১৫৩

পরিচ্ছেদঃ ৫. প্রথম অনুচ্ছেদ - কিতাব ও সুন্নাহকে সুদৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা

১৫৩-[১৪] সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমদের মধ্যে সে-ই সর্বাপেক্ষা বড় অপরাধী, যে ব্যক্তি এমন কোন বিষয়ে (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে) প্রশ্ন করেছে, যা মানুষের জন্য পূর্বে হারাম ছিল না, কিন্তু তার প্রশ্ন করার দরুন হারাম হয়ে গেছে। (বুখারী ও মুসলিম)[1]

بَابُ الْإِعْتِصَامِ بِالْكِتَابِ وَالسُّنَّةِ

وَعَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم: «أَن أعظم الْمُسلمين فِي لامسلمين جُرْمًا مَنْ سَأَلَ عَنْ شَيْءٍ لَمْ يُحَرَّمْ على النَّاس فَحرم من أجل مَسْأَلته»

وعن سعد بن أبي وقاص قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أن أعظم المسلمين في لامسلمين جرما من سأل عن شيء لم يحرم على الناس فحرم من أجل مسألته»

ব্যাখ্যা: ‘আল্লামা খাত্ত্বাবী এবং তামীমী বলেনঃ এ হাদীসের বিধান ঐ ব্যক্তির ওপর বর্তায়, যে ব্যক্তি অনর্থক বা কষ্ট দেয়ার জন্য প্রয়োজন ব্যতীত কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে। তবে দীনের কোন বিষয়ে কোন রকমের বিপদাপদ আরোপিত হলে তা থেকে অব্যাহতির জন্য প্রশ্ন করলে অপরাধ হবে না। যেমনঃ ‘উমার (রাঃ) এবং অন্যান্য ব্যক্তি মদের বিধান সম্পর্কে প্রশ্ন করার পর মদ হারাম করা হয়েছে, যা পূর্বে হালাল ছিল। আর ঐ সময় মদ হারাম হওয়াই ছিল প্রয়োজনের দাবি। কারণ মদপানের ক্ষতি সকল মুসলিমকে এমনভাবে পেয়ে বসেছিল যে, এর প্রভাবে গোটা সমাজ ধ্বংসের সম্মুখীন হয়েছিল।

এখানে দু’টো বিষয় বিশেষভাবে গ্রহণযোগ্য,

১) যে ব্যক্তি এমন কোন ‘আমল করলো যা অন্যের জন্য ক্ষতিকর হবে, তাহলে ‘আমলকারী গুনাহগার হবে।

২) প্রত্যেক বস্ত্তর মূল হচ্ছে বৈধতা, যতক্ষণ না এর বিপরীতে শারী‘আতে কোন বিধান আসবে।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-১: ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان)