২২১৭

পরিচ্ছেদঃ ২. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - কিরাআতের ভিন্নতা ও কুরআন সংকলন প্রসঙ্গে

২২১৭-[৭] বুরায়দাহ্ আল আসলামী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআন পড়ে মানুষের কাছে খাবার চাইবে কিয়ামতের দিন সে এমন এক অবস্থায় উপনীত হবে যে তার চেহারায় হাড় থাকবে, কিন্তু গোশত (গোসত/গোশত) থাকবে না। (বায়হাক্বী- শু’আবূল ঈমান)[1]

عَن بُرَيْدَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ يَتَأَكَّلُ بِهِ النَّاسَ جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَوَجْهُهُ عظم لَيْسَ عَلَيْهِ لحم» . رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ فِي شعب الْإِيمَان

عن بريدة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من قرأ القرآن يتأكل به الناس جاء يوم القيامة ووجهه عظم ليس عليه لحم» . رواه البيهقي في شعب الإيمان

ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তি কুরআনের মাধ্যমে মানুষের নিকট খাদ্য চায়। অর্থাৎ- যে দুনিয়ার তুচ্ছ জিনিসের জন্য কুরআনকে মাধ্যম বানায় ও নিকৃষ্ট বস্ত্তর জন্য শ্রেষ্ঠ সম্মানিত বস্ত্তকে অবলম্বন বানায় এবং মন্দতর জিনিসের উপায় বানায় সে কিয়ামতের দিন বিভৎস-নিকৃষ্ট চেহারায় আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে। কুরআনের দ্বারা যে খাবার সন্ধান করে তার জন্য কঠিন শাস্তি রয়েছে।


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৮: কুরআনের মর্যাদা (كتاب فضائل القراٰن)