সুনান আদ-দারেমী ৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ১. যে ব্যক্তি হজ্জ্ব করার ইচ্ছা করে, সে যেনো আগে আগেই তা সম্পাদন করে

১৮২১. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি হাজ্জ্ব করার ইচ্ছা করে, সে যেনো অতিসত্তর তা (সম্পাদন) করে।”[1]

مِنْ كِتَابِ الْمَنَاسِك بَاب مَنْ أَرَادَ الْحَجَّ فَلْيَتَعَجَّلْ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَمْرٍو الْفُقَيْمِيُّ عَنْ مِهْرَانَ أَبِي صَفْوَانَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَرَادَ الْحَجَّ فَلْيَتَعَجَّلْ

حدثنا عبد الله بن محمد وعبد الله بن سعيد حدثنا أبو معاوية حدثنا الحسن بن عمرو الفقيمي عن مهران أبي صفوان عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أراد الحج فليتعجل

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ২. যে ব্যক্তি (সক্ষমতা সত্ত্বেও) হজ্জ না করে মৃত্যু বরণ করে

১৮২২. আবী উমামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “কোনো ব্যক্তি, যাকে কোনো প্রকাশ্য প্রয়োজন, কিংবা জালিম শাসক কিংবা আটকে রাখার মতো কোনো রোগ হাজ্জ্বে যেতে বাধা দেয়নি, সে যদি হাজ্জ না করে মৃত্যু বরণ করে, তবে চায় সে ইয়াহুদী হিসেবে মরুক, অথবা খৃস্টান হিসেবে মরুক (তাতে আমার কিছু আসে যায় না)।[1]

بَاب مَنْ مَاتَ وَلَمْ يَحُجَّ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ لَيْثٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَابِطٍ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ لَمْ يَمْنَعْهُ عَنْ الْحَجِّ حَاجَةٌ ظَاهِرَةٌ أَوْ سُلْطَانٌ جَائِرٌ أَوْ مَرَضٌ حَابِسٌ فَمَاتَ وَلَمْ يَحُجَّ فَلْيَمُتْ إِنْ شَاءَ يَهُودِيًّا وَإِنْ شَاءَ نَصْرَانِيًّا

أخبرنا يزيد بن هارون عن شريك عن ليث عن عبد الرحمن بن سابط عن أبي أمامة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من لم يمنعه عن الحج حاجة ظاهرة أو سلطان جائر أو مرض حابس فمات ولم يحج فليمت إن شاء يهوديا وإن شاء نصرانيا

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৩. নাবী (ﷺ) এর হজ্জ সম্পর্কে- তিনি একবার হজ্জ করেছেন

১৮২৩. আবী ইসহাক বলেন, আমি যাইদ ইবনু আরক্বাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হিজরাতের পরে একবার হাজ্জ সম্পাদন করেন।’[1]

রাবী বলেন, আর আবী ইসহাক বলেন, তিনি তাঁর হিজরাতের পূর্বেও একবার হাজ্জ করেছিলেন।

بَاب فِي حَجِّ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَجَّةً وَاحِدَةً

أَخْبَرَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ سَمِعْتُ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ يَقُولُ حَجَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ هِجْرَتِهِ حَجَّةً قَالَ وَقَالَ أَبُو إِسْحَقَ حَجَّ قَبْلَ هِجْرَتِهِ حَجَّةً

أخبرنا مجاهد بن موسى حدثنا يحيى بن آدم حدثنا زهير عن أبي إسحق قال سمعت زيد بن أرقم يقول حج النبي صلى الله عليه وسلم بعد هجرته حجة قال وقال أبو إسحق حج قبل هجرته حجة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ইসহাক (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৩. নাবী (ﷺ) এর হজ্জ সম্পর্কে- তিনি একবার হজ্জ করেছেন

১৮২৪. কাতাদা (রাহি:) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বললাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কতবার হাজ্জ করেছেন? তিনি বললেন, তিনি একবার হজ্জ এবং চারবার উমরা করেছেন। একটি উমরা হলো মুশরিকরা যেইবার তাঁকে বাইতুল্লাহ যেতে বাধা দিয়েছিল, দ্বিতীয়টি হলো যখন তারা তাঁর সাথে (হুদায়বিয়ার) সন্ধি করল, এরপর তিনি পরবর্তী বছর (উমরার জন্য) ফিরে এসেছিলেন। এরপর তৃতীয়টি ছিল যিলকাদ মাসে জি’ইরানা থেকে, যখন তিনি হুনায়ন যুদ্ধে লব্ধ গনীমত বন্টন করেছিলেন। এবং অপর উমরাটি ছিল তাঁর হাজ্জের সঙ্গে।[1]

بَاب فِي حَجِّ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَجَّةً وَاحِدَةً

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ قَالَ قُلْتُ لِأَنَسٍ كَمْ حَجَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ حَجَّةً وَاحِدَةً وَاعْتَمَرَ أَرْبَعًا عُمْرَتُهُ الْأُولَى الَّتِي صَدَّهُ الْمُشْرِكُونَ عَنْ الْبَيْتِ وَعُمْرَتُهُ الثَّانِيَةُ حِينَ صَالَحُوهُ فَرَجَعَ مِنْ الْعَامِ الْمُقْبِلِ وَعُمْرَتُهُ مِنْ الْجِعْرَانَةِ حِينَ قَسَّمَ غَنِيمَةَ حُنَيْنٍ فِي ذِي الْقَعْدَةِ وَعُمْرَتُهُ مَعَ حَجَّتِهِ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا همام حدثنا قتادة قال قلت لأنس كم حج النبي صلى الله عليه وسلم قال حجة واحدة واعتمر أربعا عمرته الأولى التي صده المشركون عن البيت وعمرته الثانية حين صالحوه فرجع من العام المقبل وعمرته من الجعرانة حين قسم غنيمة حنين في ذي القعدة وعمرته مع حجته

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ কাতাদাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৪. হজ্জ কিভাবে ফরয হলো

১৮২৫. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “তোমাদের উপর হাজ্জ ফরয করা হয়েছে।” তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তা কি প্রতি বছরই (করা ফরয)? তিনি বলেনঃ “না। কিন্তু আমি যদি তা (হাঁ) বলতাম, তবে অবশ্যই তা (প্রতি বছর হাজ্জ করা) অবশ্য কর্তব্য হয়ে যেতো। অতঃপর এর অধিক যা করবে, তা নফল।”[1]

بَاب كَيْفَ وُجُوبُ الْحَجِّ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سِنَانٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كُتِبَ عَلَيْكُمْ الْحَجُّ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فِي كُلِّ عَامٍ قَالَ لَا وَلَوْ قُلْتُهَا لَوَجَبَتْ الْحَجُّ مَرَّةٌ فَمَا زَادَ فَهُوَ تَطَوُّعٌ

حدثنا محمد بن كثير حدثنا سليمان بن كثير عن الزهري عن سنان عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كتب عليكم الحج فقيل يا رسول الله في كل عام قال لا ولو قلتها لوجبت الحج مرة فما زاد فهو تطوع

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৪. হজ্জ কিভাবে ফরয হলো

১৮২৬. (অপর সনদে) ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।[1]

بَاب كَيْفَ وُجُوبُ الْحَجِّ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ شَرِيكٍ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ نَحْوَهُ

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن شريك عن سماك عن عكرمة عن ابن عباس نحوه

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৫. হজ্জের মীকাতসমূহ

১৮২৭. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনাবাসীদের জন্য যুলহুলায়ফা, শাম (বা সিরিয়া)-বাসীদের জন্য জুহ্ফাহ্, নাজদবাসীদের জন্য কার্ণ নামক স্থানকে (হজ্জ ও উমরার) মীকাত নির্দিষ্ট করেন। ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এ তিনটি স্থানের কথা আমি নিজে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট শুনেছি; এছাড়া, আমি জানতে পেরেছি যে, তিনি ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম নামক স্থানকে মীকাত নির্ধারণ করেন।[1]

بَاب الْمَوَاقِيتِ فِي الْحَجِّ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلِأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلِأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنًا قَالَ قَالَ ابْنُ عُمَرَ أَمَّا هَذِهِ الثَّلَاثُ فَإِنِّي سَمِعْتُهُنَّ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبَلَغَنِي أَنَّهُ وَقَّتَ لِأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ

أخبرنا أحمد بن عبد الله بن يونس حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر قال وقت رسول الله صلى الله عليه وسلم لأهل المدينة ذا الحليفة ولأهل الشام الجحفة ولأهل نجد قرنا قال قال ابن عمر أما هذه الثلاث فإني سمعتهن من رسول الله صلى الله عليه وسلم وبلغني أنه وقت لأهل اليمن يلملم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৫. হজ্জের মীকাতসমূহ

১৮২৮. (অপর সনদে) ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

بَاب الْمَوَاقِيتِ فِي الْحَجِّ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارَ عَنْ ابْنِ عُمَرَ مِثْلَهُ

أخبرنا أحمد بن عبد الله حدثنا مالك عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر مثله

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৫. হজ্জের মীকাতসমূহ

১৮২৯. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনাবাসীদের জন্য যুল্-হুলায়ফা, শাম (বা সিরিয়া)-বাসীদের জন্য জুহ্ফাহ্, নাজদবাসীদের জন্য কার্ণ ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম নামক স্থানকে (হাজ্জ ও উমরার) মীকাত নির্ধারণ করেন। এস্থানগুলি এ সকল স্থানের অধিবাসীদের জন্য এবং তারা ব্যতীত অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসীদের জন্য, যারা এ স্থান দিয়ে হজ্জ এবং উমরার উদ্দেশ্যে আগমণ করবে। আর এছাড়া অন্যান্যরা (মীকাতের অভ্যন্তরে বসবাসকারীগণ) যেখান হতে সফর শুরু করবে, সেস্থানই তাদের মীকাত হবে। এমনকি মক্কাবাসিগণ মক্কা হতেই ইহরাম বাঁধবে।[1]

بَاب الْمَوَاقِيتِ فِي الْحَجِّ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَّتَ لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ وَلِأَهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ وَلِأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنَ الْمَنَازِلِ وَلِأَهْلِ الْيَمَنِ أَلَمْلَمَ هُنَّ لِأَهْلِهِنَّ وَلِكُلِّ آتٍ أَتَى عَلَيْهِنَّ مِنْ غَيْرِهِنَّ مَنْ أَرَادَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ وَمَنْ كَانَ دُونَ ذَلِكَ فَمِنْ حَيْثُ أَنْشَأَ حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ مِنْ مَكَّةَ

حدثنا مسلم بن إبراهيم حدثنا وهيب حدثنا ابن طاوس عن أبيه عن ابن عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم وقت لأهل المدينة ذا الحليفة ولأهل الشام الجحفة ولأهل نجد قرن المنازل ولأهل اليمن ألملم هن لأهلهن ولكل آت أتى عليهن من غيرهن من أراد الحج والعمرة ومن كان دون ذلك فمن حيث أنشأ حتى أهل مكة من مكة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৬. ইহরাম অবস্থায় গোসল করা প্রসঙ্গে

১৮৩০. আব্দুল্লাহ ইবনু হুনায়ন (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আবওয়া নামক স্থানে মুহরিম ব্যক্তির তার মাথা ধৌত করার বিষয়ে মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) এবং ‘আব্দুল্লাহ ইবন ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) এর মধ্যে মতানৈক্য হল। এরপর তিনি (‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস) আমাকে আবূ আইয়ুব আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট একথা জিজ্ঞাসা করতে পাঠালেন যে, আপনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে মুহরিম অবস্থায় কিভাবে মাথা ধৌত করতে দেখেছেন? আমি আবূ আইয়ুব আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এলাম। আমি তাঁকে কূপ থেকে পানি ঊঠানোর চরকার দু’খুটির মাঝে কাপড় ঘেরা অবস্থায় (গোসল করতে) দেখতে পেলাম। আমি তাঁকে সালাম করলাম। তখন তিনি কাপড়টি তাঁর গায়ে জড়িয়ে নিলেন। তখন আমি বললাম, আপনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে মুহরিম অবস্থায় কিভাবে মাথা ধৌত করতে দেখেছেন, এ বিষয়টি জিজ্ঞাসা করার জন্য আমাকে ‘আব্দুল্লাহ ইবন ‘আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আপনার নিকট পাঠিয়েছেন। তখন (এ কথা শুনে) তিনি তাঁর হাতদু’টি মাথার উপর দিয়ে একবার সামনের দিকে টানলেন আবার পেছনের দিকে টেনে নিলেন।[1]

بَاب فِي الِاغْتِسَالِ فِي الْإِحْرَامِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُنَيْنٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ امْتَرَى الْمِسْوَرُ بْنُ مَخْرَمَةَ وَابْنُ عَبَّاسٍ فِي غَسْلِ الْمُحْرِمِ رَأْسَهُ فَأَرْسَلُونِي إِلَى أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ كَيْفَ رَأَيْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَغْسِلُ رَأْسَهُ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَأَتَيْتُ أَبَا أَيُّوبَ وَهُوَ بَيْنَ قَرْنَيْ الْبِئْرِ وَقَدْ سُتِرَ عَلَيْهِ بِثَوْبٍ فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ فَضَمَّ الثَّوْبَ إِلَيْهِ فَقُلْتُ أَرْسَلَنِي إِلَيْكَ ابْنُ أَخِيكَ ابْنُ عَبَّاسٍ كَيْفَ رَأَيْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَغْسِلُ رَأْسَهُ فَأَمَرَّ يَدَيْهِ عَلَى رَأْسِهِ مُقْبِلًا وَمُدْبِرًا

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة عن زيد بن أسلم عن إبراهيم بن عبد الله بن حنين عن أبيه قال امترى المسور بن مخرمة وابن عباس في غسل المحرم رأسه فأرسلوني إلى أبي أيوب الأنصاري كيف رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يغسل رأسه وهو محرم فأتيت أبا أيوب وهو بين قرني البئر وقد ستر عليه بثوب فسلمت عليه فضم الثوب إليه فقلت أرسلني إليك ابن أخيك ابن عباس كيف رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يغسل رأسه فأمر يديه على رأسه مقبلا ومدبرا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৬. ইহরাম অবস্থায় গোসল করা প্রসঙ্গে

১৮৩১. যাইদ ইবন সাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে ইহরামের উদ্দেশ্যে (সেলাই করা) পোশাক খুলতে ও গোসল করতে দেখেছেন।[1]

بَاب فِي الِاغْتِسَالِ فِي الْإِحْرَامِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي زِيَادٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَعْقُوبَ الْمَدَنِيُّ عَنْ ابْنِ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَجَرَّدَ لِلْإِهْلَالِ وَاغْتَسَلَ

أخبرنا عبد الله بن أبي زياد حدثنا عبد الله بن يعقوب المدني عن ابن أبي الزناد عن أبيه عن خارجة بن زيد بن ثابت عن أبيه أن النبي صلى الله عليه وسلم تجرد للإهلال واغتسل

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৭. হজ্জ ও উমরার ফযীলত সম্পর্কে

১৮৩২. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “জান্নাতই হল হাজ্জে মাবরূরের প্রতিদান। এবং এক ‘উমরার পর আর এক ‘উমরা উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহের জন্য কাফফারা।”[1]

بَاب فِي فَضْلِ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ سُمَيٍّ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ حَجَّةٌ مَبْرُورَةٌ لَيْسَ لَهَا ثَوَابٌ إِلَّا الْجَنَّةُ وَعُمْرَتَانِ تُكَفِّرَانِ مَا بَيْنَهُمَا مِنْ الذُّنُوبِ

أخبرنا عبيد الله بن موسى عن سفيان عن سمي عن أبي صالح عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال حجة مبرورة ليس لها ثواب إلا الجنة وعمرتان تكفران ما بينهما من الذنوب

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৭. হজ্জ ও উমরার ফযীলত সম্পর্কে

১৮৩৩. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি বাইতুল্লাহ’য় হাজ্জ করলো এবং অশালীন কথাবার্তা ও (ফিসক্ব) গুনাহ থেকে বিরত রইল, সে এমন (নিষ্পাপ) অবস্থায় ফিরে আসে, যেমন (নিষ্পাপ) অবস্থায় তাঁর মা তাকে প্রসব করেছে।”[1]

بَاب فِي فَضْلِ الْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنِي مَنْصُورٌ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حَازِمٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ مَنْ حَجَّ الْبَيْتَ فَلَمْ يَرْفُثْ وَلَمْ يَفْسُقْ رَجَعَ كَمَا وَلَدَتْهُ أُمُّهُ

أخبرنا أبو الوليد الطيالسي حدثنا شعبة حدثني منصور قال سمعت أبا حازم يحدث عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال من حج البيت فلم يرفث ولم يفسق رجع كما ولدته أمه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৮. কোন্ প্রকারের হজ্জ উত্তম

১৮৩৪. আবী বাকর সিদ্দীক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত আছে, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রশ্ন করা হলো, কোন প্রকার হাজ্জ সবচেয়ে উত্তম? তিনি বলেন: উচ্চ শব্দ করা ও প্রবাহিত করা।[1] [الْعَجُّ (উচ্চ শব্দ করা) অর্থ: উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ করা; এবং َالثَّجُّ (প্রবাহিত করা) অর্থ: রক্ত প্রবাহিত করা (কুরবানী দেওয়া)।

بَاب أَيُّ الْحَجِّ أَفْضَلُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ عَنْ الضَّحَّاكِ بْنِ عُثْمَانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَرْبُوعٍ عَنْ أَبِي بَكْرٍ قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّ الْحَجِّ أَفْضَلُ قَالَ الْعَجُّ وَالثَّجُّ الْعَجُّ يَعْنِي التَّلْبِيَةَ وَالثَّجُّ يَعْنِي إِهْرَاقَةَ الدَّمِ

حدثنا محمد بن العلاء حدثنا محمد بن إسمعيل بن أبي فديك عن الضحاك بن عثمان عن محمد بن المنكدر عن عبد الرحمن بن يربوع عن أبي بكر قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم أي الحج أفضل قال العج والثج العج يعني التلبية والثج يعني إهراقة الدم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৯. মুহরিম (ইহরামরত ব্যক্তি) কোন্ প্রকার কাপড় পরিধান করবে

১৮৩৫. ইবনু ‘উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলো, ‘আমরা যখন ইহরাম বাধবো, তখন কী কী কাপড় পরবো?’ তিনি বলেনঃ “তুমি জামা পরবে না, পাজামা পরবে না, পাগড়ী পরবে না, টুপি পরবে না এবং চপ্পল পরবে না। তবে কারো জুতা না থাকলে সে যেন চামড়ার মোজা পরে, তবে মোজা দু’টি পায়ের গিরার (টাখনু’র) নিচে রাখবে। আর তুমি ‘ওয়ারস’ (এক প্রকার সুগন্ধি) বা যা‘আফরান মিশ্রিত কোন কাপড় পরবে না।[1]

بَاب مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ مِنْ الثِّيَابِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ نَافِعٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا نَلْبَسُ مِنْ الثِّيَابِ إِذَا أَحْرَمْنَا قَالَ لَا تَلْبَسُوا الْقُمُصَ وَلَا السَّرَاوِيلَاتِ وَلَا الْعَمَائِمَ وَلَا الْبَرَانِسَ وَلَا الْخِفَافَ إِلَّا أَنْ يَكُونَ أَحَدٌ لَيْسَتْ لَهُ نَعْلَانِ فَلْيَلْبَسْ الْخُفَّيْنِ وَلْيَجْعَلْهُمَا أَسْفَلَ مِنْ الْكَعْبَيْنِ وَلَا تَلْبَسُوا مِنْ الثِّيَابِ شَيْئًا مَسَّهُ وَرْسٌ وَلَا زَعْفَرَانٌ

أخبرنا يزيد بن هارون أخبرنا يحيى هو ابن سعيد عن عمر بن نافع عن أبيه عن ابن عمر أن رجلا سأل النبي صلى الله عليه وسلم ما نلبس من الثياب إذا أحرمنا قال لا تلبسوا القمص ولا السراويلات ولا العمائم ولا البرانس ولا الخفاف إلا أن يكون أحد ليست له نعلان فليلبس الخفين وليجعلهما أسفل من الكعبين ولا تلبسوا من الثياب شيئا مسه ورس ولا زعفران

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৯. মুহরিম (ইহরামরত ব্যক্তি) কোন্ প্রকার কাপড় পরিধান করবে

১৮৩৬. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: “কোনো (মুহরিম) ব্যক্তির লুঙ্গি না থাকলে পায়জামা পরিধান করবে এবং যার জুতা নেই সে মোজা পরিধান করবে।”আমি বললাম, কিংবা তাঁকে বলা হলো, সে কি মোজা দু’টি কেটে নিবে? তিনি বললেন: “না।”[1]

بَاب مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ مِنْ الثِّيَابِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ أَخْبَرَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ لَمْ يَجِدْ إِزَارًا فَلْيَلْبَسْ سَرَاوِيلَ وَمَنْ لَمْ يَجِدْ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ قَالَ قُلْتُ أَوْ قِيلَ أَيَقْطَعُهُمَا قَالَ لَا

أخبرنا أبو عاصم عن ابن جريج عن عمرو بن دينار عن أبي الشعثاء أخبرني ابن عباس أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم قال من لم يجد إزارا فليلبس سراويل ومن لم يجد نعلين فليلبس خفين قال قلت أو قيل أيقطعهما قال لا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ৯. মুহরিম (ইহরামরত ব্যক্তি) কোন্ প্রকার কাপড় পরিধান করবে

১৮৩৭. ইবনু ‘উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ‘মুহরিম ব্যক্তির পরিধেয় বস্ত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তখন তিনি বলেনঃ “সে জামা পরবে না, পাগড়ী পরবে না, পাজামা পরবে না, টুপি পরবে না এবং চপ্পল পরবে না। তবে কারো জুতা না থাকলে সে যেন চামড়ার মোজা পরে, তবে মোজা দু’টি পায়ের গিরার (টাখনু’র) নিচ পর্যন্ত কেটে ফেলবে।”[1]

بَاب مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ مِنْ الثِّيَابِ

أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَمَّا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ قَالَ لَا يَلْبَسُ الْقُمُصَ وَلَا الْعَمَائِمَ وَلَا السَّرَاوِيلَاتِ وَلَا الْبَرَانِسَ وَلَا الْخِفَافَ إِلَّا أَنْ لَا يَجِدَ نَعْلَيْنِ فَيَلْبَسَ خُفَّيْنِ وَيَقْطَعَهُمَا أَسْفَلَ مِنْ الْكَعْبَيْنِ

أخبرنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عما يلبس المحرم قال لا يلبس القمص ولا العمائم ولا السراويلات ولا البرانس ولا الخفاف إلا أن لا يجد نعلين فيلبس خفين ويقطعهما أسفل من الكعبين

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ১০. ইহরামরত অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহার

১৮৩৮. আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধার পূর্বে আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উত্তম সুগন্ধি লাগিয়ে দিতাম।’[1]

তিনি (অধঃস্তন রাবী) বলেন: আর উরওয়াহ রাহি. (উর্ধ্বতন রাবী) আমাদেরকে বলতেন, তোমরা ইহরাম বাধার পূর্বে এবং ‘ইয়ামুন নাহর’-এ ‘তাওয়াফে ইফাযা’ করার পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করবে।

بَاب الطِّيبِ عِنْدَ الْإِحْرَامِ

أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ كُنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَبْلَ أَنْ يُحْرِمَ بِأَطْيَبِ الطِّيبِ قَالَ وَكَانَ عُرْوَةُ يَقُولُ لَنَا تَطَيَّبُوا قَبْلَ أَنْ تُحْرِمُوا وَقَبْلَ أَنْ تُفِيضُوا يَوْمَ النَّحْرِ

أخبرنا حجاج بن منهال حدثنا حماد بن سلمة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أنها قالت كنت أطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل أن يحرم بأطيب الطيب قال وكان عروة يقول لنا تطيبوا قبل أن تحرموا وقبل أن تفيضوا يوم النحر

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ১০. ইহরামরত অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহার

১৮৩৯.আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাঁর ইহরাম বাঁধার প্রাক্কালে যে সুগন্ধিই পেয়েছি, তা দিয়েই সুগন্ধি লাগিয়ে দিয়েছি।[1]

بَاب الطِّيبِ عِنْدَ الْإِحْرَامِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ لَقَدْ كُنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدَ إِحْرَامِهِ بِأَطْيَبِ مَا أَجِدُهُ

حدثنا عبد الله بن صالح حدثني الليث عن هشام عن عثمان بن عروة عن عروة عن عائشة قالت لقد كنت أطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم عند إحرامه بأطيب ما أجده

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)

পরিচ্ছেদঃ ১০. ইহরামরত অবস্থায় সুগন্ধি ব্যবহার

১৮৪০. আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধার প্রাক্কালে এবং ‘তাওয়াফে ইফাযা’ করার পূর্বে মিনায় আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সুগন্ধি লাগিয়ে দিয়েছি।’[1]

بَاب الطِّيبِ عِنْدَ الْإِحْرَامِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ وَجَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ قَالَا حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ أَخْبَرَهُ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَمِعْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا تَقُولُ طَيَّبْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِحُرْمِهِ وَطَيَّبْتُهُ بِمِنًى قَبْلَ أَنْ يُفِيضَ

أخبرنا يزيد بن هارون وجعفر بن عون قالا حدثنا يحيى بن سعيد أن عبد الرحمن بن القاسم أخبره عن أبيه قال سمعت عائشة رضي الله عنها تقول طيبت رسول الله صلى الله عليه وسلم لحرمه وطيبته بمنى قبل أن يفيض

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী
৫. হজ্জ অধ্যায় (كتاب المناسك)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৬২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 8 9 পরের পাতা »