৪৬৩৫

পরিচ্ছেদঃ ৬৫/৬/১০. আল্লাহর বাণীঃ যেদিন আপনার রবের কোন নিদর্শন আসবে, সেদিন এমন কোন ব্যক্তির ঈমান কাজে আসবে না যে ব্যক্তি নেক কাজ করেনি। (সূরাহ আল-আন‘আম ৬/১৫৮)

بَاب

৬৫/৬/৮. অধ্যায়:

(وَكِيْلٌ) حَفِيْظٌ وَمُحِيْطٌ بِهِ (قُبُلًا) جَمْعُ قَبِيْلٍ وَالْمَعْنَى أَنَّهُ ضُرُوْبٌ لِلْعَذَابِ كُلُّ ضَرْبٍ مِنْهَا قَبِيْلٌ (زُخْرُفَالْقَوْلِ) كُلُّ شَيْءٍ حَسَّنْتَهُ وَوَشَّيْتَهُ وَهُوَ بَاطِلٌ فَهُوَ زُخْرُفٌ

(وَحَرْثٌحِجْرٌ) حَرَامٌ وَكُلُّ مَمْنُوْعٍ فَهْوَ حِجْرٌ مَحْجُوْرٌ وَالْحِجْرُ كُلُّ بِنَاءٍ بَنَيْتَهُ وَيُقَالُ لِلْأُنْثَى مِنَ الْخَيْلِ حِجْرٌ وَيُقَالُ لِلْعَقْلِ حِجْرٌ وَحِجًى وَأَمَّا الْحِجْرُ فَمَوْضِعُ ثَمُوْدَ وَمَا حَجَّرْتَ عَلَيْهِ مِنَ الْأَرْضِ فَهُوَ حِجْرٌ وَمِنْهُ سُمِّيَ حَطِيْمُ الْبَيْتِ حِجْرًا كَأَنَّه مُشْتَقٌّ مِنْ مَحْطُوْمٍ مِثْلُ قَتِيْلٍ مِنْ مَقْتُوْلٍ وَأَمَّا حَجْرُ الْيَمَامَةِ فَهْوَ مَنْزِلٌ.

ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, وَكِيْلٌ-রক্ষক ও বেষ্টনকারী, قُبُلًا- একবচনে قَبِيْلٌ অর্থাৎ শাস্তি বহু প্রকারের, এগুলোর এক একটি এক এক قَبِيْلٌ বা প্রকার। زُخْرُفٌ-বাতিল ও অসার কথাকে শোভনীয় ও অলঙ্কৃত করে প্রকাশ করলে তাকে বলা হয় زُخْرُفٌ। حَرْثٌ حِجْرٌ-নিষিদ্ধ, প্রত্যেক নিষিদ্ধ বস্তুকে مَحْجُوْرٌ حِجْرٌ বলা হয়, আবার নির্মিত ঘরও حِجْرٌ, মাদী ঘোড়াকেও حِجْرٌ বলা হয়, عَقْلٌ বা বুদ্ধি-বিবেচনাকেও حِجْى حِجْرٌ বলা হয়। আবার حِجْرٌ নামক স্থানে হচ্ছে সামূদ গোত্রের স্থান, ভূমির যে অংশকে তুমি নিষিদ্ধ ও সংরক্ষিত ঘোষণা করেছ তার নাম حِجْرٌ। এই জন্যে বাইতুল্লাহ শরীফের হাতীম নামক অংশকে حِجْرٌ বলা হয়, مَقْتُوْلٌ থেকে, যেমন قَتِيْلٌ তেমনি مَحْطُوْمٌথেকে গৃহীত, حَطِيْمٌ-ইয়ামামারحِجْرٌ হচ্ছে একটি মনজিল বা ছোট্ট ঘর। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৭৬)

65/6/9. بَاب :(هَلُمَّ شُهَدَآءَكُمُ)لُغَةُ أَهْلِ الْحِجَازِ (هَلُمَّ) لِلْوَاحِدِ وَالِاثْنَيْنِ وَالْجَمِيْعِ.

৬৫/৬/৯. অধ্যায়:

আল্লাহর বাণীঃ সাক্ষীদেরকে হাযির কর। (সূরাহ আল-আম’আম ৬/১৫০)

হিজাযীদের পরিভাষায় একবচন, দ্বিবচন এবং বহুবচনের জন্যে هَلُمَّ ব্যবহৃত হয়।

65/6/10. بَاب قَوْلِهِ تَعَالَي :(يَوْمَ ... لَا يَنْفَعُ نَفْسًا إِيْمَانُهَا).


৪৬৩৫. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) অনুষ্ঠিত হবে না। লোকেরা যখন তা দেখবে, তখন পৃথিবীর সকলে ঈমান আনবে এবং সেটি হচ্ছে এমন সময় পূর্বে ঈমান আনেনি এমন ব্যক্তির ঈমান তার কাজে আসবে না। [৮৫; মুসলিম ৪/৭২, হাঃ ১৫৭, আহমাদ ৭১৬৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৭৭)

بَاب قَوْلِهِ تَعَالَي :{يَوْمَ ... لَا يَنْفَعُ نَفْسًا إِيْمَانُهَا}.

مُوْسَى بْنُ إِسْمَاعِيْلَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا عُمَارَةُ حَدَّثَنَا أَبُوْ زُرْعَةَ حَدَّثَنَا أَبُوْ هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَا تَقُوْمُ السَّاعَةُ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِهَا فَإِذَا رَآهَا النَّاسُ آمَنَ مَنْ عَلَيْهَا فَذَاكَ حِيْنَ لَا يَنْفَعُ نَفْسًا إِيْمَانُهَا لَمْ تَكُنْ آمَنَتْ مِنْ قَبْلُ.


Narrated Abu Huraira: Allah's Messenger (ﷺ) said, "The Hour will not be established until the sun rises from the West: and when the people see it, then whoever will be living on the surface of the earth will have faith, and that is (the time) when no good will it do to a soul to believe then, if it believed not before." (6.158)