৫৭৩৫

পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ - সৃষ্টির সূচনা ও নবী-রাসূলদের আলোচনা

৫৭৩৫-[৩৮] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আল্লাহর নবী (সা.) -তাঁর সাহাবীগণসহ বসা ছিলেন। এমন সময় একখণ্ড মেঘ তাদের ওপর দিয়ে অতিক্রম করল। তখন আল্লাহর নবী (সা.) প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি জাননা, এটা কি? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন, এটা ’আনান, এটা জমিন সেচনকারী। একে আল্লাহ তা’আলা এমন এমন সম্প্রদায়ের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যান, যারা তাঁর কৃতজ্ঞতা আদায় করে না এবং তাঁকে ডাকেও না। অতঃপর তিনি (সা.) বললেন, তোমরা কি জানো তোমাদের মাথার উপরে কি? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন, এটা রকী’ (প্রথম আসমান) যা সুরক্ষিত ছাদ এবং স্থিরিকৃত। অতঃপর তিনি (সা.) প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি জানো, তোমাদের এবং আকাশের মাঝখানের দূরত্ব কত? তারা বললেন, আল্লাহ ও তার রাসূলই অধিক জানেন। তিনি (সা.) বললেন, পাঁচশত বছরের দূরত্ব। অতঃপর প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি জানো, তার উপরে কি আছে? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জ্ঞাত। তিনি (সা.) বললেন, দু’খানা আকাশ রয়েছে, সেই দু’খানার মাঝখানের দূরত্ব হলো পাঁচশত বছরের পথ।
এভাবে তিনি (সা.) আকাশের সংখ্যা সাতখানা বর্ণনা করলেন এবং প্রত্যেক দুই আকাশের মাঝখানের দূরত্ব, আকাশ ও জমিনের দূরত্বের সমান (অর্থাৎ পাঁচশত বছরের রাস্তা)। অতঃপর তিনি (সা.) প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি জানো, তার উপরে কি আছে? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জানেন। তিনি (সা.) বললেন, তার উপরে রয়েছে আল্লাহর আরশ, ’আরশ ও আকাশের মাঝখানের ব্যবধান হলো দুই আসমানের মধ্যে দূরত্বের সমান। অতঃপর তিনি (সা.) বললেন, তোমরা কি জানো, তোমাদের নীচে কী? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জানেন। তিনি (সা.) বললেন, জমিন। এরপর তিনি (সা.) প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি জানো তার নীচে কি? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জানেন।
তিনি (সা.) বললেন, তার নিচে আরেক জমিন এবং উভয় জমিনের মাঝখানের দূরত্ব হলো, পাঁচশত বছর। এমনকি তিনি (সা.) জমিনের সংখ্যা সাতখানা বর্ণনা করে বললেন, প্রত্যেক দুই জমিনের মাঝখানে পাঁচশত বছরের দূরত্ব। অতঃপর তিনি (সা.) বললেন, সেই মহান সত্তার কসম যার হাতে মুহাম্মাদ -এর প্রাণ। যদি তোমরা একখানা রশি নীচে জমিনের দিকে ঝুলিয়ে দাও, তা অবশ্যই আল্লাহর কাছে গিয়ে পৌছবে। অতঃপর তিনি (সা.) কুরআনের এ আয়াতটি পাঠ করলেন- (هُوَ الۡاَوَّلُ وَ الۡاٰخِرُ وَ الظَّاهِرُ وَ الۡبَاطِنُ ۚ وَ هُوَ بِکُلِّ شَیۡءٍ عَلِیۡمٌ) “তিনি প্রথম, তিনি শেষ, তিনি প্রকাশ্য, তিনি গোপন”- (সূরাহ আল হাদীদ ৫৭ : ৩)। (আহমাদ ও তিরমিযী)

ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সা.) এ আয়াতটি পাঠ করে এ কথাটি বুঝাতে চেয়েছেন যে, ’কাছে পৌছবে’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, আল্লাহর জ্ঞান, কুদরত ও ক্ষমতায় গিয়ে পৌঁছাবে। কারণ আল্লাহর জ্ঞান, তাঁর ক্ষমতা এবং রাজত্ব সর্বস্থান বেষ্টিত এবং তিনি ’আরশের উপরেই বিরাজমান। যেমন, তাঁর পবিত্র কিতাবে এভাবেই স্বীয় পরিচিতি দান করেছেন।

اَلْفصْلُ الثَّالِثُ (بَاب بدءالخلق وَذِكْرِ الْأَنْبِيَاءِ عَلَيْهِمُ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ)

وَعَنْهُ قَالَ: بَيْنَمَا نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَالِسٌ وَأَصْحَابُهُ إِذْ أَتَى عَلَيْهِمْ سَحَابٌ فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَا هَذَا؟» . قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «هَذِهِ الْعَنَانُ هَذِهِ رَوَايَا الْأَرْضِ يَسُوقُهَا اللَّهُ إِلَى قَوْمٍ لَا يَشْكُرُونَهُ وَلَا يَدعُونَهُ» . ثمَّ قَالَ: «هَل تَدْرُونَ من فَوْقَكُمْ؟» قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «فَإِنَّهَا الرَّقِيعُ سَقْفٌ مَحْفُوظٌ وَمَوْجٌ مَكْفُوفٌ» . ثُمَّ قَالَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَا بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهَا؟» قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهَا خَمْسُمِائَةِ عَامٍ» ثُمَّ قَالَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَا فَوْقَ ذَلِكَ؟» . قَالُوا: اللَّهُ ورسولُه أعلمُ. قَالَ: «سماءانِ بُعْدُ مَا بَيْنَهُمَا خَمْسُمِائَةِ سَنَةٍ» . ثُمَّ قَالَ كَذَلِكَ حَتَّى عَدَّ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ «مَا بَيْنَ كُلِّ سَمَاءَيْنِ مَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ» . ثُمَّ قَالَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَا فَوْقَ ذَلِكَ؟» قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «إِنَّ فَوْقَ ذَلِكَ الْعَرْشُ وَبَيْنَهُ وَبَيْنَ السَّمَاءِ بُعْدُ مَا بَيْنَ السَّماءين» . ثُمَّ قَالَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَا تَحْتَ ذَلِكَ؟» . قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ: «إِنَّ تَحْتَهَا أَرْضًا أُخْرَى بَيْنَهُمَا مَسِيرَةُ خَمْسِمِائَةِ سَنَةٍ» . حَتَّى عدَّ سَبْعَ أَرضين بَين كلَّ أَرضين مسيرَة خَمْسمِائَة سنة قَالَ: «وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَوْ أَنَّكُمْ دَلَّيْتُمْ بِحَبْلٍ إِلَى الْأَرْضِ السُّفْلَى لَهَبَطَ عَلَى اللَّهِ» ثُمَّ قَرَأَ (هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شيءٍ عليم) رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ. وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: قِرَاءَةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْآيَةَ تَدُلُّ على أَنه أَرَادَ الهبط عَلَى عِلْمِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ وَسُلْطَانِهِ وَعِلْمُ اللَّهِ وَقُدْرَتُهُ وَسُلْطَانُهُ فِي كُلِّ مَكَانٍ وَهُوَ عَلَى الْعَرْش كَمَا وصف نَفسه فِي كِتَابه

اسنادہ ضعیف ، رواہ احمد (1 / 206 ۔ 207 ح 1770) ۔ و الترمذی (3298 وقال : غریب) * الحسن البصری مدلس و عنعن و لبعض الحدیث شواھد ۔
(ضَعِيف)

وعنه قال: بينما نبي الله صلى الله عليه وسلم جالس وأصحابه إذ أتى عليهم سحاب فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم: «هل تدرون ما هذا؟» . قالوا: الله ورسوله أعلم. قال: «هذه العنان هذه روايا الأرض يسوقها الله إلى قوم لا يشكرونه ولا يدعونه» . ثم قال: «هل تدرون من فوقكم؟» قالوا: الله ورسوله أعلم. قال: «فإنها الرقيع سقف محفوظ وموج مكفوف» . ثم قال: «هل تدرون ما بينكم وبينها؟» قالوا: الله ورسوله أعلم. قال: «بينكم وبينها خمسمائة عام» ثم قال: «هل تدرون ما فوق ذلك؟» . قالوا: الله ورسوله أعلم. قال: «سماءان بعد ما بينهما خمسمائة سنة» . ثم قال كذلك حتى عد سبع سماوات «ما بين كل سماءين ما بين السماء والأرض» . ثم قال: «هل تدرون ما فوق ذلك؟» قالوا: الله ورسوله أعلم. قال: «إن فوق ذلك العرش وبينه وبين السماء بعد ما بين السماءين» . ثم قال: «هل تدرون ما تحت ذلك؟» . قالوا: الله ورسوله أعلم. قال: «إن تحتها أرضا أخرى بينهما مسيرة خمسمائة سنة» . حتى عد سبع أرضين بين كل أرضين مسيرة خمسمائة سنة قال: «والذي نفس محمد بيده لو أنكم دليتم بحبل إلى الأرض السفلى لهبط على الله» ثم قرأ (هو الأول والآخر والظاهر والباطن وهو بكل شيء عليم) رواه أحمد والترمذي. وقال الترمذي: قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم الآية تدل على أنه أراد الهبط على علم الله وقدرته وسلطانه وعلم الله وقدرته وسلطانه في كل مكان وهو على العرش كما وصف نفسه في كتابه

ব্যাখ্যা: روايا (هَذِهِ رَوَايَا الْأَرْضِ) শব্দটি (رواية)-এর বহুবচন। যার অর্থ পানি বহনকারী উট। উটের উপর রাখা পানির পাত্রকে (رواية) বলা হয়। আকাশের মেঘকে পানির পাত্রের সাথে তুলনা করা হয়েছে। উটের উপর যেমন পাত্র থাকে এবং উট তা বহন করে নিয়ে যায়, আকাশের মেঘও পৃথিবীর পিঠে থাকা পানির পাত্র। পৃথিবী এই মেঘকে বহন করে রয়েছে এবং আল্লাহর হুকুম তাকে এক জায়গা থেকে অপর জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে।
(يَسُوقُهَا اللَّهُ إِلَى قَوْمٍ لَا يَشْكُرُونَهُ وَلَا يَدعُونَهُ) অর্থাৎ আল্লাহ তা'আলা তাকে ঐ সম্প্রদায়ের কাছে নিয়ে যান যারা তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না এবং তার কাছে দু'আ করে না, আল্লাহকে স্মরণ করে না, আল্লাহর ইবাদাত করে না। বরং কুফরী করে এবং বৃষ্টিকে নক্ষত্রের দিকে সম্পৃক্ত করে বলে অমুক নক্ষত্রের কারণে বৃষ্টি হয়েছে। এমনকি মূর্তিপূজা করে। অথচ আল্লাহ তা'আলা তার রহমত ও দয়াকে ব্যাপকভাবে বিস্তার করেন এবং অন্যান্য মাখলুক ও প্রাণীর এই অকৃতজ্ঞ লোকটির কাছে বৃষ্টি নিয়ে যান এবং তারও রিযকের ব্যবস্থা করেন।
(فَإِنَّهَا الرَّقِيعُ) এটি দুনিয়ার আসমানের নাম। কারো কারো মতে সব আসমানেরই এই নাম। পরবর্তীতে এই আসমানের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ এই আসমান সংরক্ষিত ছাদের ন্যায়। আল্লাহ তা'আলা তাকে জমিনে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছেন। খুঁটি ছাড়া তা দাঁড়িয়ে রয়েছে। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)
(بَيْنَكُمْ وَبَيْنَهَا خَمْسُمِائَةِ عَامٍ) তোমাদের মাঝে অর্থাৎ জমিন ও প্রথম আসমানের মাঝে পাঁচশত বছরের দূরত্ব। এভাবে এক আসমান থেকে অপর আসমানের দূরত্বও পাঁচশত বছরের রাস্তা। এ সংক্রান্ত হাদীস ইতোপূর্বে ব্যাখ্যাসহ অতিক্রান্ত হয়েছে। একই বিষয়কে বিভিন্ন হাদীসে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এ হাদীসে আসমানের সাথে সাতটি জমিন এবং প্রতিটি জমিনের পরস্পরের মধ্যকার দূরত্ব দুই আসমানের মধ্যকার দূরত্বের সমপরিমাণ।
(لَوْ أَنَّكُمْ دَلَّيْتُمْ بِحَبْلٍ إِلَى الْأَرْضِ السُّفْلَى لَهَبَطَ عَلَى اللَّهِ) অর্থাৎ যদি তোমরা সর্বনিম্নের জমিনে একটি রশি ঝুলিয়ে দাও তবে তা আল্লাহ তা'আলার কাছে গিয়ে পৌছবে। আল্লাহ তা'আলার কাছে গিয়ে পড়বে’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, রশি যত দূরত্বই যাক না কেন আল্লাহ তা'আলার জ্ঞান ও রাজত্বের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। উপরে যেমন তার রাজত্ব, নিচেও তাঁরই রাজত্ব। লেখক ইমাম তিরমিযীর বরাতে হাদীসের এই ব্যাখ্যা উল্লেখ করেছেন। হাদীস বর্ণনার পর বর্ণিত আয়াত পাঠ করাই হাদীসের এই মর্ম নিশ্চিত করে বলে তিনি আখ্যা দেন। আল্লাহ তা'আলার রাজত্ব ও ক্ষমতার বিবরণ দেয়ার পর প্রমাণ স্বরূপ রাসূলুল্লাহ (সা.) পাঠ করেন-
(هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شيءٍ عليم)
(الْأَوَّلُ) অর্থাৎ তিনি প্রথম অনাদি, তাঁর শুরু নেই।
(الْآخِرُ) অর্থাৎ তিনি শেষ ও সর্বদা বিদ্যমান তার কোন সমাপ্তি নেই।
(الظَّاهِرُ) অর্থাৎ তিনি প্রকাশ্য, তথা তার গুণাবলি সর্বত্র প্রকাশমান।
(الْبَاطِنُ) অর্থাৎ তিনি গোপন, তথা সত্তাগতভাবে তিনি আমাদের পৌছবে।

(وَهُوَ بِكُلِّ شيءٍ عليم) তিনি সর্ববিষয়ে জ্ঞানী। আসমান ও জমিনের সিফাত বর্ণনার পর রাসূল (সা.) বললেন, নিম্ন আসমানে একটি রশি ঝুলিয়ে দিলেও তা আল্লাহ তা'আর কাছে পৌছবে, অর্থাৎ তার জ্ঞানের বাহিরে যাবে না। এই কথা বুঝতেই রাসূল (সা.) এ আয়াতটি পাঠ করেন। আল্লাহ তা'আলার জ্ঞানের বর্ণনা রয়েছে, (وَهُوَ بِكُلِّ شيءٍ عليم)-এর মাঝে। তাঁর কুদরতের বর্ণনা করা হয়েছে, (الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ)-এর মাঝে। অর্থাৎ তিনি শুরু এবং সব জিনিসের উৎপত্তি তাঁর থেকে। তিনি সবকিছুকে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে এনেছেন। এভাবে সব কিছুর সমাপ্তি তার কাছে গিয়ে হবে। তার কোন সমাপ্তি নেই। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন, کُلُّ مَنۡ عَلَیۡهَا فَانٍ ﴿ۚۖ۲۶﴾ وَّ یَبۡقٰی وَجۡهُ رَبِّکَ ذُو الۡجَلٰلِ وَ الۡاِکۡرَامِ ﴿ۚ۲۷﴾ “ভূপৃষ্ঠের সবকিছুই ধ্বংসশীল। একমাত্র আপনার মহিমাময় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া।” (সূরা আর রহমান ৫৫: ২৬-২৭)
এভাবে আল্লাহ তা'আলার ক্ষমতা ও রাজত্ব বুঝাতে বলা হয়েছে, (وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ) অর্থাৎ তিনি জয়ী, কেউ তার ওপর জয়লাভ করতে পারে না। সকল সৃষ্টির মাঝে তারই ক্ষমতার দাপট প্রকাশমান। তার ওপর কেউ নেই যে, তাকে বারণ করতে পারে। সৃষ্টিজগতের উপরে যেমন তার ক্ষমতা। অভ্যন্তরেও তারই ক্ষমতা। তিনি ছাড়া কারো কোন আশ্রয়স্থল নেই। সবার শেষ ঠিকানা তিনি। (মিরকাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৮: সৃষ্টির সূচনা ও কিয়ামতের বিভিন্ন অবস্থা (كتاب أَحْوَال الْقِيَامَة وبدء الْخلق)