২৭৬৮

পরিচ্ছেদঃ ১. প্রথম অনুচ্ছেদ - উপার্জন করা এবং হালাল রুযী অবলম্বনের উপায় সন্ধান করা

২৭৬৮-[১০] জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুর বিক্রির মূল্য ও বিড়াল বিক্রয়ের মূল্য (গ্রহণ করতে) নিষেধ করেছেন। (মুসলিম)[1]

بَابُ الْكَسْبِ وَطَلَبِ الْحَلَالِ

وَعَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ وَالسِّنَّوْرِ. رَوَاهُ مُسلم

وعن جابر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن ثمن الكلب والسنور. رواه مسلم

ব্যাখ্যা: (نَهٰى عَنْ ثَمَنِ الْكَلْبِ وَالسِّنَّوْرِ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুর ও বিড়ালের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। কুকুরের মূল্য সম্পর্কে পূর্বে আলোচনা হয়েছে।

‘‘বিড়ালের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।’’ এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, যে বিড়াল দ্বারা কোনো উপকার হয় না অথবা এ নিষেধাজ্ঞা দ্বারা উদ্দেশ্য তার মূল্য গ্রহণ করা মাকরূহ। কেননা বিড়াল পবিত্র, তা নাপাক নয় যা অন্য হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। তবে তা বিক্রয় করে তার মূল্য গ্রহণ করা এজন্য অপছন্দ করেছেন যাতে লোকেরা তা দান করতে অথবা ধার দিতে অভ্যস্ত হয়। অতএব যে বিড়াল দ্বারা উপকৃত হওয়া যায় তা যদি কেউ বিক্রয় করে তবে তা বৈধ এবং তার মূল্য হালাল। এটাই অধিকাংশ ‘আলিমদের অভিমত। তবে ইবনুল মুনযির, আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ), তাঊস ও মুজাহিদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তা বিক্রয় করা বৈধ নয় এবং তারা এ হাদীসটি দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। (মিরকাতুল মাফাতীহ)

জুমহূর ‘আলিমগণ এর জবাবে বলেছেন যে, হাদীসে এর দ্বারা হারাম উদ্দেশ্য নয়, বরং মাকরূহ উদ্দেশ্য এবং সেই বিড়াল বিক্রয় করা নিষেধ যার দ্বারা কোনো উপকার হয় না।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-১২: ক্রয়-বিক্রয় (ব্যবসা) (كتاب البيوع)