হাদিসটি ইমেইলে পাঠাতে অনুগ্রহ করে নিচের ফর্মটি পুরন করুন
security code
২৫৭৩

পরিচ্ছেদঃ ৩. প্রথম অনুচ্ছেদ - মক্কায় প্রবেশ করা ও তাওয়াফ প্রসঙ্গে

২৫৭৩-[১৩] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিদায় হজের (এক বছর) আগে যে হজে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর (রাঃ)-কে হজের আমির বানিয়ে পাঠিয়েছিলেন, সে হজ্জে আবূ বকর কুরবানীর দিনে আরো কিছু লোকসহ আমাকে লোকদের মাঝে ঘোষণা দিতে আদেশ করে পাঠালেন- সাবধান! এ বছরের পর আর কোন মুশরিক বায়তুল্লাহর হজ্জ/হজ করতে পারবে না এবং কেউ কক্ষনো উলঙ্গ হয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতে পারবে না। (বুখারী ও মুসলিম)[1]

بَابُ دُخُوْلِ مَكَّةَ وَالطَّوَافِ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: بَعَثَنِي أَبُو بَكْرٍ فِي الْحَجَّةِ الَّتِي أَمَّرَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْهَا قَبْلَ حَجَّةِ الْوَدَاعِ يَوْمَ النَّحْرِ فِي رَهْطٍ أَمَرَهُ أَنْ يُؤَذِّنَ فِي النَّاسِ: «أَلَا لَا يَحُجُّ بَعْدَ العامِ مشرِكٌ وَلَا يطوفَنَّ بِالْبَيْتِ عُرْيَان»

ব্যাখ্যা: এ হাদীসটি আল্লাহর বাণী- فَلَا يَقْرَبُوا الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ بَعْدَ عَامِهِمْ هٰذَا। অর্থাৎ- ‘‘এ বছরের পর কোন কাফির মসজিদে হারামের নিকটবর্তী হতে পারবে না’’- (সূরা আত্ তাওবাহ্ ৯ : ২৮)।

এ আয়াত দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, কোন কাফির মসজিদে হারামে প্রবেশ করতে পারবে না। যদিও তারা হজ্জের নিয়্যাত করে। এখানে হারাম দ্বারা শুধু বায়তুল্লাহকে বুঝানো হয়নি বরং সমস্ত হারাম এলাকা উদ্দেশ্য। ইমাম নাবাবী (রহঃ) বলেনঃ যদি কোন কাফির গুরুত্বপূর্ণ কোন চিঠি বা কোন বিষয় নিয়ে আসে যা তার সাথে আছে তবুও সে হারাম এলাকায় প্রবেশ করতে পারবে না। বরং যার কাছে সে এসেছে সে হারাম এলাকা থেকে বের হয়ে তার কাছে তথা কাফিরের কাছে যাবে এবং প্রয়োজন মিটাবে। এমনভাবে কোন জিম্মিও হারামে অবস্থান করতে পারবে না। কেননা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন- তোমরা ইয়াহূদী ও নাসারাদেরকে ‘আরব উপত্যকা থেকে বের করে দাও।

এ হাদীসের অপর একটি অংশে বলা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তি এখন থেকে আর কক্ষনো উলঙ্গ হয়ে কাবা তাওয়াফ করতে পারবে না। শুধু এ দিনটিতেই নয় বরং কোন দিনই কেউ উলঙ্গ হতে পারবে না। এ কথার সমর্থনে কুরআন মাজীদে এসেছে- ‘‘হে আদাম সন্তানেরা! তোমরা সালাতের সময় তোমাদের সাজ-সজ্জা গ্রহণ করো’’- (সূরা আল আ‘রাফ ৭ : ৩১)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ এ আয়াতটি জাহিলী যুগের উলঙ্গ হয়ে তাওয়াফ করার নিয়মকে প্রতিহত করতে নাযিল করা হয়েছে। কেননা জাহিলী যুগে তারা উলঙ্গ হয়ে কাবা প্রদক্ষেণ করত।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ