হাদিসটি ইমেইলে পাঠান
ইমেইল পাঠাতে লগইন করুন

স্পাম প্রতিরোধে এই ফিচারটি শুধুমাত্র লগইনকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য।

লগইন সাইনআপ
৫৩৪০

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ - ভয় ও কান্না

৫৩৪০-[২] উম্মুল আলা আনসারিয়্যাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আল্লাহর শপথ! আমি জানি না যে, আমার সাথে (পরকালে) কি ব্যবহার করা হবে? আর এটাও জানি না যে, তোমাদের সাথে কি ব্যবহার করা হবে? অথচ আমি হলাম আল্লাহর প্রেরিত দূত। (বুখারী)

الفصل الاول (بَاب الْبكاء وَالْخَوْف)

وَعَنْ أُمِّ الْعَلَاءِ الْأَنْصَارِيَّةِ قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «وَاللَّهِ لَا أَدْرِي وَاللَّهِ لَا أَدْرِي وَأَنَا رَسُولُ اللَّهِ مَا يُفْعَلُ بِي وبكم» . رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (1243) ۔ (صَحِيح)

ব্যাখ্যা : রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, (وَاللَّهِ لَا أَدْرِي وَاللَّهِ لَا أَدْرِي وَأَنَا رَسُولُ اللَّهِ مَا يُفْعَلُ بِي وبكم) আল্লাহর কসম আমি জানি না, আমার প্রতি পরকালে কি আচরণ করা হবে এবং তোমাদের প্রতিও কি ব্যবহার করা হবে, তা আমি জানি না। আল্লামাহ্ ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, আলোচ্য হাদীসের কয়েকটি দিক রয়েছে।

এক : রাসূলুল্লাহ (সা.) এ কথাটি তখন বলেছিলেন যখন উসমান ইবনু মায'ঊন মারা গেলে তার স্ত্রী তাকে লক্ষ্য করে বলেছিল, (هَنِئًالَكَ الْجَنَّةُ) “তোমার জন্য সুসংবাদ তুমি জান্নাতী।” গায়েবের ব্যাপারে জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও এমন মন্তব্য করা নবী (সা.) তাকে ধমকিস্বরূপ এ হাদীসটি বলেছিলেন।

দুই : রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর এ কথাটি রহিত হয়েছে, আল্লাহ তা'আলার এ বাণীর মাধ্যমে, (یَغۡفِرَ لَکَ اللّٰهُ مَا تَقَدَّمَ مِنۡ ذَنۡۢبِکَ وَ مَا تَاَخَّرَ) “যাতে আল্লাহ তোমার আগের ও পরের যাবতীয় ভুলভ্রান্তি ক্ষমা করেন (সূরাহ্ আল ফাতহ ৪৮ : ২)।

তিন : রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর না জানার বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানার সাথে সম্পৃক্ত। একদম জানেন না তা নয়।

চার : রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর না জানার বিষয়টি পার্থিব বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত। অর্থাৎ তিনি ক্ষুধার্থ হবে নাকি পিপাসার্ত, সুস্থ না অসুস্থ, ধনী নাকি গরীব ইত্যাদি বিষয়ে। তবে পরকালীন ব্যাপারে তার কোন সন্দেহ ছিল না। যেহেতু তিনি এ মর্মে সংবাদ দিয়েছেন যে, পরকালে তিনি (সা.) হবেন সবার চেয়ে সম্মানী, সর্বপ্রথম সুপারিশকারী এবং তার সুপারিশ সর্বাগ্রে গ্রহণ করা হবে ইত্যাদি। (ফাতহুল বারী ১২/৭০১৮, মিরক্বাতুল মাফাতীহ)