লগইন করুন
পরিচ্ছেদঃ
১৪২৬। যে নারী এমতাবস্থায় মারা যাবে যে, তার স্বামী তার প্রতি সম্ভষ্ট সে (নারী) জান্নাতে প্রবেশ করবে।
হাদীসটি মুনকার।
হাদীসটিকে ইবনু আবী শাইবাহ “আলমুসান্নাফ” গ্রন্থে (৭/৪৭/১) ইবনু ফুযায়েল হতে, তিনি আবু নাসর আব্দুল্লাহ ইবনু আবদির রহমান হতে, তিনি মুসাবির হুমায়রী হতে, তিনি তার মাতা হতে তিনি বলেনঃ আমি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ ...।
এ সূত্রেই হাদীসটিকে তিরমিযী (১/২১৭), ইবনু মাজাহ (১৮৫৪), সাকাফী “আততাসকীফাত” গ্রন্থে (খণ্ড ৯ নং ৩০) ও হাকিম (৪/১৭৩) বর্ণনা করে বলেছেনঃ হাদীসটির সনদ সহীহ! হাফিয যাহাবীও তার সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। তিরমিযী বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।
আমি (আলবানী) বলছিঃ সব কথাই বাস্তবতা থেকে দূরে। কারণ বর্ণনাকারী মুসাবির ইবনু হুমায়রী ও তার মা মাজহুলা (অপরিচিত) যেমনটি ইবনুল জাওযী তার “আলওয়াহিয়াত” গ্রন্থে (২/১৪১) বলেছেন। হাফিয ইবনু হাজার প্রথমজন সম্পর্কে (মাজহুল হওয়ার ব্যাপারে) স্পষ্টভাবেই বলেছেন। আর তার পূর্বে হাফিয যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে তার জীবনীতে বলেছেনঃ তার ব্যাপারে অজ্ঞতা রয়েছে আর এ হাদীসটি মুনকার। তিনি মুসাবিরের মাতার জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে বলেছেনঃ তার থেকে তার ছেলে এককভাবে বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ বর্ণনাকারী মা মাজহুলাহ (অপরিচিত)।
আমি (আলবানী) বলছিঃ চিন্তা করে দেখুন তার (যাহাবীর) দুগ্রন্থের দু’ধরনের কথার মাঝে পার্থক্য কতটুকু। সঠিক হচ্ছে এই যে, তার কিতাব “আততালখীস” এর মধ্যে সন্দেহমূলক বহু কিছু রয়েছে। যদি কোন কোন আহলেহাদীস তার সে সন্দেহগুলোর অনুসরণ না করতেন তাহলে লোকেরা বড়ই উপকৃত হতেন এবং বহু দুর্বল হাদীস সম্পর্কে অবগত হতেন যেগুলোকে ভুলক্রমে সহীহ আখ্যা দেয়া হয়েছে।
মোটকথা আলোচ্য হাদীসটি মুনকার, সহীহ নয়। মা এবং ছেলে উভয়েই অপরিচিত হওয়ার কারণে।
أيما امرأة ماتت وزوجها عنها راض دخلت الجنة منكر - أخرجه ابن أبي شيبة في " المصنف " (7/47/1) : حدثنا ابن فضيل عن أبي نصر عبد الله بن عبد الرحمن عن مساور الحميري عن أمه قالت: سمعت أم سلمة تقول : سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره ومن هذا الوجه أخرجه الترمذي (1/217) وابن ماجه (1854) والثقفي في " الثقفيات " (ج9 رقم 30) والحاكم (4/173) وقال " صحيح الإسناد "! ووافقه الذهبي! وقال الترمذي " حديث حسن غريب " قلت: وكل ذلك بعد عن التحقيق، فإن مساورا هذا وأمه مجهولان كما قال ابن الجوزي في " الواهيات " (2/141) ، وقد صرح بذلك الحافظ ابن حجر في الأول منهما، وسبقه إليه الذهبي فقال في ترجمته من " الميزان " " فيه جهالة، والخبر منكر ". يعني هذا وقال في ترجمة والدة مساور " تفرد عنها ابنها " يعني أنها مجهولة قلت: فتأمل الفرق بين كلاميه في الكتابين، والحق، أن كتابه " التلخيص " فيه أوهام كثيرة، ليت أن بعض أهل الحديث - على عزتهم في هذا العصر - يتتبعها، إذن لاستفاد الناس فوائد عظيمة، وعرفوا ضعف أحاديث كثيرة صححت خطأ وبالجملة فالحديث منكر لا يصح لجهالة الأم والولد