← সব প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন
সহবাস সম্পর্কে হাদিস
হাদিসবিডি AI-এর উত্তর
সহবাস সম্পর্কিত বিভিন্ন বিধান ও নির্দেশনা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। hadithbd.com থেকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
কিছু নির্দিষ্ট সময় ও অবস্থায় সহবাস করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
১. ঋতুকালীন সময়ে সহবাস:
স্ত্রীর ঋতুস্রাব বা হায়িয চলাকালীন সময়ে সহবাস করা একটি গুরুতর গুনাহের কাজ। নবী ﷺ বলেছেন:
যদি কেউ এই নিষিদ্ধ কাজ করে ফেলে, তার জন্য কাফফারা বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশনাও হাদিসে এসেছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেছেন, “সে অর্ধ দীনার সাদকা করবে।” — সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত), হাদিস ১৩৬ (সহীহ/যঈফ [মিশ্রিত])
২. রমযান মাসে রোযা অবস্থায়:
রমযান মাসে দিনের বেলায় রোযা রাখা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোরভাবে হারাম। যদি কোনো ব্যক্তি এই কাজ করে, তবে তার উপর একটি বড় ধরনের কাফফারা ওয়াজিব হয়। এক ব্যক্তি রমযানে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার পর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে এলে তিনি তাকে কাফফারা হিসেবে পর্যায়ক্রমে তিনটি কাজের নির্দেশ দেন:
— সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী), হাদিস ২৪৮৭ (সহিহ); সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি), হাদিস ১৭৫৪ (সহীহ)
৩. স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সহবাস:
স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে (মলদ্বারে) সহবাস করাও একটি কবীরা গুনাহ এবং এটিকে কুরআনের প্রতি অবিশ্বাস করার সাথে তুলনা করা হয়েছে। — সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত), হাদিস ১৩৫ (সহীহ)
৪. ইহরাম অবস্থায়:
হজ্জ বা উমরাহর জন্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় বিয়ে করা, বিয়ে দেওয়া বা বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া নিষিদ্ধ। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে, এই সময়ে সহবাস করাও নিষিদ্ধ। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ২৬৮১ (সহীহ)
১. সহবাসের পর পবিত্রতা:
সহবাসের পর গোসল করা ফরজ। তবে কেউ যদি গোসলের আগে ঘুমাতে, খেতে বা পান করতে চায়, তবে তার জন্য উযু করে নেওয়া মুস্তাহাব। আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ কখনো গোসল করে ঘুমাতেন, আবার কখনো উযু করে পরে ঘুমাতেন। — সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস ৫৯৮ (সহিহ)
যদি পানি না পাওয়া যায়, তবে গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করার বিধান রয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
২. পোশাকের পবিত্রতা:
যে পোশাকে স্ত্রী সহবাস করা হয়েছে, তাতে যদি কোনো নাপাকি (যেমন: বীর্য) দেখা না যায়, তবে সেই পোশাক পরেই সালাত আদায় করা জায়েয। — সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস ৩৪৪ (সহিহ); সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন), হাদিস ৩৫১ (সহিহ)
নিষিদ্ধ ক্ষেত্রসমূহ
কিছু নির্দিষ্ট সময় ও অবস্থায় সহবাস করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
১. ঋতুকালীন সময়ে সহবাস:
স্ত্রীর ঋতুস্রাব বা হায়িয চলাকালীন সময়ে সহবাস করা একটি গুরুতর গুনাহের কাজ। নবী ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ঋতুবতী নারীর সাথে সহবাস করে অথবা স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সহবাস করে অথবা গণক ঠাকুরের নিকটে যায়- সে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা (কুরআন) অবিশ্বাস করে।” — সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত), হাদিস ১৩৫ (সহীহ)
যদি কেউ এই নিষিদ্ধ কাজ করে ফেলে, তার জন্য কাফফারা বা ক্ষতিপূরণ আদায়ের নির্দেশনাও হাদিসে এসেছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী ﷺ বলেছেন, “সে অর্ধ দীনার সাদকা করবে।” — সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত), হাদিস ১৩৬ (সহীহ/যঈফ [মিশ্রিত])
২. রমযান মাসে রোযা অবস্থায়:
রমযান মাসে দিনের বেলায় রোযা রাখা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা কঠোরভাবে হারাম। যদি কোনো ব্যক্তি এই কাজ করে, তবে তার উপর একটি বড় ধরনের কাফফারা ওয়াজিব হয়। এক ব্যক্তি রমযানে তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার পর রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে এলে তিনি তাকে কাফফারা হিসেবে পর্যায়ক্রমে তিনটি কাজের নির্দেশ দেন:
1. একটি ক্রীতদাস মুক্ত করা।
2. তা সম্ভব না হলে একাধারে দুই মাস রোযা রাখা।
3. তাও সম্ভব না হলে ষাটজন মিসকীনকে খাওয়ানো।
— সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী), হাদিস ২৪৮৭ (সহিহ); সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি), হাদিস ১৭৫৪ (সহীহ)
৩. স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সহবাস:
স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে (মলদ্বারে) সহবাস করাও একটি কবীরা গুনাহ এবং এটিকে কুরআনের প্রতি অবিশ্বাস করার সাথে তুলনা করা হয়েছে। — সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত), হাদিস ১৩৫ (সহীহ)
৪. ইহরাম অবস্থায়:
হজ্জ বা উমরাহর জন্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় বিয়ে করা, বিয়ে দেওয়া বা বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া নিষিদ্ধ। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে, এই সময়ে সহবাস করাও নিষিদ্ধ। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ২৬৮১ (সহীহ)
পবিত্রতা ও অন্যান্য বিধান
১. সহবাসের পর পবিত্রতা:
সহবাসের পর গোসল করা ফরজ। তবে কেউ যদি গোসলের আগে ঘুমাতে, খেতে বা পান করতে চায়, তবে তার জন্য উযু করে নেওয়া মুস্তাহাব। আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ কখনো গোসল করে ঘুমাতেন, আবার কখনো উযু করে পরে ঘুমাতেন। — সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস ৫৯৮ (সহিহ)
যদি পানি না পাওয়া যায়, তবে গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করার বিধান রয়েছে। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
“...অথবা স্ত্রী সহবাস করে থাকো, অতঃপর পানি না পাও, তাহলে তোমরা পাক মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করো...” — সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত), হাদিস ৩১৭ (সহীহ)
২. পোশাকের পবিত্রতা:
যে পোশাকে স্ত্রী সহবাস করা হয়েছে, তাতে যদি কোনো নাপাকি (যেমন: বীর্য) দেখা না যায়, তবে সেই পোশাক পরেই সালাত আদায় করা জায়েয। — সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস ৩৪৪ (সহিহ); সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন), হাদিস ৩৫১ (সহিহ)