৪০ সূরাঃ গাফির (আল মু'মিন) | Ghafir | سورة غافر - আয়াতঃ ৬৪
৪০:৬৪ اَللّٰہُ الَّذِیۡ جَعَلَ لَکُمُ الۡاَرۡضَ قَرَارًا وَّ السَّمَآءَ بِنَآءً وَّ صَوَّرَکُمۡ فَاَحۡسَنَ صُوَرَکُمۡ وَ رَزَقَکُمۡ مِّنَ الطَّیِّبٰتِ ؕ ذٰلِکُمُ اللّٰہُ رَبُّکُمۡ ۚۖ فَتَبٰرَکَ اللّٰہُ رَبُّ الۡعٰلَمِیۡنَ ﴿۶۴﴾

আল্লাহ, যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে স্থিতিশীল করেছেন এবং আসমানকে করেছেন ছাদ। আর তিনি তোমাদেরকে আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতিকে সুন্দর করেছেন এবং তিনি পবিত্র বস্তু থেকে তোমাদেরকে রিয্ক দান করেছেন। তিনিই আল্লাহ, তোমাদের রব। সুতরাং সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ কত বরকতময়; আল-বায়ান

আল্লাহ যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে করেছেন মেঝে, আর আকাশকে করেছেন ছাদ। তিনি তোমাদেরকে আকৃতি দিয়েছেন, অতঃপর তোমাদের আকৃতিকে সুন্দর করেছেন। তিনি পবিত্র বস্তু থেকে তোমাদেরকে রিযক দান করেন। এ হলেন আল্লাহ তোমাদের প্রতিপালক। কাজেই মহিমা গৌরব আল্লাহর যিনি বিশ্ব জগতের প্রতিপালক। তাইসিরুল

আল্লাহই তোমাদের জন্য পৃথিবীকে করেছেন বাসোপযোগী এবং আকাশকে করেছেন ছাদ এবং তোমাদের আকৃতি করেছেন উৎকৃষ্ট এবং তোমাদেরকে দান করেছেন উৎকৃষ্ট রিয্ক। এইতো আল্লাহ, তোমাদের রাব্ব। কত মহান জগতসমূহের রাব্ব আল্লাহ! মুজিবুর রহমান

It is Allah who made for you the earth a place of settlement and the sky a ceiling and formed you and perfected your forms and provided you with good things. That is Allah, your Lord; then blessed is Allah, Lord of the worlds. Sahih International

৬৪. আল্লাহ, যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে স্থিতিশীল করেছেন এবং আসমানকে করেছেন ছাদ এবং তিনি তোমাদের আকৃতি দিয়েছেন অতঃপর তোমাদের আকৃতিকে করেছেন সুন্দর এবং তোমাদেরকে রিযিক দান করেছেন পবিত্র বস্তু থেকে। তিনিই আল্লাহ্‌, তোমাদের রব! সুতরাং সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ্‌ কত বরকতময়!

-

তাফসীরে জাকারিয়া

(৬৪) আল্লাহই[1] তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বাসোপযোগী করেছেন[2] এবং আকাশকে করেছেন ছাদস্বরূপ[3] এবং তিনি তোমাদের আকৃতি গঠন করেছেন এবং তোমাদের আকৃতি করেছেন উৎকৃষ্ট[4] এবং তোমাদেরকে দান করেছেন উৎকৃষ্ট জীবিকা;[5] তিনিই তো আল্লাহ তোমাদের প্রতিপালক। সুতরাং কত মহান বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহ!

[1] এই আয়াতে (আল্লাহর) নিয়ামতের কিছু প্রকার বর্ণনা করা হয়েছে, যাতে আল্লাহর পরিপূর্ণ ক্ষমতার বিকাশ ঘটে এবং এ কথাও যেন সুসাব্যস্ত হয়ে যায় যে, তিনি শরীকবিহীন একমাত্র উপাস্য।

[2] যেখানে তোমরা বসবাস, চলাফেরা, কাজকর্ম এবং জীবনযাপন করছ। অতঃপর পরিশেষে মৃত্যুবরণ করে কিয়ামত পর্যন্ত এরই মধ্যে সমাধিস্থ থাকবে।

[3] অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠিত ও সুদৃঢ় ছাদ। যদি এটা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকত, তবে কেউ না আরামের সাথে ঘুমাতে পারত, আর না কারো জন্য জীবিকার পক্ষে কাজ-কারবার করা সম্ভব ছিল।

[4] যমীনে যত প্রকার জীবজন্তু আছে, তার মধ্যে মানুষকে সবচেয়ে সুন্দর আকৃতির এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ শারীরিক গঠনের অবয়ব দান করেছেন।

[5] অর্থাৎ, তোমাদের জন্য বিভিন্ন প্রকারের এমন সব খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন, যা সুস্বাদুও বটে এবং উপাদেয় ও পুষ্টিকরও।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান