পরিচ্ছেদঃ ১. যিনি ওয়াসীয়াত করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়) মনে করেন

৩২১৫. ’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোন মুসলিম ব্যক্তির উচিত নয় যে, তার অসীয়াতযোগ্য কিছু (সম্পদ) রয়েছে, এমতাবস্থায় সে দু’টি রাতও কাটাবে অথচ তার নিকট তার অসীয়াত লিখিত থাকবে না।”[1]

بَاب مَنْ اسْتَحَبَّ الْوَصِيَّةَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَا حَقُّ امْرِئٍ مُسْلِمٍ يَبِيتُ لَيْلَتَيْنِ وَلَهُ شَيْءٌ يُوصِي فِيهِ إِلَّا وَوَصِيَّتُهُ مَكْتُوبَةٌ عِنْدَهُ

حدثنا محمد بن عبيد اخبرنا عبيد الله عن نافع عن ابن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما حق امرى مسلم يبيت ليلتين وله شيء يوصي فيه الا ووصيته مكتوبة عنده

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১. যিনি ওয়াসীয়াত করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়) মনে করেন

৩২১৬. আবূ আশহাব হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, মু’মিন ব্যক্তি তার নিকট ওয়াসীয়াত (লিখিত) না রেখে কিছুই খায় না।[1]

بَاب مَنْ اسْتَحَبَّ الْوَصِيَّةَ

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَشْهَبِ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ قَالَ الْمُؤْمِنُ لَا يَأْكُلُ فِي كُلِّ بَطْنِهِ وَلَا تَزَالُ وَصِيَّتُهُ تَحْتَ جَنْبِهِ

حدثنا عفان حدثنا ابو الاشهب حدثنا الحسن قال المومن لا ياكل في كل بطنه ولا تزال وصيته تحت جنبه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২. ওয়াসীয়াতের ফযীলত

৩২১৭. কাসিম ইবনু উমার (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে ছুমামাহ ইবনু হাযন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তোমার পিতার কী অবস্থা? আমি বললাম, তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি বললেন, তবে তিনি কি কোন ওয়াসীয়াত করে গেছেন? কেননা, বর্ণিত হয়েছে যে, যখন কোনো লোক ওয়াসীয়াত করে তখন তার যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো কমতি বা ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকলে ওয়াসীয়াত তার ক্ষতিপুরণ হয়ে যায়।[1]

باب فَضْلِ الْوَصِيَّةِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ لِي ثُمَامَةُ بْنُ حَزْنٍ مَا فَعَلَ أَبُوكَ قُلْتُ مَاتَ قَالَ فَهَلْ أَوْصَى فَإِنَّهُ كَانَ يُقَالُ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ كَانَ وَصِيَّتُهُ تَمَامًا لِمَا ضَيَّعَ مِنْ زَكَاتِهِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد وَقَالَ غَيْرُهُ الْقَاسِمُ بْنُ عَمْرٍو

اخبرنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن داود بن ابي هند عن القاسم بن عمر قال قال لي ثمامة بن حزن ما فعل ابوك قلت مات قال فهل اوصى فانه كان يقال اذا اوصى الرجل كان وصيته تماما لما ضيع من زكاته قال ابو محمد وقال غيره القاسم بن عمرو

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২. ওয়াসীয়াতের ফযীলত

৩২১৮. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বর্ণিত আছে যে, যে ব্যক্তি কোনো ওয়াসীয়াত করলো, যেখানে সে কোনো জুলুম-বাড়াবাড়ি ও অন্যায় করেনি, তার জীবদ্দশায় তা সাদাকা করলে যে সাওয়াব পেতো, এ জন্য সে অনুরূপ সাওয়াব পাবে।[1]

باب فَضْلِ الْوَصِيَّةِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ كَانَ يُقَالُ مَنْ أَوْصَى بِوَصِيَّةٍ فَلَمْ يَجُرْ وَلَمْ يَحِفْ كَانَ لَهُ مِنْ الْأَجْرِ مِثْلُ مَا أَنْ لَوْ تَصَدَّقَ بِهِ فِي حَيَاتِهِ

حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد حدثنا داود بن ابي هند عن الشعبي قال كان يقال من اوصى بوصية فلم يجر ولم يحف كان له من الاجر مثل ما ان لو تصدق به في حياته

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শা‘বী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২. ওয়াসীয়াতের ফযীলত

৩২১৯. কায’আহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হারিম ইবনু হাইয়ানকে বলা হলো, আপনি আমাদেরকে ওয়াসীয়াত করুন (উপদেশ দিন)। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে সুরা নাহলের শেষের কয়েকটি আয়াত ওয়াসীয়াত করছি’- এ কথা বলে তিনি তিলাওয়াত করলেন, “তুমি মানুষকে তোমার প্রতিপালকের পথে আহ্বান কর হিকমাত ও সদুপদেশ দ্বারা এবং তাদের সাথে যুক্তিতর্ক কর সদ্ভাবে; তোমার প্রতিপালক, তাঁর পথ ছেড়ে কে বিপদগামী হয় সে সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত এবং কে সত্পথে আছে তাও সবিশেষ অবহিত। যদি তোমরা প্রতিশোধ গ্রহণ কর, তবে ঠিক ততখানি প্রতিশোধ গ্রহণ করবে যতখানি অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে; তবে তোমরা ধৈর্য্যধারণ করলে ধৈর্য্যশীলদের জন্য ওটাও তো উত্তম। তুমি ধৈর্য্যধারণ করো, তোমার ধৈর্য্য তো হবে আল্লাহর সাহায্যে; তাদের জন্য দু:খ করো না এবং তাদের ষড়যন্ত্রে তুমি মনক্ষুণ্ন হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ তাদেরই সঙ্গে আছেন, যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং যারা সত্কর্ম পরায়ণ।”[1] (সুরা নাহল: আয়াত ১২৫-১২৮)

باب فَضْلِ الْوَصِيَّةِ

أَخْبَرَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي يُونُسَ عَنْ قَزَعَةَ قَالَ قِيلَ لِهَرِمِ بْنِ حَيَّانَ أَوْصِهْ قَالَ أُوصِيكُمْ بِالْآيَاتِ الْأَوَاخِرِ مِنْ سُورَةِ النَّحْلِ وَقَرَأَ ابْنُ حَيَّانَ ادْعُ إِلَى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ إِلَى قَوْلِهِ وَالَّذِينَ هُمْ مُحْسِنُونَ

اخبرنا سهل بن حماد حدثنا شعبة عن ابي يونس عن قزعة قال قيل لهرم بن حيان اوصه قال اوصيكم بالايات الاواخر من سورة النحل وقرا ابن حيان ادع الى سبيل ربك بالحكمة الى قوله والذين هم محسنون

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ কায‘আ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩. যিনি ওয়াসীয়াত করেন নি

৩২২০. তালহা ইবনু মুসাররিফ (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ’আবদুল্লাহ্ ইবনু আবী আওফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি অসীয়াত করেছিলেন? তিনি বলেন, না। আমি বললাম, তাহলে কিভাবে লোকদের উপর অসীয়াত ফরজ করা হলো, কিংবা ওয়াসিয়াতের নির্দেশ দেয়া হলো? তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কিতাব (অনুসারে ’আমল করার) জন্য অসীয়াত করেছেন।[1]হুযাইল ইবনু শুরাহবিল (রহঃ) বলেন, আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসীয়াত অনুযায়ী নির্দেশ দিতে পছন্দ করতেন। আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে ভালবাসতেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যে নির্দেশই পান, তার লাগাম তিনি তার নাকে পরেন।[2]

باب مَنْ لَمْ يُوصِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ الْيَامِيِّ قَالَ سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي أَوْفَى أَوْصَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا قُلْتُ فَكَيْفَ كُتِبَ عَلَى النَّاسِ الْوَصِيَّةُ أَوْ أُمِرُوا بِالْوَصِيَّةِ فَقَالَ أَوْصَى بِكِتَابِ اللَّهِ وَقَالَ هُزَيْلُ بْنُ شُرَحْبِيلَ أَبُو بَكْرٍ كَانَ يَتَأَمَّرُ عَلَى وَصِيِّ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَدَّ أَبُو بَكْرٍ أَنَّهُ وَجَدَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَهْدًا فَخَزَمَ أَنْفَهُ بِخِزَامَةٍ

حدثنا محمد بن يوسف عن مالك بن مغول عن طلحة بن مصرف اليامي قال سالت عبد الله بن ابي اوفى اوصى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا قلت فكيف كتب على الناس الوصية او امروا بالوصية فقال اوصى بكتاب الله وقال هزيل بن شرحبيل ابو بكر كان يتامر على وصي رسول الله صلى الله عليه وسلم ود ابو بكر انه وجد من رسول الله صلى الله عليه وسلم عهدا فخزم انفه بخزامة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩. যিনি ওয়াসীয়াত করেন নি

৩২২১. হাম্মাম হতে বর্ণিত, (إِنْ تَرَكَ خَيْراً الْوَصِيَّة) “যখন তোমাদের কারও মৃত্যু নিকটবর্তী বলে মনে হয়, সে যদি তখন ধন-সম্পত্তি ছেড়ে যায় তবে পিতা-মাতা ও আত্মীয় স্বজনের জন্যে বৈধভাবে ওয়াসীয়াত করা তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করা হলো, আল্লাহভীরুদের জন্য এটি অবশ্যকরণীয়।” (সূরা বাকারাঃ আয়াত ১৮০)

এ আয়াত সম্পর্কে কাতাদা (রহঃ) বলেন, (এখানে) ’আল খাইর’ অর্থ ’মাল’-সম্পদ। আর বলা হতো: এক হাজার ও তার অধিক সম্পদে (ওসীয়াত কার্যকর)।[1]

باب مَنْ لَمْ يُوصِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ قَالَ الْخَيْرُ الْمَالُ كَانَ يُقَالُ أَلْفًا فَمَا فَوْقَ ذَلِكَ

اخبرنا يزيد اخبرنا همام عن قتادة ان ترك خيرا الوصية قال الخير المال كان يقال الفا فما فوق ذلك

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪. যে তাশাহুদ (সাক্ষ্য) ও কথা দ্বারা ওসীয়াত করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

৩২২২. মুহাম্মদ ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি সে কথার দ্বারাই ওয়াসীয়াত করেন, অথবা এ হলো সেই কথামালা যার দ্বারা মুহাম্মদ ইবনু আবী আমরাহ তার ছেলেদেরকে এবং তার পরিবারবর্গ কে ওয়াসীয়াত করেন। তা হলো, “অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং তোমাদের নিজেদের পারস্পরিক সম্পর্ক সঠিকরূপে গড়ে নাও, আর যদি তোমরা মু’মিন হয়ে থাক তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর।” (সুরা আনফাল: ১)

আর তিনি সে কথার দ্বারাই তাদেরকে ওয়াসীয়াত করেন, যার দ্বারা ইবরাহীম ও ইয়া’কুব আলাইহিমাস সালাম তাঁদের নিজ নিজ ছেলেদেরকে কে ওয়াসীয়াত করেন: “হে আমার বংশধর: নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য এই দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা) মনোনীত করেছেন, অতএব, তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।” (সূরা বাকারাঃ ১৩২) এছাড়া, তিনি তাদেরকে আরও ওয়াসীয়াত করেন যে, তারা আনসারদের মাওলা ও দ্বীনী ভাই হওয়ার কামনা করবে না; চারিত্রিক পবিত্রতা ও সততা-সত্যবাদিতা যিনা ও মিথ্যাচারিতা হতে উত্তম ও স্থায়ী। আমার এ ওয়াসীয়াত পরিবর্তন করার পূর্বেই আমার এ অসুস্থতায় কিছু ঘটে যায় (তার মুত্যু হয়), এ বলে তিনি তার (ওয়াসীয়াতকৃত) বস্তুর কথা উল্লেখ করলেন।[1]

باب مَا يُسْتَحَبُّ بِالْوَصِيَّةِ مِنْ التَّشَهُّدِ وَالْكَلَامِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ أَنَّهُ أَوْصَى ذِكْرُ مَا أَوْصَى بِهِ أَوْ هَذَا ذِكْرُ مَا أَوْصَى بِهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَمْرَةَ بَنِيهِ وَأَهْلَ بَيْتِهِ أَنْ اتَّقُوا اللَّهَ وَأَصْلِحُوا ذَاتَ بَيْنِكُمْ وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ وَأَوْصَاهُمْ بِمَا أَوْصَى بِهِ إِبْرَاهِيمُ بَنِيهِ وَيَعْقُوبُ يَا بَنِيَّ إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَى لَكُمْ الدِّينَ فَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ وَأَوْصَاهُمْ أَنْ لَا يَرْغَبُوا أَنْ يَكُونُوا مَوَالِيَ الْأَنْصَارِ وَإِخْوَانَهُمْ فِي الدِّينِ وَأَنَّ الْعِفَّةَ وَالصِّدْقَ خَيْرٌ وَأَتْقَى مِنْ الزِّنَا وَالْكَذِبِ إِنْ حَدَثَ بِهِ حَدَثٌ فِي مَرَضِي هَذَا قَبْلَ أَنْ أُغَيِّرَ وَصِيَّتِي هَذِهِ ثُمَّ ذَكَرَ حَاجَتَهُ

اخبرنا يزيد بن هارون اخبرنا ابن عون عن محمد بن سيرين انه اوصى ذكر ما اوصى به او هذا ذكر ما اوصى به محمد بن ابي عمرة بنيه واهل بيته ان اتقوا الله واصلحوا ذات بينكم واطيعوا الله ورسوله ان كنتم مومنين واوصاهم بما اوصى به ابراهيم بنيه ويعقوب يا بني ان الله اصطفى لكم الدين فلا تموتن الا وانتم مسلمون واوصاهم ان لا يرغبوا ان يكونوا موالي الانصار واخوانهم في الدين وان العفة والصدق خير واتقى من الزنا والكذب ان حدث به حدث في مرضي هذا قبل ان اغير وصيتي هذه ثم ذكر حاجته

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪. যে তাশাহুদ (সাক্ষ্য) ও কথা দ্বারা ওসীয়াত করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

৩২২৩. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, অমুকের পুত্র অমুক যেভাবে ওয়াসীয়াত করে, তারাও তদ্রূপ ওয়াসীয়াত করতেন যে, সে সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নাই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, আর মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আর যে, নিশ্চয়ই কিয়ামত আগমন করবে, যাতে কোনো সন্দেহ নেই, আর নিশ্চয়ই আল্লাহ কবরে যারা আছে তাদেরকে পুনুরুত্থিত করবেন।

তার পরে তার পরিবারের যারা বেঁচে থাকবে, তাদের জন্য তিনি ওয়াসীয়াত করেন যে, তারা যেন আল্লাহকে ভয় করে এবং তাদের নিজেদের পারস্পরিক সম্পর্ক সঠিকরূপে গড়ে নেয়, আর যদি তারা মু’মিন হয়ে থাকে তবে তারা যেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে।

আর তিনি সে কথার দ্বারা তাদেরকে ওয়াসীয়াত করেন, যা দ্বারা ইবরাহীম ও ইয়া’কুব আলাইহিমাস সালাম তাঁদের নিজ নিজ ছেলেদেরকে কে ওয়াসীয়াত করেন: “হে আমার বংশধর: নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য এই দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা) মনোনীত করেছেন, অতএব, তোমরা মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।” সূরা বাকারাঃ ১৩২) তিনি আরও ওয়াসীয়াত করেন, তার অসুস্থতার কারণে তার কোনো কিছু (তথা মৃত্যু) ঘটে যায়, তবে তার (ওয়াসীয়াতকৃত) বস্তু হলো এই এই।[1]

باب مَا يُسْتَحَبُّ بِالْوَصِيَّةِ مِنْ التَّشَهُّدِ وَالْكَلَامِ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ هَكَذَا كَانُوا يُوصُونَ هَذَا مَا أَوْصَى بِهِ فُلَانُ بْنُ فُلَانٍ أَنَّهُ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَأَنَّ السَّاعَةَ آتِيَةٌ لَا رَيْبَ فِيهَا وَأَنَّ اللَّهَ يَبْعَثُ مَنْ فِي الْقُبُورِ وَأَوْصَى مَنْ تَرَكَ بَعْدَهُ مِنْ أَهْلِهِ أَنْ يَتَّقُوا اللَّهَ وَيُصْلِحُوا ذَاتَ بَيْنِهِمْ وَأَنْ يُطِيعُوا اللَّهَ وَرَسُولَهُ إِنْ كَانُوا مُؤْمِنِينَ وَأَوْصَاهُمْ بِمَا أَوْصَى بِهِ إِبْرَاهِيمُ بَنِيهِ وَيَعْقُوبُ يَا بَنِيَّ إِنَّ اللَّهَ اصْطَفَى لَكُمْ الدِّينَ فَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ وَأَوْصَى إِنْ حَدَثَ بِهِ حَدَثٌ مِنْ وَجَعِهِ هَذَا أَنَّ حَاجَتَهُ كَذَا وَكَذَا

اخبرنا احمد بن عبد الله حدثنا ابو بكر حدثنا هشام بن حسان عن ابن سيرين عن انس قال هكذا كانوا يوصون هذا ما اوصى به فلان بن فلان انه يشهد ان لا اله الا الله وحده لا شريك له وان محمدا عبده ورسوله وان الساعة اتية لا ريب فيها وان الله يبعث من في القبور واوصى من ترك بعده من اهله ان يتقوا الله ويصلحوا ذات بينهم وان يطيعوا الله ورسوله ان كانوا مومنين واوصاهم بما اوصى به ابراهيم بنيه ويعقوب يا بني ان الله اصطفى لكم الدين فلا تموتن الا وانتم مسلمون واوصى ان حدث به حدث من وجعه هذا ان حاجته كذا وكذا

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪. যে তাশাহুদ (সাক্ষ্য) ও কথা দ্বারা ওসীয়াত করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

৩২২৪. হাফস ইবনু গায়লান (রহঃ) হতে বর্ণিত, মাকহুল (রহঃ) ওয়াসীয়াত করার সময় বলেন, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি, ফলে তুমিও সাক্ষ্য দাও: আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নাই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, আর মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আর তিনি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনেন এবং তাগুতের প্রতি কুফরী করেন-এর উপরই তিনি জীবিত ছিলেন, মৃত্যু বরন করবেন ইনশা আল্লাহ, পুনুরুত্থিত হবেন আর তিনি ওয়াসীয়াত করলেন সেই সম্পদ থেকে, আল্লাহ যা তাঁকে দান করেছেন, এবং যা তিনি ছেড়ে গেলেন, যদি এ ওয়াসীয়াতে যা রয়েছে তার কোনো কিছুই পরিবর্তন সে না করে, তবে তার কিছু (তথা মৃত্যু) ঘটে গেলে, তা (ওয়াসীয়াতকৃত বস্তু) হবে এই এই।[1]

باب مَا يُسْتَحَبُّ بِالْوَصِيَّةِ مِنْ التَّشَهُّدِ وَالْكَلَامِ

حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ عَنْ حَفْصِ بْنِ غَيْلَانَ عَنْ مَكْحُولٍ حِينَ أَوْصَى قَالَ تَشَهُّدُ هَذَا مَا شَهِدَ بِهِ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَيُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَيَكْفُرُ بِالطَّاغُوتِ عَلَى ذَلِكَ يَحْيَا إِنْ شَاءَ اللَّهُ وَيَمُوتُ وَيُبْعَثُ وَأَوْصَى فِيمَا رَزَقَهُ اللَّهُ فِيمَا تَرَكَ إِنْ حَدَثَ بِهِ حَدَثٌ وَهُوَ كَذَا وَكَذَا إِنْ لَمْ يُغَيِّرْ شَيْئًا مِمَّا فِي هَذِهِ الْوَصِيَّةِ

حدثنا الحكم بن المبارك اخبرنا الوليد عن حفص بن غيلان عن مكحول حين اوصى قال تشهد هذا ما شهد به يشهد ان لا اله الا الله وحده لا شريك له وان محمدا عبده ورسوله ويومن بالله ويكفر بالطاغوت على ذلك يحيا ان شاء الله ويموت ويبعث واوصى فيما رزقه الله فيما ترك ان حدث به حدث وهو كذا وكذا ان لم يغير شيىا مما في هذه الوصية

হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪. যে তাশাহুদ (সাক্ষ্য) ও কথা দ্বারা ওসীয়াত করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

৩২২৫. মাকহুল (রহঃ) হতে বর্ণিত, এটি আবূ দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর ওয়াসীয়াত ছিল।[1]

باب مَا يُسْتَحَبُّ بِالْوَصِيَّةِ مِنْ التَّشَهُّدِ وَالْكَلَامِ

حَدَّثَنَا الْحَكَمُ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ قَالَ أَخْبَرَنِي ابْنُ ثَوْبَانَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ هَذِهِ وَصِيَّةُ أَبِي الدَّرْدَاءِ

حدثنا الحكم حدثنا الوليد قال اخبرني ابن ثوبان عن ابيه عن مكحول قال هذه وصية ابي الدرداء

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ মাকহূল (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪. যে তাশাহুদ (সাক্ষ্য) ও কথা দ্বারা ওসীয়াত করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)

৩২২৬. আবী হাইয়ান তাইমীর পিতা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রবী’ঈ ইবনু খাইছাম তার ওয়াসীয়াত পত্র লিখেন এভাবে যে:

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি:এটি রবীঈ ইবনু খায়ছাম এর পক্ষ হতে ওয়াসীয়াত আর সে এ ব্যাপারে আল্লাহকে সাক্ষী রাখছে। আর তার নেককার বান্দাগণের জন্য সাক্ষী হিসেবে, প্রতিদানকারী ও ছাওয়াবদানকারী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। তাই আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে ও মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট। আমি নিজেকে ও যারা আমার অনুসরণ করে তাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছি যে, আমরা যেন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত থেকে আল্লাহর ইবাদত করি, প্রশংসাকারীগণের অন্তর্ভুক্ত থেকে আল্লাহর প্রশংসা করি এবং মুসলিমদের ঐক্যের প্রতি নসীহত করি।[1]

باب مَا يُسْتَحَبُّ بِالْوَصِيَّةِ مِنْ التَّشَهُّدِ وَالْكَلَامِ

حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا أَبُو حَيَّانَ التَّيْمِيُّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَتَبَ الرَّبِيعُ بْنُ خُثَيْمٍ وَصِيَّتَهُ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ هَذَا مَا أَوْصَى بِهِ الرَّبِيعُ بْنُ خُثَيْمٍ وَأَشْهَدَ اللَّهَ عَلَيْهِ وَكَفَى بِاللَّهِ شَهِيدًا وَجَازِيًا لِعِبَادِهِ الصَّالِحِينَ وَمُثِيبًا بِأَنِّي رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا وَإِنِّي آمُرُ نَفْسِي وَمَنْ أَطَاعَنِي أَنْ نَعْبُدَ اللَّهَ فِي الْعَابِدِينَ وَنَحْمَدَهُ فِي الْحَامِدِينَ وَأَنْ نَنْصَحَ لِجَمَاعَةِ الْمُسْلِمِينَ

حدثنا جعفر بن عون حدثنا ابو حيان التيمي عن ابيه قال كتب الربيع بن خثيم وصيته بسم الله الرحمن الرحيم هذا ما اوصى به الربيع بن خثيم واشهد الله عليه وكفى بالله شهيدا وجازيا لعباده الصالحين ومثيبا باني رضيت بالله ربا وبالاسلام دينا وبمحمد نبيا واني امر نفسي ومن اطاعني ان نعبد الله في العابدين ونحمده في الحامدين وان ننصح لجماعة المسلمين

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৫. যিনি মনে করেন, অল্প সম্পদে ওয়াসীয়াত নেই

৩২২৭. হিশাম (রহঃ) তাঁর পিতা (উরওয়া (রহঃ)) হতে বর্ণনা করেন যে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একদা কোনো এক রোগীর নিকট গেলেন। তখন লোকেরা লোকটিকে ওয়াসীয়াতের কথা বললে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: আল্লাহ তা’আলা বলেছেন: (إِنْ تَرَكَ خَيْراً الْوَصِيَّة) (“যখন তোমাদের কারও মৃত্যু নিকটবর্তী বলে মনে হয়, সে যদি তখন ধন-সম্পত্তি ছেড়ে যায় তবে পিতা-মাতা ও আত্মীয় স্বজনের জন্যে বৈধভাবে ওয়াসীয়াত করা তোমাদের জন্য বিধিবদ্ধ করা হলো, আল্লাহভীরুদের জন্য এটি অবশ্যকরণীয়।” সূরা বাকারাঃ আয়াত ১৮০)

আর আমার ধারণা, সে (অধিক) সম্পদ ছেড়ে যাচ্ছে না। হাম্মাদ বলেন, আমার মনে আছে যে, সে লোকটি সাতশ’ (দিরহাম) থেকে কিছু বেশি রেখে গিয়েছিল।[1]

باب مَنْ لَمْ يَرَ الْوَصِيَّةَ فِي الْمَالِ الْقَلِيلِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عَلِيًّا دَخَلَ عَلَى مَرِيضٍ فَذَكَرُوا لَهُ الْوَصِيَّةَ فَقَالَ عَلِيٌّ قَالَ اللَّهُ إِنْ تَرَكَ خَيْرًا وَلَا أُرَاهُ تَرَكَ خَيْرًا قَالَ حَمَّادٌ فَحَفِظْتُ أَنَّهُ تَرَكَ أَكْثَرَ مِنْ سَبْعِ مِائَةٍ

حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن هشام عن ابيه ان عليا دخل على مريض فذكروا له الوصية فقال علي قال الله ان ترك خيرا ولا اراه ترك خيرا قال حماد فحفظت انه ترك اكثر من سبع ماىة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৫. যিনি মনে করেন, অল্প সম্পদে ওয়াসীয়াত নেই

৩২২৮. হিশাম (রহঃ) তাঁর পিতা (উরওয়া (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, আলী ইবনু আবী তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একদা কোনো এক রোগীকে দেখতে গেলেন। তখন লোকটি বললো, আমি কি ওয়াসীয়াত করব? আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: না, সে (অধিক) সম্পদ ছেড়ে যাও নি। ফলে তুমি তোমার সম্পদ তোমার ছেলে-মেয়ের জন্য রেখে যাও।[1] (তোমার ছেড়ে যাওয়া সামান্য সম্পদ তোমার ছেলে-মেয়ে পাবে)

باب مَنْ لَمْ يَرَ الْوَصِيَّةَ فِي الْمَالِ الْقَلِيلِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كُنَاسَةَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ أَبِيهِ قَالَ دَخَلَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ عَلَى رَجُلٍ مِنْ قَوْمِهِ يَعُودُهُ فَقَالَ أُوصِي قَالَ لَا لَمْ تَدَعْ مَالًا فَدَعْ مَالَكَ لِوَلَدِكَ

حدثنا محمد بن كناسة حدثنا هشام عن ابيه قال دخل علي بن ابي طالب على رجل من قومه يعوده فقال اوصي قال لا لم تدع مالا فدع مالك لولدك

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৬. যিনি সম্পদের এক তৃতীয়াংশেরও অধিক ওয়াসীয়াত করেন - এমন ব্যক্তি সম্পর্কে

৩২২৯. মানসূর হতে বর্ণিত, যে লোক ওয়াসীয়াত করলো, আর তথায় ওয়ারিসগন উপস্থিত আছে এবং এতে তারা সম্মতও, এ সম্পর্কে ইবরাহীম (রহঃ) বলেন: তা জায়েয হবে না। আবী মুহাম্মদ বলেন, এর অর্থাত্: পরে যদি তারা (ওয়ারিসগণ) অস্বীকার করে (তবে তা জায়িয হবে না)।[1]

باب فِي الَّذِي يُوصِي بِأَكْثَرَ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا أَبُو زَيْدٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي رَجُلٍ أَوْصَى وَالْوَرَثَةُ شُهُودٌ مُقِرُّونَ فَقَالَ لَا يَجُوزُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي إِذَا أَنْكَرُوا بَعْدُ

حدثنا ابو زيد حدثنا شعبة عن منصور عن ابراهيم في رجل اوصى والورثة شهود مقرون فقال لا يجوز قال ابو محمد يعني اذا انكروا بعد

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৬. যিনি সম্পদের এক তৃতীয়াংশেরও অধিক ওয়াসীয়াত করেন - এমন ব্যক্তি সম্পর্কে

৩২৩০. শু’বাহ বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি হাকাম ও হাম্মাদ কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, কোনো (জীবিত অবস্থায় কোনো লোকের) ওলীগণ (তার অভিভাবকগণ) ওয়াসীয়াতকে অনুমোদন করলো, এরপর লোকটি মৃত্যু বরণ করলে তারা যদি তা অনুমোদন না করে (তথা অস্বীকার করে)? উত্তরে তারা উভয়ে বলেন, তা (ওয়াসীয়াত) বৈধ হবে না।[1]

باب فِي الَّذِي يُوصِي بِأَكْثَرَ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ سَأَلْتُ الْحَكَمَ وَحَمَّادًا عَنْ الْأَوْلِيَاءِ يُجِيزُونَ الْوَصِيَّةَ فَإِذَا مَاتَ لَمْ يُجِيزُوا قَالَا لَا يَجُوزُ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا شعبة قال سالت الحكم وحمادا عن الاولياء يجيزون الوصية فاذا مات لم يجيزوا قالا لا يجوز

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শু'বা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৬. যিনি সম্পদের এক তৃতীয়াংশেরও অধিক ওয়াসীয়াত করেন - এমন ব্যক্তি সম্পর্কে

৩২৩১. আমির (রহঃ) যে লোক তার সম্পদের এক তৃতীয়াংশের অধিক সম্পদ ওয়াসীয়াত করলো, তার সম্পর্কে শুরাইহ (রহঃ) বলেন: ওয়ারিসগণ যদি তাকে এর অনুমতি দেয়, তবে আমরাও তাকে অনুমতি দেব; আর যদি ওয়ারিসগণ বলে, ’আমরা তাকে অনুমতি দিলাম’, তবে তারা (ওয়ারিসগণ) যখন মৃতের কবর দেওয়া শেষ করবে, তখন তারা (তা রাখা বা প্রত্যাহার করার) স্বাধীনতা লাভ করবে।[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন, ’আমরা তাকে অনুমতি দিলাম’- অর্থ: তার জীবদ্দশায় (অনুমতি দিলাম)।

باب فِي الَّذِي يُوصِي بِأَكْثَرَ مِنْ الثُّلُثِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ شُرَيْحٍ فِي الرَّجُلِ يُوصِي بِأَكْثَرَ مِنْ ثُلُثِهِ قَالَ إِنْ أَجَازَتْهُ الْوَرَثَةُ أَجَزْنَاهُ وَإِنْ قَالَتْ الْوَرَثَةُ أَجَزْنَاهُ فَهُمْ بِالْخِيَارِ إِذَا نَفَضُوا أَيْدِيَهُمْ مِنْ الْقَبْرِ
قَالَ هُوَ جَائِزٌ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَجَزْنَاهُ يَعْنِي فِي الْحَيَاةِ

اخبرنا يزيد بن هارون عن داود بن ابي هند عن عامر عن شريح في الرجل يوصي باكثر من ثلثه قال ان اجازته الورثة اجزناه وان قالت الورثة اجزناه فهم بالخيار اذا نفضوا ايديهم من القبر قال هو جاىز قال ابو محمد اجزناه يعني في الحياة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শা‘বী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৬. যিনি সম্পদের এক তৃতীয়াংশেরও অধিক ওয়াসীয়াত করেন - এমন ব্যক্তি সম্পর্কে

৩২৩২. কাসিম (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, কোনো এক ব্যক্তি তার ওয়ারিসগণের নিকট তার সম্পদের এক তৃতীয়াংশের অধিক ওয়াসীয়াত করার অনুমতি চাইল এবং তারা তাকে এর অনুমতিও দিল। কিন্তু তার মরার পর তারা তা হতে ফিরে গেল (অনুমতি প্রত্যাহার করে নিল)। আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, এ ঘৃণিত বিষয়টি (তথা অনুমতি প্রদানের পর তা হতে ফিরে যাওয়া) জায়েয (বৈধ) নয়।[1]

باب فِي الَّذِي يُوصِي بِأَكْثَرَ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ أَبِي عَوْنٍ عَنْ الْقَاسِمِ أَنَّ رَجُلًا اسْتَأْذَنَ وَرَثَتَهُ أَنْ يُوصِيَ بِأَكْثَرَ مِنْ الثُّلُثِ فَأَذِنُوا لَهُ ثُمَّ رَجَعُوا فِيهِ بَعْدَ مَا مَاتَ فَسُئِلَ عَبْدُ اللَّهِ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ هَذَا التَّكَرُّهُ لَا يَجُوزُ

حدثنا ابو نعيم حدثنا المسعودي عن ابي عون عن القاسم ان رجلا استاذن ورثته ان يوصي باكثر من الثلث فاذنوا له ثم رجعوا فيه بعد ما مات فسىل عبد الله عن ذلك فقال هذا التكره لا يجوز

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ কাসিম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৬. যিনি সম্পদের এক তৃতীয়াংশেরও অধিক ওয়াসীয়াত করেন - এমন ব্যক্তি সম্পর্কে

৩২৩৩. হিশাম (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, কোনো এক ব্যক্তি তার সম্পদের এক তৃতীয়াংশের অধিক ওয়াসীয়াত করল, আর ওয়ারিসগণ তাতে সম্মত হলো- এ সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, তা জায়েয (বৈধ)।[1]

باب فِي الَّذِي يُوصِي بِأَكْثَرَ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يُوصِي بِأَكْثَرَ مِنْ الثُّلُثِ فَرَضِيَ الْوَرَثَةُ قَالَ هُوَ جَائِزٌ

حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن هشام عن الحسن في الرجل يوصي باكثر من الثلث فرضي الورثة قال هو جاىز

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৭. এক তৃতীয়াংশ সম্পদ ওয়াসীয়াত করা

৩২৩৪. মুহাম্মদ ইবনু সা’দ তার পিতা সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, মক্কায় অবস্থানকালে (বিদায় হজ্জে তিনি রোগে তিনি আক্রান্ত হলে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার খোঁজ খবর নেয়ার জন্য আসলেন। আর তার এক কন্যা ব্যতীত আর কেউই ছিল না। (তিনি বর্ণনা করেন,) আমি তাঁর কাছে নিবেদন করলাম, একমাত্র কন্যা ছাড়া কেউ আমার উত্তরাধিকারী নেই। তবে আমি কি আমার পুরো সম্পদ ওয়াসীয়াত (সাদাকার জন্য) করতে পারি কি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, “না।” আমি আবার নিবেদন করলাম, তাহলে অর্ধেক ওয়াসীয়াত করি? তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, “না।” তিনি বললেন, তাহলে এক তৃতীয়াংশ ওয়াসীয়াত করি? তিনি বলেন, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “এক তৃতীয়াংশ করতে পারো, তবে এক তৃতীয়াংশও অনেক।”[1]

باب الْوَصِيَّةِ بِالثُّلُثِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ يُونُسَ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ عَلَيْهِ وَهُوَ بِمَكَّةَ وَلَيْسَ لَهُ إِلَّا ابْنَةٌ فَقُلْتُ لَهُ إِنَّهُ لَيْسَ لِي إِلَّا ابْنَةٌ وَاحِدَةٌ فَأُوصِي بِمَالِي كُلِّهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا قُلْتُ فَأُوصِي بِالنِّصْفِ فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا قَالَ فَأُوصِي بِالثُّلُثِ قَالَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الثُّلُثُ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ

حدثنا ابو الوليد الطيالسي حدثنا همام حدثنا قتادة عن يونس بن جبير عن محمد بن سعد عن ابيه ان النبي صلى الله عليه وسلم دخل عليه وهو بمكة وليس له الا ابنة فقلت له انه ليس لي الا ابنة واحدة فاوصي بمالي كله فقال النبي صلى الله عليه وسلم لا قلت فاوصي بالنصف فقال له النبي صلى الله عليه وسلم لا قال فاوصي بالثلث قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الثلث والثلث كثير

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৭. এক তৃতীয়াংশ সম্পদ ওয়াসীয়াত করা

৩২৩৫. আমির ইবনু সা’দ তার পিতা (সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, বিদায় হাজ্জের বছরে আমি মক্কা্য় এমন অসুস্থ হয়ে পড়লাম যে মরণের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার সেবা শুশ্রূষা করার জন্য আমার কাছে আসলেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার ধারণা এছাড়া আর কিছু নয় যে, আমার (সময়) শেষ হয়ে এসেছে। আমার অনেক ধন-সম্পদ আছে। আর আমার একমাত্র উত্তরাধিকারিণী এক মেয়ে। এমতাবস্থায় আমি কি আমার পুরো সম্পদ সাদাকার জন্য করবো? তিনি বললেন, “না।” আমি বললাম, তাহলে কি অর্ধেক দান করব? তিনি বললেন, “না।” আমি বললাম, এক-তৃতীয়াংশ কি দান করব? তিনি বললেনঃ “এক-তৃতীয়াংশ, তবে এক-তৃতীয়াংশও তো অনেক। তুমি তোমার সন্তানকে সচ্ছল অবস্থায় রেখে যাবে সেটাই উত্তম তাকে এমন অভাবগ্রস্ত রেখে যাওয়ার চেয়ে যে অবস্থায় সে মানুষের কাছে হাত পেতে ভিক্ষে করবে। তুমি যা-ই খরচ করবে তার বিনিময় আল্লাহ তোমাকে দেবেন। এমন কি যে লোকমাটি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে তুলে দাও তারও বিনিময় দেয়া হবে।”[1]

باب الْوَصِيَّةِ بِالثُّلُثِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ اشْتَكَيْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ حَتَّى أُدْنِفْتُ فَدَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعُودُنِي فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا أُرَانِي إِلَّا لِمَا بِي وَأَنَا ذُو مَالٍ كَثِيرٍ وَإِنَّمَا يَرِثُنِي ابْنَةٌ لِي أَفَأَتَصَدَّقُ بِمَالِي كُلِّهِ قَالَ لَا قُلْتُ فَبِنِصْفِهِ قَالَ لَا قُلْتُ فَالثُّلُثِ قَالَ الثُّلُثُ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ إِنَّكَ إِنْ تَتْرُكْ وَرَثَتَكَ أَغْنِيَاءَ خَيْرٌ مِنْ أَنْ تَتْرُكَهُمْ فُقَرَاءَ يَتَكَفَّفُونَ النَّاسَ بِأَيْدِيهِمْ وَإِنَّكَ لَا تُنْفِقُ نَفَقَةً إِلَّا آجَرَكَ اللَّهُ فِيهَا حَتَّى مَا تَجْعَلُ فِي فِي امْرَأَتِكَ

اخبرنا يزيد بن هارون حدثنا محمد بن اسحق عن الزهري عن عامر بن سعد عن ابيه قال اشتكيت مع النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع حتى ادنفت فدخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم يعودني فقلت يا رسول الله ما اراني الا لما بي وانا ذو مال كثير وانما يرثني ابنة لي افاتصدق بمالي كله قال لا قلت فبنصفه قال لا قلت فالثلث قال الثلث والثلث كثير انك ان تترك ورثتك اغنياء خير من ان تتركهم فقراء يتكففون الناس بايديهم وانك لا تنفق نفقة الا اجرك الله فيها حتى ما تجعل في في امراتك

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমির ইবন সা'দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৮. এক তৃতীয়াংশের কম ওয়াসীয়াত করা

৩২৩৬. আলা ইবনু যিয়াদ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, তার পিতা যিয়াদ্ ইবনু মাতর ওসীয়াত করে বলেন, আমি ওয়াসীয়াত করলাম বসরাবাসী ফকীহগণের ইজমার (ঐকমত্যের) ভিত্তিতে। তারা এক পঞ্চমাংশ ওয়াসীয়াত করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন।[1]

باب الْوَصِيَّةِ بِأَقَلَّ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ سُوَيْدٍ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ زِيَادٍ أَنَّ أَبَاهُ زِيَادَ بْنَ مَطَرٍ أَوْصَى فَقَالَ وَصِيَّتِي مَا اتَّفَقَ عَلَيْهِ فُقَهَاءُ أَهْلِ الْبَصْرَةِ فَسَأَلْتُ فَاتَّفَقُوا عَلَى الْخُمُسِ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن اسحق بن سويد عن العلاء بن زياد ان اباه زياد بن مطر اوصى فقال وصيتي ما اتفق عليه فقهاء اهل البصرة فسالت فاتفقوا على الخمس

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৮. এক তৃতীয়াংশের কম ওয়াসীয়াত করা

৩২৩৭. আলা ইবনু যিয়াদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে জিজ্ঞেস করলেন, আমার ওয়ারিস হচ্ছে ’কালালাহ’ (পিতা ও সন্তানহীন)। এমতাবস্থায় আমি কি অর্ধেক সম্পদ ওয়াসীয়াত করব? তিনি বলেন, না। সে বলল, তবে এক তৃতীয়াংশ? তিনি বললেন, না। সে বলল, তবে এক চতুর্থাংশ? তিনি বললেন, না। সে বলল, তবে এক পঞ্চমাংশ? তিনি বললেন, না, এমনকি এভাবে এক দশমাংশ পর্যন্ত বলে চললেন। তখন তিনি বললেন, এক দশমাংশ ওয়াসীয়াত করতে পারো।[1]

باب الْوَصِيَّةِ بِأَقَلَّ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ سُوَيْدٍ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ زِيَادٍ أَنَّ رَجُلًا سَأَلَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَقَالَ إِنَّ وَارِثِي كَلَالَةٌ فَأُوصِي بِالنِّصْفِ قَالَ لَا قَالَ فَالثُّلُثِ قَالَ لَا قَالَ فَالرُّبُعِ قَالَ لَا قَالَ فَالْخُمُسِ قَالَ لَا حَتَّى صَارَ إِلَى الْعُشْرِ فَقَالَ أَوْصِ بِالْعُشْرِ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن اسحق بن سويد عن العلاء بن زياد ان رجلا سال عمر بن الخطاب فقال ان وارثي كلالة فاوصي بالنصف قال لا قال فالثلث قال لا قال فالربع قال لا قال فالخمس قال لا حتى صار الى العشر فقال اوص بالعشر

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৮. এক তৃতীয়াংশের কম ওয়াসীয়াত করা

৩২৩৮. আমির (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তারা (লোকেরা) এক-পঞ্চমাংশ ও এক-চতুর্থাংশ ওয়াসীয়াত করতেন। তাদের নিকট এক-তৃতীয়াংশ ওয়াসীয়াত করা হঠকারিতা।[1]

باب الْوَصِيَّةِ بِأَقَلَّ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ عَامِرٍ قَالَ إِنَّمَا كَانُوا يُوصُونَ بِالْخُمُسِ وَالرُّبُعِ وَكَانَ الثُّلُثُ مُنْتَهَى الْجَامِحِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي بِالْجَامِحِ الْفَرَسَ الْجَمُوحَ

حدثنا يعلى حدثنا اسمعيل عن عامر قال انما كانوا يوصون بالخمس والربع وكان الثلث منتهى الجامح قال ابو محمد يعني بالجامح الفرس الجموح

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ শা‘বী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৮. এক তৃতীয়াংশের কম ওয়াসীয়াত করা

৩২৩৯. হুমাইদ হতে বর্ণিত, বাকর (রহঃ) বলেন, আমি হুমাইদ ইবনু আব্দুর রহমান কে ওয়াসীয়াত করে বললাম: আমি এমন কোনো লোকের ওয়াসীয়াত পাইনি, যার সন্তান আছে, তিনি এক তৃতীয়াংশ সম্পদ ওয়াসীয়াত করেছেন।[1]

باب الْوَصِيَّةِ بِأَقَلَّ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ بَكْرٍ قَالَ أَوْصَيْتُ إِلَى حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ فَقَالَ مَا كُنْتُ لِأَقْبَلَ وَصِيَّةَ رَجُلٍ لَهُ وَلَدٌ يُوصِي بِالثُّلُثِ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن حميد عن بكر قال اوصيت الى حميد بن عبد الرحمن فقال ما كنت لاقبل وصية رجل له ولد يوصي بالثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হুমায়দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৮. এক তৃতীয়াংশের কম ওয়াসীয়াত করা

৩২৪০. মুহাম্মদ ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, শুরাইহ (রহঃ) বলেন, এক তৃতীয়াংশ সম্পদ ওয়াসীয়াত করা কষ্টকর, তবে তা জায়িয (বৈধ)।[1]

باب الْوَصِيَّةِ بِأَقَلَّ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ شُرَيْحٍ قَالَ الثُّلُثُ جَهْدٌ وَهُوَ جَائِزٌ

حدثنا قبيصة اخبرنا سفيان عن هشام عن محمد بن سيرين عن شريح قال الثلث جهد وهو جاىز

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৮. এক তৃতীয়াংশের কম ওয়াসীয়াত করা

৩২৪১. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাদের (লোকদের) নিকট এক তৃতীয়াংশের চেয়ে এক ষষ্ঠাংশ ওয়াসীয়াত করা অধিক প্রিয় ছিল।[1]

باب الْوَصِيَّةِ بِأَقَلَّ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ كَانَ السُّدُسُ أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنْ الثُّلُثِ

حدثنا عبيد الله عن اسراىيل عن منصور عن ابراهيم قال كان السدس احب اليهم من الثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৯. অছী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি)-এর জন্য যা বৈধ এবং যা বৈধ নয়

৩২৪২. মুগীরাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি তার প্রতি যা ওয়াসীয়াত করা হয়েছে, সে ব্যাপারে সে সংরক্ষক-আমানতদার।[1]

باب مَا يَجُوزُ لِلْوَصِيِّ وَمَا لَا يَجُوزُ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْوَصِيُّ أَمِينٌ فِيمَا أُوصِيَ إِلَيْهِ بِهِ

حدثنا ابو الوليد حدثنا شريك عن مغيرة عن ابراهيم قال الوصي امين فيما اوصي اليه به

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ মুগীরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৯. অছী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি)-এর জন্য যা বৈধ এবং যা বৈধ নয়

৩২৪৩. আবী ওয়াহাব থেকে বর্ণিত, মাকহুল বলেন, ওসীয়তপ্রাপ্ত ব্যক্তির সকল কর্ম জায়িয একমাত্র বাড়ী-ঘর ব্যতীত। আর যদি সে কোনো ক্রয়-বিক্রয় সম্পন্ন করে, তবে তার সমালোচনা করা যাবে না।[1] আর এটি ইয়াহইয়া ইবনু হামযাহ’র মত।

باب مَا يَجُوزُ لِلْوَصِيِّ وَمَا لَا يَجُوزُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ ابْنِ وَهْبٍ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ أَمْرُ الْوَصِيِّ جَائِزٌ فِي كُلِّ شَيْءٍ إِلَّا فِي الِابْتِيَاعِ وَإِذَا بَاعَ بَيْعًا لَمْ يُقِلْ وَهُوَ رَأْيُ يَحْيَى بْنِ حَمْزَةَ

حدثنا محمد بن المبارك حدثنا يحيى بن حمزة عن ابن وهب عن مكحول قال امر الوصي جاىز في كل شيء الا في الابتياع واذا باع بيعا لم يقل وهو راي يحيى بن حمزة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৯. অছী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি)-এর জন্য যা বৈধ এবং যা বৈধ নয়

৩২৪৪. আওযাঈ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর (রহঃ) বলেন, দাসমুক্তি ব্যতীত সকল ব্যাপারে অছী (ওয়াসীয়াতকৃত) ব্যক্তি আমানদার। কেননা, তার উপর দায়িত্ব হলো সে (দাসের) অভিভাবক নির্ধারণ করবে।[1]

باب مَا يَجُوزُ لِلْوَصِيِّ وَمَا لَا يَجُوزُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ الْوَصِيُّ أَمِينٌ فِي كُلِّ شَيْءٍ إِلَّا فِي الْعِتْقِ فَإِنَّ عَلَيْهِ أَنْ يُقِيمَ الْوَلَاءَ

حدثنا محمد بن المبارك حدثنا الوليد عن الاوزاعي عن يحيى بن ابي كثير قال الوصي امين في كل شيء الا في العتق فان عليه ان يقيم الولاء

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আওযায়ী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৯. অছী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি)-এর জন্য যা বৈধ এবং যা বৈধ নয়

৩২৪৫. মানসূর (রহঃ) থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, কোনো লোকের প্রতি ওয়াসীয়াত করা হলে ওয়াসীয়াতকৃত ব্যক্তি ইয়াতীমের মাল দিয়ে ব্যবসা করতে পারবে।[1]

باب مَا يَجُوزُ لِلْوَصِيِّ وَمَا لَا يَجُوزُ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي مَالِ الْيَتِيمِ يَعْمَلُ بِهِ الْوَصِيُّ إِذَا أَوْصَى إِلَى الرَّجُلِ

حدثنا عبيد الله عن اسراىيل عن منصور عن ابراهيم في مال اليتيم يعمل به الوصي اذا اوصى الى الرجل

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৯. অছী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি)-এর জন্য যা বৈধ এবং যা বৈধ নয়

৩২৪৬. ইসমাঈল (রহঃ) থেকে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, ইয়াতীমের অসী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তার পক্ষ হতে (মাল) থেকে গ্রহণ করতে পারবে এবং অনুপস্থিত ব্যক্তি তার অগ্রাধিকার দানের ভিত্তিতে অধিকারপ্রাপ্ত হবে।[1]

باب مَا يَجُوزُ لِلْوَصِيِّ وَمَا لَا يَجُوزُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ وَصِيُّ الْيَتِيمِ يَأْخُذُ لَهُ بِالشُّفْعَةِ وَالْغَائِبُ عَلَى شُفْعَتِهِ

حدثنا محمد بن الصلت حدثنا موسى بن محمد عن اسمعيل عن الحسن قال وصي اليتيم ياخذ له بالشفعة والغاىب على شفعته

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৯. অছী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি)-এর জন্য যা বৈধ এবং যা বৈধ নয়

৩২৪৭. ইকরিমাহ- যিনি দামিশক্ বাসী একজন আলিম ছিলেন- তিনি বলেন, আমি উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) এর নিকট ছিলাম। তখন তার নিকট সুলাইমান ইবনু হাবীব ও আবী কিলাবাহ (রহঃ)ও ছিলেন। তখন একটি ছেলে উপস্থিত হয়ে বললো, অমুক অমুক স্থানে আমাদের জায়গা-জমি ছিল। আমাদের অসী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি) আপনাদের নিকট তা বিক্রী করেছে, আর আমরা হলাম ছোট বালক। তখন সুলাইমান ইবনু হাবীব আমার নিকট এসে বললেন, আপনার মতামত কি? তিনি বলেন, তখন তিনি বলতে ইতস্তত: করলেন। তখন তিনি আবী কিলাবার দিকে ফিরে বললেন, আপনার মতামত কি? তখন তিনি বললেন, ছেলেটাকে তার জমি ফিরিয়ে দিতে হবে।সে (ছেলেটি) বললো, তাহলে তো আমাদের সম্পদ ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি বললেন, তুমিই তো তা ধ্বংস করলে।[1]

باب مَا يَجُوزُ لِلْوَصِيِّ وَمَا لَا يَجُوزُ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ شَيْخٍ مِنْ أَهْلِ دِمَشْقَ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَعِنْدَهُ سُلَيْمَانُ بْنُ حَبِيبٍ وَأَبُو قِلَابَةَ إِذْ دَخَلَ غُلَامٌ فَقَالَ أَرْضُنَا بِمَكَانِ كَذَا وَكَذَا بَاعَكُمْ الْوَصِيُّ وَنَحْنُ أَطْفَالٌ فَالْتَفَتَ إِلَى سُلَيْمَانَ بْنِ حَبِيبٍ فَقَالَ مَا تَقُولُ فَأَضْجَعَ فِي الْقَوْلِ فَالْتَفَتَ إِلَى أَبِي قِلَابَةَ فَقَالَ مَا تَقُولُ قَالَ رُدَّ عَلَى الْغُلَامِ أَرْضَهُ قَالَ إِذًا يَهْلِكُ مَالُنَا قَالَ أَنْتَ أَهْلَكْتَهُ

اخبرنا محمد بن المبارك حدثنا يحيى بن حمزة عن عكرمة عن شيخ من اهل دمشق قال كنت عند عمر بن عبد العزيز وعنده سليمان بن حبيب وابو قلابة اذ دخل غلام فقال ارضنا بمكان كذا وكذا باعكم الوصي ونحن اطفال فالتفت الى سليمان بن حبيب فقال ما تقول فاضجع في القول فالتفت الى ابي قلابة فقال ما تقول قال رد على الغلام ارضه قال اذا يهلك مالنا قال انت اهلكته

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ ইকরিমা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১০. যখন কেউ কোনো লোকের জন্য অর্ধেক ও আরেকজনের জন্য এক তৃতীয়াংশ ওয়াসীয়াত করে

৩২৪৮. আশ’আস হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, কোনো ব্যক্তি একজনের জন্য তার সম্পদের অর্ধেক এবং অপর জনের জন্য এক তৃতীয়াংশ ওয়াসীয়াত করে, তবে উভয়ে এক তৃতীয়াংশের মধ্যেই অংশীদার হবে (এক তৃতীয়াংশের অতিরিক্ত সম্পদে অংশীদার হবে না)- অর্ধেক ওয়ালা তা পাবে, এক তৃতীয়াংশ ওয়ালাও তা পাবে।[1]

باب إِذَا أَوْصَى لِرَجُلٍ بِالنِّصْفِ وَلِآخَرَ بِالثُّلُثِ

أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ أَوْصَى لِرَجُلٍ بِنِصْفِ مَالِهِ وَلِآخَرَ بِثُلُثِ مَالِهِ قَالَ يَضْرِبَانِ بِذَلِكَ فِي الثُّلُثِ هَذَا بِالنِّصْفِ وَهَذَا بِالثُّلُثِ

اخبرنا ابراهيم بن موسى عن محمد بن عبد الله عن اشعث عن الحسن في رجل اوصى لرجل بنصف ماله ولاخر بثلث ماله قال يضربان بذلك في الثلث هذا بالنصف وهذا بالثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আশ’আস (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১১. ওয়াসীয়াত থেকে প্রত্যাবর্তন করা (ওয়াসীয়াত ফিরিয়ে নেওয়া)

৩২৪৯. শাইবানী থেকে বর্ণিত, শা’বী (রহঃ) বলেন, ওয়াসীয়াতকারী ব্যক্তি তা (ওয়াসীয়াত) তার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করতে পারে, তবে দাসমুক্তি ব্যতীত।[1]

باب الرُّجُوعِ عَنْ الْوَصِيَّةِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ يُغَيِّرُ صَاحِبُ الْوَصِيَّةِ مِنْهَا مَا شَاءَ غَيْرَ الْعَتَاقَةِ

حدثنا ابو الوليد الطيالسي حدثنا زاىدة عن الشيباني عن الشعبي قال يغير صاحب الوصية منها ما شاء غير العتاقة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১১. ওয়াসীয়াত থেকে প্রত্যাবর্তন করা (ওয়াসীয়াত ফিরিয়ে নেওয়া)

৩২৫০. আব্দুল্লাহ ইবনু আবী রবীয়াহ হতে বর্ণিত, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ওয়াসীয়াতকারী তার ওয়াসীয়াতে ইচ্ছেমত সংযোজন করতে পারে, আর সর্বশেষ ওয়াসীয়াতই হলো ওয়াসীয়াতের মুল।[1]

باب الرُّجُوعِ عَنْ الْوَصِيَّةِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَالَ يُحْدِثُ الرَّجُلُ فِي وَصِيَّتِهِ مَا شَاءَ وَمِلَاكُ الْوَصِيَّةِ آخِرُهَا

حدثنا ابو الوليد الطيالسي حدثنا همام حدثنا قتادة عن عمرو بن شعيب عن عبد الله بن ابي ربيعة ان عمر بن الخطاب قال يحدث الرجل في وصيته ما شاء وملاك الوصية اخرها

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১১. ওয়াসীয়াত থেকে প্রত্যাবর্তন করা (ওয়াসীয়াত ফিরিয়ে নেওয়া)

৩২৫১. আমর ইবনু দীনার (রহঃ) হতে বর্ণিত, তার পিতা তার অসুস্থ অবস্থায় কয়েকটি দাস মুক্ত করলেন। এরপর তার মনে হলো যে, তিনি তাদেরকে ফিরিয়ে নিয়ে অপর কতককে মুক্তি দান করবেন। রাবী বলেন, তখন তারা (গোলামেরা) আব্দুল মালিক ইবনু মারওয়ানের নিকট মোকদ্দমা পেশ করেন। তখন তিনি পরে মুক্তিপ্রাপ্তদের মুক্তিদানকে বহাল রাখলেন এবং প্রথমবার মুক্তিপ্রাপ্তদের মুক্তিদানকে বাতিল করে দিলেন।[1]

باب الرُّجُوعِ عَنْ الْوَصِيَّةِ

حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ قَالَ حَدَّثَنِي قَتَادَةُ قَالَ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ أَنَّ أَبَاهُ أَعْتَقَ رَقِيقًا لَهُ فِي مَرَضِهِ ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يَرُدَّهُمْ وَيُعْتِقَ غَيْرَهُمْ قَالَ فَخَاصَمُونِي إِلَى عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ فَأَجَازَ عِتْقَ الْآخِرِينَ وَأَبْطَلَ عِتْقَ الْأَوَّلِينَ

حدثنا سهل بن حماد حدثنا همام قال حدثني قتادة قال حدثني عمرو بن دينار ان اباه اعتق رقيقا له في مرضه ثم بدا له ان يردهم ويعتق غيرهم قال فخاصموني الى عبد الملك بن مروان فاجاز عتق الاخرين وابطل عتق الاولين

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১১. ওয়াসীয়াত থেকে প্রত্যাবর্তন করা (ওয়াসীয়াত ফিরিয়ে নেওয়া)

৩২৫২. শারীদ ইবনু সুওয়াইদ হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ওয়াসীয়াতকারী তার ওয়াসীয়াতে ইচ্ছেমত সংযোজন করতে পারে, আর সর্বশেষ ওয়াসীয়াতই হলো ওয়াসীয়াতের মুল।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, হাম্মাম আমর হতে শ্রবণ করেননি, আর উভয়ের মাঝে রয়েছে কাতাদাহ।

باب الرُّجُوعِ عَنْ الْوَصِيَّةِ

حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ عَنْ الشَّرِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ قَالَ قَالَ عُمَرُ يُحْدِثُ الرَّجُلُ فِي وَصِيَّتِهِ مَا شَاءَ وَمِلَاكُ الْوَصِيَّةِ آخِرُهَا قَالَ أَبُو مُحَمَّد هَمَّامٌ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ عَمْرٍو وَبَيْنَهُمَا قَتَادَةُ

حدثنا سهل بن حماد حدثنا همام عن عمرو بن شعيب عن عبد الله بن ابي ربيعة عن الشريد بن سويد قال قال عمر يحدث الرجل في وصيته ما شاء وملاك الوصية اخرها قال ابو محمد همام لم يسمع من عمرو وبينهما قتادة

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১১. ওয়াসীয়াত থেকে প্রত্যাবর্তন করা (ওয়াসীয়াত ফিরিয়ে নেওয়া)

৩২৫৩. মা’মার (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো লোক তার সম্পদ হতে একবার ওসীয়াত করলো। এরপর সে পুনরায় ওয়াসীয়াত করলো।– সম্পর্কে যুহুরী (রহঃ) বলেন, তার সম্পদ হতে এ উভয় ওয়াসীয়াতই জায়িয (বৈধ)।[1]

باب الرُّجُوعِ عَنْ الْوَصِيَّةِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ فِي الرَّجُلِ يُوصِي بِوَصِيَّةٍ ثُمَّ يُوصِي بِأُخْرَى قَالَ هُمَا جَائِزَتَانِ فِي مَالِهِ

حدثنا سعيد بن المغيرة قال ابن المبارك حدثنا عن معمر عن الزهري في الرجل يوصي بوصية ثم يوصي باخرى قال هما جاىزتان في ماله

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মা’মার (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১১. ওয়াসীয়াত থেকে প্রত্যাবর্তন করা (ওয়াসীয়াত ফিরিয়ে নেওয়া)

৩২৫৪. কাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, সর্বশেষ ওয়াসীয়াতই হলো ওয়াসীয়াতের মুল।[1]

باب الرُّجُوعِ عَنْ الْوَصِيَّةِ

حَدَّثَنَا سَعِيدٌ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ مِلَاكُ الْوَصِيَّةِ آخِرُهَا

حدثنا سعيد عن ابن المبارك عن معمر عن قتادة قال قال عمر بن الخطاب ملاك الوصية اخرها

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ কাতাদাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১২. অভিযুক্ত ওয়াসী (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তি) সম্পর্কে

৩২৫৫. আওযাঈ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ওয়াসী’ বা ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কাযী বা বিচারক অভিযুক্ত করে, সে তাকে প্রত্যাহার করে নেবে না। তবে সে তার সাথে অন্য কাউকে এর দায়িত্বে নিয়োজিত করবে। আর এটি আওযাঈ’র মত।[1]

باب فِي الْوَصِيِّ الْمُتَّهَمِ

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ عَنْ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى قَالَ إِذَا اتَّهَمَ الْقَاضِي الْوَصِيَّ لَمْ يَعْزِلْهُ وَلَكِنْ يُوَكِّلُ مَعَهُ غَيْرَهُ وَهُوَ رَأْيُ الْأَوْزَاعِيِّ

اخبرنا محمد بن المبارك حدثنا الوليد عن الاوزاعي عن يحيى قال اذا اتهم القاضي الوصي لم يعزله ولكن يوكل معه غيره وهو راي الاوزاعي

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আওযায়ী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. অসুস্থ ব্যক্তির ওয়াসীয়াত

৩২৫৬. শাইবানী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আমির (রহঃ) বলেন, অসুস্থ ব্যক্তির ক্রয়-বিক্রয় ও বিবাহ জায়িয (বৈধ), তবে তা এক-তৃতীয়াংশ থেকে (অধিক) হতে পারবে না।[1]

باب وَصِيَّةِ الْمَرِيضِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ عَامِرٍ قَالَ يَجُوزُ بَيْعُ الْمَرِيضِ وَشِرَاؤُهُ وَنِكَاحُهُ وَلَا يَكُونُ مِنْ الثُّلُثِ

حدثنا ابو الوليد حدثنا شريك عن الشيباني عن عامر قال يجوز بيع المريض وشراوه ونكاحه ولا يكون من الثلث

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. অসুস্থ ব্যক্তির ওয়াসীয়াত

৩২৫৭. মুতাররিফ হতে বর্ণিত, হারিস আল উকলী বলেন, অসুস্থ ব্যক্তির অসুস্থতার সময় ক্রয় বা বিক্রয়ের যে সুবিধা দেওয়া যাবে, তা তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদের সমমূল্যের হতে হবে।[1]

باب وَصِيَّةِ الْمَرِيضِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الْحَارِثِ الْعُكْلِيِّ قَالَ مَا حَابَى بِهِ الْمَرِيضُ فِي مَرَضِهِ مِنْ بَيْعٍ أَوْ شِرَاءٍ فَهُوَ فِي ثُلُثِهِ قِيمَةُ عَدْلٍ

حدثنا ابو الوليد حدثنا ابو عوانة عن مطرف عن الحارث العكلي قال ما حابى به المريض في مرضه من بيع او شراء فهو في ثلثه قيمة عدل

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. অসুস্থ ব্যক্তির ওয়াসীয়াত

৩২৫৮. হাম্মাদ ইবনু যাইদ হতে বর্ণিত, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাদের পরিবারের কোনো এক মহিলা গর্ভবতী অবস্থায় (সম্পদ) দান (করার ঘোষণা) করলো। কাসিম কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তার সমুদয় মালই দান করতে হবে। কিন্তু ইয়াহইয়া বলেন, আমাদের মত হলো: যখন তার প্রসব বেদনা উঠবে, তখন তার এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে সে দান করবে।[1]

باب وَصِيَّةِ الْمَرِيضِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يَحْيَى هُوَ ابْنُ سَعِيدٍ قَالَ أَعْطَتْ امْرَأَةٌ مِنْ أَهْلِنَا وَهِيَ حَامِلٌ فَسُئِلَ الْقَاسِمُ فَقَالَ هُوَ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ قَالَ يَحْيَى وَنَحْنُ نَقُولُ إِذَا ضَرَبَهَا الْمَخَاضُ فَمَا أَعْطَتْ فَمِنْ الثُّلُثِ

حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن يحيى هو ابن سعيد قال اعطت امراة من اهلنا وهي حامل فسىل القاسم فقال هو من جميع المال قال يحيى ونحن نقول اذا ضربها المخاض فما اعطت فمن الثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৩. অসুস্থ ব্যক্তির ওয়াসীয়াত

৩২৫৯. আমর হতে বর্ণিত, কোন ব্যক্তি তার দাসকে বললো, আমি যদি অমুকের ঘরে প্রবেশ করি, তবে আমার দাস মুক্তি লাভ করবে। এরপর সেই লোকের অসুস্থ অবস্থায় সে তার নিকট প্রবেশ করল- এ ব্যক্তি সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, সে লোক তাকে এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে মুক্তিদান করবে। আর যদি সে তার সুস্থ অবস্থায় তার নিকট যায়, তবে তার পুরো সম্পদ দান করে হলেও গোলামকে মুক্তি দান করতে হবে।[1]

باب وَصِيَّةِ الْمَرِيضِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ قَالَ لِغُلَامِهِ إِنْ دَخَلْتُ دَارَ فُلَانٍ فَغُلَامِي حُرٌّ ثُمَّ دَخَلَهَا وَهُوَ مَرِيضٌ قَالَ يُعْتَقُ مِنْ الثُّلُثِ وَإِنْ دَخَلَ فِي صِحَّتِهِ عُتِقَ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ

حدثنا احمد بن عبد الله حدثنا ابو شهاب عن عمرو عن الحسن في رجل قال لغلامه ان دخلت دار فلان فغلامي حر ثم دخلها وهو مريض قال يعتق من الثلث وان دخل في صحته عتق من جميع المال

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৪. যিনি ওয়ারীসকে এক তৃতীয়াংশ সম্পদ ফিরিয়ে দেন

৩২৬০. নু’মান ইবনুল মুনযির হতে বর্ণিত, মাকহুল (রহঃ) বলেন, যদি ওয়ারিসগণ অভাবী-দরিদ্র হয়, তবে (ওয়াসীয়াতের) এক তৃতীয়াংশ সম্পদ পুনরায় তাদের মাঝে বন্টন করে দেওয়াতে আমি কোনো দোষ আছে বলে মনে করি না।ইয়াহইয়া বলেন, আমি এটি আওযাঈ (রহঃ) এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বিস্মিত হন।[1]

باب فِيمَنْ رَدَّ عَلَى الْوَرَثَةِ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ حَدَّثَنَا النُّعْمَانُ بْنُ الْمُنْذِرِ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ إِذَا كَانَ الْوَرَثَةُ مَحَاوِيجَ فَلَا أَرَى بَأْسًا أَنْ يُرَدَّ عَلَيْهِمْ مِنْ الثُّلُثِ قَالَ يَحْيَى فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِلْأَوْزَاعِيِّ فَأَعْجَبَهُ

حدثنا مروان بن محمد حدثنا يحيى بن حمزة حدثنا النعمان بن المنذر عن مكحول قال اذا كان الورثة محاويج فلا ارى باسا ان يرد عليهم من الثلث قال يحيى فذكرت ذلك للاوزاعي فاعجبه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৫. ওয়ারীসদের মধ্যে দু’জন উপস্থিত থাকলে

৩২৬১. ইউনূসের সূত্রে হাসান (রহঃ) হতে[1] এবং মুগীরাহ’র সূত্রে ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেছেন: ওয়ারীসদের মধ্য থেকে দু’জন সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকলে তাদের সকলের পক্ষে তারা দু’জনই যথেষ্ট হবে।[2]আর যখন একজন উপস্থিত থাকবে, তখন তা (কার্যকর) হবে তার (উপস্থিত ওয়ারীসের) ভাগে তার অংশ দ্বারা।[3]

باب إِذَا شَهِدَ اثْنَانِ فِي الْوَرَثَةِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ ح وَأَخْبَرَنَا مُغِيرَةُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَا إِذَا شَهِدَ شَاهِدَانِ مِنْ الْوَرَثَةِ جَازَ عَلَى جَمِيعِهِمْ وَإِذَا شَهِدَ وَاحِدٌ فَفِي نَصِيبِهِ بِحِصَّتِهِ

حدثنا ابو النعمان حدثنا هشيم حدثنا يونس عن الحسن ح واخبرنا مغيرة عن ابراهيم قالا اذا شهد شاهدان من الورثة جاز على جميعهم واذا شهد واحد ففي نصيبه بحصته

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৫. ওয়ারীসদের মধ্যে দু’জন উপস্থিত থাকলে

৩২৬২. মুতাররিফ হতে বর্ণিত, তিনি শা’বী (রহঃ) কে বলতে শুনেছেন, তা হবে তার (উপস্থিত ওয়ারীসের) ভাগ থেকে তার অংশ দ্বারা। অত:পর তিনি বললেন: এরপর তার পুরো অংশে কার্যকর হবে।[1]

باب إِذَا شَهِدَ اثْنَانِ فِي الْوَرَثَةِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا مُطَرِّفٌ أَنَّهُ سَمِعَ الشَّعْبِيَّ يَقُولُ إِذَا شَهِدَ رَجُلٌ مِنْ الْوَرَثَةِ فَفِي نَصِيبِهِ بِحِصَّتِهِ ثُمَّ قَالَ بَعْدَ ذَلِكَ فِي جَمِيعِ حِصَّتِهِ

حدثنا ابو النعمان حدثنا هشيم حدثنا مطرف انه سمع الشعبي يقول اذا شهد رجل من الورثة ففي نصيبه بحصته ثم قال بعد ذلك في جميع حصته

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুতাররিফ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৬. নগদে ও পাওনা সম্পদে ওয়াসীয়াত কার্যকর হবে না

৩২৬৩. আ’মাশ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যদি কোনো লোক এক তৃতীয়াংশ ও এক চতুর্থাংশ ওয়াসীয়াত করে তবে তা নগদ ও পাওনা সম্পদ হতে (পরিশোধ করা) হবে, আর যদি সে পঞ্চাশ অথবা ষাট হতে একশ (দীনার) হবে, তবে তা নগদ সম্পদ দ্বারা (পরিশোধিত) হবে, যতক্ষণ তা এক তৃতীয়াংশ পরিমাণ না হয়।[1]

باب مَا يَكُونُ مِنْ الْوَصِيَّةِ فِي الْعَيْنِ وَالدَّيْنِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ نَافِعٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ فَفِي الْعَيْنِ وَالدَّيْنِ وَإِذَا أَوْصَى بِخَمْسِينَ أَوْ سِتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ فَفِي الْعَيْنِ حَتَّى يَبْلُغَ الثُّلُثَ

حدثنا ابو الوليد الطيالسي حدثنا ابو شهاب عبد ربه بن نافع عن الاعمش عن ابراهيم قال اذا اوصى الرجل بالثلث والربع ففي العين والدين واذا اوصى بخمسين او ستين الى الماىة ففي العين حتى يبلغ الثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আ‘মাশ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৭. যিনি ওয়াসীয়াত করা পছন্দ করেন এবং যিনি অপছন্দ করেন

৩২৬৪. ইয়াযীদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু কুসাইত (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কোনো লোক তার সম্পদের এক তৃতীয়াংশের ব্যাপারে অধিকারসম্পন্ন যে, তা সে যে সম্পদ হতে ইচ্ছা দান করতে পারবে।”[1]

باب مَنْ أَحَبَّ الْوَصِيَّةَ وَمَنْ كَرِهَ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قُسَيْطٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَرْءُ أَحَقُّ بِثُلُثِ مَالِهِ يَضَعُهُ فِي أَيِّ مَالِهِ شَاءَ

اخبرنا مروان بن محمد حدثنا سليمان بن بلال حدثنا جعفر بن محمد عن يزيد بن عبد الله بن قسيط قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم المرء احق بثلث ماله يضعه في اي ماله شاء

হাদিসের মানঃ মুরসাল
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৭. যিনি ওয়াসীয়াত করা পছন্দ করেন এবং যিনি অপছন্দ করেন

৩২৬৫. আবু হাবীবাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি কিছু দিরহাম (আলাদা করে) আল্লাহর রাস্তায় দেওয়ার ওয়াসিয়াত করলো। এ ব্যাপারে আবূদ্দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞাসা করা হলে, তখন আবূ দারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি মৃত্যুকালে সাদাকা করে অথবা, দাসমুক্ত করে তার উপমা ঐ ব্যক্তির মতো যে তৃপ্ত হওয়ার পর হাদিয়া দিয়ে থাকে।”[1]

باب مَنْ أَحَبَّ الْوَصِيَّةَ وَمَنْ كَرِهَ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ عَنْ أَبِي حَبِيبَةَ قَالَ سَأَلْتُ أَبَا الدَّرْدَاءِ عَنْ رَجُلٍ جَعَلَ دَرَاهِمَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَقَالَ أَبُو الدَّرْدَاءِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَثَلُ الَّذِي يَتَصَدَّقُ عِنْدَ مَوْتِهِ أَوْ يُعْتِقُ كَالَّذِي يُهْدِي بَعْدَ مَا شَبِعَ

حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث حدثنا شعبة حدثنا ابو اسحق عن ابي حبيبة قال سالت ابا الدرداء عن رجل جعل دراهم في سبيل الله فقال ابو الدرداء قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل الذي يتصدق عند موته او يعتق كالذي يهدي بعد ما شبع

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৮. ওয়াসীয়াত করার পুর্বে যা করা হবে

৩২৬৬. ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি কয়েকটি বিষয়ে ওয়াসীয়াত করলো, যার মধ্যে দাসমুক্তিও ছিল। ফলে তা এক তৃতীয়াংশ অতিক্রম করে গেল। এ সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, দাসমুক্তি দিয়েই শুরু করতে হবে।[1]

باب مَا يُبْدَأُ بِهِ مِنْ الْوَصَايَا

حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يُوصِي بِأَشْيَاءَ وَفِيهَا الْعِتْقُ فَيُجَاوِزُ الثُّلُثَ قَالَ يُبْدَأُ بِالْعِتْقِ

حدثنا المعلى بن اسد حدثنا وهيب عن يونس عن الحسن في الرجل يوصي باشياء وفيها العتق فيجاوز الثلث قال يبدا بالعتق

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৮. ওয়াসীয়াত করার পুর্বে যা করা হবে

৩২৬৭. মুহাম্মদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (প্রাপ্য) অংশসমূহ দ্বারা (শুরু করতে হবে)।[1]

باب مَا يُبْدَأُ بِهِ مِنْ الْوَصَايَا

حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ قَالَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ بِالْحِصَصِ

حدثنا المعلى بن اسد قال حدثنا وهيب عن ايوب عن محمد قال بالحصص

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৮. ওয়াসীয়াত করার পুর্বে যা করা হবে

৩২৬৮. আসওয়াদ হতে বর্ণিত, আতা (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ওয়াসীয়াত করলো অথবা, দাসমুক্ত করলো, আর তার ওয়াসীয়াতের মধ্যে জুলুম বা কষ্ট ছিল, সেই জুলুম বা কষ্ট মুক্তিপ্রদানকারী ব্যক্তি ও ওয়াসীয়াতকারী ব্যক্তির সাথে যাবে।তিনি বলেন, আতা বলেছেন, মদীনাবাসীরা আমাদের উপর প্রাধান্য বিস্তার করেছেন, তারা প্রথমে দাসমুক্তির কথা বলেছেন।[1]

باب مَا يُبْدَأُ بِهِ مِنْ الْوَصَايَا

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ حَدَّثَنَا الْمُعَافَى عَنْ عُثْمَانَ بْنِ الْأَسْوَدِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ مَنْ أَوْصَى أَوْ أَعْتَقَ فَكَانَ فِي وَصِيَّتِهِ عَوْلٌ دَخَلَ الْعَوْلُ عَلَى أَهْلِ الْعَتَاقَةِ وَأَهْلِ الْوَصِيَّةِ قَالَ وَقَالَ عَطَاءٌ إِنَّ أَهْلَ الْمَدِينَةِ غَلَبُونَا يَبْدَءُونَ بِالْعَتَاقَةِ قَبْلُ

حدثنا الحسن بن بشر حدثنا المعافى عن عثمان بن الاسود عن عطاء قال من اوصى او اعتق فكان في وصيته عول دخل العول على اهل العتاقة واهل الوصية قال وقال عطاء ان اهل المدينة غلبونا يبدءون بالعتاقة قبل

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৮. ওয়াসীয়াত করার পুর্বে যা করা হবে

৩২৬৯. হাম্মাদ ইবনু যাইদ হতে বর্ণিত, কোনো ব্যক্তি দাসমুক্তি ও অন্যান্য বিষয়ে ওয়াসীয়াত করেন, আর তা এক তৃতীয়াংশের চেয়ে অধিক হয়ে যায়, আমর ইবনু দীনার বলেন, প্রাপ্য অংশসমূহ (আগে দিতে হবে)।[1]

باب مَا يُبْدَأُ بِهِ مِنْ الْوَصَايَا

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ قَالَ قَالَ عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ فِي الَّذِي يُوصِي بِعِتْقٍ وَغَيْرِهِ فَيَزِيدُ عَلَى الثُّلُثِ قَالَ بِالْحِصَصِ

حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد قال قال عمرو بن دينار في الذي يوصي بعتق وغيره فيزيد على الثلث قال بالحصص

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৮. ওয়াসীয়াত করার পুর্বে যা করা হবে

৩২৭০. কাছীর ইবনু শিনজীর (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি (কয়েকটি বিষয়ে) ওয়াসীয়াত করলো, যার মধ্যে দাসমুক্তিও ছিল। আর তা এক তৃতীয়াংশ অতিক্রম করে গেল। এ সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, দাসমুক্তি দিয়েই শুরু করতে হবে।[1]

باب مَا يُبْدَأُ بِهِ مِنْ الْوَصَايَا

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ كَثِيرِ بْنِ شِنْظِيرٍ عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ أَوْصَى بِأَكْثَرَ مِنْ الثُّلُثِ وَفِيهِ عِتْقٌ قَالَ يُبْدَأُ بِالْعِتْقِ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن كثير بن شنظير عن الحسن في رجل اوصى باكثر من الثلث وفيه عتق قال يبدا بالعتق

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৮. ওয়াসীয়াত করার পুর্বে যা করা হবে

৩২৭১. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ওয়াসীয়াতের পূর্বে দাসমুক্ত করতে হবে।[1]

باب مَا يُبْدَأُ بِهِ مِنْ الْوَصَايَا

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ يُبْدَأُ بِالْعَتَاقَةِ قَبْلَ الْوَصِيَّةِ

حدثنا عبيد الله عن اسراىيل عن منصور عن ابراهيم قال يبدا بالعتاقة قبل الوصية

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৯. যে ব্যক্তি তার মালের এক অংশ অমুক গোত্রের জন্য ওয়াসীয়াত করলো, তার সম্পর্কে

৩২৭২. ইউনুস (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি অমুক গোত্রের জন্য ওয়াসীয়াত করলো, এ সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, তাদের মধ্যকার সম্পদশালী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ সকলেই (এ ওয়াসীয়াতে) সমান অংশীদার হবে।[1]

باب فِي الَّذِي يُوصِي لِبَنِي فُلَانٍ وَيُسْهِمُ مِنْ مَالِهِ

أَخْبَرَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ قَالَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يُوصِي لِبَنِي فُلَانٍ قَالَ غَنِيُّهُمْ وَفَقِيرُهُمْ وَذَكَرُهُمْ وَأُنْثَاهُمْ سَوَاءٌ

اخبرنا المعلى بن اسد قال حدثنا وهيب عن يونس عن الحسن في الرجل يوصي لبني فلان قال غنيهم وفقيرهم وذكرهم وانثاهم سواء

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৯. যে ব্যক্তি তার মালের এক অংশ অমুক গোত্রের জন্য ওয়াসীয়াত করলো, তার সম্পর্কে

৩২৭৩. আমর (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি অমুক গোত্রের জন্য ওয়াসীয়াত করলো, এ সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, তাদের মধ্যকার নারী-পুরুষ সকলেই এতে (এ ওয়াসীয়াতে) সমান অংশীদার হবে।[1]

باب فِي الَّذِي يُوصِي لِبَنِي فُلَانٍ وَيُسْهِمُ مِنْ مَالِهِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى لِبَنِي فُلَانٍ فَالذَّكَرُ وَالْأُنْثَى فِيهِ سَوَاءٌ

حدثنا احمد بن عبد الله حدثنا ابو شهاب عن عمرو عن الحسن قال اذا اوصى لبني فلان فالذكر والانثى فيه سواء

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ১৯. যে ব্যক্তি তার মালের এক অংশ অমুক গোত্রের জন্য ওয়াসীয়াত করলো, তার সম্পর্কে

৩২৭৪. ইয়াসার ইবনু আবী কারব হতে বর্ণিত, শুরাইহ’র নিকট একজন আগন্তুক এসে জিজ্ঞাসা করলো যে, এক ব্যক্তি তার মালের এক অংশ ওয়াসীয়াত করলো। তখন তিনি বলেন, তুমি একে তার সম্পত্তির নির্দিষ্ট অংশ ধরে নাও, এরপর তা সম্পদের দুই ভাগে না পৌঁছলে, যার জন্য ওয়াসীয়াত করা হয়েছে তাকে দু’-ভাগের একজন ধরে তাকে এক অংশ দিতে হবে।[1]

باب فِي الَّذِي يُوصِي لِبَنِي فُلَانٍ وَيُسْهِمُ مِنْ مَالِهِ

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زَائِدَةُ بْنُ مُوسَى الْهَمْدَانِيُّ حَدَّثَنِي سَيَّارُ بْنُ أَبِي كَرِبٍ أَنَّ آتِيًا أَتَى شُرَيْحًا فَسَأَلَهُ عَنْ رَجُلٍ أَوْصَى بِسَهْمٍ مِنْ مَالِهِ قَالَ تُحْسَبُ الْفَرِيضَةُ فَمَا بَلَغَ سِهَامَهَا أُعْطِيَ الْمُوصَى لَهُ سَهْمًا كَأَحَدِهَا

حدثنا ابو نعيم حدثنا زاىدة بن موسى الهمداني حدثني سيار بن ابي كرب ان اتيا اتى شريحا فساله عن رجل اوصى بسهم من ماله قال تحسب الفريضة فما بلغ سهامها اعطي الموصى له سهما كاحدها

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২০. যদি কোনো লোক তার কোনো ওয়ারিস কে দান করে

৩২৭৫. মাকহুল (রহঃ) হতে বর্ণিত, যদি কোনো লোক সুস্থ অবস্থায় তার কোনো ওয়ারিসকে তার সম্পদের অর্ধেকের বেশি দান করে, তবে তা এক তৃতীয়াংশে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। আর যদি অর্ধেক দান করে, তবে তা তার জন্য জায়িয হবে। সাঈদ বলেন, দিমাশক বাসীদের বিচারকগণ এ অনুযায়ী ফায়সালা করতেন।[1]

باب إِذَا تَصَدَّقَ الرَّجُلُ عَلَى بَعْضِ وَرَثَتِهِ

أَخْبَرَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ إِذَا تَصَدَّقَ الرَّجُلُ عَلَى بَعْضِ وَرَثَتِهِ وَهُوَ صَحِيحٌ بِأَكْثَرَ مِنْ النِّصْفِ رُدَّ إِلَى الثُّلُثِ وَإِذَا أَعْطَى النِّصْفَ جَازَ لَهُ ذَلِكَ قَالَ سَعِيدٌ وَكَانَ قُضَاةُ أَهْلِ دِمَشْقَ يَقْضُونَ بِذَلِكَ

اخبرنا مروان بن محمد حدثنا سعيد عن مكحول قال اذا تصدق الرجل على بعض ورثته وهو صحيح باكثر من النصف رد الى الثلث واذا اعطى النصف جاز له ذلك قال سعيد وكان قضاة اهل دمشق يقضون بذلك

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মাকহূল (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২১. যিনি বলেন, তার পুরো সম্পদ থেকে হলেও তার কাফন দিতে হবে

৩২৭৬. হাকাম (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, তার (মৃত ব্যক্তির) পুরো সম্পদ থেকে হলেও তার কাফন (আগে) দিতে হবে।[1]

باب مَنْ قَالَ الْكَفَنُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا حَفْصٌ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْكَفَنُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ

حدثنا عبد الله بن محمد بن ابي شيبة حدثنا حفص عن اسمعيل بن ابي خالد عن الحكم عن ابراهيم قال الكفن من جميع المال

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২১. যিনি বলেন, তার পুরো সম্পদ থেকে হলেও তার কাফন দিতে হবে

৩২৭৭. আশ’আস হতে বর্ণিত, এক লোক দু’হাজার দিরহাম মুল্যের সম্পদ ও সমপরিমাণ কিংবা তারচেয়ে অধিক ঋণ রেখে মৃত্যুবরণ করলো। হাসান (রহঃ) বলেন, তার এ সম্পদ দিয়ে কাফন দেওয়া হবে, (এ থেকে) কোনো ঋণ পরিশোদ করা হবে না।[1]

باب مَنْ قَالَ الْكَفَنُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى عَنْ مُعَاذٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ مَاتَ وَتَرَكَ قِيمَةَ أَلْفَيْ دِرْهَمٍ وَعَلَيْهِ مِثْلُهَا أَوْ أَكْثَرُ قَالَ يُكَفَّنُ مِنْهَا وَلَا يُعْطَى دَيْنُهُ

حدثنا ابراهيم بن موسى عن معاذ عن اشعث عن الحسن في رجل مات وترك قيمة الفي درهم وعليه مثلها او اكثر قال يكفن منها ولا يعطى دينه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আশ’আস (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২১. যিনি বলেন, তার পুরো সম্পদ থেকে হলেও তার কাফন দিতে হবে

৩২৭৮. সুফিয়ান কোনো এক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন, যিনি ইবরাহীম (রহঃ)কে বলতে শুনেছেন, প্রথমে কাফন-দাফন দিতে হবে, এরপর ঋণ পরিশোধ করতে হবে, এরপর ওয়াসীয়াত পূরণ করতে হবে।[1]

باب مَنْ قَالَ الْكَفَنُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَمَّنْ سَمِعَ إِبْرَاهِيمَ قَالَ يُبْدَأُ بِالْكَفَنِ ثُمَّ الدَّيْنِ ثُمَّ الْوَصِيَّةِ

حدثنا قبيصة حدثنا سفيان عمن سمع ابراهيم قال يبدا بالكفن ثم الدين ثم الوصية

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সুফিয়ান (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২১. যিনি বলেন, তার পুরো সম্পদ থেকে হলেও তার কাফন দিতে হবে

৩২৭৯. ফিরাস হতে বর্ণিত, শা’বী (রহঃ) বলেন, কোনো মহিলা মৃত্যুবরণ করলে তার সমস্ত সম্পদ হতে কাফন-দাফন দেওয়া হবে; তার স্বামীর উপর এ ব্যাপারে কোনো দায়-দায়িত্ব নেই।[1]

باب مَنْ قَالَ الْكَفَنُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي الْمَرْأَةِ تَمُوتُ قَالَ تُكَفَّنُ مِنْ مَالِهَا لَيْسَ عَلَى الزَّوْجِ شَيْءٌ

حدثنا قبيصة اخبرنا سفيان عن فراس عن الشعبي في المراة تموت قال تكفن من مالها ليس على الزوج شيء

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২১. যিনি বলেন, তার পুরো সম্পদ থেকে হলেও তার কাফন দিতে হবে

৩২৮০. ইবনু জুরাইজ হতে বর্ণিত, আতা (রহঃ) বলেন, মৃতদেহে সুগন্ধি ও তার দাফন-কাফন প্রধান প্রধান সম্পদ থেকে দেওয়া হবে।[1]

باب مَنْ قَالَ الْكَفَنُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ الْحَنُوطُ وَالْكَفَنُ مِنْ رَأْسِ الْمَالِ

حدثنا سعيد بن المغيرة عن ابن المبارك عن ابن جريج عن عطاء قال الحنوط والكفن من راس المال

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু জুরায়জ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২১. যিনি বলেন, তার পুরো সম্পদ থেকে হলেও তার কাফন দিতে হবে

৩২৮১. ইসমাঈল হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, তার দাফন-কাফন মুল সম্পদ থেকে দেওয়া হবে, আর সে তার জীবিত অবস্থায় যে মানের কাপড় পড়তো, সেই মানের কাপড় দিয়ে দিতে হবে। এরপর ঋণ পরিশোধ এরপর এক তৃতীয়াংশ (ওয়াসীয়াত)।[1]

باب مَنْ قَالَ الْكَفَنُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ الْكَفَنُ مِنْ وَسَطِ الْمَالِ يُكَفَّنُ عَلَى قَدْرِ مَا كَانَ يَلْبَسُ فِي حَيَاتِهِ ثُمَّ يُخْرَجُ الدَّيْنُ ثُمَّ الثُّلُثُ

حدثنا محمد بن عيينة عن علي بن مسهر عن اسمعيل عن الحسن قال الكفن من وسط المال يكفن على قدر ما كان يلبس في حياته ثم يخرج الدين ثم الثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২২. যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে

৩২৮২. মানসূর হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলতেন, যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে, তবে সে যেন তার ওয়াসীয়াত কবুল করে। যদি সে উপস্থিত থাকতো, তবে সে তার ইচ্ছামত কবুল করা বা না করার স্বাধীনতা লাভ করতো।[1]

باب إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ فَلْيَقْبَلْ وَصِيَّتَهُ وَإِنْ كَانَ حَاضِرًا فَهُوَ بِالْخِيَارِ إِنْ شَاءَ قَبِلَ وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ

حدثنا ابو النعمان حدثنا هشيم اخبرنا منصور عن الحسن انه كان يقول اذا اوصى الرجل الى الرجل وهو غاىب فليقبل وصيته وان كان حاضرا فهو بالخيار ان شاء قبل وان شاء ترك

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২২. যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে

৩২৮৩. আইয়্যুব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হাসান ও মুহাম্মদ (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, যে কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করলো। তখন তারা উভয়ে বললেন: তাকে তা কবুল করা বা না করার স্বাধীনতা দেওয়া হবে।[1]

باب إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ

حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوبَ قَالَ سَأَلْتُ الْحَسَنَ وَمُحَمَّدًا عَنْ الرَّجُلِ يُوصِي إِلَى الرَّجُلِ قَالَا نَخْتَارُ أَنْ يَقْبَلَ

حدثنا صالح بن عبد الله حدثنا حماد بن زيد عن ايوب قال سالت الحسن ومحمدا عن الرجل يوصي الى الرجل قالا نختار ان يقبل

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২২. যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে

৩২৮৪. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে, এরপর সে উপস্থিত হলে, তবে সে ইচ্ছে হলে কবুল করবে। আর যখন সে কবুল করবে, তখন আর তাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে না।[1]

باب إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَسْعَدَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ فَإِذَا قَدِمَ فَإِنْ شَاءَ قَبِلَ فَإِذَا قَبِلَ لَمْ يَكُنْ لَهُ أَنْ يَرُدَّ

حدثنا محمد بن اسعد حدثنا ابو بكر عن هشام عن الحسن قال اذا اوصى الرجل الى الرجل وهو غاىب فاذا قدم فان شاء قبل فاذا قبل لم يكن له ان يرد

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২২. যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে

৩২৮৫. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করে, এরপর (সে উপস্থিত হলে) যখন তার নিকট (মৃত্যব্যক্তির) ওয়াসীয়াত পেশ করা হয়, আর সে কবুল করে, তবে সে আর তা ফিরিয়ে দিতে পারবে না।[1]

باب إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ وَهُوَ غَائِبٌ

حَدَّثَنَا الْوَضَّاحُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ إِلَى الرَّجُلِ فَعُرِضَتْ عَلَيْهِ الْوَصِيَّةُ وَكَانَ غَائِبًا فَقَبِلَ لَمْ يَكُنْ لَهُ أَنْ يَرْجِعَ

حدثنا الوضاح بن يحيى حدثنا ابو بكر عن هشام عن الحسن قال اذا اوصى الرجل الى الرجل فعرضت عليه الوصية وكان غاىبا فقبل لم يكن له ان يرجع

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৩. মৃতব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করা

৩২৮৬. আবী মা’শার হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি (অজানা) কারো জন্য ওয়াসীয়াত করে, যে অনুপস্থিত, সে যেন মৃতব্যক্তির মত অজ্ঞাত পরিচয়। ফলে তা ফিরিয়ে নেওয়া হবে।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْمَيِّتِ

حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ لِإِنْسَانٍ وَهُوَ غَائِبٌ وَكَانَ مَيِّتًا وَهُوَ لَا يَدْرِي فَهِيَ رَاجِعَةٌ

حدثنا جعفر بن عون عن سعيد عن ابي معشر عن ابراهيم قال اذا اوصى الرجل لانسان وهو غاىب وكان ميتا وهو لا يدري فهي راجعة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৪. দাসের জন্য ওয়াসীয়াত

৩২৮৭. ইউনূস হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যখন কোনো লোক তার দাসের জন্য তার সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ-এক চতুর্থাংশ-এক পঞ্চমাংশ ওয়াসীয়াত করে, তবে তা তার সম্পদ, যা তাকে মুক্তদাসের অন্তর্ভূক্ত করবে।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْعَبْدِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى لِعَبْدِهِ ثُلُثَ مَالِهِ رُبُعَ مَالِهِ خُمُسَ مَالِهِ فَهُوَ مِنْ مَالِهِ دَخَلَتْهُ عَتَاقَةٌ

حدثنا محمد بن عيسى حدثنا يزيد بن زريع حدثنا يونس عن الحسن قال اذا اوصى لعبده ثلث ماله ربع ماله خمس ماله فهو من ماله دخلته عتاقة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৫. যে ব্যক্তি তার মৃত্যুকালীন সময়ে তার সম্পদকে আলাদা করা অপছন্দ করেন

৩২৮৮. কায়িস হতে বর্ণিত, বলা হতো যে, নিশ্চয় কোনো কোনো লোক তার জীবদ্দশায় তার মালকে (দান সদকা করা হতে বিরত থেকে) বরকত হতে বঞ্চিত করে, এরপর যখন মৃত্যু এসে যায়, তখন তার অক্ষমতার সময় তা দান করে।[1]

باب مَنْ كَرِهَ أَنْ يُفَرِّقَ مَالَهُ عِنْدَ الْمَوْتِ

حَدَّثَنَا يَعْلَى عَنْ إِسْمَعِيلَ عَنْ قَيْسٍ قَالَ كَانَ يُقَالُ إِنَّ الرَّجُلَ لَيُحْرَمُ بَرَكَةَ مَالِهِ فِي حَيَاتِهِ فَإِذَا كَانَ عِنْدَ الْمَوْتِ تَزَوَّدَ بِفَجْرَةٍ

حدثنا يعلى عن اسمعيل عن قيس قال كان يقال ان الرجل ليحرم بركة ماله في حياته فاذا كان عند الموت تزود بفجرة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৫. যে ব্যক্তি তার মৃত্যুকালীন সময়ে তার সম্পদকে আলাদা করা অপছন্দ করেন

৩২৮৯. ইবরহীম আত তাইমী তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দু’টি তিক্ত/কষ্টদায়ক স্বভাব হলো: ১. জীবদ্দশায় (সম্পদকে ব্যবহার না করে) আটকে রাখা। ২. আর মৃত্যুকালে (শরঈ সীমালঙ্ঘন করে যথেচ্ছা দান সাদাকা করার মাধ্যমে) অপচয় করা।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, জীবদ্দশায় কষ্টদায়ক, মৃত্যুকালেও কষ্টদায়ক কাজ।

باب مَنْ كَرِهَ أَنْ يُفَرِّقَ مَالَهُ عِنْدَ الْمَوْتِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو زُبَيْدٍ حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ الْمُرَّانِ الْإِمْسَاكُ فِي الْحَيَاةِ وَالتَّبْذِيرُ عِنْدَ الْمَوْتِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُقَالُ مُرٌّ فِي الْحَيَاةِ وَمُرٌّ عِنْدَ الْمَوْتِ

حدثنا احمد بن عبد الله حدثنا ابو زبيد حدثنا حصين عن ابراهيم التيمي عن ابيه قال قال عبد الله المران الامساك في الحياة والتبذير عند الموت قال ابو محمد يقال مر في الحياة ومر عند الموت

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৬. যে লোক তার কোনো ওয়ারিসের প্রাপ্য সম্পদের সমপরিমাণ ওয়াসীয়াত করে

৩২৯০. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যখন কোনো লোক অন্য কারো জন্য তার ছেলের প্রাপ্য অংশের সমপরিমাণ সম্পদ ওয়াসীয়াত করে, তবে তার অংশের সমপরিমাণ সম্পদের (ওয়াসীয়াত) পূর্ণরূপে প্রদান করা হবে না, যতক্ষণ না তা থেকে কমানো হবে।[1]

باب الرَّجُلِ يُوصِي بِمِثْلِ نَصِيبِ بَعْضِ الْوَرَثَةِ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ لِآخَرَ بِمِثْلِ نَصِيبِ ابْنِهِ فَلَا يَتِمُّ لَهُ مِثْلُ نَصِيبِهِ حَتَّى يَنْقُصَ مِنْهُ

حدثنا عبيد الله عن اسراىيل عن منصور عن ابراهيم قال اذا اوصى الرجل لاخر بمثل نصيب ابنه فلا يتم له مثل نصيبه حتى ينقص منه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৬. যে লোক তার কোনো ওয়ারিসের প্রাপ্য সম্পদের সমপরিমাণ ওয়াসীয়াত করে

৩২৯১. দাউদ ইবনু আবী হিন্দ হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তির তিনটি ছেলে ছিল। এরপর সে ছেলেদের একজনের সমপরিমাণ সম্পদ কোনো এক লোকের জন্য ওয়াসীয়াত করলো। যদি তারা চারজন হতো, (তবে সে কি পরিমাণ সম্পদ পেতো?)-এ সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, তাকে (ওয়াসীয়াতপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে) এক পঞ্চমাংশ দেওয়া হবে।[1]

باب الرَّجُلِ يُوصِي بِمِثْلِ نَصِيبِ بَعْضِ الْوَرَثَةِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ كَانَ لَهُ ثَلَاثَةُ بَنِينَ فَأَوْصَى لِرَجُلٍ مِثْلَ نَصِيبِ أَحَدِهِمْ لَوْ كَانُوا أَرْبَعَةً قَالَ الشَّعْبِيُّ يُعْطَى الْخُمُسَ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن داود بن ابي هند عن الشعبي في رجل كان له ثلاثة بنين فاوصى لرجل مثل نصيب احدهم لو كانوا اربعة قال الشعبي يعطى الخمس

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৬. যে লোক তার কোনো ওয়ারিসের প্রাপ্য সম্পদের সমপরিমাণ ওয়াসীয়াত করে

৩২৯২. দাউদ ইবনু আবী হিন্দ হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তির দু’টি ছেলে রেখে মৃত্যুবরণ করলো এবং সে ছেলেদের একজনের সমপরিমাণ সম্পদ কোনো এক লোকের জন্য ওয়াসীয়াত করে গেলো। যদি তারা তিনজন হতো! এ সম্পর্কে আমির (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সে তো এক চুতর্থাংশ সম্পদ ওয়াসীয়াত করলো।[1]

باب الرَّجُلِ يُوصِي بِمِثْلِ نَصِيبِ بَعْضِ الْوَرَثَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ قَالَ سَأَلْنَا عَامِرًا عَنْ رَجُلٍ تَرَكَ ابْنَيْنِ وَأَوْصَى بِمِثْلِ نَصِيبِ أَحَدِهِمْ لَوْ كَانُوا ثَلَاثَةً قَالَ أَوْصَى بِالرُّبُعِ

حدثنا محمد بن عيسى حدثنا يزيد بن زريع حدثنا داود بن ابي هند قال سالنا عامرا عن رجل ترك ابنين واوصى بمثل نصيب احدهم لو كانوا ثلاثة قال اوصى بالربع

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৬. যে লোক তার কোনো ওয়ারিসের প্রাপ্য সম্পদের সমপরিমাণ ওয়াসীয়াত করে

৩২৯৩. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, যে লোক তার কোনো ওয়ারিসের প্রাপ্য সম্পদের সমপরিমাণ ওয়াসীয়াত করে, তার সম্পর্কে ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, এটি জায়িয (বৈধ) নয়, যদিও তা এক তৃতীয়াংশ অপেক্ষা কম হয়।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, তিনি হলেন হাসান।

باب الرَّجُلِ يُوصِي بِمِثْلِ نَصِيبِ بَعْضِ الْوَرَثَةِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ فِي رَجُلٍ أَوْصَى بِمِثْلِ نَصِيبِ بَعْضِ الْوَرَثَةِ قَالَ لَا يَجُوزُ وَإِنْ كَانَ أَقَلَّ مِنْ الثُّلُثِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد هُوَ حَسَنٌ

حدثنا ابو النعمان حدثنا ابو عوانة عن مغيرة عن ابراهيم قال في رجل اوصى بمثل نصيب بعض الورثة قال لا يجوز وان كان اقل من الثلث قال ابو محمد هو حسن

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুগীরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৭. যে ব্যক্তি তার দাসের সম্পদ ওয়াসীয়াত করে

৩২৯৪. ইবনু আবী সাফার হতে বর্ণিত, কোন লোক তার দাসের ফসল বা আয় হতে এক দিরহাম ওয়াসীয়াত করলো, আর তার আয় ছিল ছয় দিরহাম। এ ব্যক্তি সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, সে তার আয়ের এক ষষ্ঠাংশ পাবে।[1]

باب فِي الرَّجُلِ يُوصِي بِغَلَّةِ عَبْدِهِ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ أَبِي السَّفَرِ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ أَوْصَى فِي غَلَّةِ عَبْدِهِ بِدِرْهَمٍ وَغَلَّتُهُ سِتَّةٌ قَالَ لَهُ سُدُسُهُ

حدثنا قبيصة اخبرنا سفيان عن ابن ابي السفر عن الشعبي في رجل اوصى في غلة عبده بدرهم وغلته ستة قال له سدسه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওয়ারিসের (উত্তরাধিকারী’র) জন্য ওয়াসীয়াত

৩২৯৫. কাবীসা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সুফিয়ান (রহঃ) কে বলতে শুনেছি, যদি কেউ ওয়ারিসের জন্য এবং ওয়ারিস ব্যতীত অন্য কারো জন্য একশত দিরহাম (ওয়াসীয়াতের) স্বীকৃতি দেয়, তবে তিনি বলেন, আমার মত হলো, আমি এ উভয়টিই বাতিল করে দেব।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ قَالَ سَمِعْتُ سُفْيَانَ يَقُولُ إِذَا أَقَرَّ لِوَارِثٍ وَلِغَيْرِ وَارِثٍ بِمِائَةِ دِرْهَمٍ أَرَى أَنْ أُبْطِلَهُمَا جَمِيعًا

حدثنا قبيصة قال سمعت سفيان يقول اذا اقر لوارث ولغير وارث بماىة درهم ارى ان ابطلهما جميعا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওয়ারিসের (উত্তরাধিকারী’র) জন্য ওয়াসীয়াত

৩২৯৬. ইবনু সীরীন হতে বর্ণিত, শুরাইহ বলেন, ওয়ারিসের জন্য (ওয়াসীয়াতের) ঘোষণা দেওয়া জায়িয (বৈধ) নয়। তিনি বলেন, হাসান (রহঃ) বলেন, মানুষের জন্য বৈধ (কথার) মধ্যে সর্বাধিক সঠিক (কথা) হলো তার মৃত্যুকালীন কথা (তথা ওয়াসীয়াত)। এটি আখিরাতের দিনগুলির মধ্যে সর্বপ্রথম দিন এবং দুনিয়ার দিনগুলির মধ্যে সর্বশেষ দিন।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ شُرَيْحٍ قَالَ لَا يَجُوزُ إِقْرَارٌ لِوَارِثٍ قَالَ وَقَالَ الْحَسَنُ أَحَقُّ مَا جَازَ عَلَيْهِ عِنْدَ مَوْتِهِ أَوَّلَ يَوْمٍ مِنْ أَيَّامِ الْآخِرَةِ وَآخِرَ يَوْمٍ مِنْ أَيَّامِ الدُّنْيَا

حدثنا مسلم حدثنا همام حدثنا قتادة عن ابن سيرين عن شريح قال لا يجوز اقرار لوارث قال وقال الحسن احق ما جاز عليه عند موته اول يوم من ايام الاخرة واخر يوم من ايام الدنيا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওয়ারিসের (উত্তরাধিকারী’র) জন্য ওয়াসীয়াত

৩২৯৭. আবী কিলাবাহ (রহঃ) বলেন, ওয়ারিসের জন্য ওয়াসীয়াত করা জায়িয নয়।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا خَالِدٌ عَنْ خَالِدٍ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ قَالَ لَا يَجُوزُ لِوَارِثٍ وَصِيَّةٌ

حدثنا عمرو بن عون اخبرنا خالد عن خالد عن ابي قلابة قال لا يجوز لوارث وصية

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ কিলাবাহ্ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওয়ারিসের (উত্তরাধিকারী’র) জন্য ওয়াসীয়াত

৩২৯৮. হুমাইদ হতে বর্ণিত, আবু ছাবিত নামক এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর সময় স্বীকৃতি দিল যে, তার স্ত্রী মোহরাণা বাবদ তার নিকট চারশত দিরহাম পাওনা রয়েছে। তখন হাসান তার স্বীকৃতিকে অনুমোদন করলেন।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ حُمَيْدٍ أَنَّ رَجُلًا يُكْنَى أَبَا ثَابِتٍ أَقَرَّ لِامْرَأَتِهِ عِنْدَ مَوْتِهِ أَنَّ لَهَا عَلَيْهِ أَرْبَعَ مِائَةِ دِرْهَمٍ مِنْ صَدَاقِهَا فَأَجَازَهُ الْحَسَنُ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن حميد ان رجلا يكنى ابا ثابت اقر لامراته عند موته ان لها عليه اربع ماىة درهم من صداقها فاجازه الحسن

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হুমায়দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওয়ারিসের (উত্তরাধিকারী’র) জন্য ওয়াসীয়াত

৩২৯৯. ’আমর ইবনে খারিজা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর (আরোহী) উটের নিচে অবস্থান করছিলাম। আর সেসময় উটটি জাবর কাটছিল আর তার মুখের লালা আমার দু’কাঁধের মাঝখান দিয়ে গড়িয়ে যাচ্ছিল। এমতাবস্থায় আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: “আল্লাহ তা’আলা প্রত্যেক হকদারকে তার হক দিয়ে দিয়েছেন সুতরাং ওয়ারিসের জন্য ওয়াসীয়াত নেই।”[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ خَارِجَةَ قَالَ كُنْتُ تَحْتَ نَاقَةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهِيَ تَقْصَعُ بِجِرَّتِهَا وَلُعَابُهَا يَنُوصُ بَيْنَ كَتِفَيَّ سَمِعْتُهُ يَقُولُ أَلَا إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَعْطَى كُلَّ ذِي حَقٍّ حَقَّهُ فَلَا يَجُوزُ وَصِيَّةٌ لِوَارِثٍ

حدثنا مسلم بن ابراهيم حدثنا هشام الدستواىي حدثنا قتادة عن شهر بن حوشب عن عبد الرحمن بن غنم عن عمرو بن خارجة قال كنت تحت ناقة النبي صلى الله عليه وسلم وهي تقصع بجرتها ولعابها ينوص بين كتفي سمعته يقول الا ان الله قد اعطى كل ذي حق حقه فلا يجوز وصية لوارث

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওয়ারিসের (উত্তরাধিকারী’র) জন্য ওয়াসীয়াত

৩৩০০. হাম্মাম হতে বর্ণিত, মহান আল্লাহর বাণী: “যখন তোমাদের কারো মৃত্যু উপস্থিত হয়, সে যদি সম্পদ রেখে যায়, তবে ন্যায়ানুগ প্রথামত তার পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত করার বিধান তোমাদের দেওয়া হলো।” (সুরা বাকারা: ১৮০) (এ আয়াত সম্পর্কে) কাতাদা বলেন, উল্লিখিত আয়াতে পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত নির্ধারিত ছিল। পরে সুরা নিসার আয়াতের মাধ্যমে তা প্রত্যাহার করা হয়। ফলে পিতা-মাতা উভয়ের জন্য অংশ নির্ধারিত হয়েছে। আর মীরাছের হকদারদেরও এতে অংশ নির্ধারিত রয়েছে। ফলে তাদের জন্য কোনো ওয়াসীয়াত নেই। ফলে যে ব্যক্তি ওয়ারিস নয়, কেবল এমন নিকট আত্মীয় ও অন্যদের জন্য এখন ওয়াসীয়াতের বিধান স্থির হয়ে গেল।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ إِذَا حَضَرَ أَحَدَكُمْ الْمَوْتُ إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ فَأَمَرَ أَنْ يُوصِيَ لِوَالِدَيْهِ وَأَقَارِبِهِ ثُمَّ نُسِخَ بَعْدَ ذَلِكَ فِي سُورَةِ النِّسَاءِ فَجَعَلَ لِلْوَالِدَيْنِ نَصِيبًا مَعْلُومًا وَأَلْحَقَ لِكُلِّ ذِي مِيرَاثٍ نَصِيبَهُ مِنْهُ وَلَيْسَتْ لَهُمْ وَصِيَّةٌ فَصَارَتْ الْوَصِيَّةُ لِمَنْ لَا يَرِثُ مِنْ قَرِيبٍ وَغَيْرِهِ

اخبرنا يزيد بن هارون اخبرنا همام عن قتادة قال اذا حضر احدكم الموت ان ترك خيرا الوصية للوالدين والاقربين فامر ان يوصي لوالديه واقاربه ثم نسخ بعد ذلك في سورة النساء فجعل للوالدين نصيبا معلوما والحق لكل ذي ميراث نصيبه منه وليست لهم وصية فصارت الوصية لمن لا يرث من قريب وغيره

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হাম্মাম (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওয়ারিসের (উত্তরাধিকারী’র) জন্য ওয়াসীয়াত

৩৩০১. ইবনু ’আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ওয়ারিস (উত্তরাধিকারী) হিসেবে সম্পদ পেতো সন্তান আর পিতা-মাতা ও নিকটাত্মীয়ের জন্য ছিল ওয়াসীয়াত। অতঃপর আল্লাহ্ তাআলা তাঁর পছন্দ মত এ বিধান রহিত করে ছেলের অংশ মেয়ের দ্বিগুণ, পিতা-মাতা প্রত্যেকের জন্য এক ষষ্ঠাংশ ও এক তৃতীয়াংশ, স্ত্রীর জন্য এক অষ্টমাংশ, এক চতুর্থাংশ এবং স্বামীর জন্য অর্ধেক, এক চতুর্থাংশ নির্ধারণ করেন।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ الْمَالُ لِلْوَلَدِ وَكَانَتْ الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ فَنَسَخَ اللَّهُ مِنْ ذَلِكَ مَا أَحَبَّ فَجَعَلَ لِلذَّكَرِ مِثْلَ حَظِّ الْأُنْثَيَيْنِ وَجَعَلَ لِلْأَبَوَيْنِ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا السُّدُسَ وَالثُّلُثَ وَجَعَلَ لِلْمَرْأَةِ الثُّمُنَ وَالرُّبُعَ وَلِلزَّوْجِ الشَّطْرَ وَالرُّبُعَ

حدثنا محمد بن يوسف حدثنا ورقاء عن ابن ابي نجيح عن عطاء عن ابن عباس قال كان المال للولد وكانت الوصية للوالدين والاقربين فنسخ الله من ذلك ما احب فجعل للذكر مثل حظ الانثيين وجعل للابوين لكل واحد منهما السدس والثلث وجعل للمراة الثمن والربع وللزوج الشطر والربع

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৮. ওয়ারিসের (উত্তরাধিকারী’র) জন্য ওয়াসীয়াত

৩৩০২. ইকরিমাহ ও হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, মহান আল্লাহর বাণী: “সে যদি সম্পদ রেখে যায়, তবে ন্যায়ানুগ প্রথামত তার পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত করার বিধান তোমাদের দেওয়া হলো।” (সুরা বাকারা: ১৮০) (এ আয়াত সম্পর্কে) কাতাদা বলেন, উল্লিখিত আয়াতে এরূপ (পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য) ওয়াসীয়াত নির্ধারিত ছিল। পরবর্তীতে মীরাছের আয়াতের মাধ্যমে তা রহিত হলো।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا أَبُو تُمَيْلَةَ عَنْ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ عَنْ يَزِيدَ عَنْ عِكْرِمَةَ وَالْحَسَنِ إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِينَ وَكَانَتْ الْوَصِيَّةُ كَذَلِكَ حَتَّى نَسَخَتْهَا آيَةُ الْمِيرَاثِ

حدثنا احمد بن اسمعيل حدثنا ابو تميلة عن الحسين بن واقد عن يزيد عن عكرمة والحسن ان ترك خيرا الوصية للوالدين والاقربين وكانت الوصية كذلك حتى نسختها اية الميراث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইকরিমা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ২৯. সম্পদশালী ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করা

৩৩০৩. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তির একজন দরিদ্র ভাই ছিল, সে কি তার জন্য ওয়াসীয়াত করবে?- হাসান (রহঃ) কে এ কথা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, হাঁ। যদিও সে বিশ হাজার (দিরহাম) এর মালিক হয়, এমনকি যদিও সে এক লক্ষ (দিরহাম)এরও মালিক হয়, তবুও। কেননা, তার প্রাচুর্য্য তাকে তার হক থেকে বাধা দিবে না।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلْغَنِيِّ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ أَوْصَى وَلَهُ أَخٌ مُوسِرٌ أَيُوصِ لَهُ قَالَ نَعَمْ وَإِنْ كَانَ رَبَّ عِشْرِينَ أَلْفًا ثُمَّ قَالَ وَإِنْ كَانَ رَبَّ مِائَةِ أَلْفٍ فَإِنَّ غِنَاهُ لَا يَمْنَعُهُ الْحَقَّ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن حميد عن الحسن سىل عن رجل اوصى وله اخ موسر ايوص له قال نعم وان كان رب عشرين الفا ثم قال وان كان رب ماىة الف فان غناه لا يمنعه الحق

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হাসান বাসরী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩০. কোনো লোক অমুকের জন্য ওয়াসীয়াত করলো, এরপর অমুক মৃত্যু বরণ করলে সে তমুকের জন্য ওয়াসীয়াত করলো

৩৩০৪. কাতাদা হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি বললো, আমার এ তরবারীটি আমি অমুককে দেব। এরপর সে লোকটি মৃত্যুবরণ করলে, এটি অমুককে দেব। এরপর সে লোকটিও মৃত্যুবরণ করলে তা আমার নিকট প্রত্যাবর্তিত হবে।

এ লোক সম্পর্কে হাসান ও সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) উভয়ে বলেন, তা প্রথম ব্যক্তিই পাবে। তিনি বলেন, হুমাইদ ইবনু আব্দুর রহমান বলেন, সে যেভাবে বলেছে, সেভাবেই চলতে থাকবে।[1]

باب الرَّجُلِ يُوصِي لِفُلَانٍ فَإِنْ مَاتَ فَلِفُلَانٍ

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ وَسَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ فِي رَجُلٍ قَالَ سَيْفِي لِفُلَانٍ فَإِنْ مَاتَ فُلَانٌ فَلِفُلَانٍ فَإِنْ مَاتَ فُلَانٌ فَمَرْجِعُهُ إِلَيَّ قَالَا هُوَ لِلْأَوَّلِ قَالَ وَقَالَ حُمَيْدُ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يُمْضَى كَمَا قَالَ

حدثنا عفان حدثنا حماد بن سلمة حدثنا قتادة عن الحسن وسعيد بن المسيب في رجل قال سيفي لفلان فان مات فلان فلفلان فان مات فلان فمرجعه الي قالا هو للاول قال وقال حميد ابن عبد الرحمن يمضى كما قال

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ কাতাদাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩০. কোনো লোক অমুকের জন্য ওয়াসীয়াত করলো, এরপর অমুক মৃত্যু বরণ করলে সে তমুকের জন্য ওয়াসীয়াত করলো

৩৩০৫. হিশাম ইবনু উরওয়া হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তি কোনো কিছু দান করে বললো, এটি তোমাকে দেব। এরপর তুমি মৃত্যুবরণ করলে এটি অমুককে দেব। এরপর সে মৃত্যু বরণ করলে অমুককে দেব, এরপর সে মৃত্যু বরণ করলে অমুককে দেব। এরপর সে লোকটিও মৃত্যুবরণ করলে তা আমার নিকট প্রত্যাবর্তিত হবে।এ লোক সম্পর্কে উরওয়া (রহঃ) বলেন, সে যেভাবে বলেছে, সেভা্বেই চলতে থাকবে যদিও তারা একশত জনও হয়।[1]

باب الرَّجُلِ يُوصِي لِفُلَانٍ فَإِنْ مَاتَ فَلِفُلَانٍ

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ أَنَّ عُرْوَةَ قَالَ فِي الرَّجُلِ يُعْطِي الرَّجُلَ الْعَطَاءَ فَيَقُولُ هُوَ لَكَ فَإِذَا مُتَّ فَلِفُلَانٍ فَإِذَا مَاتَ فُلَانٌ فَلِفُلَانٍ وَإِذَا مَاتَ فُلَانٌ فَمَرْجِعُهُ إِلَيَّ قَالَ يُمْضَى كَمَا قَالَ وَإِنْ كَانُوا مِائَةً

حدثنا عفان حدثنا حماد بن سلمة حدثنا هشام بن عروة ان عروة قال في الرجل يعطي الرجل العطاء فيقول هو لك فاذا مت فلفلان فاذا مات فلان فلفلان واذا مات فلان فمرجعه الي قال يمضى كما قال وان كانوا ماىة

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩১. যে ব্যক্তি নিকট আত্মীয় ব্যতীত অপরের জন্য ওয়াসীয়াত করে

৩৩০৬. শাইবাহ ইবনু হিশাম রাসিবী ও কাছীর ইবনু মা’দান হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেন, আমরা সালিম ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) কে এমন লোক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তার আত্মীয়-স্বজন ব্যতীত অপর ব্যক্তির জন্য ওয়াসীয়াত করেছে। তখন সালিম বললেন, তা তার জন্যই হবে, যার জন্য সে ওয়াসীয়াত করেছে।তারা বলেন, আমরা তাকে বললাম, হাসান (রহঃ) তো বলেন যে, তা আত্মীয়-স্বজনকে ফিরিয়ে দিতে হবে।[1] তখন তিনি তা অস্বীকার করলেন এবং কিছু কঠিন কথা বললেন।[2]

باب فِي الرَّجُلِ يُوصِي لِغَيْرِ قَرَابَتِهِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا شَيْبَةُ بْنُ هِشَامٍ الرَّاسِبِيُّ وَكَثِيرُ بْنُ مَعْدَانَ قَالَا سَأَلْنَا سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ الرَّجُلِ يُوصِي فِي غَيْرِ قَرَابَتِهِ فَقَالَ سَالِمٌ هِيَ حَيْثُ جَعَلَهَا قَالَ فَقُلْنَا إِنَّ الْحَسَنَ يَقُولُ يُرَدُّ عَلَى الْأَقْرَبِينَ فَأَنْكَرَ ذَلِكَ وَقَالَ قَوْلًا شَدِيدًا

حدثنا مسلم بن ابراهيم حدثنا حماد بن زيد حدثنا شيبة بن هشام الراسبي وكثير بن معدان قالا سالنا سالم بن عبد الله عن الرجل يوصي في غير قرابته فقال سالم هي حيث جعلها قال فقلنا ان الحسن يقول يرد على الاقربين فانكر ذلك وقال قولا شديدا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩১. যে ব্যক্তি নিকট আত্মীয় ব্যতীত অপরের জন্য ওয়াসীয়াত করে

৩৩০৭. আমর হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যখন কোনো লোক তার আত্মীয় স্বজনের জন্য ওয়াসীয়াত করবে, তখন তা গোত্রীয়-উপগোত্রীয় নিকটাত্মীয়-স্বজনের জন্য হবে এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এতে সকলেই সমান অংশীদার হবে।[1]

باب فِي الرَّجُلِ يُوصِي لِغَيْرِ قَرَابَتِهِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَوْصَى الرَّجُلُ فِي قَرَابَتِهِ فَهُوَ لِأَقْرَبِهِمْ بِبَطْنٍ الذَّكَرُ وَالْأُنْثَى فِيهِ سَوَاءٌ

حدثنا احمد بن عبد الله حدثنا ابو شهاب عن عمرو عن الحسن قال اذا اوصى الرجل في قرابته فهو لاقربهم ببطن الذكر والانثى فيه سواء

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩২. কোন লোক বললো, আমার দু’গোলামের একজন মুক্ত, এরপর সে মৃত্যুবরণ করলো, কিন্তু সে স্পষ্ট করে বলেনি (যে কোন্ দাসকে মুক্তি দিল)

৩৩০৮. মুতাররিফ হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি বললো, আমার দু’জন দাসের মধ্য থেকে কোনো একজনকে মুক্ত (করলাম)। এরপর সে মৃত্যু বরণ করলো, কিন্তু সে স্পষ্টভাবে বলে যায়নি (যে তার কোন্ দাস মুক্ত করলো)। এ সম্পর্কে শা’বী রাহি: বলেন, তার ওয়ারিসগণ তার স্থলাভিষিক্ত হবে, তারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী দু’জনের একজনকে মুক্তি দেবে।[1]

باب إِذَا قَالَ أَحَدُ غُلَامَيَّ حُرٌّ وَلَمْ يُبَيِّنْ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ قَالَ أَحَدُ غُلَامَيَّ حُرٌّ ثُمَّ مَاتَ وَلَمْ يُبَيِّنْ قَالَ الْوَرَثَةُ بِمَنْزِلَتِهِ يُعْتِقُونَ أَيَّهُمَا أَحَبُّوا

حدثنا احمد بن عبد الله حدثنا ابو بكر عن مطرف عن الشعبي في رجل قال احد غلامي حر ثم مات ولم يبين قال الورثة بمنزلته يعتقون ايهما احبوا

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মুতাররিফ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৩. কোনো ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় কোনো দাসমুক্তির ঘোষণা দেওয়ার পরে সে আরোগ্য লাভ করলে

৩৩০৯. ইউনূস হতে বর্ণিত, অসুস্থ অবস্থায় কোন এক লোক বললো, অমুকের জন্য এত এত, তমুকের জন্য এত এত এবং আমার অমুক দাস মুক্ত (তথা মুক্তি দেওয়া হলো)। তবে সে একথা উল্লেখ করেনি যে, যদি আমার মৃত্যু হয়, তবে সে মুক্ত। হাসান (রহঃ) বলেন, সে দাসই রয়ে যাবে।[1]

باب إِذَا أَوْصَى بِالْعِتْقِ فِي مَرَضِهِ ثُمَّ بَرَأَ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ رَجُلًا قَالَ فِي مَرَضِهِ لِفُلَانٍ كَذَا وَلِفُلَانٍ كَذَا وَعَبْدِي فُلَانٌ حُرٌّ وَلَمْ يَقُلْ إِنْ حَدَثَ بِي حَدَثٌ فَبَرَأَ قَالَ هُوَ مَمْلُوكٌ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن يونس عن الحسن ان رجلا قال في مرضه لفلان كذا ولفلان كذا وعبدي فلان حر ولم يقل ان حدث بي حدث فبرا قال هو مملوك

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর নিকটবর্তী সময়ে তার দাসকে মুক্তি দিল কিন্তু তার এ ব্যতীত আর কোনো সম্পদ নেই

৩৩১০. মুতাররিফ হতে বর্ণিত, কোনো এক ব্যক্তি তার মৃত্যু নিকটবর্তী সময়ে তার একটি দাস মুক্ত করলো। আর তার কিছু ঋণ ছিল এবং তার এ দাস ব্যতীত আর কোনো সম্পদ ছিল না।এ সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, সে দাস ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিদেরকে তার মুল্য (মুক্তিপণ) পরিশোধের জন্য কর্ম করবে।[1]

باب إِذَا أَعْتَقَ غُلَامَهُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَلَيْسَ لَهُ مَالٌ غَيْرُهُ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ أَعْتَقَ غُلَامَهُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَلَيْسَ لَهُ غَيْرُهُ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ قَالَ يَسْعَى لِلْغُرَمَاءِ فِي ثَمَنِهِ

حدثنا احمد بن عبد الله حدثنا ابو بكر عن مطرف عن الشعبي في رجل اعتق غلامه عند الموت وليس له غيره وعليه دين قال يسعى للغرماء في ثمنه

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ মুতাররিফ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৪. কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর নিকটবর্তী সময়ে তার দাসকে মুক্তি দিল কিন্তু তার এ ব্যতীত আর কোনো সম্পদ নেই

৩৩১১. কাতাদা হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নয়শত দিরহাম দিয়ে একটি দাস ক্রয় করলো এরপর সে তাকে মুক্ত করলো। কিন্তু সে দাসের মুল্য পরিশোধ করেনি, আবার সে আর কোনো সম্পদও রেখে যায়নি।এ সম্পর্কে আলী রা. বলেন, সে দাস কর্ম করে তার মুল্য (মুক্তিপণ) পরিশোধ করবে।[1]

باب إِذَا أَعْتَقَ غُلَامَهُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَلَيْسَ لَهُ مَالٌ غَيْرُهُ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ رَجُلًا اشْتَرَى عَبْدًا بِتِسْعِ مِائَةِ دِرْهَمٍ فَأَعْتَقَهُ وَلَمْ يَقْضِ ثَمَنَ الْعَبْدِ وَلَمْ يَتْرُكْ شَيْئًا فَقَالَ عَلِيٌّ يَسْعَى الْعَبْدُ فِي ثَمَنِهِ

حدثنا ابو الوليد حدثنا همام حدثنا قتادة عن الحسن ان رجلا اشترى عبدا بتسع ماىة درهم فاعتقه ولم يقض ثمن العبد ولم يترك شيىا فقال علي يسعى العبد في ثمنه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ কাতাদাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন, মুদাব্বার (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশের অন্তর্ভূক্ত

৩৩১২. নাফিঈ’ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ’মুদাব্বার’ (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

باب مَنْ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ الْأَشْعَثِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ

حدثنا منصور بن سلمة عن شريك عن الاشعث عن نافع عن ابن عمر قال المدبر من الثلث

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন, মুদাব্বার (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশের অন্তর্ভূক্ত

৩৩১২. মানসূর (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ’মুদাব্বার’ (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

باب مَنْ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ

حدثنا منصور بن سلمة عن شريك عن منصور عن ابراهيم قال المدبر من الثلث

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন, মুদাব্বার (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশের অন্তর্ভূক্ত

৩৩১৪. কাছীর হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, (মালিকের) মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভের অঙ্গীকারাবদ্ধ দাস এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

باب مَنْ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ كَثِيرٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ الْمُعْتَقُ عَنْ دُبُرٍ مِنْ الثُّلُثِ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن زيد عن كثير عن الحسن قال المعتق عن دبر من الثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন, মুদাব্বার (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশের অন্তর্ভূক্ত

৩৩১৫. হুমাইদ হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, (মালিকের) মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভ করার অঙ্গীকারাবদ্ধ দাসী ও তার সন্তান এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

باب مَنْ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ الْمُعْتَقَةُ عَنْ دُبُرٍ وَوَلَدُهَا مِنْ الثُّلُثِ

حدثنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن حميد عن الحسن قال المعتقة عن دبر وولدها من الثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ হুমায়দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন, মুদাব্বার (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশের অন্তর্ভূক্ত

৩৩১৬. মানসূর (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি বলেছেন, (মালিকের) মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভের অঙ্গীকারাবদ্ধ দাস এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

باب مَنْ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ مَنْصُورٌ أَخْبَرَنِي عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُعْتَقُ عَنْ دُبُرٍ مِنْ الثُّلُثِ

حدثنا ابو الوليد حدثنا شعبة قال منصور اخبرني عن ابراهيم قال المعتق عن دبر من الثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন, মুদাব্বার (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশের অন্তর্ভূক্ত

৩৩১৭. আবূ হাশিম (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ’মুদাব্বার’ (মালিকের মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভের অঙ্গীকারাবদ্ধ) দাস পুরো সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

باب مَنْ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ

حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الشَّقَرِيِّ وَأَبِي هَاشِمٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ

حدثنا ابو النعمان حدثنا حماد بن زيد عن ابي عبد الله الشقري وابي هاشم عن ابراهيم قال المدبر من جميع المال

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন, মুদাব্বার (মুক্তি দানের জন্য বন্দোবস্তকৃত দাস) এক তৃতীয়াংশের অন্তর্ভূক্ত

৩৩১৮. আবূ বিশর (রহঃ) হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) বলেন, (মালিকের) মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভের অঙ্গীকারাবদ্ধ দাস পুরো সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)। তিনি বলেন, আবূ মুহাম্মদ কে জিজ্ঞাসা করা হলো, (ইবরাহীম হতে বর্ণিত) এ দু’মতের কোনটি আপনার মত? তিনি বললেন, (আমার মত হলো) এক তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে (মুক্তি লাভ করবে)।[1]

باب مَنْ قَالَ الْمُدَبَّرُ مِنْ الثُّلُثِ

أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ أَبِي بِشْرٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ قَالَ الْمُعْتَقُ عَنْ دُبُرٍ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ سُئِلَ أَبُو مُحَمَّد بِأَيِّهِمَا تَقُولُ قَالَ مِنْ الثُّلُثِ

اخبرنا الحكم بن المبارك اخبرنا ابو عوانة عن ابي بشر عن سعيد بن جبير قال المعتق عن دبر من جميع المال سىل ابو محمد بايهما تقول قال من الثلث

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবু বিশর (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৬. যিনি বলেন, তোমার নিকট তা পঠিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি কোনো ওয়াসীয়াতের সাক্ষী হয়োনা

৩৩১৯. হিশাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, তোমার নিকট তা পঠিত না হওয়া পর্যন্ত তুমি কোনো ওয়াসীয়াতের সাক্ষী হয়োনা এবং আবার তোমার অপরিচিত কোনো ব্যক্তির পক্ষেও সাক্ষী হয়োনা।[1]

باب مَنْ قَالَ لَا تَشْهَدْ عَلَى وَصِيَّةٍ حَتَّى تُقْرَأَ عَلَيْكَ

أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا مَخْلَدٌ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا تَشْهَدْ عَلَى وَصِيَّةٍ حَتَّى تُقْرَأَ عَلَيْكَ وَلَا تَشْهَدْ عَلَى مَنْ لَا تَعْرِفُ

اخبرنا سعيد بن المغيرة حدثنا مخلد عن هشام عن الحسن قال لا تشهد على وصية حتى تقرا عليك ولا تشهد على من لا تعرف

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৭. যে ব্যক্তি উম্মু ওয়ালাদ (যে দাসীদের গর্ভে তার সন্তান হয়েছে) এর জন্য ওয়াসীয়াত করেন

৩৩২০. হুমাইদ হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর যে সকল দাসীদের গর্ভে তার সন্তান জন্ম লাভ করেছে, এমন প্রত্যেক দাসীর জন্য চার হাজার (দিরহাম) করে ওয়াসীয়াত করেছেন।[1]

باب مَنْ أَوْصَى لِأُمَّهَاتِ أَوْلَادِهِ

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَوْصَى لِأُمَّهَاتِ أَوْلَادِهِ بِأَرْبَعَةِ آلَافٍ أَرْبَعَةِ آلَافٍ لِكُلِّ امْرَأَةٍ مِنْهُنَّ

اخبرنا سليمان بن حرب حدثنا حماد بن سلمة عن حميد عن الحسن ان عمر بن الخطاب اوصى لامهات اولاده باربعة الاف اربعة الاف لكل امراة منهن

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ হুমায়দ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩২১. ইবনু আবী যিনাদ তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তের বছরের কিশোরের ওয়াসীয়াতকে জায়িয (বৈধ) করেছেন।[1]

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَنَّهُ أَجَازَ وَصِيَّةَ ابْنِ ثَلَاثَ عَشْرَةَ سَنَةً

حدثنا يحيى بن حسان اخبرنا ابن ابي الزناد عن ابيه عن عمر بن عبد العزيز انه اجاز وصية ابن ثلاث عشرة سنة

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩২২. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, গোত্রের সাত বছর বয়স্ক একজন বালক ওয়াসীয়াত করলে শুরাইহ (রহঃ) বললেন, যদি ছেলেটি সঠিক পন্থায় ওয়াসীয়াত করে, তবে তা জায়িয (বৈধ) হবে।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, তিনি (শুরাইহ) আমাকে আনন্দিত করেছেন, কিন্তু কাযীগণ (বিচারকগণ) তা জায়িয মনে করেন না।

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ أَوْصَى غُلَامٌ مِنْ الْحَيِّ ابْنُ سَبْعِ سِنِينَ فَقَالَ شُرَيْحٌ إِذَا أَصَابَ الْغُلَامُ فِي وَصِيَّتِهِ جَازَتْ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يُعْجِبُنِي وَالْقُضَاةُ لَا يُجِيزُونَ

حدثنا ابو نعيم حدثنا زهير عن ابي اسحق قال اوصى غلام من الحي ابن سبع سنين فقال شريح اذا اصاب الغلام في وصيته جازت قال ابو محمد يعجبني والقضاة لا يجيزون

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ইসহাক (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩২৩. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি সাক্ষ্য দেন যে, শুরাইহ হিরার অধিবাসী আব্বাস ইবনু ইসমাঈল ইবনু মারছাদের পালক পিতা (অথবা মাতা)’র জন্য তার কৃত ওয়াসীয়াতকে জায়িয বলেছেন। আর তখন আব্বাস ছিলেন (অল্প বয়স্ক) বালক।[1]

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ أَنَّهُ شَهِدَ شُرَيْحًا أَجَازَ وَصِيَّةَ عَبَّاسِ بْنِ إِسْمَعِيلَ بْنِ مَرْثَدٍ لِظِئْرِهِ مِنْ أَهْلِ الْحِيرَةِ وَعَبَّاسٌ صَبِيٌّ

حدثنا جعفر بن عون اخبرنا يونس حدثنا ابو اسحق انه شهد شريحا اجاز وصية عباس بن اسمعيل بن مرثد لظىره من اهل الحيرة وعباس صبي

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ইসহাক (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩২৪. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, শুরাইহ (রহঃ) বলেন, বালক যখন (এমন বয়সে উপনীত হয় যে, সে) পানির কুপকে ভয় করতে শেখে, তখন তার ওয়াসীয়াত জায়িয (বৈধ) হবে।[1]

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا يُونُسُ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَقَ قَالَ قَالَ شُرَيْحٌ إِذَا اتَّقَى الصَّبِيُّ الرَّكِيَّةَ جَازَتْ وَصِيَّتُهُ

حدثنا جعفر بن عون اخبرنا يونس حدثنا ابو اسحق قال قال شريح اذا اتقى الصبي الركية جازت وصيته

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ইসহাক (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩২৫. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তাদের গোত্রের আব্বাস ইবনু ইসমাঈল ইবনু মারছাদ নামে একটি ছেলের দুধের দাত পড়ে (স্থায়ী দাত উঠলো), তখন হিরায় বসবাসকারী তার পালক পিতা (অথবা মাতা)’র জন্য সে ৪০ দিরহাম ওয়াসীয়াত করে। তখন শুরাইহ তার কৃত ওয়াসীয়াতকে জায়িয বলেন। তিনি বলেন, যে ন্যায়সঙ্গতভাবে ওয়াসীয়াত করবে, আমরা তা জায়িয (বৈধ) বলব।[1]

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ أَنَّ غُلَامًا مِنْهُمْ حِينَ ثُغِرَ يُقَالُ لَهُ مَرْثَدٌ أَوْصَى لِظِئْرٍ لَهُ مِنْ أَهْلِ الْحِيرَةِ بِأَرْبَعِينَ دِرْهَمًا فَأَجَازَهُ شُرَيْحٌ وَقَالَ مَنْ أَصَابَ الْحَقَّ أَجَزْنَاهُ

حدثنا قبيصة حدثنا سفيان عن ابي اسحق ان غلاما منهم حين ثغر يقال له مرثد اوصى لظىر له من اهل الحيرة باربعين درهما فاجازه شريح وقال من اصاب الحق اجزناه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ইসহাক (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩২৬. আবূ বকর ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আমর ইবনু হাযম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, মদীনায় একটি ছেলের মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলো, কিন্তু তার ওয়ারিসগণ (তথা আত্মীয় স্বজন) তখন শামে ছিল। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট উল্লেখ করা হলো যে, সে ছেলেটি মারা যাচ্ছে। তারা তাকে জিজ্ঞেস করল যে, এখন তাকে কি ওয়াসীয়াত করতে বলা যাবে কিনা। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে আদেশ দিলেন যে, সে যেন ওয়াসীয়াত করে। তখন ছেলেটি জুশাম কুপ’ নামক একটি কুপ ওয়াসীয়াত করলো। আর এটির মালিকগণ তা ত্রিশ হাজার (দিরহাম) দিয়ে বিক্রয় করলো। আবূ বকর বলেন, তখন ছেলেটির বয়স দশ বছর কিংবা বার বছর ছিল।[1]

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى أَنَّ أَبَا بَكْرِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَخْبَرَهُ أَنَّ غُلَامًا بِالْمَدِينَةِ حَضَرَهُ الْمَوْتُ وَوَرَثَتُهُ بِالشَّامِ وَأَنَّهُمْ ذَكَرُوا لِعُمَرَ أَنَّهُ يَمُوتُ فَسَأَلُوهُ أَنْ يُوصِيَ فَأَمَرَهُ عُمَرُ أَنْ يُوصِيَ فَأَوْصَى بِبِئْرٍ يُقَالُ لَهَا بِئْرُ جُشَمَ وَإِنَّ أَهْلَهَا بَاعُوهَا بِثَلَاثِينَ أَلْفًا ذَكَرَ أَبُو بَكْرٍ أَنَّ الْغُلَامَ كَانَ ابْنَ عَشْرِ سِنِينَ أَوْ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ

حدثنا يزيد بن هارون اخبرنا يحيى ان ابا بكر بن محمد بن عمرو بن حزم اخبره ان غلاما بالمدينة حضره الموت وورثته بالشام وانهم ذكروا لعمر انه يموت فسالوه ان يوصي فامره عمر ان يوصي فاوصى ببىر يقال لها بىر جشم وان اهلها باعوها بثلاثين الفا ذكر ابو بكر ان الغلام كان ابن عشر سنين او ثنتي عشرة

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩২৭. হাম্মাদ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, বালক তার নিজ মাল হতে এক তৃতীয়াংশ কিংবা তার চেয়ে কম পরিমাণে ওয়াসীয়াত করতে পারে, তবে তার ওয়ালী বা অভিভাবক তার সুস্থ অবস্থায় দারিদ্রের আশংকা করলে তাকে একাজ হতে বিরত রাখতে পারবে। কিন্তু তার মৃত্যু কালে তাকে (ওয়াসীয়াত করা থেকে) বাধা দিতে পারবে না।[1]

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا يَزِيدُ عَنْ هِشَامٍ الدَّسْتَوَائِيِّ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ يَجُوزُ وَصِيَّةُ الصَّبِيِّ فِي مَالِهِ فِي الثُّلُثِ فَمَا دُونَهُ وَإِنَّمَا يَمْنَعُهُ وَلِيُّهُ ذَلِكَ فِي الصِّحَّةِ رَهْبَةَ الْفَاقَةِ عَلَيْهِ فَأَمَّا عِنْدَ الْمَوْتِ فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَمْنَعَهُ

حدثنا يزيد عن هشام الدستواىي عن حماد عن ابراهيم قال يجوز وصية الصبي في ماله في الثلث فما دونه وانما يمنعه وليه ذلك في الصحة رهبة الفاقة عليه فاما عند الموت فليس له ان يمنعه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩২৮. ইবনু সীরীন হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একটি ছোট মেয়ের নিকট এলো যে ওয়াসীয়াত করেছিল। তখন লোকেরা তাকে হেয় জ্ঞান করছিল। তখন তিনি বললেন, যে ন্যায়সঙ্গতভাবে ওয়াসীয়াত করে, আমরা তা জায়িয (বৈধ) মনে করি।[1]

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ وَأَيُّوبَ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ أَنَّهُ أُتِيَ فِي جَارِيَةٍ أَوْصَتْ فَجَعَلُوا يُصَغِّرُونَهَا فَقَالَ مَنْ أَصَابَ الْحَقَّ أَجَزْنَاهُ

حدثنا قبيصة حدثنا سفيان عن خالد الحذاء وايوب عن ابن سيرين عن عبد الله بن عتبة انه اتي في جارية اوصت فجعلوا يصغرونها فقال من اصاب الحق اجزناه

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩২৯. আবূ বকর হতে বর্ণিত, সুলাইমা আল গাস্সানী যখন মৃত্যুবরণ করলো, তখন তার বয়স ছিল দশ কিংবা বার বছর। সে একটি কুপ ওয়াসীয়াত করলো, যার মুল্য ছিল তিরিশ হাজার (দিরহাম)। তখন উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তা অনুমোদন করলেন।[1]

আবূ মুহাম্মদ বলেন, লোকেরা বলতো: আমর ইবনু সুলাইম।

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي بَكْرٍ أَنَّ سُلَيْمًا الْغَسَّانِيَّ مَاتَ وَهُوَ ابْنُ عَشْرٍ أَوْ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ سَنَةً فَأَوْصَى بِبِئْرٍ لَهُ قِيمَتُهَا ثَلَاثُونَ أَلْفًا فَأَجَازَهَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد النَّاسُ يَقُولُونَ عَمْرُو بْنُ سُلَيْمٍ

حدثنا قبيصة اخبرنا سفيان عن يحيى بن سعيد عن ابي بكر ان سليما الغساني مات وهو ابن عشر او ثنتي عشرة سنة فاوصى ببىر له قيمتها ثلاثون الفا فاجازها عمر بن الخطاب قال ابو محمد الناس يقولون عمرو بن سليم

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. বালকের ওয়াসীয়াত করা

৩৩৩০. আবী বাকর এর দু’পূত্র আব্দুল্লাহ ও মুহাম্মদ তাদের পিতার সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের একজন বলেন, তার বয়স ছিল তের বছর। অপর জন বলেন, বালিগ বা বয়:প্রাপ্ত হওয়ার পুর্বে।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, ’তার দু’পুত্র’ হতে মানে আবী বাকরের দু’পুত্র হতে।

باب وَصِيَّةِ الْغُلَامِ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنَيْهِ عَبْدِ اللَّهِ وَمُحَمَّدٍ ابْنَيْ أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِيهِمَا مِثْلَ ذَلِكَ غَيْرَ أَنَّ أَحَدَهُمَا قَالَ ابْنُ ثَلَاثَ عَشْرَةَ وَقَالَ الْآخَرُ قَبْلَ أَنْ يَحْتَلِمَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد عَنْ ابْنَيْهِ يَعْنِي ابْنَيْ أَبِي بَكْرٍ

حدثنا قبيصة حدثنا سفيان عن ابنيه عبد الله ومحمد ابني ابي بكر عن ابيهما مثل ذلك غير ان احدهما قال ابن ثلاث عشرة وقال الاخر قبل ان يحتلم قال ابو محمد عن ابنيه يعني ابني ابي بكر

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. যিনি (বালকের ওয়াসীয়াত) বৈধ মনে করেন না

৩৩৩১. মা’মার হতে বর্ণিত, যুহুরী (রহঃ) বলেন, তার (তথা বালকের) ওয়াসীয়াত জায়িয (বৈধ) নয়। যতক্ষণ সে বালিগ না হয়, অর্থাৎ বয়:প্রাপ্তির পূর্বে (কোন বালকের ওয়াসীয়াত জায়িয নয়)।[1]

باب مَنْ قَالَ لَا يَجُوزُ

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ وَصِيَّتُهُ لَيْسَتْ بِجَائِزَةٍ إِلَّا مَا لَيْسَ بِذِي بَالٍ يَعْنِي الْغُلَامَ قَبْلَ أَنْ يَحْتَلِمَ

حدثنا نصر بن علي حدثنا عبد الاعلى عن معمر عن الزهري انه كان يقول وصيته ليست بجاىزة الا ما ليس بذي بال يعني الغلام قبل ان يحتلم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মা’মার (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. যিনি (বালকের ওয়াসীয়াত) বৈধ মনে করেন না

৩৩৩২. ইউনূস হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, বালকের তালাক, ওয়াসীয়াত, হিবা, দান-সাদাকা ও দাসমুক্তি জায়িয (বৈধ) নয় যতক্ষণ না সে বালিগ বা বয়:প্রাপ্ত হয়।[1]

باب مَنْ قَالَ لَا يَجُوزُ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا يَجُوزُ طَلَاقُ الْغُلَامِ وَلَا وَصِيَّتُهُ وَلَا هِبَتُهُ وَلَا صَدَقَتُهُ وَلَا عَتَاقَتُهُ حَتَّى يَحْتَلِمَ

حدثنا عمرو بن عون اخبرنا هشيم عن يونس عن الحسن قال لا يجوز طلاق الغلام ولا وصيته ولا هبته ولا صدقته ولا عتاقته حتى يحتلم

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. যিনি (বালকের ওয়াসীয়াত) বৈধ মনে করেন না

৩৩৩৩. আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বালকের তালাক, দাসমুক্তি, ওয়াসীয়াত, ক্রয় ও বিক্রয় এবং অন্য কোনো কিছুই জায়িয (বৈধ) নয়।[1]

باب مَنْ قَالَ لَا يَجُوزُ

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَا يَجُوزُ طَلَاقُ الصَّبِيِّ وَلَا عِتْقُهُ وَلَا وَصِيَّتُهُ وَلَا شِرَاؤُهُ وَلَا بَيْعُهُ وَلَا شَيْءٌ

حدثنا سعيد بن المغيرة عن حفص بن غياث عن حجاج عن عطاء عن ابن عباس قال لا يجوز طلاق الصبي ولا عتقه ولا وصيته ولا شراوه ولا بيعه ولا شيء

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৩৯. যিনি (বালকের ওয়াসীয়াত) বৈধ মনে করেন না

৩৩৩৪. কাতাদাহ হতে বর্ণিত, হুমাইদ ইবনু আব্দুর রহমান আল-হিমইয়ারী বলেন, নেশাগ্রস্ত অবস্থা ব্যতীতই সজ্ঞান অবস্থায় না হলে তালাক ও ওয়াসীয়াত জায়িয (বৈধ) নয়- তথা মদমত্ত অবস্থায় (জায়িয নয়)। কেননা, তার (তথা নেশাগ্রস্ত ব্যক্তির) তালাক জায়িয হবে এবং তাকে বেত্রাঘাত করা হবে।[1]

باب مَنْ قَالَ لَا يَجُوزُ

حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيِّ قَالَ لَا يَجُوزُ طَلَاقٌ وَلَا وَصِيَّةٌ إِلَّا فِي عَقْلٍ إِلَّا النَّشْوَانَ يَعْنِي السَّكْرَانَ فَإِنَّهُ يَجُوزُ طَلَاقُهُ وَيُضْرَبُ ظَهْرُهُ

حدثنا ابو الوليد حدثنا همام عن قتادة عن حميد بن عبد الرحمن الحميري قال لا يجوز طلاق ولا وصية الا في عقل الا النشوان يعني السكران فانه يجوز طلاقه ويضرب ظهره

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ কাতাদাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪০. যদি কেউ তার পলাতক দাসের মুক্তিদানের ওয়াসীয়াত করে

৩৩৩৫. ইয়াহইয়া ইবনু আবী ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি কাসিম ইবনু আব্দুর রহমান ও মুয়াবিয়া ইবনু কুররাহ (রহঃ) কে এমন একজন লোক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে ওয়াসীয়াত করে বলে, ’আমার সকল দাস মুক্ত, আর তার পলাতক একজন দাসও ছিল। এ সম্পর্কে তারা দু’জনই বলেন, (এ ওয়াসীয়াতের কারণে) সে (পলাতক দাসটি) ও মুক্তি লাভ করবে। আর হাসান, ইয়্যাস ও বাকর ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) সকলেই বলেন, সে মুক্তি লাভ করবে না।[1]

باب إِذَا أَوْصَى بِعَتْقِ عَبْدٍ لَهُ آبِقٍ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ سَأَلْتُ الْقَاسِمَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَمُعَاوِيَةَ بْنَ قُرَّةَ عَنْ رَجُلٍ قَالَ فِي وَصِيَّتِهِ كُلُّ مَمْلُوكٍ لِي حُرٌّ وَلَهُ مَمْلُوكٌ آبِقٌ فَقَالَا هُوَ حُرٌّ وَقَالَ الْحَسَنُ وَإِيَاسٌ وَبَكْرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ لَيْسَ بِحُرٍّ

حدثنا عمرو بن عون عن خالد بن عبد الله عن يحيى بن ابي اسحق قال سالت القاسم بن عبد الرحمن ومعاوية بن قرة عن رجل قال في وصيته كل مملوك لي حر وله مملوك ابق فقالا هو حر وقال الحسن واياس وبكر بن عبد الله ليس بحر

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪১. নারীদের প্রতি ওয়াসীয়াত করা প্রসঙ্গে

৩৩৩৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উম্মুল মু’মিনীন হাফসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর প্রতি ওয়াসীয়াত করেছিলেন।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِلنِّسَاءِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ الْعُمَرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ أَوْصَى إِلَى حَفْصَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ

حدثنا عبد الله بن مسلمة حدثنا عبد الله العمري عن نافع عن ابن عمر ان عمر اوصى الى حفصة ام المومنين

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিম্মিগণের প্রতি ওয়াসীয়াত করা

৩৩৩৭. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, সাফিয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার এক ইয়াহুদী আত্মীয়ের (অথবা ভগ্নিপতির) জন্য ওয়াসীয়াত করেছিলেন।[1]

باب الْوَصِيَّةِ لِأَهْلِ الذِّمَّةِ

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ صَفِيَّةَ أَوْصَتْ لِنَسِيبٍ لَهَا يَهُودِيٍّ

حدثنا ابو نعيم حدثنا سفيان عن ليث عن نافع عن ابن عمر ان صفية اوصت لنسيب لها يهودي

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪২. যিম্মিগণের প্রতি ওয়াসীয়াত করা

৩৩৩৮. আবূ ইসহাক হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তাদের গোত্রের আব্বাস ইবনু মারছাদ নামের সাত বছরের একটি ছেলে হিরায় বসবাসকারী তার ইয়াহুদী পালক পিতা (অথবা মাতা)’র জন্য সে চল্লিশ দিরহাম ওয়াসীয়াত করে। তখন শুরাইহ বলেন, তিনি বলেন, যে ন্যায়সঙ্গতভাবে ওয়াসীয়াত করবে, তা জায়িয (বৈধ) হবে। সে তো ওয়াসীয়াত করেছে এর হকদারের জন্যই।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, এটি আমারও মত।

باب الْوَصِيَّةِ لِأَهْلِ الذِّمَّةِ

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ أَوْصَى غُلَامٌ مِنْ الْحَيِّ يُقَالُ لَهُ عَبَّاسُ بْنُ مَرْثَدٍ ابْنُ سَبْعِ سِنِينَ لِظِئْرٍ لَهُ يَهُودِيَّةٍ مِنْ أَهْلِ الْحِيرَةِ بِأَرْبَعِينَ دِرْهَمًا فَقَالَ شُرَيْحٌ إِذَا أَصَابَ الْغُلَامُ فِي وَصِيَّتِهِ جَازَتْ وَإِنَّمَا أَوْصَى لِذِي حَقٍّ قَالَ أَبُو مُحَمَّد أَنَا أَقُولُ بِهِ

حدثنا ابو نعيم حدثنا زهير عن ابي اسحق قال اوصى غلام من الحي يقال له عباس بن مرثد ابن سبع سنين لظىر له يهودية من اهل الحيرة باربعين درهما فقال شريح اذا اصاب الغلام في وصيته جازت وانما اوصى لذي حق قال ابو محمد انا اقول به

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ইসহাক (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪৩. ওয়াক্‌ফ করা সম্পর্কে

৩৩৩৯. হিশামের পিতা উরওয়া হতে বর্ণিত, যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার বাড়ি-ঘর তার ছেলে-কে এ শর্তে সাদাকাহ করেন যে, তা বিক্রি করা যাবে না, এর কেউ ওয়ারিস হতে পারবে না, আর প্রত্যাহৃত (তথা তালাকপ্রাপ্তা) মেয়েরা এবাড়িতে অবস্থান করবে, এভাবে যে তার ক্ষতি করা হবে না, সেও কোনো ক্ষতি করবে না। এরপর সে যদি স্বামীর মাধ্যমে অভাবমুক্ত হয়, তবে এতে তার কোনো অধিকার নেই।[1]

باب فِي الْوَقْفِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ الزُّبَيْرَ جَعَلَ دُورَهُ صَدَقَةً عَلَى بَنِيهِ لَا تُبَاعُ وَلَا تُوَرَّثُ وَأَنَّ لِلْمَرْدُودَةِ مِنْ بَنَاتِهِ أَنْ تَسْكُنَ غَيْرَ مُضِرَّةٍ وَلَا مُضَارٍّ بِهَا فَإِنْ هِيَ اسْتَغْنَتْ بِزَوْجٍ فَلَا حَقَّ لَهَا

اخبرنا عبد الله بن سعيد حدثنا ابو اسامة عن هشام عن ابيه ان الزبير جعل دوره صدقة على بنيه لا تباع ولا تورث وان للمردودة من بناته ان تسكن غير مضرة ولا مضار بها فان هي استغنت بزوج فلا حق لها

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উরওয়াহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. ওয়াসীয়াতকারীর পূর্বেই যদি ওয়াসীয়াতকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে

৩৩৪০. হাফস হতে বর্ণিত, কোনো ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির প্রতি কিছু দিনার আল্লাহর রাস্তায় দান করার জন্য ওয়াসীয়াত করলো। এরপর তার পরিবার হতে তা দান করার পুর্বেই ওয়াসীয়াতকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলো। এ ব্যাপারে মাকহুল বলেন, ওয়াসীয়াতকৃত মৃতব্যক্তির অভিভাবকগণের দায়িত্ব হয়ে যাবে তা আল্লাহর রাস্তায় দান করা।[1]

باب إِذَا مَاتَ الْمُوصَى قَبْلَ الْمُوصِي

حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا الْوَلِيدُ عَنْ حَفْصٍ عَنْ مَكْحُولٍ فِي الرَّجُلِ يُوصِي لِلرَّجُلِ بِدَنَانِيرَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَمُوتُ الْمُوصَى لَهُ قَبْلَ أَنْ يَخْرُجَ بِهَا مِنْ أَهْلِهِ قَالَ هِيَ إِلَى أَوْلِيَاءِ الْمُتَوَفَّى الْمُوصِي يُنْفِذُونَهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ

حدثنا الحكم بن المبارك اخبرنا الوليد عن حفص عن مكحول في الرجل يوصي للرجل بدنانير في سبيل الله فيموت الموصى له قبل ان يخرج بها من اهله قال هي الى اولياء المتوفى الموصي ينفذونها في سبيل الله

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. ওয়াসীয়াতকারীর পূর্বেই যদি ওয়াসীয়াতকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে

৩৩৪১. আশ’আস হতে বর্ণিত, কোনো ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তির প্রতি কিছু ওয়াসীয়াত করলো। এরপর ওয়াসীয়াতকারীর পুর্বেই ওয়াসীয়াতকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলো। এ ব্যাপারে হাসান (রহঃ) বলেন, ওয়াসীয়াতকৃত ব্যক্তির ওয়ারিসগণের বৈধ বলে গণ্য হবে।[1]

باب إِذَا مَاتَ الْمُوصَى قَبْلَ الْمُوصِي

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يُوصِي لِلرَّجُلِ بِالْوَصِيَّةِ فَيَمُوتُ الْمُوصَى لَهُ قَبْلَ الْمُوصِي قَالَ هِيَ جَائِزَةٌ لِوَرَثَةِ الْمُوصَى لَهُ

حدثنا محمد بن عيينة عن علي بن مسهر عن اشعث عن الحسن في الرجل يوصي للرجل بالوصية فيموت الموصى له قبل الموصي قال هي جاىزة لورثة الموصى له

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আশ’আস (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. ওয়াসীয়াতকারীর পূর্বেই যদি ওয়াসীয়াতকৃত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে

৩৩৪২. আবী ইসহাক সাবিঈ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, হাসানের মতো আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তা জায়িয বলতেন।[1]

باب إِذَا مَاتَ الْمُوصَى قَبْلَ الْمُوصِي

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ السَّبِيعِيِّ قَالَ حُدِّثْتُ أَنَّ عَلِيًّا كَانَ يُجِيزُهَا مِثْلَ قَوْلِ الْحَسَنِ

حدثنا محمد بن عيينة عن علي بن مسهر عن اشعث عن ابي اسحق السبيعي قال حدثت ان عليا كان يجيزها مثل قول الحسن

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ ইসহাক (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. আল্লাহর রাস্তায় কোনো কিছু দান করলে

৩৩৪৩. নাফি’ঈ হতে বর্ণিত, এক ব্যকি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এসে বললো, এক লোক আমার প্রতি আল্লাহর রাস্তায় একটি উট প্রদানের ওয়াসীয়াত করে। আর এ যুগে তো যুদ্ধের জন্য (উট-ঘোড়া) বের করা হয় না। তাই আমি কি সেটি হাজ্জের বাহন হিসেবে ব্যবহার করতে পারি?তখন ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: হাজ্জ ও উমরাহ আল্লাহর রাস্তায় (জিহাদ করা) বলে গণ্য।[1]

باب إِذَا أَوْصَى بِشَيْءٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ

حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ مُوسَى هُوَ ابْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ رَجُلًا جَاءَ إِلَى ابْنِ عُمَرَ فَقَالَ إِنَّ رَجُلًا أَوْصَى إِلَيَّ وَجَعَلَ نَاقَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَلَيْسَ هَذَا زَمَانًا يُخْرَجُ إِلَى الْغَزْوِ فَأَحْمِلُ عَلَيْهَا فِي الْحَجِّ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ الْحَجُّ وَالْعُمْرَةُ مِنْ سَبِيلِ اللَّهِ

حدثنا الحكم بن المبارك اخبرنا عبد العزيز هو ابن محمد عن موسى هو ابن عقبة عن نافع ان رجلا جاء الى ابن عمر فقال ان رجلا اوصى الي وجعل ناقة في سبيل الله وليس هذا زمانا يخرج الى الغزو فاحمل عليها في الحج فقال ابن عمر الحج والعمرة من سبيل الله

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. আল্লাহর রাস্তায় কোনো কিছু দান করলে

৩৩৪৪. ওয়াকিদ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু যাইদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি তার কিছু সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় দান করার ওয়াসীয়াত করেন। এরপর ওয়াসীয়াতকারী ব্যক্তি উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আল্লাহর (রাস্তার) কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিকে তুমি তা দিয়ে দাও।’ সে বললো, আল্লাহর (রাস্তার) কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, বায়তুল্লাহর হাজ্জ সম্পাদনকারী।[1]

باب إِذَا أَوْصَى بِشَيْءٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ وَاقِدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَجُلًا أَوْصَى بِمَالِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَسَأَلَ الْوَصِيُّ عَنْ ذَلِكَ عُمَرَ فَقَالَ أَعْطِهِ عُمَّالَ اللَّهِ قَالَ وَمَنْ عُمَّالُ اللَّهِ قَالَ حَاجُّ بَيْتِ اللَّهِ

اخبرنا عبيد الله بن موسى عن موسى بن عبيدة عن واقد بن محمد بن زيد عن عبد الله بن عمر ان رجلا اوصى بماله في سبيل الله فسال الوصي عن ذلك عمر فقال اعطه عمال الله قال ومن عمال الله قال حاج بيت الله

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি)
২২. ওয়াসিয়াত অধ্যায় (كتاب الوصايا)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১৩০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৩০ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে