৭২২

পরিচ্ছেদঃ ৭. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - মাসজিদ ও সালাতের স্থান

৭২২-[৩৪] ইবনু মাজাহ্ সাহল ইবনু সা’দ ও আনাস (রাঃ) হতে।[1]

وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ وَأنس

ورواه ابن ماجه عن سهل بن سعد وأنس

ব্যাখ্যা: যে ব্যক্তি মসজিদের যত্ন নেয়, দেখা-শুনা করে, মাসজিদ নির্মাণ করে অথবা সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) প্রতিষ্ঠা ও জামা‘আতের জন্য মসজিদে যাওয়া-আসা করে তার ঈমানের ব্যাপারে তোমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করবে। এখানে সাক্ষ্য দ্বারা নিশ্চয়তাজ্ঞাপক এমন কথা উদ্দেশ্য যা অন্তরের গভীর থেকে বের হয়। তবে বুখারী, মুসলিমে বর্ণিত সা‘দ (রাঃ)-এর হাদীসটি সন্দেহের সৃষ্টি করে। হাদীসটি হলো, সা‘দ (রাঃ) কোন ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন, ‘‘সে মু’মিন (বিশ্বাসী)’’। এ কথা শুনে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘অথবা মুসলিম (আত্মসমর্পণকারী)’’ এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, কাউকে ঈমানের ব্যাপারে দৃঢ়তাসূচক সাক্ষ্য দেয়া নিষেধ। তবে তার বাহ্যিক ইসলামী কার্যকলাপ দেখে মুসলিম বলার সুযোগ থাকেই। তাই এখানে ঈমান দ্বারা ইসলাম উদ্দেশ্য হতে পারে। সঠিক কথা হলো, এখানে সাক্ষ্য দ্বারা উদ্দেশ্য হলো বিশ্বাস ও বাহ্যিক ‘আমল। আল্লাহর বাণীঃ ‘‘নিশ্চয়ই আল্লাহর ঘর মাসজিদসমূহ আবাদ করে, অর্থাৎ- নির্মাণ করে অথবা তা সংস্কার করে কিংবা ‘ইবাদাত ও শিক্ষা কার্যক্রমের দ্বারা মাসজিদকে জীবিত রাখে, সেই যে আল্লাহর প্রতি এবং পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে।’’ (সূরাহ্ আত্ তাওবাহ্ ৯ : ১৯)

এ আয়াত يَعْمُرُ ‘‘আবাদ করে’’। এর ব্যাখ্যায় ‘আল্লামা যামাখশারী তার তাফসীর গ্রন্থ আল-কাশশাফে লিখেছেন, মাসজিদ আ‘বাদ করা অর্থ হচ্ছে, মসজিদে ঝাড়ু দেয়া, পরিষ্কার করা, বাতি দ্বারা আলোকিত করা, মাসজিদকে সম্মান করা, মসজিদে ‘ইবাদাত ও যিকিরের (জিকিরের) অভ্যাস করা এবং মসজিদে পার্থিব অতিরিক্ত অনর্থক কথাবার্তা থেকে সুরক্ষা করা যার জন্য একে তৈরি করা হয়নি।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৪: সালাত (كتاب الصلاة)