মুয়াত্তা মালিক ৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول)

পরিচ্ছেদঃ ১. দিয়াত সম্পর্কিত আলোচনা

রেওয়ায়ত ১. আব্দুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন মুহাম্মদ ইবন আমর ইবন হাযম (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, দিয়াতের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে পত্র তাহাকে লিখিয়াছিলেন উহাতে উল্লেখ ছিল, জীবনের দিয়াত বা বিনিময় এক শত উট। যখন পূর্ণ নাক কাটা যায় এবং স্থানটি সম্পূর্ণ সমান হইয়া যায় তখন উহার দিয়াত একশত উট। যখন মাথার পিছে পর্যন্ত পৌছিয়াছে উহাতে তিন ভাগের এক ভাগ দিয়াত, পেটের যখমেও দিয়াতের তিন ভাগের এক ভাগ। চক্ষুর দিয়াত পঞ্চাশ উট, হাত এবং পায়েরও পঞ্চাশ উট করিয়া দিয়াত রহিয়াছে। প্রতিটি অঙ্গুলির দিয়াত দশ উট। প্রতিটি দাঁতের দিয়াত পাঁচ উট। হাড় বাহির করিয়া দিয়াছে এমন যখমের দিয়াত পাঁচ উট।

باب ذِكْرِ الْعُقُولِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ فِي الْكِتَابِ الَّذِي كَتَبَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَمْرِو بْنِ حَزْمٍ فِي الْعُقُولِ أَنَّ فِي النَّفْسِ مِائَةً مِنْ الْإِبِلِ وَفِي الْأَنْفِ إِذَا أُوعِيَ جَدْعًا مِائَةٌ مِنْ الْإِبِلِ وَفِي الْمَأْمُومَةِ ثُلُثُ الدِّيَةِ وَفِي الْجَائِفَةِ مِثْلُهَا وَفِي الْعَيْنِ خَمْسُونَ وَفِي الْيَدِ خَمْسُونَ وَفِي الرِّجْلِ خَمْسُونَ وَفِي كُلِّ أُصْبُعٍ مِمَّا هُنَالِكَ عَشْرٌ مِنْ الْإِبِلِ وَفِي السِّنِّ خَمْسٌ وَفِي الْمُوضِحَةِ خَمْسٌ

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن أبيه أن في الكتاب الذي كتبه رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمرو بن حزم في العقول أن في النفس مائة من الإبل وفي الأنف إذا أوعي جدعا مائة من الإبل وفي المأمومة ثلث الدية وفي الجائفة مثلها وفي العين خمسون وفي اليد خمسون وفي الرجل خمسون وفي كل أصبع مما هنالك عشر من الإبل وفي السن خمس وفي الموضحة خمس


Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Abi Bakr ibn Muhammad ibn Amr ibn Hazm from his father that in a letter which the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, sent to Amr ibn Hazm about blood-money he wrote that it was one hundred camels for a life, one hundred camels for a nose if completely removed, a third of the blood-money for a wound in the brain, the same as that for a belly wound, fifty for an eye, fifty for a hand, fifty for a foot, ten camels for each finger, and five for teeth, and five for a head wound which laid bare the bone.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ২. দিয়াত কিভাবে গ্রহণ করা হইবে?

রেওয়ায়ত ২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ উমর (রাঃ) যখন ঐ সমস্ত গ্রাম্য লোকের উপর দিয়াতের মূল্য লাগাইতেন যাহাদের নিকট স্বর্ণ হইত তখন স্বর্ণওয়ালাদের উপর এক হাজার দীনার এবং রৌপ্যওয়ালাদের উপর বার হাজার দিরহাম নির্দিষ্ট করিয়া দিতেন।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ শাম ও মিসরের অধিবাসিগণ স্বর্ণওয়ালা, আর ইরাকের অধিবাসিগণ রৌপ্যওয়ালা। মালিক (রহঃ) পর্যন্ত খবর পৌছিয়াছে যে, লোকের নিকট হইতে তিন অথবা চারি বৎসরের মধ্যে দিয়াত উশুল করা হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার তিন বৎসরে দিয়াত উশুল করা পছন্দনীয়।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা একটি সর্বসম্মত বিষয় যে, দিয়াতে স্বর্ণ-রৌপ্যওয়ালাদের নিকট হইতে উট লওয়া হইবে না। আর উটওয়ালাদোর নিকট হইতে সোনা চান্দি লওয়া হইবে না। আর স্বর্ণওয়ালাদের নিকট হইতে রৌপ্য এবং রৌপ্যওয়ালাদের নিকট হইতে স্বর্ণ লওয়া হইবে না।

باب الْعَمَلِ فِي الدِّيَةِ

حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَوَّمَ الدِّيَةَ عَلَى أَهْلِ الْقُرَى فَجَعَلَهَا عَلَى أَهْلِ الذَّهَبِ أَلْفَ دِينَارٍ وَعَلَى أَهْلِ الْوَرِقِ اثْنَيْ عَشَرَ أَلْفَ دِرْهَمٍ قَالَ مَالِك فَأَهْلُ الذَّهَبِ أَهْلُ الشَّامِ وَأَهْلُ مِصْرَ وَأَهْلُ الْوَرِقِ أَهْلُ الْعِرَاقِ وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ أَنَّ الدِّيَةَ تُقْطَعُ فِي ثَلَاثِ سِنِينَ أَوْ أَرْبَعِ سِنِينَ قَالَ مَالِك وَالثَّلَاثُ أَحَبُّ مَا سَمِعْتُ إِلَيَّ فِي ذَلِكَ قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّهُ لَا يُقْبَلُ مِنْ أَهْلِ الْقُرَى فِي الدِّيَةِ الْإِبِلُ وَلَا مِنْ أَهْلِ الْعَمُودِ الذَّهَبُ وَلَا الْوَرِقُ وَلَا مِنْ أَهْلِ الذَّهَبِ الْوَرِقُ وَلَا مِنْ أَهْلِ الْوَرِقِ الذَّهَبُ

حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب قوم الدية على أهل القرى فجعلها على أهل الذهب ألف دينار وعلى أهل الورق اثني عشر ألف درهم قال مالك فأهل الذهب أهل الشام وأهل مصر وأهل الورق أهل العراق وحدثني يحيى عن مالك أنه سمع أن الدية تقطع في ثلاث سنين أو أربع سنين قال مالك والثلاث أحب ما سمعت إلي في ذلك قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا يقبل من أهل القرى في الدية الإبل ولا من أهل العمود الذهب ولا الورق ولا من أهل الذهب الورق ولا من أهل الورق الذهب


Malik related to me that he had heard that Umar ibn al-Khattab estimated the full blood-money for the people of urban areas. For those who had gold, he made it one thousand dinars. and for those who had silver he made it ten thousand dirhams.

Malik said, "The people of gold are the people of ash-Sham and the people of Egypt. The people of silver are the people of Iraq "

Yahya related to me from Malik that he heard that the blood-money was divided into instalments over three or four years.

Malik said, "Three is the most preferable to me of what I have heard on that."

Malik said, "The generally agreed on way of doing things in our community is that camels are not accepted from the people of cities for blood-money nor is gold or silver accepted from the desert people. Silver is not accepted from the people of gold and gold is not accepted from the people of silver."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ৩. ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস দিয়াতের উপর সম্মত হয় এবং পাগলের দিয়াত

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যখন ইচ্ছাকৃত হত্যার নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণ দিয়াতের উপর সম্মত হইয়া যায় তখন দিয়াত পঁচিশটি বিনত মাখায, পচিশটি বিনত লবুন, পঁচিশটি হিক্‌কা ও পঁচিশটি জাযআ হইবে।

বিনত মাখায, বিনুত লবুন, হিককা ও জাযআ ইহাদের সম্পর্কে যাকাত অধ্যায়ে বর্ণনা করা হইয়াছে।

باب مَا جَاءَ فِي دِيَةِ الْعَمْدِ إِذَا قُبِلَتْ وَجِنَايَةِ الْمَجْنُونِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ كَانَ يَقُولُ فِي دِيَةِ الْعَمْدِ إِذَا قُبِلَتْ خَمْسٌ وَعِشْرُونَ بِنْتَ مَخَاضٍ وَخَمْسٌ وَعِشْرُونَ بِنْتَ لَبُونٍ وَخَمْسٌ وَعِشْرُونَ حِقَّةً وَخَمْسٌ وَعِشْرُونَ جَذَعَةً

حدثني يحيى عن مالك أن ابن شهاب كان يقول في دية العمد إذا قبلت خمس وعشرون بنت مخاض وخمس وعشرون بنت لبون وخمس وعشرون حقة وخمس وعشرون جذعة


Yahya related to me from Malik that Ibn Shihab said, "The full blood-money for murder when it is accepted is twenty-five yearlings, twenty-five two-year-olds, twenty-five four-year-olds, and twenty-five five-year-olds."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ৩. ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস দিয়াতের উপর সম্মত হয় এবং পাগলের দিয়াত

রেওয়ায়ত ৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মারওয়ান মু'আবিয়াকে লিখিলেন, আমার নিকট এক উন্মাদকে আনা হইয়াছে, সে এক ব্যক্তিকে হত্যা করিয়াছে। মু'আবিয়া উত্তরে লিখিলেনঃ তাহাকে বন্দী করিয়া রাখ, তাহা হইতে কিসাস লইও না। কেনা উন্মাদের কিসাস নাই।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কোন বলেগ ও নাবালেগ মিলিত হইয়া কাহাকেও ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তবে বালেগ হইতে কিসাস লওয়া হইবে আর নাবালেগের উপর অর্ধদিয়াত ওয়াজিব হইবে ।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কোন স্বাধীন ও দাস মিলিত হইয়া কোন দাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তবে গোলামকে তো কিসাসে হত্যা করা হইবে, আর স্বাধীন ব্যক্তির উপর ঐ গোলামের অর্ধেক মূল্য ওয়াজিব হইবে।

باب مَا جَاءَ فِي دِيَةِ الْعَمْدِ إِذَا قُبِلَتْ وَجِنَايَةِ الْمَجْنُونِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ كَتَبَ إِلَى مُعَاوِيَةَ بْنِ أَبِي سُفْيَانَ أَنَّهُ أُتِيَ بِمَجْنُونٍ قَتَلَ رَجُلًا فَكَتَبَ إِلَيْهِ مُعَاوِيَةُ أَنْ اعْقِلْهُ وَلَا تُقِدْ مِنْهُ فَإِنَّهُ لَيْسَ عَلَى مَجْنُونٍ قَوَدٌ
قَالَ مَالِك فِي الْكَبِيرِ وَالصَّغِيرِ إِذَا قَتَلَا رَجُلًا جَمِيعًا عَمْدًا أَنَّ عَلَى الْكَبِيرِ أَنْ يُقْتَلَ وَعَلَى الصَّغِيرِ نِصْفُ الدِّيَةِ قَالَ مَالِك وَكَذَلِكَ الْحُرُّ وَالْعَبْدُ يَقْتُلَانِ الْعَبْدَ فَيُقْتَلُ الْعَبْدُ وَيَكُونُ عَلَى الْحُرِّ نِصْفُ قِيمَتِهِ

وحدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن مروان بن الحكم كتب إلى معاوية بن أبي سفيان أنه أتي بمجنون قتل رجلا فكتب إليه معاوية أن اعقله ولا تقد منه فإنه ليس على مجنون قود قال مالك في الكبير والصغير إذا قتلا رجلا جميعا عمدا أن على الكبير أن يقتل وعلى الصغير نصف الدية قال مالك وكذلك الحر والعبد يقتلان العبد فيقتل العبد ويكون على الحر نصف قيمته


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that Marwan ibn al-Hakam wrote to Muawiya ibn Abi Sufyan that a madman was brought to him who had killed a man. Muawiya wrote to him, "Tie him up and do not inflict any retaliation on him. There is no retaliation against a madman."

Malik said about an adult and a child when they murder a man together, "The adult is killed and the child pays half the full blood-money."

Malik said, "It is like that with a freeman and a slave when they murder a slave. The slave is killed and the freeman pays half of his value."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ৪. তুলে হত্যা করায় দিয়াত প্রসঙ্গে

রেওয়ায়ত ৪. ইরাক ইবন মালিক ও সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, বনি সাদের এক ব্যক্তি ঘোড়া দৌড়াইল যাহাতে জুহায়ন গোত্রের এক ব্যক্তির অঙ্গুলি নষ্ট করিয়া দিল; অঙ্গুলি হইতে এত রক্ত ঝরিল যে, তাহাতে ঐ ব্যক্তি মারা গেল। উমর (রাঃ) প্রথমে তো বনী সা’দকে বলিলেনঃ তুমি এই কথার উপর পঞ্চাশ বার কসম করিতে পার যে, এই ব্যক্তি অঙ্গুলি নষ্ট হওয়ার দরুন মরে নাই; তাহারা ইহাতে সম্মত হইল না। যখন তাহারা কসম করিল না তিনি জুহায়নী গোত্রের লোকদের বলিলেনঃ তোমরা কসম করিবে কি? তাহারাও ইহাতে সম্মত হইল না। অতঃপর তিনি বনী সা’দ হইতে অর্ধেক দিয়াত দেওয়াইয়া দিলেন।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই হাদীসের উপর আমল করা হইবে না। ইবন শিহাব, সুলায়মান ইবন ইয়াসার ও রবী’আ ইবন আবী আবদুর রহমান বলেনঃ ভুলবশত হত্যার দিয়াতে কুড়িটি বিনত মাখায, কুড়িটি বিনত লবুন, কুড়িটি ইবন কবুননের, কুড়িটি হক্কা এবং কুড়িটি জায’আ দেওয়া হইয়া থাকে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা একটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যে, নাবালেগদের হইতে কিসাস লওয়া হইবে না, যদিও সে স্বেচ্ছায় হত্যা করে। এই ধরনের হত্যা ভুলবশত হত্যার পর্যায়ে পড়িবে। বালেগ না হওয়া পর্যন্ত এই হুকুম অর্থাৎ তাহার উপর শাস্তি বর্তাইবে না তাহার বলেগ হওয়া পর্যন্ত।

এইজন্যই যদি কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে কাহাকেও হত্যা করে, তবে ইহা ভুলক্রমে হত্যা হইয়াছে মনে করিতে হইবে। যদি নাবালেগ ও বালেগ মিলিতভাবে কাহাকেও হত্যা করে, প্রত্যেকের জন্য অর্ধেক দিয়াত নির্ধারিত হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ভুলক্রমে নিহত হয় তাহার দিয়াত তাহার ও তাহার মালের পরিমাণে হইবে, যাহা দ্বারা তাহার ফরয আদায় করা হইবে, তাহার ওসীয়ত আদায় করা হইবে যদি তাহার নিকট দিয়াতের সমান মাল থাকে আর দিয়াত ক্ষমা করিয়া দেওয়া হয় তবে তাহা বৈধ। যদি এত মাল না থাকে তবে ই -এর পরিমাণ ক্ষমা করিতে পারে। অবশিষ্ট যাহা থাকে উহা ওয়ারিসদের হক।

باب دِيَةِ الْخَطَإِ فِي الْقَتْلِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ وَسُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ رَجُلًا مِنْ بَنِي سَعْدِ بْنِ لَيْثٍ أَجْرَى فَرَسًا فَوَطِئَ عَلَى إِصْبَعِ رَجُلٍ مِنْ جُهَيْنَةَ فَنُزِيَ مِنْهَا فَمَاتَ فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لِلَّذِي ادُّعِيَ عَلَيْهِمْ أَتَحْلِفُونَ بِاللَّهِ خَمْسِينَ يَمِينًا مَا مَاتَ مِنْهَا فَأَبَوْا وَتَحَرَّجُوا وَقَالَ لِلْآخَرِينَ أَتَحْلِفُونَ أَنْتُمْ فَأَبَوْا فَقَضَى عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ بِشَطْرِ الدِّيَةِ عَلَى السَّعْدِيِّينَ قَالَ مَالِك وَلَيْسَ الْعَمَلُ عَلَى هَذَا
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ وَرَبِيعَةَ بْنَ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ كَانُوا يَقُولُونَ دِيَةُ الْخَطَإِ عِشْرُونَ بِنْتَ مَخَاضٍ وَعِشْرُونَ بِنْتَ لَبُونٍ وَعِشْرُونَ ابْنَ لَبُونٍ ذَكَرًا وَعِشْرُونَ حِقَّةً وَعِشْرُونَ جَذَعَةً
قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّهُ لَا قَوَدَ بَيْنَ الصِّبْيَانِ وَإِنَّ عَمْدَهُمْ خَطَأٌ مَا لَمْ تَجِبْ عَلَيْهِمْ الْحُدُودُ وَيَبْلُغُوا الْحُلُمَ وَإِنَّ قَتْلَ الصَّبِيِّ لَا يَكُونُ إِلَّا خَطَأً وَذَلِكَ لَوْ أَنَّ صَبِيًّا وَكَبِيرًا قَتَلَا رَجُلًا حُرًّا خَطَأً كَانَ عَلَى عَاقِلَةِ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا نِصْفُ الدِّيَةِ قَالَ مَالِك وَمَنْ قُتِلَ خَطَأً فَإِنَّمَا عَقْلُهُ مَالٌ لَا قَوَدَ فِيهِ وَإِنَّمَا هُوَ كَغَيْرِهِ مِنْ مَالِهِ يُقْضَى بِهِ دَيْنُهُ وَتَجُوزُ فِيهِ وَصِيَّتُهُ فَإِنْ كَانَ لَهُ مَالٌ تَكُونُ الدِّيَةُ قَدْرَ ثُلُثِهِ ثُمَّ عَفَا عَنْ دِيَتِهِ فَذَلِكَ جَائِزٌ لَهُ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ غَيْرُ دِيَتِهِ جَازَ لَهُ مِنْ ذَلِكَ الثُّلُثُ إِذَا عَفَا عَنْهُ وَأَوْصَى بِهِ

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عراك بن مالك وسليمان بن يسار أن رجلا من بني سعد بن ليث أجرى فرسا فوطئ على إصبع رجل من جهينة فنزي منها فمات فقال عمر بن الخطاب للذي ادعي عليهم أتحلفون بالله خمسين يمينا ما مات منها فأبوا وتحرجوا وقال للآخرين أتحلفون أنتم فأبوا فقضى عمر بن الخطاب بشطر الدية على السعديين قال مالك وليس العمل على هذا وحدثني عن مالك أن ابن شهاب وسليمان بن يسار وربيعة بن أبي عبد الرحمن كانوا يقولون دية الخطإ عشرون بنت مخاض وعشرون بنت لبون وعشرون ابن لبون ذكرا وعشرون حقة وعشرون جذعة قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا قود بين الصبيان وإن عمدهم خطأ ما لم تجب عليهم الحدود ويبلغوا الحلم وإن قتل الصبي لا يكون إلا خطأ وذلك لو أن صبيا وكبيرا قتلا رجلا حرا خطأ كان على عاقلة كل واحد منهما نصف الدية قال مالك ومن قتل خطأ فإنما عقله مال لا قود فيه وإنما هو كغيره من ماله يقضى به دينه وتجوز فيه وصيته فإن كان له مال تكون الدية قدر ثلثه ثم عفا عن ديته فذلك جائز له وإن لم يكن له مال غير ديته جاز له من ذلك الثلث إذا عفا عنه وأوصى به


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Irak ibn Malik and Sulayman ibn Yasar that a man of the Banu Sad ibn Layth was running a horse and it trod on the finger of a man from the Juhayna tribe. It bled profusely, and he died. Umar ibn al-Khattab said to those against whom the claim was made. "Do you swear by Allah with fifty oaths that he did not die of it?" They refused and stopped themselves from doing it. He said to the others, "Will you take an oath?" They refused, so Umar ibn al-Khattab gave a judgement that the Banu Sad had to pay half the full blood-money.

Malik said, "One does not act on this."

Yahya related to me from Malik that Ibn Shihab, Sulayman ibn Yasar, and Rabia ibn Abi Abd ar-Rahman said, "The blood-money of manslaughter is twenty yearlings, twenty two-year-olds, twenty male two-year-olds, twenty four-year-olds, and twenty five-year-olds."

Malik said, "The generally agreed on way with us is that there is no retaliation against children. Their intention is accidental. The hudud are not obliged for them if they have not yet reached puberty. If a child kills someone it is only accidentally. Had a child and an adult killed a free man accidentally, each of them pays half the full blood-money."

Malik said, "A person who kills someone accidentally pays blood-money with his property and there is no retaliation against him. That money is like anything else from the dead man's property and his debt is paid with it and he is allowed to make a bequest from it. If he has a total property of which the blood-money is a third and then the blood-money is relinquished, that is permitted to him. If all the property he has is his blood-money, he is permitted to relinquish a third of it and to make that a bequest."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ৫. ভুলে কাহাকেও আহত করার দিয়াত

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের মতে ভুলের এই একটি সর্বসম্মত বিধান রহিয়াছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত আঘাতের ক্ষত ভাল না হইয়া যায় ততক্ষণ ঐ আঘাতজনিত ক্ষতের দিয়াতের হুকুম হইবে না। যদি হাত অথবা পায়ের হাড় ভাঙ্গিয়া যায়, অতঃপর পুনঃ জোড়া লাগিয়া পূর্বের মতো ভাল হইয়া যায়, তবে উহাতে দিয়াত নাই। যদি কোন প্রকার ক্রটি থাকিয়া যায় তবে ক্রটির পরিমাণ দিয়াত হইবে। যদি ঐ হাড় এইরূপ হয় যে, যাহার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হইতে দিয়াত সাব্যস্ত হইয়াছে তবে ঐ পরিমাণ দিয়াত অনিবাৰ্যভাবে নির্ধারিত হইবে। অন্যথায় বিবেচনান্তে উপযুক্ত দিয়াত গ্রহণ করা হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ভুলক্রমে শরীরে যে আঘাতজনিত ক্ষত হইয়াছে যদি তাহা এমনভাবে ভাল হইয়া যায় যে, আঘাতের কোন চিহ্নও না থাকে তবে দিয়াত নাই। যদি কোন ক্রটি বা কোন ক্ষতের চিহ্ন থাকিয়া যায় তবে তাহার উপযুক্ত দিয়াত দিতে হইবে। পেটের ক্ষতে তিন ভাগের একভাগ দিয়াত অনিবার্য দেওয়া হইবে আর যে আঘাত লাগার দরুন জোড়া খুলিয়া যায়, হাড় স্থানচ্যুত হইয়া যায় উহাতে দিয়াত নাই। যেমন ঐ আঘাতে দিয়াত নাই যাহাতে হাড় বাহির হইয়া যায়।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা আমাদের নিকট একটি সর্বসম্মত বিধান যে, যদি হাজ্জাম খতনা করিবার সময় ভুলে অতিরিক্ত জায়গা কাটিয়া ফেলে তবে তাহার দিয়াত দিতে হইবে। এইরূপে যদি চিকিৎসক ভুলে কোন ক্রটি করিয়া ফেলে, তবে তাহাতে দিয়াত দিতে হইবে (যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এইরূপ করে তবে কিসাস হইবে)।

باب عَقْلِ الْجِرَاحِ فِي الْخَطَإِ

حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّ الْأَمْرَ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَهُمْ فِي الْخَطَإِ أَنَّهُ لَا يُعْقَلُ حَتَّى يَبْرَأَ الْمَجْرُوحُ وَيَصِحَّ وَأَنَّهُ إِنْ كُسِرَ عَظْمٌ مِنْ الْإِنْسَانِ يَدٌ أَوْ رِجْلٌ أَوْ غَيْرُ ذَلِكَ مِنْ الْجَسَدِ خَطَأً فَبَرَأَ وَصَحَّ وَعَادَ لِهَيْئَتِهِ فَلَيْسَ فِيهِ عَقْلٌ فَإِنْ نَقَصَ أَوْ كَانَ فِيهِ عَثَلٌ فَفِيهِ مِنْ عَقْلِهِ بِحِسَابِ مَا نَقَصَ مِنْهُ قَالَ مَالِك فَإِنْ كَانَ ذَلِكَ الْعَظْمُ مِمَّا جَاءَ فِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَقْلٌ مُسَمًّى فَبِحِسَابِ مَا فَرَضَ فِيهِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَمَا كَانَ مِمَّا لَمْ يَأْتِ فِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَقْلٌ مُسَمًّى وَلَمْ تَمْضِ فِيهِ سُنَّةٌ وَلَا عَقْلٌ مُسَمًّى فَإِنَّهُ يُجْتَهَدُ فِيهِ قَالَ مَالِك وَلَيْسَ فِي الْجِرَاحِ فِي الْجَسَدِ إِذَا كَانَتْ خَطَأً عَقْلٌ إِذَا بَرَأَ الْجُرْحُ وَعَادَ لِهَيْئَتِهِ فَإِنْ كَانَ فِي شَيْءٍ مِنْ ذَلِكَ عَثَلٌ أَوْ شَيْنٌ فَإِنَّهُ يُجْتَهَدُ فِيهِ إِلَّا الْجَائِفَةَ فَإِنَّ فِيهَا ثُلُثَ دِيَةِ النَّفْسِ قَالَ مَالِك وَلَيْسَ فِي مُنَقِّلَةِ الْجَسَدِ عَقْلٌ وَهِيَ مِثْلُ مُوضِحَةِ الْجَسَدِ قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّ الطَّبِيبَ إِذَا خَتَنَ فَقَطَعَ الْحَشَفَةَ إِنَّ عَلَيْهِ الْعَقْلَ وَأَنَّ ذَلِكَ مِنْ الْخَطَإِ الَّذِي تَحْمِلُهُ الْعَاقِلَةُ وَأَنَّ كُلَّ مَا أَخْطَأَ بِهِ الطَّبِيبُ أَوْ تَعَدَّى إِذَا لَمْ يَتَعَمَّدْ ذَلِكَ فَفِيهِ الْعَقْلُ

حدثني مالك أن الأمر المجتمع عليه عندهم في الخطإ أنه لا يعقل حتى يبرأ المجروح ويصح وأنه إن كسر عظم من الإنسان يد أو رجل أو غير ذلك من الجسد خطأ فبرأ وصح وعاد لهيئته فليس فيه عقل فإن نقص أو كان فيه عثل ففيه من عقله بحساب ما نقص منه قال مالك فإن كان ذلك العظم مما جاء فيه عن النبي صلى الله عليه وسلم عقل مسمى فبحساب ما فرض فيه النبي صلى الله عليه وسلم وما كان مما لم يأت فيه عن النبي صلى الله عليه وسلم عقل مسمى ولم تمض فيه سنة ولا عقل مسمى فإنه يجتهد فيه قال مالك وليس في الجراح في الجسد إذا كانت خطأ عقل إذا برأ الجرح وعاد لهيئته فإن كان في شيء من ذلك عثل أو شين فإنه يجتهد فيه إلا الجائفة فإن فيها ثلث دية النفس قال مالك وليس في منقلة الجسد عقل وهي مثل موضحة الجسد قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن الطبيب إذا ختن فقطع الحشفة إن عليه العقل وأن ذلك من الخطإ الذي تحمله العاقلة وأن كل ما أخطأ به الطبيب أو تعدى إذا لم يتعمد ذلك ففيه العقل


Malik related to me that the generally agreed on way of doing things amongst the community about an accident is that there is no blood-money until the victim is better. If a man's bone, either a hand, or a foot, or another part of his body, is broken accidentally and it heals and becomes sound and returns to its form, there is no blood-money for it. If the limb is impaired or there is a scar on it, there is blood-money for it according to the extent that it is impaired.

Malik said, "If that part of the body has a specific blood-money mentioned by the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, it is according to what the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, specified. If it is part of what does not have a specific blood-money for it mentioned by the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, and if there is no previous sunna about it or specific blood-money, one uses ijtihad about it."

Malik said, "There is no blood-money for an accidental bodily injury when the wound heals and returns to its form. If there is any scar or mark in that, ijtihad is used about it except for the belly-wound. There is a third of the blood-money of a life for it. "

Malik said, "There is no blood-money for the wound which splinters a bone in the body, and it is like the wound to the body which lays bare the bone."

Malik said, "The generally agreed on way of doing things in our community is that when the doctor performs a circumcision and cuts off the glans, he must pay the full blood-money. That is because it is an accident which the tribe is responsible for, and the full blood money is payable for all that in which a doctor errs or exceeds, when it is not intentional."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ৬. স্ত্রীলোকের দিয়াত

১৬০৪. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলতেন, তিন ভাগের এক পর্যন্ত পুরুষ স্ত্রী উভয়ের দিয়াত সমান। যেমন দিয়াত সাব্যস্ত করার করার ব্যাপারে স্ত্রীলোকের অঙ্গুলি পুরুষের অঙ্গুলির মতো, স্ত্রীলোকের দাত পুরুষের দাতের মতো। স্ত্রীদের মাওযেহা (ঐ যখম যাহাতে হাড় দেখা যায়) পুরুষদের মাওযেহার মতো, অনুরূপভাবে স্ত্রীলোকের মুনকিলাহ (ঐ যখন যাহাতে হাড় স্থানচ্যুত হইয়া যায়) পুরুষের মুনকিলাহর মতো।

ইবন শিহাব ও উরওয়া ইবন যুবাইর (রহঃ) স্ত্রীদের ব্যাপারে সাঈদ ইবন মুসায়্যাবের মতো বলতেন যে, স্ত্রীগণ তিন ভাগের একভাগ দিয়াত পর্যন্ত পুরুষদের মতো হইবে, অতঃপর পুরুষদের অর্ধ দিয়াতের সমপরিমাণ হইবে।

ইবন শিহাব (রহঃ) বলিতেন, এই নিয়ম চলিয়া আসিয়াছে যে, যদি পুরুষ নিজের স্ত্রীকে আঘাত দ্বারা ক্ষতি করিয়া দেয়, তবে তাহা হইতে দিয়াত লওয়া হইবে, কিন্তু কিসাস হইবে না।

মালিক (রহঃ) বলেন, এই ব্যবস্থা তখনই হইবে যখন পুরুষ ভুলে ক্ষত করে। যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এইরূপ করে তবে কিসাস অনিবার্য দেয় হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যে স্ত্রীলোকের স্বামী বা সন্তান তাহার সম্প্রদায়ের না হয় সেই স্ত্রীলোক স্ত্রীলোকদের অপরাধের দিয়াতে শরীক হইবে না। এইরূপে তাহার বাচ্চা ও বৈমাত্রেয় ভাই যখন ভিন্ন গোত্রের হইবে সেও দিয়াতে শরীক হইবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের সময় হইতে আজ পর্যন্ত সমগোত্রের উপরই দিয়াত হইয়া থাকে। কিন্তু মীরাসে সন্তান ও বৈমাত্রেয় ভাই মালিক হইবে। যেমন স্ত্রীলোকের মুক্ত দাসের মীরাস তাহার সন্তানকে দেওয়া হইবে যদিও তাহার গোত্রের না হয়। কিন্তু তাহাদের অপরাধের দিয়াত স্ত্রীর স্বগোত্রের উপর বর্তাইবে।

باب عَقْلِ الْمَرْأَةِ

وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ تُعَاقِلُ الْمَرْأَةُ الرَّجُلَ إِلَى ثُلُثِ الدِّيَةِ إِصْبَعُهَا كَإِصْبَعِهِ وَسِنُّهَا كَسِنِّهِ وَمُوضِحَتُهَا كَمُوضِحَتِهِ وَمُنَقِّلَتُهَا كَمُنَقِّلَتِهِ وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ وَبَلَغَهُ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّهُمَا كَانَا يَقُولَانِ مِثْلَ قَوْلِ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ فِي الْمَرْأَةِ أَنَّهَا تُعَاقِلُ الرَّجُلَ إِلَى ثُلُثِ دِيَةِ الرَّجُلِ فَإِذَا بَلَغَتْ ثُلُثَ دِيَةِ الرَّجُلِ كَانَتْ إِلَى النِّصْفِ مِنْ دِيَةِ الرَّجُلِ قَالَ مَالِك وَتَفْسِيرُ ذَلِكَ أَنَّهَا تُعَاقِلُهُ فِي الْمُوضِحَةِ وَالْمُنَقِّلَةِ وَمَا دُونَ الْمَأْمُومَةِ وَالْجَائِفَةِ وَأَشْبَاهِهِمَا مِمَّا يَكُونُ فِيهِ ثُلُثُ الدِّيَةِ فَصَاعِدًا فَإِذَا بَلَغَتْ ذَلِكَ كَانَ عَقْلُهَا فِي ذَلِكَ النِّصْفَ مِنْ عَقْلِ الرَّجُلِ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ شِهَابٍ يَقُولُ مَضَتْ السُّنَّةُ أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا أَصَابَ امْرَأَتَهُ بِجُرْحٍ أَنَّ عَلَيْهِ عَقْلَ ذَلِكَ الْجُرْحِ وَلَا يُقَادُ مِنْهُ
قَالَ مَالِك وَإِنَّمَا ذَلِكَ فِي الْخَطَإِ أَنْ يَضْرِبَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ فَيُصِيبَهَا مِنْ ضَرْبِهِ مَا لَمْ يَتَعَمَّدْ كَمَا يَضْرِبُهَا بِسَوْطٍ فَيَفْقَأُ عَيْنَهَا وَنَحْوَ ذَلِكَ قَالَ مَالِك فِي الْمَرْأَةِ يَكُونُ لَهَا زَوْجٌ وَوَلَدٌ مِنْ غَيْرِ عَصَبَتِهَا وَلَا قَوْمِهَا فَلَيْسَ عَلَى زَوْجِهَا إِذَا كَانَ مِنْ قَبِيلَةٍ أُخْرَى مِنْ عَقْلِ جِنَايَتِهَا شَيْءٌ وَلَا عَلَى وَلَدِهَا إِذَا كَانُوا مِنْ غَيْرِ قَوْمِهَا وَلَا عَلَى إِخْوَتِهَا مِنْ أُمِّهَا إِذَا كَانُوا مِنْ غَيْرِ عَصَبَتِهَا وَلَا قَوْمِهَا فَهَؤُلَاءِ أَحَقُّ بِمِيرَاثِهَا وَالْعَصَبَةُ عَلَيْهِمْ الْعَقْلُ مُنْذُ زَمَانِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى الْيَوْمِ وَكَذَلِكَ مَوَالِي الْمَرْأَةِ مِيرَاثُهُمْ لِوَلَدِ الْمَرْأَةِ وَإِنْ كَانُوا مِنْ غَيْرِ قَبِيلَتِهَا وَعَقْلُ جِنَايَةِ الْمَوَالِي عَلَى قَبِيلَتِهَا

وحدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول تعاقل المرأة الرجل إلى ثلث الدية إصبعها كإصبعه وسنها كسنه وموضحتها كموضحته ومنقلتها كمنقلته وحدثني عن مالك عن ابن شهاب وبلغه عن عروة بن الزبير أنهما كانا يقولان مثل قول سعيد بن المسيب في المرأة أنها تعاقل الرجل إلى ثلث دية الرجل فإذا بلغت ثلث دية الرجل كانت إلى النصف من دية الرجل قال مالك وتفسير ذلك أنها تعاقله في الموضحة والمنقلة وما دون المأمومة والجائفة وأشباههما مما يكون فيه ثلث الدية فصاعدا فإذا بلغت ذلك كان عقلها في ذلك النصف من عقل الرجل وحدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول مضت السنة أن الرجل إذا أصاب امرأته بجرح أن عليه عقل ذلك الجرح ولا يقاد منه قال مالك وإنما ذلك في الخطإ أن يضرب الرجل امرأته فيصيبها من ضربه ما لم يتعمد كما يضربها بسوط فيفقأ عينها ونحو ذلك قال مالك في المرأة يكون لها زوج وولد من غير عصبتها ولا قومها فليس على زوجها إذا كان من قبيلة أخرى من عقل جنايتها شيء ولا على ولدها إذا كانوا من غير قومها ولا على إخوتها من أمها إذا كانوا من غير عصبتها ولا قومها فهؤلاء أحق بميراثها والعصبة عليهم العقل منذ زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليوم وكذلك موالي المرأة ميراثهم لولد المرأة وإن كانوا من غير قبيلتها وعقل جناية الموالي على قبيلتها


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that Said ibn al-Musayyab said, "The blood-money for a woman is the same as for a man up to one third of the blood-money. Her finger is like his finger, her tooth is like his tooth, her injury which lays bare the bone is like his, and her head wound which splinters the bone is like his."

Yahya related to me from Malik that Ibn Shihab and also Urwa ibn az-Zubayr said the same as Said ibn al-Musayyab said about a woman. Her blood-money from a man is the same up to a third of the blood-money of a man. If what she is owed exceeds a third of the blood-money of the man, she is given up to half of the blood-money of a man.

Malik said, "The explanation of that is that she has blood-money for a head wound that lays bare the bone and one that splinters the bone and for what is less than the brain wound and the belly wound and the like of that of those which obliges a third of the blood-money or more. If the amount owed her exceeds that, her blood- money in that is half of the blood-money of a man."

Yahya related to me from Malik that he heard Ibn Shihab say, "The precedent of the sunna when a man injures a woman is that he must pay the blood- money for that injury and there is no retaliation against him."

Malik said, "That is an accidental injury, when a man strikes a woman and hits with a blow what he did not intend, for instance, if he struck her with a whip and cut her eye open and the like of that."

Malik said about a woman who has a husband and children who are not from her paternal relatives or her people, that since he is from another tribe, there is no blood-money against her husband for her criminal action, nor any against her children if they are not from her people, nor any against her maternal brothers when they are not from her paternal relations or her people. These are entitled to her inheritance but only the paternal relations have paid blood-money from since the time of the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace. Until today it is like that with the mawla of a woman. The inheritance they leave goes to the children of the woman even if they are not from her tribe, but the blood-money of the criminal act of the mawla is only against her tribe."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ৭. গর্ভস্থ সন্তানের দিয়াত

রেওয়ায়ত ৫. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, হুযাইলের দুই স্ত্রীলোক পরস্পর মারামারি করিতে যাইয়া একে অপরের প্রতি পাথর নিক্ষেপ করিল যাহাতে তাহার পেটের বাচ্চা বাহির হইয়া গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিয়াত একটি দাস বা একটা দাসী দেওয়াইলেন।

باب عَقْلِ الْجَنِينِ

وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ امْرَأَتَيْنِ مِنْ هُذَيْلٍ رَمَتْ إِحْدَاهُمَا الْأُخْرَى فَطَرَحَتْ جَنِينَهَا فَقَضَى فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِغُرَّةٍ عَبْدٍ أَوْ وَلِيدَةٍ

وحدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة أن امرأتين من هذيل رمت إحداهما الأخرى فطرحت جنينها فقضى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم بغرة عبد أو وليدة


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Abu Salama ibn Abd ar-Rahman ibn Awf from Abu Hurayra that a woman from the Hudhayl tribe threw a stone at a woman from the same tribe, and she had a miscarriage. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, gave a judgement that a slave or slave-girl of fair complexion and excellence should be given to her.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ৭. গর্ভস্থ সন্তানের দিয়াত

রেওয়ায়ত ৬. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থ সন্তান হত্যার ব্যাপারে একটি দাস অথবা দাসী দিয়াত দেওয়ার আদেশ করিয়াছেন। যাহার উপর দিয়াতের আদেশ হইয়াছে সে বলিলঃ আমি এই সন্তানের রক্তপণ কিরূপে আদায় করিব, যে খায় নাই, পান করে নাই, কথা বলে নাই, না ক্ৰন্দন করিয়াছে। এইরূপ সন্তানের তো খুন মাফ করা হইয়া থাকে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ লোকটি তো (কাহিন) যাদুকরের ভাই।

রবী'আ ইবন আবী আবিদের রহমান বলিতেন, দাস বা দাসীর মূল্য যাহা গর্ভস্থ শিশুর জন্য দেওয়া হয় পঞ্চাশ দীনার অথবা ছয় শত দিরহাম হওয়া উচিত, আর স্বাধীন মুসলিমের স্ত্রীর দিয়াত পাঁচ শত দীনার বা ছয় হাজার দিরহাম।

মালিক (রহঃ) বলেন, স্বাধীনা রমণীর গর্ভস্থ বাচ্চার দিয়াত স্ত্রীলোকের দিয়াতের দশমাংশ আর উহা পঞ্চাশ দীনার বা ছয় শত দিরহাম। গর্ভস্থ বাচ্চার দিয়াত ঐ সময় দেওয়া অনিবার্য হয় যখন বাচ্চা মরিয়া পেট হইতে বাহির হইয়া পড়ে। আমি ইহাতে কাহাকেও ইখতিলাফ করিতে দেখি নাই। যদি বাচ্চা পেট হইতে জীবিত বাহির হইয়া মারা যায় তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, গর্ভস্থ সন্তানের ক্ৰন্দন দ্বারা বুঝা যাইবে যে, সে জীবিত না মৃত। যদি ক্ৰন্দন করিয়া মরিয়া যায় তবে পূর্ণ দিয়াত দেওয়া অনিবার্য হইবে। দাসীর পেটের সন্তানের বেলায় দাসীর মূল্যের দশমাংশ দিয়াত দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি গর্ভবতী স্ত্রী কোন পুরুষ অথবা স্ত্রীলোককে হত্যা করে, তবে তাহার সন্তান প্রসবের পূর্বে তাহার হইতে কিসাস লওয়া হইবে না। যদি গর্ভবতী স্ত্রীলোককে কেহ হত্যা করে, ইচ্ছাকৃতই হউক বা ভুলক্রমেই হউক, তাহার গর্ভস্থ সন্তানের দিয়াত অনিবার্য হইবে না, বরং যদি তাহাকে ইচ্ছাকৃত হত্যা করা হইয়া থাকে, তবে হত্যাকারীকে হত্যা করা হইবে আর যদি ভুলক্রমে হত্যা করা হইয়া থাকে, তবে দিয়াত দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইয়াছিল, যদি কেহ ইহুদী বা খৃস্টান স্ত্রীলোকের গর্ভস্থ বাচ্চাকে হত্যা করিয়া বাহির করিয়া দেয় উহার হুকুম কি? তিনি উত্তর দিলেন, তাহার মাতার দিয়াতের এক দশমাংশ অংশ দিতে হইবে।

باب عَقْلِ الْجَنِينِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى فِي الْجَنِينِ يُقْتَلُ فِي بَطْنِ أُمِّهِ بِغُرَّةٍ عَبْدٍ أَوْ وَلِيدَةٍ فَقَالَ الَّذِي قُضِيَ عَلَيْهِ كَيْفَ أَغْرَمُ مَا لَا شَرِبَ وَلَا أَكَلْ وَلَا نَطَقَ وَلَا اسْتَهَلْ وَمِثْلُ ذَلِكَ بَطَلْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَإِنَّمَا هَذَا مِنْ إِخْوَانِ الْكُهَّانِ
وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ الْغُرَّةُ تُقَوَّمُ خَمْسِينَ دِينَارًا أَوْ سِتَّ مِائَةِ دِرْهَمٍ وَدِيَةُ الْمَرْأَةِ الْحُرَّةِ الْمُسْلِمَةِ خَمْسُ مِائَةِ دِينَارٍ أَوْ سِتَّةُ آلَافِ دِرْهَمٍ
قَالَ مَالِك فَدِيَةُ جَنِينِ الْحُرَّةِ عُشْرُ دِيَتِهَا وَالْعُشْرُ خَمْسُونَ دِينَارًا أَوْ سِتُّ مِائَةِ دِرْهَمٍ قَالَ مَالِك وَلَمْ أَسْمَعْ أَحَدًا يُخَالِفُ فِي أَنَّ الْجَنِينَ لَا تَكُونُ فِيهِ الْغُرَّةُ حَتَّى يُزَايِلَ بَطْنَ أُمِّهِ وَيَسْقُطُ مِنْ بَطْنِهَا مَيِّتًا قَالَ مَالِك وَسَمِعْت أَنَّهُ إِذَا خَرَجَ الْجَنِينُ مِنْ بَطْنِ أُمِّهِ حَيًّا ثُمَّ مَاتَ أَنَّ فِيهِ الدِّيَةَ كَامِلَةً قَالَ مَالِك وَلَا حَيَاةَ لِلْجَنِينِ إِلَّا بِالْاسْتِهْلَالِ فَإِذَا خَرَجَ مِنْ بَطْنِ أُمِّهِ فَاسْتَهَلَّ ثُمَّ مَاتَ فَفِيهِ الدِّيَةُ كَامِلَةً وَنَرَى أَنَّ فِي جَنِينِ الْأَمَةِ عُشْرَ ثَمَنِ أُمِّهِ قَالَ مَالِك وَإِذَا قَتَلَتْ الْمَرْأَةُ رَجُلًا أَوْ امْرَأَةً عَمْدًا وَالَّتِي قَتَلَتْ حَامِلٌ لَمْ يُقَدْ مِنْهَا حَتَّى تَضَعَ حَمْلَهَا وَإِنْ قُتِلَتْ الْمَرْأَةُ وَهِيَ حَامِلٌ عَمْدًا أَوْ خَطَأً فَلَيْسَ عَلَى مَنْ قَتَلَهَا فِي جَنِينِهَا شَيْءٌ فَإِنْ قُتِلَتْ عَمْدًا قُتِلَ الَّذِي قَتَلَهَا وَلَيْسَ فِي جَنِينِهَا دِيَةٌ وَإِنْ قُتِلَتْ خَطَأً فَعَلَى عَاقِلَةِ قَاتِلِهَا دِيَتُهَا وَلَيْسَ فِي جَنِينِهَا دِيَةٌ وَحَدَّثَنِي يَحْيَى سُئِلَ مَالِك عَنْ جَنِينِ الْيَهُودِيَّةِ وَالنَّصْرَانِيَّةِ يُطْرَحُ فَقَالَ أَرَى أَنَّ فِيهِ عُشْرَ دِيَةِ أُمِّهِ

وحدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في الجنين يقتل في بطن أمه بغرة عبد أو وليدة فقال الذي قضي عليه كيف أغرم ما لا شرب ولا أكل ولا نطق ولا استهل ومثل ذلك بطل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلمإنما هذا من إخوان الكهان وحدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أنه كان يقول الغرة تقوم خمسين دينارا أو ست مائة درهم ودية المرأة الحرة المسلمة خمس مائة دينار أو ستة آلاف درهم قال مالك فدية جنين الحرة عشر ديتها والعشر خمسون دينارا أو ست مائة درهم قال مالك ولم أسمع أحدا يخالف في أن الجنين لا تكون فيه الغرة حتى يزايل بطن أمه ويسقط من بطنها ميتا قال مالك وسمعت أنه إذا خرج الجنين من بطن أمه حيا ثم مات أن فيه الدية كاملة قال مالك ولا حياة للجنين إلا بالاستهلال فإذا خرج من بطن أمه فاستهل ثم مات ففيه الدية كاملة ونرى أن في جنين الأمة عشر ثمن أمه قال مالك وإذا قتلت المرأة رجلا أو امرأة عمدا والتي قتلت حامل لم يقد منها حتى تضع حملها وإن قتلت المرأة وهي حامل عمدا أو خطأ فليس على من قتلها في جنينها شيء فإن قتلت عمدا قتل الذي قتلها وليس في جنينها دية وإن قتلت خطأ فعلى عاقلة قاتلها ديتها وليس في جنينها دية وحدثني يحيى سئل مالك عن جنين اليهودية والنصرانية يطرح فقال أرى أن فيه عشر دية أمه


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab from Said ibn al- Musayyab that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, gave a judgement that the compensation for a foetus killed in its mother's womb was a slave or slave-girl of fair complexion and excellence. The one against whom the judgement was given said, "Why should I pay damages for that which did not drink or eat or speak or make any cry. The like of that is nothing." The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "This is only one of the brothers of the diviners." He disapproved of the rhyming speech of the man's declaration.

Yahya related to me from Malik that Rabia ibn Abi Abd ar-Rahman said, "The slave of fair complexion and excellence is estimated at fifty dinars or six hundred dirhams. The blood-money of a free muslim woman is five hundred dinars or six thousand dirhams."

Malik said, "The blood-money of the foetus of a free woman is a tenth of her blood-money. The tenth is fifty dinars or six hundred dirhams."

Malik said, "I have not heard anyone dispute that there is no slave in compensation for the foetus until it leaves its mother's womb and falls still-born from her womb . "

Malik said, "I heard that if the foetus comes out of its mother's womb alive and then dies, the full blood-money is due for it."

Malik said, "The foetus is not alive unless it cries at birth. If it comes out of its mother's womb and cries out and then dies, the complete blood-money is due for it. We think that the slave- girl's foetus has a tenth of the price of the slave-girl."

Malik said, "When a woman murders a man or woman, and the murderess is pregnant, retaliation is not taken against her until she has given birth. If a woman who is pregnant is killed intentionally or unintentionally, the one who killed her is not obliged to pay anything for her foetus. If she is murdered, then the one who killed her is killed and there is no blood-money for her foetus. If she is killed accidentally, the tribe obliged to pay on behalf of her killer pays her blood-money, and there is no blood-money for the foetus."

Yahya related to me, "Malik was asked about the foetus of the christian or jewish woman which was aborted. He said, 'I think that there is a tenth of the blood-money of the mother for it.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ৮. যাহাতে পূর্ণ দিয়াত দেওয়া জরুরী হয়

সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিতেন, উভয় ঠোঁটে পূর্ণ দিয়াত রহিয়াছে। যদি নিচের ঠোঁট কাটিয়া ফেলা হইয়া থাকে তবে উহাতে এক-তৃতীয়াংশ দিয়াত দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমি ইবন শিহাব যুহরীর নিকট জিজ্ঞাসা করিয়াছিলাম, যদি কোন কানা চক্ষুবিশিষ্ট লোকের চক্ষু উপড়াইয়া ফেলে, তবে কি হুকুম? তিনি বলিলেন, যদি ইচ্ছাকৃত হয়, তবে তাহার চক্ষু উপড়াইয়া ফেলিতে পারে। আর যদি ইচ্ছায় না হয় তবে এক হাজার দীনার বা বার হাজার দিরহাম লইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, যে অঙ্গ শরীরে দুই দুইটি রহিয়াছে, যদি কেহ উভয়টি নষ্ট করিয়া দেয়, তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হইবে, আর জিহ্বাতে পূর্ণ দিয়াত হয়। যদি কানে এইরূপ চোট লাগে যাহাতে শ্রবণশক্তি বিলুপ্ত হইয়া যায় যদিও কান কাটা না যায় তবুও পূর্ণ দিয়াত দিতে হয়। এইরূপে লজ্জাস্থান ও অণ্ডকোষের পূর্ণ দিয়াত রহিয়াছে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, যদি কোন মহিলার স্তনদ্বয় কাটিয়া ফেলা হয়, তবে উহাতে হইবে পূর্ণ দিয়াত। আর যদি ভ্ৰ কামাইয়া ফেলে এবং পুরুষের উভয় স্তন কাটিয়া ফেলে, তবে পূর্ণ দিয়াত হইবে না।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কোন ব্যক্তির উভয় হাত, উভয় পা এবং উভয় চক্ষু নষ্ট করিয়া দেয়, তবে ভিন্ন ভিন্নভাবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হইবে, পায়ের ভিন্ন, হাতের ভিন্ন এবং চক্ষুর ভিন্ন ভিন্ন দিয়াত দিতে হইবে অর্থাৎ তিন দিয়াত অথবা তিন হাজার দীনার বা ৩৬ হাজার দিরহাম দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কেহ এক চোখ কানা ব্যক্তির ভাল চক্ষু ভুলে নষ্ট করিয়া ফেলে, তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হইবে।

باب مَا فِيهِ الدِّيَةُ كَامِلَةً

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي الشَّفَتَيْنِ الدِّيَةُ كَامِلَةً فَإِذَا قُطِعَتْ السُّفْلَى فَفِيهَا ثُلُثَا الدِّيَةِ
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ عَنْ الرَّجُلِ الْأَعْوَرِ يَفْقَأُ عَيْنَ الصَّحِيحِ فَقَالَ ابْنُ شِهَابٍ إِنْ أَحَبَّ الصَّحِيحُ أَنْ يَسْتَقِيدَ مِنْهُ فَلَهُ الْقَوَدُ وَإِنْ أَحَبَّ فَلَهُ الدِّيَةُ أَلْفُ دِينَارٍ أَوْ اثْنَا عَشَرَ أَلْفَ دِرْهَمٍ
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ فِي كُلِّ زَوْجٍ مِنْ الْإِنْسَانِ الدِّيَةَ كَامِلَةً وَأَنَّ فِي اللِّسَانِ الدِّيَةَ كَامِلَةً وَأَنَّ فِي الْأُذُنَيْنِ إِذَا ذَهَبَ سَمْعُهُمَا الدِّيَةَ كَامِلَةً اصْطُلِمَتَا أَوْ لَمْ تُصْطَلَمَا وَفِي ذَكَرِ الرَّجُلِ الدِّيَةُ كَامِلَةً وَفِي الْأُنْثَيَيْنِ الدِّيَةُ كَامِلَةً وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ فِي ثَدْيَيْ الْمَرْأَةِ الدِّيَةَ كَامِلَةً قَالَ مَالِك وَأَخَفُّ ذَلِكَ عِنْدِي الْحَاجِبَانِ وَثَدْيَا الرَّجُلِ قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا أُصِيبَ مِنْ أَطْرَافِهِ أَكْثَرُ مِنْ دِيَتِهِ فَذَلِكَ لَهُ إِذَا أُصِيبَتْ يَدَاهُ وَرِجْلَاهُ وَعَيْنَاهُ فَلَهُ ثَلَاثُ دِيَاتٍ قَالَ مَالِك فِي عَيْنِ الْأَعْوَرِ الصَّحِيحَةِ إِذَا فُقِئَتْ خَطَأً إِنَّ فِيهَا الدِّيَةَ كَامِلَةً

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول في الشفتين الدية كاملة فإذا قطعت السفلى ففيها ثلثا الدية حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن الرجل الأعور يفقأ عين الصحيح فقال ابن شهاب إن أحب الصحيح أن يستقيد منه فله القود وإن أحب فله الدية ألف دينار أو اثنا عشر ألف درهم وحدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن في كل زوج من الإنسان الدية كاملة وأن في اللسان الدية كاملة وأن في الأذنين إذا ذهب سمعهما الدية كاملة اصطلمتا أو لم تصطلما وفي ذكر الرجل الدية كاملة وفي الأنثيين الدية كاملة وحدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن في ثديي المرأة الدية كاملة قال مالك وأخف ذلك عندي الحاجبان وثديا الرجل قال مالك الأمر عندنا أن الرجل إذا أصيب من أطرافه أكثر من ديته فذلك له إذا أصيبت يداه ورجلاه وعيناه فله ثلاث ديات قال مالك في عين الأعور الصحيحة إذا فقئت خطأ إن فيها الدية كاملة


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab that Said ibn al- Musayyab used to say, "The full blood-money is payable for cutting off both lips, but when the lower one only is cut off, two-thirds of the blood-money is due for it."

Yahya related to me from Malik that he asked Ibn Shihab about the one-eyed man who gouged out the eye of a healthy person. Ibn Shihab said, "If the healthy person wants to take retaliation from him, he can have his retaliation. If he prefers, he has blood-money of one thousand dinars, twelve thousand dirhams."

Yahya related to me from Malik that he heard that full blood- money was payable for both of a pair of anything in a man that occurred in pairs, and the tongue had full blood-money. The ears, when their hearing departed, had full blood-money, whether or not they were cut off, and a man's penis had full blood-money and the testicles had full blood-money.

Yahya related to me from Malik that he heard that the breasts of a woman had full blood-money.

Malik said, "The least of that are the eyebrows and a man's breasts."

Malik said, "What is done in our community when a man is injured in his extremities to an extent that obliges payment of more than the amount of his full blood-money, is that it is his right. If his hands, feet, and eyes are all injured, he has three full blood-moneys."

Malik said about the sound eye of a one-eyed man when it is accidentally gouged out, "The full blood-money is payable for it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ৯. চক্ষু ঠিক রাখিয়া যদি চক্ষুর দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করে উহার দিয়াত সম্বন্ধে হুকুম

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) বলিতেন, যদি চক্ষু ঠিক থাকে কিন্তু দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হইয়া যায় তবে এক শত দীনার দিয়াত দিতে হইবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কেহ কাহারও চক্ষুর উপরের চামড়া কাটিয়া ফেলে অথবা চক্ষুর চতুষ্পার্শ্বের গোল হাড় ভাঙ্গিয়া ফেলে তবে উহা চিন্তা করিয়া উপযুক্ত পরিমাণ দিয়াত দিতে হইবে। যদি দৃষ্টিশক্তি যাইতে থাকে তবে ক্ষতির পরিমাণ দিয়াত দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কেহ কাহারও ঐ চক্ষু নষ্ট করিয়া ফেলে যাহা বাহ্য দৃষ্টিতে ঠিক থাকিলেও উহাতে দৃষ্টিশক্তি ছিল না অথবা ঐরূপ একটি হাত কাটিয়া ফেলে যাহা কার্যক্ষম ছিল, তবে দিয়াত দেওয়া অনিবার্য হইবে না। হ্যাঁ, বিচারকের (মতো) বিচারে যাহা স্থির হয় সেইরূপ দিয়াত দিতে হইবে।

باب مَا جَاءَ فِي عَقْلِ الْعَيْنِ إِذَا ذَهَبَ بَصَرُهَا

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ كَانَ يَقُولُ فِي الْعَيْنِ الْقَائِمَةِ إِذَا طَفِئَتْ مِائَةُ دِينَارٍ
قَالَ يَحْيَى وَسُئِلَ مَالِك عَنْ شَتَرِ الْعَيْنِ وَحِجَاجِ الْعَيْنِ فَقَالَ لَيْسَ فِي ذَلِكَ إِلَّا الْاجْتِهَادُ إِلَّا أَنْ يَنْقُصَ بَصَرُ الْعَيْنِ فَيَكُونُ لَهُ بِقَدْرِ مَا نَقَصَ مِنْ بَصَرِ الْعَيْنِ قَالَ يَحْيَى قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِي الْعَيْنِ الْقَائِمَةِ الْعَوْرَاءِ إِذَا طَفِئَتْ وَفِي الْيَدِ الشَّلَّاءِ إِذَا قُطِعَتْ إِنَّهُ لَيْسَ فِي ذَلِكَ إِلَّا الْاجْتِهَادُ وَلَيْسَ فِي ذَلِكَ عَقْلٌ مُسَمًّى

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن زيد بن ثابت كان يقول في العين القائمة إذا طفئت مائة دينار قال يحيى وسئل مالك عن شتر العين وحجاج العين فقال ليس في ذلك إلا الاجتهاد إلا أن ينقص بصر العين فيكون له بقدر ما نقص من بصر العين قال يحيى قال مالك الأمر عندنا في العين القائمة العوراء إذا طفئت وفي اليد الشلاء إذا قطعت إنه ليس في ذلك إلا الاجتهاد وليس في ذلك عقل مسمى


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said from Sulayman ibn Yasar that Zayd ibn Thabit used to say, "When the eye remains but the sight is lost, one hundred dinars are payable for it."

Yahya said, "Malik was asked about cutting off the lower lid of the eye and the bone around the eye. He said, 'There is only ijtihad in that unless the vision of the eye is impaired. He is entitled to an amount that is compatible to the extent the vision of the eye has been impaired."

Yahya said that Malik said, "What is done in our community about removing the bad eye of a one-eyed man when it has already been blinded and still remains there in its place and the paralyzed hand when it is cut off, is that there is only ijtihad in that, and there is no prescribed blood-money."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ১০. ক্ষত করার দিয়াত

ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি সুলায়মান ইবন ইয়াসার হইতে শ্রবণ করিয়াছেন, তিনি বলিতেন, চেহারার ক্ষত যাহাতে হাড় দেখা যায়, মাথার হাড় দেখা যাওয়া অবস্থায় যখমের মতো, কিন্তু তাহার জন্য যদি চেহারা দেখিতে বিকৃত হইয়া যায়, তবে দিয়াত বাড়াইয়া দেওয়া হইবে। মাথার অর্ধেক পর্যন্ত যে ক্ষত হইবে উহার জন্য ৭৫ দীনার দেওয়া জরুরী হয়।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের মতে ইহা একটি সর্বসম্মত বিধান যে, মুনকালা হইলে ১৫ উট দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, মুনকালা ঐ ক্ষতকে বলে যাহাতে হাড় স্থানচ্যুত হইয়া যায়, আর এই আঘাত মাথার মগজ পর্যন্ত না পৌছে। এই আঘাত মাথা ও চেহারায় সীমিত থাকে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট এই বিধান সর্বসম্মত যে, মাসুমা ও জায়িকায় কিসাস নাই, যুহরীও এইরূপ বলিয়াছেন।

মালিক (রহঃ) বলেন, মাসুমা ঐ ক্ষতকে বলা হয় যাহাতে হাড় ভাঙ্গিয়া মাথার মগজ পর্যন্ত পৌছে আর এই ক্ষম মাথায়ই হইয়া থাকে। অবশ্য এই আঘাতে হাড় ভাঙ্গিলেও উহা মগজের ক্ষতি করে না।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা সর্বসম্মত বিধান যে, মুযিহা হইতে অল্প ক্ষতে দিয়াত নাই যতক্ষণ উহা মুযিহা পর্যন্ত না পৌছে। মুযিহা বা তদূর্ধ্ব ক্ষতে দিয়াত দিতে হইবে। কেননা আমর ইবন হাযমের হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ মুযেহায় পাঁচ উট; ইহার নিমের পরিমাণ বর্ণনা করেন নাই। আর কোন ইমামও বর্তমানে বা অতীতে মুযিহার নিম্ন পরিমাণ দিয়াতের আদেশ করেন নাই।

মালিক (রহঃ) বলেন, ইবন শিহাব যুহরীরও মত ইহাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার নিকটও একটি ক্ষতের কোন পরিমাণ নির্দিষ্ট নাই, বরং ইহা বিচারকের বিচারের উপর নির্ভর করবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা সর্বসম্মত বিধান যে, মাসুমা, মুনকালা ও মুযিহা শুধু মাথা ও চেহারায় হইয়া থাকে। যদি অন্য কোন স্থানে হয় তবে বিচারকের রায়ের উপর আমল করা হইবে।

ইবন যুবাইর মুনাকালার কিসাস লইয়াছেন।

মালিক (রহঃ) বলেন, নিচের চোয়াল ও নাক মাথায় ধরা হইবে না, বরং এই দুইটি পৃথক অঙ্গ। ইহাদের অতিরিক্ত মাথা আর একটি পৃথক হাড়।

باب مَا جَاءَ فِي عَقْلِ الشِّجَاجِ

وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ، يَذْكُرُ أَنَّ الْمُوضِحَةَ، فِي الْوَجْهِ مِثْلُ الْمُوضِحَةِ فِي الرَّأْسِ إِلاَّ أَنْ تَعِيبَ الْوَجْهَ فَيُزَادُ فِي عَقْلِهَا مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ عَقْلِ نِصْفِ الْمُوضِحَةِ فِي الرَّأْسِ فَيَكُونُ فِيهَا خَمْسَةٌ وَسَبْعُونَ دِينَارًا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَالأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ فِي الْمُنَقَّلَةِ خَمْسَ عَشْرَةَ فَرِيضَةً ‏.‏ قَالَ وَالْمُنَقَّلَةُ الَّتِي يَطِيرُ فِرَاشُهَا مِنَ الْعَظْمِ وَلاَ تَخْرِقُ إِلَى الدِّمَاغِ وَهِيَ تَكُونُ فِي الرَّأْسِ وَفِي الْوَجْهِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ الْمُجْتَمَعُ عَلَيْهِ عِنْدَنَا أَنَّ الْمَأْمُومَةَ وَالْجَائِفَةَ لَيْسَ فِيهِمَا قَوَدٌ ‏.‏ وَقَدْ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ لَيْسَ فِي الْمَأْمُومَةِ قَوَدٌ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَالْمَأْمُومَةُ مَا خَرَقَ الْعَظْمَ إِلَى الدِّمَاغِ وَلاَ تَكُونُ الْمَأْمُومَةُ إِلاَّ فِي الرَّأْسِ وَمَا يَصِلُ إِلَى الدِّمَاغِ إِذَا خَرَقَ الْعَظْمَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّهُ لَيْسَ فِيمَا دُونَ الْمُوضِحَةِ مِنَ الشِّجَاجِ عَقْلٌ حَتَّى تَبْلُغَ الْمُوضِحَةَ وَإِنَّمَا الْعَقْلُ فِي الْمُوضِحَةِ فَمَا فَوْقَهَا وَذَلِكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْتَهَى إِلَى الْمُوضِحَةِ فِي كِتَابِهِ لِعَمْرِو بْنِ حَزْمٍ فَجَعَلَ فِيهَا خَمْسًا مِنَ الإِبِلِ وَلَمْ تَقْضِ الأَئِمَّةُ فِي الْقَدِيمِ وَلاَ فِي الْحَدِيثِ فِيمَا دُونَ الْمُوضِحَةِ بِعَقْلٍ ‏
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ قَالَ كُلُّ نَافِذَةٍ فِي عُضْوٍ مِنَ الأَعْضَاءِ فَفِيهَا ثُلُثُ عَقْلِ ذَلِكَ الْعُضْوِ ‏
حَدَّثَنِي مَالِكٌ، كَانَ ابْنُ شِهَابٍ لاَ يَرَى ذَلِكَ وَأَنَا لاَ، أَرَى فِي نَافِذَةٍ فِي عُضْوٍ مِنَ الأَعْضَاءِ فِي الْجَسَدِ أَمْرًا مُجْتَمَعًا عَلَيْهِ وَلَكِنِّي أَرَى فِيهَا الاِجْتِهَادَ يَجْتَهِدُ الإِمَامُ فِي ذَلِكَ وَلَيْسَ فِي ذَلِكَ أَمْرٌ مُجْتَمَعٌ عَلَيْهِ عِنْدَنَا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ الأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ الْمَأْمُومَةَ وَالْمُنَقَّلَةَ وَالْمُوضِحَةَ لاَ تَكُونُ إِلاَّ فِي الْوَجْهِ وَالرَّأْسِ فَمَا كَانَ فِي الْجَسَدِ مِنْ ذَلِكَ فَلَيْسَ فِيهِ إِلاَّ الاِجْتِهَادُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فَلاَ أَرَى اللَّحْىَ الأَسْفَلَ وَالأَنْفَ مِنَ الرَّأْسِ فِي جِرَاحِهِمَا لأَنَّهُمَا عَظْمَانِ مُنْفَرِدَانِ وَالرَّأْسُ بَعْدَهُمَا عَظْمٌ وَاحِدٌ ‏
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، أَقَادَ مِنَ الْمُنَقَّلَةِ ‏

وحدثني يحيى، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، أنه سمع سليمان بن يسار، يذكر أن الموضحة، في الوجه مثل الموضحة في الرأس إلا أن تعيب الوجه فيزاد في عقلها ما بينها وبين عقل نصف الموضحة في الرأس فيكون فيها خمسة وسبعون دينارا ‏.‏ قال مالك والأمر عندنا أن في المنقلة خمس عشرة فريضة ‏.‏ قال والمنقلة التي يطير فراشها من العظم ولا تخرق إلى الدماغ وهي تكون في الرأس وفي الوجه ‏.‏ قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن المأمومة والجائفة ليس فيهما قود ‏.‏ وقد قال ابن شهاب ليس في المأمومة قود ‏.‏ قال مالك والمأمومة ما خرق العظم إلى الدماغ ولا تكون المأمومة إلا في الرأس وما يصل إلى الدماغ إذا خرق العظم ‏.‏ قال مالك الأمر عندنا أنه ليس فيما دون الموضحة من الشجاج عقل حتى تبلغ الموضحة وإنما العقل في الموضحة فما فوقها وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم انتهى إلى الموضحة في كتابه لعمرو بن حزم فجعل فيها خمسا من الإبل ولم تقض الأئمة في القديم ولا في الحديث فيما دون الموضحة بعقل ‏ وحدثني يحيى، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، أنه قال كل نافذة في عضو من الأعضاء ففيها ثلث عقل ذلك العضو ‏ حدثني مالك، كان ابن شهاب لا يرى ذلك وأنا لا، أرى في نافذة في عضو من الأعضاء في الجسد أمرا مجتمعا عليه ولكني أرى فيها الاجتهاد يجتهد الإمام في ذلك وليس في ذلك أمر مجتمع عليه عندنا ‏.‏ قال مالك الأمر عندنا أن المأمومة والمنقلة والموضحة لا تكون إلا في الوجه والرأس فما كان في الجسد من ذلك فليس فيه إلا الاجتهاد ‏.‏ قال مالك فلا أرى اللحى الأسفل والأنف من الرأس في جراحهما لأنهما عظمان منفردان والرأس بعدهما عظم واحد ‏ وحدثني يحيى، عن مالك، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، أن عبد الله بن الزبير، أقاد من المنقلة ‏


Yahya related to me from Malik that Yahya ibn Said heard Sulayman ibn Yasar mention that a face wound in which the bone was bared was like a head wound in which the bone was bared, unless the face was scarred by the wound. Then the blood-money is increased by one half of the blood-money of the head wound in which the skin was bared so that seventy five dinars are payable for it.

Malik said, "What is done in our community is that the head wound with splinters has fifteen camels." He explained, "The head wound with splinters is that from which pieces of bone fly off and which does not reach the brain. It can be in the head or the face."

Malik said, "The generally agreed on way of doing things in our community, is that there is no retaliation for a wound to the brain or a belly wound, and Ibn Shihab has said, 'There is no retaliation for a wound to the brain.' "

Malik explained, "The wound to the brain is what pierces the bones to the brain. This type of wound only occurs in the head. It is that which reaches the brain when the bones are pierced."

Malik said, "What is done in our community is that there is no blood-money paid on any head wound less than one which lays bare the skull. Blood-money is payable only for the head wound that bares the bone and what is worse than that. That is because the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, stopped at the head wound which bared the bone in his letter to Amr ibn Hazm. He made it five camels. The imams, past and present, have not made any blood- money payable for injuries less than the head wound which bares the bone."

Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said, that Said ibn al-Musayyab said, "For every piercing wound in any of the organs or limbs of the body, one third of the blood-money of that limb is payable."

Malik related to me, "Ibn Shihab did not think and nor do I, that there is a generally agreed on way of doing things regarding a piercing wound in any of the organs or limbs of the body, but I think that there is ijtihad in the case. The imam uses ijtihad in it, and there is no generally agreed on way of doing things in our community about it."

Malik said, "What is done in our community about the wound to the brain and the wound which splinters the bone, and the wound that bares the bone is that they apply only to the head and face. Whatever of that occurs in the body only has ijtihad in it."

Malik said, "I do not think the lower jaw and the nose are part of the head in their injury because they are separate bones, and except for them the head is one bone."

Yahya related to me from Malik from Rabia ibn Abi Abd ar-Rahman that Abdullah ibn az-Zubayr allowed retaliation for a head wound which splintered the bone.


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ১১. অঙ্গুলির দিয়াত

রবীআ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেন, মহিলাদের অঙ্গুলির দিয়াত কি? তিনি বলিলেন, দশটি উট। আমি আবার প্রশ্ন করিলামঃ দুই অঙ্গুলিতে? তিনি বলিলেনঃ কুড়িটি উট। আমি আবার বলিলাম, তিন অঙ্গুলিতে? তিনি বলিলেনঃ ত্রিশটি উট। আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, চারিটি অঙ্গুলিতে? তিনি বলিলেনঃ কুড়িটি উট। আমি বলিলাম, যখন ক্ষত বর্ধিত হইল, কষ্ট বাড়িয়া গেল, তখন দিয়াত কমিয়া গেল? সাঈদ ইবন মুসায়্যিব (রহঃ) বলিলেনঃ তুমি ইরাকের অধিবাসী? আমি বলিলাম, না, আমি যতটুকু জানি উহাতে স্থির থাকি। আর যাহা জানি না উহা জিজ্ঞাসা করিয়া লই। সাঈদ বলিলেনঃ ভাতিজা, সুন্নত ইহাই।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ইহা একটি সর্বসম্মত বিধান যে, যখন পূর্ণ এক হাতের সমস্ত অঙ্গুলি কাটিয়া ফেলা হয়, তবে প্রতিটি অঙ্গুলি দশ উটের হিসাবে দিয়াত দিতে হহবে। তাহা হইলে পঞ্চাশ উট দিতে হইবে। যদি সমস্ত অঙ্গুলিই কাটা হয় তখনও ইহার দিয়াত পূর্ণ হাতের তথা ৫০ উট হইবে। যদি হাতসহ কাটা যায় তবে দীনারের হিসাবে তত দীনার হইবে।

باب مَا جَاءَ فِي عَقْلِ الْأَصَابِعِ

وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ كَمْ فِي إِصْبَعِ الْمَرْأَةِ فَقَالَ عَشْرٌ مِنْ الْإِبِلِ فَقُلْتُ كَمْ فِي إِصْبَعَيْنِ قَالَ عِشْرُونَ مِنْ الْإِبِلِ فَقُلْتُ كَمْ فِي ثَلَاثٍ فَقَالَ ثَلَاثُونَ مِنْ الْإِبِلِ فَقُلْتُ كَمْ فِي أَرْبَعٍ قَالَ عِشْرُونَ مِنْ الْإِبِلِ فَقُلْتُ حِينَ عَظُمَ جُرْحُهَا وَاشْتَدَّتْ مُصِيبَتُهَا نَقَصَ عَقْلُهَا فَقَالَ سَعِيدٌ أَعِرَاقِيٌّ أَنْتَ فَقُلْتُ بَلْ عَالِمٌ مُتَثَبِّتٌ أَوْ جَاهِلٌ مُتَعَلِّمٌ فَقَالَ سَعِيدٌ هِيَ السُّنَّةُ يَا ابْنَ أَخِي
قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِي أَصَابِعِ الْكَفِّ إِذَا قُطِعَتْ فَقَدْ تَمَّ عَقْلُهَا وَذَلِكَ أَنَّ خَمْسَ الْأَصَابِعِ إِذَا قُطِعَتْ كَانَ عَقْلُهَا عَقْلَ الْكَفِّ خَمْسِينَ مِنْ الْإِبِلِ فِي كُلِّ إِصْبَعٍ عَشَرَةٌ مِنْ الْإِبِلِ قَالَ مَالِك وَحِسَابُ الْأَصَابِعِ ثَلَاثَةٌ وَثَلَاثُونَ دِينَارًا وَثُلُثُ دِينَارٍ فِي كُلِّ أُنْمُلَةٍ وَهِيَ مِنْ الْإِبِلِ ثَلَاثُ فَرَائِضَ وَثُلُثُ فَرِيضَةٍ

وحدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أنه قال سألت سعيد بن المسيب كم في إصبع المرأة فقال عشر من الإبل فقلت كم في إصبعين قال عشرون من الإبل فقلت كم في ثلاث فقال ثلاثون من الإبل فقلت كم في أربع قال عشرون من الإبل فقلت حين عظم جرحها واشتدت مصيبتها نقص عقلها فقال سعيد أعراقي أنت فقلت بل عالم متثبت أو جاهل متعلم فقال سعيد هي السنة يا ابن أخي قال مالك الأمر عندنا في أصابع الكف إذا قطعت فقد تم عقلها وذلك أن خمس الأصابع إذا قطعت كان عقلها عقل الكف خمسين من الإبل في كل إصبع عشرة من الإبل قال مالك وحساب الأصابع ثلاثة وثلاثون دينارا وثلث دينار في كل أنملة وهي من الإبل ثلاث فرائض وثلث فريضة


ibn Abi Abd ar-Rahman said, "I asked Said ibn al Musayyab, 'How much for the finger of a woman?' He said, 'Ten camels' I said, 'How much for two fingers?' He said, 'Twenty camels.' I said, 'How much for three?' He said, 'Thirty camels.' I said, 'How much for four?' He said, 'Twenty camels.' I said, 'When her wound is greater and her affliction stronger, is her blood-money then less?' He said, 'Are you an Iraqi?' I said, 'Rather, I am a scholar who seeks to verify things, or an ignorant man who seeks to learn.' Said said, 'It is the sunna, my nephew.' "

Malik said, "What is done in our community about all the fingers of the hand being cut off is that its blood- money is complete. That is because when five fingers are cut, their blood-money is the blood-money of the hand:
fifty camels. Each finger has ten camels."

Malik said, "The reckoning of the fingers is thirty-three dinars for each fingertip, and that is three and a third shares of camels."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ১২. দাঁতের দিয়াত

রেওয়ায়ত ৭. উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর গোলাম আসলাম (রাঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবনুল খাত্তাব একটি দাঁতে এক উট, হাঁসুলির হাড়ের জন্য এক উট এবং পাঁজরের জন্য এক দিয়াতের আদেশ করিয়াছেন।

ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) শুনিয়াছেন, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিতেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) প্রতি দাঁতে এক উটের আদেশ করিতেন। মুআবিয়া ইবন আবী সুফিয়ান (রাঃ) প্রতি দাতে পাঁচ উটের আদেশ করিতেন। উমর (রাঃ) কমাইয়া দিয়াছেন আর মুআবিয়া বাড়াইয়া দিয়াছেন। আমি হইলে প্রতি দাঁতে দুই দুই উট ধার্যকরিতাম যেন দিয়াত পূর্ণ হইয়া যায়।

সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিতেন, যখন দাঁতে আঘাত লাগে আর উহা কাল হইয়া যায়, তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হইবে। যদি কাল হইয়া পড়িয়া যায় তবুও পূর্ণ দিয়াত দিতে হইবে।

باب جَامِعِ عَقْلِ الْأَسْنَانِ

وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ عَنْ مُسْلِمِ بْنِ جُنْدُبٍ عَنْ أَسْلَمَ مَوْلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَضَى فِي الضِّرْسِ بِجَمَلٍ وَفِي التَّرْقُوَةِ بِجَمَلٍ وَفِي الضِّلَعِ بِجَمَلٍ
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ يَقُولُ قَضَى عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فِي الْأَضْرَاسِ بِبَعِيرٍ بَعِيرٍ وَقَضَى مُعَاوِيَةُ بْنُ أَبِي سُفْيَانَ فِي الْأَضْرَاسِ بِخَمْسَةِ أَبْعِرَةٍ خَمْسَةِ أَبْعِرَةٍ قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ فَالدِّيَةُ تَنْقُصُ فِي قَضَاءِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَتَزِيدُ فِي قَضَاءِ مُعَاوِيَةَ فَلَوْ كُنْتُ أَنَا لَجَعَلْتُ فِي الْأَضْرَاسِ بَعِيرَيْنِ بَعِيرَيْنِ فَتِلْكَ الدِّيَةُ سَوَاءٌ وَكُلُّ مُجْتَهِدٍ مَأْجُورٌ
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ إِذَا أُصِيبَتْ السِّنُّ فَاسْوَدَّتْ فَفِيهَا عَقْلُهَا تَامًّا فَإِنْ طُرِحَتْ بَعْدَ أَنْ اسْوَدَّتْ فَفِيهَا عَقْلُهَا أَيْضًا تَامًّا

وحدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن مسلم بن جندب عن أسلم مولى عمر بن الخطاب أن عمر بن الخطاب قضى في الضرس بجمل وفي الترقوة بجمل وفي الضلع بجمل وحدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول قضى عمر بن الخطاب في الأضراس ببعير بعير وقضى معاوية بن أبي سفيان في الأضراس بخمسة أبعرة خمسة أبعرة قال سعيد بن المسيب فالدية تنقص في قضاء عمر بن الخطاب وتزيد في قضاء معاوية فلو كنت أنا لجعلت في الأضراس بعيرين بعيرين فتلك الدية سواء وكل مجتهد مأجور وحدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول إذا أصيبت السن فاسودت ففيها عقلها تاما فإن طرحت بعد أن اسودت ففيها عقلها أيضا تاما


Yahya related to me from Malik from Zayd ibn Aslam from Muslim ibn Jundub from Aslam, the mawla of Umar ibn al-Khattab that Umar ibn al-Khattab decided on a camel for a molar, a camel for a collar-bone, and a camel for a rib.

Yahya related to me from Malik that Yahya ibn Said heard Said ibn al-Musayyab say, ''Umar ibn al-Khattab decided on a camel for each molar, and Muawiya ibn Abi Sufyan decided on five camels for each molar."

Said ibn al-Musayyab said, "The blood-money is less in the judgement of Umar ibn al-Khattab and more in the judgement of Muawiya. Had it been me, I would have made it two camels for each molar. That is the fair blood-money, and every one who strives with ijtihad is rewarded."

Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that Said ibn al-Musayyab used to say,' 'When a tooth is struck and becomes black, there is complete blood- money for it. If it falls out after it becomes black, there is also the complete blood-money for it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ১৩. দাঁতের দিয়াত সম্পর্কে আরও জানার বিষয়

রেওয়ায়ত ৮. আবু গাতফান ইবন তারীফ মুররী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মারওয়ান ইবন হাকাম তাঁহাকে আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করিতে পাঠাইলেন যে, অদরাস দাঁতের দিয়াত কি? আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেন, পাঁচ উট। তিনি আবার জিজ্ঞাসা করিতে পাঠাইলেন যে, সম্মুখের দাঁত ও মাঢ়ীর দাঁতের দিয়াত কি সমান হইবে? ইবন আব্বাস বলিলেন, যদি তোমরা দাঁতের ব্যাপারে অঙ্গুলির সহিত সমঞ্জস করিয়া লইতে তবে ভাল ছিল।

হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) তাহার পিতা উরওয়া ইবন যুবাইর (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন, পূর্ব যুগে সমস্ত দাঁতের দিয়াত সমান ছিল, কোন দাঁতের বেশি কোন দাঁতের কম ছিল না।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাঢ়ীর দাত, সম্মুখের বড় দাঁত ও পাশের ছোট দাঁত সমস্তই এক সমান। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি দাঁতে পাঁচ উট দিয়াতের আদেশ করিয়াছেন। মাঢ়ীর দাঁত বা অন্য কোন দাঁতেরই কোন দাঁতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব নাই।

باب الْعَمَلِ فِي عَقْلِ الْأَسْنَانِ

وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ عَنْ أَبِي غَطَفَانَ بْنِ طَرِيفٍ الْمُرِّيِّ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ بَعَثَهُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ يَسْأَلُهُ مَاذَا فِي الضِّرْسِ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ فِيهِ خَمْسٌ مِنْ الْإِبِلِ قَالَ فَرَدَّنِي مَرْوَانُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ أَتَجْعَلُ مُقَدَّمَ الْفَمِ مِثْلَ الْأَضْرَاسِ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ لَوْ لَمْ تَعْتَبِرْ ذَلِكَ إِلَّا بِالْأَصَابِعِ عَقْلُهَا سَوَاءٌ
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يُسَوِّي بَيْنَ الْأَسْنَانِ فِي الْعَقْلِ وَلَا يُفَضِّلُ بَعْضَهَا عَلَى بَعْضٍ
قَالَ مَالِك وَالْأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ مُقَدَّمَ الْفَمِ وَالْأَضْرَاسِ وَالْأَنْيَابِ عَقْلُهَا سَوَاءٌ وَذَلِكَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِي السِّنِّ خَمْسٌ مِنْ الْإِبِلِ وَالضِّرْسُ سِنٌّ مِنْ الْأَسْنَانِ لَا يَفْضُلُ بَعْضُهَا عَلَى بَعْضٍ

وحدثني يحيى عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي غطفان بن طريف المري أنه أخبره أن مروان بن الحكم بعثه إلى عبد الله بن عباس يسأله ماذا في الضرس فقال عبد الله بن عباس فيه خمس من الإبل قال فردني مروان إلى عبد الله بن عباس فقال أتجعل مقدم الفم مثل الأضراس فقال عبد الله بن عباس لو لم تعتبر ذلك إلا بالأصابع عقلها سواء وحدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يسوي بين الأسنان في العقل ولا يفضل بعضها على بعض قال مالك والأمر عندنا أن مقدم الفم والأضراس والأنياب عقلها سواء وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في السن خمس من الإبل والضرس سن من الأسنان لا يفضل بعضها على بعض


Yahya related to me from Malik from Da'ud ibn al-Husayn that Abu Ghatafan ibn Tarif al-Murri informed him that Marwan ibn al-Hakam sent him to Abdullah ibn Abbas to ask him what there was for the molar. Abdullah ibn Abbas said, "There are five camels for it." He said, "Marwan sent me back again to Abdullah ibn Abbas.'' He said, "Do you make front teeth like molars?" Abdullah ibn Abbas said, "It is enough that you take the fingers as the example for that, their blood-moneys being all the same."

Yahya related to me from Malik from Hisham ibn Urwa that his father made all the teeth the same in the blood-money and did not prefer any kind over others.

Malik said, "What is done in our community is that the front teeth, molars, and eye-teeth have the same blood-money. That is because the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, 'The tooth has five camels.' The molar is one of the teeth and he did not prefer any kind over the others."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ১৪. দাসদের যখমের দিয়াত

সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) ও সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহারা উভয়ে বলিতেন, দাসের ক্ষতে তাহার মূল্যের বিশ ভাগের একভাগ অংশ হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, মারওয়ান ইবন হাকাম ঐ ব্যক্তিকে, যে কোন দাসকে ক্ষত করিয়া দিত, আদেশ করিতেন যে, এই ক্ষতের দরুন তাহার মূল্যের যতটুকু কম পড়িল তাহাকে উহা দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদেন নিকট সিদ্ধান্ত এই যে, দাসের ক্ষতে তাহার মূল্যের বিশ ভাগের এক ভাগ আর যে ক্ষতের দরুন হাঁড় স্থানচ্যুত হয় উহাতে তাহার মূল্যের দশ ভাগের একভাগ ও বিশ ভাগের একভাগ আর মাসুমায়[1] ও জাইফার প্রতিটার জন্য তাহার মূল্যের ত্রিশ ভাগের একভাগ দিতে হইবে। উহা ব্যতীত প্রতি প্রকার ক্ষত করার জন্য তাহার মূল্যে ক্ষতের যে ক্ষতি হইবে তাহা আদায় করিতে হইবে। যখন দাস সুস্থ হইয়া যাইবে, তখন দেখিতে হইবে ক্ষতের পূর্বে কি মূল্য ছিল এবং ক্ষতের জন্য কত কম হইল, উহা দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কেহ দাসের হাত-পা ভাঙ্গিয়া ফেলে, পরে সে ভাল হইয়া যায়, তবে কোন ক্ষতিপূরণ দিতে হইবে না। হ্যাঁ, যদি কোন ক্রটি থাকিয়া যায় তবে ক্ষতিপূরণ দিতে হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, দাস ও দাসীর ব্যাপারে স্বাধীনদের মতো কিসাস দিতে হইবে। যদি দাস ইচ্ছাকৃতভাবে কোন দাসীকে হত্যা করে, তবে দাসকেও কিসাসে হত্যা করিতে হইবে। যদি ক্ষত করিয়া দেয় তদ্রুপ ক্ষত তাহারও করা হইবে। যদি এক দাস অন্য কোন দাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে মারিয়া ফেলে, তবে নিহতের প্রভুর ইচ্ছার উপর নির্ভর করিবে, হয় হত্যাকারীকে হত্যা করিবে অথবা দিয়াত অর্থাৎ গোলামের মূল্য লইয়া লইবে। অনুরূপভাবে হত্যাকারীর প্রভুর ইচ্ছার উপর নির্ভর করিবে, হয় নিহত ব্যক্তির মূল্য আদায় করিবে এবং হত্যাকারীকে নিজের নিকট থাকিতে দিবে অথবা নিহতের প্রভু দিয়াতের উপর রায়ী হইয়া হত্যাকারীকে লইয়া লইবে, তাহা হইলে তাহাকে হত্যা করিবে না।মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কোন মুসলিম দাস কোন ইহুদী অথবা খ্রিষ্টানকে যখম করিয়া ফেলে তবে দাসের প্রভু ইচ্ছা করিলে দিয়াত দিয়া দিবে বা ঐ দাস বিনিময়ে দিয়া দিবে এবং দাসকে বিক্রয় করিয়া তাহার ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করিবে। কিন্তু ঐ মুসলিম গোলামকে অমুসলিমের নিকট থাকিতে দেওয়া হইবে না।

باب مَا جَاءَ فِي دِيَةِ جِرَاحِ الْعَبْدِ

وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ كَانَا يَقُولَانِ فِي مُوضِحَةِ الْعَبْدِ نِصْفُ عُشْرِ ثَمَنِهِ وَحَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ كَانَ يَقْضِي فِي الْعَبْدِ يُصَابُ بِالْجِرَاحِ أَنَّ عَلَى مَنْ جَرَحَهُ قَدْرَ مَا نَقَصَ مِنْ ثَمَنِ الْعَبْدِ قَالَ مَالِك وَالْأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ فِي مُوضِحَةِ الْعَبْدِ نِصْفَ عُشْرِ ثَمَنِهِ وَفِي مُنَقِّلَتِهِ الْعُشْرُ وَنِصْفُ الْعُشْرِ مِنْ ثَمَنِهِ وَفِي مَأْمُومَتِهِ وَجَائِفَتِهِ فِي كُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْهُمَا ثُلُثُ ثَمَنِهِ وَفِيمَا سِوَى هَذِهِ الْخِصَالِ الْأَرْبَعِ مِمَّا يُصَابُ بِهِ الْعَبْدُ مَا نَقَصَ مِنْ ثَمَنِهِ يُنْظَرُ فِي ذَلِكَ بَعْدَ مَا يَصِحُّ الْعَبْدُ وَيَبْرَأُ كَمْ بَيْنَ قِيمَةِ الْعَبْدِ بَعْدَ أَنْ أَصَابَهُ الْجُرْحُ وَقِيمَتِهِ صَحِيحًا قَبْلَ أَنْ يُصِيبَهُ هَذَا ثُمَّ يَغْرَمُ الَّذِي أَصَابَهُ مَا بَيْنَ الْقِيمَتَيْنِ قَالَ مَالِك فِي الْعَبْدِ إِذَا كُسِرَتْ يَدُهُ أَوْ رِجْلُهُ ثُمَّ صَحَّ كَسْرُهُ فَلَيْسَ عَلَى مَنْ أَصَابَهُ شَيْءٌ فَإِنْ أَصَابَ كَسْرَهُ ذَلِكَ نَقْصٌ أَوْ عَثَلٌ كَانَ عَلَى مَنْ أَصَابَهُ قَدْرُ مَا نَقَصَ مِنْ ثَمَنِ الْعَبْدِ قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِي الْقِصَاصِ بَيْنَ الْمَمَالِيكِ كَهَيْئَةِ قِصَاصِ الْأَحْرَارِ نَفْسُ الْأَمَةِ بِنَفْسِ الْعَبْدِ وَجُرْحُهَا بِجُرْحِهِ فَإِذَا قَتَلَ الْعَبْدُ عَبْدًا عَمْدًا خُيِّرَ سَيِّدُ الْعَبْدِ الْمَقْتُولِ فَإِنْ شَاءَ قَتَلَ وَإِنْ شَاءَ أَخَذَ الْعَقْلَ فَإِنْ أَخَذَ الْعَقْلَ أَخَذَ قِيمَةَ عَبْدِهِ وَإِنْ شَاءَ رَبُّ الْعَبْدِ الْقَاتِلِ أَنْ يُعْطِيَ ثَمَنَ الْعَبْدِ الْمَقْتُولِ فَعَلَ وَإِنْ شَاءَ أَسْلَمَ عَبْدَهُ فَإِذَا أَسْلَمَهُ فَلَيْسَ عَلَيْهِ غَيْرُ ذَلِكَ وَلَيْسَ لِرَبِّ الْعَبْدِ الْمَقْتُولِ إِذَا أَخَذَ الْعَبْدَ الْقَاتِلَ وَرَضِيَ بِهِ أَنْ يَقْتُلَهُ وَذَلِكَ فِي الْقِصَاصِ كُلِّهِ بَيْنَ الْعَبِيدِ فِي قَطْعِ الْيَدِ وَالرِّجْلِ وَأَشْبَاهِ ذَلِكَ بِمَنْزِلَتِهِ فِي الْقَتْلِ قَالَ مَالِك فِي الْعَبْدِ الْمُسْلِمِ يَجْرَحُ الْيَهُودِيَّ أَوْ النَّصْرَانِيَّ إِنَّ سَيِّدَ الْعَبْدِ إِنْ شَاءَ أَنْ يَعْقِلَ عَنْهُ مَا قَدْ أَصَابَ فَعَلَ أَوْ أَسْلَمَهُ فَيُبَاعُ فَيُعْطِي الْيَهُودِيَّ أَوْ النَّصْرَانِيَّ مِنْ ثَمَنِ الْعَبْدِ دِيَةَ جُرْحِهِ أَوْ ثَمَنَهُ كُلَّهُ إِنْ أَحَاطَ بِثَمَنِهِ وَلَا يُعْطِي الْيَهُودِيَّ وَلَا النَّصْرَانِيَّ عَبْدًا مُسْلِمًا

وحدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار كانا يقولان في موضحة العبد نصف عشر ثمنه وحدثني مالك أنه بلغه أن مروان بن الحكم كان يقضي في العبد يصاب بالجراح أن على من جرحه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك والأمر عندنا أن في موضحة العبد نصف عشر ثمنه وفي منقلته العشر ونصف العشر من ثمنه وفي مأمومته وجائفته في كل واحدة منهما ثلث ثمنه وفيما سوى هذه الخصال الأربع مما يصاب به العبد ما نقص من ثمنه ينظر في ذلك بعد ما يصح العبد ويبرأ كم بين قيمة العبد بعد أن أصابه الجرح وقيمته صحيحا قبل أن يصيبه هذا ثم يغرم الذي أصابه ما بين القيمتين قال مالك في العبد إذا كسرت يده أو رجله ثم صح كسره فليس على من أصابه شيء فإن أصاب كسره ذلك نقص أو عثل كان على من أصابه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك الأمر عندنا في القصاص بين المماليك كهيئة قصاص الأحرار نفس الأمة بنفس العبد وجرحها بجرحه فإذا قتل العبد عبدا عمدا خير سيد العبد المقتول فإن شاء قتل وإن شاء أخذ العقل فإن أخذ العقل أخذ قيمة عبده وإن شاء رب العبد القاتل أن يعطي ثمن العبد المقتول فعل وإن شاء أسلم عبده فإذا أسلمه فليس عليه غير ذلك وليس لرب العبد المقتول إذا أخذ العبد القاتل ورضي به أن يقتله وذلك في القصاص كله بين العبيد في قطع اليد والرجل وأشباه ذلك بمنزلته في القتل قال مالك في العبد المسلم يجرح اليهودي أو النصراني إن سيد العبد إن شاء أن يعقل عنه ما قد أصاب فعل أو أسلمه فيباع فيعطي اليهودي أو النصراني من ثمن العبد دية جرحه أو ثمنه كله إن أحاط بثمنه ولا يعطي اليهودي ولا النصراني عبدا مسلما


Yahya related to me from Malik that he had heard that Said ibn al-Musayyab and Sulayman ibn Yasar said, "The head wound of the slave in which the bone is bared is a twentieth of his price."

Malik related to me that he had heard that Marwan ibn al-Hakam gave a decision about a slave who was injured that the person who injured him had to pay what he had diminished of the value of the slave.

Malik said, "What is done in our community is that for the head wound of a slave that bares the bone, there is a twentieth of his price. The head wound which splinters the bone is three twentieths of his price. Both the wound to the brain and the belly wound are a third of his price. Besides these four, any other types of injury that decrease the price of the slave are considered after the slave is better and well, and one sees what the value of the slave is after his injury and what his value whole was before he had the injury. Then the one who injured him pays the difference between the two values."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ১৫. কাফির যিম্মীর দিয়াত

মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, উমর ইবন আবদুল আযীয (রহঃ) বলতেন, ইহুদী ও খ্রিষ্টানদের দিয়াত যখন তাহারা একে অন্যকে হত্যা করে, স্বাধীন মুসলিমের দিয়াতের অর্ধেক ।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট বিধান এই যে, কোন মুসলিমকে কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা হইবে না। হ্যাঁ, যদি ধোঁকা দিয়া সে যিম্মীকে হত্যা করে তবে তাহাকে হত্যা করা হইবে।

সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) বলিতেন, অগ্নিউপাসকদের দিয়াত আট শত দিরহাম। মালিক (রহঃ) বলেন, ইহাই আমাদের নিকট বিধান।

মালিক (রহঃ) বলেন, ইহুদী ও খ্রিস্টানদের ক্ষত করার দিয়াত মুসলিমদের ক্ষত করার দিয়াতের হিসাবে মুযিহার বিশ ভাগের একভাগ এবং মাসুমা ও জাইকায় তিন ভাগের একভাগ। ইহার উপর অন্যগুলির অনুমান করা যায়।

باب مَا جَاءَ فِي دِيَةِ أَهْلِ الذِّمَّةِ

وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ قَضَى أَنَّ دِيَةَ الْيَهُودِيِّ أَوْ النَّصْرَانِيِّ إِذَا قُتِلَ أَحَدُهُمَا مِثْلُ نِصْفِ دِيَةِ الْحُرِّ الْمُسْلِمِ قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا أَنْ لَا يُقْتَلَ مُسْلِمٌ بِكَافِرٍ إِلَّا أَنْ يَقْتُلَهُ مُسْلِمٌ قَتْلَ غِيلَةٍ فَيُقْتَلُ بِهِ
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ كَانَ يَقُولُ دِيَةُ الْمَجُوسِيِّ ثَمَانِيَ مِائَةِ دِرْهَمٍ
قَالَ مَالِك وَهُوَ الْأَمْرُ عِنْدَنَا قَالَ مَالِك وَجِرَاحُ الْيَهُودِيِّ وَالنَّصْرَانِيِّ وَالْمَجُوسِيِّ فِي دِيَاتِهِمْ عَلَى حِسَابِ جِرَاحِ الْمُسْلِمِينَ فِي دِيَاتِهِمْ الْمُوضِحَةُ نِصْفُ عُشْرِ دِيَتِهِ وَالْمَأْمُومَةُ ثُلُثُ دِيَتِهِ وَالْجَائِفَةُ ثُلُثُ دِيَتِهِ فَعَلَى حِسَابِ ذَلِكَ جِرَاحَاتُهُمْ كُلُّهَا

وحدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى أن دية اليهودي أو النصراني إذا قتل أحدهما مثل نصف دية الحر المسلم قال مالك الأمر عندنا أن لا يقتل مسلم بكافر إلا أن يقتله مسلم قتل غيلة فيقتل به وحدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سليمان بن يسار كان يقول دية المجوسي ثماني مائة درهم قال مالك وهو الأمر عندنا قال مالك وجراح اليهودي والنصراني والمجوسي في دياتهم على حساب جراح المسلمين في دياتهم الموضحة نصف عشر ديته والمأمومة ثلث ديته والجائفة ثلث ديته فعلى حساب ذلك جراحاتهم كلها


Yahya related to me from Malik that he heard that Umar ibn Abd al-Aziz gave a decision that when a jew or christian was killed, his blood-money was half the blood-money of a free muslim.

Malik said, "What is done in our community, is that a muslim is not killed for a kafir unless the muslim kills him by deceit. Then he is killed for it."

Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said that Sulayman ibn Yasar said, "The blood-money of a magian is eight hundred dirhams."

Malik said, "This is what is done in our community."

Malik said, "The blood-monies of the jew, christian, and magian in their injuries, is according to the injury of the muslims in their blood-moneys. The head wound is a twentieth of his full blood-money. The wound that opens the head is a third of his blood-money. The belly-wound is a third of his blood-money. All their injuries are according to this calculation."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ১৬. যে সমস্ত কাজের দিয়াত হত্যাকারীর স্বীয় মাল হইতে দিতে হয়

হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) তদীয় পিতা উরওয়া ইবন যুবায়র (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন। তিনি বলিতেন, ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তিবে না (হত্যাকারীর নিজের উপর বর্তিবে)। ভুলক্রমে হত্যার দিয়াত উত্তরাধিকারীদের উপর বর্তিবে।

ইবন শিহাব (রহঃ) বলিয়াছেন, উত্তরাধিকারীদের উপর ইচ্ছাকৃত হত্যার বোঝা চাপানো যাইবে না, হ্যাঁ, যখন তাহারা স্বেচ্ছায় দিতে ইচ্ছা করে।

ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ)-ও এইরূপ বলিতেন।

মালিক (রহঃ) বলেন, ইবন শিহাব (রহঃ) বলতেন, সুন্নত ইহাই যে, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস ইচ্ছাকৃত হত্যার কিসাস মাফ করিয়া দেয় এবং দিয়াত লইতে ইচ্ছা করে, তখন ঐ দিয়াত হত্যাকারীর মাল হইতে লওয়া হইবে। উত্তরাধিকারীদের উপর পড়িবে না, যদি তাহারা স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হয়।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট এই বিধান রহিয়াছে যে, যদি দিয়াত এক তৃতীয়াংশ হয় বা তদূর্ধ্বে হয়, তবে উত্তরাধিকারীদের হইতে লওয়া হইবে, আর যদি দিয়াত এক তৃতীয়াংশ হইতে কম হয়, তবে হত্যাকারীর মাল হইতে লওয়া হইবে।

মালিক (রহঃ) বলেন, আমাদের নিকট এই বিধান সর্বসম্মত যে, ইচ্ছাকৃত হত্যার বা অন্য কোন ক্ষত করায় যাহাতে কিসাস অনিবার্য হয় যদি দিয়াত লইতে স্বীকার করিয়া লওয়া হয়, তবে উহা হত্যকারী বা ক্ষতকারীর উপরই বর্তিবে, ওয়ারিসদের উপর বর্তিবে না। যদি তাহার নিকট মাল থাকে, তাহা না হইলে তাহার উপর কিসাস থাকিয়া যাইবে। হ্যাঁ, যদি ওয়ারিসগণ স্বেচ্ছায় দিতে রাযী হয় তবে দিতে পারে।

মালিক (রহঃ) বলেন, যদি কেহ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে ক্ষত করিয়া দেয়, তবে তাহার দিয়াত ওয়ারিসকে দিতে হইবে না। আমি কাহাকেও ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত ওয়ারিসদের দ্বারা দেওয়াইতে শুনি নাই। এইজন্যই আল্লাহ তা’আলা ইচ্ছাকৃত হত্যার ব্যাপারে বলিয়াছেনঃ

فَمَنْ عُفِيَ لَهُ مِنْ أَخِيهِ شَىْءٌ فَاتِّبَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ وَأَدَاءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَانٍ‏

ইহার তফসীর আমাদের মতে এই— আল্লাহ সর্বজ্ঞাত, যাহার ভাই কিছু ক্ষমা করিয়া দেয় (কিসাস না লয়) তবে নিয়ম মতো তাহার অনুসরণ করা উচিত। আর দিয়াত ভালভাবে আদায় করা উচিত (বোঝা গেল, হত্যাকারীর উচিত উত্তম দিয়াত আদায় করা)।

মালিক (রহঃ) বলেন, যে বাচ্চা ও স্ত্রীলোকের নিকট যদি কোন মাল না থাকে, যদি সে এমন কোন অপরাধ · করিয়া বসে যাহাতে এক-তৃতীয়াংশের কম দিয়াত ওয়াজিব হয়, তবে দিয়াত তাহদের মালের উপর হইবে এবং তাহদের উপর উহা ফরয থাকিয়া যাইবে। এমতাবস্থায় কোন ওয়ারিস বা পিতার উপর দিয়াত আসিবে না।

মালিক খে) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিধান এই যে, গোলামকে যখন হত্যা করা হয়, তখন হত্যার দিনে তাহার যে মূল্য তাহা দিতে হইবে। হত্যাকারীর ওয়ারিসদের উপর কিছুই হইবে না। হত্যাকারীর নিজস্ব মাল হইতে দিয়াত আদায় করিতে হইবে, যদিও ঐ দাসের মূল্য দিয়াত হইতে অধিক হয়।

باب مَا يُوجِبُ الْعَقْلَ عَلَى الرَّجُلِ فِي خَاصَّةِ مَالِهِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لَيْسَ عَلَى الْعَاقِلَةِ عَقْلٌ فِي قَتْلِ الْعَمْدِ إِنَّمَا عَلَيْهِمْ عَقْلُ قَتْلِ الْخَطَإِ
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ مَضَتْ السُّنَّةُ أَنَّ الْعَاقِلَةَ لَا تَحْمِلُ شَيْئًا مِنْ دِيَةِ الْعَمْدِ إِلَّا أَنْ يَشَاءُوا ذَلِكَ وَحَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ مِثْلَ ذَلِكَ
قَالَ مَالِك إِنَّ ابْنَ شِهَابٍ قَالَ مَضَتْ السُّنَّةُ فِي قَتْلِ الْعَمْدِ حِينَ يَعْفُو أَوْلِيَاءُ الْمَقْتُولِ أَنَّ الدِّيَةَ تَكُونُ عَلَى الْقَاتِلِ فِي مَالِهِ خَاصَّةً إِلَّا أَنْ تُعِينَهُ الْعَاقِلَةُ عَنْ طِيبِ نَفْسٍ مِنْهَا قَالَ مَالِك وَالْأَمْرُ عِنْدَنَا أَنَّ الدِّيَةَ لَا تَجِبُ عَلَى الْعَاقِلَةِ حَتَّى تَبْلُغَ الثُّلُثَ فَصَاعِدًا فَمَا بَلَغَ الثُّلُثَ فَهُوَ عَلَى الْعَاقِلَةِ وَمَا كَانَ دُونَ الثُّلُثِ فَهُوَ فِي مَالِ الْجَارِحِ خَاصَّةً قَالَ مَالِك الْأَمْرُ الَّذِي لَا اخْتِلَافَ فِيهِ عِنْدَنَا فِيمَنْ قُبِلَتْ مِنْهُ الدِّيَةُ فِي قَتْلِ الْعَمْدِ أَوْ فِي شَيْءٍ مِنْ الْجِرَاحِ الَّتِي فِيهَا الْقِصَاصُ أَنَّ عَقْلَ ذَلِكَ لَا يَكُونُ عَلَى الْعَاقِلَةِ إِلَّا أَنْ يَشَاءُوا وَإِنَّمَا عَقْلُ ذَلِكَ فِي مَالِ الْقَاتِلِ أَوْ الْجَارِحِ خَاصَّةً إِنْ وُجِدَ لَهُ مَالٌ فَإِنْ لَمْ يُوجَدْ لَهُ مَالٌ كَانَ دَيْنًا عَلَيْهِ وَلَيْسَ عَلَى الْعَاقِلَةِ مِنْهُ شَيْءٌ إِلَّا أَنْ يَشَاءُوا قَالَ مَالِك وَلَا تَعْقِلُ الْعَاقِلَةُ أَحَدًا أَصَابَ نَفْسَهُ عَمْدًا أَوْ خَطَأً بِشَيْءٍ وَعَلَى ذَلِكَ رَأْيُ أَهْلِ الْفِقْهِ عِنْدَنَا وَلَمْ أَسْمَعْ أَنَّ أَحَدًا ضَمَّنَ الْعَاقِلَةَ مِنْ دِيَةِ الْعَمْدِ شَيْئًا وَمِمَّا يُعْرَفُ بِهِ ذَلِكَ أَنَّ اللَّهَ تَبَارَكَ وَتَعَالَى قَالَ فِي كِتَابِهِ فَمَنْ عُفِيَ لَهُ مِنْ أَخِيهِ شَيْءٌ فَاتِّبَاعٌ بِالْمَعْرُوفِ وَأَدَاءٌ إِلَيْهِ بِإِحْسَانٍ فَتَفْسِيرُ ذَلِكَ فِيمَا نُرَى وَاللَّهُ أَعْلَمُ أَنَّهُ مَنْ أُعْطِيَ مِنْ أَخِيهِ شَيْءٌ مِنْ الْعَقْلِ فَلْيَتْبَعْهُ بِالْمَعْرُوفِ وَلْيُؤَدِّ إِلَيْهِ بِإِحْسَانٍ قَالَ مَالِك فِي الصَّبِيِّ الَّذِي لَا مَالَ لَهُ وَالْمَرْأَةِ الَّتِي لَا مَالَ لَهَا إِذَا جَنَى أَحَدُهُمَا جِنَايَةً دُونَ الثُّلُثِ إِنَّهُ ضَامِنٌ عَلَى الصَّبِيِّ وَالْمَرْأَةِ فِي مَالِهِمَا خَاصَّةً إِنْ كَانَ لَهُمَا مَالٌ أُخِذَ مِنْهُ وَإِلَّا فَجِنَايَةُ كُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا دَيْنٌ عَلَيْهِ لَيْسَ عَلَى الْعَاقِلَةِ مِنْهُ شَيْءٌ وَلَا يُؤْخَذُ أَبُو الصَّبِيِّ بِعَقْلِ جِنَايَةِ الصَّبِيِّ وَلَيْسَ ذَلِكَ عَلَيْهِ قَالَ مَالِك الْأَمْرُ عِنْدَنَا الَّذِي لَا اخْتِلَافَ فِيهِ أَنَّ الْعَبْدَ إِذَا قُتِلَ كَانَتْ فِيهِ الْقِيمَةُ يَوْمَ يُقْتَلُ وَلَا تَحْمِلُ عَاقِلَةُ قَاتِلِهِ مِنْ قِيمَةِ الْعَبْدِ شَيْئًا قَلَّ أَوْ كَثُرَ وَإِنَّمَا ذَلِكَ عَلَى الَّذِي أَصَابَهُ فِي مَالِهِ خَاصَّةً بَالِغًا مَا بَلَغَ وَإِنْ كَانَتْ قِيمَةُ الْعَبْدِ الدِّيَةَ أَوْ أَكْثَرَ فَذَلِكَ عَلَيْهِ فِي مَالِهِ وَذَلِكَ لِأَنَّ الْعَبْدَ سِلْعَةٌ مِنْ السِّلَعِ

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقول ليس على العاقلة عقل في قتل العمد إنما عليهم عقل قتل الخطإ وحدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه قال مضت السنة أن العاقلة لا تحمل شيئا من دية العمد إلا أن يشاءوا ذلك وحدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد مثل ذلك قال مالك إن ابن شهاب قال مضت السنة في قتل العمد حين يعفو أولياء المقتول أن الدية تكون على القاتل في ماله خاصة إلا أن تعينه العاقلة عن طيب نفس منها قال مالك والأمر عندنا أن الدية لا تجب على العاقلة حتى تبلغ الثلث فصاعدا فما بلغ الثلث فهو على العاقلة وما كان دون الثلث فهو في مال الجارح خاصة قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا فيمن قبلت منه الدية في قتل العمد أو في شيء من الجراح التي فيها القصاص أن عقل ذلك لا يكون على العاقلة إلا أن يشاءوا وإنما عقل ذلك في مال القاتل أو الجارح خاصة إن وجد له مال فإن لم يوجد له مال كان دينا عليه وليس على العاقلة منه شيء إلا أن يشاءوا قال مالك ولا تعقل العاقلة أحدا أصاب نفسه عمدا أو خطأ بشيء وعلى ذلك رأي أهل الفقه عندنا ولم أسمع أن أحدا ضمن العاقلة من دية العمد شيئا ومما يعرف به ذلك أن الله تبارك وتعالى قال في كتابه فمن عفي له من أخيه شيء فاتباع بالمعروف وأداء إليه بإحسان فتفسير ذلك فيما نرى والله أعلم أنه من أعطي من أخيه شيء من العقل فليتبعه بالمعروف وليؤد إليه بإحسان قال مالك في الصبي الذي لا مال له والمرأة التي لا مال لها إذا جنى أحدهما جناية دون الثلث إنه ضامن على الصبي والمرأة في مالهما خاصة إن كان لهما مال أخذ منه وإلا فجناية كل واحد منهما دين عليه ليس على العاقلة منه شيء ولا يؤخذ أبو الصبي بعقل جناية الصبي وليس ذلك عليه قال مالك الأمر عندنا الذي لا اختلاف فيه أن العبد إذا قتل كانت فيه القيمة يوم يقتل ولا تحمل عاقلة قاتله من قيمة العبد شيئا قل أو كثر وإنما ذلك على الذي أصابه في ماله خاصة بالغا ما بلغ وإن كانت قيمة العبد الدية أو أكثر فذلك عليه في ماله وذلك لأن العبد سلعة من السلع


Yahya related to me from Malik from Hisham ibn Urwa that his father said, "The tribe is not obliged to pay blood-money for intentional murder. They pay blood-money for accidental killing."

Yahya related to me from Malik that Ibn Shihab said, "The precedent of the sunna is that the tribe are not liable for any blood- money of an intentional killing unless they wish that."

Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said the same as that.

Malik said that Ibn Shihab said, "The precedent of the sunna in the intentional murder is that when the relatives of the murdered person relinquish retaliation, the blood-money is owed by the murderer from his own property unless the tribe helps him with it willingly."

Malik said, "What is done in our community is that the blood- money is not obliged against the tribe until it has reached a third of the full amount and upwards. Whatever reaches a third is against the tribe, and whatever is below a third, is against the property of the one who did the injury."

Malik said, "The way of doing things about which there is no dispute among us, in the case of someone who has the blood-money accepted from him in intentional murder or in any injury in which there is retaliation, is that that blood-money is not due from the tribe unless they wish it. The blood-money for that is from the property of the murderer or the injurer if he has property. If he does not have any property, it is a debt against him, and none of it is owed by the tribe unless they wish."

Malik said, "The tribe does not pay blood-money to anyone who injures himself, intentionally or accidentally. This is the opinion of the people of fiqh in our community. I have not heard that anyone has made the tribe liable for any blood-money incurred by intentional acts. Part of what is well-known of that is that Allah, the Blessed, and the Exalted, said in His Book, 'Whoever has something pardoned him by his brother, should follow it with what is accepted and pay it with good will' (Sura 2 ayat 178) The commentary on that - in our view - and Allah knows best, is that whoever gives his brother something of the blood- money, should follow it with what is accepted and pay him with good will."

Malik spoke about a child who had no property and a woman who had no property. He said, "When one of them causes an injury below a third of the blood-money, it is taken on behalf of the child and woman from their personal property, if they have property from which it may be taken. If not, the injury which each of them has caused is a debt against them. The tribe does not have to pay any of it and the father of a child is not liable for the blood-money of an injury caused by the child and he is not responsible for it."

Malik said, "The way of doing things in our community about which there is no dispute, is that when a slave is killed, the value for him is that of the day on which he was killed. The tribe of the murderer is not liable for any of the value of the slave, great or small. That is the responsibility of the one who struck him from his own personal property as far as it covers. If the value of the slave is the blood- money or more, that is against him in his property. That is because the slave is a certain type of goods."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ১৭. দিয়াত হইতে মীরাস দেওয়া এবং উহাতে কাঠিন্য করা

রেওয়ায়ত ৯. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) মিনার দিন লোকদেরকে ডাকিয়া বলিলেনঃ দিয়াতের ব্যাপারে যাহার কিছু জানা আছে সে যেন আমাকে তাহা বলে। ইত্যবসরে যাহহাক ইবন সুফিয়ান (রাঃ) দাঁড়াইয়া বলিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে লিখিয়াছেন যে, আমি যেন আশয়াম যবাবীর স্ত্রীকে তাহার দিয়াত হইতে মীরাস দেই। উমর (রাঃ) বলিলেনঃ তুমি আমার আসা পর্যন্ত তাঁবুতে অপেক্ষা কর। উমর (রাঃ) আসিলে যাহহাক উহাই বলিলেন। অতঃপর উমর (রাঃ) এই আদেশই জারি করিলেন। ইবন শিহাব বলেন, আশয়াম ভুলে নিহত হইয়াছিল।

باب مَا جَاءَ فِي مِيرَاثِ الْعَقْلِ وَالتَّغْلِيظِ فِيهِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ نَشَدَ النَّاسَ بِمِنًى مَنْ كَانَ عِنْدَهُ عِلْمٌ مِنْ الدِّيَةِ أَنْ يُخْبِرَنِي فَقَامَ الضَّحَّاكُ بْنُ سُفْيَانَ الْكِلَابِيُّ فَقَالَ كَتَبَ إِلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ أُوَرِّثَ امْرَأَةَ أَشْيَمَ الضِّبَابِيِّ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا فَقَالَ لَهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ ادْخُلْ الْخِبَاءَ حَتَّى آتِيَكَ فَلَمَّا نَزَلَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَخْبَرَهُ الضَّحَّاكُ فَقَضَى بِذَلِكَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَكَانَ قَتْلُ أَشْيَمَ خَطَأً

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن عمر بن الخطاب نشد الناس بمنى من كان عنده علم من الدية أن يخبرني فقام الضحاك بن سفيان الكلابي فقال كتب إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أورث امرأة أشيم الضبابي من دية زوجها فقال له عمر بن الخطاب ادخل الخباء حتى آتيك فلما نزل عمر بن الخطاب أخبره الضحاك فقضى بذلك عمر بن الخطاب قال ابن شهاب وكان قتل أشيم خطأ


Yahya related to me from Malik from Ibn Shihab that Umar ibn al- Khattab demanded of the people at Mina, "If anyone has knowledge of blood-money, let him inform me." Ad-Dahhak ibn Sufyan al-Kilabi stood up and said, "The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, wrote to me that the wife of Ashyam ad-Dibabi inherited from the blood-money of her husband." Umar ibn al-Khattab said to him, "Go into the tent until I come to you." When Umar ibn al-Khattab came in, ad-Dahhak told him about it and Umar ibn al-Khattab gave a decision based on that.

Ibn Shihab said, "The killing of Ashyam was accidental."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money

পরিচ্ছেদঃ ১৭. দিয়াত হইতে মীরাস দেওয়া এবং উহাতে কাঠিন্য করা

রেওয়ায়ত ১০. আমর ইবন শুআয়েব (রহঃ) বনী মদলজের এক ব্যক্তি, যাহার নাম ছিল কাতাদা, নিজের ছেলেকে তলোয়ারে আঘাত করিল, যাহাতে ঐ ছেলের পায়ে আঘাত লাগিল। ক্ষতস্থান হইতে রক্ত বন্ধ না হইয়া ছেলেটি মারা গেল। সুরাকা ইবন জাশাম উমর (রাঃ)-এর নিকট আসিয়া ঘটনা বর্ণনা করিল। উমর (রাঃ) তাহাকে বলিলেন, আমার কাদীদের কূপের নিকট আসা পর্যন্ত ১শত ২০টি উট যোগাড় করিয়া রাখ। যখন তিনি তথায় আসিলেন ঐ উটের ৩০ হক্কা, ২০টি জাযআ, ৪০টি গর্ভবতী উটনী লইলেন এবং বলিলেনঃ নিহত ব্যক্তির ভাই কোথায়? সে বলিল, আমি উপস্থিত আছি। তিনি বলিলেন, তুমি এই উট লইয়া যাও। হত্যাকারী মীরাস পায় না।

সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) ও সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইল, যদি কেহ হারাম মাসসমূহে কাহাকেও হত্যা করে তবে তাহার দিয়াতের ব্যাপারে কি কঠোরতা অবলম্বন করা হইবে? তিনি বলিলেন, না, বরং ঐ সকল মাস হারাম মাস হওয়ার দরুন দিয়াত বাড়াইয়া লওয়া হইবে। অতঃপর সাঈদের নিকট জিজ্ঞাসা করা হইল, যদি কেহ এই মাসে কাহাকেও ক্ষত করিয়া দেয়, তবু সেই হত্যার মতো উহার দিয়াতও বৃদ্ধি পাইবে? সাঈদ বললেনঃ হ্যাঁ।

মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমার মনে হয় বাড়াইয়া দেওয়ারও উহাই উদ্দেশ্য যেমন মদলজীর দিয়াত উমর (রাঃ) করিয়াছেন যখন সে তাহার ছেলেকে মারিয়াছিল।

باب مَا جَاءَ فِي مِيرَاثِ الْعَقْلِ وَالتَّغْلِيظِ فِيهِ

وَحَدَّثَنِي مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ أَنَّ رَجُلًا مِنْ بَنِي مُدْلِجٍ يُقَالُ لَهُ قَتَادَةُ حَذَفَ ابْنَهُ بِالسَّيْفِ فَأَصَابَ سَاقَهُ فَنُزِيَ فِي جُرْحِهِ فَمَاتَ فَقَدِمَ سُرَاقَةُ بْنُ جُعْشُمٍ عَلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ اعْدُدْ عَلَى مَاءِ قُدَيْدٍ عِشْرِينَ وَمِائَةَ بَعِيرٍ حَتَّى أَقْدَمَ عَلَيْكَ فَلَمَّا قَدِمَ إِلَيْهِ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَخَذَ مِنْ تِلْكَ الْإِبِلِ ثَلَاثِينَ حِقَّةً وَثَلَاثِينَ جَذَعَةً وَأَرْبَعِينَ خَلِفَةً ثُمَّ قَالَ أَيْنَ أَخُو الْمَقْتُولِ قَالَ هَأَنَذَا قَالَ خُذْهَا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ لِقَاتِلٍ شَيْءٌ
وَحَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ وَسُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ سُئِلَا أَتُغَلَّظُ الدِّيَةُ فِي الشَّهْرِ الْحَرَامِ فَقَالَا لَا وَلَكِنْ يُزَادُ فِيهَا لِلْحُرْمَةِ فَقِيلَ لِسَعِيدٍ هَلْ يُزَادُ فِي الْجِرَاحِ كَمَا يُزَادُ فِي النَّفْسِ فَقَالَ نَعَمْ قَالَ مَالِك أُرَاهُمَا أَرَادَا مِثْلَ الَّذِي صَنَعَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ فِي عَقْلِ الْمُدْلِجِيِّ حِينَ أَصَابَ ابْنَهُ

وحدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرو بن شعيب أن رجلا من بني مدلج يقال له قتادة حذف ابنه بالسيف فأصاب ساقه فنزي في جرحه فمات فقدم سراقة بن جعشم على عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فقال له عمر اعدد على ماء قديد عشرين ومائة بعير حتى أقدم عليك فلما قدم إليه عمر بن الخطاب أخذ من تلك الإبل ثلاثين حقة وثلاثين جذعة وأربعين خلفة ثم قال أين أخو المقتول قال هأنذا قال خذها فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ليس لقاتل شيء وحدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا أتغلظ الدية في الشهر الحرام فقالا لا ولكن يزاد فيها للحرمة فقيل لسعيد هل يزاد في الجراح كما يزاد في النفس فقال نعم قال مالك أراهما أرادا مثل الذي صنع عمر بن الخطاب في عقل المدلجي حين أصاب ابنه


Malik related to me from Yahya ibn Said from Amr ibn Shuayb that a man of the Banu Mudlij called Qatada threw a sword at his son and it struck his thigh. The wound bled profusely and he died. Suraqa ibn Jusham came to Umar ibn al-Khattab and mentioned that to him Umar said to him, "At the watering place of Qudayd count one hundred and twenty camels and wait until I come to you." When Umar ibn al-Khattab came to him, he took thirty four-year-old camels, thirty five-year-old camels, and forty pregnant camels from them. Then he said, "Where is the brother of the slain man?" He said, "Here." He said, "Take them. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, 'The killer gets nothing.' "


Malik said that he had heard that Said ibn al-Musayyab and Sulayman ibn Yasar were asked, "Does one deal more harshly in taking the blood-money in the sacred month?" They said, "No. But it is increased in it because of violating the month." It was said to Said, "Does one increase for the wound as one increases for the life?" He said, "Yes."

Malik added, "I think that they meant the same as what Umar ibn al-Khattab did with respect to the blood-money of the Mudliji when he struck his son." (i.e. giving 120 camels instead of 100).


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মুয়াত্তা মালিক
৪৩. দিয়াত অধ্যায় (كتاب العقول) 43/ Blood-Money
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২৯ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »