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫০২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 25 26 পরের পাতা »