সূরাঃ ৫৫/ আর-রাহমান | Ar-Rahman | ٱلرَّحْمَٰن আয়াতঃ ৭৮/৭৮ মাদানী
শানে নুযুল (অবতীর্ণের প্রেক্ষাপট)
৫৫ : ৭৮ تَبٰرَكَ اسۡمُ رَبِّكَ ذِی الۡجَلٰلِ وَ الۡاِكۡرَامِ ﴿۷۸﴾

তোমার রবের নাম বরকতময়, যিনি মহামহিম ও মহানুভব। আল-বায়ান

মাহাত্ম্য ও সম্মানের অধিকারী তোমার প্রতিপালকের নাম বড়ই কল্যাণময়। তাইসিরুল

কত মহান তোমার রবের নাম যিনি মহিমাময় ও মহানুভব! মুজিবুর রহমান

Blessed is the name of your Lord, Owner of Majesty and Honor. Sahih International

৭৮. কত বরকতময় আপনার রবের নাম যিনি মহিমাময় ও মহানুভব!(১)

(১) সূরা আর-রহমানে বেশির ভাগ আল্লাহ তা'আলার অবদান ও মানুষের প্রতি অনুগ্রহ বর্ণিত হয়েছে। উপসংহার। সার-সংক্ষেপ হিসেবে বলা হয়েছেঃ আল্লাহর পবিত্র সত্তা অনন্য। তাঁর নামও খুব পুণ্যময়। তার নামের সাথেই এসব অবদান কায়েম ও প্রতিষ্ঠিত আছে। [কুরতুবী; ইবন কাসীর]। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত আদায়ের পরে বসা অবস্থায় বলতেন, اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلامُ وَمِنْكَ السَّلامُ ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلالِ وَالإِكْرَامِ “হে আল্লাহ্‌, আপনি সালাম (শান্তি নিরাপত্তা প্রদানকারী), আপনার পক্ষ থেকেই সালাম (শান্তি ও নিরাপত্তা) আসে। আপনি বরকতময়, হে মহিমাময় মহানুভব।” [মুসলিম: ৫৯১, ৫৯২] কোন বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা ‘ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম’ বলে বেশী বেশী করে সার্বক্ষনিক আল্লাহর কাছে চাও”। [তিরমিযী: ৩৫২২, মুসনাদে আহমাদ: ৪/১৭৭]

তাফসীরে জাকারিয়া

(৭৮) কত মহান তোমার মহিমময়, [1] মহানুভব প্রতিপালকের নাম!

[1] تَبَارَكَ শব্দটি بركة থেকে উদ্ভূত। যার অর্থ, চিরত্ব ও স্থায়িত্ব। অর্থাৎ, তাঁর নাম চিরন্তন ও চিরস্থায়ী। অথবা তাঁর নিকট সর্বদাই বরকত ও কল্যাণের ভান্ডার বিদ্যমান। কেউ কেউ তার অর্থ করেছেন, আল্লাহর মহিমা, গৌরব ও মর্যাদার উচ্চতা। আর যাঁর নাম এত বরকতময় তথা এত কল্যাণ ও উচ্চতার অধিকারী, তখন তাঁর সত্তা কতই না কল্যাণময় এবং কতই না বড়ত্ব ও উচ্চতার অধিকারী।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান
তাজউইদ কালার কোড
হামযা ওয়াসল মাদ্দে তাবিঈ ইখফা মাদ্দে ওয়াজিব গুন্নাহ মাদ্দে জায়েয নীরব ইদগাম (গুন্নাহ সহ) ক্বলক্বলাহ লাম শামসিয়্যাহ ইদগাম (গুন্নাহ ছাড়া) ইদগাম শাফাউই ইক্বলাব ইখফা শাফাউই মাদ্দে লাযিম ইদগাম মুতাক্বারিবাইন ইদগাম মুতাজানিসাইন