আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 8 টি

পরিচ্ছেদঃ ১১. আলিমদের ঐকমত্যে ফয়সালা করা

৫৩৯৬. মুহাম্মদ ইবন আ'লা (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আবদুল্লাহ্ (ইবন মাসউদ) (রাঃ)-এর নিকট অনেক লোক আসলো। তখন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বললেনঃ আমাদের উপর এমন এক সময় অতিবাহিত হয়েছে, যখন আমরা কোন বিচার করতাম না, আর ভাগ্যে আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের রেখেছেন যে, আমরা এই পর্যায়ে পৌছাব যেমন তোমরা প্রত্যক্ষ করছে। এখন হতে তোমাদের কারো যদি কখনও কোন মীমাংসা করার প্রয়োজন হয়, তখন সে আল্লাহ্ পাকের কিতাবানুসারে মীমাংসা করবে। যদি এমন কোন ব্যাপারে মীমাংসা করতে হয়, যা আল্লাহর কিতাবে নেই, তখন সে তার নবী এ ব্যাপারে যে মীমাংসা করেছেন, তা দ্বারা মীমাংসা করবে।

আর যদি তার নিকট এমন কোন ব্যাপারে উপস্থিত হয়, যা আল্লাহর কিতাবেও নেই এবং এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ফয়সালাও নেই, তখন সে যেন নেককারদের মীমাংসানুযায়ী মীমাংসা করে। যদি তার নিকট এমন কোন ব্যাপারে উপস্থিত হয়, যা আল্লাহর কিতাবেও নেই, তার নবী যা মীমাংসা দিয়েছেন তাতেও নেই এবং নোরদের মীমাংসায়ও এর দৃষ্টান্ত নেই, তখন সে ব্যাপারে স্বীয় জ্ঞানের দ্বারা মীমাংসা করবে এবং সে যেন এ কথা না বলে যে, নিশ্চয়ই আমি ভয় করি, আমি ভয় করি। কেননা হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট। আর এ দুয়ের মধ্যে কোন কোন বিষয় আছে, যা সন্দেহযুক্ত। অতএব এমন কাজ পরিত্যাগ কর, যা সন্দেহযুক্ত এবং ঐ কাজ কর, যাতে সন্দেহ নেই।

الْحُكْمُ بِاتِّفَاقِ أَهْلِ الْعِلْمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ عُمَارَةَ هُوَ ابْنُ عُمَيْرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ أَكْثَرُوا عَلَى عَبْدِ اللَّهِ ذَاتَ يَوْمٍ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ إِنَّهُ قَدْ أَتَى عَلَيْنَا زَمَانٌ وَلَسْنَا نَقْضِي وَلَسْنَا هُنَالِكَ ثُمَّ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ قَدَّرَ عَلَيْنَا أَنْ بَلَغْنَا مَا تَرَوْنَ فَمَنْ عَرَضَ لَهُ مِنْكُمْ قَضَاءٌ بَعْدَ الْيَوْمِ فَلْيَقْضِ بِمَا فِي كِتَابِ اللَّهِ فَإِنْ جَاءَ أَمْرٌ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَلْيَقْضِ بِمَا قَضَى بِهِ نَبِيُّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَإِنْ جَاءَ أَمْرٌ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ وَلَا قَضَى بِهِ نَبِيُّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَلْيَقْضِ بِمَا قَضَى بِهِ الصَّالِحُونَ فَإِنْ جَاءَ أَمْرٌ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ وَلَا قَضَى بِهِ نَبِيُّهُ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا قَضَى بِهِ الصَّالِحُونَ فَلْيَجْتَهِدْ رَأْيَهُ وَلَا يَقُولُ إِنِّي أَخَافُ وَإِنِّي أَخَافُ فَإِنَّ الْحَلَالَ بَيِّنٌ وَالْحَرَامَ بَيِّنٌ وَبَيْنَ ذَلِكَ أُمُورٌ مُشْتَبِهَاتٌ فَدَعْ مَا يَرِيبُكَ إِلَى مَا لَا يَرِيبُكَ قَالَ أَبُو عَبْد الرَّحْمَنِ هَذَا الْحَدِيثُ جَيِّدٌ جَيِّدٌ


It was narrated that 'Abdur-Rahman bin Yazid said: "The people asked 'Abdullah too many questions one day, and 'Abdullah said: 'There was a time when we did not pass so many judgments, but now that time is over. Now Allah, the Mighty and Sublime, has decreed that we reach a time when, as you see, (we are asked to pass many judgments). Whoever among you is asked to pass a judgment after this day, let him pass judgment according to what is in the Book of Allah. If he is faced with a matter that is not mentioned in the Book of Allah, let him pass judgment according to the way His Prophet [SAW] passed judgment. If he is faced with a matter that is not mentioned in the Book of Allah and concerning which His Prophet did not pass judgment, then let him pass judgment according to the way the righteous passed judgment. If he is faced with a matter that is not mentioned in the Book of Allah, and concerning which His Prophet and the righteous did not pass judgment, then let him strive to work it out, and let him not say 'I am afraid, I am afraid.' For that which is lawful is clear and that which is unlawful is clear, and between them are matters which are not as clear. Leave that which makes you doubt for that which does not make you doubt.'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৫/৯৭. মাগরিব এবং ‘ইশা উভয় সলাতের জন্য আযান ও ইক্বামাত দেয়া।

১৬৭৫. ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হাজ্জ আদায় করলেন। তখন ‘ইশার আযানের সময় বা তার কাছাকাছি সময় আমরা মুযদালিফায় পৌঁছলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে আদেশ দিলেন। সে আযান দিল এবং ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বলল। তিনি মাগরিব আদায় করলেন এবং এরপর আরো দু’ রাক‘আত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি রাতের খাবার আনালেন এবং তা খেয়ে নিলেন। (রাবী বলেন) অতঃপর তিনি একজনকে আদেশ দিলেন। আমার মনে হয়, লোকটি আযান দিল এবং ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বলল। ‘আমর (রহ.) বলেন, আমার বিশ্বাস এ সন্দেহ যুহাইর (রহ.) হতেই হয়েছে। অতঃপর তিনি দু’ রাক‘আত ‘ইশার সালাত আদায় করলেন। ফজর হওয়া মাত্রই তিনি বললেনঃ এ সময়, এ দিনে, এ স্থানে, এ সালাত ব্যতীত নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর কোন সালাত আদায় করেননি। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, এ দু’টি সালাত তাদের প্রচলিত ওয়াক্ত হতে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই লোকেরা মুযদালিফা পৌঁছার পর মাগরিব আদায় করেন এবং ফজরের সময় হওয়া মাত্র ফজরের সালাত আদায় করেন। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এরূপ করতে দেখেছি। (১৬৮২, ১৬৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৬৭)

بَاب مَنْ أَذَّنَ وَأَقَامَ لِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمٰنِ بْنَ يَزِيدَ يَقُولُ حَجَّ عَبْدُ اللهِ فَأَتَيْنَا الْمُزْدَلِفَةَ حِينَ الأَذَانِ بِالْعَتَمَةِ أَوْ قَرِيبًا مِنْ ذَلِكَ فَأَمَرَ رَجُلاً فَأَذَّنَ وَأَقَامَ ثُمَّ صَلَّى الْمَغْرِبَ وَصَلَّى بَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ دَعَا بِعَشَائِهِ فَتَعَشَّى ثُمَّ أَمَرَ أُرَى فَأَذَّنَ وَأَقَامَ قَالَ عَمْرٌو لاَ أَعْلَمُ الشَّكَّ إِلاَّ مِنْ زُهَيْرٍ ثُمَّ صَلَّى الْعِشَاءَ رَكْعَتَيْنِ فَلَمَّا طَلَعَ الْفَجْرُ قَالَ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لاَ يُصَلِّي هَذِهِ السَّاعَةَ إِلاَّ هَذِهِ الصَّلاَةَ فِي هَذَا الْمَكَانِ مِنْ هَذَا الْيَوْمِ قَالَ عَبْدُ اللهِ هُمَا صَلاَتَانِ تُحَوَّلاَنِ عَنْ وَقْتِهِمَا صَلاَةُ الْمَغْرِبِ بَعْدَ مَا يَأْتِي النَّاسُ الْمُزْدَلِفَةَ وَالْفَجْرُ حِينَ يَبْزُغُ الْفَجْرُ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَفْعَلُهُ


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: `Abdullah;- performed the Hajj and we reached Al-Muzdalifa at or about the time of the `Isha' prayer. He ordered a man to pronounce the Adhan and Iqama and then he offered the Maghrib prayer and offered two rak`at after it. Then he asked for his supper and took it, and then, I think, he ordered a man to pronounce the Adhan and Iqama (for the `Isha' prayer). (`Amr, a sub-narrator said: The intervening statement 'I think', was said by the sub-narrator Zuhair) (i.e. not by `Abdur-Rahman). Then `Abdullah offered two rak`at of `Isha' prayer. When the day dawned, `Abdullah said, "The Prophet never offered any prayer at this hour except this prayer at this time and at this place and on this day." `Abdullah added, "These two prayers are shifted from their actual times -- the Maghrib prayer (is offered) when the people reached Al-Muzdalifa and the Fajr (morning) prayer at the early dawn." `Abdullah added, "I saw the Prophet (ﷺ) doing that."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৫/৯৯. মুযদালিফায় ফজরের সলাত কখন আদায় করবে?

১৬৮৩. ‘আব্দুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে মক্কা্ রওয়ানা হলাম। এরপর আমরা মুযদালিফায় পৌঁছলাম। তখন তিনি পৃথক পৃথক আযান ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত)ের সাথে উভয় সালাত (মাগরিব ও ‘ইশা) আদায় করলেন এবং এ দু’ সালাতের মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিলেন। অতঃপর ফজর হতেই তিনি ফজরের সালাত আদায় করলেন। কেউ কেউ বলছিল যে, ফজরের সময় হয়ে গেছে, আবার কেউ বলছিল যে, এখনো ফজরের সময় আসেনি। এরপর ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ দু’ সালাত অর্থাৎ মাগরিব ও ‘ইশা এ স্থানে তাদের নিজ সময় হতে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই ‘ইশার ওয়াক্তের আগে কেউ যেন মুযদালিফায় না আসে। আর ফজরের সালাত এই মুহূর্তে। এরপর তিনি ফর্সা হওয়া পর্যন্ত সেখানে উকূফ করেন। এরপর বললেন, আমীরুল মুমিনীন যদি এখন রওয়ানা হন তাহলে তিনি সুন্নাত মুতাবিক কাজ করলেন। (রাবী বলেন) আমার জানা নেই, তাঁর কথা দ্রুত ছিল, না ‘উসমান (রাঃ)-এর রওয়ানা হওয়াটা। এরপর তিনি তালবিয়া পাঠ করতে থাকলেন, কুরবানীর দিন জামরায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত। (মুসলিম ১৫/৪৮, হাঃ ১২৮৯, আহমাদ ৩৬৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৫৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৫৭৫)

بَاب مَتَى يُصَلِّي الْفَجْرَ بِجَمْعٍ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ رَجَاءٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ خَرَجْنَا مَعَ عَبْدِ اللهِ إِلَى مَكَّةَ ثُمَّ قَدِمْنَا جَمْعًا فَصَلَّى الصَّلاَتَيْنِ كُلَّ صَلاَةٍ وَحْدَهَا بِأَذَانٍ وَإِقَامَةٍ وَالْعَشَاءُ بَيْنَهُمَا ثُمَّ صَلَّى الْفَجْرَ حِينَ طَلَعَ الْفَجْرُ قَائِلٌ يَقُولُ طَلَعَ الْفَجْرُ وَقَائِلٌ يَقُولُ لَمْ يَطْلُعْ الْفَجْرُ ثُمَّ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ هَاتَيْنِ الصَّلاَتَيْنِ حُوِّلَتَا عَنْ وَقْتِهِمَا فِي هَذَا الْمَكَانِ الْمَغْرِبَ وَالْعِشَاءَ فَلاَ يَقْدَمُ النَّاسُ جَمْعًا حَتَّى يُعْتِمُوا وَصَلاَةَ الْفَجْرِ هَذِهِ السَّاعَةَ ثُمَّ وَقَفَ حَتَّى أَسْفَرَ ثُمَّ قَالَ لَوْ أَنَّ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ أَفَاضَ الآنَ أَصَابَ السُّنَّةَ فَمَا أَدْرِي أَقَوْلُهُ كَانَ أَسْرَعَ أَمْ دَفْعُ عُثْمَانَ فَلَمْ يَزَلْ يُلَبِّي حَتَّى رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ يَوْمَ النَّحْرِ


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: I went out with `Abdullah , to Mecca and when we proceeded to am' he offered the two prayers (the Maghrib and the `Isha') together, making the Adhan and Iqama separately for each prayer. He took his supper in between the two prayers. He offered the Fajr prayer as soon as the day dawned. Some people said, "The day had dawned (at the time of the prayer)," and others said, "The day had not dawned." `Abdullah then said, "Allah's Messenger (ﷺ) said, 'These two prayers have been shifted from their stated times at this place only (at Al-Muzdalifa); first: The Maghrib and the `Isha'. So the people should not arrive at Al-Muzdalifa till the time of the `Isha' prayer has become due. The second prayer is the morning prayer which is offered at this hour.' " Then `Abdullah stayed there till it became a bit brighter. He then said, "If the chief of the believers hastened onwards to Mina just now, then he had indeed followed the Sunna." I do not know which proceeded the other, his (`Abdullah's) statement or the departure of `Uthman . `Abdullah was reciting Talbiya till he threw pebbles at the Jamrat-Al- `Aqaba on the Day of Nahr (slaughtering) (that is the 10th of Dhul-Hijja).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৫/১৩৫. বাতন ওয়াদী তথা (উপত্যকার নীচুস্থান) হতে কঙ্কর নিক্ষেপ।

১৭৪৭. ‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বাতন ওয়াদী হতে কঙ্কর মারেন। তখন আমি তাঁকে বললাম, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! লোকেরা তো এর উচ্চস্থান হতে কঙ্কর মারে। তিনি বললেন, সে সত্তার কসম! যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, এটা সে স্থান, যেখানে সূরা আল-বাকারাহ নাযিল হয়েছে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ওয়ালীদ (রহ.)...আ‘মাশ (রহ.) হতে এরূপ বর্ণনা করেন। (১৭৪৮, ১৭৮৯, ১১৭৫০, মুসলিম ১৫/৫০, হাঃ ১২৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২৫. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৩৩ )

بَاب رَمْيِ الْجِمَارِ مِنْ بَطْنِ الْوَادِي

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ الأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ رَمَى عَبْدُ اللَّهِ مِنْ بَطْنِ الْوَادِي فَقُلْتُ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمٰنِ إِنَّ نَاسًا يَرْمُونَهَا مِنْ فَوْقِهَا فَقَالَ وَالَّذِي لاَ إِلٰهَ غَيْرُهُ هَذَا مَقَامُ الَّذِي أُنْزِلَتْ عَلَيْهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ وَقَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ بِهَذَا


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: `Abdullah, did the Rami from the middle of the valley. So, I said, "O, Abu `Abdur-Rahman! Some people do the Rami (of the Jamra) from above it (i.e. from the top of the valley)." He said, "By Him except whom none has the right to be worshipped, this is the place from where the one on whom Surat-al-Baqara was revealed (i.e. Allah's Messenger (ﷺ)) did the Rami."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৫/১৩৭. বাইতুল্লাহকে বাম দিকে রেখে জামরায়ে ‘আকাবায় কংকর নিক্ষেপ।

১৭৪৯. ‘আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে বর্ণিত, তিনি ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর সঙ্গে হাজ্জ আদায় করলেন। তখন তিনি বাইতুল্লাহকে নিজের বামে রেখে এবং মিনাকে ডানে রেখে বড় জামরাকে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে দেখেছেন। এরপর তিনি বললেন, এ তাঁর দাঁড়াবার স্থান যাঁর প্রতি সূরা বাকরা নাযিল হয়েছে। (১৭৪৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৬২৭. ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৬৩৫)

بَاب مَنْ رَمَى جَمْرَةَ الْعَقَبَةِ فَجَعَلَ الْبَيْتَ عَنْ يَسَارِهِ

حَدَّثَنَا آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا الْحَكَمُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ يَزِيدَ أَنَّهُ حَجَّ مَعَ ابْنِ مَسْعُودٍ فَرَآهُ يَرْمِي الْجَمْرَةَ الْكُبْرَى بِسَبْعِ حَصَيَاتٍ فَجَعَلَ الْبَيْتَ عَنْ يَسَارِهِ وَمِنًى عَنْ يَمِينِهِ ثُمَّ قَالَ هَذَا مَقَامُ الَّذِي أُنْزِلَتْ عَلَيْهِ سُورَةُ الْبَقَرَةِ


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: I performed Hajj with Ibn Mas`ud , and saw him doing Rami of the big Jamra (Jamrat-ul-Aqaba) with seven small pebbles, keeping the Ka`ba on his left side and Mina on his right. He then said, "This is the place where the one on whom Surat-al-Baqara was revealed (i.e. Allah's Messenger (ﷺ) ) stood."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬২/২৭. আবদুল্লাহ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর মর্যাদা।

৩৭৬২. আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হুযাইফাহ (রাঃ)-কে এমন এক ব্যক্তির সন্ধান দিতে অনুরোধ করলাম যার আকার আকৃতি, চাল-চলন, আচার-ব্যবহার এবং স্বভাব-চরিত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সবচেয়ে মিল আছে, আমরা তাঁর হতে শিক্ষা গ্রহণ করব। হুযায়ফাহ (রাঃ) বললেন, আকার-আকৃতি, চাল-চালন, আচার-ব্যবহার এবং স্বভাব-চরিত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সবচেয়ে মিল আছে এমন লোক ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) ছাড়া অন্য কাউকেও আমি জানি না। (৬০৯৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৮৭)

بَابُ مَنَاقِبِ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِيْ إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيْدَ قَالَ سَأَلْنَا حُذَيْفَةَ عَنْ رَجُلٍ قَرِيْبِ السَّمْتِ وَالْهَدْيِ مِنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَتَّى نَأْخُذَ عَنْهُ فَقَالَ مَا أَعْرِفُ أَحَدًا أَقْرَبَ سَمْتًا وَهَدْيًا وَدَلًا بِالنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ ابْنِ أُمِّ عَبْدٍ


Narrated `Abdur-Rahman bin Yazid: We asked Hudhaifa to tell us of a person resembling (to some extent) the Prophet (ﷺ) in good appearance and straight forward behavior so that we may learn from him (good manners and acceptable conduct). Hudhaifa replied, "I do not know anybody resembling the Prophet (to some extent) in appearance and conduct more than Ibn Um `Abd.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে তার মর্যাদা

৩৩৬৩. (অপর সনদে) আব্দুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি কুরআনকে ভালবাসে সে যেন আনন্দিত হয়।[1]

بَاب فَضْلِ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ

حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَنْ أَحَبَّ الْقُرْآنَ فَلْيُبْشِرْ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯. নামাযের ওয়াক্তসমূহ এবং এ সম্পর্কিত হাদীস বর্ণনায় মতভেদ।

৯৮৩(২২). মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবনে ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) আসরের নামায বিলম্ব করে পড়তেন।

بَابُ ذِكْرِ بَيَانِ الْمَوَاقِيتِ وَاخْتِلَافِ الرِّوَايَاتِ فِي ذَلِكَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، ثَنَا الْحَسَّانِيُّ ، ثُنَا وَكِيعٌ ، ثَنَا إِسْرَائِيلُ ، وَعَلِيُّ بْنُ صَالِحٍ ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ ، قَالَ : " كَانَ عَبْدُ اللَّهِ يُؤَخِّرُ الْعَصْرَ


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আবদুর রাহমান ইবনু ইয়াযিদ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৮ পর্যন্ত, সর্বমোট ৮ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে