পরিচ্ছেদঃ
৭৬১। মদীনা হচ্ছে ইসলামের গম্বুজ, দারুল ঈমান, হিজরতের ভূমি এবং হালাল ও হারামের অবতরণ স্থল।
হাদিছটি দুর্বল।
এটি তাবারানী “আল-আওসাত” (১/১২৪/১) গ্রন্থে ঈসা ইবনু মীনা কালূন হতে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু নাফে’ হতে তিনি আবুল মুছান্না আল-কারী হতে তিনি সাঈদ আল-মাকবুরী হতে তিনি আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে মারফু’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন।
সুয়ূতী "আল-হুজাজুল মুবাইয়্যেনাহ" (২/৬৯) গ্রন্থে বলেনঃ হাদীছটির সনদ হাসান।
সম্ভবত তিনি তার কথাটি হায়ছামীর ভাষ্য হতে গ্রহণ করেছেন। তিনি (আল-মাজমা) (৩/২৫৮) গ্রন্থে বলেনঃ তাতে ঈসা ইবনু মীনা কালুন রয়েছেন তার হাদীছ হাসান।
এ কথায় দুদিক থেকে বিরূপ মন্তব্য রয়েছেঃ
১। ঈসা ইবনু মীনাকে ইবনু হিব্বান ব্যতীত অন্য কেউ নির্ভরযোগ্য বলেননি। যাহাবী বলেনঃ তার হাদীছ সম্পর্কে আহমাদ ইবনু সালেহ আল-মিসরীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি হেসে দিয়ে বলেনঃ তোমরা প্রত্যেক ব্যক্তি হতেই লিখবে!
আমি (আলবানী) বলছিঃ তার এ কথা ইঙ্গিত বহন করছে যে, ঈসা এমন পর্যায়ের দুর্বল যে, তার হাদীছ লিখা যাবে না।
২। আরেক বর্ণনাকারী আবুল মুছান্না আল-কারীর নাম হচ্ছে সুলায়মান ইবনু ইয়াযীদ, তিনি দুর্বল যেমনটি দারাকুতনী বলেছেন। আর হাফিয ইবনু হাজার "আত-তাকরীব" গ্রন্থে তার অনুসরণ করেছেন।
আবু হাতিম বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীছ। শক্তিশালী নন। ইবনু হিব্বান কর্তৃক তাকে নির্ভরযোগ্য বলার কোন মূল্য নেই। বিশেষ করে তার চেয়ে বেশী জ্ঞাত ব্যক্তি যখন তার বিরোধিতা করবেন যেমন আবু হাতিম ও দারাকুতনী।
তার পরেও ইবনু হিব্বানের ভাষ্যে গরমিল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কারণ তিনি হাদীছটি "আয-যোয়াফা" (৩/১৫১) গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি (আবুল মুছান্না) নির্ভরযোগ্যদের বর্ণনার বিরোধিতা করেছেন। তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা না জায়েয। পরীক্ষা করার উদ্দেশ্য ব্যতীত তার থেকে বর্ণনা করাও যায় না।
المدينة قبة الإسلام، ودار الإيمان، وأرض الهجرة، ومبوأ الحلال والحرام ضعيف - رواه الطبراني في " الأوسط " (1 / 124 / 1) عن عيسى بن مينا - قالون -: حدثنا عبد الله بن نافع عن أبي المثنى القاريء عن سعيد المقبري عن أبي هريرة مرفوعا، وقال السيوطي في " الحجج المبينة " (69 / 2) : " سنده حسن وكأنه أخذه من قول الهيثمي في " المجمع " (3 / 258) : " وفيه عيسى بن مينا قالون، وحديثه حسن وبقية رجاله ثقات "، وفي هذا نظر من وجهين الأول: أن عيسى بن مينا لم يوثقه غير ابن حبان، وقد قال فيه الذهبي: " أما في القراءة فثبت، وأما في الحديث فيكتب حديثه في الجملة، سئل عنه أحمد بن صالح المصري عن حديثه فضحك وقال: تكتبون عن كل أحد! ". قلت: ففي كلام أحمد بن صالح هذا إشارة إلى ضعف هذا الرجل إلى درجة أنه لا يكتب حديثه! الثاني: أن أبا المثنى القاريء واسمه سليمان بن يزيد ضعيف كما قال الدارقطني وتبعه الحافظ في " التقريب وقال أبو حاتم: " منكر الحديث ليس بالقوي ". وأما ابن حبان فأورده في " الثقات " (2 / 112) فهو عمدة الهيثمي في توثيقه لكن توثيق ابن حبان لا قيمة له لاسيما مع مخالفة من هو أعرف منه بالرجال كأبي حاتم والدارقطني، لاسيما وهو أعني ابن حبان قد تناقض، فإنه قد ذكره في " الضعفاء " أيضا فقال (3 / 151) : " يخالف الثقات في الروايات لا يجوز الاحتجاج به ولا الرواية عنه إلا للاعتبار