৩৬০৫

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬০৫। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) মালিক থেকে, তিনি ইবন শিহাব থেকে এবনফ তিনি সাহল ইবনু সা’দ সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, উয়ায়মির আজলানী (রাঃ) আসিম ইবনু আদী আনসারী (রাঃ)-এর কাছে এসে তাকে বললেন, হে আসিম! যদি কেউ তার স্ত্রীর সাথে অন্য কোন পুরুষকে (সঙ্গম করতে) পায়; তবে তোমার অভিমত কি? সে কি তাকে হত্যা করবে? আর তখন তো তোমরা তাকে (কিসাসের বিনিময়ে) হত্যা করবে। যদি তা না হয় তবে সে কী করবে? হে আসিম! তুমি আমার জন্য এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা কর। তখন আসিম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলেন। কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই রকম প্রশ্ন করা অপছন্দ করলেন এবং এটি দুষনীয় মনে করলেন।

ফলে আসিম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট থেকে যা শুনলেন এতে বড়ই দুঃখিত হলেন। যখন আসিম ফিরে এলেন, তখন উয়ায়মির তার কাছে এসে বললেন, হে আসিম! রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কী বলেছেন? আসিম উয়ায়মিরকে বললেন, তুমি আমার কাছে ভাল কাজ নিয়ে আস নি। তুমি যে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে বলেছ তা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুবই অপছন্দ করেছেন। উয়ায়মির (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি এই বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা না করে ক্ষান্ত হব না। তখন উয়ায়মির গেলেন এবং লোক সমাবেশে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে তাকে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সংগে অন্য কোন পুরুষকে (সঙ্গম করতে) দেখতে পাহা তাহলে সে কি তাকে কতল করে ফেলবে? এরপর তো (কিসাস হিসাবে) আপনারা তাকে কতল করে ফেলবেন। অথবা সে কী করবে?

তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে (আল্লাহর) হুকুম নাযিল হয়েছে। তুমি যাও, তোমার স্ত্রীকে নিয়ে এসো। সাহল বললেন, এরপর তারা উভয় (স্বামী -স্ত্রী) লিআন করলেন। আর আমিও তখন লোকজনদের সাথে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। যখন তারা লি’আন সমাধা করলেন তখন উয়ায়মির বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! যদি আমি তাকে আমার স্ত্রীত্বে বহাল রাখি তাহলে তো আমি তার উপর মিথ্যারোপকারী সাব্যস্ত হবো। একথা বলেই তিনি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দেওয়ার আগেই। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, তখন থেকে লি’আনকারীদের জন্য এটাই সুন্নাত হিসেবে সাব্যস্ত হল।

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ، السَّاعِدِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُوَيْمِرًا الْعَجْلاَنِيَّ جَاءَ إِلَى عَاصِمِ بْنِ عَدِيٍّ الأَنْصَارِيِّ فَقَالَ لَهُ أَرَأَيْتَ يَا عَاصِمُ لَوْ أَنَّ رَجُلاً وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً أَيَقْتُلُهُ فَتَقْتُلُونَهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ فَسَلْ لِي عَنْ ذَلِكَ يَا عَاصِمُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَسَأَلَ عَاصِمٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَسَائِلَ وَعَابَهَا حَتَّى كَبُرَ عَلَى عَاصِمٍ مَا سَمِعَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا رَجَعَ عَاصِمٌ إِلَى أَهْلِهِ جَاءَهُ عُوَيْمِرٌ فَقَالَ يَا عَاصِمُ مَاذَا قَالَ لَكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ عَاصِمٌ لِعُوَيْمِرٍ لَمْ تَأْتِنِي بِخَيْرٍ قَدْ كَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَسْأَلَةَ الَّتِي سَأَلْتُهُ عَنْهَا ‏.‏ قَالَ عُوَيْمِرٌ وَاللَّهِ لاَ أَنْتَهِي حَتَّى أَسْأَلَهُ عَنْهَا ‏.‏ فَأَقْبَلَ عُوَيْمِرٌ حَتَّى أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَسَطَ النَّاسِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ رَجُلاً وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً أَيَقْتُلُهُ فَتَقْتُلُونَهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قَدْ نَزَلَ فِيكَ وَفِي صَاحِبَتِكَ فَاذْهَبْ فَأْتِ بِهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سَهْلٌ فَتَلاَعَنَا وَأَنَا مَعَ النَّاسِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا فَرَغَا قَالَ عُوَيْمِرٌ كَذَبْتُ عَلَيْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ أَمْسَكْتُهَا ‏.‏ فَطَلَّقَهَا ثَلاَثًا قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ فَكَانَتْ سُنَّةَ الْمُتَلاَعِنَيْنِ ‏.‏

وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ابن شهاب، ان سهل بن سعد، الساعدي اخبره ان عويمرا العجلاني جاء الى عاصم بن عدي الانصاري فقال له ارايت يا عاصم لو ان رجلا وجد مع امراته رجلا ايقتله فتقتلونه ام كيف يفعل فسل لي عن ذلك يا عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فسال عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم المساىل وعابها حتى كبر على عاصم ما سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رجع عاصم الى اهله جاءه عويمر فقال يا عاصم ماذا قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عاصم لعويمر لم تاتني بخير قد كره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسالة التي سالته عنها ‏.‏ قال عويمر والله لا انتهي حتى اساله عنها ‏.‏ فاقبل عويمر حتى اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم وسط الناس فقال يا رسول الله ارايت رجلا وجد مع امراته رجلا ايقتله فتقتلونه ام كيف يفعل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد نزل فيك وفي صاحبتك فاذهب فات بها ‏"‏ ‏.‏ قال سهل فتلاعنا وانا مع الناس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما فرغا قال عويمر كذبت عليها يا رسول الله ان امسكتها ‏.‏ فطلقها ثلاثا قبل ان يامره رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال ابن شهاب فكانت سنة المتلاعنين ‏.‏


Sahl b. Sa'd al-Sa'idi reported that'Uwaimir al-'Ajlani came to 'Asim b. 'Adi al-Ansari and said to him. Tell me about a person who finds a man with his wife; should he kill him, and be killed In retaliation; or how should he act? 'Asim, ask for me (religious verdict about it) from Allah's Messenger (ﷺ). So 'Asim asked Allah's Messenger (ﷺ) and he did not like this question and he disapproved of it so much that'Asim felt aggrieved at what he had heard from Allah's Messenger (ﷺ). When 'Asim came back to his family, 'Uwaimir came to him and said:
'Asim, what did Allah's Messenger (ﷺ) say to you? 'Asim said to 'Uwaimir: You did not bring something good. Allah's Messenger (ﷺ) did not like this religious verdict that I sought from him. 'Uwaimir said: By Allah, I will not rest until I have asked him about it. 'Uwaimir proceeded until he came to Allah's Messenger (ﷺ) as he was sitting amidst people, and said: Messenger of Allah, tell me about a person who found a man with his wife. Should he kill him, and then you would kill him, or how should he act? Thereupon Allah's Messenger (ﷺ) said: (Verses) have been revealed concerning you and your wife; so go and bring her. Sahl said that they both invoked curses (and further said): I was along with people in the company of Allah's Messenger (ﷺ). And when they had finished, Uwaimir said: Allah's Messenger, I shall have told a lie against her if I keep her (now). So he divorced her with three pronouncements before Allah's Messenger (ﷺ) had commanded him. Ibn Shihab said: Subsequently that was the practice of invokers of curses (al Mutala'inain)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬০৬

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬০৬। হারামালা ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, আজলান গোত্রের উয়ায়মির আনাসারী আসিম ইবনু আদীর কাছে এলেন ...... পরবর্তী অংশ মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তিনি তার হাদীসে একথাও বলেছেন, ““উয়ায়ামির তার স্ত্রীকে পৃথক করে দেওয়াতে পরবর্তীতে লি’আনকারীদ্বয়ের জন্য তা সুন্নাত রূপে পরিগণিত হল।” তিনি তার বর্ণনায় আরও উল্লেখ করেছেন, “সাহল বলেছেন- সে মহিলাটি ছিল গর্তবতী। সে গর্ভজাত সন্তানটি পরবর্তীতে তারই পুত্র হিসেবে গণ্য হয়।” এরপর এই বিধান প্রবর্তিত হল যে, সে তার মায়ের উত্তরাধিকারী হবে এবং তার মা আল্লাহর নির্ধারিত হিস্যা হিসেবে তার থেকে মিরাসের অধিকারী হবে।

وَحَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي سَهْلُ بْنُ سَعْدٍ الأَنْصَارِيُّ، أَنَّ عُوَيْمِرًا الأَنْصَارِيَّ، مِنْ بَنِي الْعَجْلاَنِ أَتَى عَاصِمَ بْنَ عَدِيٍّ ‏.‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ حَدِيثِ مَالِكٍ وَأَدْرَجَ فِي الْحَدِيثِ قَوْلَهُ وَكَانَ فِرَاقُهُ إِيَّاهَا بَعْدُ سُنَّةً فِي الْمُتَلاَعِنَيْنِ ‏.‏ وَزَادَ فِيهِ قَالَ سَهْلٌ فَكَانَتْ حَامِلاً فَكَانَ ابْنُهَا يُدْعَى إِلَى أُمِّهِ ‏.‏ ثُمَّ جَرَتِ السُّنَّةُ أَنَّهُ يَرِثُهَا وَتَرِثُ مِنْهُ مَا فَرَضَ اللَّهُ لَهَا ‏.‏

وحدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني سهل بن سعد الانصاري، ان عويمرا الانصاري، من بني العجلان اتى عاصم بن عدي ‏.‏ وساق الحديث بمثل حديث مالك وادرج في الحديث قوله وكان فراقه اياها بعد سنة في المتلاعنين ‏.‏ وزاد فيه قال سهل فكانت حاملا فكان ابنها يدعى الى امه ‏.‏ ثم جرت السنة انه يرثها وترث منه ما فرض الله لها ‏.‏


Sahl b. Sa'd reported.. 'Uwaimir al-Ansari (Allah be pleased with him) from Banu'l-'Ajlan came to 'Asim b. 'Adi (Allah be pleased with him) the remaining part of the hadith is the same and it was also reecorded in it:
" And subsequebtly the separation became the practice of al-Mutala'inain." And this addition was also made:" She was pregnant and her son was ascribed to her, and it became customary that such (a son) would inherit her and she would inherit him in the share prescribed by Allah for her.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা'দ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬০৭

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬০৭। মুহাম্মদ ইবনু রাফি (রহঃ) ... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে ইবনু শিহাব (রহঃ) বনু সাঈদা গোত্রের সাহল ইবনু সা’দ বর্ণিত দুই লি’আনকারী ও তার বিধান সম্পর্কে অবহিত করেছেন। তিনি (সাহল) বলেন, জনৈক আনসারী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন এবং বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! যদি কোন লোক তার স্ত্রীর সঙ্গে (সঙ্গম করতে) অন্য কোন পুরুষকে দেখতে পায় তাহলে সে সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? এরপর পুরো ঘটনাসহ হাদীস বর্ণনা করেন। এতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, উভয়ে (সামী-স্ত্রী) মসজিদের ভেতরে লি’আন করলেন আর আমি উপস্থিত ছিলাম। আর তিনি এ হাদীসে বলেছেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন নির্দেশ দেওয়ার পূর্বেই তিনি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সম্মুখেই তাকে পৃথক করে দেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটাই উভয় লি’আনকারীর মধ্যকার বিচ্ছেদ।

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنِ الْمُتَلاَعِنَيْنِ، وَعَنِ السُّنَّةِ، فِيهِمَا عَنْ حَدِيثِ، سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ أَخِي بَنِي سَاعِدَةَ أَنَّ رَجُلاً، مِنَ الأَنْصَارِ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ رَجُلاً وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً وَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِقِصَّتِهِ ‏.‏ وَزَادَ فِيهِ فَتَلاَعَنَا فِي الْمَسْجِدِ وَأَنَا شَاهِدٌ ‏.‏ وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ فَطَلَّقَهَا ثَلاَثًا قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَفَارَقَهَا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ذَاكُمُ التَّفْرِيقُ بَيْنَ كُلِّ مُتَلاَعِنَيْنِ ‏"‏ ‏.‏

وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، اخبرني ابن شهاب، عن المتلاعنين، وعن السنة، فيهما عن حديث، سهل بن سعد اخي بني ساعدة ان رجلا، من الانصار جاء الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ارايت رجلا وجد مع امراته رجلا وذكر الحديث بقصته ‏.‏ وزاد فيه فتلاعنا في المسجد وانا شاهد ‏.‏ وقال في الحديث فطلقها ثلاثا قبل ان يامره رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ ففارقها عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ذاكم التفريق بين كل متلاعنين ‏"‏ ‏.‏


Ibn Shihab narrated about the invokers of curses and the practice of (li'an) based on the authority of Sahl b. Sa'd, of the tribe of Sa'ida. that a person from the Ansar came to Allah's Apostle (ﷺ) and said:
Allah's Messenger, tell me about the person who found a man with his wife. The remaining part of the hadith is the same (but) with this addition: They invoked curses in the mosque and I was present there. And he narrated in the hadith: He divorced her with three pronouncements before Allah's Messenger (ﷺ) commanded him (to get separation). He separated from her in the presence of Allah's Apostle (ﷺ), whereupon he said: There is a separation between the invokers of curses.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু জুরায়জ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬০৮

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬০৮। মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুসআবের স্ত্রীর ব্যাপারে আমাকে দুই লি’আনকারীর মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, তাদের বিচ্ছিন্ন করা হবে কি না। তিনি বলেন, তখন আমি কী বলব তা আমার ভাষা ছিল না এরপর আমি মক্কায় ইবনু উমর (রাঃ) এর বাসভবনে গেলাম। আমি তার গোলামকে বললাম, আমার জন্য অনুমতি নিয়ে এসো। সে বলল, তিনি এখন বিশ্রাম নিচ্ছেন। কিন্তু তিনি আমার কণ্ঠস্বর শুনতে পেলেন। তিনি বললেন, ইবনু জুবায়র? আমি বললাম, হাঁ। তিনি বললেন, ভিতরে এসো। আল্লাহর কসম! এই সময় তোমার বিশেষ প্রয়োজনই নিয়ে এসেছে।

আমি ভিতরে গিয়ে দেখতে পেলাম তিনি একটি কম্বল বিছিয়ে একটি বালিশের উপর হেলান দিয়ে আছেন। বালিশটি খেজুর ছোবড়ায় ভর্তি ছিলো। আমি বললাম, হে আবূ আবদুর রহমান! দু’জন লি আনকারী এদের কি পৃথক করা হবে? তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! হাঁ। সর্বপ্রথম এই বিষয়ে অমুকের পুত্র অমুক জিজ্ঞেস করেছিল। সে বলেছিল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনি কী বলেন, যদি আমাদের মধ্যে কেউ তার স্ত্রীকে অশ্লীল কাজে লিপ্ত দেখতে পায় তাহলে সে কী করবে? যদি সে বলাবলি করে তাহলে তো গুরুতর আকার ধারণ করবে। যদি সে নীরব থাকে, তাহলে এমন সাংঘাতিক বিষয়ে কি করে নীরব থাকবে?

তিনি বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ রইলেন; কোন উত্তর দিলেন না। সে ব্যক্তি আবার তার কাছে এসে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! যে বিষয়টি সম্পর্কে ইতিপূর্বে আমি আপনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমার নিজের উপরই তা ঘটেছে। তখন আল্লাহ সূরা নূরের এই আয়াত গুলো নাযিল করেনঃ "আর যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ তারা নিজেরা ব্যতীত তাদের কোন সাক্ষী নেই, তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্যের ধরন হরে এই যে, সে চারবার আল্লাহর নামে কসম করে বলবে, সে অবশ্যি সত্যবাদী এবং পঞ্চমবার বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর আল্লাহর লানত বর্ষিত হবে। আর স্ত্রীর শাস্তি রহিত করা হবে যদি সে চারবার আল্লাহর নামে কসম করে সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামীই মিথ্যাবাদী এবং পঞ্চমবারে বলবে, তার স্বামী সত্যবাদী হলে তার নিজের উপর নেমে আসবে আল্লাহর গযব" (সূরা নূরঃ ৬-৯)।

তিনি তাকে এই আয়াতগুলো তিলাওয়াত করে শোনালেন। এরপর তাকে নসীহত করলেন এবং স্মরণ করিয়ে দিলেন যে, দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তির তুলনায় সহজতর। সে বলল, না। সেই মহান সত্তার কসম যিনি আপনাকে নবী হিসেবে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি তার (আমার স্ত্রীর) উপর কোন মিথ্যা আরোপ করি নি। এরপর তিনি মহিলাকে ডেকে পাঠালেন এবং এবং তাকে নসীহার করলেন, তাকে পরকালের ভয় দেখালেন, সর্বোপরি তাকে জানিয়ে দিলেন যে, দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তির তুলনায় সহজতর। সে বলল, না সেই মহান সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরন করেছেন, নিশ্চয়ই সে মিথ্যাবাদী।

এরপর তিনি পুরুষ লোকটির দ্বারা লি’আন বাক্য পাঠ করাতে শুরু করলেন। তখন সে চারবার আল্লাহর নামে কসম করে সাক্ষ্য দিল যে, সে তার কথায় সত্যবাদী। পঞ্চমবারে সে বলল, যদি সে মিথ্যবাদী হয় তা হলে তার উপর আল্লাহর অভিশাপ নেমে আসুক। এরপর তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রীলোকটিকে ডেকে পাঠালেন। সেও আল্লাহর নামে কসম করে চারবার সাক্ষ্য দিল যে, সে মিথ্যাবাদী। পঞ্চমবারে সে বলল, যদি সে (তার স্বামী) সত্যবাদী হয় তাহলে তার (মহিলার) উপর আল্লাহর গযব পতিত হোক। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়কে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ، جُبَيْرٍ قَالَ سُئِلْتُ عَنِ الْمُتَلاَعِنَيْنِ، فِي إِمْرَةِ مُصْعَبٍ أَيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا قَالَ فَمَا دَرَيْتُ مَا أَقُولُ فَمَضَيْتُ إِلَى مَنْزِلِ ابْنِ عُمَرَ بِمَكَّةَ فَقُلْتُ لِلْغُلاَمِ اسْتَأْذِنْ لِي ‏.‏ قَالَ إِنَّهُ قَائِلٌ فَسَمِعَ صَوْتِي ‏.‏ قَالَ ابْنُ جُبَيْرٍ قُلْتُ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ادْخُلْ فَوَاللَّهِ مَا جَاءَ بِكَ هَذِهِ السَّاعَةَ إِلاَّ حَاجَةٌ فَدَخَلْتُ فَإِذَا هُوَ مُفْتَرِشٌ بَرْذَعَةً مُتَوَسِّدٌ وِسَادَةً حَشْوُهَا لِيفٌ قُلْتُ أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُتَلاَعِنَانِ أَيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ نَعَمْ إِنَّ أَوَّلَ مَنْ سَأَلَ عَنْ ذَلِكَ فُلاَنُ بْنُ فُلاَنٍ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ أَنْ لَوْ وَجَدَ أَحَدُنَا امْرَأَتَهُ عَلَى فَاحِشَةٍ كَيْفَ يَصْنَعُ إِنْ تَكَلَّمَ تَكَلَّمَ بِأَمْرٍ عَظِيمٍ ‏.‏ وَإِنْ سَكَتَ سَكَتَ عَلَى مِثْلِ ذَلِكَ قَالَ فَسَكَتَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ يُجِبْهُ فَلَمَّا كَانَ بَعْدَ ذَلِكَ أَتَاهُ فَقَالَ إِنَّ الَّذِي سَأَلْتُكَ عَنْهُ قَدِ ابْتُلِيتُ بِهِ ‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ هَؤُلاَءِ الآيَاتِ فِي سُورَةِ النُّورِ ‏(‏ وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ‏)‏ فَتَلاَهُنَّ عَلَيْهِ وَوَعَظَهُ وَذَكَّرَهُ وَأَخْبَرَهُ أَنَّ عَذَابَ الدُّنْيَا أَهْوَنُ مِنْ عَذَابِ الآخِرَةِ قَالَ لاَ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا كَذَبْتُ عَلَيْهَا ‏.‏ ثُمَّ دَعَاهَا فَوَعَظَهَا وَذَكَّرَهَا وَأَخْبَرَهَا أَنَّ عَذَابَ الدُّنْيَا أَهْوَنُ مِنْ عَذَابِ الآخِرَةِ ‏.‏ قَالَتْ لاَ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ إِنَّهُ لَكَاذِبٌ فَبَدَأَ بِالرَّجُلِ فَشَهِدَ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الصَّادِقِينَ وَالْخَامِسَةُ أَنَّ لَعْنَةَ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كَانَ مِنَ الْكَاذِبِينَ ثُمَّ ثَنَّى بِالْمَرْأَةِ فَشَهِدَتْ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الْكَاذِبِينَ وَالْخَامِسَةُ أَنَّ غَضَبَ اللَّهِ عَلَيْهَا إِنْ كَانَ مِنَ الصَّادِقِينَ ثُمَّ فَرَّقَ بَيْنَهُمَا.‏

حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي ح، وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، - واللفظ له - حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا عبد الملك بن ابي سليمان، عن سعيد بن، جبير قال سىلت عن المتلاعنين، في امرة مصعب ايفرق بينهما قال فما دريت ما اقول فمضيت الى منزل ابن عمر بمكة فقلت للغلام استاذن لي ‏.‏ قال انه قاىل فسمع صوتي ‏.‏ قال ابن جبير قلت نعم ‏.‏ قال ادخل فوالله ما جاء بك هذه الساعة الا حاجة فدخلت فاذا هو مفترش برذعة متوسد وسادة حشوها ليف قلت ابا عبد الرحمن المتلاعنان ايفرق بينهما قال سبحان الله نعم ان اول من سال عن ذلك فلان بن فلان قال يا رسول الله ارايت ان لو وجد احدنا امراته على فاحشة كيف يصنع ان تكلم تكلم بامر عظيم ‏.‏ وان سكت سكت على مثل ذلك قال فسكت النبي صلى الله عليه وسلم فلم يجبه فلما كان بعد ذلك اتاه فقال ان الذي سالتك عنه قد ابتليت به ‏.‏ فانزل الله عز وجل هولاء الايات في سورة النور ‏(‏ والذين يرمون ازواجهم‏)‏ فتلاهن عليه ووعظه وذكره واخبره ان عذاب الدنيا اهون من عذاب الاخرة قال لا والذي بعثك بالحق ما كذبت عليها ‏.‏ ثم دعاها فوعظها وذكرها واخبرها ان عذاب الدنيا اهون من عذاب الاخرة ‏.‏ قالت لا والذي بعثك بالحق انه لكاذب فبدا بالرجل فشهد اربع شهادات بالله انه لمن الصادقين والخامسة ان لعنة الله عليه ان كان من الكاذبين ثم ثنى بالمراة فشهدت اربع شهادات بالله انه لمن الكاذبين والخامسة ان غضب الله عليها ان كان من الصادقين ثم فرق بينهما.‏


Sa'id b Jubair reported:
I was asked about the invokers of curses during the reign of Mus'ab (b. Zubair) whether they could separate (themselves by this process). He said: I did not understand what to say. So I went to the house of Ibn 'Umar (Allah be pleased with them) in Mecca. I said to his servant: Seek permission for Me. He said that he (Ibn 'Umar) had been taking rest. He (Ibn 'Umar) heard my voice. and said: Are you Ibn Jubair? I said: Yes. He'said: Come in. By Allah, it must be some (great) need which has brought you here at this Hour. So I got in and found him lying on a blanket reclining against a pillow stuffed with fibres of date-palm. I said: O Abu'Abd al-Rahman, should there be separation between the invokers of curses? He said: Hallowed be Allah, yes, The first one who asked about it was so and so. he said: Messenger of Allah, tell me If one of us finds his wife committing adultery: what should he do? If he talks, that is something great, and if he keeps quiet that is also (something great) (which he cannot afford to do). Allah's Prophet (ﷺ) kept quiet (or some time). After some time he (that very person) came to him (Allah's Messenger) and said: I have been involved in that very cage about which I had asked you Allah the Exalted and Majestic then revealed (these) verses of Surah Nur:" Those who accuse their wives" (verse 6), and he (the Holy Prophet) recited them to him and admonished him, and exhorted him and informed him that the torment of the world is less painful than the torment of the Hereafter. He said: No, by Him Who sent you with Truth, I did not tell a lie against her. He (the Holy Prophet) then called her (the wife of that person who had accused her) and admonished her, and exhorted her, and informed her that the torment of this world is less painful than the torment of the Hereafter. She said: No, by Him Who sent thee with Truth, he is a liar. (it was) the man who started the swearing of oath and he swore in the name of Allah four times that he was among the truthful. and at the fifth turn he said: Let there be curse of Allah upon him if he were among the liars. Then the woman was called and she swore four times in the name of Allah that he (her husband) was among the liars, and at the fifth time (she said): Let there be curse upon her if he were among the truthful. He (the Holy Prophet) then effected separation between the two.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬০৯

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬০৯। আলী ইবনু হুজর সা’দী (রহঃ) ... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) বললেন, মুসআব ইবনু যুবায়র (রাঃ) এর শাসনামলে দুই লি’আনকারী সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞাসা করা হলে আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না কি উত্তর দেব। তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) এর কাছে এসে বললাম, দুই লিআনকারী সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? তাদের মধ্যে কি বিচ্ছিন্ন সাধন করা হবে? এরপর তিনি ইবনু নুমায়র (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।

وَحَدَّثَنِيهِ عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ، أَبِي سُلَيْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، قَالَ سُئِلْتُ عَنِ الْمُتَلاَعِنَيْنِ، زَمَنَ مُصْعَبِ بْنِ الزُّبَيْرِ فَلَمْ أَدْرِ مَا أَقُولُ فَأَتَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ فَقُلْتُ أَرَأَيْتَ الْمُتَلاَعِنَيْنِ أَيُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا ثُمَّ ذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ ابْنِ نُمَيْرٍ ‏.‏

وحدثنيه علي بن حجر السعدي، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا عبد الملك بن، ابي سليمان قال سمعت سعيد بن جبير، قال سىلت عن المتلاعنين، زمن مصعب بن الزبير فلم ادر ما اقول فاتيت عبد الله بن عمر فقلت ارايت المتلاعنين ايفرق بينهما ثم ذكر بمثل حديث ابن نمير ‏.‏


A hadith like this is narrated by Ibn Numair with a slight variation of words.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১০

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬১০। ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, আবূ বকর ইবনু শায়বা ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লি’আনকারীদ্বয়ের (লি’আন বাক্য পাঠের ব্যাপারে) হিসাব আল্লাহর দায়িত্ব। তোমাদের দু’জনের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী তার (তোমার স্ত্রীর) উপর তোমার কোন অধিকার নেই। লোকটি বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার মালের (প্রদত্ত মাহর) কি হবে? তিনি বললেন, তুমি তোমার মাল পাবে না। যদি তুমি তার ব্যাপারে সত্যবাদী হও তাহলে তোমার দেওয়া সস্পদ ঐ বস্তুর বিনিময়ে বলে গণ্য হবে যা দ্বারা তুমি তার লজ্জাস্থান হালাল করেছ। আর যদি তুমি তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে থাক তাহলে তার থেকে মাল ফেরত পাওয়া তো আরো দুরের কথা।

যুহায়র (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন যে, সুফিয়ান (রহঃ) সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) এর সুত্রে ইবনু উমর (রাঃ) কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলতে শুনেছেন।

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ - وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى - قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدِ بْنِ، جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْمُتَلاَعِنَيْنِ ‏"‏ حِسَابُكُمَا عَلَى اللَّهِ أَحَدُكُمَا كَاذِبٌ لاَ سَبِيلَ لَكَ عَلَيْهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَالِي قَالَ ‏"‏ لاَ مَالَ لَكَ إِنْ كُنْتَ صَدَقْتَ عَلَيْهَا فَهْوَ بِمَا اسْتَحْلَلْتَ مِنْ فَرْجِهَا وَإِنْ كُنْتَ كَذَبْتَ عَلَيْهَا فَذَاكَ أَبْعَدُ لَكَ مِنْهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ زُهَيْرٌ فِي رِوَايَتِهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرٍو سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

وحدثنا يحيى بن يحيى، وابو بكر بن ابي شيبة وزهير بن حرب - واللفظ ليحيى - قال يحيى اخبرنا وقال الاخران، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو، عن سعيد بن، جبير عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للمتلاعنين ‏"‏ حسابكما على الله احدكما كاذب لا سبيل لك عليها ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله مالي قال ‏"‏ لا مال لك ان كنت صدقت عليها فهو بما استحللت من فرجها وان كنت كذبت عليها فذاك ابعد لك منها ‏"‏ ‏.‏ قال زهير في روايته حدثنا سفيان عن عمرو سمع سعيد بن جبير يقول سمعت ابن عمر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Ibn Umar (Allah be pleased with them) reported Allah's Messenger (ﷺ) saying to the invokers of curse:
Your account is with Allah. One of you must be a liar. You have now no right over this woman. He said: Messenger of Allah, what about my wealth (dower that I paid her at the time of marriage)? He said: You have no claim to wealth. If you tell the truth, it (dower) is the recompense for your having had the right to intercourse with her, and if you tell a lie against her, it is still more remote from you than she is. Zuhair said in his narration: Sufyan reported to us on the authority of 'Amr that he had heard Sa'id b Jubair saying: I heard Ibn Umar (Allah be pleased with them) saying that Allah's Messenger (ﷺ) had said it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১১

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬১১। আবূর রাবী যাহরানী (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বনী আজলান গোত্রের দুই জনকে (স্বামী-স্ত্রী) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিচ্ছিন্ন করে দিলেন। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ ভাল ভাবেই জালেন যে, নিশ্চয়ই তোমাদের দু’জনের একজন মিথ্যাবাদী। এরপর তোমাদের কেউ কি তাওবার জন্য প্রস্তুত আছ?


৩৬১১/১। ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) বলেন যে, আমি লি’আন সম্পর্কে ইবনু উমর (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করলেন।

وَحَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ فَرَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ أَخَوَىْ بَنِي الْعَجْلاَنِ وَقَالَ ‏ "‏ اللَّهُ يَعْلَمُ أَنَّ أَحَدَكُمَا كَاذِبٌ فَهَلْ مِنْكُمَا تَائِبٌ ‏"‏ ‏.‏

وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ، سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنِ اللِّعَانِ، ‏.‏ فَذَكَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏

وحدثني ابو الربيع الزهراني، حدثنا حماد، عن ايوب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، قال فرق رسول الله صلى الله عليه وسلم بين اخوى بني العجلان وقال ‏ "‏ الله يعلم ان احدكما كاذب فهل منكما تاىب ‏"‏ ‏.‏ وحدثناه ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن ايوب، سمع سعيد بن جبير، قال سالت ابن عمر عن اللعان، ‏.‏ فذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله ‏.‏


Ibn 'Umar (Allah be pleased with them) said that Allah's Messenger (ﷺ) effected separation between the two members of Banu al-'Ajlan, and said:
Allah knows that one of you is a liar. Is there one to repent among you?

Sa'id b. Jubair reported:
I asked Ibn 'Umar (Allah be pleased with them) about invoking curse (li'an), and he narrated Similarly from Allah's Apostle (ﷺ).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১২

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬১২। আবূ গাসনান মিসমাঈ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুস’আব (ইবনু যুবায়র) (রাঃ) তার শাসনামলে লি’আনকারীদের বিচ্ছিন্ন করেন নি। সাঈদ বলেন, এরপর বিষয়টি আমি আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) এর কাছে উত্থাপন করলাম। তখন তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনূ আজলান গোত্রের দু’জনকে (স্বামী-স্ত্রীকে) বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন।

وَحَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ - وَاللَّفْظُ لِلْمِسْمَعِيِّ وَابْنِ الْمُثَنَّى - قَالُوا حَدَّثَنَا مُعَاذٌ، - وَهُوَ ابْنُ هِشَامٍ - قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عَزْرَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ لَمْ يُفَرِّقِ الْمُصْعَبُ بَيْنَ الْمُتَلاَعِنَيْنِ ‏.‏ قَالَ سَعِيدٌ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ‏.‏ فَقَالَ فَرَّقَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ أَخَوَىْ بَنِي الْعَجْلاَنِ ‏.‏

وحدثنا ابو غسان المسمعي، ومحمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ للمسمعي وابن المثنى - قالوا حدثنا معاذ، - وهو ابن هشام - قال حدثني ابي، عن قتادة، عن عزرة، عن سعيد بن جبير، قال لم يفرق المصعب بين المتلاعنين ‏.‏ قال سعيد فذكر ذلك لعبد الله بن عمر ‏.‏ فقال فرق نبي الله صلى الله عليه وسلم بين اخوى بني العجلان ‏.‏


Sa'id b. Jubair reported that Mus'ab b. Zubair did not effect separation between the Mutala'inain (invokers of curses). Sa'id said:
It was mentioned to 'Abdullah b. Umar (Allah be pleased with them) and he said: Allah's Apostle (ﷺ) effected separation between the two members of Banu al-'Ajlan.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১৩

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬১৩। সাঈদ ইবনু মানসূর, কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... এস্থলে হাদিসটি ইয়াহইয়ার বর্ণনা অনুসারে উদ্ধৃত হল। তিনি বলেন, আমি মালিককে জিজ্ঞেস করলাম, নাফি’ কি আপনার কাছে ইবনু উমর (রাঃ) থেকে করেছেন যে, জনৈক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় তার স্ত্রীর উপর লি’আন করেছিল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের দু’জনকে পৃথক করে দেন এবং সন্তানের বংশ পরিচয় তার মায়ের সাথে যুক্ত করেন। তিনি (মালিক) বলেন, হাঁ।

وَحَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى، بْنُ يَحْيَى - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالَ قُلْتُ لِمَالِكٍ حَدَّثَكَ نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَجُلاً، لاَعَنَ امْرَأَتَهُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَفَرَّقَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَهُمَا وَأَلْحَقَ الْوَلَدَ بِأُمِّهِ قَالَ نَعَمْ ‏.‏

وحدثنا سعيد بن منصور، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا مالك، ح وحدثنا يحيى، بن يحيى - واللفظ له - قال قلت لمالك حدثك نافع، عن ابن عمر، ان رجلا، لاعن امراته على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ففرق رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهما والحق الولد بامه قال نعم ‏.‏


Nafi' reported on the authority of Ibn Umar (Allah be pleased with them) that a person invoked curse on the wife during the lifetime of Allah s Messenger (ﷺ), so he effected separation between them and traced the lineage of the son to his mother.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১৪

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬১৪। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন আনসারী পুরুষ ও তার স্ত্রীর মধ্যে লি’আন করান এবং তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেন।


৩৬১৪/১। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন।

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، قَالاَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ لاَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ وَامْرَأَتِهِ وَفَرَّقَ بَيْنَهُمَا ‏.‏

وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، - وَهُوَ الْقَطَّانُ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي، قالا حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال لاعن رسول الله صلى الله عليه وسلم بين رجل من الانصار وامراته وفرق بينهما ‏.‏ وحدثناه محمد بن المثنى، وعبيد الله بن سعيد، قالا حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، بهذا الاسناد ‏.‏


Ibn 'Umar (Allah be pleased with them) reported:
Allah's Messenger (ﷺ) asked a person from the Anger and his wife to invoke curse (upon one another in order to testify to their truthfulness), and then effected separation between them.

A hadith like this has been narrated on the authority of 'Ubaidulah with the same chain of transmitters.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১৫

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬১৫। যুহায়র ইবনু হারব, উসমান ইবনু আবূ শায়বা ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি একবার জুমু’আর রাতে মসজিদে ছিলাম। তখন জনৈক আনসারী সেখানে উপস্থিত হল। সে বলল, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোন পুরুষকে দেখতে পায়, সে যদি এ নিয়ে কথা বলে, তাহলে আপনারা তো তাকে কোড়া লাগাবেন? অথবা সে যদি তাকে হত্যা করে ফেলে তাহলে তো আপনারা তাকে কতল করবেন। যদি সে নীরব থাকে তাহলে তো তাকে সংঘাতিক গোস্যাসহ করে নীরব থাকতে হবে। আল্লাহর কসম! আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করবই।

পরদিন সে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে সে প্রশ্ন করল। সে বলল, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোন পুরুষকে (সঙ্গম করতে) দেখতে পায় এবং সেই এ নিয়ে কথা বলে তাহলে আপনারা তাকে কোড়া লাগাবেন।যদি তাকে হত্যা করে ফেলে তাহলে তো আপনারা তাকে হত্যা করে ফেলবেন। আর যদি নীরব থাকে তবে তো তাকে ক্রোধ নিয়ে নীরব থাকতে হবে। (সুতরাং তার উপায় কি?) তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’আ করলেনঃ ইয়া আল্লাহ! তুমি এর ফয়সালা দাও এবং তিনি দু’আ করতে লাগলেন। অনন্তর লি’আনের আয়াত অবতীর্ন হলঃ

"আর যারা তাদের স্ত্রীদের উপর অপবাদ দেয় অথচ তারা নিজেরা ব্যতীত তাদের কোন সাক্ষী নেই" ... এই আয়াতগুলো। (সূরা নূরঃ ৬-৯)।

এরপর সে ব্যক্তি লোকজনের সামনে লি’আনের পরীক্ষার সম্মুখীন হল। তারপর সে তার স্ত্রীসহ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এল এবং তারা উভয়ে লি’আন করল। লোকটি আল্লাহর নামে কসম করে চারবার সাক্ষ্য দিল যে, সে সত্যবাদী। এরপর পঞ্চমবারে বলল, সে যদি মিথ্যাবাদী হয় তাহলে তার উপরে আল্লাহর লানত বর্ষিত হোক। এরপর মহিলাটি লিআনের জন্য অগ্রসর হল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ থাম (যদি তোমার স্বামীর উক্তি সত্য হয়ে থাকে তাহলে তুমি তা স্বীকার করে নাও)। কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং লি’আন করে ফেলল। যখন তারা দু’জন ফিরে চলল তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সম্ভবত এই মহিলা কৃষ্ণকায় কুঞ্চিত কেশধারী সন্তান প্রসব করবে। অবশেষে তার গর্ভে একটি কৃষ্ণকায় কুঞ্চিত কেশধারী সন্তানই জন্ম দিয়েছিল।


৩৬১৫/১। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আমাশ (রহঃ) থেকে এই একই সনদে অনুরূপ বর্ণিত আছে।

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالَ إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ إِنَّا لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ فِي الْمَسْجِدِ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ فَقَالَ لَوْ أَنَّ رَجُلاً وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً فَتَكَلَّمَ جَلَدْتُمُوهُ أَوْ قَتَلَ قَتَلْتُمُوهُ وَإِنْ سَكَتَ سَكَتَ عَلَى غَيْظٍ وَاللَّهِ لأَسْأَلَنَّ عَنْهُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَلَمَّا كَانَ مِنَ الْغَدِ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ فَقَالَ لَوْ أَنَّ رَجُلاً وَجَدَ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً فَتَكَلَّمَ جَلَدْتُمُوهُ أَوْ قَتَلَ قَتَلْتُمُوهُ أَوْ سَكَتَ سَكَتَ عَلَى غَيْظٍ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ افْتَحْ ‏"‏ ‏.‏ وَجَعَلَ يَدْعُو فَنَزَلَتْ آيَةُ اللِّعَانِ ‏(‏ وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ شُهَدَاءُ إِلاَّ أَنْفُسُهُمْ‏)‏ هَذِهِ الآيَاتُ فَابْتُلِيَ بِهِ ذَلِكَ الرَّجُلُ مِنْ بَيْنِ النَّاسِ فَجَاءَ هُوَ وَامْرَأَتُهُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَتَلاَعَنَا فَشَهِدَ الرَّجُلُ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الصَّادِقِينَ ثُمَّ لَعَنَ الْخَامِسَةَ أَنَّ لَعْنَةَ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كَانَ مِنَ الْكَاذِبِينَ فَذَهَبَتْ لِتَلْعَنَ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَهْ ‏"‏ ‏.‏ فَأَبَتْ فَلَعَنَتْ فَلَمَّا أَدْبَرَا قَالَ ‏"‏ لَعَلَّهَا أَنْ تَجِيءَ بِهِ أَسْوَدَ جَعْدًا ‏"‏ ‏.‏ فَجَاءَتْ بِهِ أَسْوَدَ جَعْدًا‏.‏

وَحَدَّثَنَاهُ إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ، أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، جَمِيعًا عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏

حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، - واللفظ لزهير - قال اسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن علقمة، عن عبد الله، قال انا ليلة الجمعة في المسجد اذ جاء رجل من الانصار فقال لو ان رجلا وجد مع امراته رجلا فتكلم جلدتموه او قتل قتلتموه وان سكت سكت على غيظ والله لاسالن عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فلما كان من الغد اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فساله فقال لو ان رجلا وجد مع امراته رجلا فتكلم جلدتموه او قتل قتلتموه او سكت سكت على غيظ ‏.‏ فقال ‏"‏ اللهم افتح ‏"‏ ‏.‏ وجعل يدعو فنزلت اية اللعان ‏(‏ والذين يرمون ازواجهم ولم يكن لهم شهداء الا انفسهم‏)‏ هذه الايات فابتلي به ذلك الرجل من بين الناس فجاء هو وامراته الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فتلاعنا فشهد الرجل اربع شهادات بالله انه لمن الصادقين ثم لعن الخامسة ان لعنة الله عليه ان كان من الكاذبين فذهبت لتلعن فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مه ‏"‏ ‏.‏ فابت فلعنت فلما ادبرا قال ‏"‏ لعلها ان تجيء به اسود جعدا ‏"‏ ‏.‏ فجاءت به اسود جعدا‏.‏ وحدثناه اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا عيسى بن يونس، ح وحدثنا ابو بكر بن، ابي شيبة حدثنا عبدة بن سليمان، جميعا عن الاعمش، بهذا الاسناد نحوه ‏.‏


'Abdullah reported:
We were on the night of Friday staying in the mosque when a person from the Ansar came there and said: If a person finds hiswoman along with a man, and he speaks about it, you would lash him, and if he kills, you will kill him, and if he keeps quiet he shall have to consume anger. By Allah, I will definitely ask about him from Allah's Mescenger (ﷺ). On the following day he came to Allah's Messenger (ﷺ) and asked him thus: If a man were to find with his wife a man and if he were to talk about it, you would lash him; and if he killed, you would kill him, and if he were to keep quiet. he would consume anger, whereupon he (the Holy Prophet) said: Allah, solve (this problem), and he began to supplicate (before Him), and then the verses pertaining to li'an were revealed:" Those who accuse their wives and have no witnesses except themselves" (xxiv. 6). The person was then put to test according to these verses in the presence of the people. There came he and his wife in the presence of Allah's Messenger (ﷺ), and they invoked curses (in order to testify their claim). The man swore four times in the name of Allah that he was one of the truthful and then invoked curse for the fifth time saying: Let there be curse of Allah upon him if he were among the liars. Then she began to invoke curse. Allah's Messenger (ﷺ) said to her: just wait (and curse after considering over it), but she refused and invoked curse and when she turned away, he (Allah's Apostle) said: It seems that this woman shall give birth to a curly-haired black child, And so she did gave birth to a curly-haired black child.

A hadith like this is narrated on the authority of A'mash.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১৬

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৫১৬। মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ... মুহাম্মদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, আমি একটি বিষয়ে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম। আমার ধারণা ছিল যে, আমার জিজ্ঞাসিত বিষয়ের জ্ঞান তার কাছে আছে। আনাস (রাঃ) বলেন, হিলাল ইবনু উমায়্যা (রাঃ) শরীক ইবনু সাহমার সাথে তার স্ত্রীর সম্পর্কে ব্যভিচারের অভিযোগ আনলেন। তিনি ছিলেন বারা ইবনু মালিকের বৈপিত্রেয় ভাই। ইসলামে ইনিই সর্বপ্রথম লি’আন করেন। রাবী বলেন, তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে লি’আন সম্পন্ন করলেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা ঐ মহিলার প্রতি নযর রাখবে। যদি সে সরল কেশধারী গৌর বর্ণের লালচোখ বিশিষ্ট সন্তান প্রসব করে তাহলে সে হল ইবনু উমায়্যার ঔরষজাত সন্তান। আর যদি সে (মহিলা) সুরমা চোখ বিশিষ্ট কুঞ্চিত কেশ, সরু নাক বিশিষ্ট সন্তান প্রসব করে তাহলে সে শরীক ইবনু সাহমার সন্তান। রাবী আনাস (রাঃ) বলেন, আমি জানতে পারলাম যে, ঐ মহিলাটি সুরমা চোখ বিশিষ্ট কুঞ্চিত কেশধারী সরু নলা বিশিষ্ট সন্তান প্রসব করেছে।

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ مُحَمَّدٍ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ وَأَنَا أُرَى، أَنَّ عِنْدَهُ، مِنْهُ عِلْمًا ‏.‏ فَقَالَ إِنَّ هِلاَلَ بْنَ أُمَيَّةَ قَذَفَ امْرَأَتَهُ بِشَرِيكِ ابْنِ سَحْمَاءَ وَكَانَ أَخَا الْبَرَاءِ بْنِ مَالِكٍ لأُمِّهِ وَكَانَ أَوَّلَ رَجُلٍ لاَعَنَ فِي الإِسْلاَمِ - قَالَ - فَلاَعَنَهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَبْصِرُوهَا فَإِنْ جَاءَتْ بِهِ أَبْيَضَ سَبِطًا قَضِيءَ الْعَيْنَيْنِ فَهُوَ لِهِلاَلِ بْنِ أُمَيَّةَ وَإِنْ جَاءَتْ بِهِ أَكْحَلَ جَعْدًا حَمْشَ السَّاقَيْنِ فَهُوَ لِشَرِيكِ ابْنِ سَحْمَاءَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَأُنْبِئْتُ أَنَّهَا جَاءَتْ بِهِ أَكْحَلَ جَعْدًا حَمْشَ السَّاقَيْنِ ‏.‏

وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الاعلى، حدثنا هشام، عن محمد، قال سالت انس بن مالك وانا ارى، ان عنده، منه علما ‏.‏ فقال ان هلال بن امية قذف امراته بشريك ابن سحماء وكان اخا البراء بن مالك لامه وكان اول رجل لاعن في الاسلام - قال - فلاعنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ابصروها فان جاءت به ابيض سبطا قضيء العينين فهو لهلال بن امية وان جاءت به اكحل جعدا حمش الساقين فهو لشريك ابن سحماء ‏"‏ ‏.‏ قال فانبىت انها جاءت به اكحل جعدا حمش الساقين ‏.‏


Muhammad (one of the narrators) reported:
I asked Anas b. Malik (Allah be pleased with him) knowing that he had a knowledge of (the case of li'an). He said: Hilal b. Umayya (Allah be pleased with him) accused his wife with the charge of fornication with Sharik b. Sahma, the brother of al-Bara'b Malik from the side of his mother. And he was the first person who invoked curse (li'an) in Islam. He in fact invoked curse upon her. Allah's Messenger (ﷺ) said: See to her if she gives birth to a white-complexioned child having dark hair and bright eyes; he must be the son of Hilal b. Umayya; and if she gives birth to a child with dark eyelids, curly hair and lean shanks, he must be the offspring of Sharik b. Sahma. He said: I was informed that she gave birth to a child having dark eyelids, curly hair and lean shanks.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইবনু সীরীন (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১৭

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬১৭। মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ ইবনু মুহাজির মিসরী ও ঈসা ইবনু হাম্মাদ মিসরী (রহঃ) লায়স (রহঃ) থেকে ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট লি’আনের আলোচনা করা হয়। তখন আসিম ইবনু আদী (রাঃ) ঐ বিষয়ে কিছু কথা বলে ফিরে গেলেন। অতঃপর তার গোত্রের একজন লোক তার কাছে এসে অভিযোগ করল যে, সে তার স্ত্রীর সঙ্গে এক (অপিরিচিত) লোককে দেখতে পেয়েছে। তখন আসিম (রাঃ) বললেন, আমি আমার উক্তির (বক্তব্যের) কারণে এই মুসীবতে পতিত হলাম। তখন তিনি তাকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। এরপর সে তাকে (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে) সেই ব্যক্তি সম্পর্কে অবহিত করল যাকে সে তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখতে পেয়েছিল।

এ লোকটি ছিল হরিৎ বর্ণবিশিষ্ট কৃষ্ণকায় ও সরল কেশধারী। আর সে যাকে তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখতে পেয়েছিল সে ছিল সুঠাম দেহী, ছোটা নলা ও বাদামী রং বিশিষ্ট। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইয়া আল্লাহ তুমি বিষয়টি সমাধা করে দাও। সে মহিলা এমন একটি সন্তান প্রসব করল, যে ছিল ঐ লোকটির মত যাকে স্বামী তার সঙ্গে দেখতে পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছিল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়ের মধ্যে লি’আন করালেন। তখন জনৈক ব্যক্তি সে মজলিসেই ইবনু আব্বাস (রাঃ) কে বলল, এই কি সেই মহিলা যার সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, “যদি আমি বিনা প্রমাণে কাউকে রজম করতাম তবে একেই রজম করতাম।” তখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, না- সে ছিল অপর এক মহিলা যে মুসলিমদের মাঝে অশ্লীলতা করত।

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحِ بْنِ الْمُهَاجِرِ، وَعِيسَى بْنُ حَمَّادٍ الْمِصْرِيَّانِ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ رُمْحٍ - قَالاَ أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنِ الْقَاسِمِ، بْنِ مُحَمَّدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ ذُكِرَ التَّلاَعُنُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ عَاصِمُ بْنُ عَدِيٍّ فِي ذَلِكَ قَوْلاً ثُمَّ انْصَرَفَ فَأَتَاهُ رَجُلٌ مِنْ قَوْمِهِ يَشْكُو إِلَيْهِ أَنَّهُ وَجَدَ مَعَ أَهْلِهِ رَجُلاً ‏.‏ فَقَالَ عَاصِمٌ مَا ابْتُلِيتُ بِهَذَا إِلاَّ لِقَوْلِي فَذَهَبَ بِهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ بِالَّذِي وَجَدَ عَلَيْهِ امْرَأَتَهُ وَكَانَ ذَلِكَ الرَّجُلُ مُصْفَرًّا قَلِيلَ اللَّحْمِ سَبِطَ الشَّعَرِ وَكَانَ الَّذِي ادَّعَى عَلَيْهِ أَنَّهُ وَجَدَ عِنْدَ أَهْلِهِ خَدْلاً آدَمَ كَثِيرَ اللَّحْمِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللَّهُمَّ بَيِّنْ ‏"‏ ‏.‏ فَوَضَعَتْ شَبِيهًا بِالرَّجُلِ الَّذِي ذَكَرَ زَوْجُهَا أَنَّهُ وَجَدَهُ عِنْدَهَا فَلاَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَهُمَا فَقَالَ رَجُلٌ لاِبْنِ عَبَّاسٍ فِي الْمَجْلِسِ أَهِيَ الَّتِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لَوْ رَجَمْتُ أَحَدًا بِغَيْرِ بَيِّنَةٍ رَجَمْتُ هَذِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لاَ تِلْكَ امْرَأَةٌ كَانَتْ تُظْهِرُ فِي الإِسْلاَمِ السُّوءَ ‏.‏

وحدثنا محمد بن رمح بن المهاجر، وعيسى بن حماد المصريان، - واللفظ لابن رمح - قالا اخبرنا الليث، عن يحيى بن سعيد، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم، بن محمد عن ابن عباس، انه قال ذكر التلاعن عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عاصم بن عدي في ذلك قولا ثم انصرف فاتاه رجل من قومه يشكو اليه انه وجد مع اهله رجلا ‏.‏ فقال عاصم ما ابتليت بهذا الا لقولي فذهب به الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبره بالذي وجد عليه امراته وكان ذلك الرجل مصفرا قليل اللحم سبط الشعر وكان الذي ادعى عليه انه وجد عند اهله خدلا ادم كثير اللحم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم بين ‏"‏ ‏.‏ فوضعت شبيها بالرجل الذي ذكر زوجها انه وجده عندها فلاعن رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهما فقال رجل لابن عباس في المجلس اهي التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لو رجمت احدا بغير بينة رجمت هذه ‏"‏ ‏.‏ فقال ابن عباس لا تلك امراة كانت تظهر في الاسلام السوء ‏.‏


Ibn Abbas (Allah be pleased with them) reported:
Mention was made of li'an in the presence of Allah's Messenger (ﷺ). And Asim b. 'Adi passed a remark about it and then turned away, and a man of his tribe came to him complaining that he had found a man with his wife, whereupon 'Asim said: I have been taken by my words. He took him to Allah's Messenger (ﷺ) and told him about the man whom he had found with his wife and this man was a lean, yellow-coloured man with lank hair, and the person who was accused of committing adultery with her (his wife) had fleshy shanks, with wheat complexion and heavy bulk. Allah's Messenger (ﷺ) said: O Allah, make (this case) manifest. And as she gave birth to a child, whose face resembled that person about whom her husband had made mention that he had found her with, and Allah's Messenger (may peace be, upon him) had asked them to invoke curses. A person said to Ibn 'Abbas (Allah be pleased with him): Is she (that woman) about whom Allah's Messenger (may peace be upen him) (said):" If I were to stone anybody without evidence, I would have stoned her"? Ibn 'Abbas (Allah be pleased with him) said: No, it is not she. That woman was one who openly spread evil in society.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১৮

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬১৮। আহমাদ ইবনু ইউসুফ আযদী (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে দুজন লি’আনকারীর প্রসঙ্গে আলোচনা করা হল। পরবর্তী অংশ লায়সের হাদীসের অনুরূপ। অবশ্য এতে সুঠাম দেহী উল্লেখ করার পর তিনি অতিরিক্ত বলেছেন, "সে ছিল কুঞ্চিত কেশধারী।"

وَحَدَّثَنِيهِ أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ بِلاَلٍ - عَنْ يَحْيَى، حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ قَالَ ذُكِرَ الْمُتَلاَعِنَانِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ اللَّيْثِ وَزَادَ فِيهِ بَعْدَ قَوْلِهِ كَثِيرَ اللَّحْمِ قَالَ جَعْدًا قَطَطًا ‏.‏

وحدثنيه احمد بن يوسف الازدي، حدثنا اسماعيل بن ابي اويس، حدثني سليمان، - يعني ابن بلال - عن يحيى، حدثني عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم بن محمد، عن ابن عباس، انه قال ذكر المتلاعنان عند رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ بمثل حديث الليث وزاد فيه بعد قوله كثير اللحم قال جعدا قططا ‏.‏


This hadith has been narrated on the authority of Ibn 'Abbas (Allah be pleased with them) through another chain of transmitters with the addition of these words:
'With flesh, and curly tangled hair."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬১৯

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬১৯। আমরুন নাকিদ ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর নিকটে দুই লি’আনকারীর বিষয় উত্থাপন করা হল। তখন ইবনু শাদ্দাদ (রহঃ) বললেন, এরা কি ঐ দু’জন যাদের সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, আমি যদি কাউকে বিনা প্রমাণে “রজম করতাম তবে ঐ মহিলাকে রজম” করতাম। তখন ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, না, এ সে মহিলা নয়। সে ছিল অপর এক মহিলা যার ব্যাপার প্রকাশ্য ছিল। ইবনু আবূ উমর (রহঃ) তার বর্ণনায় কাসিম ইবনু মুহাম্মদের সুত্রে বলেন যে, আমি এ হাদীস ইবনু আব্বাসের কাছে শুনেছি।

وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، - وَاللَّفْظُ لِعَمْرٍو - قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ، عُيَيْنَةَ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَدَّادٍ وَذُكِرَ الْمُتَلاَعِنَانِ عِنْدَ ابْنِ عَبَّاسٍ فَقَالَ ابْنُ شَدَّادٍ أَهُمَا اللَّذَانِ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَوْ كُنْتُ رَاجِمًا أَحَدًا بِغَيْرِ بَيِّنَةٍ لَرَجَمْتُهَا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لاَ تِلْكَ امْرَأَةٌ أَعْلَنَتْ ‏.‏ قَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ فِي رِوَايَتِهِ عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ ‏.‏

وحدثنا عمرو الناقد، وابن ابي عمر، - واللفظ لعمرو - قالا حدثنا سفيان بن، عيينة عن ابي الزناد، عن القاسم بن محمد، قال قال عبد الله بن شداد وذكر المتلاعنان عند ابن عباس فقال ابن شداد اهما اللذان قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كنت راجما احدا بغير بينة لرجمتها ‏"‏ ‏.‏ فقال ابن عباس لا تلك امراة اعلنت ‏.‏ قال ابن ابي عمر في روايته عن القاسم بن محمد قال سمعت ابن عباس ‏.‏


'Abdullah b Shaddad reported that mention was made about the invokers of curses before Ibn 'Abbas (Allah be pleased with them). Ibn Shaddad said:
Are these the two about whom Allah's Apostle (ﷺ) said." If I were to stone one without evidence, I would have definitely stoned her"? Ibn Abbas (Allah be pleased with them) said: She is not this woman; but she is the one who (committed adultery) openly.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬২০

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬২০। কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, সা’দ ইবনু উবাদা আনসারী (রাঃ) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে লোকটি সম্পর্কে আপনার অভিমত কি যে তার স্ত্রীর সাথে অপর পুরুষকে পায়? সে কি তাকে কতল করে ফেলবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না। সা’দ (রাঃ) বললেন, নিশ্চয়ই (সে তাকে কতল করবে), সেই সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্য দ্বারা সম্মানিত করেছেন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা শোন তোমাদের সরদার কী বলছেন।

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ الأَنْصَارِيَّ، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ الرَّجُلَ يَجِدُ مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً أَيَقْتُلُهُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سَعْدٌ بَلَى وَالَّذِي أَكْرَمَكَ بِالْحَقِّ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسْمَعُوا إِلَى مَا يَقُولُ سَيِّدُكُمْ ‏"‏.‏

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني الدراوردي - عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان سعد بن عبادة الانصاري، قال يا رسول الله ارايت الرجل يجد مع امراته رجلا ايقتله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قال سعد بلى والذي اكرمك بالحق ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسمعوا الى ما يقول سيدكم ‏"‏.‏


Abu Huraira (Allah be pleased with him) reported that Sa'd b. 'Ubada al-Ansari said:
Messenger of Allah, tell me if a man finds his wife with another person, should he kill him? Allah's Messenger (ﷺ) said: No. Sa'd said: Why not? I swear by Him Who has honored you with the Truth. There upon Allah's Messenger (ﷺ) said: Listen to what your chief says.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬২১

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬২১। যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, সা’দ ইবনু উবাদা (রাঃ) বলেছেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আাম যদি আমার স্ত্রীর সঙ্গে কাউকে দেখতে পাই তাহলে চারজন সাক্ষি যোগার করা পর্যন্ত আমি কি তাকে অবকাশ দেব? তিনি বললেন, হ্যাঁ।

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ سَعْدَ بْنَ عُبَادَةَ، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنْ وَجَدْتُ مَعَ امْرَأَتِي رَجُلاً أَأُمْهِلُهُ حَتَّى آتِيَ بِأَرْبَعَةِ شُهَدَاءَ قَالَ ‏ "‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏

وحدثني زهير بن حرب، حدثني اسحاق بن عيسى، حدثنا مالك، عن سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، ان سعد بن عبادة، قال يا رسول الله ان وجدت مع امراتي رجلا اامهله حتى اتي باربعة شهداء قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.‏


Abu Huraira (Allah be pleased with him) reported that Sa'd b. Ubada (Allah be pleased with him) said:
Messenger of Allah, if I were to find with my wife a man, should I wait until I bring four witnesses? He said: Yes.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬২২

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬২২। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা’দ ইবনু উবাদা (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! যদি আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে দেখতে পাই তবে চারজন সাক্ষী হাযির না করা পর্যন্ত আমি কি তাকে স্পর্শ করব না? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হাঁ। তিনি (সা’দ) বললেন, কখনও নয়, সেই মহান সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন অবশ্যই আমি তার (চারজন সাক্ষী হাযিল করার) আগেই দ্রুত তার প্রতি তলোয়ার ব্যবহার করব। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা মনযোগ দিয়ে শোন, তোমাদের সরদার কী বলছেন। নিশ্চয়ই তিনি অতিশয় আত্নমর্যাদার অধিকারী। আর আমি তার চাইতেও অধিকতর আত্নমর্যাদাশীল এবং আল্লাহ আমার চাইতেও অধিক আত্মমর্যাদাবান।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلاَلٍ، حَدَّثَنِي سُهَيْلٌ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ وَجَدْتُ مَعَ أَهْلِي رَجُلاً لَمْ أَمَسَّهُ حَتَّى آتِيَ بِأَرْبَعَةِ شُهَدَاءَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ كَلاَّ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ إِنْ كُنْتُ لأُعَاجِلُهُ بِالسَّيْفِ قَبْلَ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسْمَعُوا إِلَى مَا يَقُولُ سَيِّدُكُمْ إِنَّهُ لَغَيُورٌ وَأَنَا أَغْيَرُ مِنْهُ وَاللَّهُ أَغْيَرُ مِنِّي ‏"‏ ‏.‏

حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا خالد بن مخلد، عن سليمان بن بلال، حدثني سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال سعد بن عبادة يا رسول الله لو وجدت مع اهلي رجلا لم امسه حتى اتي باربعة شهداء قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال كلا والذي بعثك بالحق ان كنت لاعاجله بالسيف قبل ذلك ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسمعوا الى ما يقول سيدكم انه لغيور وانا اغير منه والله اغير مني ‏"‏ ‏.‏


Abu Huraira (Allah be pleased with him) reported that Sa'd b. Ubada (Allah be pleased with him) said:
Messenger of Allah, if I were to find with my wife a man, should I not touch him before bringing four witnesses? Allah's Messenger (ﷺ) said: Yes. He said: By no means. By Him Who has sent you with the Truth, I would hasten with my sword to him before that. Allah's Messenger (ﷺ) said: Listen to what your chief says. He is jealous of his honour, I am more jealous than he (is) and God is more jealous than I.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬২৩

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬২৩। উবায়দুল্লাহ ইবনু উমর কাওয়ারীরী ও আবূ কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন জাহদারী (রহঃ) ... মুগীরা ইবনু শু’বা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা’দ ইবনু উবাদা (রাঃ) বললেন, যদি আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে অপর কোন পুরুষকে দেখতে পাই তবে নিশ্চয়ই আমি তাকে আমার তরবারীর ধার দিয়ে তার উপর আঘাত হানব- পার্শ্ব দিয়ে নয়। একথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পৌঁছল। তিনি বললেন, তোমরা কি সা’দের আত্মমর্যাদাবোধ সম্পর্কে আশ্চর্য হয়েছে? আল্লাহর কসম! আমি তার চাইতে অধিকতর আত্নমর্যাদাবোধসস্পন্ন। আর আল্লাহ আমার তুলনায় অধিকতর মর্যাদাবান। আল্লাহ তাঁর আত্নমর্যাদার কারণে প্রকাশ্য ও গোপন যাবতীয় অশ্নীল কর্ম হারাম করে দিয়েছেন। আর আল্লাহর তুলনায় অধিক আত্নমর্যাদা সম্পন্ন কেউ নেই এবং আল্লাহর চাইতে অধিকতর ওযর পছন্দকারী কেউ নেই। এ কারণেই আল্লাহ তাঁর নবী-রাসুলদের সুসংবাদদাতা ও তীতি প্রদর্শনকারীরূপে প্রেরণ করেছেন। আল্লাহর চাইতে অধিকতর প্রশংসা পছন্দকারী কেউ নেই। এই কারণে তিনি জান্নাতের অঙ্গীকার করেছেন।

حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، وَأَبُو كَامِلٍ فُضَيْلُ بْنُ حُسَيْنٍ الْجَحْدَرِيُّ - وَاللَّفْظُ لأَبِي كَامِلٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ وَرَّادٍ، - كَاتِبِ الْمُغِيرَةِ - عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ قَالَ سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ لَوْ رَأَيْتُ رَجُلاً مَعَ امْرَأَتِي لَضَرَبْتُهُ بِالسَّيْفِ غَيْرَ مُصْفِحٍ عَنْهُ ‏.‏ فَبَلَغَ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ أَتَعْجَبُونَ مِنْ غَيْرَةِ سَعْدٍ فَوَاللَّهِ لأَنَا أَغْيَرُ مِنْهُ وَاللَّهُ أَغْيَرُ مِنِّي مِنْ أَجْلِ غَيْرَةِ اللَّهِ حَرَّمَ الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَلاَ شَخْصَ أَغْيَرُ مِنَ اللَّهِ وَلاَ شَخْصَ أَحَبُّ إِلَيْهِ الْعُذْرُ مِنَ اللَّهِ مِنْ أَجْلِ ذَلِكَ بَعَثَ اللَّهُ الْمُرْسَلِينَ مُبَشِّرِينَ وَمُنْذِرِينَ وَلاَ شَخْصَ أَحَبُّ إِلَيْهِ الْمِدْحَةُ مِنَ اللَّهِ مِنْ أَجْلِ ذَلِكَ وَعَدَ اللَّهُ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏

حدثني عبيد الله بن عمر القواريري، وابو كامل فضيل بن حسين الجحدري - واللفظ لابي كامل - قالا حدثنا ابو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن وراد، - كاتب المغيرة - عن المغيرة بن شعبة، قال قال سعد بن عبادة لو رايت رجلا مع امراتي لضربته بالسيف غير مصفح عنه ‏.‏ فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ اتعجبون من غيرة سعد فوالله لانا اغير منه والله اغير مني من اجل غيرة الله حرم الفواحش ما ظهر منها وما بطن ولا شخص اغير من الله ولا شخص احب اليه العذر من الله من اجل ذلك بعث الله المرسلين مبشرين ومنذرين ولا شخص احب اليه المدحة من الله من اجل ذلك وعد الله الجنة ‏"‏ ‏.‏


AI-Mughira b. Shu'ba (Allah be pleased with him) reported that Sa'd b. 'Ubada (Allah be pleased with him) said:
If I were to see a man with my wife, I would have struck him with the sword, and not with the flat part (side) of it. When Allah's Messenger (ﷺ) heard of that, he said: Are you surprised at Sa'd's jealousy of his honour? By Allah, I am more jealous of my honour than he, and Allah is more jealous than I. Because of His jealousy Allah has prohibited abomination, both open and secret And no person is more jealous of his honour than Allah, and no persons, is more fond of accepting an excuse than Allah, on account of which He has sent messengers, announcers of glad tidings and warners; and no one is more fond of praise than Allah on account of which Allah has promised Paradise.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
৩৬২৪

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই

৩৬২৪। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... আবদুল মালিক ইবনু উমায়র (রহঃ) সুত্রে এই সনদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি তার বর্ণনার অনুরূপ তরবারীর "পার্শ্ব দিয়ে নয়" শব্দটির উল্লেখ করেছেন এবং তিনি তাعَنْهُ (তার) শব্দটি উল্লেখ করেন নি।

وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، بْنِ عُمَيْرٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ ‏.‏ وَقَالَ غَيْرَ مُصْفِحٍ ‏.‏ وَلَمْ يَقُلْ عَنْهُ ‏.‏

وحدثناه ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا حسين بن علي، عن زاىدة، عن عبد الملك، بن عمير بهذا الاسناد مثله ‏.‏ وقال غير مصفح ‏.‏ ولم يقل عنه ‏.‏


A hadith like this has been transmitted on the authority, of 'Abd al-Malik b. Umair with the same chain of narraters but with a slight change of words.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২০/ লি’আন (كتاب اللعان) 20/ The Book of Invoking Curses
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২৪ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »