আল্লাহ মহানবন্ধু / অভিভাবক বিষয়ক আয়াতসমূহ ৮ টি
আল-বাকারা
২:১০৭ اَلَمۡ تَعۡلَمۡ اَنَّ اللّٰہَ لَہٗ مُلۡکُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ وَ مَا لَکُمۡ مِّنۡ دُوۡنِ اللّٰہِ مِنۡ وَّلِیٍّ وَّ لَا نَصِیۡرٍ ﴿۱۰۷﴾

তুমি কি জান না যে, নিশ্চয় আসমানসমূহ ও যমীনের রাজত্ব আল্লাহর? আর আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী নেই। আল-বায়ান

তুমি কি জান না যে, আকাশমন্ডলী ও ভূমন্ডলের রাজত্ব সেই আল্লাহরই এবং আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোনও অভিভাবক নেই এবং সাহায্যকারীও নেই। তাইসিরুল

তুমি কি জাননা যে, আকাশ ও পৃথিবীর আধিপত্য আল্লাহরই এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধুও নেই এবং কোন সাহায্যকারীও নেই? মুজিবুর রহমান

Do you not know that to Allah belongs the dominion of the heavens and the earth and [that] you have not besides Allah any protector or any helper? Sahih International

১০৭. আপনি কি জানেন না যে, আসমান ও যমীনের সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর? আর আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবকও নেই, নেই সাহায্যকারীও।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

১০৭। তুমি কি জান না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহরই? আর আল্লাহ ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক নেই এবং সাহায্যকারীও নেই।

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
আল-বাকারা
২:১২০ وَ لَنۡ تَرۡضٰی عَنۡکَ الۡیَہُوۡدُ وَ لَا النَّصٰرٰی حَتّٰی تَتَّبِعَ مِلَّتَہُمۡ ؕ قُلۡ اِنَّ ہُدَی اللّٰہِ ہُوَ الۡہُدٰی ؕ وَ لَئِنِ اتَّبَعۡتَ اَہۡوَآءَہُمۡ بَعۡدَ الَّذِیۡ جَآءَکَ مِنَ الۡعِلۡمِ ۙ مَا لَکَ مِنَ اللّٰہِ مِنۡ وَّلِیٍّ وَّ لَا نَصِیۡرٍ ﴿۱۲۰﴾ؔ

আর ইয়াহূদী ও নাসারারা কখনো তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না তুমি তাদের মিল্লাতের অনুসরণ কর। বল, ‘নিশ্চয় আল্লাহর হিদায়াতই হিদায়াত’ আর যদি তুমি তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ কর তোমার কাছে যে জ্ঞান এসেছে তার পর, তাহলে আল্লাহর বিপরীতে তোমার কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী থাকবে না। আল-বায়ান

ইয়াহূদী ও নাসারারা তোমার প্রতি রাজী হবে না যে পর্যন্ত না তুমি তাদের ধর্মের আদর্শ গ্রহণ কর। বল, ‘আল্লাহর দেখানো পথই প্রকৃত সুপথ এবং তুমি যদি জ্ঞান আসার পরেও এদের ইচ্ছে অনুযায়ী চল, তাহলে তোমার জন্য আল্লাহর ক্রোধ হতে রক্ষা করার মত কোন অভিভাবক ও সাহায্যকারী থাকবে না’। তাইসিরুল

এবং ইয়াহুদী ও খৃষ্টানরা - তুমি তাদের ধর্ম অনুসরণ না করা পর্যন্ত তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হবেনা; তুমি বলঃ আল্লাহর প্রদর্শিত পথই সুপথ; এবং জ্ঞান প্রাপ্তির পর তুমি যদি তাদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ কর তাহলে আল্লাহ হতে তোমার জন্য কোনই অভিভাবক ও সাহায্যকারী নেই। মুজিবুর রহমান

And never will the Jews or the Christians approve of you until you follow their religion. Say, "Indeed, the guidance of Allah is the [only] guidance." If you were to follow their desires after what has come to you of knowledge, you would have against Allah no protector or helper. Sahih International

১২০. আর ইয়াহুদী ও নাসারারা আপনার প্রতি কখনো সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না আপনি তাদের মিল্লাতের অনুসরণ করেন। বলুন নিশ্চয় আল্লাহর হেদায়াতই প্রকৃত হেদায়াত। আর যদি আপনি তাদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করেন আপনার কাছে জ্ঞান আসার পরও, তবে আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার কোন অভিভাবক থাকবে না এবং থাকবে না কোন সাহায্যকারীও।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

১২০। ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানরা তোমার প্রতি কখনও সন্তুষ্ট হবে না; যতক্ষণ না তুমি তাদের ধর্মাদর্শ অনুসরণ কর।[1] বল, ‘আল্লাহর পথ-নির্দেশ (ইসলাম)ই হল প্রকৃত পথ-নির্দেশ (সুপথ)।’ [2] তোমার নিকট আগত জ্ঞানপ্রাপ্তির পর তুমি যদি তাদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ কর, তাহলে আল্লাহর বিপক্ষে তোমার কোন অভিভাবক থাকবে না এবং সাহায্যকারীও থাকবে না। [3]

[1] অর্থাৎ, ইয়াহুদী অথবা খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ না কর।

[2] যা বর্তমানে 'ইসলাম' আকারে বিদ্যমান এবং যার প্রতি নবী করীম (সাঃ) দাওয়াত দিয়েছেন। বিকৃত ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টান ধর্ম নয়।

[3] এখানে ধমকি দেওয়া হচ্ছে যে, যদি জ্ঞান আসার পরেও তুমি ঐ শ্রেণীর ভ্রষ্ট লোকদেরকে কেবল সন্তুষ্ট করার জন্য তাদের আনুগত্য কর, তাহলে তোমার কোন সাহায্যকারী থাকবে না। এখানে আসলে উম্মতে মুহাম্মাদীকে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে যে, বিদআতী ও ভ্রষ্ট লোকদের সন্তুষ্টি লাভের জন্য তারা যেন এমন কাজ না করে এবং কোন দ্বীনী ব্যাপারে তোষামোদ ও তার অযথা অপব্যাখ্যা না করে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
আল-বাকারা
২:২৫৭ اَللّٰہُ وَلِیُّ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا ۙ یُخۡرِجُہُمۡ مِّنَ الظُّلُمٰتِ اِلَی النُّوۡرِ۬ؕ وَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡۤا اَوۡلِیٰٓـُٔہُمُ الطَّاغُوۡتُ ۙ یُخۡرِجُوۡنَہُمۡ مِّنَ النُّوۡرِ اِلَی الظُّلُمٰتِ ؕ اُولٰٓئِکَ اَصۡحٰبُ النَّارِ ۚ ہُمۡ فِیۡہَا خٰلِدُوۡنَ ﴿۲۵۷﴾

যারা ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদের অভিভাবক, তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন। আর যারা কুফরী করে, তাদের অভিভাবক হল তাগূত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারে নিয়ে যায়। তারা আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আল-বায়ান

আল্লাহ মু’মিনদের অভিভাবক, তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে বের করে আনেন এবং কাফিরদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত, সে তাদেরকে আলো থেকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। এরাই আগুনের বাসিন্দা, এরা চিরকাল সেখানে থাকবে। তাইসিরুল

আল্লাহই হচ্ছেন মু’মিনদের অভিভাবক। তিনি তাদেরকে অন্ধকার হতে আলোর দিকে নিয়ে যান; আর যারা অবিশ্বাস করেছে তাগুত তাদের পৃষ্ঠপোষক, সে তাদেরকে আলো হতে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী, ওখানে তারা চিরকাল অবস্থান করবে। মুজিবুর রহমান

Allah is the ally of those who believe. He brings them out from darknesses into the light. And those who disbelieve - their allies are Taghut. They take them out of the light into darknesses. Those are the companions of the Fire; they will abide eternally therein. Sahih International

২৫৭. আল্লাহ তাদের অভিভাবক যারা ঈমান আনে, তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোতে নিয়ে যান। আর যারা কুফরী করে তাগূত তাদের অভিভাবক, এরা তাদেরকে আলো থেকে অন্ধকারে নিয়ে যায়(১)। তারাই আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে।

(১) এখানে বলা হয়েছে যে, ইসলাম সর্বাপেক্ষা বড় নেয়ামত এবং কুফর সবচাইতে বড় দুর্ভাগ্য। এতদসঙ্গে কাফের বা বিরুদ্ধবাদীদের সাথে বন্ধুত্ব করার বিপদ সম্পর্কে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, এরা মানুষকে আলো থেকে অন্ধকারে টেনে নেয়।

তাফসীরে জাকারিয়া

(২৫৭) আল্লাহ তাদের অভিভাবক যারা বিশ্বাস করে (মু’মিন)। তিনি তাদেরকে (কুফরীর) অন্ধকার থেকে (ঈমানের) আলোকে নিয়ে যান। আর যারা সত্য প্রত্যাখ্যান করে, তাদের অভিভাবক হল তাগূত (শয়তান সহ অন্যান্য উপাস্য)। এরা তাদেরকে (ঈমানের) আলোক থেকে (কুফরীর) অন্ধকারে নিয়ে যায়। এরাই দোযখের অধিবাসী, সেখানে তারা চিরকাল থাকবে।

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
আলে-ইমরান
৩:৬৮ اِنَّ اَوۡلَی النَّاسِ بِاِبۡرٰہِیۡمَ لَلَّذِیۡنَ اتَّبَعُوۡہُ وَ ہٰذَا النَّبِیُّ وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا ؕ وَ اللّٰہُ وَلِیُّ الۡمُؤۡمِنِیۡنَ ﴿۶۸﴾

নিশ্চয় মানুষের মধ্যে ইবরাহীমের সবচেয়ে নিকটবর্তী তারা, যারা তার অনুসরণ করেছে এবং এই নবী ও মুমিনগণ। আর আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক। আল-বায়ান

নিশ্চয় ইবরাহীমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতায় সেই লোকেরাই অধিক হকদার যারা তার অনুসরণ করেছে এবং এই নাবী, আর যারা ঈমান এনেছে, বস্তুতঃ আল্লাহ মু’মিনদের অভিভাবক। তাইসিরুল

নিঃসন্দেহে ঐ সব লোক ইবরাহীমের নিকটতম যারা তার অনুসরণ করেছে এবং এই নাবী এবং (তাঁর সাথের) মু’মিনগণ; এবং আল্লাহ বিশ্বাসীগণের অভিভাবক। মুজিবুর রহমান

Indeed, the most worthy of Abraham among the people are those who followed him [in submission to Allah] and this prophet, and those who believe [in his message]. And Allah is the ally of the believers. Sahih International

৬৮. নিশ্চয় মানুষের মধ্যে তারাই ইবরাহীমের ঘনিষ্ঠতম যারা তার অনুসরণ করেছে এবং এ নবী ও যারা ঈমান এনেছে; আর আল্লাহ মুমিনদের অভিভাবক।(১)

(১) অর্থাৎ ইবরাহীম আলাইহিস সালামকে অনুসরণ করার ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠতম হলেন যারা তার আনীত দ্বীনের উপর আছেন ও এই নবী অর্থাৎ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং এই নবীর উম্মতদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে অর্থাৎ মুহাজির আনসার ও অন্যান্য পরবর্তী উম্মাত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীরই নবীদের মধ্য থেকে কিছু অভিভাবক থাকেন। আমার অভিভাবক হলেন আমার পিতা, আমার রবের খলীল (অর্থাৎ ইবরাহীম আলাইহিস্ সালাম)। [তিরমিযীঃ ২৯৯৮, মুস্তাদরাকে হাকেমঃ ২/২৯২, ৫৫৩]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৬৮) যারা ইব্রাহীমের অনুসরণ করেছিল, তারা এবং এই নবী ও বিশ্বাসিগণ মানুষের মধ্যে ইব্রাহীমের ঘনিষ্ঠতম। [1] আর আল্লাহ বিশ্বাসীদের অভিভাবক।

[1] এই কারণেই কুরআন মাজীদে (সূরা নাহল ১২৩ আয়াতে) নবী করীম (সাঃ)-কে ইবরাহীম (আঃ)-এর মিল্লাতের অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।[أَنِ اتَّبِعْ مِلَّةَ إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا] এ ছাড়া হাদীসেও মহানবী (সাঃ) বলেছেন, ‘‘নবীদের মধ্য থেকে প্রত্যেক নবীর কিছু বন্ধু হয়, তাঁদের মধ্য থেকে আমার বন্ধু হল আমার পিতা এবং আমার মহান প্রতিপালকের খলীল (অতীব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইবরাহীম (আঃ))।’’ অতঃপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করেন। (তিরমিযী ২৯৯৫নং)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
আন-নিসা
৪:৪৫ وَ اللّٰہُ اَعۡلَمُ بِاَعۡدَآئِکُمۡ ؕ وَ کَفٰی بِاللّٰہِ وَلِیًّا ٭۫ وَّ کَفٰی بِاللّٰہِ نَصِیۡرًا ﴿۴۵﴾

আর আল্লাহ তোমাদের শত্রুদের সম্পর্কে অধিক অবগত। আর অভিভাবক হিসেবে আল্লাহ যথেষ্ট এবং আল্লাহ যথেষ্ট সাহায্যকারী হিসেবেও। আল-বায়ান

আল্লাহ তোমাদের শত্রুদেরকে ভালভাবে জানেন, অভিভাবক হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসেবে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। তাইসিরুল

এবং আল্লাহ তোমাদের শত্রুদেরকে সম্যক অবগত আছেন; পৃষ্ঠপোষক এবং সাহায্যকারী হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট। মুজিবুর রহমান

And Allah is most knowing of your enemies; and sufficient is Allah as an ally, and sufficient is Allah as a helper. Sahih International

৪৫. আল্লাহ তোমাদের শক্ৰদেরকে ভালভাবে জানেন। আর অভিভাবকত্বে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যেও আল্লাহই যথেষ্ট।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৪৫) বস্তুতঃ আল্লাহ তোমাদের শত্রুদেরকে ভালভাবে জানেন। আর অভিভাবক হিসাবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসাবেও আল্লাহই যথেষ্ট।

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৪২ আশ-শূরা
৪২:৯ اَمِ اتَّخَذُوۡا مِنۡ دُوۡنِہٖۤ اَوۡلِیَآءَ ۚ فَاللّٰہُ ہُوَ الۡوَلِیُّ وَ ہُوَ یُحۡیِ الۡمَوۡتٰی ۫ وَ ہُوَ عَلٰی کُلِّ شَیۡءٍ قَدِیۡرٌ ﴿۹﴾

তারা কি তাঁকে বাদ দিয়ে বহু অভিভাবক গ্রহণ করেছে? কিন্তু আল্লাহ, তিনিই হলেন প্রকৃত অভিভাবক; তিনিই মৃতকে জীবিত করেন আর তিনি সকল বিষয়ে সর্বক্ষমতাবান। আল-বায়ান

কী! তারা কি আল্লাহর পরিবর্তে অন্যদেরকে অভিভাবক গ্রহণ করে নিয়েছে? আল্লাহই তো একমাত্র অভিভাবক, তিনিই মৃতকে জীবিত করেন আর তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। তাইসিরুল

তারা কি আল্লাহর পরিবর্তে অপরকে অভিভাবক রূপে গ্রহণ করেছে? কিন্তু আল্লাহ! অভিভাবকতো তিনিই এবং তিনি মৃতকে জীবিত করেন। তিনি সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান। মুজিবুর রহমান

Or have they taken protectors [or allies] besides him? But Allah - He is the Protector, and He gives life to the dead, and He is over all things competent. Sahih International

৯. তারা কি আল্লাহ্‌র পরিবর্তে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহন করেছে, কিন্তু আল্লাহ্‌, অভিভাবক তো তিনিই এবং তিনি মৃতকে জীবিত করেন। আর তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৯) ওরা কি আল্লাহর পরিবর্তে অপরকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করেছে? কিন্তু আল্লাহ, অভিভাবক তো তিনিই এবং তিনি মৃতকে জীবিত করেন। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান। [1]

[1] ব্যাপার যখন এ রকমই, তখন মহান আল্লাহই এই অধিকার রাখেন যে, তাঁকেই ওলী, অভিভাবক, মদদগার ও সাহায্যকারী মনে করা হোক; তাদেরকে নয়, যাদের হাতে কোন এখতিয়ার নেই এবং যারা না কিছু শোনার ও উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, আর না উপকার ও অপকার করার কোন যোগ্যতা রাখে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৪২ আশ-শূরা
৪২:২৮ وَ ہُوَ الَّذِیۡ یُنَزِّلُ الۡغَیۡثَ مِنۡۢ بَعۡدِ مَا قَنَطُوۡا وَ یَنۡشُرُ رَحۡمَتَہٗ ؕ وَ ہُوَ الۡوَلِیُّ الۡحَمِیۡدُ ﴿۲۸﴾

আর তারা নিরাশ হয়ে পড়লে তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তাঁর রহমত ছড়িয়ে দেন। আর তিনিই তো অভিভাবক, প্রশংসিত। আল-বায়ান

মানুষ নিরাশ হয়ে যাওয়ার পর তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন, আর স্বীয় রহমত ছড়িয়ে দেন, তিনি-ই সকল গুণে প্রশংসিত প্রকৃত অভিভাবক। তাইসিরুল

তারা যখন হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে তখনই তিনি বৃষ্টি বর্ষণ করেন এবং তাঁর করুণা বিস্তার করেন। তিনিই অভিভাবক, প্রশংসা। মুজিবুর রহমান

And it is He who sends down the rain after they had despaired and spreads His mercy. And He is the Protector, the Praiseworthy. Sahih International

২৮. আর তাদের নিরাশ হওয়ার পরে তিনিই বৃষ্টি প্রেরণ করেন এবং তাঁর রহমত ছড়িয়ে দেন; এবং তিনিই অভিভাবক, অত্যন্ত প্রশংসিত।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(২৮) ওদের হতাশাগ্রস্ত হয়ে যাওয়ার পর তিনিই বৃষ্টি বর্ষণ করেন[1] এবং তাঁর করুণা বিস্তার করেন। তিনিই তো অভিভাবক, প্রশংসার্হ। [2]

[1] যা বিভিন্ন প্রকারের রুযী উৎপাদনের ব্যাপারে সর্বাধিক উপকারী এবং অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এই বৃষ্টি যখন হতাশার পর হয়, তখনই এই নিয়ামতের প্রতি সঠিক অনুভূতি সৃষ্টি হয়। আর মহান আল্লাহর এ রকম করার কৌশলও হল এটাই, যাতে বান্দা আল্লাহর নিয়ামতের কদর করে এবং তাঁর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে।

[2] তিনি সমস্ত কৃতিত্বের মালিক। তিনিই তাঁর নেক বান্দাদের আহারের ব্যবস্থা করেন। সর্বপ্রকার উপকারী জিনিস দানে ধন্য করেন। যাবতীয় অনিষ্টকর এবং ক্ষতিকর জিনিস হতে তাদেরকে হিফাযত করেন। তিনি তাঁর অসংখ্য নিয়ামত এবং সীমাহীন অনুগ্রহের দরুন প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
৪৫ আল-জাসিয়া
৪৫:১৯ اِنَّہُمۡ لَنۡ یُّغۡنُوۡا عَنۡکَ مِنَ اللّٰہِ شَیۡئًا ؕ وَ اِنَّ الظّٰلِمِیۡنَ بَعۡضُہُمۡ اَوۡلِیَآءُ بَعۡضٍ ۚ وَ اللّٰہُ وَلِیُّ الۡمُتَّقِیۡنَ ﴿۱۹﴾

তারা আল্লাহর মুকাবিলায় তোমার কোন কাজে আসবে না। আর নিশ্চয় যালিমরা মূলত একে অপরের বন্ধু এবং আল্লাহ মুত্তাকীদের বন্ধু। আল-বায়ান

আল্লাহ হতে তারা তোমার কোনই উপকার করতে পারবে না। যালিমরা একে অপরের বন্ধু, আর আল্লাহ মুত্তাকীদের বন্ধু। তাইসিরুল

আল্লাহর মুকাবিলায় তারা তোমার কোন উপকার করতে পারবেনা; যালিমরা একে অপরের বন্ধু; আর আল্লাহ মুত্তাকীদের বন্ধু। মুজিবুর রহমান

Indeed, they will never avail you against Allah at all. And indeed, the wrongdoers are allies of one another; but Allah is the protector of the righteous. Sahih International

১৯. নিশ্চয় তারা আল্লাহ্‌র মুকাবেলায় আপনার কোনই কাজে আসবে না; আর নিশ্চয় যালিমরা একে অন্যের বন্ধু; এবং আল্লাহ মুত্তাকীদের বন্ধু।

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(১৯) আল্লাহর কাছে অবশ্যই ওরা তোমার কোন উপকার করতে পারবে না; নিশ্চয় সীমালংঘনকারীরা একে অপরের বন্ধু। আর আল্লাহ সাবধানীদের বন্ধু।

-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৮ পর্যন্ত, সর্বমোট ৮ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে