ইমেইল পাঠাতে লগইন করুন

স্পাম প্রতিরোধে এই ফিচারটি শুধুমাত্র লগইনকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য।

লগইন সাইনআপ
৩৪০৭

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ

৩৪০৭-[২] উক্ত রাবী [ইবনু ’উমার (রাঃ)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তা’আলা তোমাদের বাপ-দাদার নামে কসম করতে নিষেধ করেছেন। অতএব যদি কারো কসম করতেই হয়, সে যেন আল্লাহ তা’আলার নামেই কসম করে অথবা নিশ্চুপ থাকে। (বুখারী ও মুসলিম)[1]

اَلْفَصْلُ الْأَوَّلُ

وَعَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ يَنْهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ مَنْ كَانَ حَالِفًا فَلْيَحْلِفْ بِاللَّهِ أَوْ ليصمت»

ব্যাখ্যা: ইমাম নববী বলেনঃ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছুর কসম খাওয়ার নিষেধের হিকমাহ্ হলো, যেই জিনিসের দ্বারা কসম করা হয় প্রকৃতপক্ষে তার মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ হয়ে থাকে অথচ সত্যিকার মর্যাদার একচ্ছত্র অধিকারী একমাত্র আল্লাহ তা‘আলা।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন,

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ : لَأَنْ أَحْلِفَ بِاللّٰهِ مِائَةَ مَرَّةٍ فَآثَمُ خَيْرٌ مِنْ أَنْ أَحْلِفَ بِغَيْرِه فَأَبَرَّ

আমি একশতবার আল্লাহর কসম খাব, অতঃপর আমি গুনাহগার হব, এটা উত্তম আল্লাহ ব্যতিরেকে অন্য কিছুর কসম খাব, নেককাজ করব। আর তিনি ঘৃণা করতেন আল্লাহর নাম ও গুণ ব্যতিরেকে অন্যকিছুর নামে শপথ করাকে চাই তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামে বা কা‘বাহ্ ঘর, মালায়িকাহ্ (ফেরেশতাগণ), জীবন, রূহ বা অন্য যে নামে হোক না কেন আর সবচেয়ে খারাপ হলো আমানাতের নামে কম্ম খাওয়া। তবে আল্লাহ তা‘আলা তার সৃষ্ট মাখলূকের যে কোনো জিনিসের কসম করতে পারবে।

কাযী বলেনঃ যদি এই প্রশ্ন করা হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে এক লোক সম্পর্কে মন্তব্য করার পর أَفْلَحَ وَأَبِيهِ বলে, পিতার নামে শপথ করছিলেন। এটার উত্তর এই যে, উক্ত কসম দ্বারা বস্তুর বা যেই জিনিসের দ্বারা কসম করা হয়েছে তার মর্যাদা বিকাশ উদ্দেশ্য ছিল না বরং কথাটাকে সুদৃঢ়ভাবে প্রকাশ করার উদ্দেশ্য ছিল অথবা এটাও বলা যায় যে, তা বিধি-নিষেধ প্রয়োগ হওয়ার পূর্বের ঘটনা এবং এটাই সঠিক মত। আবার কেউ কেউ বলেছেন, নিষেধ অর্থ হারাম নয়। সুতরাং প্রয়োজনে কথাটি সুদৃঢ় করার জন্য এ কসম করা বৈধ।
(মিরকাতুল মাফাতীহ)