হাদিসঃ ৬

পরিচ্ছেদঃ ১: ইখলাস প্রসঙ্গে

৭/৭। সা‘দ ইবনু আবী অক্কাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, যে দশজন সাহাবীকে জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছিল ইনি তাঁদের মধ্যে একজন। বিদায় হজ্জ্বের বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার রুগ্ন অবস্থায় আমাকে দেখা করতে এলেন। সে সময় আমার শরীরে চরম ব্যথা ছিল। আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার (দৈহিক) জ্বালা-যন্ত্রণা কঠিন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে--যা আপনি সচক্ষে দেখছেন। আর আমি একজন ধনী মানুষ; কিন্তু আমার উত্তরাধিকারী বলতে আমার একমাত্র কন্যা। তাহলে আমি কি আমার মাল-সম্পদের দুই তৃতীয়াংশ দান করে দেব?’ তিনি বললেন, ‘‘না।’’ আমি বললাম, ‘তাহলে অর্ধেক মাল হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, ‘‘না।’’ আমি বললাম, ‘তাহলে কি এক তৃতীয়াংশ দান করতে পারি?’ তিনি বললেন, ‘‘এক তৃতীয়াংশ (দান করতে পার), তবে এক তৃতীয়াংশও অনেক। কারণ এই যে, তুমি যদি তোমার উত্তরাধিকারীদের ধনবান অবস্থায় ছেড়ে যাও, তাহলে তা এর থেকে ভাল যে, তুমি তাদেরকে কাঙ্গাল করে ছেড়ে যাবে এবং তারা লোকের কাছে হাত পাতবে।

(মনে রাখ,) আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে তুমি যা ব্যয় করবে তোমাকে তার বিনিময় দেওয়া হবে। এমনকি তুমি যে গ্রাস তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দাও তারও তুমি বিনিময় পাবে।’’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আমার সঙ্গীদের ছেড়ে পিছনে (মক্কায়) থেকে যাব?’ তিনি বললেন, ‘‘তুমি যদি তোমার সঙ্গীদের মরার পর জীবিত থাক এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে কোনো কাজ কর, তাহলে তার ফলে তোমার মর্যাদা ও সম্মান বর্ধন হবে। আর সম্ভবতঃ তুমি বেঁচে থাকবে। এমনকি তোমার দ্বারা কিছু লোক (মু’মিনরা) উপকৃত হবে। আর কিছু লোক (কাফেররা) ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হে আল্লাহ! তুমি আমার সাহাবীদেরকে হিজরতে পরিপূর্ণতা দান কর এবং তাদেরকে (হিজরত থেকে) পিছনে ফিরিয়ে দিও না। কিন্তু মিসকীন সা‘দ ইবনু খাওলা।’’ তাঁর মৃত্যু মক্কায় হওয়ার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেন।[1]

وَعَنْ أبي إِسْحَاقَ سعْدِ بْنِ أبي وَقَّاصٍ مَالك بن أُهَيْبِ بْنِ عَبْدِ مَنَافِ بْنِ زُهرةَ بْنِ آِلابِ بْنِ مُرَّةَ بْنِ آعْبِ بنِ لُؤىٍّ الْقُرشِيِّ الزُّهَرِيِّ رضِي اللَّهُ عَنْه،ُ أَحدِ الْعَشرة الْمَشْهودِ لَهمْ بِالْجَنَّة ، رضِي اللَّهُ عَنْهُم قال: » جَاءَنِي رسولُ االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يَعُودُنِي عَامَ حَجَّة الْوَداعِ مِنْ وَجعٍ اشْتدَّ بِي فَقُلْتُ : يا رسُول اللَّهِ إِنِّي قَدْ بلغَ بِي مِن الْوجعِ مَا تَرى ، وَأَنَا ذُو مَالٍ وَلاَ يَرثُنِي إِلاَّ ابْنةٌ لِي ، أَفأَتصَدَّق بثُلُثَىْ مالِي؟ قَالَ: لا ، قُلْتُ : فالشَّطُر يَارسوُلَ االله ؟ فقالَ : لا، قُلْتُ فالثُّلُثُ يا رسول اللَّه؟ قال: الثُّلثُ والثُّلُثُ آثِيرٌ أَوْ آَبِيرٌ إِنَّكَ إِنْ تَذرَ وَرثتك أغنِياءَ خَيْرٌ مِن أَنْ تذرهُمْ عالَةً يَتكفَّفُونَ النَّاس ، وَإِنَّكَ لَنْ تُنفِق نَفَقةً تبْتغِي بِهَا وجْهَ االله إِلاَّ أُجرْتَ عَلَيْهَا حَتَّى ما تَجْعلُ في في امْرَأَتكَ قَال: فَقلْت: يَا رَسُولَ االله أُخَلَّفَ بَعْدَ أَصْحَابِي؟ قَال: إِنَّك لن تُخَلَّفَ فتعْمَل عَمَلاً تَبْتغِي بِهِ وَجْهَ االله إلاَّ ازْددْتَ بِهِ دَرجةً ورِفعةً ولعَلَّك أَنْ تُخلَّف حَتَى ينْتفعَ بكَ أَقَوامٌ وَيُضَرَّ بك آخرُونَ. اللَّهُمَّ أَمْضِ لأِصْحابي هجْرتَهُم، وَلاَ ترُدَّهُمْ عَلَى أَعْقَابِهم، لَكن الْبائسُ سعْدُ بْنُ خـوْلَةَ » يرْثى لَهُ رسولُ االله صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم« أَن مَاتَ بمكَّةَ « متفقٌ عليه


Abu Ishaq Sa'd bin Abu Waqqas (May Allah be pleased with him) (one of the ten who had been given the glad tidings of entry into Jannah) narrated:
Messenger of Allah (ﷺ) visited me in my illness which became severe in the year of Hajjat-ul-Wada' (Farewell Pilgrimage). I said, "O Messenger of Allah, you can see the pain which I am suffering and I am a man of means and there is none to inherit from me except one daughter. Should I give two-thirds of my property in charity?" He (ﷺ) said, "No". I asked him, "Then half?" He said, "No". Then I asked, "Can I give away one-third". He said, "Give away one-third, and that is still too much. It is better to leave your heirs well-off than to leave them poor, begging people. You will not expend a thing in charity for the sake of Allah, but you will be rewarded for it; even the morsel of food which you feed your wife". I said, "O Messenger of Allah, would I survive my companions?" He said, "If you survive others and accomplish a thing for the sake of Allah, you would gain higher ranking and standing. You will survive them ... your survival will be beneficial to people (the Muslim) and harmful to others (the enemies of Islam). You will survive others till the people will derive benefit from you, and others would be harmed by you." Messenger of Allah (ﷺ) further said, "O Allah, complete for my Companions their emigration and do not cause them to retract." Sa'd bin Khaulah was unfortunate. Messenger of Allah (ﷺ) lamented his death as he died in Makkah.

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: In spite of all their love for it, the Companions of the Prophet (PBUH) did not like to die in a city from which they emigrated for the sake of Allah. For this reason Sa`d (May Allah be pleased with him) was afraid of dying in Makkah. The Prophet (PBUH) prayed for the accomplishment of Sa`d's emigration and expressed regret over the misfortune of Sa`d bin Khaulah. The latter died in Makkah.

Conclusion:
1. The Hadith lays down that in the course of a disease which seems to prove fatal, one cannot give more than onethird of the property in charity.
2. It is also emphasized that one gets reward even for what he spends on his wife and children.
3. One can report to others his ailment or to seek treatment and ask them to supplicate from him.
4. In the matter of Sadaqah (charity), which one gives to seek the Pleasure of Allah, his closest relatives. should
always have priority and preference over others.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন
১/ বিবিধ (كتاب المقدمات)