২৪৬২

পরিচ্ছেদঃ ৬. প্রথম অনুচ্ছেদ - আশ্রয় প্রার্থনা করা

২৪৬২-[৬] ’আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে দু’আ করতেন, ’’আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিন শাররি মা- ’আমিলতু ওয়ামিন্ শাররি মা-লাম আ’মাল’’ (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই যা আমি করেছি এবং যা আমি করিনি তার অনিষ্টতা বা অপকারিতা হতে)। (মুসলিম)[1]

بَابُ الْإِسْتِعَاذَةِ

وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَمِلْتُ وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أعمَلْ» . رَوَاهُ مُسلم

وعن عاىشة قالت: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «اللهم اني اعوذ بك من شر ما عملت ومن شر ما لم اعمل» . رواه مسلم

ব্যাখ্যা: ইমাম ত্বীবী (রহঃ) বলেন, যেসব জিনিস থেকে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মুক্ত রাখা হয়েছে সেসব জিনিস থেকে আশ্রয় চাওয়ার কারণ হলো, এর দ্বারা তিনি বুঝাচ্ছেন যে, আল্লাহকে যেন ভয় করা হয়, তাঁর মহত্ব ঘোষণা করা হয়, তাঁর প্রতি মুখাপেক্ষী হয়, তাকে যেন অনুসরণ করা হয় এবং আল্লাহর নিকট কিভাবে, কোন্ দু‘আ করতে হয় তা বর্ণনা করা।

ইমাম শাওকানীও বলেছেনঃ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু‘আগুলো এজন্য বলেছেন যে, তিনি তাঁর উম্মাতকে দু‘আ শিক্ষা দিচ্ছেন। তাছাড়া তার সমস্ত ‘আমলের মধ্যেই ভাল রয়েছে; কোন খারাপ নেই।

হাদীসে ব্যক্তির কৃতকর্মের মধ্য থেকে যেসব কাজ থেকে আল্লাহর নিকট মাফ চাওয়া প্রয়োজন হয় সেগুলো থেকে আশ্রয় চাইতে বলা হয়েছে।

তারপর আল্লাহর অসন্তুষ্টিমূলক যেসব কাজ ভবিষ্যতে করা হবে তার অনিষ্ট থেকেও আশ্রয় চাওয়া হচ্ছে। যাতে করে ভবিষ্যতে করা হবে এমন খারাপ কাজ থেকে আল্লাহ হিফাযাত করেন। কারণ ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন ছাড়া কেউ নিজেকে আল্লাহর কৌশল থেকে নিরাপদ মনে করে না। তাই প্রত্যেকের উচিত অতীত ও ভবিষ্যতের খারাপ কাজ থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়া। ইমাম সিন্দী (রহঃ) বলেনঃ ‘‘কৃতকর্মের খারাপী থেকে’’ বলতে অতীতে যেসব গুনাহের কাজ করা হয়েছে এবং যেসব সাওয়াবের কাজ বর্জন করেছে তার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাওয়ার কথা বলা হয়েছে।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-১০: আল্লাহ তা‘আলার নামসমূহ (كتاب اسماء الله تعالٰى)