২২২৮

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

২২২৮-[৬] আবূ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মুসলিম তার কোন মুসলিম ভাইয়ের জন্য তার অনুপস্থিতিতে দু’আ করলে ওই দু’আ কবূল করা হয়। দু’আকারীর মাথার পাশে একজন মালাক (ফেরেশতা) নিয়োজিত থাকেন। যখন সে তার ভাইয়ের জন্য (কল্যাণের) দু’আ করে; সে নিযুক্ত মালাক সাথে সাথে বলেন ’আমীন’ এবং তোমার জন্যও অনুরূপ হোক। (মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: دعوةُ الْمُسْلِمِ لِأَخِيهِ بِظَهْرِ الْغَيْبِ مُسْتَجَابَةٌ عِنْدَ رَأْسِهِ مَلَكٌ مُوَكَّلٌ كُلَّمَا دَعَا لِأَخِيهِ بِخَيْرٍ قَالَ الْمَلَكُ الْمُوَكَّلُ بِهِ: آمِينَ وَلَكَ بِمِثْلٍ . رَوَاهُ مُسلم

وعن ابي الدرداء رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: دعوة المسلم لاخيه بظهر الغيب مستجابة عند راسه ملك موكل كلما دعا لاخيه بخير قال الملك الموكل به: امين ولك بمثل . رواه مسلم

ব্যাখ্যা: (بِظَهْرِ الْغَيْبِ) অর্থাৎ- তার অনুপস্থিত। মুল্লা ‘আলী কারী হানাফী (রহঃ) বলেন, এর দ্বারা উদ্দেশ্য শুধুমাত্র অনুপস্থিত ব্যক্তি নয় বরং কেউ যদি কারো সাথে উপস্থিত থাকে আর সে তার জন্য যদি মনে মনে জবানে উচ্চারণ না করে দু‘আ করে তাহলেও তার দু‘আ কবূল হয়। পূর্ববর্তী ‘উলামাগণের নিয়ম ছিল নিজের জন্য কোন দু‘আ করলে অপর মুসলিম ভাইয়ের জন্যও সে রকম দু‘আ করতেন যাতে করে সেও দু‘আর অংশীদার হতে পারে।

(مُسْتَجَابَةٌ) অর্থাৎ- যদি কোন মুসলিম অপর মুসলিমের জন্য তার অজান্তে তার কল্যাণ কামনা করে দু‘আ করে এটা এভাবেও হতে পারে যে, তারা একই বৈঠকে বসে আছে কিন্তু সে অপর মুসলিম ভাই বুঝতে পারল না যে, তার সাথে বসা মুসলিম ভাই তার জন্য দু‘আ করছে। এমন যদি হয় তাহলে এ দু‘আ কবূল হয়ে যায়, কেননা এখানে পূর্ণ একনিষ্ঠতার আগমন ঘটেছে, নেই কোন কপটতা আর না আছে কোন বিনিময় পাওয়ার আশা।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৯: দু‘আ (كتاب الدعوات)