সহীহ শামায়েলে তিরমিযী ৩৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কৌতুক (باب ما جاء في صفة مزاح رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনাস (রাঃ) এর সাথে কৌতুক করতেন :

১৭৪. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সম্বোধন করে (কৌতুকচ্ছলে) বলেছিলেন, ‘হে দু’কানবিশিষ্ট!’ মাহমুদ (রহঃ) বলেন, আবু উসামা (রহঃ) এর অর্থ করেছেন- “তিনি তাঁর সাথে কৌতুক করেছেন”।[1]

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلانَ ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ ، عَنْ شَرِيكٍ ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ : إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ لَهُ : " يَا ذَا الأُذُنَيْنِ " ، قَالَ مَحْمُودٌ : قَالَ أَبُو أُسَامَةَ : يَعْنِي يُمَازِحُهُ .

حدثنا محمود بن غيلان ، قال : حدثنا أبو أسامة ، عن شريك ، عن عاصم الأحول ، عن أنس بن مالك ، قال : إن النبي صلى الله عليه وسلم ، قال له : " يا ذا الأذنين " ، قال محمود : قال أبو أسامة : يعني يمازحه .


Anas ibn Maalik radiyallahu anhu relates, “Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam once told him jokingly, Ya dhal udhu-nayn (O’ two eared one).”

Every person has two ears. It must have been for a special reason that he was called ‘Ya dhal udhu-nayn’. For example, he might have had large ears or a sharp hearing, that he could hear from a distance. The latter explanation seems more correct.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৩৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কৌতুক (باب ما جاء في صفة مزاح رسول الله ﷺ) 36. Description Of The Joking Of Rasoolullah (pbuh)

পরিচ্ছেদঃ

আনাস (রাঃ) এর ছোট ভাইয়ের সাথে কৌতুক করতেন :

১৭৫. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে কৌতুক করতেন। এমনকি একবার তিনি আমার ছোট ভাইকে (কৌতুক করে) বললেন, হে আবু উমায়ের! কী হলো নুগায়ের?[1]

ইমাম আবু ঈসা তিরমিয়ী (রহঃ) বলেন, এ হাদীসে অনুধাবনযোগ্য বিষয় হলো, আনাস (রাঃ) এর ছোট ভাইয়ের নুগায়ের নামে একটি পাখি ছিল, যা নিয়ে সে খেলা করত। পাখিটি মরে গেল। এতে সে দুঃখিত হলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাথে কৌতুক করলেন এবং বললেন, ওহে আবু উমায়ের! কী হলো তোমার নুগায়ের? এতে বুঝা গেল যে, ছোট বাচ্চাদের পাখি নিয়ে খেলতে বাধা নেই।

حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا وَكِيعٌ ، عَنْ شُعْبَةَ ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، قَالَ : إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , لَيُخَالِطُنَا حَتَّى يَقُولَ لأَخٍ لِي صَغِيرٍ : " يَا أَبَا عُمَيْرٍ ، مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ ؟ " . قَالَ أَبُو عِيسَى : وَفِقْهُ هَذَا الْحَدِيثِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , كَانَ يُمَازِحُ وَفِيهِ أَنَّهُ كَنَّى غُلامًا صَغِيرًا , فَقَالَ لَهُ : يَا أَبَا عُمَيْرٍ . وَفِيهِ أَنَّهُ لا بَأْسَ أَنْ يُعْطَى الصَّبِيُّ الطَّيْرَ , لِيَلْعَبَ بِهِ . وَإِنَّمَا ، قَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " يَا أَبَا عُمَيْرٍ ، مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ ؟ " لأَنَّهُ كَانَ لَهُ نُغَيْرٌ يَلْعَبُ بِهِ فَمَاتَ ، فَحَزِنَ الْغُلامُ عَلَيْهِ فَمَازَحَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " يَا أَبَا عُمَيْرٍ ، مَا فَعَلَ النُّغَيْرُ ؟ " .

حدثنا هناد بن السري ، قال : حدثنا وكيع ، عن شعبة ، عن أبي التياح ، عن أنس بن مالك ، قال : إن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم , ليخالطنا حتى يقول لأخ لي صغير : " يا أبا عمير ، ما فعل النغير ؟ " . قال أبو عيسى : وفقه هذا الحديث أن النبي صلى الله عليه وسلم , كان يمازح وفيه أنه كنى غلاما صغيرا , فقال له : يا أبا عمير . وفيه أنه لا بأس أن يعطى الصبي الطير , ليلعب به . وإنما ، قال له النبي صلى الله عليه وسلم : " يا أبا عمير ، ما فعل النغير ؟ " لأنه كان له نغير يلعب به فمات ، فحزن الغلام عليه فمازحه النبي صلى الله عليه وسلم : " يا أبا عمير ، ما فعل النغير ؟ " .


Anas radiyallahu anhu says, “Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam used to associate with us and joke. I had a younger brother. Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam said to him, ‘Aba Umayr, what happened to the Nughayr?”

Nughayr is a type of bird. The ulama have translated it as a white tailed, red Pigeon. The author of Hayatul Haywaan says that it is a Nightingale. Imaam Tirmizi says that the gist of this hadith is that Sayyidinah Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam addressed this child by his kuniyyat (patronymic name). He had adopted an animal (bird) as a pet. The animal died and as a result, the child became grieved. In order to cheer him Sayyidina Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam width: 0px; ">


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৩৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কৌতুক (باب ما جاء في صفة مزاح رسول الله ﷺ) 36. Description Of The Joking Of Rasoolullah (pbuh)

পরিচ্ছেদঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাস্তবসম্মত কৌতুক করতেন

১৭৬. আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তারা (সাহাবায়ে কেরাম) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদের সাথে কৌতুক করছেন? তিনি বললেন, আমি কৌতুকচ্ছলে কখনো সত্য ছাড়া কিছু বলি না।[1]

حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ ، قَالَ : أَنبأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارِكِ ، عَنِ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، قَالَ : قَالُوا : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنَّكَ تُدَاعِبُنَا ، قَالَ : " إِنِّي لا أَقُولُ إِلا حَقًّا " .

حدثنا عباس بن محمد الدوري ، قال : حدثنا علي بن الحسن بن شقيق ، قال : أنبأنا عبد الله بن المبارك ، عن أسامة بن زيد ، عن سعيد المقبري ، عن أبي هريرة ، قال : قالوا : يا رسول الله ، إنك تداعبنا ، قال : " إني لا أقول إلا حقا " .


Abu Hurairah radiyallahu anhu reports, “The Sahaabah asked, ‘O’ Messenger of Allah, you joke with us?’
Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam replied, ‘Yes, I do not say but the truth.”

The reason that the Sahaabah radiyallahu anhum asked is because it had been prohibited to joke. Likewise, it is also against the dignity of great people to do so. Sayyidina Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam informed that it has nothing to do with my cheerfulness. This has been discussed at the beginning of the chapter.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৩৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কৌতুক (باب ما جاء في صفة مزاح رسول الله ﷺ) 36. Description Of The Joking Of Rasoolullah (pbuh)

পরিচ্ছেদঃ

১৭৭. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট একটি বাহন চেয়েছিল, তিনি বললেন, আমি তোমাকে একটি উটনীর বাচ্চা দিচ্ছি। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি উটনীর বাচ্চা দিয়ে কী করব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, উটমাত্রই তো কোন না কোন উটনীর বাচ্চা।[1]

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ حُمَيْدٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، أَنَّ رَجُلا اسْتَحْمَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , فَقَالَ : " إِنِّي حَامِلُكَ عَلَى وَلَدِ نَاقَةٍ " ، فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، مَا أَصْنَعُ بِوَلَدِ النَّاقَةِ ؟ فَقَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " وَهَلْ تَلِدُ الإِبِلَ إِلا النُّوقُ " .

حدثنا قتيبة بن سعيد ، قال : حدثنا خالد بن عبد الله ، عن حميد ، عن أنس بن مالك ، أن رجلا استحمل رسول الله صلى الله عليه وسلم , فقال : " إني حاملك على ولد ناقة " ، فقال : يا رسول الله ، ما أصنع بولد الناقة ؟ فقال صلى الله عليه وسلم : " وهل تلد الإبل إلا النوق " .


Anas ibn Malik radiyallahu anhu relates that a person requested Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam that he be given a conveyence. Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam replied, “The baby of a camel shall be given to you.” The person said, “What shall I do with the baby of a camel O’ Messenger of Allah?” (I want one for a conveyence). Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam replied, “Every camel is the baby of a camel.”

The person thought that he would be given a small camel which is unfit for riding. In this hadith besides joking, it also points to the fact that a person should carefully listen and understand what the other person is saying.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৩৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কৌতুক (باب ما جاء في صفة مزاح رسول الله ﷺ) 36. Description Of The Joking Of Rasoolullah (pbuh)

পরিচ্ছেদঃ

১৭৮. আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। যাহির (ইবনে হিযাম আশজায়ী বদরী) নামে এক বেদুঈন প্রায়ই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হাদিয়া দিত। যখন সে চলে যেতে উদ্যত হতো তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন, যাহির আমাদের পল্লিবন্ধু, আমরা তার শহুরে বন্ধু। সে কদাকার হলেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ভালোবাসতেন। একবার সে বেচাকেনা করছিল আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অলক্ষ্যে পেছন দিক থেকে ধরে ফেললেন। তারপর সে বলল, কে? আমাকে ছেড়ে দাও! দৃষ্টিপাত করতেই সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখে তাঁর পিঠ আরো নৰী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বুকের সাথে মিলালো। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এ গোলামটিকে কে ক্রয় করবে?

যাহির বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে বিক্রি করে কেবল অচল মুদ্ৰাই পাবেন। এরপর তিনি বললেন, কিন্তু তুমি আল্লাহর নিকট অচল নও। অথবা তিনি বলেছেন, আল্লাহর নিকট তোমার উচ্চমর্যাদা রয়েছে।[1]

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، أَنَّ رَجُلا مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ كَانَ اسْمُهُ زَاهِرًا , وَكَانَ يُهْدِي إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , هَدِيَّةً مِنَ الْبَادِيَةِ ، فَيُجَهِّزُهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , إِذَا أَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " إِنَّ زَاهِرًا بَادِيَتُنَا وَنَحْنُ حَاضِرُوهُ " وَكَانَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُحِبُّهُ وَكَانَ رَجُلا دَمِيمًا , فَأَتَاهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , يَوْمًا وَهُوَ يَبِيعُ مَتَاعَهُ وَاحْتَضَنَهُ مِنْ خَلْفِهِ وَهُوَ لا يُبْصِرُهُ ، فَقَالَ : مَنْ هَذَا ؟ أَرْسِلْنِي . فَالْتَفَتَ فَعَرَفَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَجَعَلَ لا يَأْلُو مَا أَلْصَقَ ظَهْرَهُ بِصَدْرِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ عَرَفَهُ ، فَجَعَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , يَقُولُ : " مَنْ يَشْتَرِي هَذَا الْعَبْدَ " ، فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِذًا وَاللَّهِ تَجِدُنِي كَاسِدًا ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " لَكِنْ عِنْدَ اللَّهِ لَسْتَ بِكَاسِدٍ " أَوْ قَالَ : " أَنتَ عِنْدَ اللَّهِ غَالٍ " .

حدثنا إسحاق بن منصور ، قال : حدثنا عبد الرزاق ، قال : حدثنا معمر ، عن ثابت ، عن أنس بن مالك ، أن رجلا من أهل البادية كان اسمه زاهرا , وكان يهدي إلى النبي صلى الله عليه وسلم , هدية من البادية ، فيجهزه النبي صلى الله عليه وسلم , إذا أراد أن يخرج ، فقال النبي صلى الله عليه وسلم : " إن زاهرا باديتنا ونحن حاضروه " وكان صلى الله عليه وسلم يحبه وكان رجلا دميما , فأتاه النبي صلى الله عليه وسلم , يوما وهو يبيع متاعه واحتضنه من خلفه وهو لا يبصره ، فقال : من هذا ؟ أرسلني . فالتفت فعرف النبي صلى الله عليه وسلم فجعل لا يألو ما ألصق ظهره بصدر النبي صلى الله عليه وسلم حين عرفه ، فجعل النبي صلى الله عليه وسلم , يقول : " من يشتري هذا العبد " ، فقال : يا رسول الله ، إذا والله تجدني كاسدا ، فقال النبي صلى الله عليه وسلم : " لكن عند الله لست بكاسد " أو قال : " أنت عند الله غال " .


Anas ibn Malik radiyallahu anhu reports, “A resident of the wilderness whose name was Zaahir (ibn Hiraam Al-Ashja’ee), whenever he visited Rasooluallah sallallahu alaihe wasallam he brought with him presents of the wilderness, vegetables etc., and presented it to Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam. When he intended to leave Madinah, Rasoolullah sallallahu alaihe
wasallam used to present him with provisions of the city. Once Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam said, ‘Zaahir is our wilderness, and we are his city.’ Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam was attached to him. Zaahir radiyallahu anhu was not very handsome. Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam once approached him while he was selling his merchandise. Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam caught him in between the arms from the back in such a manner that he (Sayyidina Zaahir radiyallahu anhu) could not see him. Zaahir radiyallahu anhu said, ‘Who is this?, leave me.’ But when he saw with the corner of his eye that it was Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam, he straightened his back and began pressing it to the chest of Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam (For as long as he gained this opportunity it was better than a thousand gifts). Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam then said, ‘Who will
purchase this slave?’ Zaahir radiyallahu anhu replied, ‘O’ Rasool of Allah, if you shall sell me, you will be selling a defective thing, and will earn a very little sum.’ Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam said, ‘No, you are not defective in the sight of Allah, but very valuable.”

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) পেছন থেকে এসে যাহের (রাঃ) কে জড়িয়ে ধরা ছিল রসিকতা। যাহের (রাঃ) কে গোলাম আখ্যায়িত করাও ছিল এক ধরনের কৌতুক। কারণ তিনি গোলাম ছিলেন না। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মজা করার জন্য গোলাম বলেছেন।


Sayyidina Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam coming and embracing him from the back and covering the eyes of Sayyidina Zaahir radiyallahu anhu was being humorous to him. This saying that who shall purchase him was also in joking. Because Sayyidina Zaahir radiyallahu anhu was not a slave but a free man. Some of the commentators have written that this hadith is about joking, but in reality it is full of virtues and hidden benefits. When Sayyidina Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam found him engrossed in selling his merchandise. Sayyidina Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam feared that because he was too busy selling, it would keep him away from the remembrance of Allah. Therefore Sayyidina Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam took hold of him from behind, and the embrace would be a means of returning him to the remembrance of Allah. As a reminder he said, ‘Is there anyone who will purchase this slave?’, it is because the person who is so engrossed in things other than the remembrance of Allah, is like a slave of his own desires. The embrace of Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam totally awakened his faculties for the remembrance of Allah. This is why Sayyidina Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam gave him the good news that his status in the eyes of Allah is not low but that of an elevated one.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৩৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কৌতুক (باب ما جاء في صفة مزاح رسول الله ﷺ) 36. Description Of The Joking Of Rasoolullah (pbuh)

পরিচ্ছেদঃ

১৭৯. হাসান (রাঃ) হতে বর্ণিত। একবার এক বৃদ্ধা মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কাছে দু’আ করুন যেন আমি-জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি। তিনি বললেন, ওহে! কোন বৃদ্ধা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। বর্ণনাকারী বলেন, (তা শুনে) সে কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে এ মর্মে খবর দাও যে, তুমি বৃদ্ধাবস্থায় জান্নাতে প্রবেশ করবে না। কারণ, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, “আমি তাদেরকে বিশেষভাবে সৃষ্টি করেছি। আর তাদেরকে করেছি কুমারী— (সূরা ওয়াক্বিয়া- ৩৬)।[1]

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا مُصْعَبُ بْنُ الْمِقْدَامِ ، قَالَ : حَدَّثَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، قَالَ : أَتَتْ عَجُوزٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، فَقَالَتْ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، ادْعُ اللَّهَ أَنْ يُدْخِلَنِي الْجَنَّةَ ، فَقَالَ : " يَا أُمَّ فُلانٍ ، إِنَّ الْجَنَّةَ لا تَدْخُلُهَا عَجُوزٌ " ، قَالَ : فَوَلَّتْ تَبْكِي , فَقَالَ : " أَخْبِرُوهَا أَنَّهَا لا تَدْخُلُهَا وَهِيَ عَجُوزٌ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى , يَقُولُ : إِنَّا أَنْشَأْنَاهُنَّ إِنْشَاءً ( 35 ) فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا ( 36 ) عُرُبًا أَتْرَابًا سورة الواقعة آية 35-37 " .

حدثنا عبد بن حميد ، قال : حدثنا مصعب بن المقدام ، قال : حدثنا المبارك بن فضالة ، عن الحسن ، قال : أتت عجوز إلى النبي صلى الله عليه وسلم ، فقالت : يا رسول الله ، ادع الله أن يدخلني الجنة ، فقال : " يا أم فلان ، إن الجنة لا تدخلها عجوز " ، قال : فولت تبكي , فقال : " أخبروها أنها لا تدخلها وهي عجوز إن الله تعالى , يقول : إنا أنشأناهن إنشاء ( 35 ) فجعلناهن أبكارا ( 36 ) عربا أترابا سورة الواقعة آية 35-37 " .


Hasan says that an old woman came to Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam and made a request, “O’ Messenger of Allah make Dua that Allah grants me entrance into Jannah.” Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam replied, “O’ Mother, an old woman cannot enter Jannah.” That woman started crying and began to leave. Rasoolullah sallallahu alaihe wasallam said, “Say to the woman that one will not enter in a state of old age, but Allah will make all the women of Jannah young virgins. Allah Ta’aala says, “Lo! We have created them a (new) creation and made them virgins, lovers, equal in age.” (Surah Waaqi’ah, 35-37).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সহীহ শামায়েলে তিরমিযী
৩৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কৌতুক (باب ما جاء في صفة مزاح رسول الله ﷺ) 36. Description Of The Joking Of Rasoolullah (pbuh)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৬ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে