সূরাঃ আল-মায়েদা | Al-Ma'ida | سورة المائدة - আয়াতঃ ৩৯
৫:৩৯ فَمَنۡ تَابَ مِنۡۢ بَعۡدِ ظُلۡمِہٖ وَ اَصۡلَحَ فَاِنَّ اللّٰہَ یَتُوۡبُ عَلَیۡہِ ؕ اِنَّ اللّٰہَ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ ﴿۳۹﴾

অতঃপর যে তার যুলমের পর তাওবা করবে এবং নিজকে সংশোধন করবে, তবে নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। আল-বায়ান

কিন্তু অন্যায় করার পর কেউ তাওবা করলে এবং (নিজেকে) সংশোধন করলে, আল্লাহ তার প্রতি ক্ষমাদৃষ্টি করেন, আল্লাহ হলেন বড়ই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। তাইসিরুল

অনন্তর যে ব্যক্তি সীমা লংঘন করার পর (চুরি করার পর) তাওবাহ করে এবং ‘আমলকে সংশোধন করে, তাহলে আল্লাহ তার প্রতি (রাহমাতের) দৃষ্টি বর্ষণ করবেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, অতি দয়ালু। মুজিবুর রহমান

But whoever repents after his wrongdoing and reforms, indeed, Allah will turn to him in forgiveness. Indeed, Allah is Forgiving and Merciful. Sahih International

৩৯. অতঃপর সীমালংঘন করার পর কেউ তওবা করলে ও নিজেকে সংশোধন করলে নিশ্চয় আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন; নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(১)

(১) চুরি করার পর তাওবাহ করলে, বান্দা ও আল্লাহর মধ্যকার গোনাহ মাফ হবে। কিন্তু বিচারকের কাছে চুরি যদি প্রমাণিত হয়, তবে তাকে তার শাস্তি পেতেই হবে। এ ব্যাপারে দ্বিমত নেই। তবে চুরির মাল ফেরত দিতে হবে কি না এ ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে দু'টি মত রয়েছে। [বিস্তারিত জানার জন্য তাফসীরে ইবন কাসীর দ্রষ্টব্য]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩৯) কিন্তু কেউ পাপ করার পর তওবা করলে এবং (নিজেকে) সংশোধন করলে, আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন।[1] নিশ্চয় আল্লাহ মহা ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

[1] এখানে তাওবার উদ্দেশ্য হচ্ছে; এমন তওবা যা আল্লাহ কবুল করেন। এটা নয় যে, তওবার ফলে চুরি অথবা অন্য কোন শাস্তিযোগ্য অপরাধের শাস্তি মাফ হয়ে যাবে। যেহেতু শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত দন্ড তওবার ফলে মাফ হয় না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান