← সব প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন
নামাজের ওয়াক্তের ছায়া দিয়ে কিভাবে বোঝা যায়
হাদিসবিডি AI-এর উত্তর
hadithbd.com-এ প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, নামাজের ওয়াক্ত, বিশেষ করে যুহর ও আসরের ওয়াক্ত, ছায়ার পরিমাপের মাধ্যমে বোঝা যায়। জিবরীল (আঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দুই দিন ধরে ইমামতি করে নামাজের শুরু ও শেষ সময় শিক্ষা দিয়েছিলেন। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
ছায়ার মাধ্যমে ওয়াক্ত বোঝার পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:
* শুরু: সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ার সাথে সাথে যুহরের ওয়াক্ত শুরু হয়। জিবরীল (আঃ) যখন প্রথম দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে নিয়ে যুহরের সালাত আদায় করেন, তখন ছায়া ছিল জুতার ফিতার মতো সামান্য। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
* শেষ: কোনো বস্তুর মূল ছায়া বাদে তার ছায়া যখন সে বস্তুর দৈর্ঘ্যের সমান হয়, তখন যুহরের ওয়াক্ত শেষ হয় এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হয়। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ) এবং মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
* শুরু: যখন কোনো বস্তুর ছায়া তার দৈর্ঘ্যের এক গুণ বা সমান হয়, তখন আসরের ওয়াক্ত শুরু হয়। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
* শেষ: আসরের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার বিষয়ে দুটি সময়সীমার কথা হাদিসে এসেছে:
1. যখন কোনো জিনিসের ছায়া তার দ্বিগুণ হয়। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
2. সূর্য হলদে রং ধারণ করার আগ পর্যন্ত আসরের ওয়াক্ত থাকে। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ)
হাদিস অনুযায়ী অন্যান্য নামাজের ওয়াক্তও নির্ধারিত হয়েছে:
* মাগরিব: সূর্যাস্তের পর থেকে পশ্চিম আকাশের লালিমা অদৃশ্য হওয়ার আগ পর্যন্ত। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ)
* ইশা: মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ) অন্য বর্ণনায়, রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
* ফজর: সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ)
জিবরীল (আঃ) এই সময়গুলো দেখানোর পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলেন, "হে মুহাম্মাদ! এটাই আপনার পূর্বেকার নবীগণের সালাতের ওয়াক্ত। এ দুই সময়ের মধ্যে সালাতের ওয়াক্ত।" — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
ছায়ার মাধ্যমে ওয়াক্ত বোঝার পদ্ধতি নিচে দেওয়া হলো:
যুহরের ওয়াক্ত
* শুরু: সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ার সাথে সাথে যুহরের ওয়াক্ত শুরু হয়। জিবরীল (আঃ) যখন প্রথম দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে নিয়ে যুহরের সালাত আদায় করেন, তখন ছায়া ছিল জুতার ফিতার মতো সামান্য। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
* শেষ: কোনো বস্তুর মূল ছায়া বাদে তার ছায়া যখন সে বস্তুর দৈর্ঘ্যের সমান হয়, তখন যুহরের ওয়াক্ত শেষ হয় এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হয়। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ) এবং মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
আসরের ওয়াক্ত
* শুরু: যখন কোনো বস্তুর ছায়া তার দৈর্ঘ্যের এক গুণ বা সমান হয়, তখন আসরের ওয়াক্ত শুরু হয়। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
* শেষ: আসরের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার বিষয়ে দুটি সময়সীমার কথা হাদিসে এসেছে:
1. যখন কোনো জিনিসের ছায়া তার দ্বিগুণ হয়। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
2. সূর্য হলদে রং ধারণ করার আগ পর্যন্ত আসরের ওয়াক্ত থাকে। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ)
অন্যান্য নামাজের ওয়াক্ত (ছায়া সম্পর্কিত নয়)
হাদিস অনুযায়ী অন্যান্য নামাজের ওয়াক্তও নির্ধারিত হয়েছে:
* মাগরিব: সূর্যাস্তের পর থেকে পশ্চিম আকাশের লালিমা অদৃশ্য হওয়ার আগ পর্যন্ত। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ)
* ইশা: মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ) অন্য বর্ণনায়, রাতের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)
* ফজর: সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮১ (সহিহ)
জিবরীল (আঃ) এই সময়গুলো দেখানোর পর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলেন, "হে মুহাম্মাদ! এটাই আপনার পূর্বেকার নবীগণের সালাতের ওয়াক্ত। এ দুই সময়ের মধ্যে সালাতের ওয়াক্ত।" — মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত), হাদিস ৫৮৩ (সহিহ)