আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে ৫৪৪৯ টি

পরিচ্ছেদঃ তওবার বিবরণ

(৩৮১১) ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা বান্দার তওবাহ সে পর্যন্ত কবুল করবেন, যে পর্যন্ত তার প্রাণ কণ্ঠাগত না হয়।

وعَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْـمَانِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا عَنِ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ يَقْبَلُ تَوبَةَ العَبْدِ مَا لَمْ يُغَرْغِرْ رواه الترمذي وَقالَ حديث حسن


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ মহানবী (ﷺ) ও তাঁর সাহাবাগণের অভাবের-জীবন

(৩৮৩৭) ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম, ইতিমধ্যে এক আনসারী এলেন এবং তাঁকে সালাম দিলেন। অতঃপর আনসারী ফিরে যেতে লাগলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আনসারের ভাই! আমার ভাই সা’দ ইবনে উবাদাহ কেমন আছে? তিনি বললেন, ’ভাল আছে।’ তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের মধ্যে কে তাকে (অসুস্থ সা’দকে) দেখতে যাবে? সুতরাং তিনি উঠে দাড়ালেন এবং আমরাও উঠে দাঁড়ালাম। আমরা দশের কিছু বেশী ছিলাম। আমাদের দেহে জুতো, মোজা, টুপী এবং জামা কিছুই ছিল না। আমরা ঐ পাথুরে যমিনে পায়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম, এমনকি শেষ পর্যন্ত আমরা সা’দ (রাঃ) এর নিকট পৌঁছে গেলাম। তার গৃহবাসীরা তাঁর নিকট থেকে সরে গেল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ তাঁর নিকটবর্তী হলেন।

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا، قَالَ : كُنَّا جُلُوساً مَعَ رَسُولِ اللهِ ﷺ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ مِنَ الأنْصَارِ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ ثُمَّ أدْبَرَ الأَنْصَاريُّ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ يَا أخَا الأنْصَارِ كَيْفَ أخِي سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ ؟ فَقَالَ : صَالِحٌ فَقَالَ رَسُول اللهِ ﷺ مَنْ يَعُودُهُ مِنْكُمْ ؟ فَقَامَ وَقُمْنَا مَعَهُ، وَنَحْنُ بضْعَةَ عَشَرَ، مَا عَلَيْنَا نِعَالٌ، وَلاَ خِفَافٌ، وَلاَ قَلاَنِسُ، وَلاَ قُمُصٌ، نَمْشِي في تِلك السِّبَاخِ، حَتّٰـى جِئْنَاهُ، فَاسْتَأْخَرَ قَوْمُهُ مِنْ حَوْلِه حَتّٰـى دَنَا رَسُوْلُ اللهِ ﷺ وَأصْحَابُهُ الَّذِينَ مَعَهُ رواه مسلم


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ কিয়ামতের কতিপয় লক্ষণ

(৩৮৩৮) ইবনে উমার (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন আরাফাতে ভাষণ দিচ্ছিলেন। অতঃপর যখন সূর্য পাহাড়ের মাথায় এসে অস্তের কাছাকাছি হল, তখন তিনি বললেন,

أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهُ لَمْ يَبْقَ مِنْ دُنْيَاكُمْ فِيمَا مَضَى مِنْهَا إِلَّا كَمَا بَقِيَ مِنْ يَوْمِكُمْ هٰذَا فِيمَا مَضَى مِنْهُ

হে লোক সকল! দুনিয়ার সময় যতটুকু পার হয়ে গেছে, তার মোকাবেলায় কেবল ততটুকু অবশিষ্ট আছে, তোমাদের আজকের দিনের সময় পার হওয়ার মোকাবেলায় যতটুকু অবশিষ্ট আছে।

-


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ দাজ্জাল ও তার পরিচয়

(৩৮৬২) ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের সামনে দাজ্জাল সংক্রান্ত আলোচনা ক’রে বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ কানা নন। সাবধান! মসীহ দাজ্জালের ডান চোখ কানা এবং তার চোখটি যেন (গুচ্ছ থেকে) ভেসে ওঠা আঙ্গুর। (বুখারী ৩৪৩৯,মুসলিম ৪৪৪)

وَعَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا : أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ ذَكَرَ الدَّجَّالَ بَيْنَ ظَهْرَانَي النَّاسِ فَقَالَ إنَّ اللهَ لَيْسَ بِأَعْوَرَ، أَلاَ إِنَّ المَسِيحَ الدَّجَّالَ أَعْوَرُ العَيْنِ اليُمْنَى، كَأنَّ عَيْنَهُ عِنَبَةٌ طَافِيَةٌ متفق عليه


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ দাজ্জাল ও তার পরিচয়

(৩৮৬৬) ইবনে উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনে স্বাইয়াদকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন,

مَاذَا تَرَى قَالَ ابْنُ صَيَّادٍ يَأْتِينِي صَادِقٌ وَكَاذِبٌ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ خُلِّطَ عَلَيْكَ الْأَمْرُ ثُمَّ قَالَ لَهُ النَّبِيُّ ﷺ إِنِّي قَدْ خَبَأْتُ لَكَ خَبِيئًا فَقَالَ ابْنُ صَيَّادٍ هُوَ الدُّخُّ فَقَالَ اخْسَأْ فَلَنْ تَعْدُوَ قَدْرَكَ

তুমি কী দেখ? সে বলল, ’আমার নিকট সত্যবাদী আসে ও মিথ্যাবাদী আসে।’ তিনি বললেন, ’’ব্যাপারটা তোমার কাছে গোলমেলে হয়ে গেছে। আমি তোমার জন্য একটি জিনিস (মনে মনে) গোপন করেছি (সেটা কী বলতে পারবে)?’’ সে বলল, ’দুখ’। তিনি বললেন, ’’ধুৎ! তুমি কখনই তোমার মর্যাদা অতিক্রম করতে পারবে না।

-


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. পানি - কী পরিমাণ পানি অপবিত্র হবে; আর কী পরিমাণ পানি অপবিত্র হবে না

৫। আবদুল্লাহ বিন ’উমার (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ’পানির পরিমাণ যদি দু’ কুল্লা (কুল্লা হচ্ছে বড় আকারের মাটির পাত্র বিশেষ যাতে প্রায় একশত তের কেজি পানি আটে) (মটকা) হয় তবে তার মধ্যে কোন অপবিত্র বস্তু পড়লে তা না-পাক হবে না’। (চারজনে এটি বর্ণনা করেছেন এবং ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু হিব্বান এক সহীহ বলেছেন।[1]

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا كَانَ الْمَاءَ قُلَّتَيْنِ لَمْ يَحْمِلْ الْخَبَثَ. وَفِي لَفْظٍ: لَمْ يَنْجُسْ. أَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ. وَابْنُ حِبَّانَ وَالحَاكِمُ

-

صحيح. رواه أبو داود (63 و 64 و 65)، والنسائي (1/ 46 و175)، والترمذي (67)، وابن ماجه (517)، وهو حديث صحيح، وقد أعل بما لا يقدح. وصححه ابن خزيمة (92)، والحاكم (132)، وابن حبان (1249)


Narrated ‘Abdullah bin ‘Umar (rad): Allah’s Mesenger (ﷺ) said: “If there is enough water to fill two pots (Qulla), it carries no impurity,” Another version has: “It does not become unclean”. {Al-Arba’a reported it. Ibn Khuzaima, Ibn Hibban and Al-Hakim graded it Sahih (sound)].


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. পানি - মাছ ও পঙ্গপাল পানিতে পড়ে মৃত্যুবরণ করলে পানি অপবিত্র হবে না

১৩। ইবনু ’উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাদ্যরূপে ’দু’প্রকারের মৃত প্রাণী এবং দু’প্রকার রক্তকে আমাদের (মুসলিমদের) জন্য হালাল করা হয়েছে। দু’প্রকার মৃত প্রাণী হচ্ছেঃ টিড্ডি (পঙ্গপাল) ও মাছ। এবং রক্তের দু’প্রকার হচ্ছে— (হালাল প্রাণীর) কলিজা ও হৃৎপিণ্ড।[1]

وَعَن ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أُحِلَّتْ لَنَا مَيْتَتَانِ وَدَمَانِ, فَأَمَّا الْمَيْتَتَانِ: فَالْجَرَادُ وَالْحُوتُ, وَأَمَّا الدَّمَانُ: فَالطِّحَالُ وَالْكَبِدُ». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَفِيهِ ضَعْفٌ

-

رواه أحمد (2/ 97)، وابن ماجه (3314)، وسنده ضعيف كما أشار إلى ذلك الحافظ. ولكنه يصح عن ابن عمر موقوفا، والموقوف له حكم الرفع كما قاله البيهقي رحمه الله


Narrated Ibn 'Umar: Narrated Ibn 'Umar (rad): Allah’s Messenger (ﷺ) said: "Two types of dead animals and two types of bloods have been made lawful for us, the two types of dead animals are locusts and fish (seafood), while the two types of bloods are the liver and the spleen". [Reported by Ahmad and Ibn Majah, and this Hadith has some weakness.]


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭. কাযায়ে হাযাত বা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার (পায়খানা প্রস্রাবের) বর্ণনা - যে সকল স্থানে পেশাব-পায়খানা নিষিদ্ধ

৯৩। আর তাবারানী বর্ণনা করেছেনঃ ফলদার গাছ-পালার নীচে ও প্রবহমান নদী নালার কিনারায় পায়খানা করা নিষেধ। ইবনু ’উমার (রাঃ)-র বর্ণিত এ হাদীসটির সানাদ যঈফ।[1]

وَأَخْرَجَ الطَّبَرَانِيُّ النَّهْيَ عَنْ تَحْتِ الْأَشْجَارِ الْمُثْمِرَةِ, وَضَفَّةِ النَّهْرِ الْجَارِي. مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ بِسَنَدٍ ضَعِيفٍ

-

منكر. رواه الطبراني بتمامه في «الأوسط» كما في مجمع البحرين (349)، وفي «الكبير» الشطر الأخير منه كما في مجمع الزوائد


At-Tabarani also narrated on the authority of Ibn ‘Umar (with a weak chain of narrators), the prohibition of relieving oneself under fruit trees and beside the bank of a flowing river.


হাদিসের মানঃ মুনকার (সহীহ হাদীসের বিপরীত)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯. তায়াম্মুম (মাটির সাহায্যে পবিত্রতা অর্জন) - তায়াম্মুমের ভিন্ন পদ্ধতির বিবরণ

১৩০। ইবনু ’উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ’তায়াম্মুমের জন্য মাটিতে দু’ বার হাত মারতে হয়। এক বার মুখমণ্ডলের জন্য আরেক বার কনুই পর্যন্ত দু’হাতের জন্য’। হাদীসবেত্তাগণ হাদীসটির মাওকুফ হওয়াকেই সহীহ বলে সাব্যস্ত করেছেন।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «التَّيَمُّمُ ضَرْبَتَانِ: ضَرْبَةٌ لِلْوَجْهِ, وَضَرْبَةٌ لِلْيَدَيْنِ إِلَى الْمِرْفَقَيْنِ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَصَحَّحَ الْأَئِمَّةُ وَقْفَهُ

-

ضعيف جدا. رواه الدارقطني (1806)


Narrated Ibn `Umar (RAA): Allah’s Messenger (ﷺ) said: "Tayammum is two strikes: one for the face and one for the hands up to the elbows." Reported by Ad-Daraqutni


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. সালাতের সময়সমূহ - শাফাক্ব (সূর্যাস্তের পরে পশ্চিম আকাশের লাল আভা) যার কারণে মাগরিবের সময় শেষ হয়ে যায় তার ব্যাখ্যা

১৬৮। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, ’শাফাক্ব’ এর অর্থ হুমরা (সূর্যাস্তের পরবর্তী পশ্চিমাকাশে দৃশ্যমান লাল আভা)। ইমাম দারাকুতনী এটিকে বর্ণনা করেছেন। ইবনু খুযাইমাহ একে সহীহ বলেছেন এবং অন্যান্যরা একে মাওকুফ বলেছেন।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «الشَّفَقُ الْحُمْرَةُ». رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ وَصَحَّحَ ابْنُ خُزَيْمَةَ وَغَيْرُهُ وَقْفَهُ

-

ضعيف. رواه الدارقطني في «السنن» (1/ 269/3) وتمام لفظه: فإذا غاب الشفق، وجبت الصلاة


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. সালাতের সময়সমূহ - সময়ের স্তর অনুযায়ী ফযীলত কম-বেশি হয়

১৭৩। তিরমিযীতে ইবনু উমার হতে এরূপ একটি হাদীস রয়েছে। তাতে মধ্যমাংশ শব্দ নেই। এটির সানাদও দুর্বল।[1]

وَلِلتِّرْمِذِيِّ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ نَحْوُهُ, دُونَ الْأَوْسَطِ, وَهُوَ ضَعِيفٌ أَيْضًا

-

موضوع. كسابقه. رواه الترمذي (172)، وفي قول الحافظ: «ضعيف» تساهل؛ فإن في إسناده يعقوب بن الوليد كان من الكذابين الكبار كما قال أحمد


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১. সালাতের সময়সমূহ - ফজর উদয়ের পর দু’রাকআত সুন্নাত ব্যতীত অন্য সালাত আদায় করা নিষেধ

১৭৪। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন; ফজর সালাতের সময় সমাগত হলে ফজরের দু’রাক’আত (সুন্নাত) ব্যতীত অন্য কোন নফল সালাত (আদায় বৈধ) নেই।[1] আব্দুর রাযযাকের বর্ণনায় রয়েছে : ফজর উদিত হওয়ার পর ফজরের দু’রাক’আত (সুন্নাত) ছাড়া অন্য কোন সালাত নেই।[2]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا صَلَاةَ بَعْدَ الْفَجْرِ إِلَّا سَجْدَتَيْنِ». أَخْرَجَهُ الْخَمْسَةُ, إِلَّا النَّسَائِيُّ
وَفِي رِوَايَةِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ: لَا صَلَاةَ بَعْدَ طُلُوعِ الْفَجْرِ إِلَّا رَكْعَتَيْ الْفَجْرِ

-

صحيح. رواه أبو داود (1278)، والترمذي (419)، وأحمد (5811)، وعند أبي داود في أوله زيادة: «ليبلغ شاهدكم غائبكم». وقال الترمذي: «ومعنى هذا الحديث إنما يقول: لا صلاة بعد طلوع الفجر إلا ركعتي الفجر». قلت: وما قاله الترمذي هو لفظ رواية عبد الرازق. وأما ابن ماجه (235) فاقتصر على قوله: «ليبلغ شاهدكم غائبكم»، وبذلك يتبين أو عزو الحديث له غير دقيق من الحافظ رحمه الله

صحيح. رواه عبد الرازق في «المصنف» (3/ 53 /4760)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. আযান (সালাতের জন্য আহ্বান) - এক আযানে দু’সালাতকে একত্রিত করা যথেষ্ট

১৮৮। মুসলিমে ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে আরো আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিব ও ইশার সালাত এক ইকামাতে জমা (একত্ৰিত) করে আদায় করলেন। [1]

কিন্তু আবূ দাউদ প্রত্যেক সালাতের জন্য কথাটি বৃদ্ধি করেছেন এবং আবূ দাউদের অন্য এক বর্ণনায় আছে, “দু’ সালাতের মধ্যে কোন একটিতে (দ্বিতীয় সালাতে) আযান দেয়া হয়নি।

وَلَهُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ: جَمَعَ بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ بِإِقَامَةٍ وَاحِدَةٍ
زَادَ أَبُو دَاوُدَ: لِكُلِّ صَلَاةٍ
وَفِي رِوَايَةِ لَهُ: وَلَمْ يُنَادِ فِي وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا

-

صحيح. رواه مسلم (1288) (289 و 290) وقوله: «بإقامة واحدة» أي: لكل صلاة كما هي رواية أبي داود (1928)، وهذا الحمل لرواية مسلم أولى من القول بشذوذها. وأما رواية أبي داود: «ولم يناد في واحدة منهما» فهي شاذة. والله أعلم


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. আযান (সালাতের জন্য আহ্বান) - ফজরের পূর্বে আযানের বিধান

১৮৯। ইবনু ’উমার ও ’আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তারা বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিলাল তো বস্তুতঃপক্ষে রাতে (সুবহি সাদিকের পূর্বে)। আযান দেয়। অতএব তোমরা পানাহার (সাহারী খাও) করতে থাকো যতক্ষণ না ইবনু উম্মু মাকতুম ফজরের সালাতের আযান দেয়। তিনি ছিলেন অন্ধ তাই আসবাহতা, আসবাহতা (সকাল করে ফেললেন, সকাল করে ফেললেন) না বলা পর্যন্ত তিনি (ফজরের) আযান দিতেন না[1]। এ হাদীসের শেষাংশে কিছু ইদরাজ বা রাবীর কিছু বক্তব্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথার সাথে সন্নিবেশিত হয়েছে।[2]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ, وَعَائِشَةَ قَالَا: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ, فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُنَادِيَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ»، وَكَانَ رَجُلًا أَعْمَى لَا يُنَادِي, حَتَّى يُقَالَ لَهُ: أَصْبَحْتَ, أَصْبَحْتَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَفِي آخِرِهِ إِدْرَاجٌ

-

صحيح. رواه البخاري (617)، ومسلم (1092) واللفظ للبخاري


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. আযান (সালাতের জন্য আহ্বান) - সময় আগমন নিশ্চিত হওয়ার পূর্বে আযানের বিধান

১৯১। ইবনু ’উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, বিলাল (রাঃ) ফজরের (সময়ের অল্প) পূর্বে আযান দিয়েছিলেন। ফলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে- ’এ বান্দা অবশ্য ঘুমিয়ে গিয়েছিল বলে’ ঘোষণা দিতে নির্দেশ করলেন। আবূ দাউদ একে য’ঈফ (দুর্বল) রূপে বর্ণনা করেছেন।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ: إِنَّ بِلَالًا أَذَّنَ قَبْلَ الْفَجْرِ, فَأَمَرَهُ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يَرْجِعَ, فَيُنَادِيَ: «أَلَا إِنَّ الْعَبْدَ نَامَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ، وَضَعَّفَهُ

-

صحيح. رواه أبو داود (532)، وأما تضعيف أبي داود فمثله فعل الترمذي إذ قال: «حديث غير محفوظ»، وحجتهم في ذلك أن حماد بن سلمة أخطأ فيه. قلت: وتخطئة الثقة بدون بينة مردود كما فعلوا ذلك هنا


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. আযান (সালাতের জন্য আহ্বান) - আযানের জওয়াব দেয়া

১৯৪। এবং মুসলিমে ইবনু ’উমার থেকে আযানের জবাবের ফযীলত সম্বন্ধে বর্ণিত রয়েছে মুয়াযযিন যা বলবেন শ্রোতা সেসব বাক্যই বলবেন। তবে “হায়ইআ আলাস সালাহ, হায়ইআ আলাল ফালাহ" দু’টির জবাবে বলবে- ’লা হাওলা অলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।"[1]

وَلِمُسْلِمٍ: عَنْ عُمَرَ فِي فَضْلِ الْقَوْلِ كَمَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ كَلِمَةً كَلِمَةً, سِوَى الْحَيْعَلَتَيْنِ, فَيَقُولُ: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

-

صحيح. رواه مسلم (385) ونصه: عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إذ قال المؤذن: الله أكبر. الله أكبر. فقال أحدكم: الله أكبر. الله أكبر. ثم قال: أشهد أن لا إله إلا الله. قال: أشهد أن لا إله إلا الله. ثم قال: أشهد أن محمدا رسول الله. قال: أشهد أن محمدا رسول الله. ثم قال: حي على الصلاة. قال: لا حول ولا قوة إلا بالله. ثم قال: حي على الفلاح. قال: لا حول ولا قوة إلا بالله. ثم قال: الله أكبر. الله أكبر. قال: الله أكبر. الله أكبر. ثم قال: لا إله إلا الله. قال: لا إله إلا الله. من قلبه دخل الجنة


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. সালাতের শর্তসমূহ - যে সকল স্থানে সালাত আদায় নিষিদ্ধ

২১৬. ইবনু ’উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাতটি জায়গায় সালাত আদায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন- (১) ময়লা ফেলার স্থানে, (৩) পশু যবহ করার স্থানে, (৩) কবরস্থানে, (৪) চলাচলের রাস্তায়, (৫) হাম্মামে (গোসল খানায়), (৬) উট বাঁধবার স্থানে, (৭) বাইতুল্লাহর ছাদের উপর।

-তিরমিযী বর্ণনা করে একে য’ঈফ (দুর্বল) বলেছেন।[1]

وَعَنْ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا-[قَالَ]: نَهَى النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يُصَلَّى فِي سَبْعِ مَوَاطِنَ: الْمَزْبَلَةِ, وَالْمَجْزَرَةِ, وَالْمَقْبَرَةِ, وَقَارِعَةِ الطَّرِيقِ, وَالْحَمَّامِ, وَمَعَاطِنِ الْإِبِلِ, وَفَوْقَ ظَهْرِ بَيْتِ اللَّهِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَضَعَّفَهُ

-

منكر. وقد تحرَّف في الأصل: «ابن عمر» إلى: «ابن عمرو». رواه الترمذي (346/ 347) وهذا الحديث من مناكير زيد بن جبيرة كما قال الساجي، وكما هو صنيع ابن عدي في «الكامل»، والذهبي في الميزان إذ عَدَّا هذا الحديث من مناكيره، ومجيء الحديث من طريق آخر لا يشفع لمن صحَّحه! كالعلامة الشيخ أحمد شاكر -رحمه الله-، إذ هما «جميعا واهيين» كما قال أبو حاتم في «العلل» (1/ 148)


হাদিসের মানঃ মুনকার (সহীহ হাদীসের বিপরীত)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. সালাতের শর্তসমূহ - মুসল্লী ব্যক্তি ইঙ্গিতের মাধ্যম সলামের উত্তর দিবে

২২৫. ইবনু ’উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, আমি বিলাল (রাঃ)-কে বললাম, কেমন করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করার সময় তাঁদের (সাহাবীগণের) সালামের জবাব দিতেন? রাবী বলেন, বিলাল (রাঃ) বললেন, তিনি এভাবে হাত উঠাতেন, (অৰ্থাৎ হাতের ইশারায় জবাব দিতেন)। তিরমিযী একে সহীহ বলেছেন।[1]

وَعَنْ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا-[قَالَ]: قُلْتُ لِبِلَالٍ: كَيْفَ رَأَيْتَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - يَرُدَّ عَلَيْهِمْ حِينَ يُسَلِّمُونَ عَلَيْهِ, وَهُوَ يُصَلِّي? قَالَ: يَقُولُ هَكَذَا, وَبَسَطَ كَفَّهُ. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ

-

صحيح. رواه أبو داود (927)، والترمذي (368)، وقال الترمذي: «حسن صحيح». قلت: ولفظه: كان يشير بيده


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭. সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি - সালাতে দু'হাত উত্তোলন ও হাত উত্তোলনের স্থানসমূহ

২৭৫. ’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শুরু করতেন, তখন উভয় হাত তার কাঁধ বরাবর উঠাতেন। আর যখন রুকূ’তে যাওয়ার জন্য তাকবীর বলতেন এবং যখন রুকূ’ হতে মাথা উঠাতেন তখনও দু’হাত উঠাতেন।[1]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلَاةَ, وَإِذَا كَبَّرَ لِلرُّكُوعِ, وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

-

صحيح. رواه البخاري (735)، ومسلم (390)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. আযান (সালাতের জন্য আহ্বান) - আযানের জন্য উযূ করা শরীয়তসম্মত

৩১২. আর ইবনু খুযাইমাহ একে (ইবনু ’উমারের হাদীসকে) সহীহ বলেছেন, এবং বুখারীও এটাকে মুআল্লাক-মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন।[1]

ابْنِ عُمَرَ - رضي الله عنه - صَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَذَكَرَهُ الْبُخَارِيُّ مُعَلَّقًا مَوْقُوفًا

-

حسن. رواه ابن خزيمة (627) ولفظه: عن ابن عمر «أنه كان يضع يديه قبل ركبتيه، وقال: كان رسول الله -صلى الله عليه وسلم- يفعل ذلك». وهذا الحديث أُعِلَّ بما لا يَقْدَحُ، وقد صححه غير ابن خزيمة: الحاكمُ، وشيخنا الألباني حفظه الله. والموقوف علقه البخاري (2/ 290 /فتح)


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ ৪৭০১ থেকে ৪৭২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫৪৪৯ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ « আগের পাতা 1 2 3 4 · · · 233 234 235 236 237 · · · 270 271 272 273 পরের পাতা »