২৮৪৮

পরিচ্ছেদঃ ৫. প্রথম অনুচ্ছেদ - নিষিদ্ধ বস্তু ক্রয়-বিক্রয়

২৮৪৮-[১৫] উক্ত রাবী [আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যারা বাজারে বিক্রি করার জন্য (বাহির হতে) খাদ্যদ্রব্য নিয়ে আসছে, তাদের দিকে এগিয়ে গিয়ে মিলিত হবে না। যদি কেউ এরূপ করে কোনো প্রকার পণ্যদ্রব্য ক্রয় করে, তবে ঐ বিক্রেতা বাজারে পৌছার পর (বিক্রয় ভঙ্গ করার) অবকাশ থাকবে। (মুসলিম)[1]

بَابُ الْمَنْهِىِّ عَنْهَا مِنَ الْبُيُوْعِ

وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَلَقَّوُا الْجَلَبَ فَمَنْ تَلَقَّاهُ فَاشْتَرَى مِنْهُ فَإِذَا أَتَى سَيِّدُهُ السُّوقَ فَهُوَ بالخَيارِ» . رَوَاهُ مُسلم

وعنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا تلقوا الجلب فمن تلقاه فاشترى منه فإذا أتى سيده السوق فهو بالخيار» . رواه مسلم

ব্যাখ্যা : উল্লেখিত হাদীসগুলো থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে, পণ্য বাজারে আসার পূর্বেই ক্রেতা কর্তৃক আগে বাড়িয়ে পণ্য ক্রয় করা হারাম। আর এটাই শাফি‘ঈ, মালিকী ও জুমহূর ‘উলামাগণের মত। পক্ষান্তরে ইমাম আবূ হানীফাহ্ ও আওযা‘ঈ (রহঃ)-এর মতে যদি মানুষের ক্ষতি না হয় তবে এটি জায়িয। আর এর প্রভাবে মানুষের ক্ষতি (বাজারে পণ্য সংকট, চড়া মূল্য) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তবে এটি মাকরূহ।

ইমামগণ বলেনঃ এমন কেনা-বেচা হারাম হওয়ার কারণ হলো পণ্য আমদানী বা রফতানীর ক্ষেত্রে মানুষের ক্ষতি দূর করা এবং ধোঁকাবাজদের ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকা। (শারহে মুসলিম ৯ম খন্ড, হাঃ ১৫১৯)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-১২: ক্রয়-বিক্রয় (ব্যবসা) (كتاب البيوع)