আল-আদাবুল মুফরাদ চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৪- চিঠিপত্রের উত্তর দেয়া।

১১২৭। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমার মতে চিঠিপত্রের উত্তর দেয়া সালামের উত্তর দেয়ার মতই বাধ্যকর। (ইবনে আবু শায়বাহ, বাযযার, তাবাকাত ইবনে সাদ)

بَابُ جَوَابِ الْكِتَابِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ‏:‏ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الْعَبَّاسِ بْنِ ذَرِيحٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ‏:‏ إِنِّي لَأَرَى لِجَوَابِ الْكِتَابِ حَقًّا كَرَدِّ السَّلامِ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، قال‏:‏ أخبرنا شريك، عن العباس بن ذريح، عن عامر، عن ابن عباس قال‏:‏ إني لأرى لجواب الكتاب حقا كرد السلام‏.‏


Ibn 'Abbas said, "I think that answering a letter is a duty, just like returning the greeting."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৫- মহিলাদের নিকট চিঠিপত্র লেখা এবং তাদের জবাবী পত্র।

১১২৮। আয়েশা বিনতে তালহা (রহঃ) বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-র তত্ত্বাবধানাধীন থাকাকালে বিভিন্ন শহর থেকে লোকজন তার কাছে আসতো। তার সঙ্গে আমার সম্পর্কের কারণে প্রবীণগণ আমাকে কন্যা বলে সম্বোধন করতো এবং যুবকরা আমাকে বোন বলতো। তারা আমাকে উপহারাদিও দিতো এবং বিভিন্ন শহর থেকে আমাকে চিঠিপত্রও লিখতো। আমি আয়েশা (রাঃ)-কে বলতাম, হে খালা! এটা অমুকের চিঠি এবং তার উপহার। আয়েশা (রাঃ) আমাকে বলতেন, হে বেটি! তার চিঠির উত্তর দাও এবং তাকেও উপহারাদি পাঠাও। তোমার কাছে দেয়ার মত কিছু না থাকলে আমি তোমাকে দিবো। আয়েশা (রহঃ) বলেন, অতএব আয়েশা (রাঃ) আমাকে সেই ব্যবস্থা করে দিতেন।

بَابُ الْكِتَابَةِ إِلَى النِّسَاءِ وَجَوَابِهِنَّ

حَدَّثَنَا ابْنُ رَافِعٍ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ قَالَ‏:‏ حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عَبْدِ اللهِ قَالَ‏:‏ حَدَّثَتْنَا عَائِشَةُ بِنْتُ طَلْحَةَ قَالَتْ‏:‏ قُلْتُ لِعَائِشَةَ، وَأَنَا فِي حِجْرِهَا، وَكَانَ النَّاسُ يَأْتُونَهَا مِنْ كُلِّ مِصْرٍ، فَكَانَ الشُّيُوخُ يَنْتَابُونِي لِمَكَانِي مِنْهَا، وَكَانَ الشَّبَابُ يَتَأَخَّوْنِي فَيُهْدُونَ إِلَيَّ، وَيَكْتُبُونَ إِلَيَّ مِنَ الأَمْصَارِ، فَأَقُولُ لِعَائِشَةَ‏:‏ يَا خَالَةُ، هَذَا كِتَابُ فُلاَنٍ وَهَدِيَّتُهُ، فَتَقُولُ لِي عَائِشَةُ‏:‏ أَيْ بُنَيَّةُ، فَأَجِيبِيهِ وَأَثِيبِيهِ، فَإِنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَكِ ثَوَابٌ أَعْطَيْتُكِ، فَقَالَتْ‏:‏ فَتُعْطِينِي‏.‏

حدثنا ابن رافع، قال‏:‏ حدثنا أبو أسامة قال‏:‏ حدثني موسى بن عبد الله قال‏:‏ حدثتنا عائشة بنت طلحة قالت‏:‏ قلت لعائشة، وأنا في حجرها، وكان الناس يأتونها من كل مصر، فكان الشيوخ ينتابوني لمكاني منها، وكان الشباب يتأخوني فيهدون إلي، ويكتبون إلي من الأمصار، فأقول لعائشة‏:‏ يا خالة، هذا كتاب فلان وهديته، فتقول لي عائشة‏:‏ أي بنية، فأجيبيه وأثيبيه، فإن لم يكن عندك ثواب أعطيتك، فقالت‏:‏ فتعطيني‏.‏


'A'isha bint Talha said, "I spoke to 'A'isha when I was under her protection. people used to visit her from all places. Shaykhs used visit me because of my place with her. Young men used to treat me as a sister and give me presents and write to me from their cities. I said to 'A'isha, 'Aunt, this is a letter from so-and-so and his gift.' 'A'isha told me, 'My girl, answer him and reward him. If you do not have anything to give, I will give you something.' She told her to give it to her."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৬- চিঠিপত্রের শিরোনাম কিভাবে লিখতে হবে।

১১২৯৷ আবদুল্লাহ ইবনে দীনার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ানের নিকট বায়আত হওয়ার জন্য তাকে পত্র লিখেন। তিনি তাকে লিখেন, “বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আবদুল্লাহ ইবনে উমারের পক্ষ থেকে আমীরুল মুমিনীন আবদুল মালেককে। আপনাকে সালাম। আমি আপনার নিকট আল্লাহর প্রশংসা করি, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই এবং আমি যথাসাধ্য আপনার (নির্দেশ) শোনা ও মানার স্বীকারোক্তি করছি—আল্লাহর বিধান ও তাঁর রাসূলের সুন্নাত মোতাবেক। (বুখারী, মুয়াত্তা মালিক)

بَابُ‏:‏ كَيْفَ يُكْتَبُ صَدْرُ الْكِتَابِ‏؟‏

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ‏:‏ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَتَبَ إِلَى عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ يُبَايِعُهُ، فَكَتَبَ إِلَيْهِ‏:‏ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، لِعَبْدِ الْمَلِكِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ مِنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ‏:‏ سَلاَمٌ عَلَيْكَ، فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ، وَأُقِرُّ لَكَ بِالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ عَلَى سُنَّةِ اللهِ وَسُنَّةِ رَسُولِهِ، فِيمَا اسْتَطَعْتُ‏.‏

حدثنا إسماعيل قال‏:‏ حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، أن عبد الله بن عمر كتب إلى عبد الملك بن مروان يبايعه، فكتب إليه‏:‏ بسم الله الرحمن الرحيم، لعبد الملك أمير المؤمنين من عبد الله بن عمر‏:‏ سلام عليك، فإني أحمد إليك الله الذي لا إله إلا هو، وأقر لك بالسمع والطاعة على سنة الله وسنة رسوله، فيما استطعت‏.‏


'Abdullah ibn 'Umar wrote to 'Abdu'l-Malik ibn Marwan in order to pledge him his allegiance. He wrote to him, "In the Name of Allah, the All-Merciful, Most Merciful. To 'Abdu'l-Malik, the Amir al-Mu'minin, from 'Abdullah ibn 'Umar. Peace be upon you. I praise Allah to you. There is no god but Him. I offer you obedience according to the sunna of Allah and the sunna of His Messenger as much as I can."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৭- অতঃপর।

১১৩০। যায়েদ ইবনে আসলাম (রহঃ) বলেন, “আমার পিতা আমাকে (আমার দাদা) ইবনে উমার (রাঃ)-র নিকট পাঠান। আমি তাকে লিখতে দেখলাম, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। অতঃপর....। -(বুখারী, মুয়াত্তা মালিক)

بَابُ أَمَّا بَعْدُ

حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ قَالَ‏:‏ أَرْسَلَنِي أَبِي إِلَى ابْنِ عُمَرَ، فَرَأَيْتُهُ يَكْتُبُ‏:‏ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، أَمَّا بَعْدُ‏.‏

حدثنا قبيصة، قال‏:‏ حدثنا سفيان، عن زيد بن أسلم قال‏:‏ أرسلني أبي إلى ابن عمر، فرأيته يكتب‏:‏ بسم الله الرحمن الرحيم، أما بعد‏.‏


Zayd ibn Aslam said, "My father sent me to Ibn 'Umar and I saw him write, 'In the Name of Allah, the All-Merciful, Most Merciful. Following on from that'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৭- অতঃপর।

১৯৩১। হিশাম ইবনে উরওয়া (রহঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কতগুলো চিঠি দেখলাম। যেখানেই কোন বক্তব্য শেষ হয়েছে সেখানে তিনি বলেছেনঃ অতঃপর।

بَابُ أَمَّا بَعْدُ

حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ قَالَ‏:‏ رَأَيْتُ رَسَائِلَ مِنْ رَسَائِلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، كُلَّمَا انْقَضَتْ قِصَّةٌ قَالَ‏:‏ أَمَّا بَعْدُ‏.‏

حدثنا روح بن عبد المؤمن، قال‏:‏ حدثنا أبو أسامة، عن هشام بن عروة قال‏:‏ رأيت رسائل من رسائل النبي صلى الله عليه وسلم، كلما انقضت قصة قال‏:‏ أما بعد‏.‏


Hisham ibn 'Urwa said, "I saw some of the letters of the Prophet, may Allah bless him and grant him peace. After the introduction he said, 'Following on from that'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৮- চিঠিপত্রের শিরোনামে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।

১১৩২। যায়েদ (রাঃ)-র পরিবারের প্রবীণদের সূত্র বর্তি। যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) নিম্নোক্ত চিঠি লিখেনঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। যায়েদ ইবনে সাবিতের পক্ষ থেকে আমীরুল মুমিনীন আল্লাহর বান্দা মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম এবং আল্লাহর রহমত। আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করি, যিনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই। অতঃপর.....। (বাযযার)

بَابُ صَدْرِ الرَّسَائِلِ‏:‏ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ كُبَرَاءِ آلِ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ كَتَبَ بِهَذِهِ الرِّسَالَةِ‏:‏ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، لِعَبْدِ اللهِ مُعَاوِيَةَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، سَلاَمٌ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللهِ، فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لا إِلَهَ إلا هُوَ، أَمَّا بَعْدُ‏.‏

حدثنا إسماعيل بن أبي أويس، قال‏:‏ حدثنا ابن أبي الزناد، عن أبيه، عن خارجة بن زيد، عن كبراء آل زيد بن ثابت، أن زيد بن ثابت كتب بهذه الرسالة‏:‏ بسم الله الرحمن الرحيم، لعبد الله معاوية أمير المؤمنين، من زيد بن ثابت، سلام عليك أمير المؤمنين ورحمة الله، فإني أحمد إليك الله الذي لا إله إلا هو، أما بعد‏.‏


It is reported that Zayd ibn Thabit wrote this letter:
"In the Name of Allah, the All-Merciful, Most Merciful. To the slave of Allah, Mu'awiya, the Amir al-Mu'minin, from Zayd ibn Thabit. Peace be upon you, Amir al-Mu'minin, and the mercy of Allah. I praise Allah to you. There is no god but Him. Following on from that'"


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৮- চিঠিপত্রের শিরোনামে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম।

১১৩৩। আবু মাসউদ আল-জুরায়রী (রহঃ) বলেন, এক ব্যক্তি হাসান বসরী (রহঃ)-এর নিকট বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি বলেন, তা চিঠিপত্রের শিরোনাম।

بَابُ صَدْرِ الرَّسَائِلِ‏:‏ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا أَبُو مَسْعُودٍ الْجُرَيْرِيُّ قَالَ‏:‏ سَأَلَ رَجُلٌ الْحَسَنَ عَنْ قِرَاءَةِ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ‏؟‏ قَالَ‏:‏ تِلْكَ صُدُورُ الرَّسَائِلِ‏.‏

حدثنا محمد الأنصاري، قال‏:‏ حدثنا أبو مسعود الجريري قال‏:‏ سأل رجل الحسن عن قراءة بسم الله الرحمن الرحيم‏؟‏ قال‏:‏ تلك صدور الرسائل‏.‏


Abu Mas'ud al-Jurayri related to him that a man asked al-Hasan about reading, "In the Name of Allah, the All-Merciful, Most Merciful." He said, "That should be put at the beginning of letters."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৯- চিঠির সূচনায় যা লিখবে।

১১৩৪। নাফে (রহঃ) বলেন, মুআবিয়া (রাঃ)-র নিকট ইবনে উমার (রাঃ)-র একটি প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি তাকে চিঠি লিখতে মনস্থ করলেন। লোকজন বললো, শুরুতে তার নাম লিখুন এবং তারা একথাই বলতে থাকলো। তিনি লিখেন, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, মুআবিয়াকে।

بَابُ‏:‏ بِمَنْ يَبْدَأُ فِي الْكِتَابِ‏؟‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ قَالَ‏:‏ كَانَتْ لِابْنِ عُمَرَ حَاجَةٌ إِلَى مُعَاوِيَةَ، فَأَرَادَ أَنْ يَكْتُبَ إِلَيْهِ، فَقَالُوا‏:‏ ابْدَأْ بِهِ، فَلَمْ يَزَالُوا بِهِ حَتَّى كَتَبَ‏:‏ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، إِلَى مُعَاوِيَةَ‏.‏

حدثنا قتيبة، قال‏:‏ حدثنا يحيى بن زكريا، عن ابن عون، عن نافع قال‏:‏ كانت لابن عمر حاجة إلى معاوية، فأراد أن يكتب إليه، فقالوا‏:‏ ابدأ به، فلم يزالوا به حتى كتب‏:‏ بسم الله الرحمن الرحيم، إلى معاوية‏.‏


Nafi' said, "Ibn 'Umar needed something from Mu'awiya and he wanted to write to him. People said, 'Begin with his name.' They kept on at him until he wrote, 'In the Name of Allah, the All-Merciful, Most Merciful, to Mu'awiya.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৯- চিঠির সূচনায় যা লিখবে।

১১৩৫৷ আনাস ইবনে সীরীন (রহঃ) বলেন, আমি ইবনে উমার (রাঃ)-র চিঠি লিখে দিতাম। তিনি বলেন, তুমি লিখোঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, অতঃপর অমুককে।

بَابُ‏:‏ بِمَنْ يَبْدَأُ فِي الْكِتَابِ‏؟‏

وَعَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ‏:‏ كَتَبْتُ لِابْنِ عُمَرَ، فَقَالَ‏:‏ اكْتُبْ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، أَمَّا بَعْدُ‏:‏ إِلَى فُلانٍ‏.‏

وعن ابن عون، عن أنس بن سيرين قال‏:‏ كتبت لابن عمر، فقال‏:‏ اكتب بسم الله الرحمن الرحيم، أما بعد‏:‏ إلى فلان‏.‏


Anas ibn Sirin said, "I wrote for Ibn 'Umar and he said, 'Write:
"In the Name of Allah, the All-Merciful, Most Merciful. Following on from that: To so-and-so."'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৯- চিঠির সূচনায় যা লিখবে।

১১৩৬। আনাস ইবনে সীরীন (রহঃ) বলেন, এক ব্যক্তি ইবনে উমার (রাঃ)-র সামনে চিঠি লিখলো, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, অমুককে। ইবনে উমার (রাঃ) তাকে এভাবে লিখতে নিষেধ করেন এবং বলেন, বলো, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম, এটি তাকে লিখিত।

بَابُ‏:‏ بِمَنْ يَبْدَأُ فِي الْكِتَابِ‏؟‏

وَعَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ‏:‏ كَتَبَ رَجُلٌ بَيْنَ يَدَيِ ابْنِ عُمَرَ‏:‏ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، لِفُلاَنٍ، فَنَهَاهُ ابْنُ عُمَرَ وَقَالَ‏:‏ قُلْ‏:‏ بِسْمِ اللهِ، هُوَ لَهُ‏.‏

وعن ابن عون، عن أنس بن سيرين قال‏:‏ كتب رجل بين يدي ابن عمر‏:‏ بسم الله الرحمن الرحيم، لفلان، فنهاه ابن عمر وقال‏:‏ قل‏:‏ بسم الله، هو له‏.‏


Anas ibn Sirin said, "A man wrote in the presence of Ibn 'Umar, 'In the Name of Allah, the All-Merciful, Most Merciful, to so-and-so.' Ibn 'Umar forbade him and said, 'Say:
'In the Name of Allah. It is for Him.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৯- চিঠির সূচনায় যা লিখবে।

১১৩৭। যায়েদ (রাঃ)-র পরিবারের প্রবীণদের থেকে বর্ণিত। যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) এই চিঠি লিখেনঃ যায়েদ ইবনে সাবিতের তরফ থেকে আল্লাহর বান্দা আমীরুল মুমিনীন মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম ও আল্লাহর রহমত কামনা করি। আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করি, যিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নাই, অতঃপর। (বাযযার)

بَابُ‏:‏ بِمَنْ يَبْدَأُ فِي الْكِتَابِ‏؟‏

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ‏:‏ حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ كُبَرَاءِ آلِ زَيْدٍ، أَنَّ زَيْدًا كَتَبَ بِهَذِهِ الرِّسَالَةِ‏:‏ لِعَبْدِ اللهِ مُعَاوِيَةَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ‏:‏ سَلاَمٌ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللهِ، فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ، أَمَّا بَعْدُ‏.‏

حدثنا إسماعيل قال‏:‏ حدثني ابن أبي الزناد، عن أبيه، عن خارجة بن زيد، عن كبراء آل زيد، أن زيدا كتب بهذه الرسالة‏:‏ لعبد الله معاوية أمير المؤمنين، من زيد بن ثابت‏:‏ سلام عليك أمير المؤمنين ورحمة الله، فإني أحمد إليك الله الذي لا إله إلا هو، أما بعد‏.‏

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫২৯- চিঠির সূচনায় যা লিখবে।

১১৩৮। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নবী ইসরাঈলের এক ব্যক্তি..... অতঃপর রাবী পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন এবং তার প্রতিপক্ষ তাকে লিখলো, অমুকের তরফ থেকে অমুককে (বুখারীতে কিতাবুল কাফালার প্রথম অনুচ্ছেদ শিরোনামের অধীন হাদীসটি সবিস্তারে উক্ত হয়েছে)।

بَابُ‏:‏ بِمَنْ يَبْدَأُ فِي الْكِتَابِ‏؟‏

حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا عُمَرُ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، سَمِعْتُهُ يَقُولُ‏:‏ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم‏:‏ إِنَّ رَجُلاً مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ، وَذَكَرَ الْحَدِيثَ، وَكَتَبَ إِلَيْهِ صَاحِبُهُ‏:‏ مِنْ فُلاَنٍ إِلَى فُلانٍ‏.‏

حدثنا موسى، قال‏:‏ حدثنا أبو عوانة، قال‏:‏ حدثنا عمر، عن أبيه، عن أبي هريرة، سمعته يقول‏:‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم‏:‏ إن رجلا من بني إسرائيل، وذكر الحديث، وكتب إليه صاحبه‏:‏ من فلان إلى فلان‏.‏


Abu Hurayra said, "The Prophet, may Allah bless him and grant him peace, said, 'A man from the tribe of Israel - and he mentioned the entire hadith - had his friend write to him, 'From so-and-so to so-and-so.'"


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫৩০- আপনার রাত কেমন কাটলো?

১১৩৯। মাহমূদ ইবনে লাবীদ (রহঃ) বলেন, খন্দকের যুদ্ধের দিন সাদ (রাঃ)-র চোখ আঘাতপ্রাপ্ত হলে এবং তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে রাফীদা নাম্নী এক মহিলার নিকট পৌছে দেয়া হলো। তিনি আহতের চিকিৎসা করতেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকাল-সন্ধ্যায় সা'দ (রাঃ)-র নিকট দিয়ে যেতে জিজ্ঞেস করতেনঃ তোমার দিন কেমন কাটলো, তোমার রাত কেমন কাটলো? তিনি তাকে (নিজ অবস্থা) অবহিত করতেন। (বুখারীর তারীখ)

بَابُ‏:‏ كَيْفَ أَصْبَحْتَ‏؟‏

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا ابْنُ الْغَسِيلِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ قَالَ‏:‏ لَمَّا أُصِيبَ أَكْحُلُ سَعْدٍ يَوْمَ الْخَنْدَقِ فَثَقُلَ، حَوَّلُوهُ عِنْدَ امْرَأَةٍ يُقَالُ لَهَا‏:‏ رُفَيْدَةُ، وَكَانَتْ تُدَاوِي الْجَرْحَى، فَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا مَرَّ بِهِ يَقُولُ‏:‏ كَيْفَ أَمْسَيْتَ‏؟‏، وَإِذَا أَصْبَحَ‏:‏ كَيْفَ أَصْبَحْتَ‏؟‏ فَيُخْبِرُهُ‏.‏

حدثنا أبو نعيم، قال‏:‏ حدثنا ابن الغسيل، عن عاصم بن عمر، عن محمود بن لبيد قال‏:‏ لما أصيب أكحل سعد يوم الخندق فثقل، حولوه عند امرأة يقال لها‏:‏ رفيدة، وكانت تداوي الجرحى، فكان النبي صلى الله عليه وسلم إذا مر به يقول‏:‏ كيف أمسيت‏؟‏، وإذا أصبح‏:‏ كيف أصبحت‏؟‏ فيخبره‏.‏


Mahmud ibn Labid said, "When Sa'd's eye was gravely wounded in the Battle of the Ditch, they moved him to the house of a woman called Rufayda who used to treat the wounded. When the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, passed by him, he would inquire, 'How are you this evening?' and in the morning, 'How are you this morning?' and he would tell him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫৩০- আপনার রাত কেমন কাটলো?

১১৪০। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যুব্যাধিগ্রস্ত অবস্থায় আলী (রাঃ) তার নিকট থেকে বের হয়ে আসলে লোকজন জিজ্ঞেস করে, হে আবুল হাসান! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রাত কেমন কাটলো? তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! তিনি সুস্থ অবস্থায় রাত কাটিয়েছেন। রাবী বলেন, আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) তার হাত ধরে জিজ্ঞেস করেন, আমি তো দেখছি তুমি তিন দিন পর লাঠির দাস হবে। আল্লাহর শপথ আমি তো দেখছি তিনি তাঁর এই রোগেই মৃত্যুবরণ করবেন। মৃত্যুর পূর্বে আবদুল মুত্তালিব বংশের লোকের চেহারা কেমন হয়ে যায় তা আমি জানি। অতএব চলো, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যাই এবং তাকে জিজ্ঞেস করি তাঁর পরে কে তার স্থলাভিষিক্ত হবে? যদি তা আমাদের মধ্যে থাকে তবে তো আমরা তা জেনে গেলাম। আর যদি তা আমাদের বহির্ভূত লোকদের মধ্যে চলে যায় তবে আমরা তাঁর সাথে কথা বলবো, (যাতে) তিনি আমাদের সম্পর্কে ওসিয়াত করে যান। আলী (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! যদি আমরা তাকে জিজ্ঞেস করি এবং তিনি আমাদেরকে (ঐ পদে সমাসীন হতে) নিষেধ করেন, তবে তার পরে লোকেরা আর কখনো আমাদেরকে ঐ পদ দিবে না। অতএব আল্লাহর শপথ! আমি এই বিষয়ে কখনো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করবো না। (বুখারী হাঃ ৪০৯৪, আহমাদ)

بَابُ‏:‏ كَيْفَ أَصْبَحْتَ‏؟‏

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى الْكَلْبِيُّ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ قَالَ‏:‏ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ الأَنْصَارِيُّ، قَالَ‏:‏ وَكَانَ كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ أَحَدَ الثَّلاَثَةِ الَّذِينَ تِيبَ عَلَيْهِمْ، أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ أَخْبَرَهُ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ خَرَجَ مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي وَجَعِهِ الَّذِي تُوُفِّيَ فِيهِ، فَقَالَ النَّاسُ‏:‏ يَا أَبَا الْحَسَنِ، كَيْفَ أَصْبَحَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم‏؟‏ قَالَ‏:‏ أَصْبَحَ بِحَمْدِ اللهِ بَارِئًا، قَالَ‏:‏ فَأَخَذَ عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ بِيَدِهِ، فَقَالَ‏:‏ أَرَأَيْتُكَ‏؟‏ فَأَنْتَ وَاللَّهِ بَعْدَ ثَلاَثٍ عَبْدُ الْعَصَا، وَإِنِّي وَاللَّهِ لَأَرَى رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم سَوْفَ يُتَوَفَّى فِي مَرَضِهِ هَذَا، إِنِّي أَعْرِفُ وُجُوهَ بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عِنْدَ الْمَوْتِ، فَاذْهَبْ بِنَا إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَلْنَسْأَلْهُ‏:‏ فِيمَنْ هَذَا الأَمْرُ‏؟‏ فَإِنْ كَانَ فِينَا عَلِمْنَا ذَلِكَ، وَإِنْ كَانَ فِي غَيْرِنَا كَلَّمْنَاهُ فَأَوْصَى بِنَا، فَقَالَ عَلِيٌّ‏:‏ إِنَّا وَاللَّهِ إِنْ سَأَلْنَاهُ فَمَنَعَنَاهَا لاَ يُعْطِينَاهَا النَّاسُ بَعْدَهُ أَبَدًا، وَإِنِّي وَاللَّهِ لاَ أَسْأَلُهَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَبَدًا‏.‏

حدثنا يحيى بن صالح، قال‏:‏ حدثنا إسحاق بن يحيى الكلبي، قال‏:‏ حدثنا الزهري قال‏:‏ أخبرني عبد الله بن كعب بن مالك الأنصاري، قال‏:‏ وكان كعب بن مالك أحد الثلاثة الذين تيب عليهم، أن ابن عباس أخبره، أن علي بن أبي طالب رضي الله عنه خرج من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم في وجعه الذي توفي فيه، فقال الناس‏:‏ يا أبا الحسن، كيف أصبح رسول الله صلى الله عليه وسلم‏؟‏ قال‏:‏ أصبح بحمد الله بارئا، قال‏:‏ فأخذ عباس بن عبد المطلب بيده، فقال‏:‏ أرأيتك‏؟‏ فأنت والله بعد ثلاث عبد العصا، وإني والله لأرى رسول الله صلى الله عليه وسلم سوف يتوفى في مرضه هذا، إني أعرف وجوه بني عبد المطلب عند الموت، فاذهب بنا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلنسأله‏:‏ فيمن هذا الأمر‏؟‏ فإن كان فينا علمنا ذلك، وإن كان في غيرنا كلمناه فأوصى بنا، فقال علي‏:‏ إنا والله إن سألناه فمنعناها لا يعطيناها الناس بعده أبدا، وإني والله لا أسألها رسول الله صلى الله عليه وسلم أبدا‏.‏


It is related from Ka'b ibn Malik, who was one of the three to whom Allah turned that Ibn 'Abbas informed him that 'Ali ibn Abi Talib emerged from the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, in his illness from which he died and the people said, "O Abu'l-Hasan! How is the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, this morning?" He said, "Praise be to Allah, he is well this morning." 'Abbas ibn 'Abdu'l-Muttalib took him by the hand and said to him, "By Allah, in three days time you will be a subject. By Allah, I think that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, will die of this illness. I recognise death in the faces of the Banu Abdu'l-Muttalib when they are dying. Let us go to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and ask him who will have this authority. If it is for us, then we will know that, and if it is for other than us, we will know it and he can advise him to look after us." 'Ali replied, "By Allah, if we ask him for it and he refuses us, then the people would never give it to us afterwards. By Allah, I will not ask it from the Messenger of Allah."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫৩১- যে ব্যক্তি পত্রের সমাপ্তিতে আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ লিখে এবং তার সাথে প্রেরকের নাম-ঠিকানা ও পত্র প্রেরণের তারিখও লিখে।

১১৪১। ইবনে আবুয যিনাদ (রহঃ) বলেন, আমার পিতা আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নিম্নোক্ত পত্রটি খারিজা ইবনে যায়েদ (রহঃ) ও যায়েদ পরিবারের প্রবীণদের নিকট থেকে পেয়েছেনঃ বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। যায়েদ ইবনে সাবিতের পক্ষ থেকে আল্লাহর বান্দা ও মুমিনদের নেতা মুআবিয়াকে। আমীরুল মুমিনীন! আপনাকে সালাম ও আল্লাহর রহমত। আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করছি, যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নাই। অতঃপর আপনি আমাকে দাদা বা নানা ও বোনদের ওয়ারিসী স্বত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন (অতঃপর চিঠির বিষয়বস্তু উক্ত হয়েছে)। আমরা আল্লাহর নিকট সৎপথ প্রাপ্তি, সুস্থ স্মরণশক্তি ও আমাদের সকল কাজ সুষ্ঠভাবে বুঝবার তৌকীক কামনা করি। অপরদিকে আমরা আল্লাহর কাছে পথভ্রষ্ট হওয়া থেকে, মূর্খতা প্রসূত আচরণ করা থেকে এবং আমাদের জ্ঞান বহির্ভূত দায়িত্ব থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হে আমীরুল মুমিনীন! আপনার উপর শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক এবং তিনি আপনাকে ক্ষমা করুন। উহাইব (রহঃ) এই পত্ৰখানা বিয়াল্লিশ হিজরীর রমযান মাসের বারো দিন অবশিষ্ট থাকতে বৃহস্পতিবার লিপিবদ্ধ করেন। (বাযযার)

بَابُ مَنْ كَتَبَ آخِرَ الْكِتَابِ‏:‏ السّلامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ‏:‏ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ قَالَ‏:‏ حَدَّثَنِي أَبِي، أَنَّهُ أَخَذَ هَذِهِ الرِّسَالَةَ مِنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ، وَمِنْ كُبَرَاءِ آلِ زَيْدٍ‏:‏ بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ، لِعَبْدِ اللهِ مُعَاوِيَةَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، مِنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ‏:‏ سَلاَمٌ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللهِ، فَإِنِّي أَحْمَدُ إِلَيْكَ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ، أَمَّا بَعْدُ‏:‏ فَإِنَّكَ تَسْأَلُنِي عَنْ مِيرَاثِ الْجَدِّ وَالإِخْوَةِ، فَذَكَرَ الرِّسَالَةَ، وَنَسْأَلُ اللَّهَ الْهُدَى وَالْحِفْظَ وَالتَّثَبُّتَ فِي أَمْرِنَا كُلِّهِ، وَنَعُوذُ بِاللَّهِ أَنْ نَضِلَّ، أَوْ نَجْهَلَ، أَوْ نُكَلَّفَ مَا لَيْسَ لَنَا بِهِ عِلْمٌ، وَالسَّلاَمُ عَلَيْكَ أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ وَمَغْفِرَتُهُ‏.‏ وَكَتَبَ وُهَيْبٌ‏:‏ يَوْمَ الْخَمِيسِ لِثِنْتَيْ عَشْرَةَ بَقِيَتْ مِنْ رَمَضَانَ سَنَةَ اثْنَيْنِ وَأَرْبَعِينَ‏.‏

حدثنا ابن أبي مريم، قال‏:‏ أخبرنا ابن أبي الزناد قال‏:‏ حدثني أبي، أنه أخذ هذه الرسالة من خارجة بن زيد، ومن كبراء آل زيد‏:‏ بسم الله الرحمن الرحيم، لعبد الله معاوية أمير المؤمنين، من زيد بن ثابت‏:‏ سلام عليك أمير المؤمنين ورحمة الله، فإني أحمد إليك الله الذي لا إله إلا هو، أما بعد‏:‏ فإنك تسألني عن ميراث الجد والإخوة، فذكر الرسالة، ونسأل الله الهدى والحفظ والتثبت في أمرنا كله، ونعوذ بالله أن نضل، أو نجهل، أو نكلف ما ليس لنا به علم، والسلام عليك أمير المؤمنين ورحمة الله وبركاته ومغفرته‏.‏ وكتب وهيب‏:‏ يوم الخميس لثنتي عشرة بقيت من رمضان سنة اثنين وأربعين‏.‏



Ibn Abi-Zinad related from his father that he tool this letter from Kharija ibn Zayd and from the great members of the family of Zayd:
"In the Name of Allah, the All-Merciful, Most Merciful. To the slave of Prophet, Mu'awiya, the Amir al-Mu'minin, from Zayd ibn Thabit. Peace be upon you, Amir al-Mu'minin, and the mercy of Allah. I praise Allah to you. There is no god but Him. Following on from that, you asked me about the inheritance of the grandfather and brothers (and he mentioned the letter). We ask Allah for guidance, preservation and firmness in all our affairs. We seek refuge with Allah from being misguided or ignorant or taking on what we have no knowledge of. Peace be upon you, Amir al-Mu'minin, and the mercy of Allah and His blessings and His forgiveness. Wuhayb has written it on Thursday, the 20th Ramadan, 42 (AH)."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫৩২- আপনি কেমন আছেন?

১১৪২। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে এক ব্যক্তি সালাম দিলো। তিনি সালামের উত্তর দিয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করেন, তুমি কেমন আছো? সে বললো, আমি আপনার সমীপে আল্লাহর প্রশংসা করছি। উমার (রাঃ) বলেন, আমি তোমার নিকট এটাই আশা করছিলাম। (মুয়াত্তা মালিক)

بَابُ‏:‏ كَيْفَ أَنْتَ‏؟‏

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ‏:‏ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، وَسَلَّمَ عَلَيْهِ رَجُلٌ فَرَدَّ السَّلاَمَ، ثُمَّ سَأَلَ عُمَرُ الرَّجُلَ‏:‏ كَيْفَ أَنْتَ‏؟‏ فَقَالَ‏:‏ أَحْمَدُ اللَّهَ إِلَيْكَ، فَقَالَ عُمَرُ‏:‏ هَذَا الَّذِي أَرَدْتُ مِنْكَ‏.‏

حدثنا إسماعيل قال‏:‏ حدثني مالك، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، أنه سمع عمر بن الخطاب رضي الله عنه، وسلم عليه رجل فرد السلام، ثم سأل عمر الرجل‏:‏ كيف أنت‏؟‏ فقال‏:‏ أحمد الله إليك، فقال عمر‏:‏ هذا الذي أردت منك‏.‏


Anas ibn Malik reported that he heard 'Umar ibn al-Khattab being greeted by a man and he returned the greeting. Then 'Umar asked the man, "How are you?" The man replied, "I praise Allah to you." 'Umar said, :
This is what I wanted to hear from you."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫৩৩- কোন ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন গেলো? সে কিভাবে এর জবাব দিবে?

১১৪৩। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন কাটলো? তিনি বলেনঃ ভালোভাবেই কেটেছে, এমন জনগোষ্ঠীর তুলনায় যারা কোন জানাযায় উপস্থিত হয়নি এবং রুগ্ন ব্যক্তিকেও দেখতে যায়নি। (ইবনে মাজাহ হাঃ ৩৭১০)

بَابُ‏:‏ كَيْفَ يُجِيبُ إِذَا قِيلَ لَهُ‏:‏ كَيْفَ أَصْبَحْتَ‏؟‏

حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ سَلَمَةَ الْمَكِّيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ‏:‏ قِيلَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم‏:‏ كَيْفَ أَصْبَحْتَ‏؟‏ قَالَ‏:‏ بِخَيْرٍ مِنْ قَوْمٍ لَمْ يَشْهَدُوا جَنَازَةً، وَلَمْ يَعُودُوا مَرِيضًا‏.‏

حدثنا أبو عاصم، عن عبد الله بن مسلم، عن سلمة المكي، عن جابر بن عبد الله‏:‏ قيل للنبي صلى الله عليه وسلم‏:‏ كيف أصبحت‏؟‏ قال‏:‏ بخير من قوم لم يشهدوا جنازة، ولم يعودوا مريضا‏.‏


Jabir ibn 'Abdullah reported that the Prophet, may Allah bless him and grant him peace, was asked, "How are you this morning?" He replied, "Well. Away from people who do not attend funerals or visit sick people."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫৩৩- কোন ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন গেলো? সে কিভাবে এর জবাব দিবে?

১১৪৪। মুহাজির (রহঃ) বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদারামাওতবাসী এক স্থূলকায় সাহাবীর মজলিসে বসতাম। তাকে যখন বলা হতো, আপনার রাত কেমন কেটেছে, তখন তিনি বলতেন, আমরা আল্লাহর সাথে শরীক করি না।

بَابُ‏:‏ كَيْفَ يُجِيبُ إِذَا قِيلَ لَهُ‏:‏ كَيْفَ أَصْبَحْتَ‏؟‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ مُهَاجِرٍ هُوَ الصَّائِغُ، قَالَ‏:‏ كُنْتُ أَجْلِسُ إِلَى رَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ضَخْمٍ مِنَ الْحَضْرَمِيِّينَ، فَكَانَ إِذَا قِيلَ لَهُ‏:‏ كَيْفَ أَصْبَحْتَ‏؟‏ قَالَ‏:‏ لا نُشْرِكُ بِاللَّهِ‏.‏

حدثنا محمد بن الصباح، قال‏:‏ حدثنا شريك، عن مهاجر هو الصائغ، قال‏:‏ كنت أجلس إلى رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ضخم من الحضرميين، فكان إذا قيل له‏:‏ كيف أصبحت‏؟‏ قال‏:‏ لا نشرك بالله‏.‏


Muhajir (who is as-Sa'igh) said, "I was sitting with one of the Companions of the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, called Dakhm, from al-Hadramaym. When someone asked him, 'How are you this morning?' Dakhm replied, 'We do not associate anything with Allah.'"


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান

পরিচ্ছেদঃ ৫৩৩- কোন ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনার রাত কেমন গেলো? সে কিভাবে এর জবাব দিবে?

১১৪৫। সাইফ ইবনে ওয়াহব (রহঃ) বলেন, আবু তুফাইল (রাঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তোমার বয়স কতো? আমি বললাম, তেত্রিশ বছর। তিনি বলেন, আমি কি তোমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করবো না, যা আমি হুযায়ফা (রাঃ)-এর নিকট শুনেছি? আমর ইবনে সুলাই (রাঃ) নামক মুহারিব খাসফার এক ব্যক্তি, যিনি সাহাবী ছিলেন এবং যিনি ছিলেন তখন আমার বয়সী এবং আমি ছিলাম তোমার বয়সী। আমরা এক মসজিদে হুযায়ফা (রাঃ)-র নিকট আসলাম। আমি সমাবেশের একেবারে শেষ প্রান্তে বসলাম। আমর (রাঃ) উঠে গিয়ে হুযায়ফা (রাঃ)-র সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর বান্দা! আপনার রাত কেমন কেটেছে বা আপনার দিন কেমন কেটেছে? তিনি বলেন, আমি আল্লাহর প্রশংসা করি। তিনি জিজ্ঞেস করেন, এসব কি কথা যা আপনার বরাতে আমাদের নিকট পৌঁছে?

হুযায়ফা (রাঃ) বলেন, হে আমর! আমার বরাতে তোমার নিকট কি পৌঁছেছে? তিনি বলেন, এমন কতক হাদীস যা আমি কখনো শুনিনি। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ আমি যদি তোমার নিকট সেইসব হাদীস বর্ণনা করি যা আমি শুনি, তাহলে তোমরা এই রাতের কিয়দংশ-ও তুমি আমার সাথে অপেক্ষা করবে না। কিন্তু হে আমর ইবনে সুলাই! যখন তুমি দেখবে যে, কায়েস গোত্র সিরিয়ার কর্তৃত্ব লাভ করেছে তখন সাবধান, আত্মরক্ষা করো। আল্লাহর শপথ! কায়েস গোত্র আল্লাহর কোনও মুমিন বান্দাকে ভীত-সন্ত্রস্ত অথবা হত্যা না করে ক্ষান্ত হবে না। আল্লাহর শপথ! তাদের সামনে এমন এক যুগ আসবে যখন তারা যে কোন গুনাহের কাজ না করে ছাড়বে না। আমর (রাঃ) বলেন, আল্লাহ আপনাকে দয়া করুন, আপনি আপনার জনগোষ্ঠীকে কিভাবে বশীভূত করবেন? তিনি বলেন, এটা তো আমারও দুশ্চিন্তার বিষয়। আতঃপর তিনি বসে পড়লেন। (হাকিম)

بَابُ‏:‏ كَيْفَ يُجِيبُ إِذَا قِيلَ لَهُ‏:‏ كَيْفَ أَصْبَحْتَ‏؟‏

حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا رِبْعِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْجَارُودِ الْهُذَلِيُّ، قَالَ‏:‏ حَدَّثَنَا سَيْفُ بْنُ وَهْبٍ قَالَ‏:‏ قَالَ لِي أَبُو الطُّفَيْلِ‏:‏ كَمْ أَتَى عَلَيْكَ‏؟‏ قُلْتُ‏:‏ أَنَا ابْنُ ثَلاَثٍ وَثَلاَثِينَ، قَالَ‏:‏ أَفَلاَ أُحَدِّثُكَ بِحَدِيثٍ سَمِعْتُهُ مِنْ حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ‏:‏ إِنَّ رَجُلاً مِنْ مُحَارِبِ خَصَفَةَ، يُقَالُ لَهُ‏:‏ عَمْرُو بْنُ صُلَيْعٍ، وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ، وَكَانَ بِسِنِّي يَوْمَئِذٍ وَأَنَا بِسِنِّكَ الْيَوْمَ، أَتَيْنَا حُذَيْفَةَ فِي مَسْجِدٍ، فَقَعَدْتُ فِي آخِرِ الْقَوْمِ، فَانْطَلَقَ عَمْرٌو حَتَّى قَامَ بَيْنَ يَدَيْهِ، قَالَ‏:‏ كَيْفَ أَصْبَحْتَ، أَوْ كَيْفَ أَمْسَيْتَ يَا عَبْدَ اللهِ‏؟‏ قَالَ‏:‏ أَحْمَدُ اللَّهَ، قَالَ‏:‏ مَا هَذِهِ الأَحَادِيثُ الَّتِي تَأْتِينَا عَنْكَ‏؟‏ قَالَ‏:‏ وَمَا بَلَغَكَ عَنِّي يَا عَمْرُو‏؟‏ قَالَ‏:‏ أَحَادِيثُ لَمْ أَسْمَعْهَا، قَالَ‏:‏ إِنِّي وَاللَّهِ لَوْ أُحَدِّثُكُمْ بِكُلِّ مَا سَمِعْتُ مَا انْتَظَرْتُمْ بِي جُنْحَ هَذَا اللَّيْلِ، وَلَكِنْ يَا عَمْرُو بْنَ صُلَيْعٍ، إِذَا رَأَيْتَ قَيْسًا تَوَالَتْ بِالشَّامِ فَالْحَذَرَ الْحَذَرَ، فَوَاللَّهِ لاَ تَدَعُ قَيْسٌ عَبْدًا لِلَّهِ مُؤْمِنًا إِلاَّ أَخَافَتْهُ أَوْ قَتَلَتْهُ، وَاللَّهِ لَيَأْتِيَنَّ عَلَيْهِمْ زَمَانٌ لاَ يَمْنَعُونَ فِيهِ ذَنَبَ تَلْعَةٍ، قَالَ‏:‏ مَا يَنْصِبُكَ عَلَى قَوْمِكَ يَرْحَمُكَ اللَّهُ‏؟‏ قَالَ‏:‏ ذَاكَ إِلَيَّ، ثُمَّ قَعَدَ‏.‏

حدثنا موسى، قال‏:‏ حدثنا ربعي بن عبد الله بن الجارود الهذلي، قال‏:‏ حدثنا سيف بن وهب قال‏:‏ قال لي أبو الطفيل‏:‏ كم أتى عليك‏؟‏ قلت‏:‏ أنا ابن ثلاث وثلاثين، قال‏:‏ أفلا أحدثك بحديث سمعته من حذيفة بن اليمان‏:‏ إن رجلا من محارب خصفة، يقال له‏:‏ عمرو بن صليع، وكانت له صحبة، وكان بسني يومئذ وأنا بسنك اليوم، أتينا حذيفة في مسجد، فقعدت في آخر القوم، فانطلق عمرو حتى قام بين يديه، قال‏:‏ كيف أصبحت، أو كيف أمسيت يا عبد الله‏؟‏ قال‏:‏ أحمد الله، قال‏:‏ ما هذه الأحاديث التي تأتينا عنك‏؟‏ قال‏:‏ وما بلغك عني يا عمرو‏؟‏ قال‏:‏ أحاديث لم أسمعها، قال‏:‏ إني والله لو أحدثكم بكل ما سمعت ما انتظرتم بي جنح هذا الليل، ولكن يا عمرو بن صليع، إذا رأيت قيسا توالت بالشام فالحذر الحذر، فوالله لا تدع قيس عبدا لله مؤمنا إلا أخافته أو قتلته، والله ليأتين عليهم زمان لا يمنعون فيه ذنب تلعة، قال‏:‏ ما ينصبك على قومك يرحمك الله‏؟‏ قال‏:‏ ذاك إلي، ثم قعد‏.‏


Sayf ibn Wahb reported that Abu't-Tufayl asked him, "How old are you?" "Thirty-three years old," he replied. He said, "Shall I tell you a hadith which I heard from Hudhayfa ibn al-Yaman? A man from Muharib ibn Khasafa called 'Amr ibn Sulay', a Companion, was my age on that day and I was your age. Hudhayfa came to us in the mosque and sat at the edge of the people. 'Amr went over until he was standing in front of him and asked, 'How are you this morning (or evening), slave of Allah?' Hudhayfa said, 'I praise Allah.' 'Amr said, 'What are these hadiths which have come to us from you?' Hudhayfa said, 'What have you heard from me, 'Amr?' He said, 'Hadiths which I have not heard from anywhere else.' Hudhayfa said, 'By Allah, if I were to relate to you all that I have heard, you would be here with me until the middle of the night. 'Amr ibn Sulay', if you see Qays taking control of Syria, then beware and again beware. By Allah, Qays will not leave a believing slave of Allah without causing him to be in a state of fear or killing him. By Allah, a time will come to you in which the flood will not be stopped.' He said, 'Then what will help you against your people, may Allah have mercy on you?' He said, 'That is my business.' Then he sat down."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
আল-আদাবুল মুফরাদ
চিঠিপত্রের আদান-প্রদান
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১৯ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৯ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে