হাদিসটি ইমেইলে পাঠাতে অনুগ্রহ করে নিচের ফর্মটি পুরন করুন
security code
৪৮৬৮

পরিচ্ছেদঃ ১০. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - জিহ্বার হিফাযাত, গীবত এবং গালমন্দ প্রসঙ্গে

৪৮৬৮-[৫৭] ’আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর নিকট দিয়ে গমন করছিলেন, তখন তিনি (আবূ বকর সিদ্দীক) তাঁর কোন এক দাসকে ভৎর্সনা করছিলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর দিকে তাকিয়ে বললেনঃ ভৎর্সনাকারী ও সিদ্দীক- কখনো একই ব্যক্তি হতে পারে না। পবিত্র কা’বার রবে্র কসম! এটা শুনে আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) ঐ দিনই কিছু দাস মুক্ত করে দিলেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললেনঃ ভবিষ্যতে আমি কখনো এ কাজের পুনরাবৃত্তি করব না। (বায়হাক্বী উপরিউক্ত পাঁচটি হাদীস ’’শু’আবুল ঈমানে’’ বর্ণনা করেছেন।)[1]

وَعَن عَائِشَة قَالَتْ: مَرَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَبِي بَكْرٍ وَهُوَ يَلْعَنُ بَعْضَ رَقِيقِهِ فَالْتَفَتَ إِلَيْهِ فَقَالَ: «لَعَّانِينَ وَصِدِّيقِينَ؟ كَلَّا وَرَبِّ الْكَعْبَةِ» فَأَعْتَقَ أَبُو بَكْرٍ يَوْمَئِذٍ بَعْضَ رَقِيقِهِ ثُمَّ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَقَالَ: لَا أَعُودُ. رَوَى الْبَيْهَقِيُّ الْأَحَادِيثَ الْخَمْسَةَ فِي «شعب الْإِيمَان»

ব্যাখ্যাঃ (مَرَّ النَّبِىُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَبِي بَكْرٍ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন, এমতাবস্থায় যে, তিনি তার কতক চাকরকে অভিসম্পাত করছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে লক্ষ্য করলেন অথবা আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) তার দিকে লক্ষ্য করলেন। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, (لَعَّانِينَ وَصِدِّيقِينَ؟) সিদ্দীক লা‘নাতকারীও হতে পারে? অথবা তুমি কি লা‘নাতকারী এবং সিদ্দীক তথা এ দু’টি গুণের সমাবেশ ঘটতে দেখেছ?

(كَلَّا وَرَبِّ الْكَعْبَةِ) কখনই নয়, কা‘বার রবের শপথ।

‘আল্লামা ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ এর অর্থ হচ্ছে- তোমরা কি সিদ্দীক কে অভিসম্পাতকারীরূপে দেখেছ? কখনই নয়, আল্লাহর কসম! তোমরা এ দু’টি গুণকে একত্রে কোন দিন দেখতে পাবে না। এ বাক্যে আশ্চর্যতা প্রকাশ পেয়েছে।

(فَأَعْتَقَ أَبُو بَكْرٍ يَوْمَئِذٍ بَعْضَ رَقِيقِه) অতঃপর আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) অনিচ্ছাকৃত ভুলের কাফফারাহ্ হিসেবে তার কতক দাসকে মুক্ত করে দিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ওযর পেশ করতে এলেন। অতঃপর বললেনঃ আমি এমন কাজ আর কখনো করবো না। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)