৩২ সূরাঃ আস-সাজদাহ | As-Sajda | سورة السجدة - আয়াতঃ ৩
৩২:৩ اَمۡ یَقُوۡلُوۡنَ افۡتَرٰىهُ ۚ بَلۡ هُوَ الۡحَقُّ مِنۡ رَّبِّکَ لِتُنۡذِرَ قَوۡمًا مَّاۤ اَتٰهُمۡ مِّنۡ نَّذِیۡرٍ مِّنۡ قَبۡلِکَ لَعَلَّهُمۡ یَهۡتَدُوۡنَ ﴿۳﴾
ام یقولون افترىه ۚ بل هو الحق من ربک لتنذر قوما ما اتهم من نذیر من قبلک لعلهم یهتدون ﴿۳﴾

নাকি তারা বলে, ‘সে তা রচনা করেছে?’ বরং তা তোমার রবের পক্ষ থেকে সত্য, যাতে তুমি এমন কওমকে সতর্ক করতে পার, যাদের কাছে তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি। হয়তো তারা হিদায়াত লাভ করবে। আল-বায়ান

তবে তারা কি বলে যে, সে নিজেই তা রচনা করেছে (এবং আল্লাহর নিকট থেকে আগত কিতাব ব’লে মিথ্যে দাবী করছে, না তা নয়), বরং তা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট থেকে (আগত) সত্য যাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পার যাদের কাছে তোমার পূর্বে কোন সকর্তকারী আসেনি, সম্ভবতঃ তারা সঠিকপথ প্রাপ্ত হবে। তাইসিরুল

তাহলে কি তারা বলেঃ এটি সে নিজে রচনা করেছে? না, এটি তোমার রাবব হতে আগত সত্য, যাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পার যাদের নিকট তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি। হয়তো তারা সৎ পথে চলবে। মুজিবুর রহমান

Or do they say, "He invented it"? Rather, it is the truth from your Lord, [O Muhammad], that you may warn a people to whom no warner has come before you [so] perhaps they will be guided. Sahih International

৩. নাকি তারা বলে, এটা সে নিজে রটনা করেছে?(১) না, বরং তা আপনার রব হতে আগত সত্য, যাতে আপনি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পারেন, যাদের কাছে আপনার আগে কোন সতর্ককারী আসেনি(২), হয়তো তারা হিদায়াত লাভ করে।

(১) এটি নিছক প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসা নয়। বরং এখানে মহাবিস্ময় প্রকাশের ভংগী অবলম্বন করা হয়েছে। [বাগভী]


(২) কাতাদাহ বলেন, তারা ছিল নিরক্ষর জাতি। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পূর্বে তাদের কাছে দূর অতীতে কোন সতর্ককারী আসে নি। [তাবারী]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৩) তবে কি ওরা বলে, এ তো তার নিজের রচনা?[1] বরং এ তোমার প্রতিপালক হতে আগত সত্য; যাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পার, যাদের নিকট তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসেনি।[2] হয়তো ওরা সৎপথে চলবে।

[1] এটা ধমক ও তিরস্কার স্বরূপ বলা হয়েছে যে, সৃষ্টি জগতের পালনকর্তার অবতীর্ণকৃত সাহিত্য-অলঙ্কারপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও ওরা বলে, তা মুহাম্মাদ (সাঃ) নিজেই রচনা করেছে?!

[2] এটা কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার উদ্দেশ্য। এখান হতে বুঝা যায় যে, (যেমন পূর্বে আলোচনা হয়েছে) আরবদের নিকট তিনি প্রথম নবী ছিলেন, অনেকে শুআইব (আঃ)-কেও আরবদের নিকট প্রেরিত নবী বলেছেন। এই মর্মে আল্লাহই ভাল জানেন। এই হিসাবে ‘সম্প্রদায়’ বলে কুরাইশ সম্প্রদায় ধরা হবে, যাদের নিকট মুহাম্মাদ (সাঃ)-এর পূর্বে কোন নবী আসেননি।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান