মুয়াত্তা মালিক ২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق)

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আযল এর বর্ণনা

রেওয়ায়ত ৯৯. হাজ্জাজ ইবন আমর ইবন গাযিয়্যা[1] (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলেন। (ইতিমধ্যে) ইয়ামানের বাসিন্দা ইবন ফাহদ (জনৈক ব্যক্তি) তাহার নিকট আসিল এবং বলিল, হে আবূ সাঈদ, আমার নিকট কয়েকটি বাদী এমন রহিয়াছে যে, আমার স্ত্রীগণ উহাদের তুলনায় আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় নহে।আমার দ্বারা উহাদের প্রত্যেকে অন্তঃসত্ত্বা হউক ইহা আমি পছন্দ করি না। তবে আমি আযল করিতে পারি কি? যায়দ বলিলেন, হে হাজ্জাজ; তুমি ফতোয়া দাও; আমি বলিলাম, আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন, আমরা আপনার নিকট ইলম শিক্ষার জন্য বসি। তিনি বলিলেনঃ হে হাজ্জাজ। ফতোয়া বলিয়া দাও। হাজ্জাজ বলিলেনঃ তারপর আমি বলিলাম-উহা তোমার ক্ষেত্রে তোমার ইচ্ছা, তুমি উহাতে পানি সিঞ্চন কর অথবা উহাকে পিপাসিত ও শুষ্ক করিয়া রাখ। তিনি বলেন, আমি ইহা যায়দ হইতে শুনিয়াছি। অতঃপর যায়দ বলিলেন, (হাজ্জাজ) সত্য বলিয়াছে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْعَزْلِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ سَعِيدٍ الْمَازِنِيِّ عَنْ الْحَجَّاجِ بْنِ عَمْرِو بْنِ غَزِيَّةَ أَنَّهُ كَانَ جَالِسًا عِنْدَ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ فَجَاءَهُ ابْنُ قَهْدٍ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْيَمَنِ فَقَالَ يَا أَبَا سَعِيدٍ إِنَّ عِنْدِي جَوَارِيَ لِي لَيْسَ نِسَائِي اللَّاتِي أُكِنُّ بِأَعْجَبَ إِلَيَّ مِنْهُنَّ وَلَيْسَ كُلُّهُنَّ يُعْجِبُنِي أَنْ تَحْمِلَ مِنِّي أَفَأَعْزِلُ فَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ أَفْتِهِ يَا حَجَّاجُ قَالَ فَقُلْتُ يَغْفِرُ اللَّهُ لَكَ إِنَّمَا نَجْلِسُ عِنْدَكَ لِنَتَعَلَّمَ مِنْكَ قَالَ أَفْتِهِ قَالَ فَقُلْتُ هُوَ حَرْثُكَ إِنْ شِئْتَ سَقَيْتَهُ وَإِنْ شِئْتَ أَعْطَشْتَهُ قَالَ وَكُنْتُ أَسْمَعُ ذَلِكَ مِنْ زَيْدٍ فَقَالَ زَيْدٌ صَدَقَ

وحدثني عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن الحجاج بن عمرو بن غزية أنه كان جالسا عند زيد بن ثابت فجاءه ابن قهد رجل من أهل اليمن فقال يا أبا سعيد إن عندي جواري لي ليس نسائي اللاتي أكن بأعجب إلي منهن وليس كلهن يعجبني أن تحمل مني أفأعزل فقال زيد بن ثابت أفته يا حجاج قال فقلت يغفر الله لك إنما نجلس عندك لنتعلم منك قال أفته قال فقلت هو حرثك إن شئت سقيته وإن شئت أعطشته قال وكنت أسمع ذلك من زيد فقال زيد صدق


Yahya related to me from Malik from Damra ibn Said al-Mazini from al-Hajjaj ibn Amr ibn Ghaziya that he was sitting with Zayd ibn Thabit when Ibn Fahd came to him. He was from the Yemen. He said, "Abu Said! I have slave-girls. None of the wives in my keep are more pleasing to me than them, and not all of them please me so much that I want a child by them, shall I then practise coitus interruptus?" Zayd ibn Thabit said, "Give an opinion, Hajjaj!" "I said, 'May Allah forgive you! We sit with you in order to learn from you!' He said, 'Give an opinion! 'I said, 'She is your field, if you wish, water it, and if you wish, leave it thirsty. I heard that from Zayd.' Zayd said, 'He has spoken the truth.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. আযল এর বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০০. যকীফ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হইল আযল সম্পর্কে। তিনি তাহার জনৈকা দাসীকে ডাকিয়া বলিলেন-ইহাদিগকে বাতলাইয়া দাও। দাসী লজ্জাবোধ করিল। ইবন আব্বাস বলিলেনঃ ইহা তাহাই (অর্থাৎ আযল করা মুবাহ) আমিও উহা করিয়া থাকি অর্থাৎ তিনিও আযল করেন।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আযাদ স্ত্রীলোকের ব্যাপারে কোন ব্যক্তি তাহার অনুমতি ছাড়া উহার সহিত আযল করাতে কোন দোষ নাই, আর কোন ব্যক্তি কোন গোত্রের দাসীকে বিবাহ করিলে তবে সেই গোত্রের লোকের অনুমতি ছাড়া সেই দাসীর সহিত আযল করিবে না।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْعَزْلِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ حُمَيْدِ بْنِ قَيْسٍ الْمَكِّيِّ عَنْ رَجُلٍ يُقَالُ لَهُ ذَفِيفٌ أَنَّهُ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ الْعَزْلِ فَدَعَا جَارِيَةً لَهُ فَقَالَ أَخْبِرِيهِمْ فَكَأَنَّهَا اسْتَحْيَتْ فَقَالَ هُوَ ذَلِكَ أَمَّا أَنَا فَأَفْعَلُهُ يَعْنِي أَنَّهُ يَعْزِلُ
قَالَ مَالِك لَا يَعْزِلُ الرَّجُلُ الْمَرْأَةَ الْحُرَّةَ إِلَّا بِإِذْنِهَا وَلَا بَأْسَ أَنْ يَعْزِلَ عَنْ أَمَتِهِ بِغَيْرِ إِذْنِهَا وَمَنْ كَانَتْ تَحْتَهُ أَمَةُ قَوْمٍ فَلَا يَعْزِلُ إِلَّا بِإِذْنِهِمْ

وحدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن رجل يقال له ذفيف أنه قال سئل ابن عباس عن العزل فدعا جارية له فقال أخبريهم فكأنها استحيت فقال هو ذلك أما أنا فأفعله يعني أنه يعزل قال مالك لا يعزل الرجل المرأة الحرة إلا بإذنها ولا بأس أن يعزل عن أمته بغير إذنها ومن كانت تحته أمة قوم فلا يعزل إلا بإذنهم


Yahya related to me from Malik from Humayd ibn Qays al-Makki that a man called Dhafif said that Ibn Abbas was asked about coitus interruptus. He called a slave-girl of his and said, "Tell them." She was embarrassed. He said, "It is alright, and I do it myself."

Malik said, "A man does not practise coitus interruptus with a free woman unless she gives her permission. There is no harm in practising coitus interruptus with a slave-girl without her permission. Someone who has someone else's slave-girl as a wife, does not practise coitus interruptus with her unless her people give him permission."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. শোক পালনের ব্যাপারে করণীয় বিষয়ের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০১. যয়নাব বিনত আবু সালমা (রহঃ) নাফি' (রহঃ)-এর নিকট তিনটি হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। তিনি বলেন, আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে হাবীব (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশ করিলাম, যখন তাহার পিতা আবু সুফিয়ান ইবন হারব (রাঃ) ইন্তিকাল করেন, তখন তিনি হলুদ বর্ণের কিছু সুগন্ধি চাহিলেন। খুলুক [পাঁচ মিশালী খোশবু যাহাতে কয়েক প্রকারের সুগন্ধি দ্রব্যের সংমিশ্রণ রহিয়াছে যাফরান উহাদের অন্যতম] ছিল বা অন্য কোন সুগন্ধি। তিনি উহা তাহার বাদীকে লাগাইলেন। তারপর তাহার গণ্ডদ্বয়ে (খোশবু মাখা) হাত বুলাইলেন, অতঃপর বলিলেনঃ আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধির কোন প্রয়োজন নাই। কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিতে শুনিয়াছি, আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন নারীর পক্ষে কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির বেশি শোক পালন করা হালাল নহে। তবে স্ত্রী স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন (শোক পালন করিবে)।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْإِحْدَادِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ نَافِعٍ عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ بِهَذِهِ الْأَحَادِيثِ الثَّلَاثَةِ قَالَتْ زَيْنَبُ دَخَلْتُ عَلَى أُمِّ حَبِيبَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ تُوُفِّيَ أَبُوهَا أَبُو سُفْيَانَ بْنُ حَرْبٍ فَدَعَتْ أُمُّ حَبِيبَةَ بِطِيبٍ فِيهِ صُفْرَةٌ خَلُوقٌ أَوْ غَيْرُهُ فَدَهَنَتْ بِهِ جَارِيَةً ثُمَّ مَسَحَتْ بِعَارِضَيْهَا ثُمَّ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا لِي بِالطِّيبِ مِنْ حَاجَةٍ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيْتٍ فَوْقَ ثَلَاثِ لَيَالٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن حميد بن نافع عن زينب بنت أبي سلمة أنها أخبرته بهذه الأحاديث الثلاثة قالت زينب دخلت على أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أبوها أبو سفيان بن حرب فدعت أم حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق أو غيره فدهنت به جارية ثم مسحت بعارضيها ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا


Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Abi Bakr ibn Muhammad ibn Amr ibn Hazm from Humayd ibn Nafi that Zaynab bint Abi Salama related these three traditions to him. Zaynab said, "I visited Umm Habiba, the wife of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, when her father Abu Sufyan ibn Harb had died. Umm Habiba called for a yellowy perfume perhaps khaluq or something else. She rubbed the perfume first on a slave-girl and she then wiped it on the sides of her face and said, 'By Allah! I have no need of perfume but I heard the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, say, 'It is not halal for a woman who trusts in Allah and the Last Day to abstain from adornment in mourning for someone who has died, for more than three nights, except for four months and ten days for a husband.'


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. শোক পালনের ব্যাপারে করণীয় বিষয়ের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০২. যয়নাব বলেনঃ আমি অতঃপর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী যয়নাব বিনত জাহশ-এর নিকট আগমন করিলাম, যখন তাহার ভাই-এর ওফাত হইল তখন। তিনি খোশবু আনাইলেন এবং উহা হইতে স্পর্শ করিলেন, তারপর বলিলেন, কসম আল্লাহর! আমার কোন খোশবুর আবশ্যকতা নাই, কিন্তু আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বরের উপর বলিতে শুনিয়াছি, আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন কোন নারীর জন্য তিন রাত্রির অতিরিক্ত কোন মৃত ব্যক্তির জন্য শোক পালন করা হালাল নহে। তবে স্ত্রী স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন শোক পালন করিবে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْإِحْدَادِ

قَالَتْ زَيْنَبُ ثُمَّ دَخَلْتُ عَلَى زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ تُوُفِّيَ أَخُوهَا فَدَعَتْ بِطِيبٍ فَمَسَّتْ مِنْهُ ثُمَّ قَالَتْ وَاللَّهِ مَا لِي بِالطِّيبِ حَاجَةٌ غَيْرَ أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ تُحِدُّ عَلَى مَيْتٍ فَوْقَ ثَلَاثِ لَيَالٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا

قالت زينب ثم دخلت على زينب بنت جحش زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت والله ما لي بالطيب حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا


Zaynab said, "I went to the house of Zaynab bint Jahsh, the wife of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, when her brother had died. She called for perfume and put some on and said, 'By Allah! I have no need of perfume, but I heard the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, say, 'It is not halal for a woman who trusts in Allah and the Last Day to abstain from adornment in mourning for someone who has died for more than three nights, except for four months and ten days for a husband.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. শোক পালনের ব্যাপারে করণীয় বিষয়ের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০৩. যয়নাব বলেন, আমি আমার মাতা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছি, একজন মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হইলেন এবং বলিলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার কন্যার স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে, তাহার চক্ষুতে ব্যথা, আমি কি তাহার চক্ষুতে সুরমা লাগাইতে পারি? (উত্তরে) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ না, দুইবার অথবা তিনবার বলিলেন; প্রতিবার এইরূপ না বলিলেন। অতঃপর বলিলেনঃ ইদ্দত হইতেছে চার মাস দশ দিন। জাহিলিয়্যা যুগে তোমাদের প্রথা ছিল, একজন এক বৎসর পূর্ণ হইলে উটের মল ছুড়িয়া মারিত। হুমায়িদ ইবন নাফি' বলেনঃ আমি যয়নাবকে বলিলাম, এক বৎসর পূর্ণ হইলে উটের মল কেন ছুড়িয়া মারিত? যয়নাব (রাঃ) বলিলেন, কোন মেয়েলোকের স্বামীর মৃত্যু হইলে (নিয়ম এই ছিল যে,) সে একটি কুঠরিতে প্রবেশ করিত এবং নিকৃষ্ট বস্ত্র পরিধান করিত, খোশবু এবং এই জাতীয় কোন (সাজ-সজ্জার কোন কিছু) বস্তু স্পর্শ করিত না। এইভাবে এক বৎসর অতিবাহিত হইলে পর তাহার নিকট উপস্থিত করা হইত চতুষ্পদ জন্তু গাধা, বকরী অথবা কোন পাখী এবং উহা দ্বারা (তাহার লজ্জাস্থানে) ঘর্ষণ করা হইত, ঘর্ষণ করার পর সেই জীব প্রায় মারা যাইত, তারপর সে বন্ধ ঘর হইতে বাহির হইত। অতঃপর তাহার সম্মুখে উটের মল উপস্থিত করা হইত সে উহাকে ছুড়িয়া মারিত। তারপর যাহা ইচ্ছা খোশবু ইত্যাদি ব্যবহার করিত।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ হিফশ (حفش) শব্দের অর্থ নিকৃষ্ট ঘর, (تفتض)-এর অর্থ উহাকে দেহের চামড়ায় ঘর্ষণ করিত যেমন করাত।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْإِحْدَادِ

قَالَتْ زَيْنَبُ وَسَمِعْتُ أُمِّي أُمَّ سَلَمَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَقُولُ جَاءَتْ امْرَأَةٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ ابْنَتِي تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا وَقَدْ اشْتَكَتْ عَيْنَيْهَا أَفَتَكْحُلُهُمَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا كُلُّ ذَلِكَ يَقُولُ لَا ثُمَّ قَالَ إِنَّمَا هِيَ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا وَقَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ فِي الْجَاهِلِيَّةِ تَرْمِي بِالْبَعْرَةِ عَلَى رَأْسِ الْحَوْلِ قَالَ حُمَيْدُ بْنُ نَافِعٍ فَقُلْتُ لِزَيْنَبَ وَمَا تَرْمِي بِالْبَعْرَةِ عَلَى رَأْسِ الْحَوْلِ فَقَالَتْ زَيْنَبُ كَانَتْ الْمَرْأَةُ إِذَا تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا دَخَلَتْ حِفْشًا وَلَبِسَتْ شَرَّ ثِيَابِهَا وَلَمْ تَمَسَّ طِيبًا وَلَا شَيْئًا حَتَّى تَمُرَّ بِهَا سَنَةٌ ثُمَّ تُؤْتَى بِدَابَّةٍ حِمَارٍ أَوْ شَاةٍ أَوْ طَيْرٍ فَتَفْتَضُّ بِهِ فَقَلَّمَا تَفْتَضُّ بِشَيْءٍ إِلَّا مَاتَ ثُمَّ تَخْرُجُ فَتُعْطَى بَعْرَةً فَتَرْمِي بِهَا ثُمَّ تُرَاجِعُ بَعْدُ مَا شَاءَتْ مِنْ طِيبٍ أَوْ غَيْرِهِ قَالَ مَالِك وَالْحِفْشُ الْبَيْتُ الرَّدِيءُ وَتَفْتَضُّ تَمْسَحُ بِهِ جِلْدَهَا كَالنُّشْرَةِ

قالت زينب وسمعت أمي أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينيها أفتكحلهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا مرتين أو ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال إنما هي أربعة أشهر وعشرا وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول قال حميد بن نافع فقلت لزينب وما ترمي بالبعرة على رأس الحول فقالت زينب كانت المرأة إذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا ولبست شر ثيابها ولم تمس طيبا ولا شيئا حتى تمر بها سنة ثم تؤتى بدابة حمار أو شاة أو طير فتفتض به فقلما تفتض بشيء إلا مات ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي بها ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب أو غيره قال مالك والحفش البيت الرديء وتفتض تمسح به جلدها كالنشرة


Zaynab said, "I heard my mother, Umm Salama, the wife of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, say that a woman came to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and said, 'Messenger of Allah! My daughter's husband died, and her eyes are troubling her, can she put kohl on them?' The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, 'No' two or three times. Then he said, 'It is only four months and ten days. In the Jahiliyya, none of you threw away the piece of dung until a year had passed.' "

Humayd ibn Nafi said, "I asked Zaynab to explain what 'throwing away the piece of dung at the end of a year' meant. Zaynab said, 'In the Jahiliyya when a woman's husband died, she went into a small tent and dressed in the worst of clothes. She did not touch perfume or anything until a year had passed. Then she was brought an animal - a donkey, a sheep, or a bird, and she would break her idda with it, by rubbing her body against it (taftaddu). Rarely did she break her idda with anything (by rubbing herself against it) but that it died. Then she would come out and would be given a piece of dung. She would throw it away and then return to whatever she wished of perfumes or whatever.' "

Malik explained, 'Taftaddu' means to wipe her skin with it in the same way as with a healing charm."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. শোক পালনের ব্যাপারে করণীয় বিষয়ের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০৪. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণীদ্বয় আয়েশা ও হাফসা (রাঃ) হইতে বর্ণিত-রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন স্ত্রীলোকের জন্য স্বামী ব্যতীত কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির অতিরিক্ত শোক পালন করা হালাল নহে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْإِحْدَادِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ أَبِي عُبَيْدٍ عَنْ عَائِشَةَ وَحَفْصَةَ زَوْجَيْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَحِلُّ لِامْرَأَةٍ تُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ تُحِدَّ عَلَى مَيْتٍ فَوْقَ ثَلَاثِ لَيَالٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ

وحدثني عن مالك عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد عن عائشة وحفصة زوجي النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج


Yahya related to me from Malik from Nafi from Safiyya bint Abi Ubayd from A'isha and Hafsa, the wives of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "It is not halal for a woman in mourning for someone who has died, if she trusts in Allah and the Last Day, to abstain from adornment for more than three nights, except for a husband."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. শোক পালনের ব্যাপারে করণীয় বিষয়ের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০৫. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ), স্বামীর জন্য শোক পালন করিতেছিল এমন এক মহিলাকে, যাহার চক্ষুতে পীড়া হইয়াছিল এবং চক্ষুপীড়া চরমে পৌছিয়াছিল, বলিয়াছিলেন, ইসমিদ সুরমা রাত্রিতে চক্ষুতে লাগাও, দিনের বেলায় সুরমা মুছিয়া ফেল।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْإِحْدَادِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ لِامْرَأَةٍ حَادٍّ عَلَى زَوْجِهَا اشْتَكَتْ عَيْنَيْهَا فَبَلَغَ ذَلِكَ مِنْهَا اكْتَحِلِي بِكُحْلِ الْجِلَاءِ بِاللَّيْلِ وَامْسَحِيهِ بِالنَّهَارِ

وحدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لامرأة حاد على زوجها اشتكت عينيها فبلغ ذلك منها اكتحلي بكحل الجلاء بالليل وامسحيه بالنهار


Yahya related to me from Malik that he had heard that Umm Salama, the wife of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, said to a woman in mourning for her husband whose eyes were troubling her and the pain had become very strong, "Apply jala kohl at night and wipe it off in the day."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. শোক পালনের ব্যাপারে করণীয় বিষয়ের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, যে স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গিয়াছে (সে ইদ্দত পালনরতা) সেই স্ত্রীলোক সম্পর্কে সালিম ইবন আবদিল্লাহ ও সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) বলিতেনঃ যদি চক্ষুর প্রতি কোন আশংকা দেখা দেয় চক্ষু উঠা বা অন্য কোন চক্ষুপীড়ার দরুন সে সুরমা লাগাইবে এবং সুরমা অথবা অন্য কোন ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করিবে যদিও উহাতে সুগন্ধ থাকে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আবশ্যক হইলে উহা করিবে, কারণ আল্লাহর দীন সহজ।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْإِحْدَادِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَسُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّهُمَا كَانَا يَقُولَانِ فِي الْمَرْأَةِ يُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا إِنَّهَا إِذَا خَشِيَتْ عَلَى بَصَرِهَا مِنْ رَمَدٍ أَوْ شَكْوٍ أَصَابَهَا إِنَّهَا تَكْتَحِلُ وَتَتَدَاوَى بِدَوَاءٍ أَوْ كُحْلٍ وَإِنْ كَانَ فِيهِ طِيبٌ قَالَ مَالِك وَإِذَا كَانَتْ الضَّرُورَةُ فَإِنَّ دِينَ اللَّهِ يُسْرٌ

وحدثني عن مالك أنه بلغه عن سالم بن عبد الله وسليمان بن يسار أنهما كانا يقولان في المرأة يتوفى عنها زوجها إنها إذا خشيت على بصرها من رمد أو شكو أصابها إنها تكتحل وتتداوى بدواء أو كحل وإن كان فيه طيب قال مالك وإذا كانت الضرورة فإن دين الله يسر


Yahya related to me from Malik that he had heard that Salim ibn Abdullah and Sulayman ibn Yasar said that if a woman whose husband had died feared that an inflammation of her eyes might affect her sight or that some complaint might befall her, she should put kohl on and seek a remedy with kohl or some other cure even if it had perfume in it.

Malik said, "If there is a necessity, the deen of Allah is ease."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. শোক পালনের ব্যাপারে করণীয় বিষয়ের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০৭. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সফিয়া বিন্‌ত আবী উবাইদ-এর চক্ষুতে রোগ দেখা দিল। তিনি তখন তাহার স্বামী আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর মৃত্যুর শোক পালন করিতেছিলেন। তাহার চক্ষু পীড়িত হইয়া চক্ষুদ্বয়ে ছানি পড়িয়াছে, তবুও তিনি সুরমা ব্যবহার করেন নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে স্ত্রীর স্বামী মারা গিয়াছে সে স্ত্রী ইদ্দতের সময় যায়তুন তৈল এবং এই জাতীয় অন্য তৈল, যাহাতে খোশবু নাই, ব্যবহার করিতে পারিবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ স্বামীর জন্য শোক পালনরতা স্ত্রী গহনা পরিধান করিবে না, যেমন আংটি, পায়ের চুড়ি বা অন্য কোন গহনা এবং য়ামানী নামক বস্ত্রও পরিধান করিবে না। যদি উহা মোটা হয় তবে পরিধান করিতে পারবে। কেবলমাত্র কাল রঙ ব্যতীত কোন প্রকার রঙ্গীন কাপড় পরিধান করিবে না। কুল পাতা বা সেই জাতীয় বস্তু যাহাতে বর্ণ ও গন্ধ নাই এবং যাহা সুগন্ধিস্বরূপ ব্যবহৃত হয় না। তাহা ব্যতীত অন্য কোন দ্রব্য দ্বারা মাথা ধুইবে না এবং চিরুনী ব্যবহার করিবে না।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْإِحْدَادِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ صَفِيَّةَ بِنْتَ أَبِي عُبَيْدٍ اشْتَكَتْ عَيْنَيْهَا وَهِيَ حَادٌّ عَلَى زَوْجِهَا عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَلَمْ تَكْتَحِلْ حَتَّى كَادَتْ عَيْنَاهَا تَرْمَصَانِ
قَالَ مَالِك تَدَّهِنُ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا زَوْجُهَا بِالزَّيْتِ وَالشِّيرِقِ وَمَا أَشْبَهَ ذَلِكَ إِذَا لَمْ يَكُنْ فِيهِ طِيبٌ قَالَ مَالِك وَلَا تَلْبَسُ الْمَرْأَةُ الْحَادُّ عَلَى زَوْجِهَا شَيْئًا مِنْ الْحَلْيِ خَاتَمًا وَلَا خَلْخَالًا وَلَا غَيْرَ ذَلِكَ مِنْ الْحَلْيِ وَلَا تَلْبَسُ شَيْئًا مِنْ الْعَصْبِ إِلَّا أَنْ يَكُونَ عَصْبًا غَلِيظًا وَلَا تَلْبَسُ ثَوْبًا مَصْبُوغًا بِشَيْءٍ مِنْ الصِّبْغِ إِلَّا بِالسَّوَادِ وَلَا تَمْتَشِطُ إِلَّا بِالسِّدْرِ وَمَا أَشْبَهَهُ مِمَّا لَا يَخْتَمِرُ فِي رَأْسِهَا

وحدثني عن مالك عن نافع أن صفية بنت أبي عبيد اشتكت عينيها وهي حاد على زوجها عبد الله بن عمر فلم تكتحل حتى كادت عيناها ترمصان قال مالك تدهن المتوفى عنها زوجها بالزيت والشيرق وما أشبه ذلك إذا لم يكن فيه طيب قال مالك ولا تلبس المرأة الحاد على زوجها شيئا من الحلي خاتما ولا خلخالا ولا غير ذلك من الحلي ولا تلبس شيئا من العصب إلا أن يكون عصبا غليظا ولا تلبس ثوبا مصبوغا بشيء من الصبغ إلا بالسواد ولا تمتشط إلا بالسدر وما أشبهه مما لا يختمر في رأسها


Yahya related to me from Malik from Nafic that Saffiyya bint Abi Ubayd suffered from an eye-complaint while she was in mourning for her husband, Abdullah ibn Umar. She did not apply kohl until her eyes almost had ramas (a dry white secretion in the corners of the eye).

Malik said, "A woman whose husband has died should anoint her eyes with olive oil and sesame oil and the like of that since there is no perfume in it."

Malik said, "A woman in mourning for her husband should not put on any jewellery - rings, anklets, or such- like, neither should she dress in any sort of colourful, striped garment unless it is coarse. She should not wear any cloth dyed with anything except black, and she should only dress her hair with things like lotus-tree leaves which do not dye the hair."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. শোক পালনের ব্যাপারে করণীয় বিষয়ের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০৮. মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করিলেন উম্মে সালমা (রাঃ)-এর নিকট। তখন তিনি (তাহার পূর্ব স্বামী) আবু সালমা (রাঃ)-এর (মৃত্যুর) শোক পালন করিতেছিলেন। তিনি চক্ষুতে সবির (এক প্রকার গাছের নির্যাস) লাগাইয়াছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সালমাকে বলিলেনঃ ইহা কি? তিনি (উম্মে সালমা) বলিলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইহা সবির। তিনি [রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বলিলেনঃ ইহা রাত্রিতে ব্যবহার কর এবং দিনে মুছিয়া ফেল।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে কিশোরী বালেগা হয় নাই, তাহার শোক পালন বালেগা মহিলার মতো হইবে, তাহার স্বামীর মৃত্যু হইলে বালেগা মহিলা যে সব হইতে বিরত থাকিবে সেও সেই সব (বস্তু বা কার্য) হইতে বিরত থাকিবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ বাদী তাহার স্বামীর মৃত্যু হইলে তাহার ইদতের মতো দুই মাস পাচ রাত্রি শোক পালন করিবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ উম্মে ওয়ালাদ-এর কর্তার মৃত্যু হইলে তাহাকে শোক পালন করিতে হইবে না। বাদীর কর্তা মারা গেলে তাহার উপরও শোক পালন নাই। শোক পালন করিবে তাহারা, যাহাদের স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْإِحْدَادِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَلَى أُمِّ سَلَمَةَ وَهِيَ حَادٌّ عَلَى أَبِي سَلَمَةَ وَقَدْ جَعَلَتْ عَلَى عَيْنَيْهَا صَبِرًا فَقَالَ مَا هَذَا يَا أُمَّ سَلَمَةَ فَقَالَتْ إِنَّمَا هُوَ صَبِرٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ اجْعَلِيهِ فِي اللَّيْلِ وَامْسَحِيهِ بِالنَّهَارِ قَالَ مَالِك الْإِحْدَادُ عَلَى الصَّبِيَّةِ الَّتِي لَمْ تَبْلُغْ الْمَحِيضَ كَهَيْئَتِهِ عَلَى الَّتِي قَدْ بَلَغَتْ الْمَحِيضَ تَجْتَنِبُ مَا تَجْتَنِبُ الْمَرْأَةُ الْبَالِغَةُ إِذَا هَلَكَ عَنْهَا زَوْجُهَا قَالَ مَالِك تُحِدُّ الْأَمَةُ إِذَا تُوُفِّيَ عَنْهَا زَوْجُهَا شَهْرَيْنِ وَخَمْسَ لَيَالٍ مِثْلَ عِدَّتِهَا قَالَ مَالِك لَيْسَ عَلَى أُمِّ الْوَلَدِ إِحْدَادٌ إِذَا هَلَكَ عَنْهَا سَيِّدُهَا وَلَا عَلَى أَمَةٍ يَمُوتُ عَنْهَا سَيِّدُهَا إِحْدَادٌ وَإِنَّمَا الْإِحْدَادُ عَلَى ذَوَاتِ الْأَزْوَاجِ

وحدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل على أم سلمة وهي حاد على أبي سلمة وقد جعلت على عينيها صبرا فقال ما هذا يا أم سلمة فقالت إنما هو صبر يا رسول الله قال اجعليه في الليل وامسحيه بالنهار قال مالك الإحداد على الصبية التي لم تبلغ المحيض كهيئته على التي قد بلغت المحيض تجتنب ما تجتنب المرأة البالغة إذا هلك عنها زوجها قال مالك تحد الأمة إذا توفي عنها زوجها شهرين وخمس ليال مثل عدتها قال مالك ليس على أم الولد إحداد إذا هلك عنها سيدها ولا على أمة يموت عنها سيدها إحداد وإنما الإحداد على ذوات الأزواج


Yahya related to me from Malik that he had heard that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, visited Umm Salama while she was in mourning for Abu Salama and she had put aloes on her eyes. He said, "What is this, Umm Salama?" She said, "It is only aloes, Messenger of Allah." He said, "Put it on at night and wipe it off in the daytime."

Malik said, "The mourning of a young girl who has not yet had a menstrual period takes the same form as the mourning of one who has had a period. She avoids what a mature woman avoids if her husband dies."

Malik said, "A slave-girl mourns her husband when he dies for two months and five nights like her idda.''

Malik said, "An umm walad does not have to mourn when her master dies, and a slave-girl does not have to mourn when her master dies. Mourning is for those with husbands."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. শোক পালনের ব্যাপারে করণীয় বিষয়ের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১০৯. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ) বলিতেন, শোক পালনরতা স্ত্রী তাহার মাথার চুল কুলপতা ও তেল দ্বারা বাঁধিতে পারবে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْإِحْدَادِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَتْ تَقُولُ تَجْمَعُ الْحَادُّ رَأْسَهَا بِالسِّدْرِ وَالزَّيْتِ

وحدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول تجمع الحاد رأسها بالسدر والزيت


Yahya related to me from Malik that he had heard that Umm Salama, the wife of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, said, "A mourning woman can rub her head with lotus leaves and olive oil.'


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
২৯. তালাক অধ্যায় (كتاب الطلاق) 29/ Divorce
দেখানো হচ্ছেঃ ১০১ থেকে ১১১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১১১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ « আগের পাতা 1 2 3 4 5 6