← সব প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন
কাদিয়ানি কারা এবং এদের আকিদা বিশ্বাস সম্পর্কে বল, আর এরা কি মুসলিম?
হাদিসবিডি AI-এর উত্তর
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ,
hadithbd.com থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, কাদিয়ানিদের পরিচয়, আকিদা-বিশ্বাস এবং তাদের ইসলামী অবস্থান সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
কাদিয়ানিরা এমন একটি গোষ্ঠীকে বোঝায় যারা ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভারতের কাদিয়ান নামক স্থানের বাসিন্দা গোলাম আহমদ নামক এক ব্যক্তির অনুসরণ করে। গোলাম আহমদ নিজেকে নবী এবং প্রতিশ্রুত মসীহ ও ইমাম মাহদী বলে দাবি করেছিল — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ২১, আল-ফিকহুল আকবর।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, পূর্ব দিক থেকে বিভিন্ন ফিতনার উদ্ভব হবে। ইসলামের ইতিহাসে কাদিয়ানি মতবাদের উদ্ভবকে সেইসব বড় ফিতনাগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে গণ্য করা হয় — সহীহ বুখারী, হাদিস ৩৫১১ (সহীহ)।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কাদিয়ানিদের কিছু মৌলিক বিশ্বাস হলো:
১. নবুয়াতের মিথ্যা দাবি: গোলাম আহমদ কাদিয়ানী নিজেকে নবী হিসেবে দাবি করেছিল। এটি ইসলামের মৌলিক আকিদার পরিপন্থী — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ২১।
২. নিজেকে ঈসা (আ.) ও মাহদী দাবি: গোলাম আহমদ নিজেকে প্রতিশ্রুত মসীহ অর্থাৎ ঈসা ইবনে মারইয়াম এবং ইমাম মাহদী বলেও দাবি করেছিল — আল-ফিকহুল আকবর।
৩. দাজ্জালের আগমন অস্বীকার: তারা কিয়ামতের আলামত হিসেবে দাজ্জালের আগমনকে অস্বীকার করে এবং এ সম্পর্কিত সহীহ হাদিসগুলোর বিভিন্ন অপব্যাখ্যা করে থাকে — সহীহ বুখারী, হাদিস ৩৩৩B (সহীহ)।
hadithbd.com-এ প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে, কাদিয়ানিরা মুসলিম নয়। একটি হাদিসের ব্যাখ্যায় তাদেরকে "ভ্রান্ত-পথভ্রষ্ট অমুসলিম কাদিয়ানী সম্প্রদায়" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে — সহীহ বুখারী, হাদিস ৩৩৩B (সহীহ)।
এর কারণগুলো হলো:
* খতমে নবুয়াত অস্বীকার: ইসলামের সর্বসম্মত ও মৌলিক বিশ্বাস হলো, মুহাম্মাদ (ﷺ) সর্বশেষ নবী ও রাসূল এবং তাঁর মাধ্যমে নবুয়াতের ধারার সমাপ্তি ঘটেছে। আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে তাঁকে `خَاتَمَ النَّبِيِّينَ` (নবীদের শেষ) বলে ঘোষণা করেছেন — নবীদের কাহিনী। যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পরে নতুন কোনো নবীর আগমনে বিশ্বাস করে, সে ইসলামের এই অকাট্য বিশ্বাসকে অস্বীকার করার কারণে মুসলিম থাকে না।
* নবুয়াতের মিথ্যা দাবি: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পরে যে ব্যক্তি নবুয়াতের দাবি করবে, সে নিঃসন্দেহে মিথ্যুক। তার দাবিকে ভ্রষ্টতা এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ হিসেবে গণ্য করা হয় — শারহুল আক্বীদা আত্-ত্বহাবীয়া।
* আল্লাহর উপর মিথ্যাচার: আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী না হয়েও নবুয়াতের দাবি করা আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করার শামিল, যা সবচেয়ে বড় যুলুম। আর আল্লাহ বলেছেন, যালিমরা কখনো সফলকাম হবে না — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ২১।
সুতরাং, খতমে নবুয়াতের বিশ্বাসকে অস্বীকার করার কারণে এবং একজন মিথ্যা নবীর অনুসরণ করার জন্য কাদিয়ানিরা মুসলিম উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত নয়।
আর সব বিষয়ে আল্লাহই ভালো জানেন।
hadithbd.com থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, কাদিয়ানিদের পরিচয়, আকিদা-বিশ্বাস এবং তাদের ইসলামী অবস্থান সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
কাদিয়ানি কারা?
কাদিয়ানিরা এমন একটি গোষ্ঠীকে বোঝায় যারা ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভারতের কাদিয়ান নামক স্থানের বাসিন্দা গোলাম আহমদ নামক এক ব্যক্তির অনুসরণ করে। গোলাম আহমদ নিজেকে নবী এবং প্রতিশ্রুত মসীহ ও ইমাম মাহদী বলে দাবি করেছিল — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ২১, আল-ফিকহুল আকবর।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, পূর্ব দিক থেকে বিভিন্ন ফিতনার উদ্ভব হবে। ইসলামের ইতিহাসে কাদিয়ানি মতবাদের উদ্ভবকে সেইসব বড় ফিতনাগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে গণ্য করা হয় — সহীহ বুখারী, হাদিস ৩৫১১ (সহীহ)।
কাদিয়ানিদের আকিদা ও বিশ্বাস
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কাদিয়ানিদের কিছু মৌলিক বিশ্বাস হলো:
১. নবুয়াতের মিথ্যা দাবি: গোলাম আহমদ কাদিয়ানী নিজেকে নবী হিসেবে দাবি করেছিল। এটি ইসলামের মৌলিক আকিদার পরিপন্থী — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ২১।
২. নিজেকে ঈসা (আ.) ও মাহদী দাবি: গোলাম আহমদ নিজেকে প্রতিশ্রুত মসীহ অর্থাৎ ঈসা ইবনে মারইয়াম এবং ইমাম মাহদী বলেও দাবি করেছিল — আল-ফিকহুল আকবর।
৩. দাজ্জালের আগমন অস্বীকার: তারা কিয়ামতের আলামত হিসেবে দাজ্জালের আগমনকে অস্বীকার করে এবং এ সম্পর্কিত সহীহ হাদিসগুলোর বিভিন্ন অপব্যাখ্যা করে থাকে — সহীহ বুখারী, হাদিস ৩৩৩B (সহীহ)।
কাদিয়ানিরা কি মুসলিম?
hadithbd.com-এ প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে, কাদিয়ানিরা মুসলিম নয়। একটি হাদিসের ব্যাখ্যায় তাদেরকে "ভ্রান্ত-পথভ্রষ্ট অমুসলিম কাদিয়ানী সম্প্রদায়" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে — সহীহ বুখারী, হাদিস ৩৩৩B (সহীহ)।
এর কারণগুলো হলো:
* খতমে নবুয়াত অস্বীকার: ইসলামের সর্বসম্মত ও মৌলিক বিশ্বাস হলো, মুহাম্মাদ (ﷺ) সর্বশেষ নবী ও রাসূল এবং তাঁর মাধ্যমে নবুয়াতের ধারার সমাপ্তি ঘটেছে। আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে তাঁকে `خَاتَمَ النَّبِيِّينَ` (নবীদের শেষ) বলে ঘোষণা করেছেন — নবীদের কাহিনী। যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পরে নতুন কোনো নবীর আগমনে বিশ্বাস করে, সে ইসলামের এই অকাট্য বিশ্বাসকে অস্বীকার করার কারণে মুসলিম থাকে না।
* নবুয়াতের মিথ্যা দাবি: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পরে যে ব্যক্তি নবুয়াতের দাবি করবে, সে নিঃসন্দেহে মিথ্যুক। তার দাবিকে ভ্রষ্টতা এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ হিসেবে গণ্য করা হয় — শারহুল আক্বীদা আত্-ত্বহাবীয়া।
* আল্লাহর উপর মিথ্যাচার: আল্লাহর পক্ষ থেকে নবী না হয়েও নবুয়াতের দাবি করা আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করার শামিল, যা সবচেয়ে বড় যুলুম। আর আল্লাহ বলেছেন, যালিমরা কখনো সফলকাম হবে না — সূরা আল-আন'আম, আয়াত ২১।
সুতরাং, খতমে নবুয়াতের বিশ্বাসকে অস্বীকার করার কারণে এবং একজন মিথ্যা নবীর অনুসরণ করার জন্য কাদিয়ানিরা মুসলিম উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত নয়।
আর সব বিষয়ে আল্লাহই ভালো জানেন।