← সব প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন
আমাদের দেশে এর শাসক কেই কি শুধু আনুগত্য করতে হবে নাকি অপর দেশের শাসকের বিরুদ্ধে ওঁ জাওয়া যাবে না? শাসকের বিরুদ্ধে কথা বলা গালি দেওয়া বা না মাউফিক বলা
হাদিসবিডি AI-এর উত্তর
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ,
আপনার প্রশ্নের আলোকে hadithbd.com থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শাসকের বিরুদ্ধে কথা বলা, গালি দেওয়া বা সমালোচনা করার বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নিচে তুলে ধরা হলো:
শাসকদেরকে প্রকাশ্যে বা মজলিসে গালিগালাজ করা এবং তাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া একটি বাতিল বা ভ্রান্ত কাজ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণ হতে পারে।
* একটি প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, যে সকল যুবকেরা তাদের মজলিসে শাসকদের গালিগালাজ করে ও অপবাদ দেয়, তাদের এই কাজটি সর্বজনবিদিতভাবে বাতিল। যারা এমন করে, তারা হয়তো সমাজে অনিষ্ট সাধন করতে চায় অথবা তারা কোনো বিভ্রান্তিকর ও ভ্রষ্ট চিন্তাধারার দ্বারা প্রভাবিত। — মানহাজ (আল-আজবিবাতুল মুফীদাহ)
শাসক বা শাসনব্যবস্থায় ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে, কারণ মানুষ হিসেবে কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে এই ভুল সংশোধনের পদ্ধতি গালিগালাজ বা প্রকাশ্যে সমালোচনা নয়, বরং শারঈ বা ইসলামসম্মত পন্থায় সংশোধনের চেষ্টা করা উচিত।
* শাসকদের ভুল-ত্রুটি থাকলেও তা শারঈ পন্থায় সমাধান ও সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগেও চুরি, যিনা বা মদপানের মতো অপরাধ ঘটত এবং তিনি শাস্তি কায়েম করতেন। একইভাবে, বর্তমান শাসকদের মাঝে ত্রুটি থাকলেও অনেক কল্যাণকর দিকও থাকতে পারে। — মানহাজ (আল-আজবিবাতুল মুফীদাহ)
* মুসলিমদের জন্য অন্যতম উত্তম কাজ হলো পরস্পরকে উপদেশ দেওয়া এবং মুসলিম শাসকদের সংশোধনের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা। — ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ অত্যাবশ্যক
প্রদত্ত তথ্যে নিজের দেশের শাসক এবং অন্য দেশের শাসকের বিরুদ্ধে কথা বলার মধ্যে কোনো পার্থক্য করা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে শাসকদের গালিগালাজ করাকে যে বাতিল কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তা একটি সাধারণ নীতি হিসেবে প্রতীয়মান হয়। ইসলামে চুক্তি ও অঙ্গীকার রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, এমনকি তা অমুসলিমদের সাথে হলেও। — মুখতাসার যাদুল মা‘আদ
সারসংক্ষেপ হলো, শাসকদের প্রকাশ্যে গালিগালাজ করা বা তাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া ইসলামে সমর্থিত নয়। বরং তাদের ভুল-ত্রুটির জন্য ইসলামসম্মত পন্থায় সংশোধনের চেষ্টা করা এবং তাদের হেদায়েতের জন্য দোয়া করাই উত্তম।
আর সব বিষয়েই আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানের অধিকারী।
আপনার প্রশ্নের আলোকে hadithbd.com থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শাসকের বিরুদ্ধে কথা বলা, গালি দেওয়া বা সমালোচনা করার বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নিচে তুলে ধরা হলো:
শাসকের বিরুদ্ধে গালিগালাজ ও অপবাদ দেওয়া
শাসকদেরকে প্রকাশ্যে বা মজলিসে গালিগালাজ করা এবং তাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া একটি বাতিল বা ভ্রান্ত কাজ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণ হতে পারে।
* একটি প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে, যে সকল যুবকেরা তাদের মজলিসে শাসকদের গালিগালাজ করে ও অপবাদ দেয়, তাদের এই কাজটি সর্বজনবিদিতভাবে বাতিল। যারা এমন করে, তারা হয়তো সমাজে অনিষ্ট সাধন করতে চায় অথবা তারা কোনো বিভ্রান্তিকর ও ভ্রষ্ট চিন্তাধারার দ্বারা প্রভাবিত। — মানহাজ (আল-আজবিবাতুল মুফীদাহ)
শাসকের ভুল-ত্রুটির ক্ষেত্রে করণীয়
শাসক বা শাসনব্যবস্থায় ভুল-ত্রুটি থাকতেই পারে, কারণ মানুষ হিসেবে কেউই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে এই ভুল সংশোধনের পদ্ধতি গালিগালাজ বা প্রকাশ্যে সমালোচনা নয়, বরং শারঈ বা ইসলামসম্মত পন্থায় সংশোধনের চেষ্টা করা উচিত।
* শাসকদের ভুল-ত্রুটি থাকলেও তা শারঈ পন্থায় সমাধান ও সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে। যেমন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগেও চুরি, যিনা বা মদপানের মতো অপরাধ ঘটত এবং তিনি শাস্তি কায়েম করতেন। একইভাবে, বর্তমান শাসকদের মাঝে ত্রুটি থাকলেও অনেক কল্যাণকর দিকও থাকতে পারে। — মানহাজ (আল-আজবিবাতুল মুফীদাহ)
* মুসলিমদের জন্য অন্যতম উত্তম কাজ হলো পরস্পরকে উপদেশ দেওয়া এবং মুসলিম শাসকদের সংশোধনের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা। — ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ অত্যাবশ্যক
নিজ দেশের ও অন্য দেশের শাসকের ক্ষেত্রে পার্থক্য
প্রদত্ত তথ্যে নিজের দেশের শাসক এবং অন্য দেশের শাসকের বিরুদ্ধে কথা বলার মধ্যে কোনো পার্থক্য করা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে শাসকদের গালিগালাজ করাকে যে বাতিল কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তা একটি সাধারণ নীতি হিসেবে প্রতীয়মান হয়। ইসলামে চুক্তি ও অঙ্গীকার রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে, এমনকি তা অমুসলিমদের সাথে হলেও। — মুখতাসার যাদুল মা‘আদ
সারসংক্ষেপ হলো, শাসকদের প্রকাশ্যে গালিগালাজ করা বা তাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়া ইসলামে সমর্থিত নয়। বরং তাদের ভুল-ত্রুটির জন্য ইসলামসম্মত পন্থায় সংশোধনের চেষ্টা করা এবং তাদের হেদায়েতের জন্য দোয়া করাই উত্তম।
আর সব বিষয়েই আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানের অধিকারী।