ইমেইল পাঠাতে লগইন করুন

স্পাম প্রতিরোধে এই ফিচারটি শুধুমাত্র লগইনকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য।

লগইন সাইনআপ
৭৮৩

পরিচ্ছেদঃ

৭৮৩। তোমরা পরস্পরে জ্ঞানের ব্যাপারে নসিহত কর। কারণ তোমাদের কোন ব্যক্তির জ্ঞানের বিষয়ের খিয়ানাত তার সম্পদের খিয়ানাতের চেয়েও বেশী কঠিন। অবশ্যই আল্লাহর পক্ষ হতে তোমাদেরকে কিয়ামতের দিন জিজ্ঞাসিত হতে হবে।

হাদীছটি জাল।

এটি তাবারানী (৩/১৩২/১) মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ আল-হাযরামী (মুতাইয়্যান) ও মুহাম্মাদ ইবনু উছমান ইবনে আবী শায়বাহ হতে তিনি ওবায়েদ ইবনু ইয়াঈশ হতে তিনি মুসআব ইবনু সালাম হতে তিনি আবু সা’আদ হতে তিনি ইকরিমাহ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আবু সা’আদ ব্যতীত সনদের সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। সুয়ূতী “আল-লাআলী” (১/২০৭-২০৮) গ্রন্থে বলেনঃ আবু সা’আদ হচ্ছেন সাঈদ ইবনুল মারযাবান আল-বাক্কাল, তিনি সত্যবাদী তবে মুদাল্লিস। তার পূর্বে হাফিয মুনযেরী (১/৭৫) এবং হায়ছামী "আল-মাজমা" (১/১৪১) গ্রন্থে একই কথা বলেছেন। আসলে তা নয়, বরং তিনি (আবু সা’আদ) হচ্ছেন আব্দুল কুদ্দূস ইবনু হাবীব আবু সাঈদ আল-কালাঈ। যা ইবনু আবী শায়বার বর্ণনায় এসেছে। আল-খাতীব আবু নোয়াইম আব্দুল মালেক ইবনু মুহাম্মাদ ইবনে আদী হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ সঠিক হচ্ছে ইবনু আবী শায়বার বর্ণনা। কারণ আবূ নোয়াইম এ হাদীছটি মুতাইয়্যান হতে বর্ণনা করেছেন। তাতে তিনি আবু সা’আদের পরিবর্তে আবু সাঈদকে (আবুল কুদ্দূস) উল্লেখ করেছেন। আবু নােয়াইম বলেনঃ মুতাইয়্যান হতে আমার শ্রবণ পুরাতন। অতঃপর আমি যখন বিশ বছর পর এ হাদীছটি তার থেকে শুনলাম তখন তিনি বললেনঃ আবু সা’আদ হতে অর্থাৎ আব্দুল কুদ্দুস ইবনু হাবীব হতে। কুনিয়াত পূর্বেরটিই রেখেছেন। তবে নামের ব্যাপারে পূর্বের অবস্থায় থাকেননি। এটি প্রমাণ করছে যে, তিনি তার পূর্বের অবস্থান হতে ফিরে এসেছেন। অর্থাৎ ইকরিম হতে বর্ণনাকারী হচ্ছেন আব্দুল কুদ্দুস।

আল-খাতীব এবং ইবনু আসাকির হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। তাতে তারা ইকরিম হতে বর্ণনাকারী হিসাবে আব্দুল কুদ্দুসের কথাই উল্লেখ করেছেন। যার কুনিয়াত আবু সাঈদ।

যখন ইকরিম হতে বর্ণনাকারী আব্দুল কুদ্দুস কালাঈ, তখন স্পষ্ট হচ্ছে এই যে, সনদটি একেবারে দুর্বল।

কারণ এই কালাঈ সম্পর্কে ইবনুল মুবারাক বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। ইবনু হিব্বান "আয-যোয়াফা" (২/১২৬) গ্রন্থে স্পষ্ট করে বলেনঃ তিনি হাদীছ জাল করতেন।

এ কারণেই ইবনুল জাওযী আল-খাতীবের সূত্রে কালাঈ হতে "আলমাওযূ’আত" (১/২৩২) গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ আব্দুল কুদ্দুস হাদীছটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে হাদীছ জাল করতেন। এ কথাটি ইবনু হিব্বান বলেছেন।

সুয়ূতী দুটি বিষয় উল্লেখ করে তার সমালোচনা করেছেনঃ

১। তাবারানীর বর্ণনায় এসেছে- ইকরিমা হতে বর্ণনাকারী হচ্ছেন আবু সা’আদ সাঈদ ইবনু মারযাবান আল-বাক্কাল। আপনারা অবহিত হয়েছেন যে, তিনি বাক্কাল নন বরং সঠিক হচ্ছে এই যে, তিনি আব্দুল কুদ্দুস আল-কালাঈ, তিনি একজন মিথ্যুক।

২। আবু নোয়াইম "আল-হিলইয়্যাহ" (৯/২০) গ্রন্থে অন্য একটি সূত্রে হাদীছটি বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাতে একাধিক সমস্যা জড়িত বর্ণনাকারী রয়েছেন। ইবরাহীম ইবনু হেফযের দিক দিয়ে দুর্বল। আরেক বর্ণনাকারী ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ দুর্বল। তাকে ইবনু হিব্বান মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। তিনি বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে বানোয়াট হাদীছ বর্ণনা করেছেন। ইবরাহীমকে ইবনু মাঈন ও অন্য বিদ্বানগণ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। যদিও তাকে কেউ কেউ নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

হাদীছটির সমস্যা হচ্ছে আরেক বর্ণনাকারী আল-হাসান ইবনু যিয়াদ আল-লুউলুআই; তার সম্পর্কে আবু দাউদ, আল-ফাসাবী, উকায়লী ও আস-সাজী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। তাকে অন্য বিদ্বানগণ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। হাদীছটির আরেক সমস্যা হচ্ছে এটির সনদে বিচ্ছিন্নতা সংঘটিত হয়েছে। শুবাহ ও অন্য বিদ্বানগণ বলেনঃ যহহাক ইবনু মুযাহিম আল-হিলালী ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে দেখেননি।

تناصحوا في العلم، فإن خيانة أحدكم في علمه أشد من خيانته في ماله، وإن الله عز وجل مسائلكم يوم القيامة موضوع - رواه الطبراني (3 / 132 / 2) : حدثنا محمد بن عبد الله الحضرمي ومحمد بن عثمان بن أبي شيبة قالا: أخبرنا عبيد بن يعيش: أخبرنا مصعب بن سلام عن أبي سعد عن عكرمة عن ابن عباس مرفوعا. قلت: وهذا إسناد رجاله ثقات غير أبي سعد هذا، وقد جزم السيوطي في " اللآلي " (1 / 207 - 208) بأنه سعيد بن المرزبان البقال، قال: " وهو صدوق مدلس ". سبقه إلى ذلك الحافظ المنذري (1 / 75) والهيثمي في " المجمع " (1 / 141) ، وليس به بل هو عبد القدوس ابن حبيب أبو سعيد الكلاعي، ومن الحجة على ذلك 1 - أن الحديث من رواية الطبراني عن الحضرمي (وهو مطين) ومحمد بن أبي شيبة معا، وقد روى الخطيب (3 / 43) قصة الخلاف بينهما في هذا السند، وخلاصة ذلك أن مطينا قال فيه: " عن أبي سعد " يريد البقال. وقال ابن أبي شيبة: " عن أبي سعيد " يريد عبد القدوس بن حبيب وحكى الخطيب عن أبي نعيم عبد الملك بن محمد بن عدي أن الصواب رواية ابن أبي شيبة، لأن أبا نعيم هذا سمع الحديث من مطين بهذا السند قال فيه: " أبي سعيد قال أبو نعيم: " وهذا سماعي من مطين قديما، ثم سمعت منه هذا الحديث بعد ذلك بعشرين سنة في " فوائد الحاج " قال: حدثنا عبيد بن يعيش: حدثنا مصعب بن سلام عن أبي سعد. قال أبو جعفر الحضرمي: يعني عبد القدوس بن حبيب الدمشقي عن عكرمة عن ابن عباس. كأن الحضرمي ينبه بذلك، وقال: " يعني عبد القدوس ". ولم يقل " عن أبي سعيد "، وقال: " عن أبي سعد، فأقر سعدا على حاله ولم يقر الاسم ". فهذا يدل على رجوع مطين إلى أن راوي الحديث عن عكرمة هو عبد القدوس هذا وإن أصر على تكنيته بأبي سعد، وإنما هي أبو سعيد، كما رواه الخطيب عن ابن أبي شيبة عن شيخيه إبراهيم بن محمد بن ميمون وعمار بن رجاء عن عبيد بن يعيش. وتابعهما أبو العباس أحمد بن إسحاق الخشاب المصري عند مشرق بن عبد الله الحنفي في " حديثه " (61 / 1) وتابعهم القاسم بن محمد بن حماد الدلال في " أمالي أبي جعفر الطوسي " (ص 79) أربعتهم قالوا: " أبي سعيد " وهو عبد القدوس ويؤيده. 2 - أن الخطيب رواه (6 / 356 - 357، 389) وابن عساكر (2 / 399 / 1) عن إسحاق بن أبي إسرائيل عن عامر بن سيار كلاهما أخبرنا عبد القدوس بن حبيب عن عكرمة به. فهذا كله يبين أن راوي الحديث عن عكرمة هو عبد القدوس هذا وكنيته أبو سعيد كما سبق في رواية ابن أبي شيبة عند الخطيب ومشرق عن غيره. وعليه فقول الطبراني من رواية ابن أبي شيبة والحضرمي: " أبي سعد " تأوله بعضهم على أنه حمل رواية ابن أبي شيبة على رواية الحضرمي، ولوعكس لأصاب! وإذا عرفت أن الراوي هو عبد القدوس بن حبيب الكلاعي يتبين لك أن السند واه بمرة، لأن الكلاعي هذا قال فيه ابن المبارك: " كذاب وصرح ابن حبان في " الضعفاء " (2 / 126) بأنه: " كان يضع الحديث ". ولذلك أورد ابن الجوزي الحديث من رواية الخطيب عن إسحاق عن الكلاعي في " الموضوعات " وقال (1 / 232) : " تفرد به عبد القدوس وكان يضع على الثقات. قاله ابن حبان وتعقبه السيوطي بأمرين أولا: برواية الطبراني عن أبي سعد. بناء على أن أبا سعد هو سعيد بن المرزبان البقال! وقد عرفت أنه وهم، وأن الصواب أنه الكلاعي هذا الكذاب وثانيا: وبما أخرجه أبو نعيم في " الحلية " (9 / 20) : حدثنا الحسن بن أحمد بن صالح السبيعي: حدثنا علي بن عبد الحميد الغضائري: حدثنا محمد بن عبد الأعلى الصنعاني: حدثنا عبد الرحمن بن مهدي: حدثنا الحسن زياد عن يحيى بن سعيد الحمصي عن إبراهيم بن مختار (الأصل: محمد) عن الضحاك عن ابن عباس مرفوعا وقال السيوطي: " إبراهيم روى له الترمذي وابن ماجة، وقال أبو حاتم: صالح الحديث، وقال أبو داود: لا بأس به. وقال ابن معين: ليس بذاك، ويحيى بن سعيد صاحب حديث، وله رحلات، قال ابن مصفى: ثقة، وضعفه ابن معين، وغيره قلت: وفي " التقريب ": " إبراهيم بن المختار صدوق ضعيف الحفظ، ويحيى بن سعيد ضعيف ". قلت: واتهمه ابن حبان فقال: " يروي الموضوعات عن الأثبات ". ثم إن السيوطي قد أبعد النجعة، فإن آفة الحديث، إنما هو الحسن بن زياد وهو اللؤلؤي، فقد قال أبو داود والفسوي والعقيلي والساجي: " كذاب ". وضعفه الآخرون. وللحديث علة أخرى وهي الانقطاع، فقد قال شعبة وغيره: إن الضحاك (وهو ابن مزاحم الهلالي) ما رأى ابن عباس قط


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ