ইমেইল পাঠাতে লগইন করুন

স্পাম প্রতিরোধে এই ফিচারটি শুধুমাত্র লগইনকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য।

লগইন সাইনআপ
১৯৩৬

পরিচ্ছেদঃ

১৯৩৬। মানুষের কাছে এমন একটি সময় আসবে যখন কুরআনে তার রেখা ছাড়া আর কিছুই থাকবে না। ইসলামের নাম ছাড়া কিছুই থাকবে না। ইসলামের দ্বারা তারা শপথ করবে অথচ তার থেকে লোকেরা বহু দূরে থাকবে। তাদের মাসজিদগুলো আবাদ করা হবে, তবে হেদায়েতের পথ থেকে লক্ষ্যচ্যুৎ হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে। সে যুগের ফাকীহগন আসমানের ছায়াতলে সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্ট ফকীহ্ হবে। তাদের থেকেই ফেতনাহ্ বের হবে এবং তাদের নিকটেই ফিরে যাবে।

হাদীসটি খুবই দুর্বল।

এটিকে দাইলামী তার “মুসনাদ” গ্রন্থে (১/১০৭) হাকিমের সূত্র হতে তার সনদে খালেদ ইবনু ইয়াযীদ আনসারী হতে, তিনি ইবনু আবী যিইব হতে, তিনি নাফে’ হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ বাহ্যিকভাবে যা বুঝা যায় তা হচ্ছে এই যে, এ খালেদ হচ্ছেন উমারী মাক্কী। কারণ তিনি ইবনু আবী যিইব হতে বর্ণনা করেন। আর তাকে আবু হাতেম এবং ইয়াহইয়া মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। ইবনু হিব্বান (১/২৫৮) বলেন তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে বানোয়াট হাদীস বর্ণনাকারী।

অতঃপর দাইলামী ইসমাঈল ইবনু আবী যিয়াদ সূত্রে সাওর হতে, তিনি খালেদ ইবনু মি’দান হতে, তিনি মুয়ায (রাঃ) হতে তার মতই বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি তার পূর্বেরটির ন্যায় বানোয়াট। এর সমস্যা হচ্ছে এ ইসমাঈল। তিনি হচ্ছেন সাকূনী কাযী। ইবনু হিব্বান (১/১২৯) বলেনঃ তিনি দাজ্জাল (মহা মিথ্যুক) শাইখ। তার সমালোচনা করার উদ্দেশ্য ছাড়া তাকে হাদীসের মধ্যে উল্লেখ করাই বৈধ না।

হাদীসটির তৃতীয় একটি সূত্র পেয়েছি। ইবনু আবিদ দুনিয়া “কিতাবুল ’ওকূবাত” গ্রন্থে সাঈদ ইবনু যাম্বূর হতে, তিনি ইয়াযীদ ইবনু হারূন হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু দুকায়েন হতে, তিনি জা’ফার ইবনু মুহাম্মাদ হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ আলী ইবনু আবী তালেব বলেনঃ .. তিনি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল। কারণ আব্দুল্লাহ ইবনু দুকায়েনের ব্যাপারে মতভেদ করা হয়েছে। তার জীবনীতেই এ হাদীসটিকে হাফিয যাহাবী উল্লেখ করে মুনকার হওয়ার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। এ ছাড়া সাঈদ ইবনু যাম্বূরের জীবনী কে আলোচনা করেছেন পাচ্ছি না।

মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ তার বিরোধিতা করে ইয়াযীদ ইবনু হারূন হতে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি আলী (রাঃ) হতে মওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এটিকে দীনূরী "আলমুনতাকা মিনাল মুজালাসাল্লাহ্" গ্রন্থে (১৯-২০) ইয়াযীদ ইবনু হারূন হতে বর্ণনা করেছেন।

আর মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ হচ্ছেন অসেতী- ইয়াযীদ ইবনু হারূনের সাথী। তার ব্যাপারে মতভেদ করা হয়েছে। অধিকাংশরাই তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। বরং আবু মুহাম্মাদ আল-খাল্লাল বলেছেনঃ তিনি খুবই দুর্বল।

আর হাফিয যাহাবী বলেছেনঃ তিনি এমন বাতিল হাদীস নিয়ে এসেছেন যার দ্বারা তাকে মিথ্যা বর্ণনা করার দোষে দোষী করা হয়েছে।

দীনূরী নিজেই মিথ্যা বর্ণনা করার দোষে দোষী। "আলমীযান" গ্রন্থে তার জীবনী দেখুন।

মোটকথাঃ হাদীসটি তিনটি সূত্রেই খুবই দুর্বল।

سيأتي على الناس زمان لا يبقي من القرآن إلا رسمه، ولا من الإسلام إلا اسمه، يقسمون به وهم أبعد الناس منه، مساجدهم عامرة، خراب من الهدى، فقهاء ذلك الزمان شر فقهاء تحت ظل السماء، منهم خرجت الفتنة، وإليهم تعود ضعيف جدا - أخرجه الديلمي في " مسنده " (107 / 1) من طريق الحاكم بسنده عن خالد بن يزيد الأنصاري عن ابن أبي ذئب عن نافع عن ابن عمر مرفوعا. قلت: خالد هذا الظاهر أنه العمري المكي، فإنه يروي عن ابن أبي ذئب، كذبه أبو حاتم ويحيى، وقال ابن حبان (1 / 258) : " يروي الموضوعات عن الأثبات ". ثم رواه الديلمي من طريق إسماعيل بن أبي زياد عن ثور عن خالد بن معدان عن معاذ نحوه قلت: وهذا - كالذي قبله - موضوع، آفته إسماعيل هذا، وهو السكوني القاضي، قال ابن حبان (1 / 129) : " شيخ دجال، لا يحل ذكره في الحديث إلا على سبيل القدح فيه ". وقد وجدت له طريقا ثالثا، فقال ابن أبي الدنيا في كتاب " العقوبات ": أخبرنا سعيد بن زنبور قال: أخبرنا يزيد بن هارون عن عبد الله بن دكين عن جعفر بن محمد عن أبيه عن جده قال: قال علي بن أبي طالب رضي الله عنه، فذكره مرفوعا. قلت: وهذا إسناد واه، عبد الله بن دكين مختلف فيه، وفي ترجمته ساق الحديث الذهبي مشيرا إلى نكارته. وهذا هو الوجه عندي إن كان قد صح رواية يزيد له عنه، فإن سعيد بن زنبور لم أجد من ترجمه. وقد خالفه محمد بن مسلمة فقال: حدثنا يزيد بن هارون به لكنه أوقفه على علي رضي الله عنه. أخرجه الدينوري في " المنتقى من المجالسة " (19 - 20 مخطوط حلب) : حدثنا يزيد بن هارون.. ومحمد بن مسلمة هو الواسطي صاحب يزيد بن هارون، مختلف فيه، والأكثرون على تضعيفه، بل قال أبو محمد الخلال. " ضعيف جدا ". وقال الذهبي: " أتي بخبر باطل اتهم به ". لكن الدينوري نفسه متهم، فراجع ترجمته في " الميزان ". وجملة القول أن هذا الحديث بهذه الطرق الثلاث، يظل على وهائه لشدة ضعفها، وإن كان معناه يكاد المسلم أن يلمسه، بعضه أوجله في واقع العالم الإسلامي، والله المستعان


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ