← সব প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন
মেয়েদের চুল টাক করার বিধান
হাদিসবিডি AI-এর উত্তর
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ,
hadithbd.com থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মেয়েদের চুল টাক করার বিধান নিচে তুলে ধরা হলো:
ইসলামে নারীদের মাথা মুণ্ডন করা বা চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে ফেলা নিষেধ।
* হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীলোকের মাথা মুড়িয়ে ফেলতে নিষেধ করেছেন। এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, পুরুষদের সৌন্দর্য যেমন দাড়িতে, তেমনি নারীদের সৌন্দর্য তাদের লম্বা চুলে। তাই হজ্জ বা উমরাহতেও নারীরা চুল মুণ্ডন না করে চুলের অগ্রভাগ থেকে সামান্য অংশ কাটেন। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৪৪৮৫ ⚠️ যঈফ
কোনো বিপদ বা শোকে চুল মুণ্ডন করা জাহেলী যুগের প্রথা এবং এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
* আবূ মুসা আশ‘আরী (রাঃ) তার মুমূর্ষু অবস্থায় বলেন, তিনি প্রত্যেক মাথা মুণ্ডনকারিনী, উচ্চ আওয়াজে বিলাপকারিনী ও কাপড় বিদীর্ণকারিনী থেকে মুক্ত। যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো তিনি এটি রাসূল (সাঃ) থেকে শুনেছেন কিনা, তিনি উত্তরে বলেন, "হ্যাঁ"। — সহীহ ইবনু হিব্বান (হাদিসবিডি), হাদিস ৩১৪০ (সহীহ)
* রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে ব্যক্তি উচ্চ আওয়াজে বিলাপ করে, কাপড় ছিঁড়ে ফেলে ও মাথার চুল মুন্ডন করে।” — সহীহ ইবনু হিব্বান (হাদিসবিডি), হাদিস ৩১৪১ (সহীহ)
মেয়েদের চুল কামিয়ে ফেলা পুরুষদের সাদৃশ্য ধারণের শামিল, যা ইসলামে অভিশপ্ত কাজ।
* পোশাক-আশাক, চালচলন এবং চুল কামানোর মাধ্যমে মেয়েরা ছেলেদের অনুকরণ করলে এবং ছেলেরা মেয়েদের অনুকরণ করলে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) তাদেরকে অভিসম্পাত করেছেন। — প্রশ্নোত্তরে রমযান ও ঈদ
* আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এমন সব মহিলাদের ওপর লা’নত করেছেন যারা পুরুষদের বেশ ধারণ করে। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৪৪৭০ (সহীহ)
সুতরাং, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী কোনো অবস্থাতেই (যেমন: বিপদ, শোক বা সাধারণ সৌন্দর্য চর্চা) মেয়েদের জন্য চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে ফেলা বা টাক করা জায়েজ নেই।
আর সমস্ত বিষয়ে একমাত্র আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।
hadithbd.com থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে মেয়েদের চুল টাক করার বিধান নিচে তুলে ধরা হলো:
চুল টাক করার বিষয়ে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা
ইসলামে নারীদের মাথা মুণ্ডন করা বা চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে ফেলা নিষেধ।
* হযরত আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীলোকের মাথা মুড়িয়ে ফেলতে নিষেধ করেছেন। এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, পুরুষদের সৌন্দর্য যেমন দাড়িতে, তেমনি নারীদের সৌন্দর্য তাদের লম্বা চুলে। তাই হজ্জ বা উমরাহতেও নারীরা চুল মুণ্ডন না করে চুলের অগ্রভাগ থেকে সামান্য অংশ কাটেন। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৪৪৮৫ ⚠️ যঈফ
বিপদের সময় চুল মুণ্ডন করা নিষিদ্ধ
কোনো বিপদ বা শোকে চুল মুণ্ডন করা জাহেলী যুগের প্রথা এবং এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
* আবূ মুসা আশ‘আরী (রাঃ) তার মুমূর্ষু অবস্থায় বলেন, তিনি প্রত্যেক মাথা মুণ্ডনকারিনী, উচ্চ আওয়াজে বিলাপকারিনী ও কাপড় বিদীর্ণকারিনী থেকে মুক্ত। যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো তিনি এটি রাসূল (সাঃ) থেকে শুনেছেন কিনা, তিনি উত্তরে বলেন, "হ্যাঁ"। — সহীহ ইবনু হিব্বান (হাদিসবিডি), হাদিস ৩১৪০ (সহীহ)
* রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে ব্যক্তি উচ্চ আওয়াজে বিলাপ করে, কাপড় ছিঁড়ে ফেলে ও মাথার চুল মুন্ডন করে।” — সহীহ ইবনু হিব্বান (হাদিসবিডি), হাদিস ৩১৪১ (সহীহ)
পুরুষদের সাদৃশ্য অবলম্বনের নিষেধাজ্ঞা
মেয়েদের চুল কামিয়ে ফেলা পুরুষদের সাদৃশ্য ধারণের শামিল, যা ইসলামে অভিশপ্ত কাজ।
* পোশাক-আশাক, চালচলন এবং চুল কামানোর মাধ্যমে মেয়েরা ছেলেদের অনুকরণ করলে এবং ছেলেরা মেয়েদের অনুকরণ করলে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) তাদেরকে অভিসম্পাত করেছেন। — প্রশ্নোত্তরে রমযান ও ঈদ
* আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এমন সব মহিলাদের ওপর লা’নত করেছেন যারা পুরুষদের বেশ ধারণ করে। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৪৪৭০ (সহীহ)
সুতরাং, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী কোনো অবস্থাতেই (যেমন: বিপদ, শোক বা সাধারণ সৌন্দর্য চর্চা) মেয়েদের জন্য চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে ফেলা বা টাক করা জায়েজ নেই।
আর সমস্ত বিষয়ে একমাত্র আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।