১১৭৮

পরিচ্ছেদঃ ৩. তোমার ব্যাপার তোমার হাতে

১১৭৮৷ হাম্মাদ ইবনু যাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, আমি আইউবকে প্রশ্ন করলাম, হাসান (বাসরী) ব্যতীত আরো কোন ব্যক্তি “আমরুকে বিয়াদিকে" (তোমার ব্যাপার তোমার হাতে) কথাটিকে তিন তালাক বিবেচিত করেছেন বলে আপনার জানা আছে কি? তিনি বলেন। হাসান ব্যাতিত আর কেউ এমনটি বলেছেন বলে আমার জানা নেই। তারপর তিনি বললেন, আল্লাহ তা'আলা মাফ করুন।

কাতাদা আমাকে সামুরা গোত্রের মুক্ত ক্রীতদাস কাসীরের সূত্রে বলেছেন, তিনি আবূ সালামা হতে, তিনি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনঃ “(এরূপ বলায়) তিন (তালাক) বিবেচিত হবে”। আইউব বলেন, আমি কাসীরের সাথে দেখা করে তাকে এই হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি তা চিহ্নিত করতে পারেননি। আমি কাতাদার নিকটে এসে ব্যাপারটা তাকে জানালে তিনি বলেন, সে (কাসীর) ভুলে গেছে।

যঈফ, যঈফ আবূ দাউদ (৩৭৯) বিবৃতিটি হাসানের এটাই সহীহ।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা এ হাদীসটি শুধু সুলাইমান ইবনু হারব হতে হাম্মাদ ইবনু যাইদের সূত্রেই জেনেছি। আমি ইমাম বুখারীকে এ হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, সুলাইমান ইবনু হারব হাম্মাদ ইবনু যাইদের সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এটা আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে মাওকৃফ হাদীস হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে এবং আবূ হুরাইরার এ হাদীস মারফু হিসেবে জানা যায়নি। আলী ইবনু নাসর হাদীসের হাফিয ছিলেন।

(স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে) “তোমার ব্যাপার তোমার হাতে” তবে এর ফায়সালা কি হবে এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অপরাপর আলিমদের মধ্যে মতের অমিল আছে। সা

হাবীদের মাঝে উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর মতে এতে এক তালাক বলবৎ হবে। একাধিক তাবিঈ ও তাদের পরবর্তীদেরও এই মত।

অপর দিকে উসমান ইবনু আফফান ও যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ)-এর মতে স্ত্রী যা নির্ধারণ করবে তাই বলবৎ হবে (এক, দুই অথবা তিন তালাক যেটা গ্রহণ করবে তাই হবে)।

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, স্বামী স্ত্রীর হাতে তার ব্যাপারটি ছেড়ে দেয়ার পর সে (স্ত্রী) নিজেকে তিন তালাক দিল। স্বামী এটা ফিরিয়ে দিয়ে বলল, আমি তাকে শুধু এক তালাকেরই অধিকার দিয়েছি। এ ক্ষেত্রে স্বামীকে শপথ করতে হবে। সে শপথ করলে তার বিবৃতিই মেনে নেয়া হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কূফাবাসী আলিমগণ উমার ও আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর মত গ্রহণ করেছেন।

ইমাম মালিক বলেছেন, স্ত্রী যা নির্ধারণ করবে তাই হবে। ইমাম আহমাদেরও এই মত। ইমাম ইসহাক (রাহঃ) ইবনু উমার (রাঃ)-এর মত গ্রহণ করেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي أَمْرُكِ بِيَدِكِ ‏

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ نَصْرِ بْنِ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، قَالَ قُلْتُ لأَيُّوبَ هَلْ عَلِمْتَ أَنَّ أَحَدًا قَالَ فِي أَمْرُكِ بِيَدِكِ أَنَّهَا ثَلاَثٌ إِلاَّ الْحَسَنَ فَقَالَ لاَ إِلاَّ الْحَسَنَ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ غَفْرًا إِلاَّ مَا حَدَّثَنِي قَتَادَةُ عَنْ كَثِيرٍ مَوْلَى ابْنِ سَمُرَةَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ ثَلاَثٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَيُّوبُ فَلَقِيتُ كَثِيرًا - مَوْلَى ابْنِ سَمُرَةَ فَسَأَلْتُهُ فَلَمْ يَعْرِفْهُ فَرَجَعْتُ إِلَى قَتَادَةَ فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ نَسِيَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ ‏.‏ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ، فَقَالَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، بِهَذَا وَإِنَّمَا هُوَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، مَوْقُوفٌ ‏.‏ وَلَمْ يُعْرَفْ حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ مَرْفُوعًا ‏.‏ وَكَانَ عَلِيُّ بْنُ نَصْرٍ حَافِظًا صَاحِبَ حَدِيثٍ ‏.‏ وَقَدِ اخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي أَمْرُكِ بِيَدِكِ فَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ مِنْهُمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ هِيَ وَاحِدَةٌ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنَ التَّابِعِينَ وَمَنْ بَعْدَهُمْ ‏.‏ وَقَالَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ الْقَضَاءُ مَا قَضَتْ ‏.‏ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا جَعَلَ أَمْرَهَا بِيَدِهَا وَطَلَّقَتْ نَفْسَهَا ثَلاَثًا وَأَنْكَرَ الزَّوْجُ وَقَالَ لَمْ أَجْعَلْ أَمْرَهَا بِيَدِهَا إِلاَّ فِي وَاحِدَةٍ اسْتُحْلِفَ الزَّوْجُ وَكَانَ الْقَوْلُ قَوْلَهُ مَعَ يَمِينِهِ ‏.‏ وَذَهَبَ سُفْيَانُ وَأَهْلُ الْكُوفَةِ إِلَى قَوْلِ عُمَرَ وَعَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَأَمَّا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ فَقَالَ الْقَضَاءُ مَا قَضَتْ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ أَحْمَدَ ‏.‏ وَأَمَّا إِسْحَاقُ فَذَهَبَ إِلَى قَوْلِ ابْنِ عُمَرَ ‏.‏


Hammad bin Yazid said: "I said to Abu Ayyub: 'Do you know of anyone who said that: "Your case is up to you?" counts as three besides Al-Hasan?' He said: "No, not besides Al-Hasan.' Then he said: 'O Allah forgive me - except for what has been narrated to me by Qatadah, from Kathir the freed slave of Banu Samurah, from Abu Salamah, from Abu Hurairah, that the Prophet said: "Three.'"Abu Ayyub said: 'So I met Kathir the freed slave of Banu Samurah and asked him about it, but he was not aware of it. So I returned to Qatadah and informed him about that and he said: "He forgot."