১১৬৯

পরিচ্ছেদঃ ৩০. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - সুন্নাত ও এর ফযীলত

১১৬৯-[১১] ’আবদুল্লাহ ইবনু সায়িব (রাঃ)থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য হেলে যাওয়ার পর যুহরের সালাতের পূর্বে চার রাক্’আত সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায় করতেন। তিনি বলতেন, এটা এমন এক সময় যখন (নেক ’আমল উপরের দিকে যাওয়ার জন্যে) আকাশের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয়। তাই এ মুহূর্তে আমার নেক ’আমলগুলো উপরের দিকে চলে যাক এটা আমি চাই। (তিরমিযী)[1]

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ السَّائِبِ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم يُصَلِّي أَرْبَعًا بَعْدَ أَنْ تَزُولَ الشَّمْسُ قَبْلَ الظُّهْرِ وَقَالَ: «إِنَّهَا سَاعَةٌ تُفْتَحُ فِيهَا أَبْوَابُ السَّمَاءِ فَأُحِبُّ أَنْ يَصْعَدَ لِي فِيهَا عَمَلٌ صَالِحٌ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ

ব্যাখ্যা: ‘আল্লামা ইরাক্বী বলেন, এ চার রাক্‘আত সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) যুহরের পূর্বের চার রাক্‘আত ভিন্ন অন্য সালাত। এ সালাতকে সুন্নাতে যাওয়াল বলা হয়।

(سَاعَةٌ تُفْتَحُ فِيهَا أَبْوَابُ السَّمَاءِ) এ সময়ে আকাশের দরজা খোলা হয়। অর্থাৎ সৎ ‘আমল আল্লাহর দরবারে পৌঁছানোর জন্য এবং রহমাত নাযিলের জন্য এ সময়ে আকাশের দরজা খোলা হয়। তবে এখানে একটি প্রশ্ন দাঁড়ায় যে, যে সকল মালাক (ফেরেশতা) আল্লাহর দরবারে ‘আমল পৌঁছানোর দায়িত্বে নিয়োজিত তারা তো শুধুমাত্র ‘আসরের পরে এবং ফাজরের (ফজরের) পরে আল্লাহর দারবারে ‘আমল নিয়ে আরোহণ করেন। তাহলে এ সময়ে আল্লাহর দরবারে ‘আমল পৌঁছে কিভাবে। এর জবাব এই যে, (صعود) তথা আরোহণ দ্বারা কোন কোন সময় কবূল তথা গ্রহণ উদ্দেশ্য হয়। এখানে ‘আমল পৌঁছানোর অর্থ হলো ‘আমল কবূল করা হয়।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ