৫৬২৬

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ - জান্নাত ও জান্নাতবাসীদের বিবরণ

৫৬২৬-[১৫] আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আল্লাহ তা’আলা জান্নাতবাসীদেরকে লক্ষ্য করে বলবেন, হে জান্নাতবাসীগণ! উত্তরে তারা বলবেন, ’আমরা উপস্থিত, সৌভাগ্য তোমার কাছ থেকে অর্জিত এবং যাবতীয় কল্যাণ তোমারই হাতে।” তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, তোমরা কি সন্তুষ্ট? তারা উত্তরে বলবে, কেন সন্তুষ্ট হব না, হে আমাদের প্রভু! অথচ আপনি আমাদেরকে এমন জিনিস দান করেছেন যা আপনার সৃষ্ট জগতের কাউকেও দান করেননি। তখন আল্লাহ তা’আলা বলবেন, আমি কি তা অপেক্ষাও উত্তম জিনিস তোমাদেরকে দান করব না? তারা বলবে, হে প্রভু! তা অপেক্ষা উত্তম কিছু আর কি হতে পারে?
অতঃপর আল্লাহ তা’আলা বলবেন, আমি তোমাদের ওপর আমার সন্তুষ্টি দান করছি, অতএব এরপর তোমাদের ওপর আর কখনো আমি অসন্তুষ্ট হব না। (বুখারী ও মুসলিম)

الفصل الاول (بَاب صفةالجنة وَأَهْلهَا)

وَعَن أبي سعيد قا ل: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَقُولُ لِأَهْلِ الْجَنَّةِ يَا أهلَ الجنةِ فيقولونَ لَبَّيْكَ رَبَّنَا وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ كُلُّهُ فِي يَدَيْكَ فَيَقُولُ: هَلْ رَضِيتُمْ؟ فَيَقُولُونَ: وَمَا لَنَا لَا نَرْضَى يَا رَبِّ وَقَدْ أَعْطَيْتَنَا مَا لَمْ تُعْطِ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ؟ فَيَقُولُ أَلَا أُعْطِيكُمْ أَفْضَلَ مِنْ ذَلِكَ؟ فَيَقُولُونَ: يَا رَبِّ وَأَيُّ شَيْءٍ أَفْضَلُ مِنْ ذَلِكَ؟ فَيَقُولُ: أُحِلُّ عَلَيْكُمْ رِضْوَانِي فَلَا أَسْخَطُ عَلَيْكُمْ بَعْدَهُ أَبَدًا . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (6549) و مسلم (9 / 2829)، (7140) ۔ (مُتَّفق عَلَيْهِ)

ব্যাখ্যা: জান্নাতবাসীদের সাথে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জান্নাতে কথা বলবেন। এরপর তারা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে উদ্দেশ্য করে বলবেন, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা উপস্থিত। এরপর তিনি তাদেরকে জান্নাতে যে নি'আমাতরাজি প্রদান করেছেন তা পেয়ে তারা সন্তুষ্ট কিনা এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করবেন। তারা বলবে, আমরা কি আপনার নাশোকর বান্দা যে, আমরা তা স্বীকার করব না। আপনি তো আমাদের অসংখ্য নি'আমাত দান করেছেন যা আমরা কখনো কল্পনাও করেনি। তারপর আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামীন জান্নাতবাসীদেরকে উদ্দেশ্য করে বলবেন, আজ থেকে তোমাদের জন্য আমার সন্তুষ্টি চিরঅবধারিত হয়ে গেল আমি আর কখনো তোমাদের প্রতি রাগ করব না। ইমাম ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, সবচেয়ে বড় নি'আমাত হবে আল্লাহর দর্শন। (ফাতহুল বারী ১৩ খণ্ড, হা. ৭৫১৮, শারহুন নাবাবী ১৭ খণ্ড, হা. ২৮২৯/৯)