সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ সূরা ফাতিহার ফযীলত।

২৮৭৫. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন উবাই ইবন কাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে গেলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডাক দিলেনঃ হে উবাই! উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন নামায পড়ছিলেন। তিনি ফিরে তাকালেন কিন্তু কোন জওয়াব দিলেন না। তবে তিনি সংক্ষিপ্তভাবে সালাত (নামায) আদায় করে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলেন। বললেনঃ আসসালামু আলায়কা, ইয়া রাসূলাল্লাহ্!

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওয়া আলায়কাস্ সালাম, হে উবাই! আমি যখন তোমাকে ডাকলাম তখন সাড়া দিতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? উবাই বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি তো সালাতে ছিলাম।

তিনি বললেনঃ আমার কাছে যে, ওয়াহী (কুরআন) নাযিল হয়েছে তাতে কি পাওনি যে, রাসূল যখন তোমাদেরকে এমন কিছুর দিকে আহবান করেন যা তোমাদের প্রাণবন্ত করে তখন আল্লাহ্ ও রাসূলের আহবানে সাড়া দিবে? (আনফাল ৮ঃ ২৪)। উবাই বললেনঃ নিশ্চিয়ই, ইনশাআল্লাহ্ আমি পুর্নবার এমন করব না।

তিনি বললেনঃ তুমি কি পছন্দ কর যে, আমি এমন একটি সূরা তোমাকে শিখিয়ে দেই তওরাত, ইনজীল, যাবূর এবং (এমনকি) কুরআনেও যার মত কোন সূরা নাযিল হয় নি?

উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ হ্যাঁ, ইয়া রাসুলাল্লাহ।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সালাতে কি পাঠ কর?

উবাই রাদিয়াল্লাহু আনহু উম্মুল কুরআন সূরা ফাতিহা পাঠ করে শুনালেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার জান সেই সত্তার কসম! তওরাত, ইনজিল, যাবূর এবং ফুরকানেও এর মত কোন সূরা নাযিল হয়নি। এই সূরাটি হল বারবার পঠিত সাত আয়াত বিশিষ্ট সূরা এবং মহান কুরআন যা আমাকে প্রদান করা হয়েছে।*

সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১৩১০, মিশকাত তাহকিক ছানী ২১৪২, তা'লীকুর রাগীব ২/২১৬,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৭৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ فَاتِحَةِ الكِتَابِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ عَلَى أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يَا أُبَىُّ ‏"‏ ‏.‏ وَهُوَ يُصَلِّي فَالْتَفَتَ أُبَىٌّ وَلَمْ يُجِبْهُ وَصَلَّى أُبَىٌّ فَخَفَّفَ ثُمَّ انْصَرَفَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ السَّلاَمُ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَعَلَيْكَ السَّلاَمُ مَا مَنَعَكَ يَا أُبَىُّ أَنْ تُجِيبَنِي إِذْ دَعَوْتُكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي كُنْتُ فِي الصَّلاَةِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَفَلَمْ تَجِدْ فِيمَا أَوْحَى اللَّهُ إِلَىَّ أَنِ ‏(‏استَجِيبُوا لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ بَلَى وَلاَ أَعُودُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ تُحِبُّ أَنْ أُعَلِّمَكَ سُورَةً لَمْ يَنْزِلْ فِي التَّوْرَاةِ وَلاَ فِي الإِنْجِيلِ وَلاَ فِي الزَّبُورِ وَلاَ فِي الْفُرْقَانِ مِثْلُهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كَيْفَ تَقْرَأُ فِي الصَّلاَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقَرَأَ أُمَّ الْقُرْآنِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا أُنْزِلَتْ فِي التَّوْرَاةِ وَلاَ فِي الإِنْجِيلِ وَلاَ فِي الزَّبُورِ وَلاَ فِي الْفُرْقَانِ مِثْلُهَا وَإِنَّهَا سَبْعٌ مِنَ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ الَّذِي أُعْطِيتُهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ وَفِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج على أبى بن كعب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا أبى ‏"‏ ‏.‏ وهو يصلي فالتفت أبى ولم يجبه وصلى أبى فخفف ثم انصرف إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال السلام عليك يا رسول الله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وعليك السلام ما منعك يا أبى أن تجيبني إذ دعوتك ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله إني كنت في الصلاة ‏.‏ قال ‏"‏ أفلم تجد فيما أوحى الله إلى أن ‏(‏استجيبوا لله وللرسول إذا دعاكم لما يحييكم ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال بلى ولا أعود إن شاء الله ‏.‏ قال ‏"‏ تحب أن أعلمك سورة لم ينزل في التوراة ولا في الإنجيل ولا في الزبور ولا في الفرقان مثلها ‏"‏ ‏.‏ قال نعم يا رسول الله ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كيف تقرأ في الصلاة ‏"‏ ‏.‏ قال فقرأ أم القرآن فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ والذي نفسي بيده ما أنزلت في التوراة ولا في الإنجيل ولا في الزبور ولا في الفرقان مثلها وإنها سبع من المثاني والقرآن العظيم الذي أعطيته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وفي الباب عن أنس بن مالك وفيه عن أبي سعيد بن المعلى ‏.‏


Narrated Abu Hurairah:
that the Messenger of Allah (ﷺ) came out to Ubayy bin Ka'b, and the Messenger of Allah (ﷺ) said: "O Ubayy!" And he was performing Salat, so Ubayy turned around but he did not respond to him, so Ubayy finished his Salat quickly. Then he turned to the Messenger of Allah (ﷺ) and said: 'As-Salamu 'Alaikum, O Messenger of Allah!' The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Wa 'Alaikum As-Salam - what prevented you from responding to me when I called you Ubayy?' He said: 'O Messenger of Allah! I was performing Salat.' So he said: 'Do you not find among what Allah revealed to me: Respond to Allah and to the Messenger when they call you to what gives you life?' He said: 'Of course, I shall not repeat that, if Allah wills.' He said: 'Would you like for me to teach you a Surah the likes of which has neither been revealed in the Tawrah, nor the Injil, nor the Zabur, nor in the entire Qur'an?' He said: "Yes, O Messenger of Allah!' The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'What do you recite in your Salat?' He said: 'I recite Umm Al-Qur'an.' So the Messenger of Allah (ﷺ) said: 'By the One in Whose Hand is my soul! The like of it has neither been revealed in the Tawrah, nor the Injil nor the Zabur, nor in the Furqan. It is the seven oft-repeated, and the Magnificent Qur'an which I was given.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা বাকারা এবং আয়াতুল কুরসীর ফযীলত।

২৮৭৬. হাসান ইবন আলী খাল্লাল (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার একটি প্রতিনিধি দল এক অভিযানে প্রেরণ করেছিলেন। তারা সংখ্যায় ছিল কয়েক জন। তাদেরকে তিনি কুরআন পাঠ করতে বললেন। প্রত্যেকেই যে যা জানত তা পাঠ করে শোনাল। শেষে তিনি এদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী এক ব্যক্তির কাছে এলেন। বললেনঃ হে অমুক, তোমার কি আছে?

সে বললঃ অমুক অমুক সূরা এবং সূরা বাকারা আমার জানা আছে।

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃসূরা বাকারা তোমার মুখস্থ?

লোকটি বললঃ জি হ্যাঁ।

তিনি বললেনঃ যাও, তুমিই এ দলের আমীর।

তখন এ দলের একজন নেতৃস্থানীয় লোক বললঃ আল্লাহর কসম, (রাতের সালাতে) তা পড়তে না পারার আশংকাই আমাকে এই সূরাটি শিখা থেকে বিরত রেখেছে।

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কুরআন শিক্ষা কর এবং তা পড়। কেননা, যে ব্যক্তি কুরআন শিখে, তা তিলাওয়াত করে এবং সালাতে দাঁড়িয়েও তা পড়ে তার জন্য কুরআনের দৃষ্টান্ত হল মিসকে ভর্তি চামড়ার একটি থলের মত। সর্বত্র তার সৌরভ প্রসারিত হয়। আর যে ব্যক্তি তা শিখে ঘুমিয়ে রয়েছে তার দৃষ্টান্ত হল মুখ বাঁধা মিসকের থলের মত।

যঈফ, ইবনু ইবনু মাজাহ ২১৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৭৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান। এ হাদীসটি সাঈদ মাকবুরী-আবূ আহমদের মাওলা আতা (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপেও অনুরূপ বর্ণিত আছে। কুতায়বা (রহঃ) আবূ আহমদের মাওলা আতা (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপেও অনুরূপ বর্ণিত আছে।

কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ আহমদের মাওলা আতা (রহঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল রূপে উক্ত মর্মে অনূরূপ বর্ণিত আছে, এতে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর উল্লেখ নেই।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ البَقَرَةِ وَآيَةِ الكُرْسِيِّ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ عَطَاءٍ، مَوْلَى أَبِي أَحْمَدَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْثًا وَهُمْ ذُو عَدَدٍ فَاسْتَقْرَأَهُمْ فَاسْتَقْرَأَ كُلَّ رَجُلٍ مِنْهُمْ مَا مَعَهُ مِنَ الْقُرْآنِ فَأَتَى عَلَى رَجُلٍ مِنْهُمْ مِنْ أَحْدَثِهِمْ سِنًّا فَقَالَ ‏"‏ مَا مَعَكَ يَا فُلاَنُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ مَعِي كَذَا وَكَذَا وَسُورَةُ الْبَقَرَةِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَمَعَكَ سُورَةُ الْبَقَرَةِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَاذْهَبْ فَأَنْتَ أَمِيرُهُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ أَشْرَافِهِمْ وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا مَنَعَنِي أَنْ أَتَعَلَّمَ سُورَةَ الْبَقَرَةِ إِلاَّ خَشْيَةَ أَلاَّ أَقُومَ بِهَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ فَاقْرَءُوهُ وَأَقْرِئُوهُ فَإِنَّ مَثَلَ الْقُرْآنِ لِمَنْ تَعَلَّمَهُ فَقَرَأَهُ وَقَامَ بِهِ كَمَثَلِ جِرَابٍ مَحْشُوٍّ مِسْكًا يَفُوحُ بِرِيحِهِ كُلُّ مَكَانٍ وَمَثَلُ مَنْ تَعَلَّمَهُ فَيَرْقُدُ وَهُوَ فِي جَوْفِهِ كَمَثَلِ جِرَابٍ وُكِئَ عَلَى مِسْكٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

وَقَدْ رَوَاهُ اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ عَطَاءٍ، مَوْلَى أَبِي أَحْمَدَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ قُتَيْبَةُ عَنِ اللَّيْثِ فَذَكَرَهُ ‏.‏

حدثنا الحسن بن علي الخلال الحلواني، حدثنا أبو أسامة، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، عن سعيد المقبري، عن عطاء، مولى أبي أحمد عن أبي هريرة، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثا وهم ذو عدد فاستقرأهم فاستقرأ كل رجل منهم ما معه من القرآن فأتى على رجل منهم من أحدثهم سنا فقال ‏"‏ ما معك يا فلان ‏"‏ ‏.‏ قال معي كذا وكذا وسورة البقرة ‏.‏ قال ‏"‏ أمعك سورة البقرة ‏"‏ ‏.‏ فقال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ فاذهب فأنت أميرهم ‏"‏ ‏.‏ فقال رجل من أشرافهم والله يا رسول الله ما منعني أن أتعلم سورة البقرة إلا خشية ألا أقوم بها ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ تعلموا القرآن فاقرءوه وأقرئوه فإن مثل القرآن لمن تعلمه فقرأه وقام به كمثل جراب محشو مسكا يفوح بريحه كل مكان ومثل من تعلمه فيرقد وهو في جوفه كمثل جراب وكئ على مسك ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وقد رواه الليث بن سعد عن سعيد المقبري، عن عطاء، مولى أبي أحمد عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ولم يذكر فيه عن أبي هريرة ‏.‏ حدثنا بذلك قتيبة عن الليث فذكره ‏.‏


Narrated Abu Hurairah:
"The Messenger of Allah (ﷺ) sent an expedition force [comprised] of many, and he asked each what he could recite, so each one of them mentioned what he could recite - meaning what he had memorized of the Qur'an. He came to one of the youngest men among them and said: 'What have you memorized O so-and-so?' He said: 'I memorized this and that and Surat Al-Baqarah.' He said: 'You memorized Surat Al-Baqarah?' He said: "Yes.' He said: "Then go, for you are their commander.' A man among their chief said: 'By Allah [O Messenger of Allah]! Nothing prevented me from learning Surat Al-Baqarah except fearing that I would not be able to stand with (in voluntary night prayer).' The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Learn the Qur'an to recite it, for indeed the parable of the Qur'an for the one who recites it and stands with it (in prayer) is that of a bag full of musk whose scent fills the air all around. And the parable of the one who learns it then sleeps while it is in his memory is that of a bag containing musk that is tied shut.'"


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা বাকারা এবং আয়াতুল কুরসীর ফযীলত।

২৮৭৭. কুতায়বা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের বাড়িতে গোরস্থান বানিও না। যে বাড়িতে সূরা বাকারা পাঠ করা হয় সে ঘরে শয়তান প্রবেশ করে না।

সহীহ, আহকামুল জানা-ইয ২১২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৭৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন)এ হাদিসটি হাসান-সহীহ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ البَقَرَةِ وَآيَةِ الكُرْسِيِّ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ تَجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ مَقَابِرَ وَإِنَّ الْبَيْتَ الَّذِي تُقْرَأُ فِيهِ الْبَقَرَةُ لاَ يَدْخُلُهُ الشَّيْطَانُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تجعلوا بيوتكم مقابر وإن البيت الذي تقرأ فيه البقرة لا يدخله الشيطان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Abu Hurairah:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Do not turn your houses into graves. Indeed Ash-Shaitan does not enter the house in which Surat Al-Baqarah is recited."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা বাকারা এবং আয়াতুল কুরসীর ফযীলত।

২৮৭৮. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি বস্তরই শীর্ষদেশ রয়েছে। কুরআনের শীর্ষস্থানীয় সূরা হল সূরা বাকারা। এতে এমন একটি আয়াত রয়েছে যেটি হল কুরআনের আয়াতসমূহের মাঝে প্রধান। সেটি হল আয়াতুল কুরসী।

যঈফ, যঈফা ১৩৪৮, তা'লীকুর রাগীব ২/২১৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৭৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি গারীব। হাকীম ইবন জুবায়র-এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। শু’বা (রহঃ) তার সমালোচনা করেছেন এবং তাকে যঈফ বলেছেন।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ البَقَرَةِ وَآيَةِ الكُرْسِيِّ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْجُعْفِيُّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لِكُلِّ شَيْءٍ سَنَامٌ وَإِنَّ سَنَامَ الْقُرْآنِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ وَفِيهَا آيَةٌ هِيَ سَيِّدَةُ آىِ الْقُرْآنِ هِيَ آيَةُ الْكُرْسِيِّ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ ‏.‏ وَقَدْ تَكَلَّمَ شُعْبَةُ فِي حَكِيمِ بْنِ جُبَيْرٍ وَضَعَّفَهُ ‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا حسين الجعفي، عن زائدة، عن حكيم بن جبير، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لكل شيء سنام وإن سنام القرآن سورة البقرة وفيها آية هي سيدة آى القرآن هي آية الكرسي ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث حكيم بن جبير ‏.‏ وقد تكلم شعبة في حكيم بن جبير وضعفه ‏.‏


Narrated Abu Hurairah:
that the Messenger of Allah (ﷺ): "For everything there is a hump (pinnacle) and the hump (pinnacle) of the Qur'an is Surat Al-Baqarah, in it there is an Ayah which is the master of the Ayat in the Qur'an; [it is] Ayat Al-Kursi."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা বাকারা এবং আয়াতুল কুরসীর ফযীলত।

২৮৭৯. ইয়াহ্ইয়া ইবন মুগীরা আবূ সালামা মাখযূমী মাদীনী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে সূরা মু’মিনের হা-মীম থেকে ইলাইহিল মাসীর পর্যন্ত (১,২,৩ নং আয়াত) এবং আয়াতুল কুরসী তিলাওয়াত করবে তবে বিকাল পর্যন্ত এর কারণে তার হিফাযত করা হবে। আর যে ব্যক্তি বিকালে তা পাঠ করবে সকাল পর্যন্ত এর কারণে তার হিফাজত করা হবে।

যঈফ, মিশকাত, তাহকিক ছানী ২১৪৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৭৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি গারীব। কোন কোন হাদীস বিশেষজ্ঞ আবদুর রহমান ইবন আবূ বকর ইবন আবূ মুলায়কা মুলায়কী (রহঃ) এর স্মরণ শক্তির বিষয়ে সমালোচনা করেছেন।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ البَقَرَةِ وَآيَةِ الكُرْسِيِّ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الْمُغِيرَةِ أَبُو سَلَمَةَ الْمَخْزُومِيُّ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الْمُلَيْكِيِّ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ مُصْعَبٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنْ قَرَأَ حم الْمُؤْمِنَ إِلَى ‏:‏ ‏(‏إِلَيْهِ الْمَصِيرُ ‏)‏ وَآيَةَ الْكُرْسِيِّ حِينَ يُصْبِحُ حُفِظَ بِهِمَا حَتَّى يُمْسِيَ وَمَنْ قَرَأَهُمَا حِينَ يُمْسِيَ حُفِظَ بِهِمَا حَتَّى يُصْبِحَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ الْمُلَيْكِيِّ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ‏.‏ وَزُرَارَةُ بْنُ مُصْعَبٍ هُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَهُوَ جَدُّ أَبِي مُصْعَبٍ الْمَدَنِيِّ ‏.‏

حدثنا يحيى بن المغيرة أبو سلمة المخزومي المدني، حدثنا ابن أبي فديك، عن عبد الرحمن بن أبي بكر المليكي، عن زرارة بن مصعب، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من قرأ حم المؤمن إلى ‏:‏ ‏(‏إليه المصير ‏)‏ وآية الكرسي حين يصبح حفظ بهما حتى يمسي ومن قرأهما حين يمسي حفظ بهما حتى يصبح ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏ وقد تكلم بعض أهل العلم في عبد الرحمن بن أبي بكر بن أبي مليكة المليكي من قبل حفظه ‏.‏ وزرارة بن مصعب هو ابن عبد الرحمن بن عوف وهو جد أبي مصعب المدني ‏.‏


Narrated Abu Hurairah:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever recites Ha Mim Al-Mu'min - up to - To Him is the return (40:1-3) and Ayat Al-Kursi when he reaches (gets up in) the morning, he will be protected by them until the evening. And whoever recites them when he reaches the evening, he will be protected by them until the morning."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা বাকারা এবং আয়াতুল কুরসীর ফযীলত।

২৮৮০. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ....... আবূ আয়্যূব আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তাঁর একটি তাক ছিল তাতে তিনি শুকনো খেজুর রাখতেন। কিন্তু শয়তান জিন এসে রাতে তা নিয়ে যেত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানালেন। তিনি বললেনঃ যাও, এটিকে যখন দেখবে বলবে, বিসমিল্লাহ্, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে ডেকেছেন, চল।

রাবী বলেনঃ আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু এটিকে পাকড়াও করলেন। এটি তখন কসম করল যে, পুনর্বার তা করবে না। ফলে তিনি এটিকে ছেড়ে দিলেন। অনন্তর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। তিনি বললেনঃ তোমার বন্দী কি করল? আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ কসম করে বলল যে, পুনর্বার তা করবে না। তিনি বললেনঃ সে মিথ্যা বলেছে। আর তার অভ্যাসই হল মিথ্যা বলা।

রাবী বলেনঃ আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু সেটিকে আরেকবার পাকড়াও করলেন এবারও সে কসম করল যে, পুনর্বার আর আসবে না। ফলে তিনি এটিকে ছেড়ে দিলেন। অনন্তর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। তিনি বললেনঃ তোমার বন্দী কি কর্ম করল? আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ কসম করেছে, সে আর করবে না। তিনি বললেনঃ মিথ্যা বলেছে। তার অভ্যাসই হল মিথ্যা বলা।

পরে আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে আবার পাকড়াও করলেন। বললেনঃ এবার তোমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে না নিয়ে আর ছাড়ব না। সে বললঃ আমি আপনাকে একটি বিষয় স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। তা হল আপনার ঘরে আয়াতুল কুরসী পড়বেন। তাহলে আপনার কাছে শয়তান বা অনিষ্টকর অন্য কিছু আসতে পারবে না। অনন্তর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেনঃ তিনি বললেনঃ তোমার বন্ধী কি করল? আবূ আয়্যূব রাদিয়াল্লাহু আনহু সে যা বলেছিল সে সম্পর্কে তাঁকে জানালেন। তিনি বললেনঃ এবার সত্য বলেছে, যদিও সে মিথ্যাবাদী।

সহীহ, তা'লীকুর রাগীব ২/২১২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-গারীব। এ বিষয়ে উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ البَقَرَةِ وَآيَةِ الكُرْسِيِّ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَخِيهِ، عِيسَى عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الأَنْصَارِيِّ، أَنَّهُ كَانَتْ لَهُ سَهْوَةٌ فِيهَا تَمْرٌ فَكَانَتْ تَجِيءُ الْغُولُ فَتَأْخُذُ مِنْهُ قَالَ فَشَكَا ذَلِكَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ فَاذْهَبْ فَإِذَا رَأَيْتَهَا فَقُلْ بِسْمِ اللَّهِ أَجِيبِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَخَذَهَا فَحَلَفَتْ أَنْ لاَ تَعُودَ فَأَرْسَلَهَا فَجَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ مَا فَعَلَ أَسِيرُكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ حَلَفَتْ أَنْ لاَ تَعُودَ فَقَالَ ‏"‏ كَذَبَتْ وَهِيَ مُعَاوِدَةٌ لِلْكَذِبِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَخَذَهَا مَرَّةً أُخْرَى فَحَلَفَتْ أَنْ لاَ تَعُودَ فَأَرْسَلَهَا فَجَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ مَا فَعَلَ أَسِيرُكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ حَلَفَتْ أَنْ لاَ تَعُودَ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ كَذَبَتْ وَهِيَ مُعَاوِدَةٌ لِلْكَذِبِ ‏"‏ ‏.‏ فَأَخَذَهَا فَقَالَ مَا أَنَا بِتَارِكِكِ حَتَّى أَذْهَبَ بِكِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَتْ إِنِّي ذَاكِرَةٌ لَكَ شَيْئًا آيَةَ الْكُرْسِيِّ اقْرَأْهَا فِي بَيْتِكَ فَلاَ يَقْرَبُكَ شَيْطَانٌ وَلاَ غَيْرُهُ ‏.‏ قَالَ فَجَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ مَا فَعَلَ أَسِيرُكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأَخْبَرَهُ بِمَا قَالَتْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ صَدَقَتْ وَهِيَ كَذُوبٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن ابن أبي ليلى، عن أخيه، عيسى عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن أبي أيوب الأنصاري، أنه كانت له سهوة فيها تمر فكانت تجيء الغول فتأخذ منه قال فشكا ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ فاذهب فإذا رأيتها فقل بسم الله أجيبي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ‏.‏ قال فأخذها فحلفت أن لا تعود فأرسلها فجاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ما فعل أسيرك ‏"‏ ‏.‏ قال حلفت أن لا تعود فقال ‏"‏ كذبت وهي معاودة للكذب ‏"‏ ‏.‏ قال فأخذها مرة أخرى فحلفت أن لا تعود فأرسلها فجاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ما فعل أسيرك ‏"‏ ‏.‏ قال حلفت أن لا تعود ‏.‏ فقال ‏"‏ كذبت وهي معاودة للكذب ‏"‏ ‏.‏ فأخذها فقال ما أنا بتاركك حتى أذهب بك إلى النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقالت إني ذاكرة لك شيئا آية الكرسي اقرأها في بيتك فلا يقربك شيطان ولا غيره ‏.‏ قال فجاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ ما فعل أسيرك ‏"‏ ‏.‏ قال فأخبره بما قالت ‏.‏ قال ‏"‏ صدقت وهي كذوب ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وفي الباب عن أبى بن كعب ‏.‏


Narrated 'Abdur-Rahman bin Abi Laila:
that Abu Ayyub Al-Ansari had a store house in which he kept dates. A ghoul would come and take from it, so he complained about that to the Prophet (ﷺ). So he said: "Go, and when you see her say: 'In the Name of Allah, answer to the Messenger of Allah (ﷺ).'" He said: "So I caught her, and she swore that she would not return, so I released her." He went to the Prophet (ﷺ) and he said: "What did your captive do?" He said: "She swore not to return." He said: "She has lied, and she will come again to lie." He said: "I caught her another time and she swore that she would not return, so I released her, and went to the Prophet (ﷺ)." He said: "What did your captive do?" He said: "She swore that she would not return." So he said: "She lied and she will come again to lie." So he caught her and said: "I shall not let you go until you accompany me to the Prophet (ﷺ)." She said: "I shall tell you something: If you recite Ayat Al-Kursi in your home, then no Shaitan, nor any other shall come near you." So he went to the Prophet (ﷺ) and he said: "What did your captive do?" He said: "I informed him of what she said, and he said: 'She told the truth and she is a continuous liar.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা বাকারার শেষাংশের ফযীলত।

২৮৮১. আহমদ ইবন মানী’ (রহঃ) ...... আবূ মাসঊদ আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাত্রে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে তা সে ব্যক্তির জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে।

সহীহ, সহীহ আবু দাউদ ১২৬৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي آخِرِ سُورَةِ البَقَرَةِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ مَنْصُورِ بْنِ الْمُعْتَمِرِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَرَأَ الآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن منصور بن المعتمر، عن إبراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن أبي مسعود الأنصاري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قرأ الآيتين من آخر سورة البقرة في ليلة كفتاه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Abu Mas'ud Al-Ansari:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever recites the last two Ayat of Surat Al-Baqarah during the night, they shall suffice him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা বাকারার শেষাংশের ফযীলত।

২৮৮২. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... নু’মান ইবন বাশীর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টির দুই হাজার বছর পূর্বেই আল্লাহ্ তা’আলা একটি কিতাব লিপিবন্ধ করেছেন। এর থেকে তিনি দু’টো আয়াত নাযিল করেছেন। যে দু’টোর মাধ্যমেই তিনি সূরা বাকারা খতম করেছেন। যে বাড়িতে তিন রাত তা পাঠ করা হবে শয়তান সে বাড়ির নিকটবর্তী হয় না।

সহীহ, রাওযুন নাযীর ৮৮৬, তা'লীকুর রাগীব ২/২১৯, মিশকাত ২১৪৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন)এ হাদীসটি হাসান-গারীব।

بَابُ مَا جَاءَ فِي آخِرِ سُورَةِ البَقَرَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجَرْمِيِّ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الأَشْعَثِ الْجَرْمِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ كَتَبَ كِتَابًا قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ بِأَلْفَىْ عَامٍ أَنْزَلَ مِنْهُ آيَتَيْنِ خَتَمَ بِهِمَا سُورَةَ الْبَقَرَةِ وَلاَ يُقْرَآنِ فِي دَارٍ ثَلاَثَ لَيَالٍ فَيَقْرَبُهَا شَيْطَانٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا حماد بن سلمة، عن أشعث بن عبد الرحمن الجرمي، عن أبي قلابة، عن أبي الأشعث الجرمي، عن النعمان بن بشير، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن الله كتب كتابا قبل أن يخلق السموات والأرض بألفى عام أنزل منه آيتين ختم بهما سورة البقرة ولا يقرآن في دار ثلاث ليال فيقربها شيطان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


Narrated An-Nu'man bin Bashir:
that the Prophet (ﷺ) said: "Indeed Allah wrote in a book two thousand years before He created the heavens and the earth, and He sent down two Ayat from it to end Surat Al-Baqarah with. If they are recited for three nights in a home, no Shaitan shall come near it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা আলে-ইমরান এর ফযীলত।

২৮৮৩. মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) .... নাওয়াস ইবন সামআন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কুরআন এবং আহলে কুরআন যারা দুনিয়ায় এতদানুসারে আমল করেছেন সেই কুরআন পন্থীগণ (কিয়ামতের দিন) আসবে এমন অবস্থায় যে তাদের আগে আগে থাকবে সূরা বাকারা ও আলে ইমরান।

নাওওয়াস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেনঃ এতদুভয়ের আগমনের তিনটি উদাহরণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উল্লেখ করেছেন যা আমি এখনও ভুলিনি। তিনি বলেছিলেনঃ এ দু’টো আসবে দুটো ছায়ার মত; এতদুভয়ের মাঝে থাকবে আলোর ঝলকানি বা দু’টো কৃঞ্চবর্ণের মেঘের মত বা ডানা ছড়ানো পাখির ছায়ার মত। এরা উভয়েই তাদের ধারকদের পক্ষে (আল্লাহর দরবারে) বিতর্ক করবে।

সহীহ, মুসলিম ২/১৯৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে বুরায়দা এবং আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি গারীব।

আলিমগণের মতে এ হাদীসটির মর্ম হল যে, এ সূরা পাঠের ছওয়াব আগমন করবে। কোন কোন আলিম এ হাদীস এবং এ ধরনের আরো যত হাদীস আছে সেগুলোর ব্যাখ্যা দিয়েছেন যে, হাশরের দিন কুরআন পাঠের ছওয়াবের আগমন হবে। তাঁদের এ ব্যাখ্যার প্রমান নাওওয়াস ইবন সামআন রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত এ রিওয়ায়তটিতে পাওয়া যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতে বলেছেনঃ আহলে কুরআন যারা দুনিয়াতে এর উপর আমল করেছেন কুরআনের সে সব ধারকগণ ...। এতেও প্রমাণিত হয় যে কিয়ামতের দিন আমলের ছওয়াবের আগমণ হবে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي سُورَةِ آلِ عِمْرَانَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ أَبُو عَبْدِ الْمَلِكِ الْعَطَّارِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ نَوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ يَأْتِي الْقُرْآنُ وَأَهْلُهُ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ بِهِ فِي الدُّنْيَا تَقْدُمُهُ سُورَةُ الْبَقَرَةِ وَآلُ عِمْرَانَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَوَّاسٌ وَضَرَبَ لَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثَةَ أَمْثَالٍ مَا نَسِيتُهُنَّ بَعْدُ قَالَ ‏"‏ تَأْتِيَانِ كَأَنَّهُمَا غَيَايَتَانِ وَبَيْنَهُمَا شَرْقٌ أَوْ كَأَنَّهُمَا غَمَامَتَانِ سَوْدَاوَانِ أَوْ كَأَنَّهُمَا ظُلَّةٌ مِنْ طَيْرٍ صَوَافَّ تُجَادِلاَنِ عَنْ صَاحِبِهِمَا ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ بُرَيْدَةَ وَأَبِي أُمَامَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَمَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّهُ يَجِيءُ ثَوَابُ قِرَاءَتِهِ كَذَا فَسَّرَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ هَذَا الْحَدِيثَ وَمَا يُشْبِهُ هَذَا مِنَ الأَحَادِيثِ أَنَّهُ يَجِيءُ ثَوَابُ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ ‏.‏ وَفِي حَدِيثِ النَّوَّاسِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَا يَدُلُّ عَلَى مَا فَسَّرُوا إِذْ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وَأَهْلُهُ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ بِهِ فِي الدُّنْيَا ‏"‏ ‏.‏ فَفِي هَذَا دِلاَلَةٌ أَنَّهُ يَجِيءُ ثَوَابُ الْعَمَلِ ‏.‏

حدثنا محمد بن إسماعيل، أخبرنا هشام بن إسماعيل أبو عبد الملك العطار، حدثنا محمد بن شعيب، حدثنا إبراهيم بن سليمان، عن الوليد بن عبد الرحمن، أنه حدثهم عن جبير بن نفير، عن نواس بن سمعان، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يأتي القرآن وأهله الذين يعملون به في الدنيا تقدمه سورة البقرة وآل عمران ‏"‏ ‏.‏ قال نواس وضرب لهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة أمثال ما نسيتهن بعد قال ‏"‏ تأتيان كأنهما غيايتان وبينهما شرق أو كأنهما غمامتان سوداوان أو كأنهما ظلة من طير صواف تجادلان عن صاحبهما ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن بريدة وأبي أمامة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب من هذا الوجه ‏.‏ ومعنى هذا الحديث عند أهل العلم أنه يجيء ثواب قراءته كذا فسر بعض أهل العلم هذا الحديث وما يشبه هذا من الأحاديث أنه يجيء ثواب قراءة القرآن ‏.‏ وفي حديث النواس عن النبي صلى الله عليه وسلم ما يدل على ما فسروا إذ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وأهله الذين يعملون به في الدنيا ‏"‏ ‏.‏ ففي هذا دلالة أنه يجيء ثواب العمل ‏.‏


Narrated An-Nawwas bin Sam'an:
that the Prophet (ﷺ) said: "The Qur'an shall come, and its people who acted according to it in the world. Surat Al-Baqarah and Al 'Imran shall be in front of it. An-Nawwas said: "The Messenger of Allah (ﷺ) stated three parables about them which I have not since forgotten, he said: "They will come as if they are two shades between which there is illumination, or as if they are two shady clouds, or as if they are shadows of lines of birds arguing on behalf of their people."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা আলে-ইমরান এর ফযীলত।

২৮৮৪. মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, হুমায়দী (রহঃ) বলেনঃ আল্লাহ্ তা’আলা আসমান ও যমীনে আয়তুল কুরসী অপেক্ষা মহান আর কিছু সৃষ্টি করেননি। আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত এই হাদীসটির তাফসীরে সুফইয়ান (রহঃ) বলেনঃ আয়াতুল কুরসী হল আল্লাহর কালাম। আর আসমান ও যমীনে আল্লাহর সকল সৃষ্টি থেকে তাঁর কালাম তো মহান হবেই।

সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

بَابُ مَا جَاءَ فِي سُورَةِ آلِ عِمْرَانَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، فِي تَفْسِيرِ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ مَا خَلَقَ اللَّهُ مِنْ سَمَاءٍ وَلاَ أَرْضٍ أَعْظَمَ مِنْ آيَةِ الْكُرْسِيِّ ‏.‏ قَالَ سُفْيَانُ لأَنَّ آيَةَ الْكُرْسِيِّ هُوَ كَلاَمُ اللَّهِ وَكَلاَمُ اللَّهِ أَعْظَمُ مِنْ خَلْقِ اللَّهِ مِنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ ‏.‏

حدثنا محمد بن إسماعيل، قال حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان بن عيينة، في تفسير حديث عبد الله بن مسعود قال ما خلق الله من سماء ولا أرض أعظم من آية الكرسي ‏.‏ قال سفيان لأن آية الكرسي هو كلام الله وكلام الله أعظم من خلق الله من السماء والأرض ‏.‏


Narrated 'Abdullah bin Mas'ud:
"Allah has not created in the heavens nor in the earth what is more magnificent than Ayat Al-Kursi." Sufyan said: "Because Ayat Al-Kursi is the Speech of Allah, and Allah's Speech is greater than Allah's creation of the heavens and the earth."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা আল-কাহফ এর ফযীলত।

২৮৮৫. মাহমূদ ইবন গায়লান (রহঃ) ...... আবূ ইসহাক (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বারা রাদিয়াল্লাহু আনহ-কে বলতে শুনেছি। এক ব্যক্তি সূরা কাহফ পড়ছিলেন। এমন সময় দেখেন তাঁর ঘোড়াটি লাফলাফি করছে। তখন তিনি তাকিয়ে দেখেন মেঘের মত বা ছায়ার মত একটি বস্তু। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন এবং এ বিষয়টির উল্লেখ করলেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ হল সাকীনা (বিশেষ প্রশান্তি) কুরআনের সঙ্গে অথবা তিনি বলেছেন কুরআনের উপর যা নাযিল হয়েছে।

সহীহ, বুখারি ৫০১১, মুসলিম ২/১৯৩-১৯৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ বিষয়ে উসায়দ ইবন হুযায়র রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত হয়েছে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ الكَهْفِ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، أَنْبَأَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، قَالَ سَمِعْتُ الْبَرَاءَ، يَقُولُ بَيْنَمَا رَجُلٌ يَقْرَأُ سُورَةَ الْكَهْفِ إِذْ رَأَى دَابَّتَهُ تَرْكُضُ فَنَظَرَ فَإِذَا مِثْلُ الْغَمَامَةِ أَوِ السَّحَابَةِ فَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ تِلْكَ السَّكِينَةُ نَزَلَتْ مَعَ الْقُرْآنِ أَوْ نَزَلَتْ عَلَى الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أبو داود، أنبأنا شعبة، عن أبي إسحاق، قال سمعت البراء، يقول بينما رجل يقرأ سورة الكهف إذ رأى دابته تركض فنظر فإذا مثل الغمامة أو السحابة فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ تلك السكينة نزلت مع القرآن أو نزلت على القرآن ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن أسيد بن حضير ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Abu Ishaq:
hearing Al-Bara say: "There was a man reciting [Surat] Al-Kahf when he saw his riding animal stamping his feet, so he looked and there was something like a shadow or cloud, so he went to the Messenger of Allah (ﷺ) and mentioned that to him. The Prophet (ﷺ) said: "That was the tranquility which descends with the Qur'an, or descends because of the Qur'an."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ইসহাক (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা আল-কাহফ এর ফযীলত।

২৮৮৬. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আবূদ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম তিন আয়াত পাঠ করবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাবে।

শাজ, যঈফা ১৩৩৬, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ... মুআয ইবন হিশাম-আবূ কাতাদা (রহঃ) সূত্রেও উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ الكَهْفِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ قَرَأَ ثَلاَثَ آيَاتٍ مِنْ أَوَّلِ الْكَهْفِ عُصِمَ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ ‏"‏ ‏.‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، عن أبي الدرداء، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من قرأ ثلاث آيات من أول الكهف عصم من فتنة الدجال ‏"‏ ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Abu Ad-Darda:
that the Prophet (ﷺ) said: "Whoever recites three Ayat from the beginning of Al-Kahf he is protected from the turmoil of the Dajjal."


হাদিসের মানঃ শা'জ
বর্ণনাকারীঃ আবুদ দারদা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা ইয়াসীন এর ফযীলত

২৮৮৭. কুতায়বা ও সুফইয়ান ইবন ওয়াকী (রহঃ) .... আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি বস্ত্তুরই অন্তর আছে। কুরআনের অন্তর হল সূরা ইয়াসীন। যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসীন পাঠ করবে আল্লাহ্ তা’আলা তার এ পাঠের বিনিময়ে দশ বার কুরআন পাঠ করার সমতুল্য ছওয়াব নির্ধারণ করবেন।

মওযূ, যঈফা ১৬৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮৭ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি হাসান-গারীব। হুমায়দ ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। আর এ সূত্র ছাড়া বাসরায় কাতাদা (রহঃ) এর রিওয়ায়ত সম্পর্কে কিছু জানা নেই। রাবী হারূন আবূ মুহাম্মাদ হলেন একজন অজ্ঞাত শায়খ। আবূ মূসা মুহাম্মাদ ইবন মুছান্ন (রহঃ) হুমায়দ ইবন আবদুর রহমান থেকে উক্ত সনদে তা বর্ণিত আছে। এ বিষয়ে আবূ বকর সিদ্দীক ও আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রিওয়ায়তটি সনদের দিক থেকে সহীহ নয়। এর সনদ যঈফ।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ يس

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، وَسُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الرُّؤَاسِيُّ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ هَارُونَ أَبِي مُحَمَّدٍ، عَنْ مُقَاتِلِ بْنِ حَيَّانَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ لِكُلِّ شَيْءٍ قَلْبًا وَقَلْبُ الْقُرْآنِ يس وَمَنْ قَرَأَ يس كَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِقِرَاءَتِهَا قِرَاءَةَ الْقُرْآنِ عَشْرَ مَرَّاتٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَبِالْبَصْرَةِ لاَ يَعْرِفُونَ مِنْ حَدِيثِ قَتَادَةَ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَهَارُونُ أَبُو مُحَمَّدٍ شَيْخٌ مَجْهُولٌ ‏.‏

حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى، مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، بِهَذَا ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، وَلاَ يَصِحُّ حَدِيثُ أَبِي بَكْرٍ مِنْ قِبَلِ إِسْنَادِهِ إِسْنَادُهُ ضَعِيفٌ ‏.‏

حدثنا قتيبة، وسفيان بن وكيع، قالا حدثنا حميد بن عبد الرحمن الرؤاسي، عن الحسن بن صالح، عن هارون أبي محمد، عن مقاتل بن حيان، عن قتادة، عن أنس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن لكل شيء قلبا وقلب القرآن يس ومن قرأ يس كتب الله له بقراءتها قراءة القرآن عشر مرات ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث حميد بن عبد الرحمن وبالبصرة لا يعرفون من حديث قتادة إلا من هذا الوجه ‏.‏ وهارون أبو محمد شيخ مجهول ‏.‏ حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى حدثنا أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا قتيبة، عن حميد بن عبد الرحمن، بهذا ‏.‏ وفي الباب عن أبي بكر الصديق، ولا يصح حديث أبي بكر من قبل إسناده إسناده ضعيف ‏.‏


Narrated Anas:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Indeed for everything there is a heart, and the Qur'an's heart is Ya Sin. Whoever recites Ya Sin, then for its recitation, Allah writes for him that he recited the Qur'an ten times."


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ হা-মীম আদ্‌ দুখান এর ফযীলত।

২৮৮৮. সুফইয়ান ইবন ওয়াকী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাত্রে হা-মীম আদ-দুখান পাঠ করবে সত্তর হাজার ফিরিশতা তার জন্য মাগফিরাতের দু’আ করবে।

মাওযূ, মিশকাত ২১৪৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি গারীব। এই সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। উমর ইবন আবূ খাছআম রাবী হিসাবে যঈফ। মুহাম্মাদ বুখারী (রহঃ) বলেন, ইনি হাদীছের ক্ষেত্রে মুনকার।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ حم الدُّخَانِ

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي خَثْعَمٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَرَأَ حم الدُّخَانَ فِي لَيْلَةٍ أَصْبَحَ يَسْتَغْفِرُ لَهُ سَبْعُونَ أَلْفَ مَلَكٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَعُمَرُ بْنُ أَبِي خَثْعَمٍ يُضَعَّفُ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدٌ وَهُوَ مُنْكَرُ الْحَدِيثِ ‏.‏

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا زيد بن حباب، عن عمر بن أبي خثعم، عن يحيى بن أبي كثير، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قرأ حم الدخان في ليلة أصبح يستغفر له سبعون ألف ملك ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه ‏.‏ وعمر بن أبي خثعم يضعف ‏.‏ قال محمد وهو منكر الحديث ‏.‏


Narrated Abu Hurairah:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever recites Ha Mim Ad-Dukhan during the night, in the morning seventy thousand angels seek forgiveness for him."


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ হা-মীম আদ্‌ দুখান এর ফযীলত।

২৮৮৯. নাসর ইবন আবদুর রহমান কূফী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমআর রাতে যে ব্যক্তি হা-মীম আদ্-দুখান পাঠ করবে তাকে মাফ করে দেওয়া হবে।

যঈফ, যঈফা ৪৬৩২, মিশকাত; তাহাকিক ছানী ২১৫০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৮৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদিসটি গারীব। এ সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। হিশাম আবুল মিকদামকে যঈফ বলা হয়। হাসান (রহঃ) সরাসরি আবূ হরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে কিছু শুনেন নি। আয়্যূব, ইউনুস ইবন উবায়দ এবং আলী ইবন যায়দ (রহঃ) তা বলেছেন।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ حم الدُّخَانِ

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ حُبَابٍ، عَنْ هِشَامٍ أَبِي الْمِقْدَامِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَرَأَ حم الدُّخَانَ فِي لَيْلَةِ الْجُمُعَةِ غُفِرَ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَهِشَامٌ أَبُو الْمِقْدَامِ يُضَعَّفُ وَلَمْ يَسْمَعِ الْحَسَنُ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ هَكَذَا قَالَ أَيُّوبُ وَيُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ وَعَلِيُّ بْنُ زَيْدٍ ‏.‏

حدثنا نصر بن عبد الرحمن الكوفي، حدثنا زيد بن حباب، عن هشام أبي المقدام، عن الحسن، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قرأ حم الدخان في ليلة الجمعة غفر له ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه ‏.‏ وهشام أبو المقدام يضعف ولم يسمع الحسن من أبي هريرة هكذا قال أيوب ويونس بن عبيد وعلي بن زيد ‏.‏


Narrated Abu Hurairah:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever recites Ha Mum Ad-Dukhan during Friday night, he shall be forgiven."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা আল-মুলক এর ফযীলত

২৮৯০. মুহাম্মাদ ইবন আবদুল মালিক ইবন আবু’শ-শাওয়ারিব (রহঃ) ..... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, একবার এক সাহাবী একটি কবরের উপর তাঁর তাঁবু স্থাপন করেন। তিনি ধারণা করতে পারেন নি যে, এটি একটি কবর। হঠাৎ তিনি অনুভব করেন যে, কবরে একজন লোক সূরা মূলক তিলাওয়াত করছেন। অবশেষে তিনি তা পাঠ করে শেষ করেন। তিনি পরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্, আমি এক স্থানে আমার তাঁবু ফেলি। আমার ধারণা ছিল না যে, এটি একটি কবর। হঠাৎ অনুভব করি একজন লোক সূরা মুলক তিলাওয়াত করে খতম করলেন।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটি হল প্রতিরোধক। এটি হল মুক্তিদায়ক। এ কবরের আযাব থেকে মুক্তি দেয়। এ কবরের আযাব থেকে মুক্তি দেয়।

যঈফ, (هِيَ الْمَانِعَةُ) "এটি হল প্রতিরোধক" অংশটুকু সহীহ, সহীহাহ ১১৪০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি এই সূত্রে গারীব। এই বিষয়ে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ الْمُلْكِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَمْرِو بْنِ مَالِكٍ النُّكْرِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي الْجَوْزَاءِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ ضَرَبَ بَعْضُ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خِبَاءَهُ عَلَى قَبْرٍ وَهُوَ لاَ يَحْسِبُ أَنَّهُ قَبْرٌ فَإِذَا فِيهِ إِنْسَانٌ يَقْرَأُ سُورَةَ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ حَتَّى خَتَمَهَا فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي ضَرَبْتُ خِبَائِي عَلَى قَبْرٍ وَأَنَا لاَ أَحْسِبُ أَنَّهُ قَبْرٌ فَإِذَا فِيهِ إِنْسَانٌ يَقْرَأُ سُورَةَ تَبَارَكَ الْمُلْكُ حَتَّى خَتَمَهَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ هِيَ الْمَانِعَةُ هِيَ الْمُنْجِيَةُ تُنْجِيهِ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا يحيى بن عمرو بن مالك النكري، عن أبيه، عن أبي الجوزاء، عن ابن عباس، قال ضرب بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم خباءه على قبر وهو لا يحسب أنه قبر فإذا فيه إنسان يقرأ سورة تبارك الذي بيده الملك حتى ختمها فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إني ضربت خبائي على قبر وأنا لا أحسب أنه قبر فإذا فيه إنسان يقرأ سورة تبارك الملك حتى ختمها ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ هي المانعة هي المنجية تنجيه من عذاب القبر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة ‏.‏


Narrated Ibn 'Abbas:
"One of the companions of the Prophet (ﷺ) pitched a tent on a grave without knowing that it was a grave. Suddenly he heard a person from the grave reciting Surah al-Mulk till he completed it. So he went to the Prophet (ﷺ) and said: 'Oh Messenger of Allah, I pitched my tent on a grave without realizing that is was a grave. Then suddenly I heard a person from the grave reciting Surah al-Mulk till he completed it.' The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'It is the defender, it is the deliverer - it delivers from the punishment of the grave.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা আল-মুলক এর ফযীলত

২৮৯১. মুহাম্মাদ ইবন বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ত্রিশ আয়াত বিশিষ্ট কুরআনের একটি সূরা (পাঠ করে) কোন ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করলে তাকে মাফ করে দেওয়া হয়। সেই সূরাটি হল তাবারাকল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক।

হাসান, তা'লীকুর রাগীব ২/২২৩, মিশকাত ২১৫৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ الْمُلْكِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَبَّاسٍ الْجُشَمِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِنَّ سُورَةً مِنَ الْقُرْآنِ ثَلاَثُونَ آيَةً شَفَعَتْ لِرَجُلٍ حَتَّى غُفِرَ لَهُ وَهِيَ سُورَةُ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن عباس الجشمي، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إن سورة من القرآن ثلاثون آية شفعت لرجل حتى غفر له وهي سورة تبارك الذي بيده الملك ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث حسن ‏.‏


Narrated Abu Hurairah:
that the Prophet (ﷺ) said: "Indeed there is a Surah in the Qur'an of thirty Ayat, which intercedes for a man until he is forgiven. It is [Surah] Tabarak Alladhi Biyadihil-Mulk."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ সূরা আল-মুলক এর ফযীলত

২৮৯২. হুরায়ম ইবন মিসআর (রহঃ) ...... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলিফ-লাম-মীম তানযীল এবং তাবারাকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক সূরা দু’টি না পড়ে ঘুমাতেন না।

সহীহ, সহীহাহ ৫৮৫, আর রওয ২২৭, মিশকাত তাহকিক ছানী ২১৫৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

একাধিক রাবী এই হাদীসটি লায়ছ ইবন আবূ সুলায়ম সূত্রে এরূপ রিওয়ায়ত করেছেন। মুগীরা ইবন মুসলিম এটি আবুয যুবায়র ... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

যুহায়র (রহঃ) বর্ণনা করেন, আমি আবুয যুবায়র (রহঃ)-কে বললামঃ আমাকে এই হাদীসটি সাফওয়ান বা ইবন সাফওয়ান বর্ণনা করেছেন। এতে সরাসরি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে হাদীসটির রিওয়ায়তকে আবুয যুবায়র (রহঃ) যেন অস্বীকার করছেন।

হান্নাদ (রহঃ) ... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে। হুরায়ম ইবন মিসআর (রহঃ) ... তাউস (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেনঃ এই দুটো সূরা কুরআন করীমের প্রতিটি সূরার উপর সত্তর গুণ বেশী নেকী ধারণ করে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي فَضْلِ سُورَةِ الْمُلْكِ

حَدَّثَنَا هُرَيْمُ بْنُ مِسْعَرٍ، - تِرْمِذِيٌّ - حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لاَ يَنَامُ حَتَّى يَقْرَأَ ‏:‏ ‏(‏الم * تَنْزِيلُ ‏)‏ وَ ‏(‏ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ ‏)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ رَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ مِثْلَ هَذَا ‏.‏ وَرَوَاهُ مُغِيرَةُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا ‏.‏ وَرَوَى زُهَيْرٌ قَالَ قُلْتُ لأَبِي الزُّبَيْرِ سَمِعْتَ مِنْ جَابِرٍ فَذَكَرَ هَذَا الْحَدِيثَ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو الزُّبَيْرِ إِنَّمَا أَخْبَرَنِيهِ صَفْوَانُ أَوِ ابْنُ صَفْوَانَ وَكَأَنَّ زُهَيْرًا أَنْكَرَ أَنْ يَكُونَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ ‏.‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏

قَالَ حَدَّثَنَا هُرَيْمٌ، حَدَّثَنَا فُضَيْلٌ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ تَفْضُلاَنِ عَلَى كُلِّ سُورَةٍ فِي الْقُرْآنِ بِسَبْعِينَ حَسَنَةً ‏.‏

حدثنا هريم بن مسعر، - ترمذي - حدثنا الفضيل بن عياض، عن ليث، عن أبي الزبير، عن جابر، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان لا ينام حتى يقرأ ‏:‏ ‏(‏الم * تنزيل ‏)‏ و ‏(‏ تبارك الذي بيده الملك ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث رواه غير واحد عن ليث بن أبي سليم مثل هذا ‏.‏ ورواه مغيرة بن مسلم عن أبي الزبير عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ‏.‏ وروى زهير قال قلت لأبي الزبير سمعت من جابر فذكر هذا الحديث ‏.‏ فقال أبو الزبير إنما أخبرنيه صفوان أو ابن صفوان وكأن زهيرا أنكر أن يكون هذا الحديث عن أبي الزبير عن جابر ‏.‏ حدثنا هناد، حدثنا أبو الأحوص، عن ليث، عن أبي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏ قال حدثنا هريم، حدثنا فضيل، عن ليث، عن طاوس، قال تفضلان على كل سورة في القرآن بسبعين حسنة ‏.‏


Narrated Jabir:
The Prophet (ﷺ) would not sleep until he recited Alif Lam Mim Tanzil and: Tabarak Alladhi Biyadihil-Mulk." This Hadith was reported similarly by more than one from Laith bin Abi Sulaim. Mughirah bin Muslim reported it from Abu Az-Zubair, from Jabir from the Prophet (ﷺ) and it is similar to this. Zuhair reported it and said: "I said to Abu Az-Zubair: 'Did you hear Jabir mentioning this Hadith?' He said: 'Safwan or Ibn Safwan informed me of it.'" It is as if Zuhair rejected the idea that this Hadith was from Abu Az-Zubair from Jabir. (Another chain) with similar in meaning. (Another chain) that Tawus said: "They are seventy good merits more of virtue in it than every Surah in the Qur'an."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ ইযা যুলযিলাত

২৮৯৩. মুহাম্মাদ ইবন মূসা জুরাশী বাসরী (রহঃ) ...... আনাস ইবন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইযা যুল যিলত সূরা যে ব্যক্তি পাঠ করবে অর্ধেক কুরআনের সমান তার সওয়াব হবে। কুল ইয়া আয়্যূহাল কাফিরূন যে পাঠ করবে তার জন্য কুরআনের এক-চতুর্থাংশ পাঠের সমান সওয়াব হবে।

[যিলযালের ফযিলত ব্যাতিত হাদিসটি হাসান]

যঈফা ১১৪২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি গারীব। হাসন ইবনুস সালম (রহঃ) এর সূত্রে ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই। এই বিষয়ে ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

بَابُ مَا جَاءَ فِي إِذَا زُلْزِلَتْ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْحَرَشِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سَلْمِ بْنِ صَالِحٍ الْعِجْلِيُّ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ الْبُنَانِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَرَأَ إِذَا زُلْزِلَتْ عُدِلَتْ لَهُ بِنِصْفِ الْقُرْآنِ وَمَنْ قَرَأَْ قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ ‏)‏ عُدِلَتْ لَهُ بِرُبْعِ الْقُرْآنِ وَمَنْ قَرَأَْ قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ‏)‏ عُدِلَتْ لَهُ بِثُلُثِ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ هَذَا الشَّيْخِ الْحَسَنِ بْنِ سَلْمٍ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏

حدثنا محمد بن موسى الحرشي البصري، حدثنا الحسن بن سلم بن صالح العجلي، حدثنا ثابت البناني، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قرأ إذا زلزلت عدلت له بنصف القرآن ومن قرأ قل يا أيها الكافرون ‏)‏ عدلت له بربع القرآن ومن قرأ قل هو الله أحد ‏)‏ عدلت له بثلث القرآن ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث هذا الشيخ الحسن بن سلم ‏.‏ وفي الباب عن ابن عباس ‏.‏


Narrated Anas bin Malik:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever recites Idha Zulzilat, it equals half of the Qur'an for him. Whoever recites: Qul Ya Ayyuhal-Kafirun it equals a fourth of the Qur'an for him. And whoever recites: Qul Huwa Allahu Ahad it equals a third of the Qur'an for him."


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an

পরিচ্ছেদঃ ইযা যুলযিলাত

২৮৯৪. আলী ইবন হুজর (রহঃ) ...... ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইযা যুল যিলাত-এর সওয়াব অর্ধেক কুরআনের সমান; কুল হুয়াল্লাহু আহাদ এক-তৃতীয়াংশ কুরআনের সমান; কুল ইয়া আয়্যূহাল কাফিরূন এক-চতুর্থাংশ কুরআনের সমান।

যিলযালের ফযিলত ব্যাতিত হাদিসটি সহিহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৮৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাদীসটি গারীব। ইয়ামান ইবনুল মুগীরা (রহঃ) -এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নেই।

بَابُ مَا جَاءَ فِي إِذَا زُلْزِلَتْ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا يَمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ الْعَنَزِيُّ، حَدَّثَنَا عَطَاءٌ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا زُلْزِلَتْ تَعْدِلُ نِصْفَ الْقُرْآنِ وَقُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ تَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ وَقُلْْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ تَعْدِلُ رُبُعَ الْقُرْآنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ يَمَانِ بْنِ الْمُغِيرَةِ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا يمان بن المغيرة العنزي، حدثنا عطاء، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا زلزلت تعدل نصف القرآن وقل هو الله أحد تعدل ثلث القرآن وقل يا أيها الكافرون تعدل ربع القرآن ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث يمان بن المغيرة ‏.‏


Narrated Ibn 'Abbas:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Idha Zulzilat is equal to half of the Qur'an, Qul Huwa Allahu Ahad is equal to a third of the Qur'an, and Yul Ya Ayyuhal-Kafirun is equal to a fourth of the Qur'an."


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৮/ কুরআনের ফযীলত (كتاب فضائل القرآن عن رسول الله ﷺ) 48/ Chapters on The Virtues of the Qur'an
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫২ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 পরের পাতা »