২৭০৯

পরিচ্ছেদঃ ১৩. প্রথম অনুচ্ছেদ - বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং হজ্জ ছুটে যাওয়া

২৭০৯-[৩] মিস্ওয়ার ইবনু মাখরামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল­াহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা মুন্ডনের আগে পশু যাবাহ করেছেন এবং এভাবে করার জন্য সাহাবীগণকে আদেশ করেছেন। (বুখারী)[1]

بَابُ الْإِحْصَارِ وَفَوْتِ الْحَجِّ

وَعَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحَرَ قَبْلَ أَنْ يَحْلِقَ وَأَمَرَ أَصْحَابَهُ بِذَلِكَ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

وعن المسور بن مخرمة قال: إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحر قبل أن يحلق وأمر أصحابه بذلك. رواه البخاري

ব্যাখ্যা: (إِنَّ رَسُوْلَ اللّٰهِ ﷺ نَحَرَ قَبْلَ أَنْ يَحْلِقَ) অর্থাৎ- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে কুরবানীর পশু যাবাহ করেছেন, এরপর মাথা নেড়ে করেছেন এবং তার সঙ্গীদেরকেও এ আদেশ দিয়েছেন। হাদীসের এ অংশ প্রমাণ করে যে, প্রথমে কুরবানীর পশু যাবাহ করবে, এরপর মাথা নেড়ে করবে। পূর্বে আলোচিত হয়েছে যে, প্রথমে মাথা নেড়ে করবে এরপর কুরবানী করবে।

অতএব অত্র হাদীসের জবাবে বলা হয়েছে যে, মিস্ওয়ার (রাঃ) বর্ণিত এ হাদীসটিতে হুদায়বিয়ার বৎসরে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কর্মের বিবরণ বর্ণিত হয়েছে যখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাধাপ্রাপ্ত হয়ে কুরবানীর পশু যাবাহ করার পর মাথা নেড়ে করেছিলেন। অতএব এ বিধান বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য।

ইমাম শাওকানী বলেনঃ এ হাদীসে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রথমে কুরবানীর পশু যাবাহ করবে এরপর মাথা নেড়ে করবে। অতএব বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি কুরবানীর পশু যাবাহ করার পূর্বে মাথা নেড়ে করে তাহলে তাকে দম দিতে হবে। অর্থাৎ- কাফফারাহ স্বরূপ একটি পশু যাবাহ করতে হবে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকেও অনুরূপ বর্ণনা পাওয়া যায়। তবে প্রকাশমান দলীল হলো তা ওয়াজিব হবে না, বরং তা সুন্নাত।

ইমাম মালিক (রহঃ)-এর মতে বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তির ওপর কুরবানী করা ওয়াজিব নয়। তবে অত্র হাদীস তার বিপক্ষে দলীল।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-১১: হজ্জ (كتاب المناسك)