২৬১১

পরিচ্ছেদঃ জিবরীল (আঃ) কর্তৃক নবী (ﷺ)-কে ঈমান ও ইসলামের পরিচয় প্রদান।

২৬১১. আবূ আম্মার হুসায়ন ইবন হুরায়ছ খুযাঈ (রহঃ) ... ইয়াহ্ইয়া ইবন ইয়া'মুর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সর্বপ্রথম মা’বাদ জুহানী’ কাদর মতবাদ’* সম্পর্কে কথা বলেন। ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) বলেনঃ একবার আমি এবং হুমায়দ ইবন আবদুর রহমান হিমায়ারী (হজ্জ বা উমরার উদ্দেশ্যে) বের হলাম। শেষে আমরা মদ্বীনয় আসলাম। আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিলাম যে, যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন সাহাবীর সাক্ষাৎ পেতাম তবে এসব লোক যে নতুন মতবাদ প্রকাশ করছে সে বিষয়ে তাঁর কাছে জিজ্ঞাসা করতাম। (সৌভাগ্যক্রমে) আমরা তাঁর অর্থাৎ আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাক্ষাৎ পেলাম। তিনি তখন মসজিদে নববী থেকে বের হচ্ছিলেন। আমি এবং আমার সঙ্গী কথা বলার ভার আমার উপরই ন্যাস্ত করবেন। তাই) আমি আরম্ভ করলামঃ হে আবূ আবদুর রহমান! (আবদুল্লাহ্ ইবন উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর উপনাম) একদল লোক এমন আছে যারা কুরআন পাঠ করে, ইলম র্চচা করে বটে কিন্তু তারা মনে করে তাকদীর বলতে কিছুই নেই। সবকিছু তাৎক্ষণিক ভাবে ঘটে।

তিনি বললেনঃ এদের সঙ্গে তোমার যখন সাক্ষাৎ হবে তখন বলে দিবে যে, তাদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই এবং তারাও আমার সঙ্গে সম্পর্কহীন। যে সত্তার নামে আবদুল্লাহ্ কসম করে সেই সত্তার (আল্লাহ্ তা’আলা) কসম তাদের কেউ যদি উহূদ পাহাড় পরিমান স্বর্ণও আল্লাহর পথে ব্যয় করে তবুও তাকদীরের ভাল-মন্দ আল্লাহর থেকে ই হয় এই কথার উপর ঈমান না আনা পর্যন্ত তার কিছুই কবুল করা হবে না।

ইয়াহ্ইয়া বলেনঃ এরপর তিনি হাদীস বর্ণনা করতে শুরু করলেন। বললেনঃ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হাযির হল, তাঁর কাপড় ছিল সাদা ধবধবে আর চুল ছিল কাল কুচকুচে। তার মধ্যে সফরের কোন চি‎হ্ন পরিলক্ষিত হচ্ছিল না। কিন্তু আমাদের কেউই তাঁকে চিনতে পারছিল না। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন এবং নিজের দুই হাঁটু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দুই হাঁটুর সঙ্গে লাগিয়ে বসে পড়লেন। তারপর বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! ঈমান কি?

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতা, কিতাব, রাসূলগণ এবং শেষ দিন ও তাকদীরের ভাল-মন্দ তাঁর পক্ষ থেকে ই হয় সেই কথার উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে।

লোকটি বললেনঃ ইসলাম কি?

তিনি বললেনঃ এই কথার সাক্ষ্য প্রদান যে, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ্ নেই, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও তাঁর রাসূল, সালাত (নামায) কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, বায়তুল্লাহর হজ্জ করা, রমযানের সিয়াম পালন করা।

লোকটি বললেনঃ ইহসান কি?

তিনি বললেনঃ এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করবে যেন তুমি তাঁকে প্রত্যক্ষ করছ। যদি তুমি তাঁকে না-ও দেখ তবে তিনি তো তোমাকে দেখছেন।

উমর (রাঃ) বলেনঃ এই লোকটি প্রতিটি বিষয়েই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলছিল, ’আপনি ঠিক বলেছেন’। লোকটির এই আচরণে আমরা বিস্মিত বোধ করছিলাম যে, তিনিই প্রশ্ন করছেন আবার তিনিই তা সত্যায়িত করছেন।

লোকটি বললেনঃ কিয়ামত কবে হবে?

রাসূলুল্লাহ বললেনঃ এই বিষয়ে প্রশ্নকর্তা অপেক্ষা জিজ্ঞাসিত জন অধিক অবহিত নন।

লোকটি বললেনঃ এর আলামত কি?

তিনি বললেনঃ তা হল, দাসী তার প্রভুর জননী হবে। আর খালি পা, খালি দেহ, দরিদ্র মেষ পালকদেরকে বিরাট বিরাট অট্রালিকার প্রতিযোগিতায় গর্বিত দেখতে পাবে।

উমর (রাঃ) বলেন, এর তিন দিন পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়। তখন তিনি বললেনঃ হে উমর! তুমি কি জান এই প্রশ্নকারী কে? তিনি জিবরীল। তিনি তোমাদের দীনী বিষয়ে শিক্ষা দিতে এসেছিলেন। -ইবনু মাজাহ ৬৩, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৬১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

আহমদ ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) কাহমাস ইবন হাসান (রহঃ) থেকে এই সনদে ই উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবন মুছান্না (রহঃ) কাহমাস (রহঃ) থেকে এই সনদে উক্ত মর্মে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এই বিষয়ে তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ্, আনাস ইবন মালিক ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে।

হাদীসটি সহীহ-হাসান। একাধিক সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি ইবন উমর ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রেও বর্ণিত আছে। ইবন উমর ... উমর ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সনদটিই হল সহীহ।

باب مَا جَاءَ فِي وَصْفِ جِبْرِيلَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الإِيمَانَ وَالإِسْلاَمَ ‏

حَدَّثَنَا أَبُو عَمَّارٍ الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ الْخُزَاعِيُّ، أَخْبَرَنَا وَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسِ بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمُرَ، قَالَ أَوَّلُ مَنْ تَكَلَّمَ فِي الْقَدَرِ مَعْبَدٌ الْجُهَنِيُّ قَالَ فَخَرَجْتُ أَنَا وَحُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيُّ حَتَّى أَتَيْنَا الْمَدِينَةَ فَقُلْنَا لَوْ لَقِينَا رَجُلاً مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلْنَاهُ عَمَّا أَحْدَثَ هَؤُلاَءِ الْقَوْمُ ‏.‏ قَالَ فَلَقِينَاهُ يَعْنِي عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ وَهُوَ خَارِجٌ مِنَ الْمَسْجِدِ قَالَ فَاكْتَنَفْتُهُ أَنَا وَصَاحِبِي قَالَ فَظَنَنْتُ أَنَّ صَاحِبِي سَيَكِلُ الْكَلاَمَ إِلَىَّ فَقُلْتُ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّ قَوْمًا يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ وَيَتَقَفَّرُونَ الْعِلْمَ وَيَزْعُمُونَ أَنْ لاَ قَدَرَ وَأَنَّ الأَمْرَ أُنُفٌ قَالَ فَإِذَا لَقِيتَ أُولَئِكَ فَأَخْبِرْهُمْ أَنِّي مِنْهُمْ بَرِيءٌ وَأَنَّهُمْ مِنِّي بُرَآءُ وَالَّذِي يَحْلِفُ بِهِ عَبْدُ اللَّهِ لَوْ أَنَّ أَحَدَهُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا قُبِلَ ذَلِكَ مِنْهُ حَتَّى يُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ أَنْشَأَ يُحَدِّثُ فَقَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَاءَ رَجُلٌ شَدِيدُ بَيَاضِ الثِّيَابِ شَدِيدُ سَوَادِ الشَّعَرِ لاَ يُرَى عَلَيْهِ أَثَرُ السَّفَرِ وَلاَ يَعْرِفُهُ مِنَّا أَحَدٌ حَتَّى أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَلْزَقَ رُكْبَتَهُ بِرُكْبَتِهِ ثُمَّ قَالَ يَا مُحَمَّدُ مَا الإِيمَانُ قَالَ ‏"‏ أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلاَئِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَمَا الإِسْلاَمُ قَالَ ‏"‏ شَهَادَةُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَإِقَامُ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ وَحَجُّ الْبَيْتِ وَصَوْمُ رَمَضَانَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَمَا الإِحْسَانُ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ فَإِنَّكَ إِنْ لَمْ تَكُنْ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فِي كُلِّ ذَلِكَ يَقُولُ لَهُ صَدَقْتَ ‏.‏ قَالَ فَتَعَجَّبْنَا مِنْهُ يَسْأَلُهُ وَيُصَدِّقُهُ ‏.‏ قَالَ فَمَتَى السَّاعَةُ قَالَ ‏"‏ مَا الْمَسْئُولُ عَنْهَا بِأَعْلَمَ مِنَ السَّائِلِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَمَا أَمَارَتُهَا قَالَ أَنْ تَلِدَ الأَمَةُ رَبَّتَهَا وَأَنْ تَرَى الْحُفَاةَ الْعُرَاةَ الْعَالَةَ أَصْحَابَ الشَّاءِ يَتَطَاوَلُونَ فِي الْبُنْيَانِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عُمَرُ فَلَقِيَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ ذَلِكَ بِثَلاَثٍ فَقَالَ ‏"‏ يَا عُمَرُ هَلْ تَدْرِي مَنِ السَّائِلُ ذَاكَ جِبْرِيلُ أَتَاكُمْ يُعَلِّمُكُمْ مَعَالِمَ دِينِكُمْ ‏"‏ ‏.‏
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا كَهْمَسُ بْنُ الْحَسَنِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنْ كَهْمَسٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ بِمَعْنَاهُ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ قَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ نَحْوُ هَذَا عَنْ عُمَرَ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالصَّحِيحُ هُوَ ابْنُ عُمَرَ عَنْ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث الخزاعي، أخبرنا وكيع، عن كهمس بن الحسن، عن عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، قال أول من تكلم في القدر معبد الجهني قال فخرجت أنا وحميد بن عبد الرحمن الحميري حتى أتينا المدينة فقلنا لو لقينا رجلا من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فسألناه عما أحدث هؤلاء القوم ‏.‏ قال فلقيناه يعني عبد الله بن عمر وهو خارج من المسجد قال فاكتنفته أنا وصاحبي قال فظننت أن صاحبي سيكل الكلام إلى فقلت يا أبا عبد الرحمن إن قوما يقرءون القرآن ويتقفرون العلم ويزعمون أن لا قدر وأن الأمر أنف قال فإذا لقيت أولئك فأخبرهم أني منهم بريء وأنهم مني برآء والذي يحلف به عبد الله لو أن أحدهم أنفق مثل أحد ذهبا ما قبل ذلك منه حتى يؤمن بالقدر خيره وشره ‏.‏ قال ثم أنشأ يحدث فقال قال عمر بن الخطاب كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء رجل شديد بياض الثياب شديد سواد الشعر لا يرى عليه أثر السفر ولا يعرفه منا أحد حتى أتى النبي صلى الله عليه وسلم فألزق ركبته بركبته ثم قال يا محمد ما الإيمان قال ‏"‏ أن تؤمن بالله وملائكته وكتبه ورسله واليوم الآخر والقدر خيره وشره ‏"‏ ‏.‏ قال فما الإسلام قال ‏"‏ شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وحج البيت وصوم رمضان ‏"‏ ‏.‏ قال فما الإحسان قال ‏"‏ أن تعبد الله كأنك تراه فإنك إن لم تكن تراه فإنه يراك ‏"‏ ‏.‏ قال في كل ذلك يقول له صدقت ‏.‏ قال فتعجبنا منه يسأله ويصدقه ‏.‏ قال فمتى الساعة قال ‏"‏ ما المسئول عنها بأعلم من السائل ‏"‏ ‏.‏ قال فما أمارتها قال أن تلد الأمة ربتها وأن ترى الحفاة العراة العالة أصحاب الشاء يتطاولون في البنيان ‏"‏ ‏.‏ قال عمر فلقيني النبي صلى الله عليه وسلم بعد ذلك بثلاث فقال ‏"‏ يا عمر هل تدري من السائل ذاك جبريل أتاكم يعلمكم معالم دينكم ‏"‏ ‏.‏ حدثنا أحمد بن محمد، أخبرنا ابن المبارك، أخبرنا كهمس بن الحسن، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏ حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا معاذ بن معاذ، عن كهمس، بهذا الإسناد نحوه بمعناه ‏.‏ وفي الباب عن طلحة بن عبيد الله وأنس بن مالك وأبي هريرة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح قد روي من غير وجه نحو هذا عن عمر ‏.‏ وقد روي هذا الحديث عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم والصحيح هو ابن عمر عن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Narrated Abdullah bin Buraidah from Yahya bin Ya'mur who said:
"The first person to speak about Al-Qadar was Ma'bad Al-Juhani." He said: "Humaid bin Abdur-Rahman Al-Himyari and I went out until we reached Al-Madinah, and we said: 'If we could only meet someone among the companions of the Prophet (ﷺ) so we could ask him about what those people have innovated." [He said:] "So we met him - meaning Abdullah bin 'Umar - while he was leaving the Masjid." [He said:] "My companion and I were on either side of him." [He said:] I thought my companion was going to leave the speaking to me so I said: "O Abu Abdur-Rahman! There is a group of people who recite the Qur'an and seek knowledge, and they claim there is no Al-Qadar, and that the affair is left to chance.' He said: "Whenever you meet those people, then tell them that I am not of them and they are not of me. By the One Whom Abdullah swears by! If one of them were to spend gold the like of Uhud (mountain) in charity, it would not be accepted from him until he believes in Al-Qadar; the good of it and the bad of it.'" He said: "Then he began to narrate, he said: "'Umar bin Al-Khattab said: "We were with the Messenger of Allah when a man came with extremely white garments, and extremely black hair. He had no appearance of traveling visible on him, yet none of us recognized him. He came until he reached the Prophet (ﷺ). He put his knees up against his knees, and then said: "O Muhammad! What is Iman?' He said 'To believe in Allah, His Angels, His, Books, His Messengers, the Day of Judgement, and Al-Qadar, the good of it and the bad of it.' He said: 'Then what is Islam?' He said: 'Testifying to La Ilaha Illallah, and that Muhammad is His servant and Messenger, establishing the Salat, giving the Zakat, performing Hajj to the House, and fasting (the month of) Ramadan.' He said: 'Then what is Ihsan?' He said 'That (is) you worship Allah as if you see Him, and although you do not see Him, He certainly sees you.' He said: 'For all of those he replied to him: 'You have told the truth.'" He said: "So we were amazed at him, he would ask, and then tell him that he is telling the truth. He said: 'Then when is the Hour?' He (ﷺ) said: 'The one being asked knows no more than the questioner.' He said: 'Then what are its signs?' He said: 'That the slave woman gives birth to her master, and that the naked, poor, and bare-footed shepherds rival each other in the height of the buildings.'" 'Umar said: 'Then the Prophet (ﷺ) met me three days after that and said: 'O 'Umar! Do you know who the questioner was? It was Jibril. He came to teach you about the matters of your religion.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৪৩/ ঈমান (كتاب الإيمان عن رسول الله ﷺ)