১১৫২

পরিচ্ছেদঃ দুগ্ধপানের ক্ষেত্রে এক মহিলার সাক্ষ্য।

১১৫২. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ...... উকবা ইবনুল হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করি তখন এক কালো মহিলা এসে বলল, আমি তোমাদের উভয়কেই দুগ্ধপান করিয়েছি। অনন্তর আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললাম, আমি অমুকের মেয়ে অমুককে বিয়ে করেছি। এখন এক কাল মহিলা এসে বলছে, আমি তোমাদের উভয়কে দুগ্ধ পান করেয়েছি। অথচ সে মিথ্যাবাদী। উকবা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার দিক থেকে চেহারা ফিরিয়ে নিলেন। তখন আমি আবার তাঁর চেহারার সামনা-সামনি হয়ে বললাম, নিশ্চয় এই মহিলাটি মিথ্যাবাদী। তিনি বললেন, কেমন করে তুমি এই মেয়ে নিয়ে ঘর করবে অথচ এই মহিলাটি বলছে যে, সে তোমাদের উভয়কে দুগ্ধ পান করিয়েছে। তোমার বন্ধন থেকে এই মেয়েটিকে ছেড়ে দাও। - ইরওয়া ২১৪৬, বুখারি, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৫১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, উকবা ইবনু হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সাহীহ। একাধিক রাবী এটিকে ইবনু আবী মুলায়কা-উকবা ইবনুল হারিছ রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এতে তারা রাবী উবায়দা ইবনু আবী মারয়াম-এর কথা এবং একে তোমার বন্ধন থেকে দাও’- কথাটির উল্লেখ করেন নি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আলিম সাহাবীদের এই হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে। তাঁরা রাযআত বা দুগ্ধপানের ব্যাপারে একজন মহিলার সাক্ষ্য গ্রহণ অনুমোদন দিয়েছেন। ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দুধ পান প্রমাণের জন্য একজন মহিলার সাক্ষ্যই গ্রহণ করা যায় এবং এর সঙ্গে তার কসমও নেয়া হবে। এ হলো ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ)-এর অভিমত। কোন কোন আলিম বলেন, একাধিক সাক্ষ্য না পাওয়া পর্যন্ত দুধ পান প্রমাণের জন্য একজন মহিলার সাক্ষ্য যথেষ্ট নয়। এ হলো শাফিঈ এর অভিমত। জারূদ বলেন, আমি ওয়াকি (রহঃ) কে বলতে শুনেছি, বিধানমতে একজন মহিলার সাক্ষ্যে দুগ্ধ পান প্রমাণিত হয় না বটে কিন্তু তাকওয়া এর খাতিরে (এই অবস্থাও) স্বামী-স্ত্রী উভয়কে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।

باب مَا جَاءَ فِي شَهَادَةِ الْمَرْأَةِ الْوَاحِدَةِ فِي الرَّضَاعِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي عُبَيْدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ وَسَمِعْتُهُ مِنْ، عُقْبَةَ وَلَكِنِّي لِحَدِيثِ عُبَيْدٍ أَحْفَظُ قَالَ تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً فَجَاءَتْنَا امْرَأَةٌ سَوْدَاءُ فَقَالَتْ إِنِّي قَدْ أَرْضَعْتُكُمَا ‏.‏ فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ تَزَوَّجْتُ فُلاَنَةَ بِنْتَ فُلاَنٍ فَجَاءَتْنَا امْرَأَةٌ سَوْدَاءُ فَقَالَتْ إِنِّي قَدْ أَرْضَعْتُكُمَا وَهِيَ كَاذِبَةٌ ‏.‏ قَالَ فَأَعْرَضَ عَنِّي ‏.‏ قَالَ فَأَتَيْتُهُ مِنْ قِبَلِ وَجْهِهِ فَأَعْرَضَ عَنِّي بِوَجْهِهِ فَقُلْتُ إِنَّهَا كَاذِبَةٌ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَكَيْفَ بِهَا وَقَدْ زَعَمَتْ أَنَّهَا قَدْ أَرْضَعَتْكُمَا دَعْهَا عَنْكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ الْحَارِثِ وَلَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ وَلَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ ‏"‏ دَعْهَا عَنْكَ ‏"‏ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ أَجَازُوا شَهَادَةَ الْمَرْأَةِ الْوَاحِدَةِ فِي الرَّضَاعِ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ تَجُوزُ شَهَادَةُ امْرَأَةٍ وَاحِدَةٍ فِي الرَّضَاعِ وَيُؤْخَذُ يَمِينُهَا ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَدْ قَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ لاَ تَجُوزُ شَهَادَةُ الْمَرْأَةِ الْوَاحِدَةِ حَتَّى يَكُونَ أَكْثَرَ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ ‏.‏ سَمِعْتُ الْجَارُودَ يَقُولُ سَمِعْتُ وَكِيعًا يَقُولُ لاَ تَجُوزُ شَهَادَةُ امْرَأَةٍ وَاحِدَةٍ فِي الْحُكْمِ وَيُفَارِقُهَا فِي الْوَرَعِ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن أيوب، عن عبد الله بن أبي مليكة، قال حدثني عبيد بن أبي مريم، عن عقبة بن الحارث، قال وسمعته من، عقبة ولكني لحديث عبيد أحفظ قال تزوجت امرأة فجاءتنا امرأة سوداء فقالت إني قد أرضعتكما ‏.‏ فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت تزوجت فلانة بنت فلان فجاءتنا امرأة سوداء فقالت إني قد أرضعتكما وهي كاذبة ‏.‏ قال فأعرض عني ‏.‏ قال فأتيته من قبل وجهه فأعرض عني بوجهه فقلت إنها كاذبة ‏.‏ قال ‏"‏ وكيف بها وقد زعمت أنها قد أرضعتكما دعها عنك ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابن عمر ‏.‏ قال أبو عيسى حديث عقبة بن الحارث حديث حسن صحيح ‏.‏ وقد روى غير واحد هذا الحديث عن ابن أبي مليكة عن عقبة بن الحارث ولم يذكروا فيه عن عبيد بن أبي مريم ولم يذكروا فيه ‏"‏ دعها عنك ‏"‏ ‏.‏ والعمل على هذا الحديث عند بعض أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم أجازوا شهادة المرأة الواحدة في الرضاع ‏.‏ وقال ابن عباس تجوز شهادة امرأة واحدة في الرضاع ويؤخذ يمينها ‏.‏ وبه يقول أحمد وإسحاق ‏.‏ وقد قال بعض أهل العلم لا تجوز شهادة المرأة الواحدة حتى يكون أكثر ‏.‏ وهو قول الشافعي ‏.‏ سمعت الجارود يقول سمعت وكيعا يقول لا تجوز شهادة امرأة واحدة في الحكم ويفارقها في الورع ‏.‏


Abdullah bin Abi Mulaikah narrated:
“Ubaid bin Abi Maryam narrated to me from Uqbah bin Al-Harith” and, he (Abdullah bin Abi Mulaikah) said: “And I heard it from Uqbah bin Al-Harith, but to me, the narration of Ubaid is better preserved; he said: (Uqbah bin Al-Harith narrated: ) “I married a woman, then a black woman came to us and she said: ‘I suckled both of you.’ So I went to the Prophet and said: ‘I married so-and-so the daughter of so-and-so, then a black women came to us, and said: “I suckled both of you” but she is a liar.’” He said: “Then he (pbuh) turned away from me.” He said: “So I went around to face him (and he (pbuh) turned his face away from me) so I said: ‘She is a liar.’ He said: ‘How can you stay with her while she claims that she suckled both of you? Leave her.’”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
১২/ শিশুদের দুগ্ধপান (كتاب الرضاع)