পরিচ্ছেদঃ ১. তালাকের সুন্নাত পদ্ধতি

২৩০১. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেন। ’উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তাকে নির্দেশ দাও যে, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনে এবং নিজের কাছে রেখে দেয় যতক্ষণ না সে মহিলা পবিত্র হয়ে আবার ঋতুমতী হয় এবং আবার পবিত্র হয়। অতঃপর সে যদি ইচ্ছে করে, তাকে রেখে দিবে আর যদি ইচ্ছে করে তবে সহবাসের পূর্বে তাকে তালাক দেবে। আর এটাই তালাকের সময়কাল, যে সময়ে স্ত্রীদের তালাক দেয়ার জন্য আল্লাহ্ তা’আলা এর বিধান দিয়েছেন।”[1]

بَاب السُّنَّةِ فِي الطَّلَاقِ

أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مُرْهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا وَيُمْسِكَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ ثُمَّ تَطْهُرَ ثُمَّ إِنْ شَاءَ أَمْسَكَ وَإِنْ شَاءَ طَلَّقَ قَبْلَ أَنْ يَمَسَّ فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ

اخبرنا خالد بن مخلد حدثنا مالك عن نافع عن ابن عمر انه طلق امراته وهي حاىض فذكر ذلك عمر للنبي صلى الله عليه وسلم فقال مره ان يراجعها ويمسكها حتى تطهر ثم تحيض ثم تطهر ثم ان شاء امسك وان شاء طلق قبل ان يمس فتلك العدة التي امر الله ان يطلق لها النساء

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১. তালাকের সুন্নাত পদ্ধতি

২৩০২. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, যখন ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার স্ত্রীকে তালাক দিলেন, তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন তিনি বললেন: “তাকে নির্দেশ দাও যে, সে যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয় এবং অতঃপর সে যেন সেই মহিলার পবিত্রাবস্থায় তাকে তালাক দেয়।”[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, ইবনুল মুবারাক ও ওয়াকী’ (রহঃ) (এর সাথে অতিরিক্ত) বর্ণনা করেছেন: “অথবা, গর্ভবতী অবস্থায়।”[2]

بَاب السُّنَّةِ فِي الطَّلَاقِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ سَمِعْتُ سَالِمًا يَذْكُرُ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ قَالَ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ طَلَّقَ ابْنُ عُمَرَ امْرَأَتَهُ فَقَالَ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ لِيُطَلِّقْهَا وَهِيَ طَاهِرٌ قَالَ أَبُو مُحَمَّد رَوَاهُ ابْنُ الْمُبَارَكِ وَوَكِيعٌ أَوْ حَامِلٌ

اخبرنا عبيد الله بن موسى اخبرنا سفيان عن محمد بن عبد الرحمن قال سمعت سالما يذكر عن ابن عمر ان عمر قال للنبي صلى الله عليه وسلم حين طلق ابن عمر امراته فقال مره فليراجعها ثم ليطلقها وهي طاهر قال ابو محمد رواه ابن المبارك ووكيع او حامل

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ২. (তালাক দেয়ার পর) রাজা’আত বা ফিরিয়ে নেয়া সম্পর্কে

২৩০৩. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে তালাক দেন, অতঃপর তাকে (পূনরায় স্ত্রী হিসেবে) ফিরিয়ে নেন।[1]

بَاب فِي الرَّجْعَةِ

حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ خَلِيلٍ وَإِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ قَالَا حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي زَائِدَةَ عَنْ صَالِحِ بْنِ صَالِحٍ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عُمَرَ قَالَ طَلَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَفْصَةَ ثُمَّ رَاجَعَهَا

حدثنا اسمعيل بن خليل واسمعيل بن ابان قالا حدثنا يحيى بن ابي زاىدة عن صالح بن صالح عن سلمة بن كهيل عن سعيد بن جبير عن ابن عباس عن عمر قال طلق رسول الله صلى الله عليه وسلم حفصة ثم راجعها

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ২. (তালাক দেয়ার পর) রাজা’আত বা ফিরিয়ে নেয়া সম্পর্কে

২৩০৪. আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে তালাক দেন, অতঃপর তাকে (পূনরায় স্ত্রী হিসেবে) ফিরিয়ে নেন।[1]আবূ মুহাম্মদ বলেন, আলী ইবনুল মাদীনী (রহঃ) এ হাদীসকে অস্বীকার করতেন এবং তিনি বলতেন: আমাদের নিকট বাসরায় এ হাদীস হুমাইদ থেকে বর্ণিত হয়নি।

بَاب فِي الرَّجْعَةِ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ هُشَيْمٍ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَلَّقَ حَفْصَةَ ثُمَّ رَاجَعَهَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد كَأَنَّ عَلِيَّ بْنَ الْمَدِينِيِّ أَنْكَرَ هَذَا الْحَدِيثَ وَقَالَ لَيْسَ عِنْدَنَا هَذَا الْحَدِيثُ بِالْبَصْرَةِ عَنْ حُمَيْدٍ

اخبرنا سعيد بن سليمان عن هشيم عن حميد عن انس ان النبي صلى الله عليه وسلم طلق حفصة ثم راجعها قال ابو محمد كان علي بن المديني انكر هذا الحديث وقال ليس عندنا هذا الحديث بالبصرة عن حميد

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ৩. বিয়ের পূর্বে তালাক কার্যকর নয়

২৩০৫. হাকাম বলেন, ইয়াহইয়া ইবনু হামযাহ আমাকে পৃথকভাবে বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা ইয়ামান বাসীদের নিকট লিখে পাঠান যে, “পবিত্র ব্যক্তি ব্যতীত কুরআন স্পর্শ করবে না; (বিবাহের মাধ্যমে তালাকের) অধিকারী হওয়ার পূর্বে তালাক নেই এবং ক্রয় করার পূর্বে দাসমুক্তি নেই।”[1]আবূ মুহাম্মদ কে বলা হলো, সুলাইমান কে? তিনি বলেন, ’আমার ধারণা, তিনি উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) এর কাতিব বা লিখকদের অন্যতম।’

بَاب لَا طَلَاقَ قَبْلَ نِكَاحٍ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ حَدَّثَنِي الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ الْحَكَمُ قَالَ لِي يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ أَفْصِلُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَتَبَ إِلَى أَهْلِ الْيَمَنِ أَنْ لَا يَمَسَّ الْقُرْآنَ إِلَّا طَاهِرٌ وَلَا طَلَاقَ قَبْلَ إِمْلَاكٍ وَلَا عَتَاقَ حَتَّى يَبْتَاعَ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ مَنْ سُلَيْمَانُ قَالَ أَحْسَبُ كَاتِبًا مِنْ كُتَّابِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ

اخبرنا الحكم بن موسى حدثنا يحيى بن حمزة عن سليمان بن داود حدثني الزهري عن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن ابيه عن جده قال الحكم قال لي يحيى بن حمزة افصل ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كتب الى اهل اليمن ان لا يمس القران الا طاهر ولا طلاق قبل املاك ولا عتاق حتى يبتاع قيل لابي محمد من سليمان قال احسب كاتبا من كتاب عمر بن عبد العزيز

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ৪. যে লোক তার স্ত্রীকে চুড়ান্ত তালাক দিয়েছে, তার স্ত্রী তার জন্য হালাল নয়

২৩০৬. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রিফাআ কুরাযীর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলো। তখন তাঁর নিকট আবূ বকর অবস্থান করছিলেন এবং খালিদ ইবনু সাঈদ ইবনুল আস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রবেশের অনুমতির জন্য দ্বারপ্রান্তে অপেক্ষায় ছিলেন। এরপর সেই মহিলা বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি রিফাআর নিকট (স্ত্রী হিসেবে) ছিলাম। কিন্তু সে আমাকে বায়েন (চুড়ান্ত) তালাক দিয়ে দিল। (পরে আমি ’আবদুর রহমান ইবনু যুবাইরকে বিয়ে করলাম।)

তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে কি তুমি রিফাআর নিকট ফিরে যেতে চাও? না, তা হয় না, যতক্ষণ না তুমি তার মধুর স্বাদ গ্রহণ করবে আর সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহণ করবে।”[1]তখন খালিদ ইবনু সাঈদ ইবনু ’আস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আবু বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে ডেকে বললেন, এই নারী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে উচ্চ আওয়াজে যা বলছে, তা কি আপনি শুনতে পাচ্ছেন না?

بَاب مَا يُحِلُّ الْمَرْأَةَ لِزَوْجِهَا الَّذِي طَلَّقَهَا فَبَتَّ طَلَاقَهَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ سَمِعْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ جَاءَتْ امْرَأَةُ رِفَاعَةَ الْقُرَظِيِّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعِنْدَهُ أَبُو بَكْرٍ وَخَالِدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ الْعَاصِ عَلَى الْبَابِ يَنْتَظِرُ أَنْ يُؤْذَنَ لَهُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي كُنْتُ عِنْدَ رِفَاعَةَ فَطَلَّقَنِي فَبَتَّ طَلَاقِي قَالَ أَتُرِيدِينَ أَنْ تَرْجِعِي إِلَى رِفَاعَةَ لَا حَتَّى يَذُوقَ عُسَيْلَتَكِ وَتَذُوقِي عُسَيْلَتَهُ فَنَادَى خَالِدُ بْنُ سَعِيدٍ أَبَا بَكْرٍ أَلَا تَرَى مَا تَجْهَرُ بِهِ هَذِهِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

اخبرنا محمد بن يوسف حدثنا ابن عيينة عن الزهري قال سمعت عروة بن الزبير عن عاىشة قالت جاءت امراة رفاعة القرظي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وعنده ابو بكر وخالد بن سعيد بن العاص على الباب ينتظر ان يوذن له على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله اني كنت عند رفاعة فطلقني فبت طلاقي قال اتريدين ان ترجعي الى رفاعة لا حتى يذوق عسيلتك وتذوقي عسيلته فنادى خالد بن سعيد ابا بكر الا ترى ما تجهر به هذه عند رسول الله صلى الله عليه وسلم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ৪. যে লোক তার স্ত্রীকে চুড়ান্ত তালাক দিয়েছে, তার স্ত্রী তার জন্য হালাল নয়

২৩০৭. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বনী কুরাইযার রিফা’আ নামক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দেয়। পরে ’আবদুর রহমান ইবনু যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে বিয়ে করেন। ফলে সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আল্লাহর কসম! তার নিকট আমার এ কাপড়ের আঁচলের মতো (নরম) বস্তু ব্যতীত আর কিছুই নেই (অর্থাৎ তার পুরুষত্ব নাই)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, “সম্ভবত: তুমি রিফা’আর নিকট ফিরে যেতে চাও। না, তা হয় না, যতক্ষণ না সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহণ করবে।” অথবা তিনি বলেছেন, “তুমি তার মধুর স্বাদ গ্রহণ করবে।”[1]

بَاب مَا يُحِلُّ الْمَرْأَةَ لِزَوْجِهَا الَّذِي طَلَّقَهَا فَبَتَّ طَلَاقَهَا

حَدَّثَنَا فَرْوَةُ بْنُ أَبِي الْمَغْرَاءِ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ طَلَّقَ رِفَاعَةُ رَجُلٌ مِنْ بَنِي قُرَيْظَةَ امْرَأَتَهُ فَتَزَوَّجَهَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الزُّبَيْرِ فَدَخَلَتْ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ إِنْ مَعَهُ إِلَّا مِثْلُ هُدْبَتِي هَذِهِ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَعَلَّكِ تُرِيدِينَ أَنْ تَرْجِعِي إِلَى رِفَاعَةَ لَا حَتَّى يَذُوقَ عُسَيْلَتَكِ أَوْ قَالَ تَذُوقِي عُسَيْلَتَهُ

حدثنا فروة بن ابي المغراء حدثنا علي بن مسهر عن هشام بن عروة عن ابيه عن عاىشة قالت طلق رفاعة رجل من بني قريظة امراته فتزوجها عبد الرحمن بن الزبير فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله والله ان معه الا مثل هدبتي هذه فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلك تريدين ان ترجعي الى رفاعة لا حتى يذوق عسيلتك او قال تذوقي عسيلته

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ৫. 'ইখতিয়ার' প্রদান প্রসঙ্গে

২৩০৮. মাসরূক (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ’খিয়ারাত’ বা ’ইখতিয়ার’ প্রদান করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম (এতে তালাক হবে কি-না)। তখন তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নিজেই) আমাদেরকে ’ইখতিয়ার’ প্রদান করেছিলেন। তবে সেটা কি তালাক ছিল?[1]

بَاب فِي الْخِيَارِ

أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ مَسْرُوقٍ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ الْخِيَرَةِ فَقَالَتْ قَدْ خَيَّرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَفَكَانَ طَلَاقًا

اخبرنا يعلى حدثنا اسمعيل بن ابي خالد عن الشعبي عن مسروق قال سالت عاىشة عن الخيرة فقالت قد خيرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم افكان طلاقا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মাসরূক (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ৬. কোনো স্ত্রীলোকের জন্য তার স্বামীর নিকট তালাক চাওয়া নিষেধ

২৩০৯. ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোনরূপ আপত্তিকর বিষয় ছাড়াই যে মহিলা তার স্বামীর নিকট তালাক চায়, জান্নাতের সুগন্ধও তার জন্য হারাম।”[1]

بَاب النَّهْيِ عَنْ أَنْ تَسْأَلَ الْمَرْأَةُ زَوْجَهَا طَلَاقَهَا

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ عَنْ ثَوْبَانَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّمَا امْرَأَةٍ سَأَلَتْ زَوْجَهَا الطَّلَاقَ مِنْ غَيْرِ بَأْسٍ فَحَرَامٌ عَلَيْهَا رَائِحَةُ الْجَنَّةِ

حدثنا محمد بن الفضل حدثنا حماد بن زيد عن ايوب عن ابي قلابة عن ابي اسماء عن ثوبان قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ايما امراة سالت زوجها الطلاق من غير باس فحرام عليها راىحة الجنة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সাওবান (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ৭. 'খুলা' করা প্রসঙ্গে

২৩১০. আমরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, সাবিত ইবন কায়স ইবন শাম্মাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হাবীবা বিনতু সাহাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে বিয়ে করেন। এছাড়াও তিনি বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিয়ে করতে ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। আর সে ছিল তাঁর প্রতিবেশিনী মহিলা। একদিন ছাবিত তাকে মারধর করে। ফলে সে খুব ভোরে অন্ধকারের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরজায় উপস্থিত হয়। যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ফজরের নামায আদায়ের জন্য) বের হন, তখন তিনি একটি মনুষ্য আকৃতি দেখতে পান। ফলে তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ “ওটা কে?” সে বলে, আমি হাবীবা বিনত সাহাল। তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ “তোমার কী হয়েছে? সে বলে, আমিও (একত্রে বসবাস করতে চাই) না; আর সাবিতও না। এরপর সাবিত আগমণ করলে রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, “তুমি তার নিকট হতে (যা দিয়েছো) গ্রহণ করো। আর তার রাস্তা ছেড়ে দাও।” সে বললো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! সে আমাকে যা দিয়েছে, তা সবই আমার নিকট রয়েছে। অতঃপর সে (সাবিত) তার নিকট হতে সব গ্রহণ করে এবং সে (হাবীবা) তার পিত্রালয়ে গিয়ে অবস্থান করে।[1]

بَاب فِي الْخُلْعِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ أَنَّ عَمْرَةَ أَخْبَرَتْهُ أَنَّ حَبِيبَةَ بِنْتَ سَهْلٍ تَزَوَّجَهَا ثَابِتُ بْنُ قَيْسِ بْنِ شَمَّاسٍ فَذَكَرَتْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ هَمَّ أَنْ يَتَزَوَّجَهَا وَكَانَتْ جَارَةً لَهُ وَأَنَّ ثَابِتًا ضَرَبَهَا فَأَصْبَحَتْ عَلَى بَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْغَلَسِ وَأَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ فَرَأَى إِنْسَانًا فَقَالَ مَنْ هَذَا قَالَتْ أَنَا حَبِيبَةُ بِنْتُ سَهْلٍ فَقَالَ مَا شَأْنُكِ قَالَتْ لَا أَنَا وَلَا ثَابِتٌ فَأَتَى ثَابِتٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ خُذْ مِنْهَا وَخَلِّ سَبِيلَهَا فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ عِنْدِي كُلُّ شَيْءٍ أَعْطَانِيهِ فَأَخَذَ مِنْهَا وَقَعَدَتْ عِنْدَ أَهْلِهَا

اخبرنا يزيد بن هارون اخبرنا يحيى هو ابن سعيد ان عمرة اخبرته ان حبيبة بنت سهل تزوجها ثابت بن قيس بن شماس فذكرت ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان هم ان يتزوجها وكانت جارة له وان ثابتا ضربها فاصبحت على باب رسول الله صلى الله عليه وسلم في الغلس وان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج فراى انسانا فقال من هذا قالت انا حبيبة بنت سهل فقال ما شانك قالت لا انا ولا ثابت فاتى ثابت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له رسول الله خذ منها وخل سبيلها فقالت يا رسول الله عندي كل شيء اعطانيه فاخذ منها وقعدت عند اهلها

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ৮. বায়িন (চুড়ান্ত) তালাক প্রসঙ্গে

২৩১১. আব্দুল্লাহ ইবনু আলী ইবনু ইয়াযীদ ইবনু রুকানা তার পিতার সূত্রে তার দাদা হতে বর্ণনা করেন, সে (তার দাদা) তার এক স্ত্রীকে (একবারেই) ’আল বাত্তা’ বা বায়িন তালাক দিলো। এরপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে তাঁকে বিষয়টি অবহিত করলো। তখন তিনি বললেন: “এতে তুমি (কত তালাকের) ইচ্ছা করেছ?”

তখন সে বললো: এক (তালাকের)।

তিনি বললেন: “আল্লাহর কসম?”

সে বললো: আল্লাহর কসম। তিনি বললেন: “তবে তুমি যা নিয়্যাত করেছ, সেটি সেরূপই হবে।”[1]

بَاب فِي طَلَاقِ الْبَتَّةِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ الزُّبَيْرِ بْنِ سَعِيدٍ رَجُلٍ مِنْ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ قَالَ بَلَغَنِي حَدِيثٌ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ بْنِ رُكَانَةَ وَهُوَ فِي قَرْيَةٍ لَهُ فَأَتَيْتُهُ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ جَدِّي أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ الْبَتَّةَ فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ مَا أَرَدْتَ فَقَالَ وَاحِدَةً قَالَ آللَّهِ قَالَ آللَّهِ قَالَ هُوَ مَا نَوَيْتَ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا جرير بن حازم عن الزبير بن سعيد رجل من بني عبد المطلب قال بلغني حديث عن عبد الله بن علي بن يزيد بن ركانة وهو في قرية له فاتيته فسالته فقال حدثني ابي عن جدي انه طلق امراته البتة فاتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فقال ما اردت فقال واحدة قال الله قال الله قال هو ما نويت

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ৮. (স্ত্রীর সাথে) যিহার করা প্রসঙ্গে

২৩১২. সালামা ইবন সাখর আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এমন একজন পুরুষ যে নারী সংসর্গে এত বেশি অভ্যস্ত যে অন্য কেউই আমার মতো ছিল না। রমযান মাস আসলে আমার আশংকা হয় যে, হয়তো কোন রাত্রে যদি স্ত্রী সঙ্গত হয়ে পড়ব, অত:পর হয়তো সকাল পর্যন্ত তাতে লিপ্ত থাকবো। ফলে তা আতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত সময়ের জন্য আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে যিহার করি। এক রাতে আমার স্ত্রী আমার খেদমত করছিল। হঠাৎ তার শরীরের এমন কিছু আমার সামনে উন্মুক্ত হয়ে পড়ে যার ফলে আমি তার উপর উপগত হওয়া হতে আর বিলম্ব করতে পারলাম না। সকাল হয়ে এলে আমি ভোরেই আমার কাওমের লোকদের কাছে যাই এবং তাদেরকে আমার বিষয়ে অবহিত করে বলি, তোমরা আমার সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে চল।

তারা বললঃ না, আল্লাহর কসম, আমরা তোমার সাথে যাবোনা। আমাদের আশংকা হয়, তোমার বিষয়ে হয়তো কুরআনের কোন আয়াত নাযিল হয়ে যাবে অথবা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হয়তো তোমার বিষয়ে এমন কোন কথা বলে বসবেন যার লজ্জা আমাদের উপর থেকে যাবে। বরং তোমার অপকর্মের দরুণ অবশ্যই আমরা তোমাকে সোপর্দ করছি।

এরপর আমি নিজেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলাম এবং আমার বিষয়টি তাকে বিস্তারিত বর্ণনা করলাম।

তখন তিনি বললেনঃ হে সালামাহ! তুমিই কি উহা (করেছ)?

আমি বললামঃ আমিই সেটি (করেছি)।

তিনি বললেনঃ হে সালামাহ! তুমিই কি উহা (করেছ)?

আমি বললামঃ আমিই সেটি (করেছি)।

তিনি বললেনঃ হে সালামাহ! তুমিই কি উহা (করেছ)?

আমি বললামঃ আমিই সেটি (করেছি)।

আর এইতো আমি এখানেই আছি। আর আমার প্রতি সবর করে আছি। আপনি আমার বিষয়ে আল্লাহর বিধান জারী করুন।

তিনি বললেনঃ “একটা গোলাম আযাদ কর।”

আমি আমার ঘাড়ের উপর হাত দিয়ে আঘাত করে বললামঃ সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করছেন, আজ সকাল পর্যন্ত আমার এ গর্দানটি ছাড়া আমি আর কারো গর্দানের মালিক নই।

তিনি বললেনঃ “তাহলে দুই মাস লাগাতার সিয়াম পালন কর।”

আমি বললামঃ যে মুসীবতে পড়লাম, তা কি এ সিয়াম ছাড়া আর কোন কারণে ছিল?

তিনি বললেনঃ “তবে ষাট জন মিসকীনকে এক ওয়াসাক (ষাট সা’আ) খেজুর খাওয়াও।”

আমি বললামঃ কসম সে সত্তার, যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করেছেন, আজকের এ রাতটিও তো আমরা ভুখা কাটিয়েছি। রাতের খাবার বলতেও কিছু ছিলনা আমাদের।

তিনি বললেনঃ “বানু যুরায়কের সাদাকা প্রদানকারীর কাছে যাও এবং (তাকে বল,) সে যেন তোমাকে সেই সাদকা দিয়ে দেয়। আর (তাথেকে) তুমি এক ওয়াসাক (ষাট সা’) খাদ্য ষাট জন মিসকীনকে তোমার পক্ষ থেকে আহার করাও। আর বাকীটা তুমি ও তোমার পরিবারের আহার্যের ব্যাবস্থা কর।”

তিনি বলেন, এর পর আমি আমার কওমে ফিরে এলাম। তাদের বললামঃ তোমাদের কাছে তো কেবল সংকীর্ণতা ও মন্দ পরামর্শই পেলাম আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পেলাম উদারতা এবং উত্তম পরামর্শ। আর তোমাদের সাদকা সমূহ আমার কাছে দিয়ে দিতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।[1]

بَاب فِي الظِّهَارِ

حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ صَخْرٍ الْبَيَاضِيِّ قَالَ كُنْتُ امْرَأً أُصِيبُ مِنْ النِّسَاءِ مَا لَا يُصِيبُ غَيْرِي فَلَمَّا دَخَلَ شَهْرُ رَمَضَانَ خِفْتُ أَنْ أُصِيبَ فِي لَيْلِي شَيْئًا فَيَتَتَابَعَ بِي ذَلِكَ إِلَى أَنْ أُصْبِحَ قَالَ فَتَظَاهَرْتُ إِلَى أَنْ يَنْسَلِخَ فَبَيْنَا هِيَ لَيْلَةً تَخْدُمُنِي إِذْ تَكَشَّفَ لِي مِنْهَا شَيْءٌ فَمَا لَبِثْتُ أَنْ نَزَوْتُ عَلَيْهَا فَلَمَّا أَصْبَحْتُ خَرَجْتُ إِلَى قَوْمِي فَأَخْبَرْتُهُمْ وَقُلْتُ امْشُوا مَعِي إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا لَا وَاللَّهِ لَا نَمْشِي مَعَكَ مَا نَأْمَنُ أَنْ يَنْزِلَ فِيكَ الْقُرْآنُ أَوْ أَنْ يَكُونَ فِيكَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَقَالَةٌ يَلْزَمُنَا عَارُهَا وَلَنُسْلِمَنَّكَ بِجَرِيرَتِكَ فَانْطَلَقْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَصَصْتُ عَلَيْهِ خَبَرِي فَقَالَ يَا سَلَمَةُ أَنْتَ بِذَاكَ قُلْتُ أَنَا بِذَاكَ قَالَ يَا سَلَمَةُ أَنْتَ بِذَاكَ قُلْتُ أَنَا بِذَاكَ قَالَ يَا سَلَمَةُ أَنْتَ بِذَاكَ قُلْتُ أَنَا بِذَاكَ وَهَا أَنَا صَابِرٌ نَفْسِي فَاحْكُمْ فِيَّ مَا أَرَاكَ اللَّهُ قَالَ فَأَعْتِقْ رَقَبَةً قَالَ فَضَرَبْتُ صَفْحَةَ رَقَبَتِي فَقُلْتُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أَصْبَحْتُ أَمْلِكُ رَقَبَةً غَيْرَهَا قَالَ فَصُمْ شَهْرَيْنِ مُتَتَابِعَيْنِ قُلْتُ وَهَلْ أَصَابَنِي الَّذِي أَصَابَنِي إِلَّا فِي الصِّيَامِ قَالَ فَأَطْعِمْ وَسْقًا مِنْ تَمْرٍ سِتِّينَ مِسْكِينًا فَقُلْتُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَقَدْ بِتْنَا لَيْلَتَنَا وَحْشَى مَا لَنَا طَعَامٌ قَالَ فَانْطَلِقْ إِلَى صَاحِبِ صَدَقَةِ بَنِي زُرَيْقٍ فَلْيَدْفَعْهَا إِلَيْكَ وَأَطْعِمْ سِتِّينَ مِسْكِينًا وَسْقًا مِنْ تَمْرٍ وَكُلْ بَقِيَّتَهُ أَنْتَ وَعِيَالُكَ قَالَ فَأَتَيْتُ قَوْمِي فَقُلْتُ وَجَدْتُ عِنْدَكُمْ الضِّيقَ وَسُوءَ الرَّأْيِ وَوَجَدْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ السَّعَةَ وَحُسْنَ الرَّأْيِ وَقَدْ أَمَرَ لِي بِصَدَقَتِكُمْ

حدثنا زكريا بن عدي حدثنا عبد الله بن ادريس عن محمد بن اسحق عن محمد بن عمرو عن سليمان بن يسار عن سلمة بن صخر البياضي قال كنت امرا اصيب من النساء ما لا يصيب غيري فلما دخل شهر رمضان خفت ان اصيب في ليلي شيىا فيتتابع بي ذلك الى ان اصبح قال فتظاهرت الى ان ينسلخ فبينا هي ليلة تخدمني اذ تكشف لي منها شيء فما لبثت ان نزوت عليها فلما اصبحت خرجت الى قومي فاخبرتهم وقلت امشوا معي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا لا والله لا نمشي معك ما نامن ان ينزل فيك القران او ان يكون فيك من رسول الله صلى الله عليه وسلم مقالة يلزمنا عارها ولنسلمنك بجريرتك فانطلقت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقصصت عليه خبري فقال يا سلمة انت بذاك قلت انا بذاك قال يا سلمة انت بذاك قلت انا بذاك قال يا سلمة انت بذاك قلت انا بذاك وها انا صابر نفسي فاحكم في ما اراك الله قال فاعتق رقبة قال فضربت صفحة رقبتي فقلت والذي بعثك بالحق ما اصبحت املك رقبة غيرها قال فصم شهرين متتابعين قلت وهل اصابني الذي اصابني الا في الصيام قال فاطعم وسقا من تمر ستين مسكينا فقلت والذي بعثك بالحق لقد بتنا ليلتنا وحشى ما لنا طعام قال فانطلق الى صاحب صدقة بني زريق فليدفعها اليك واطعم ستين مسكينا وسقا من تمر وكل بقيته انت وعيالك قال فاتيت قومي فقلت وجدت عندكم الضيق وسوء الراي ووجدت عند رسول الله صلى الله عليه وسلم السعة وحسن الراي وقد امر لي بصدقتكم

হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১০. তিন তালাক প্রাপ্তা নারী বাসস্থান ও খোরপোষ পাবে কি-না

২৩১৩. ফাতিমা বিনতু কায়স রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে তাকে তার স্বামী তিন তালাক দিয়েছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য বাসবাসের ঘরও নির্ধারণ করেননি এবং খোরপোষও না।[1] রাবী সালামাহ বলেন, আমি ইবরাহীমের নিকট এই রিওয়ায়াতটি উল্লেখ করলে তিনি বললেন, এই বিষয়ে উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, একজন মহিলার কথায় এই ক্ষেত্রে আমরা আল্লাহর কিতাব ও তাঁর নবীর সুন্নাহ পরিত্যাগ করতে পারি না। এরপর তিনি এই ক্ষেত্রে স্ত্রীর জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ ব্যবস্থা করেছেন।[2]

بَاب فِي الْمُطَلَّقَةِ ثَلَاثًا أَلَهَا السُّكْنَى وَالنَّفَقَةُ أَمْ لَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ أَنَّ زَوْجَهَا طَلَّقَهَا ثَلَاثًا فَلَمْ يَجْعَلْ لَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَفَقَةً وَلَا سُكْنَى قَالَ سَلَمَةُ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِإِبْرَاهِيمَ فَقَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لَا نَدَعُ كِتَابَ رَبِّنَا وَسُنَّةَ نَبِيِّهِ بِقَوْلِ امْرَأَةٍ فَجَعَلَ لَهَا السُّكْنَى وَالنَّفَقَةَ

اخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن سلمة بن كهيل عن الشعبي عن فاطمة بنت قيس ان زوجها طلقها ثلاثا فلم يجعل لها النبي صلى الله عليه وسلم نفقة ولا سكنى قال سلمة فذكرت ذلك لابراهيم فقال قال عمر بن الخطاب لا ندع كتاب ربنا وسنة نبيه بقول امراة فجعل لها السكنى والنفقة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১০. তিন তালাক প্রাপ্তা নারী বাসস্থান ও খোরপোষ পাবে কি-না

২৩১৪. ফাতিমা বিনতু কায়স রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে তাকে তার স্বামী তিন তালাক দিয়েছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তার চাচাতো ভাই (অন্ধ সাহাবী) ইবনু উম্মু মাকতুম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর ঘরে ইদ্দত পালন করতে নির্দেশ দেন।[1]

بَاب فِي الْمُطَلَّقَةِ ثَلَاثًا أَلَهَا السُّكْنَى وَالنَّفَقَةُ أَمْ لَا

أَخْبَرَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ حَدَّثَتْنِي فَاطِمَةُ بِنْتُ قَيْسٍ أَنَّ زَوْجَهَا طَلَّقَهَا ثَلَاثًا فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تَعْتَدَّ عِنْدَ ابْنِ عَمِّهَا ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ

اخبرنا يعلى حدثنا زكريا عن عامر حدثتني فاطمة بنت قيس ان زوجها طلقها ثلاثا فامرها النبي صلى الله عليه وسلم ان تعتد عند ابن عمها ابن ام مكتوم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১০. তিন তালাক প্রাপ্তা নারী বাসস্থান ও খোরপোষ পাবে কি-না

২৩১৫. উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন,একজন মহিলার কথায় আমরা আল্লাহর কিতাব ও তাঁর নবীর সুন্নাহ পরিত্যাগ করতে পারি না: “তিন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী বাসস্থান ও খোরপোষ পাবে।”[1]

بَاب فِي الْمُطَلَّقَةِ ثَلَاثًا أَلَهَا السُّكْنَى وَالنَّفَقَةُ أَمْ لَا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ عَنْ الْأَشْعَثِ عَنْ الْحَكَمِ وَحَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عُمَرَ قَالَ لَا نَدَعُ كِتَابَ رَبِّنَا وَسُنَّةَ نَبِيِّهِ بِقَوْلِ امْرَأَةٍ الْمُطَلَّقَةُ ثَلَاثًا لَهَا السُّكْنَى وَالنَّفَقَةُ

اخبرنا محمد بن العلاء حدثنا حفص بن غياث عن الاشعث عن الحكم وحماد عن ابراهيم عن الاسود عن عمر قال لا ندع كتاب ربنا وسنة نبيه بقول امراة المطلقة ثلاثا لها السكنى والنفقة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১০. তিন তালাক প্রাপ্তা নারী বাসস্থান ও খোরপোষ পাবে কি-না

২৩১৬. অপর সূত্রে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]

بَاب فِي الْمُطَلَّقَةِ ثَلَاثًا أَلَهَا السُّكْنَى وَالنَّفَقَةُ أَمْ لَا

أَخْبَرَنَا طَلْقُ بْنُ غَنَّامٍ عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عُمَرَ نَحْوَهُ

اخبرنا طلق بن غنام عن حفص بن غياث عن الاعمش عن ابراهيم عن الاسود عن عمر نحوه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১০. তিন তালাক প্রাপ্তা নারী বাসস্থান ও খোরপোষ পাবে কি-না

২৩১৭. উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন,আমরা আল্লাহর দীনের ব্যাপারে একজন মহিলার কথাকে আইনগত মর্যাদা দিতে পারি না: “তিন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী বাসস্থান ও খোরপোষ পাবে।”[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, আমার মতে, তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের জন্য বাসস্থান ও খোরপোষ নেই।[2]

بَاب فِي الْمُطَلَّقَةِ ثَلَاثًا أَلَهَا السُّكْنَى وَالنَّفَقَةُ أَمْ لَا

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنَا حَفْصٌ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ قَالَ قَالَ عُمَرُ لَا نُجِيزُ قَوْلَ امْرَأَةٍ فِي دِينِ اللَّهِ الْمُطَلَّقَةُ ثَلَاثًا لَهَا السُّكْنَى وَالنَّفَقَةُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد لَا أَرَى السُّكْنَى وَالنَّفَقَةَ لِلْمُطَلَّقَةِ

اخبرنا عبد الله بن محمد قال حدثنا حفص عن الاعمش عن ابراهيم عن الاسود قال قال عمر لا نجيز قول امراة في دين الله المطلقة ثلاثا لها السكنى والنفقة قال ابو محمد لا ارى السكنى والنفقة للمطلقة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১১. যে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গেছে তার এবং তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দত সম্পর্কে

২৩১৮. আবূ সালামাহ ইবনু আব্দুর রহমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ও ইবনু ’আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে ছিলেন, এমন সময় তারা এক ব্যক্তির কথা আলোচনা করলেন যে তার স্ত্রী রেখে মৃত্যুবরণ করেছে, এরপর তার স্ত্রী অল্প কয়েক দিন পর বাচ্চা প্রসব করেছে। (সে এখন কীভাবে ইদ্দত পালন করবে?)

তখন ইবনু ’আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ইদ্দত সম্পর্কিত হুকুম্ দু’টির যেটি দীর্ঘ, তাকে সেটি পালন করতে হবে। অত:পর সে হালাল হবে।

আবূ সালামাহ (রহ.) বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর হুকুম তো হলঃ (গর্ভবতী নারীদের ইদ্দতকাল) যখন সন্তান প্রসব করবে, তখন সে হালাল হয়ে যাবে।

তখন আবূ হুরাইরাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি আমার ভ্রাতুষ্পুত্র অর্থাৎ আবূ সালামাহর সঙ্গে আছি। তখন ইবনু ’আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বিষয়টি জিজ্ঞেস করার জন্য তাঁর ক্রীতদাস কুরাইবকে উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে পাঠালেন। তখন উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উল্লেখ করলেন, সুবাই’আ বিনতুল হারিছ আল আসলামী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর স্বামী মারা গেলো (তখন তিনি তখন গর্ভবতী ছিলেন।) স্বামীর মৃত্যুর অল্প কয়েকদিন পর তিনি সন্তান প্রসব করলেন। এরপরই বনী আব্দুদ্ দ্বারের এক ব্যক্তি যাকে আবী সানাবিল নামে ডাকা হতো, সে তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাল এবং তাকে সংবাদ দিল যে, সে হালাল হয়ে গিয়েছে। এরপর সে স্ত্রীলোকটি সেই লোকটিকে বাদ দিয়ে অন্য একজনকে বিয়ের ইচ্ছা করলো। আবী সানাবিল তাকে বলল, নিশ্চয় তুমি হালাল (ইদ্দতমুক্ত) হওনি। তখন সুবাই’আ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তা উল্লেখ করলে তিনি তাকে বিয়ে করার নির্দেশ দিলেন।[1]

بَاب فِي عِدَّةِ الْحَامِلِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا وَالْمُطَلَّقَةِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ اجْتَمَعَ هُوَ وَابْنُ عَبَّاسٍ عِنْدَ أَبِي هُرَيْرَةَ فَذَكَرُوا الرَّجُلَ يُتَوَفَّى عَنْ الْمَرْأَةِ فَتَلِدُ بَعْدَهُ بِلَيَالٍ قَلَائِلَ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ حِلُّهَا آخِرُ الْأَجَلَيْنِ وَقَالَ أَبُو سَلَمَةَ إِذَا وَضَعَتْ فَقَدْ حَلَّتْ فَتَرَاجَعَا فِي ذَلِكَ بَيْنَهُمَا فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ أَنَا مَعَ ابْنِ أَخِي يَعْنِي أَبَا سَلَمَةَ فَبَعَثُوا كُرَيْبًا مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ إِلَى أُمِّ سَلَمَةَ فَسَأَلَهَا فَذَكَرَتْ أُمُّ سَلَمَةَ أَنَّ سُبَيْعَةَ بِنْتَ الْحَارِثِ الْأَسْلَمِيَّةَ مَاتَ عَنْهَا زَوْجُهَا فَنَفِسَتْ بَعْدَهُ بِلَيَالٍ وَأَنَّ رَجُلًا مِنْ بَنِي عَبْدِ الدَّارِ يُكْنَى أَبَا السَّنَابِلِ خَطَبَهَا وَأَخْبَرَهَا أَنَّهَا قَدْ حَلَّتْ فَأَرَادَتْ أَنْ تَتَزَوَّجَ غَيْرَهُ فَقَالَ لَهَا أَبُو السَّنَابِلِ فَإِنَّكِ لَمْ تَحِلِّينَ فَذَكَرَتْ سُبَيْعَةُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهَا أَنْ تَتَزَوَّجَ

اخبرنا يزيد بن هارون اخبرنا يحيى بن سعيد ان سليمان بن يسار اخبره ان ابا سلمة بن عبد الرحمن اخبره انه اجتمع هو وابن عباس عند ابي هريرة فذكروا الرجل يتوفى عن المراة فتلد بعده بليال قلاىل فقال ابن عباس حلها اخر الاجلين وقال ابو سلمة اذا وضعت فقد حلت فتراجعا في ذلك بينهما فقال ابو هريرة انا مع ابن اخي يعني ابا سلمة فبعثوا كريبا مولى ابن عباس الى ام سلمة فسالها فذكرت ام سلمة ان سبيعة بنت الحارث الاسلمية مات عنها زوجها فنفست بعده بليال وان رجلا من بني عبد الدار يكنى ابا السنابل خطبها واخبرها انها قد حلت فارادت ان تتزوج غيره فقال لها ابو السنابل فانك لم تحلين فذكرت سبيعة ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فامرها ان تتزوج

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১১. যে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গেছে তার এবং তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দত সম্পর্কে

২৩১৯. উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সুবাই’আ বিনতুল হারিছ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর স্বামী মারা গেলো। স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর তিনি সন্তান প্রসব করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিয়ে করার নির্দেশ দিলেন।[1]

بَاب فِي عِدَّةِ الْحَامِلِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا وَالْمُطَلَّقَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ عَنْ كُرَيْبٍ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ تُوُفِّيَ زَوْجُ سُبَيْعَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ فَوَضَعَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِأَيَّامٍ فَأَمَرَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ تَتَزَوَّجَ

اخبرنا محمد بن يوسف حدثنا سفيان عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار عن كريب عن ام سلمة قالت توفي زوج سبيعة بنت الحارث فوضعت بعد وفاة زوجها بايام فامرها رسول الله صلى الله عليه وسلم ان تتزوج

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১১. যে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গেছে তার এবং তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দত সম্পর্কে

২৩২০. আবী সানাবিল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সুবাই’আ বিনতুল হারিছ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-তার স্বামীর মৃত্যুর বিশদিনেরও অধিক সময় পর সন্তান প্রসব করলেন। এরপর যখন তিনি তার নিফাসের মেয়াদ শেষে পবিত্র হলেন এবং সাজ-সজ্জা করলেন ও বরের খোঁজ করতে লাগলেন, তখন এর জন্য তাকে দোষারোপ করা হলো। তখন তার বিষয়টি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন: “তুমি যদি এরূপ করে থাকো, তবে তুমি এর ইদ্দত সমাপ্ত করেছো।”[1]

بَاب فِي عِدَّةِ الْحَامِلِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا وَالْمُطَلَّقَةِ

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ الزَّهْرَانِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ أَبِي السَّنَابِلِ قَالَ وَضَعَتْ سُبَيْعَةُ بِنْتُ الْحَارِثِ حَمْلَهَا بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِبِضْعٍ وَعِشْرِينَ لَيْلَةً فَلَمَّا تَعَلَّتْ مِنْ نِفَاسِهَا تَشَوَّفَتْ فَعِيبَ ذَلِكَ عَلَيْهَا فَذُكِرَ أَمْرُهَا لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنْ تَفْعَلْ فَقَدْ انْقَضَى أَجَلُهَا

اخبرنا بشر بن عمر الزهراني حدثنا ابو الاحوص حدثنا منصور عن ابراهيم عن الاسود عن ابي السنابل قال وضعت سبيعة بنت الحارث حملها بعد وفاة زوجها ببضع وعشرين ليلة فلما تعلت من نفاسها تشوفت فعيب ذلك عليها فذكر امرها لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ان تفعل فقد انقضى اجلها

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবু সানাবিল (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১১. যে গর্ভবতী স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গেছে তার এবং তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দত সম্পর্কে

২৩২১. আসওয়াদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, সুবাই’আ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর সন্তান প্রসব করলেন। এরপর যখন তিনি (তার নিফাসের মেয়াদ শেষে পবিত্র হয়ে) সাজ-সজ্জা করলেন ও বরের খোঁজ করতে লাগলেন, তখন আবী সানাবিল এর জন্য তাকে দোষারোপ করতে লাগলো। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলে কিংবা তার বিষয়টি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি তাকে বিয়ে করার নির্দেশ দিলেন।[1]

بَاب فِي عِدَّةِ الْحَامِلِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا وَالْمُطَلَّقَةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ أَنَّ سُبَيْعَةَ وَضَعَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِأَيَّامٍ فَتَشَوَّفَتْ فَعَابَ أَبُو السَّنَابِلِ فَسَأَلَتْ أَوْ ذَكَرَتْ أَمْرَهَا لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرَهَا أَنْ تَتَزَوَّجَ

اخبرنا محمد بن يوسف عن سفيان عن منصور عن ابراهيم عن الاسود ان سبيعة وضعت بعد وفاة زوجها بايام فتشوفت فعاب ابو السنابل فسالت او ذكرت امرها لرسول الله صلى الله عليه وسلم فامرها ان تتزوج

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসওয়াদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১২. স্বামীর (মৃত্যুতে) স্ত্রীলোকের শোক পালন (এর মেয়াদ)

২৩২২. আয়িশাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা-থেকে থেকে বর্ণিত,নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে, কিংবা আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখে, কোন ব্যক্তির মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক শোক পালন করা তার জন্য জায়িয নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে।”[1]

بَاب فِي إِحْدَادِ الْمَرْأَةِ عَلَى الزَّوْجِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَوْ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ أَنْ تَحِدَّ عَلَى أَحَدٍ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ إِلَّا عَلَى زَوْجِهَا

اخبرنا محمد بن كثير اخبرنا سليمان بن كثير عن الزهري عن عروة عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر او تومن بالله ان تحد على احد فوق ثلاثة ايام الا على زوجها

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১২. স্বামীর (মৃত্যুতে) স্ত্রীলোকের শোক পালন (এর মেয়াদ)

২৩২৩. উম্মু হাবীবা বিনতে আবী সুফিয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, তার এক ভাই কিংবা একজন নিকট আত্নীয় মৃত্যুবরণ করেন। এপর তিনি হলুদ বর্ণের সুগন্ধি নিয়ে এলেন এবং তার তার দুই হাতে মলতে থাকলেন। এরপর বললেন, আমি তা এ জন্য করলাম যে, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, “যে মহিলা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে তার পক্ষে কারো মৃত্যুতে তিনদিনের বেশী শোক পালন করা হানাল নয়। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চারমাস দশদিন শোক পালন করবে।”[1]

بَاب فِي إِحْدَادِ الْمَرْأَةِ عَلَى الزَّوْجِ

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ قَالَ سَمِعْتُ زَيْنَبَ بِنْتَ أَبِي سَلَمَةَ تُحَدِّثُ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ بِنْتِ أَبِي سُفْيَانَ أَنَّ أَخًا لَهَا مَاتَ أَوْ حَمِيمًا لَهَا فَعَمَدَتْ إِلَى صُفْرَةٍ فَجَعَلَتْ تَمْسَحُ يَدَيْهَا وَقَالَتْ إِنَّمَا أَفْعَلُ هَذَا لِأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ تَحِدَّ فَوْقَ ثَلَاثٍ إِلَّا عَلَى زَوْجِهَا فَإِنَّهَا تَحِدُّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا

اخبرنا هاشم بن القاسم حدثنا شعبة عن حميد بن نافع قال سمعت زينب بنت ابي سلمة تحدث عن ام حبيبة بنت ابي سفيان ان اخا لها مات او حميما لها فعمدت الى صفرة فجعلت تمسح يديها وقالت انما افعل هذا لان النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر ان تحد فوق ثلاث الا على زوجها فانها تحد اربعة اشهر وعشرا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু হাবীবা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১২. স্বামীর (মৃত্যুতে) স্ত্রীলোকের শোক পালন (এর মেয়াদ)

২৩২৪. যায়নাব বিনত উম্মু সালামা থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর মা (উম্মু সালামাহ) কিংবা নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীগণ হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন।[1]

بَاب فِي إِحْدَادِ الْمَرْأَةِ عَلَى الزَّوْجِ

أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ قَالَ سَمِعْتُ زَيْنَبَ بِنْتَ أُمِّ سَلَمَةَ تُحَدِّثُ عَنْ أُمِّهَا أَوْ امْرَأَةٍ مِنْ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْوَهُ

اخبرنا هاشم بن القاسم اخبرنا شعبة عن حميد بن نافع قال سمعت زينب بنت ام سلمة تحدث عن امها او امراة من ازواج النبي صلى الله عليه وسلم نحوه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. স্ত্রীলোকের জন্য তার (স্বামীর মৃত্যুজনিত শোকপালনের) ইদ্দতের মধ্যে সাজ-সজ্জা করা নিষেধ

২৩২৫. উম্মু আতিয়্যা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “কোন মহিলা তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশী শোক পালন করবে না। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত শোক পালন করতে হবে। (এই সময় সীমায় ইদ্দতের মেয়াদকালে) সে রঙীন কাপড় চোপড় পরিধান করবে না । তবে হালকা রঙিন পোশাক পরিধান করতে পারবে। সে চোখে সুরমা লাগাবে না এবং কোন সুগন্ধি ব্যবহার করবে না। তবে হায়িয থেকে পবিত্রতার নিকটবর্তী সময়ে যখন সে হায়িযের গোসল করবে, তখন সে (পবিত্রতার নির্দশন স্বরুপ) কুসতু’ ও ’আযফার’ নামক সুগন্ধির নির্যাস ব্যবহার করতে পারবে।”[1]

بَاب النَّهْيِ لِلْمَرْأَةِ عَنْ الزِّينَةِ فِي الْعِدَّةِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ سِيرِينَ عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا تَحِدُّ الْمَرْأَةُ فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ فَإِنَّهَا تَحِدُّ عَلَيْهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا لَا تَلْبَسُ ثَوْبًا مَصْبُوغًا إِلَّا ثَوْبَ عَصْبٍ وَلَا تَكْتَحِلُ وَلَا تَمَسُّ طِيبًا إِلَّا فِي أَدْنَى طُهْرِهَا إِذَا اغْتَسَلَتْ مِنْ مَحِيضِهَا نُبْذَةً مِنْ كُسْتٍ وَأَظْفَارٍ

اخبرنا محمد بن يوسف حدثنا زاىدة عن هشام بن حسان عن حفصة بنت سيرين عن ام عطية عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا تحد المراة فوق ثلاثة ايام الا على زوج فانها تحد عليه اربعة اشهر وعشرا لا تلبس ثوبا مصبوغا الا ثوب عصب ولا تكتحل ولا تمس طيبا الا في ادنى طهرها اذا اغتسلت من محيضها نبذة من كست واظفار

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৪. যে স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গেছে, তার (ঘর থেকে) বের হওয়া প্রসঙ্গে

২৩২৬. ফুরাই’আ বিনতু মালিক ইবন সিনান রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে,তিনি তার স্বজনদের কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য তাকে অনুমতি প্রদান প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জিজ্ঞাসা করলেন। কেননা, তার স্বামী তার কতকগুলি পলাতক গোলামের খোঁজে বের হয়েছিলেন। ’তারাফুল কাদুম’ নামক স্থানে তাঁদের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। সেখানে তাঁরা তাকে মেরে ফেলে।

তিনি বললেন, “নির্ধারিত সময় (ইদ্দত) পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার পূর্ব গৃহেই অবস্থান করবে।”

তখন আমি বললাম, স্বামী আমার জন্য এমন কোন বাসস্থান রেখে যাননি, যা তার মালিকানায় ছিল এবং আর না কোন খোরপোষের ব্যবস্থা ছিল।

অনন্তর তিনি বললেন, “নির্ধারিত সময় (ইদ্দত) পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার পূর্ব গৃহেই অবস্থান করবে।”

অত:পর তিনি সেখানেই চারমাস দশ দিন ইদ্দত পালন করলেন। তিনি বলেন, পরে উছমান রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন (খলীফা) হলেন, তখন তিনি আমার নিকট লোক পাঠিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলেন। আমি তাঁকে বিষয়টি অবহিত করলাম। অনন্তর তিনি এর অনুসরণ করলেন এবং এতদনুসারেই ফায়সালা দিলেন।[1]

بَاب خُرُوجِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ سَعْدِ بْنِ إِسْحَقَ بْنِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ عَنْ عَمَّتِهِ زَيْنَبَ بِنْتِ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ أَنَّ الْفُرَيْعَةَ بِنْتَ مَالِكٍ أَخْبَرَتْهَا أَنَّهَا سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَأْذَنَ لَهَا أَنْ تَرْجِعَ إِلَى أَهْلِهَا فَإِنَّ زَوْجِي قَدْ خَرَجَ فِي طَلَبِ أَعْبُدٍ لَهُ أَبَقُوا فَأَدْرَكَهُمْ حَتَّى إِذَا كَانَ بِطَرَفِ الْقَدُومِ قَتَلُوهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْكُثِي فِي بَيْتِكِ حَتَّى يَبْلُغَ الْكِتَابُ أَجَلَهُ فَقُلْتُ إِنَّهُ لَمْ يَدَعْنِي فِي بَيْتٍ أَمْلِكُهُ وَلَا نَفَقَةٍ فَقَالَ امْكُثِي حَتَّى يَبْلُغَ الْكِتَابُ أَجَلَهُ فَاعْتَدَّتْ فِيهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا قَالَتْ فَلَمَّا كَانَ عُثْمَانُ أَرْسَلَ إِلَيَّ فَسَأَلَنِي عَنْ ذَلِكَ فَأَخْبَرْتُهُ فَاتَّبَعَ ذَلِكَ وَقَضَى بِهِ

اخبرنا عبيد الله بن عبد المجيد حدثنا مالك عن سعد بن اسحق بن كعب بن عجرة عن عمته زينب بنت كعب بن عجرة ان الفريعة بنت مالك اخبرتها انها سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم ان ياذن لها ان ترجع الى اهلها فان زوجي قد خرج في طلب اعبد له ابقوا فادركهم حتى اذا كان بطرف القدوم قتلوه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم امكثي في بيتك حتى يبلغ الكتاب اجله فقلت انه لم يدعني في بيت املكه ولا نفقة فقال امكثي حتى يبلغ الكتاب اجله فاعتدت فيه اربعة اشهر وعشرا قالت فلما كان عثمان ارسل الي فسالني عن ذلك فاخبرته فاتبع ذلك وقضى به

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৪. যে স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গেছে, তার (ঘর থেকে) বের হওয়া প্রসঙ্গে

২৩২৭. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার খালা তালাকপ্রাপ্তা হওয়ার পর তিনি তার খেজুর বাগানে গিয়ে ফল কাটতে চেয়েছিলেন। এক ব্যক্তি তাকে বললো, তুমি বের হতে পারবে না। তিনি বলেন, তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাকে বিষয়টি অবহিত করলাম, তখন তিনি বললেন: “তুমি তোমার বাগানের খেজুর সংগ্রহ করো। হয়তো তুমি দান-খয়রাত করবে অথবা অন্য কোন সৎকাজ করবে।”[1]

بَاب خُرُوجِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ طُلِّقَتْ خَالَتِي فَأَرَادَتْ أَنْ تَجُدَّ نَخْلًا لَهَا فَقَالَ لَهَا رَجُلٌ لَيْسَ لَكِ أَنْ تَخْرُجِي قَالَتْ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ اخْرُجِي فَجُدِّي نَخْلَكِ فَلَعَلَّكِ أَنْ تَصَدَّقِي أَوْ تَصْنَعِي مَعْرُوفًا

اخبرنا ابو عاصم عن ابن جريج عن ابي الزبير عن جابر قال طلقت خالتي فارادت ان تجد نخلا لها فقال لها رجل ليس لك ان تخرجي قالت فاتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال اخرجي فجدي نخلك فلعلك ان تصدقي او تصنعي معروفا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৫. ক্রীতদাসের সাথে বিবাহিতা ক্রীতদাসী মুক্তিলাভ করলে তাকে (ক্রীতদাসের বিবাহাধীন থাকা-না থাকার ব্যাপারে) ইখতিয়ার প্রদান করা

২৩২৮. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি আযাদ করার জন্য (বাঁদী) বারীরাহকে ক্রয় করতে চাইলেন। কিন্তু তার মালিক পক্ষ শর্ত আরোপ করল যে, তার ওয়ালা তাদেরই থাকবে। ফলে তিনি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন, তুমি তাকে ক্রয়করো। কেননা ওয়ালা তারই হবে, যে আযাদ করবে।”

ফলে তিনি তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দিলেন। আর তাকে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার দেওয়া হলো, যে ছিল স্বাধীন পুরুষ। আর নবী সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কিছু মাংস নিয়ে আসা হলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন: “এটা কার নিকট হতে এসেছে?” তাঁকে বলা হলো, এটা বারীরাহকে সাদাকাহ হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তখন তিনি বললেন: “এটি তার জন্য সাদাকাহ, আর আমাদের জন্য হাদিয়াহ।”[1]

بَاب فِي تَخْيِيرِ الْأَمَةِ تَكُونُ تَحْتَ الْعَبْدِ فَتُعْتَقُ

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا أَرَادَتْ أَنْ تَشْتَرِيَ بَرِيرَةَ فَأَرَادَ مَوَالِيهَا أَنْ يَشْتَرِطُوا وَلَاءَهَا فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ اشْتَرِيهَا فَإِنَّمَا الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ فَاشْتَرَتْهَا فَأَعْتَقَتْهَا وَخَيَّرَهَا مِنْ زَوْجِهَا وَكَانَ حُرًّا وَأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُتِيَ بِلَحْمٍ فَقَالَ مِنْ أَيْنَ هَذَا قِيلَ تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ فَقَالَ هُوَ لَهَا صَدَقَةٌ وَلَنَا هَدِيَّةٌ

اخبرنا سهل بن حماد حدثنا شعبة عن الحكم عن ابراهيم عن الاسود عن عاىشة انها ارادت ان تشتري بريرة فاراد مواليها ان يشترطوا ولاءها فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اشتريها فانما الولاء لمن اعتق فاشترتها فاعتقتها وخيرها من زوجها وكان حرا وان النبي صلى الله عليه وسلم اتي بلحم فقال من اين هذا قيل تصدق به على بريرة فقال هو لها صدقة ولنا هدية

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৫. ক্রীতদাসের সাথে বিবাহিতা ক্রীতদাসী মুক্তিলাভ করলে তাকে (ক্রীতদাসের বিবাহাধীন থাকা-না থাকার ব্যাপারে) ইখতিয়ার প্রদান করা

২৩২৯. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট প্রবেশ করলে আমি তাঁর সম্মুখে কিছু খাবার পেশ করলাম, যার মধ্যে মাংস ছিল না। তখন তিনি বললেন: “আমি কি তোমাদের নিকট তুলে রাখা একটি পাত্র (তে মাংস) দেখলাম না?” আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তা হলো বারীরাহকে সাদাকাহ হিসেবে দেওয়া হয়েছে, এরপর সে তা আমাদেরকে হাদিয়া হিসেবে দিয়েছে। তিনি বললেন: “সেটি তার জন্য সাদাকাহ, কিন্তু আমাদের জন্য হাদিয়াহ হিসেবে গণ্য।” আর তার স্বামী ছিল; যখন তাকে আযাদ করা (মুক্তি দেওয়া) হলো, তখন তাকে তার স্বামীর ব্যাপারে ইখতিয়ার দেওয়া হয়েছিলো।[1]

بَاب فِي تَخْيِيرِ الْأَمَةِ تَكُونُ تَحْتَ الْعَبْدِ فَتُعْتَقُ

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ خَلِيلٍ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ دَخَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيَّ فَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ طَعَامًا لَيْسَ فِيهِ لَحْمٌ فَقَالَ أَلَمْ أَرَ لَكُمْ قِدْرًا مَنْصُوبَةً قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا لَحْمٌ تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ فَأَهْدَتْ لَنَا قَالَ هُوَ عَلَيْهَا صَدَقَةٌ وَهُوَ لَنَا مِنْهَا هَدِيَّةٌ وَكَانَ لَهَا زَوْجٌ فَلَمَّا عُتِقَتْ خُيِّرَتْ

اخبرنا اسمعيل بن خليل حدثنا علي بن مسهر حدثنا هشام بن عروة عن عبد الرحمن بن القاسم عن ابيه عن عاىشة قالت دخل النبي صلى الله عليه وسلم علي فقربت اليه طعاما ليس فيه لحم فقال الم ار لكم قدرا منصوبة قلت يا رسول الله هذا لحم تصدق به على بريرة فاهدت لنا قال هو عليها صدقة وهو لنا منها هدية وكان لها زوج فلما عتقت خيرت

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৫. ক্রীতদাসের সাথে বিবাহিতা ক্রীতদাসী মুক্তিলাভ করলে তাকে (ক্রীতদাসের বিবাহাধীন থাকা-না থাকার ব্যাপারে) ইখতিয়ার প্রদান করা

২৩৩০. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, যখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বারীরাকে মুক্ত করেন, তখন তার স্বামী ছিল একজন ক্রীতদাস। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তার স্বামীর (সাথে সম্পর্ক অবিচ্ছিন্ন রাখার) প্রতি উৎসাহিত করতে থাকলেন। তখন সে বলতে থাকলো, আমার কি এ অধিকার নেই যে, আমি তার থেকে বিচ্ছিন্ন হব? তিনি বলেন: “হাঁ, অবশ্যই আছে।” তখন সে বলল, তাহলে আমি নিজেকে তার থেকে বিচ্ছিন্ন করছি।[1]

بَاب فِي تَخْيِيرِ الْأَمَةِ تَكُونُ تَحْتَ الْعَبْدِ فَتُعْتَقُ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الضَّحَّاكِ عَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيِّ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ بَرِيرَةَ حِينَ أَعْتَقَتْهَا عَائِشَةُ كَانَ زَوْجُهَا عَبْدًا فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَحُضُّهَا عَلَيْهِ فَجَعَلَتْ تَقُولُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَلَيْسَ لِي أَنْ أُفَارِقَهُ قَالَ بَلَى قَالَتْ فَقَدْ فَارَقْتُهُ

اخبرنا عبد الرحمن بن الضحاك عن المغيرة بن عبد الرحمن المخزومي عن هشام بن عروة عن عبد الرحمن بن القاسم عن ابيه عن عاىشة ان بريرة حين اعتقتها عاىشة كان زوجها عبدا فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يحضها عليه فجعلت تقول لرسول الله صلى الله عليه وسلم اليس لي ان افارقه قال بلى قالت فقد فارقته

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৫. ক্রীতদাসের সাথে বিবাহিতা ক্রীতদাসী মুক্তিলাভ করলে তাকে (ক্রীতদাসের বিবাহাধীন থাকা-না থাকার ব্যাপারে) ইখতিয়ার প্রদান করা

২৩৩১. ইবনু ’আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত যে, বারীরার স্বামী ক্রীতদাস ছিল। তাকে মুগীস নামে ডাকা হত। আমি যেন এখনও তাকে দেখতে পাচ্ছি যে, সে বারীরার পিছে ছুটছে আর কাঁদছে। আর তার দাড়ি বেয়ে অশ্রু ঝরছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বললেনঃ “হে ’আব্বাস! বারীরার প্রতি মুগীসের গভীর ভালবাসা এবং মুগীসের প্রতি বারীরার চরম অনাসক্তি দেখে তুমি কি আশ্চর্যান্বিত হওনা?”

এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “(হে বারীরা!) তুমি যদি তার কাছে আবার ফিরে যেতে! কেননা, সে তো তোমার সন্তানের পিতা।”সে বললঃ ইয়া রাসূলূল্লাহ! আপনি কি আমাকে আদেশ করছেন? তিনি বললেনঃ “আমি কেবল সুপারিশ করছি।” সে বললঃ তাকে আমার কোন প্রয়োজন নেই।[1]

بَاب فِي تَخْيِيرِ الْأَمَةِ تَكُونُ تَحْتَ الْعَبْدِ فَتُعْتَقُ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ يَعْنِي الْحَذَّاءَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ زَوْجَ بَرِيرَةَ كَانَ عَبْدًا يُقَالُ لَهُ مُغِيثٌ كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ يَطُوفُ خَلْفَهَا يَبْكِي وَدُمُوعُهُ تَسِيلُ عَلَى لِحْيَتِهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْعَبَّاسِ يَا عَبَّاسُ أَلَا تَعْجَبُ مِنْ شِدَّةِ حُبِّ مُغِيثٍ بَرِيرَةَ وَمِنْ شِدَّةِ بُغْضِ بَرِيرَةَ مُغِيثًا فَقَالَ لَهَا لَوْ رَاجَعْتِيهِ فَإِنَّهُ أَبُو وَلَدِكِ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَأْمُرُنِي قَالَ إِنَّمَا أَنَا شَافِعٌ قَالَتْ لَا حَاجَةَ لِي فِيهِ

اخبرنا عمرو بن عون اخبرنا خالد بن عبد الله عن خالد يعني الحذاء عن عكرمة عن ابن عباس ان زوج بريرة كان عبدا يقال له مغيث كاني انظر اليه يطوف خلفها يبكي ودموعه تسيل على لحيته فقال النبي صلى الله عليه وسلم للعباس يا عباس الا تعجب من شدة حب مغيث بريرة ومن شدة بغض بريرة مغيثا فقال لها لو راجعتيه فانه ابو ولدك فقالت يا رسول الله اتامرني قال انما انا شافع قالت لا حاجة لي فيه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৬. সন্তানকে (বিবাহ-বিচ্ছেদকারী) পিতা-মাতার মাঝে কোনো একজনকে বেছে নেওয়ার ইখতিয়ার বা স্বাধীনতা দেওয়া সম্পর্কে

২৩৩২. হিলাল ইবন উসামা (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ মায়মূনা সুলাইমান যিনি মদীনার কোন এক ব্যক্তির আযাদকৃত গোলাম ছিলেন। তিনি বলেন, একদা আমি যখন হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, তখন সেখানে জনৈক স্ত্রীলোক আগমন করে বলে: আমার স্বামী (যে আমাকে তালাক দিয়েছিল) আমার সন্তানটিকে নিয়ে যেতে চায়।

তখন আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন সেখানে জনৈক স্ত্রীলোক আগমন করে বলে: আমার স্বামী (যে আমাকে তালাক দিয়েছিল) আমার সন্তানটিকে বা আমার ছেলেটিকে নিয়ে যেতে চায়। আর অবস্থা এই যে, সে (সন্তান) সে আমার খিদমত করে এবং আমাকে আবূ উকবার কুপ হতে এনে পানি পান করায়। নবী করীম (সাঃ) বলেন, “এদের উভয়ের মধ্যে সন্তানের ব্যাপারে লটারীর ব্যবস্থা করো।” তখন তার স্বামী এসে বললো, আমার থেকে আমার সন্তান কিংবা পুত্র কে নিয়ে আমার সাথে বিবাদ করে কে? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সন্তানকে সম্বোধন করে বলেন, “হে ছেলে! এ তোমার পিতা এবং এ তোমার মাতা। তুমি এতদুভয়ের মধ্যে যার হাত ইচ্ছা ধারণ করো।” আবূ আসিম বর্ণনা করেন, “তুমি এতদুভয়ের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুসরণ করো।” তখন সে (সন্তান) তার মাতার হাত ধারণ করলে তাকে নিয়ে সে (মাতা) চলে যায়।[1]

بَاب فِي تَخْيِيرِ الصَّبِيِّ بَيْنَ أَبَوَيْهِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ أَخْبَرَنِي زِيَادُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ هِلَالِ بْنِ أُسَامَةَ عَنْ أَبِي مَيْمُونَةَ سُلَيْمَانَ مَوْلًى لِأَهْلِ الْمَدِينَةِ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ أَبِي هُرَيْرَةَ فَجَاءَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ إِنَّ زَوْجِي يُرِيدُ أَنْ يَذْهَبَ بِوَلَدِي فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ كُنْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذْ جَاءَتْهُ امْرَأَةٌ فَقَالَتْ إِنَّ زَوْجِي يُرِيدُ أَنْ يَذْهَبَ بِوَلَدِي أَوْ بِابْنِي وَقَدْ نَفَعَنِي وَسَقَانِي مِنْ بِئْرِ أَبِي عِنَبَةَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَهِمَا أَوْ قَالَ تَسَاهَمَا أَبُو عَاصِمٍ الشَّاكُّ فَجَاءَ زَوْجُهَا فَقَالَ مَنْ يُخَاصِمُنِي فِي وَلَدِي أَوْ فِي ابْنِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَا غُلَامُ هَذَا أَبُوكَ وَهَذِهِ أُمُّكَ فَخُذْ بِيَدِ أَيِّهِمَا شِئْتَ وَقَدْ قَالَ أَبُو عَاصِمٍ فَاتْبَعْ أَيَّهُمَا شِئْتَ فَأَخَذَ بِيَدِ أُمِّهِ فَانْطَلَقَتْ بِهِ

اخبرنا ابو عاصم حدثنا ابن جريج قال اخبرني زياد بن سعد عن هلال بن اسامة عن ابي ميمونة سليمان مولى لاهل المدينة قال كنت عند ابي هريرة فجاءته امراة فقالت ان زوجي يريد ان يذهب بولدي فقال ابو هريرة كنت عند رسول الله صلى الله عليه وسلم اذ جاءته امراة فقالت ان زوجي يريد ان يذهب بولدي او بابني وقد نفعني وسقاني من بىر ابي عنبة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم استهما او قال تساهما ابو عاصم الشاك فجاء زوجها فقال من يخاصمني في ولدي او في ابني فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا غلام هذا ابوك وهذه امك فخذ بيد ايهما شىت وقد قال ابو عاصم فاتبع ايهما شىت فاخذ بيد امه فانطلقت به

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৭. ক্রীতদাসীর তালাক প্রসঙ্গে

২৩৩৩. আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,“ দাসীর জন্য তালাক হ’ল দু’টিএবংতারইদ্দতেরমেয়াদ হ’ল দু’হায়েয পর্যন্ত।”[1] আবূ আসিম বলেন, আমি মুযাহির হতে এটি শুনেছি।

بَاب فِي طَلَاقِ الْأَمَةِ

أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي مُظَاهِرٌ وَهُوَ ابْنُ أَسْلَمَ أَنَّهُ سَمِعَ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لِلْأَمَةِ تَطْلِيقَتَانِ وَقُرْؤُهَا حَيْضَتَانِ قَالَ أَبُو عَاصِمٍ سَمِعْتُهُ مِنْ مُظَاهِرٍ

اخبرنا ابو عاصم اخبرنا ابن جريج اخبرني مظاهر وهو ابن اسلم انه سمع القاسم بن محمد عن عاىشة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال للامة تطليقتان وقروها حيضتان قال ابو عاصم سمعته من مظاهر

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ১৮. ক্রীতদাসীর (গর্ভ) খালাস হওয়া প্রসঙ্গে

২৩৩৪. আবূ সাঈদ আল-খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেন, আওতাস যুদ্ধের বন্দীনী সম্পর্কে তিনি বলেছেন: “কোন গর্ভবতী বন্দিনীর সাথেতার সন্তানপ্রসবের আগে সহবাস করবে না এবং যে বন্দিনী গর্ভবতী নয়, তারসাথেতার এক হায়েয (অতিক্রান্ত) হওয়ার পূর্বে সহবাস করবে না।”[1]

بَاب فِي اسْتِبْرَاءِ الْأَمَةِ

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ قَيْسِ بْنِ وَهْبٍ عَنْ أَبِي الْوَدَّاكِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَرَفَعَهُ أَنَّهُ قَالَ فِي سَبَايَا أَوْطَاسٍ لَا تُوطَأُ حَامِلٌ حَتَّى تَضَعَ حَمْلَهَا وَلَا غَيْرُ ذَاتِ حَمْلٍ حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً

اخبرنا عمرو بن عون اخبرنا شريك عن قيس بن وهب عن ابي الوداك عن ابي سعيد ورفعه انه قال في سبايا اوطاس لا توطا حامل حتى تضع حملها ولا غير ذات حمل حتى تحيض حيضة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
১২. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৩৪ পর্যন্ত, সর্বমোট ৩৪ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে