সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله)
১৪৯৯

পরিচ্ছেদঃ কুরবানীর ফযীলত

১৪৯৯। আবূ আমর মুসলিম ইবনু আমর হামযা মাদীনী (রহঃ) ... আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কুরবানীর দিন রক্ত প্রবাহিত করা (যবাহ করা) অপেক্ষা আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় মানুষের কোনামল হয় না। কিয়ামতের দিন এর শিং লোম ও পায়ের খুর সব সহ উপস্থিত হবে। এর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদায় পৌছে যায় সুতরাং স্বচ্ছন্দ হৃদয়ে তোমরা তা করবে। যঈফ, ইবনু মাজাহ ১৪৯৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৯৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে ইমরান ইবনু হুসায়ন, যায়দ ইবনু আরকাম রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। এই হাদীসটি হাসান-গারীব। এ সূত্র ছাড়া হিশাম ইবনু উরওয়া (রহঃ) এর হাদীস হিসাবে এটি সম্পর্কে আমরা অবগত নই। আবূল মুছান্না (রহঃ) এর নাম হল সুলায়মান ইবনু ইয়াযীদ। ইবনু আবূ ফুদায়ক (রহঃ)-ও তাঁর নিকট থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি কুরবানী প্রসঙ্গে বলেছেন, যে কুরবানী করে তার জন্য প্রতিটি লোমের বদলায় সাওয়াব রয়েছে। অন্য বর্ণনায় আছে, এর শিংগুলোর বদলায়।

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الأُضْحِيَةِ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو، مُسْلِمُ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُسْلِمٍ الْحَذَّاءُ الْمَدَنِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ الصَّائِغُ أَبُو مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي الْمُثَنَّى، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ مَا عَمِلَ آدَمِيٌّ مِنْ عَمَلٍ يَوْمَ النَّحْرِ أَحَبَّ إِلَى اللَّهِ مِنْ إِهْرَاقِ الدَّمِ إِنَّهَا لَتَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقُرُونِهَا وَأَشْعَارِهَا وَأَظْلاَفِهَا وَإِنَّ الدَّمَ لَيَقَعُ مِنَ اللَّهِ بِمَكَانٍ قَبْلَ أَنْ يَقَعَ مِنَ الأَرْضِ فَطِيبُوا بِهَا نَفْسًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ وَزَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَأَبُو الْمُثَنَّى اسْمُهُ سُلَيْمَانُ بْنُ يَزِيدَ ‏.‏ رَوَى عَنْهُ ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ ‏.‏ - قَالَ أَبُو عِيسَى وَيُرْوَى عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ فِي الأُضْحِيَةِ لِصَاحِبِهَا بِكُلِّ شَعَرَةٍ حَسَنَةٌ ‏"‏ ‏.‏ وَيُرْوَى ‏"‏ بِقُرُونِهَا ‏"‏ ‏.‏

حدثنا أبو عمرو، مسلم بن عمرو بن مسلم الحذاء المدني حدثنا عبد الله بن نافع الصائغ أبو محمد، عن أبي المثنى، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ما عمل آدمي من عمل يوم النحر أحب إلى الله من إهراق الدم إنها لتأتي يوم القيامة بقرونها وأشعارها وأظلافها وإن الدم ليقع من الله بمكان قبل أن يقع من الأرض فطيبوا بها نفسا ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن عمران بن حصين وزيد بن أرقم ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث هشام بن عروة إلا من هذا الوجه ‏.‏ وأبو المثنى اسمه سليمان بن يزيد ‏.‏ روى عنه ابن أبي فديك ‏.‏ - قال أبو عيسى ويروى عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏"‏ في الأضحية لصاحبها بكل شعرة حسنة ‏"‏ ‏.‏ ويروى ‏"‏ بقرونها ‏"‏ ‏.‏


Narrated 'Aishah:
That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "A human does no action from the actions on the day of Nahr more beloved to Allah then spilling blood. On the Day of judgement, it will appear with its horns, and hair, and hooves, and indeed the blood will be accepted by Allah from where it is received before it even falls upon earth, so let your heart delight in it."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০০

পরিচ্ছেদঃ দুটি মেষ কুরবানী দেওয়া

১৫০০। কুতায়বা (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাদা বর্ণের মধ্যে কিঞ্চিৎ লাল বর্ণ শিং ওয়ালা দুটি মেষ কুরবানী করেছেন। এ দুটিকে তিনি বিসমিল্লাহ ও আল্লাহ আকবর বলে নিজ হাতে যাবাহ করেন। সে সময় তিনি তাঁর পা পশুর গন্ড দেশে রেখেছিলেন।

সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১২০, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৯৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আলী, আয়িশা, আবূ হুরায়রা, জাবির, আবূ আয়্যুব, আবুদ দারদা, আবূ রাফি, ইবনু উমার ও আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।

باب مَا جَاءَ فِي الأُضْحِيَةِ بِكَبْشَيْنِ ‏‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ ضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِكَبْشَيْنِ أَمْلَحَيْنِ أَقْرَنَيْنِ ذَبَحَهُمَا بِيَدِهِ وَسَمَّى وَكَبَّرَ وَوَضَعَ رِجْلَهُ عَلَى صِفَاحِهِمَا ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَعَائِشَةَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي أَيُّوبَ وَجَابِرٍ وَأَبِي الدَّرْدَاءِ وَأَبِي رَافِعٍ وَابْنِ عُمَرَ وَأَبِي بَكْرَةَ أَيْضًا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم بكبشين أملحين أقرنين ذبحهما بيده وسمى وكبر ووضع رجله على صفاحهما ‏.‏ قال وفي الباب عن علي وعائشة وأبي هريرة وأبي أيوب وجابر وأبي الدرداء وأبي رافع وابن عمر وأبي بكرة أيضا ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Anas bin Malik:
"The Messenger of Allah (ﷺ) slaughtered two horned male sheep which were mostly white. He slaughtered them with his hand and mentioned Allah's Name, and he said 'Allahu Akbar', and put his foot on their side."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০১

পরিচ্ছেদঃ মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী

১৫০১। মুহাম্মদ ইবনু উবায়দ মুহারিবী কূফী (রহঃ) ... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি দুটো মেষ কুরবানী দিয়েছিলেন। এর একটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে আরেকটি তাঁর নিজের পক্ষ থেকে। তখন তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এই সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। সুতরাং আমি কখনো তা পরিত্যাগ করবো না। যঈফ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৯৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীসটি গারীব। শারীকের সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবগত নই। কোন কোন আলিম মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করার অনুমতি দিয়েছেন। আর কেউ কেউ এর অনুমতি দেননি। আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহঃ) বলেন, কুরবানী না করে মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে সাদকা করে দেওয়াই হল আমার নিকট অধিক প্রিয়। আর যদি কুরবানী করে তবে তা থেকে আহার করবে না বরং সবটাই সাদকা করে দিবে।

باب مَا جَاءَ فِي الأُضْحِيَةِ عَنِ الْمَيِّتِ، ‏‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الْمُحَارِبِيُّ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي الْحَسْنَاءِ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّهُ كَانَ يُضَحِّي بِكَبْشَيْنِ أَحَدُهُمَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالآخَرُ عَنْ نَفْسِهِ، فَقِيلَ لَهُ فَقَالَ أَمَرَنِي بِهِ يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم - فَلاَ أَدَعُهُ أَبَدًا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ شَرِيكٍ ‏.‏ وَقَدْ رَخَّصَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنْ يُضَحَّى عَنِ الْمَيِّتِ وَلَمْ يَرَ بَعْضُهُمْ أَنْ يُضَحَّى عَنْهُ ‏.‏ وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ أَحَبُّ إِلَىَّ أَنْ يُتَصَدَّقَ عَنْهُ وَلاَ يُضَحَّى عَنْهُ وَإِنْ ضَحَّى فَلاَ يَأْكُلْ مِنْهَا شَيْئًا وَيَتَصَدَّقْ بِهَا كُلِّهَا ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدٌ قَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ وَقَدْ رَوَاهُ غَيْرُ شَرِيكٍ ‏.‏ قُلْتُ لَهُ أَبُو الْحَسْنَاءِ مَا اسْمُهُ فَلَمْ يَعْرِفْهُ ‏.‏ قَالَ مُسْلِمٌ اسْمُهُ الْحَسَنُ ‏.‏

حدثنا محمد بن عبيد المحاربي الكوفي، حدثنا شريك، عن أبي الحسناء، عن الحكم، عن حنش، عن علي، أنه كان يضحي بكبشين أحدهما عن النبي صلى الله عليه وسلم والآخر عن نفسه، فقيل له فقال أمرني به يعني النبي صلى الله عليه وسلم - فلا أدعه أبدا ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث شريك ‏.‏ وقد رخص بعض أهل العلم أن يضحى عن الميت ولم ير بعضهم أن يضحى عنه ‏.‏ وقال عبد الله بن المبارك أحب إلى أن يتصدق عنه ولا يضحى عنه وإن ضحى فلا يأكل منها شيئا ويتصدق بها كلها ‏.‏ قال محمد قال علي بن المديني وقد رواه غير شريك ‏.‏ قلت له أبو الحسناء ما اسمه فلم يعرفه ‏.‏ قال مسلم اسمه الحسن ‏.‏


Narrated Hanash:
That 'Ali used to slaughter two male sheep, one for the Prophet (ﷺ) and the other for himself. When this was mentioned to him, he said: "He ordered me to" - meaning the Prophet (ﷺ) - "So I will never leave it."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০২

পরিচ্ছেদঃ কী ধরনের কুরবানী মুস্তাহাব?

১৫০২। আবূ সাঈদ আশাজ্জ (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি শিংওয়ালা মোটা তাজা মেষ কুরবানী করেছিলেন। এটি খেতো কালো মুখে, চলত কালো পায়ে, দেখত কালো চোখে। (অর্থাৎ উল্লেখিত অঙ্গগুলো কালো বর্ণের ছিল।) সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১২৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৯৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ-গারীব। হাফস ইবনু গিয়াস (রহঃ) -এর সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবগত নই।

باب مَا جَاءَ مَا يُسْتَحَبُّ مِنَ الأَضَاحِي ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ ضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِكَبْشٍ أَقْرَنَ فَحِيلٍ يَأْكُلُ فِي سَوَادٍ وَيَمْشِي فِي سَوَادٍ وَيَنْظُرُ فِي سَوَادٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ ‏.‏

حدثنا أبو سعيد الأشج، حدثنا حفص بن غياث، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، قال ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم بكبش أقرن فحيل يأكل في سواد ويمشي في سواد وينظر في سواد ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه إلا من حديث حفص بن غياث ‏.‏


Narrated Abu Sa'eed Al-Khudri:
"The Messenger of Allah (ﷺ) slaughtered a horned male ram of fine pedigree, (around) his mouth was black, and his legs were black, and (around) his eyes was black.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০৩

পরিচ্ছেদঃ কোন পশুর কুরবানী জায়েয নয়

১৫০৩। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... বারা ইবনু আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মারফু’ হাদীস বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, খোঁড়া পশু যার খোঁড়া হওয়া স্পষ্ট, কানা পশু যার অন্ধত্ব সুস্পষ্ট, রুগ্ন পশু যার রোগ সুস্পষ্ট, ক্ষীণ পশু যার হাড্ডির মগজ পর্যন্ত শুকিয়ে গেছে-এমন জন্তুর কুরবানী হবে না। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৪৪, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হান্নাদ (রহঃ) বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে উক্ত মর্মে বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান-সহীহ। উবায়দা ইবনু ফায়রুয-বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্র ছাড়া এটি সম্পর্কে আমরা অবগত নই। আলিমদের এই হাদীস অনুসারে আমল রয়েছে।

باب مَا لاَ يَجُوزُ مِنَ الأَضَاحِي ‏‏

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ فَيْرُوزَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، رَفَعَهُ قَالَ ‏ "‏ لاَ يُضَحَّى بِالْعَرْجَاءِ بَيِّنٌ ظَلَعُهَا وَلاَ بِالْعَوْرَاءِ بَيِّنٌ عَوَرُهَا وَلاَ بِالْمَرِيضَةِ بَيِّنٌ مَرَضُهَا وَلاَ بِالْعَجْفَاءِ الَّتِي لاَ تُنْقِي ‏"‏ ‏.‏
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ فَيْرُوزَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ بِمَعْنَاهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عُبَيْدِ بْنِ فَيْرُوزَ عَنِ الْبَرَاءِ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، أخبرنا جرير بن حازم، عن محمد بن إسحاق، عن يزيد بن أبي حبيب، عن سليمان بن عبد الرحمن، عن عبيد بن فيروز، عن البراء بن عازب، رفعه قال ‏ "‏ لا يضحى بالعرجاء بين ظلعها ولا بالعوراء بين عورها ولا بالمريضة بين مرضها ولا بالعجفاء التي لا تنقي ‏"‏ ‏.‏ حدثنا هناد، حدثنا ابن أبي زائدة، أخبرنا شعبة، عن سليمان بن عبد الرحمن، عن عبيد بن فيروز، عن البراء بن عازب، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه بمعناه ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح لا نعرفه إلا من حديث عبيد بن فيروز عن البراء ‏.‏ والعمل على هذا الحديث عند أهل العلم ‏.‏


Narrated Al-Bara' bin 'Azib:
A Marfu' narration (from the Prophet (ﷺ)), saying: "A crippled animal whose limp is obvious is not to be slaughtered as sacrifice, nor an animal with a bad eye whose blindness is obvious, nor a sick animal whose sickness is obvious, nor an emaciated animal that has no marrow (in its bones)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০৪

পরিচ্ছেদঃ কোন পশু কুরবানী মাকরূহ?

১৫০৪। হাসান ইবনু আলী হুলওয়ানী (রহঃ) ... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন আমরা যেন চোখ-কান ভাল করে দেখে নেই। আর আমরা যেন মুকাবালা, মুদাবারা, শারকা ও খারকা জন্তু কুরবানী না দেই। যঈফ, ইবনু মাজাহ ৩১৪২, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

হাসান ইবনু আলী (রহঃ) আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে বর্ণিত আছে। এতে আরো আছে যে, তিনি বলেন, ’’মুকাবালা’’ হল যে পশুর সামনের দিকে কানের এক পাশ কাটা, ’’মুদাবারা’’ হল যে পশুর পিছনের দিকে কানের এক পাশ কাটা, ’’শারকা’’ হল যে পশুর লম্বা লম্বিভাবে কান ছেঁড়া, ’’খারকা’’ হল যেপশুর কানে ছিদ্র আছে।

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। শুরায়হ ইবনুন-নু’মান সাইদী (রহঃ) হলেন, কূফার বাসিন্দা (কুফী)। শুরায়হ ইবনু হারিছ কিন্দী (রহঃ) হলেন, কুফার বাসিন্দা। তিনি ছিলেন কাযী। তাঁর কুনিয়াত বা উপনাম হল আবূ উমায়্যা। শুরায়হ ইবনু হানী (রহঃ)-ও হলেন, কুফী। হানী রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন সাহাবী। এরা সকলেই ছিলেন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর শাগরিদ ও সমসাময়িক।

باب مَا يُكْرَهُ مِنَ الأَضَاحِي ‏‏

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا شَرِيكُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ النُّعْمَانِ الصَّائِدِيِّ، وَهُوَ الْهَمْدَانِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَسْتَشْرِفَ الْعَيْنَ وَالأُذُنَ وَأَنْ لاَ نُضَحِّيَ بِمُقَابَلَةٍ وَلاَ مُدَابَرَةٍ وَلاَ شَرْقَاءَ وَلاَ خَرْقَاءَ ‏.‏
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ شُرَيْحِ بْنِ النُّعْمَانِ، عَنْ عَلِيٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ وَزَادَ قَالَ الْمُقَابَلَةُ مَا قُطِعَ طَرَفُ أُذُنِهَا ‏.‏ وَالْمُدَابَرَةُ مَا قُطِعَ مِنْ جَانِبِ الأُذُنِ ‏.‏ وَالشَّرْقَاءُ الْمَشْقُوقَةُ ‏.‏ وَالْخَرْقَاءُ الْمَثْقُوبَةُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَشُرَيْحُ بْنُ النُّعْمَانِ الصَّائِدِيُّ هُوَ كُوفِيٌّ مِنْ أَصْحَابِ عَلِيٍّ وَشُرَيْحُ بْنُ هَانِئٍ كُوفِيٌّ وَلِوَالِدِهِ صُحْبَةٌ مِنْ أَصْحَابِ عَلِيٍّ وَشُرَيْحُ بْنُ الْحَارِثِ الْكِنْدِيُّ أَبُو أُمَيَّةَ الْقَاضِي قَدْ رَوَى عَنْ عَلِيٍّ وَكُلُّهُمْ مِنْ أَصْحَابِ عَلِيٍّ فِي عَصْرٍ وَاحِدٍ ‏.‏ قَوْلُهُ أَنْ نَسْتَشْرِفَ أَىْ أَنْ نَنْظُرَ صَحِيحًا ‏.‏

حدثنا الحسن بن علي الحلواني، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا شريك بن عبد الله، عن أبي إسحاق، عن شريح بن النعمان الصائدي، وهو الهمداني عن علي بن أبي طالب، قال أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نستشرف العين والأذن وأن لا نضحي بمقابلة ولا مدابرة ولا شرقاء ولا خرقاء ‏.‏ حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبيد الله بن موسى، أخبرنا إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن شريح بن النعمان، عن علي، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله وزاد قال المقابلة ما قطع طرف أذنها ‏.‏ والمدابرة ما قطع من جانب الأذن ‏.‏ والشرقاء المشقوقة ‏.‏ والخرقاء المثقوبة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ قال أبو عيسى وشريح بن النعمان الصائدي هو كوفي من أصحاب علي وشريح بن هانئ كوفي ولوالده صحبة من أصحاب علي وشريح بن الحارث الكندي أبو أمية القاضي قد روى عن علي وكلهم من أصحاب علي في عصر واحد ‏.‏ قوله أن نستشرف أى أن ننظر صحيحا ‏.‏


Narrated 'Ali bin Abi Talib:
"The Messenger of Allah (ﷺ) ordered that we check the eyes and ears, and not to slaughter the Muqabalah, nor the Mudabarah, nor the Sharqa', nor the Kharqa'"

Another chain from 'Ali, from the Prophet (ﷺ) and it is similar, but he added:
"The Muqabalah is the one whose ears have been severed, the Mudabarah is the one with the sides of its ears cut off, and the Sharqa' is one with its ears split, and the Khurqa' is the one whose ears have a hole pierced through them."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০৫

পরিচ্ছেদঃ ছয়মাস বয়সী মেষ কুরবানী করা

১৫০৫। ইউসুফ ইবনু ঈসা (রহঃ) ... আবূ কিবাশ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মদীনায় ছয়মাস বয়সের একটি মেষ (বিক্রির) জন্য নিয়ে এলাম। কিন্তু তা বাজারে চলল না। পরে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সঙ্গে আমার সাক্ষাত হলে আমি তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কুরবানীর জন্য ছয়মাস বয়সী মেষ কতই না ভাল। আবূ কিবাশ (রহঃ) বলেন, এরপর লোকেরা একে ছিনিয়ে নেওয়ার মত কিনে নিল।

যঈফ, যঈফাহ ৬৪, মিশকাত ১৪৬৮, ইরওয়া ১১৪৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৪৯৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে ইবনু আব্বাস, উম্মু বিলাল বিনত হিলাল তৎপিতা হিলাল-এর বরাতে, জাবির, উকবা ইবনু আমির এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর একজন সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি গারীব। এটি আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাওকুফ রূপেও বর্ণিত আছে। ফকীহ সাহাবী ও অপরাপর আলিমদের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তাঁরা বলেন, ছয়মাস বয়সের মেষও কুরবানীর জন্য যথেষ্ট।

باب مَا جَاءَ فِي الْجَذَعِ مِنَ الضَّأْنِ فِي الأَضَاحِي ‏‏

حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ وَاقِدٍ، عَنْ كِدَامِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي كِبَاشٍ، قَالَ جَلَبْتُ غَنَمًا جُذْعَانًا إِلَى الْمَدِينَةِ فَكَسَدَتْ عَلَىَّ فَلَقِيتُ أَبَا هُرَيْرَةَ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ نِعْمَ - أَوْ نِعْمَتِ - الأُضْحِيَةُ الْجَذَعُ مِنَ الضَّأْنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَانْتَهَبَهُ النَّاسُ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَأُمِّ بِلاَلٍ ابْنَةِ هِلاَلٍ عَنْ أَبِيهَا وَجَابِرٍ وَعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ وَرَجُلٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مَوْقُوفًا ‏.‏ وَعُثْمَانُ بْنُ وَاقِدٍ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ أَنَّ الْجَذَعَ مِنَ الضَّأْنِ يُجْزِئُ فِي الأُضْحِيَةِ ‏.‏

حدثنا يوسف بن عيسى، حدثنا وكيع، حدثنا عثمان بن واقد، عن كدام بن عبد الرحمن، عن أبي كباش، قال جلبت غنما جذعانا إلى المدينة فكسدت على فلقيت أبا هريرة فسألته فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ نعم - أو نعمت - الأضحية الجذع من الضأن ‏"‏ ‏.‏ قال فانتهبه الناس ‏.‏ قال وفي الباب عن ابن عباس وأم بلال ابنة هلال عن أبيها وجابر وعقبة بن عامر ورجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو عيسى حديث أبي هريرة حديث حسن غريب ‏.‏ وقد روي هذا عن أبي هريرة موقوفا ‏.‏ وعثمان بن واقد هو ابن محمد بن زياد بن عبد الله بن عمر بن الخطاب ‏.‏ والعمل على هذا عند أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم أن الجذع من الضأن يجزئ في الأضحية ‏.‏


Narrated Abu Kibash:
"I brought a Jadha' sheep to Al-Madinah (for sale) but it remained with me. I saw Abu Hurairah and I asked him about it, so he said: 'I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying: "The best male" - or - "female Udhiyah is that from the Jadha' sheep." He said: "So the people took note of that (they became interested in buying)."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০৬

পরিচ্ছেদঃ ছয়মাস বয়সী মেষ কুরবানী করা

১৫০৬। কুতায়বা (রহঃ) ... উকবা ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের মধ্যে কুরবানীর উদ্দেশ্যে বন্টনের জন্য তাকে কিছু ছাগল দিয়েছিলেন। শেষে এগুলোর মধ্যে একটি আতুদ বা জাদই* অবশিষ্ট রয়ে গেল। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এই কথা উল্লেখ করলে তিনি বললেন এটিকে তুমিই কুরবানী দিয়ে দাও। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৩৮, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ওয়াকী’ বলেন, (হাদীছোল্লিখিত) (لْجَذَعُ) অর্থ হলো সাত বা ছয়মাস বয়সের বাচ্চা।

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। অন্য এক সূত্রে উকবা ইবনু আমির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকটি কুরবানীর পশু বন্টন করেন। শেষে একটি ছয়মাস বয়সের ভেড়ার বাচ্চা অবশিষ্ট থেকে যায়। আমি তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এটি চাইলে তিনি বললেন, এটিকে তুমিই কুরবানী দিয়ে দাও।

মুহাম্মদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... উকবা ইবনু আমি রাদিয়াল্লাহু আনহু সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন।

باب مَا جَاءَ فِي الْجَذَعِ مِنَ الضَّأْنِ فِي الأَضَاحِي ‏‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَعْطَاهُ غَنَمًا يَقْسِمُهَا عَلَى أَصْحَابِهِ ضَحَايَا فَبَقِيَ عَتُودٌ أَوْ جَدْىٌ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ ضَحِّ بِهِ أَنْتَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ وَكِيعٌ الْجَذَعُ مِنَ الضَّأْنِ يَكُونُ ابْنَ سِتَّةِ أَوْ سَبْعَةِ أَشْهُرٍ ‏.‏
وَقَدْ رُوِيَ مِنْ، غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، أَنَّهُ قَالَ قَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ضَحَايَا فَبَقِيَ جَذَعَةٌ فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ ضَحِّ بِهَا أَنْتَ ‏"‏ ‏.‏ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ وَأَبُو دَاوُدَ قَالاَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ الدَّسْتَوَائِيُّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ بَعْجَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَدْرٍ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاه غنما يقسمها على أصحابه ضحايا فبقي عتود أو جدى فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ ضح به أنت ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ قال وكيع الجذع من الضأن يكون ابن ستة أو سبعة أشهر ‏.‏ وقد روي من، غير هذا الوجه عن عقبة بن عامر، أنه قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم ضحايا فبقي جذعة فسألت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ ضح بها أنت ‏"‏ ‏.‏ حدثنا بذلك محمد بن بشار حدثنا يزيد بن هارون وأبو داود قالا حدثنا هشام الدستوائي عن يحيى بن أبي كثير عن بعجة بن عبد الله بن بدر عن عقبة بن عامر عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث ‏.‏


Narrated 'Uqbah bin 'Amir:
That the Messenger of Allah (ﷺ) gave him sheep to distribute among his Companions as a sacrifice. "There remained a young male kid or a young billy goat, so I mentioned that to the Messenger of Allah (ﷺ) and he said: 'Sacrifice it for yourself.'" Waki' said: "The Jadha' among sheep is seven or six months."

It has been reported that 'Uqbah bin Amir said:
"The Prophet (ﷺ) distributed the sacrificial animals and I was left with a Jadha', so I asked the Prophet (ﷺ) about it and he said: 'Sacrifice it for yourself.'" (Another chain) with this Hadith.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০৭

পরিচ্ছেদঃ কুরবানীতে শরীক হওয়া

১৫০৭। আবূ আম্মার হুসায়ন ইবনু হুরায়ছ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। এমতাবস্থায় কুরবানীর ঈদ এসে গেল। আমরা তখন গরুতে সাত জন এবং উটে দশজন করে শরীক হই। সহীহ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আবূল আসাদ আস-সুলামী তার পিতা, তার পিতামহ এবং আবূ আয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-গারীব। ফযল ইবনু মূসা (রহঃ) এর রিওয়ায়াত ছাড়া এটি সম্পর্কে আমাদের কিছু জানা নাই।

باب مَا جَاءَ فِي الاِشْتِرَاكِ فِي الأُضْحِيَةِ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو عَمَّارٍ الْحُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ عِلْبَاءَ بْنِ أَحْمَرَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَحَضَرَ الأَضْحَى فَاشْتَرَكْنَا فِي الْبَقَرَةِ سَبْعَةً وَفِي الْبَعِيرِ عَشَرَةً ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ السُّلَمِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ وَأَبِي أَيُّوبَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ الْفَضْلِ بْنِ مُوسَى ‏.‏

حدثنا أبو عمار الحسين بن حريث، حدثنا الفضل بن موسى، عن الحسين بن واقد، عن علباء بن أحمر، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فحضر الأضحى فاشتركنا في البقرة سبعة وفي البعير عشرة ‏.‏ قال أبو عيسى وفي الباب عن أبي الأسود السلمي عن أبيه عن جده وأبي أيوب ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث الفضل بن موسى ‏.‏


Narrated Ibn 'Abbas:
"We were with the Messenger of Allah (ﷺ) on a journey when the (Day of) Adha came, so we shared seven for a cow and ten for a camel."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০৮

পরিচ্ছেদঃ কুরবানীতে শরীক হওয়া

১৫০৮। কুতায়বা (রহঃ) ... জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমরা হুদায়বিয়াতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাতজনে একটি উট বা সাতজনে একটি গরু কুরবানী করেছি। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৩২, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। ফকীহ সাহাবী ও অপরাপর আলিমগণের এতদনুসারে আমল রয়েছে। এ হল ইমাম সুফইয়ান ছাওরী, ইবনুল মুবারক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। তবে ইসহাক (রহঃ) বলেন, একটি উট দশজনের পক্ষ থেকেও যথেষ্ট হবে। তিনি ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটিকে দলীল হিসাবে পেশ করেন।

باب مَا جَاءَ فِي الاِشْتِرَاكِ فِي الأُضْحِيَةِ ‏‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ نَحَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحُدَيْبِيَةِ الْبَدَنَةَ عَنْ سَبْعَةٍ وَالْبَقَرَةَ عَنْ سَبْعَةٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَابْنِ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ يُجْزِئُ أَيْضًا الْبَعِيرُ عَنْ عَشَرَةٍ ‏.‏ وَاحْتَجَّ بِحَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا مالك بن أنس، عن أبي الزبير، عن جابر، قال نحرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحديبية البدنة عن سبعة والبقرة عن سبعة ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا عند أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم وهو قول سفيان الثوري وابن المبارك والشافعي وأحمد وإسحاق ‏.‏ وقال إسحاق يجزئ أيضا البعير عن عشرة ‏.‏ واحتج بحديث ابن عباس ‏.‏


Narrated Jabir:
"We performed the Nahr (sacrifice) with the Messenger of Allah (ﷺ) at Al-Hudaibiyyah: A camel for seven (persons) and a cow for seven (persons)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫০৯

পরিচ্ছেদঃ শিংভাঙ্গা ও কানফাটা পশু দিয়ে কুরবানী করা।

১৫০৯। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, সাতজনে একটি গরু। বর্ণনাকারী হুযায়্যা (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, এমতাবস্থায় যদি এর বাচ্চা ভূমিষ্ট হয়? তিনি বললেন, এর সঙ্গে বাচ্চাটিকেও যবাহ করবে। আমি বললাম খোড়া হলে? তিনি বললেন, যদি কুরবানীর স্থান পর্যন্ত পৌছতে পারে (তবে জাইয হবে)। আমি বললাম যদি শিং ভাঙ্গা হয়? তিনি বললেন কোন দোষ নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদিগকে দু’ চোখ ও দু’ কান ভাল করে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন।

হাসান, ইবনু মাজাহ ৩১৪৩, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৩ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। সুফইয়অন ছাওরী (রহঃ) ও এটিকে ছালামা ইবনু কুহায়ল (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।

باب فِي الضَّحِيَّةِ بِعَضْبَاءِ الْقَرْنِ وَالأُذُنِ ‏‏

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ حُجَيَّةَ بْنِ عَدِيٍّ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ الْبَقَرَةُ عَنْ سَبْعَةٍ، ‏.‏ قُلْتُ فَإِنْ وَلَدَتْ قَالَ اذْبَحْ وَلَدَهَا مَعَهَا ‏.‏ قُلْتُ فَالْعَرْجَاءُ قَالَ إِذَا بَلَغَتِ الْمَنْسِكَ ‏.‏ قُلْتُ فَمَكْسُورَةُ الْقَرْنِ قَالَ لاَ بَأْسَ أُمِرْنَا أَوْ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَسْتَشْرِفَ الْعَيْنَيْنِ وَالأُذُنَيْنِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ رَوَاهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، أخبرنا شريك، عن سلمة بن كهيل، عن حجية بن عدي، عن علي، قال البقرة عن سبعة، ‏.‏ قلت فإن ولدت قال اذبح ولدها معها ‏.‏ قلت فالعرجاء قال إذا بلغت المنسك ‏.‏ قلت فمكسورة القرن قال لا بأس أمرنا أو أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نستشرف العينين والأذنين ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ قال أبو عيسى وقد رواه سفيان الثوري عن سلمة بن كهيل ‏.‏


Narrated Hujayyah bin 'Adi:
"Ali said: 'A cow is for seven.' I said: "And if it gives birth?' He said: 'Then slaughter its offspring with it.' I said: 'What if it is lame?' He said: 'When it has reached the place of ritual.' I said: 'What if it has a broken horn?' He said: 'There is no harm, we were ordered' - or - 'The Messenger of Allah (ﷺ) ordered us, to check the two eyes and the two ears.'"


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫১০

পরিচ্ছেদঃ শিংভাঙ্গা ও কানফাটা পশু দিয়ে কুরবানী করা।

১৫১০। হান্নাদ (রহঃ) ... আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, (পূর্ণ) শিং ভাংগা ও কান কাটা পশু কুরবানী দিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। কাতাদা (রহঃ) বলেন, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (রহঃ) এর নিকট এ সম্পর্কে আলোচনা করলে তিনি বলেন, শিং ভাঙ্গা-এর মর্ম হল অর্ধৈক বা তার চাইতে বেশী অংশ যদি ভাঙ্গা থাকে তবে তা কুরবানী করা যায়না। যঈফ ইবনু মাজাহ ৩১৪৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।

باب فِي الضَّحِيَّةِ بِعَضْبَاءِ الْقَرْنِ وَالأُذُنِ ‏‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ جُرَىِّ بْنِ كُلَيْبٍ النَّهْدِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُضَحَّى بِأَعْضَبِ الْقَرْنِ وَالأُذُنِ ‏.‏ قَالَ قَتَادَةُ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ فَقَالَ الْعَضْبُ مَا بَلَغَ النِّصْفَ فَمَا فَوْقَ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن سعيد، عن قتادة، عن جرى بن كليب النهدي، عن علي، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يضحى بأعضب القرن والأذن ‏.‏ قال قتادة فذكرت ذلك لسعيد بن المسيب فقال العضب ما بلغ النصف فما فوق ذلك ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated 'Ali:
"The Messenger of Allah (ﷺ) prohibited that an animal with a A'dab (stump) horn or ear should be slaughtered as a sacrifice." Qatadah (one of the narrators) said: "So I mentioned this to Sa'eed bin Al-Musayyab and he said: 'The A'dab is that which equals or more than that.'"


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫১১

পরিচ্ছেদঃ একটি ছাগলই একটি পরিবারের জন্য যথেষ্ট।

১৫১১। ইয়াহইয়া ইবনু মূসা (রহঃ) ... ’আতা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ আইয়্যুব রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে কুরবানী কেমন হতো? তিনি বললেন, একজন নিজের এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি বকরী কুরবানী করতো, নিজেরাও খেত অন্যদেরকেও খাওয়াতো। শেষে লোকেরা এ বিষয়ে প্রতিযোগিতা করে বাহাদুরী প্রদর্শন শুরু করল। ফলে তা-ই হয়েছে তুমি যা দেখেছ। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৪৭, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। রাবী উমার ইবনু আবদুল্লাহ হলেন, মদীনী। তার বরাতে মালিক ইবনু আনাস (রহঃ)-ও রিওয়ায়াত করেছেন। কতক আলিমের এতদনুসারে আমল রয়েছে। এ হল ইমাম আহমাদ ও ইসহাক (রহঃ) এর অভিমত। তাঁরা দলীল হিসাবে পেশ করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার একটি মেষ কুরবানী দিলেন এবং বললেন, এটি হল আমার উম্মাতের সে সব লোকদের পক্ষ থেকে যারা কুরবানী করতে সক্ষম নয়। কোন কোন আলিম বলেন, একটি বকরী মাত্র একজনের পক্ষ থেকেই যথেষ্ট হতে পারে। এ হল ইমাম আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক প্রমুখ (রহঃ) আলিমগণের অভিমত।

باب مَا جَاءَ أَنَّ الشَّاةَ الْوَاحِدَةَ تُجْزِئُ عَنْ أَهْلِ الْبَيْتِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنِي عُمَارَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ، يَقُولُ سَأَلْتُ أَبَا أَيُّوبَ الأَنْصَارِيَّ كَيْفَ كَانَتِ الضَّحَايَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَ الرَّجُلُ يُضَحِّي بِالشَّاةِ عَنْهُ وَعَنْ أَهْلِ بَيْتِهِ فَيَأْكُلُونَ وَيُطْعِمُونَ حَتَّى تَبَاهَى النَّاسُ فَصَارَتْ كَمَا تَرَى ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَعُمَارَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ هُوَ مَدَنِيٌّ وَقَدْ رَوَى عَنْهُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ وَهُوَ قَوْلُ أَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ وَاحْتَجَّا بِحَدِيثِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ ضَحَّى بِكَبْشٍ فَقَالَ ‏ "‏ هَذَا عَمَّنْ لَمْ يُضَحِّ مِنْ أُمَّتِي ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ لاَ تُجْزِئُ الشَّاةُ إِلاَّ عَنْ نَفْسٍ وَاحِدَةٍ وَهُوَ قَوْلُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ وَغَيْرِهِ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏

حدثني يحيى بن موسى، حدثنا أبو بكر الحنفي، حدثنا الضحاك بن عثمان، حدثني عمارة بن عبد الله، قال سمعت عطاء بن يسار، يقول سألت أبا أيوب الأنصاري كيف كانت الضحايا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان الرجل يضحي بالشاة عنه وعن أهل بيته فيأكلون ويطعمون حتى تباهى الناس فصارت كما ترى ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وعمارة بن عبد الله هو مدني وقد روى عنه مالك بن أنس ‏.‏ والعمل على هذا عند بعض أهل العلم وهو قول أحمد وإسحاق واحتجا بحديث النبي صلى الله عليه وسلم أنه ضحى بكبش فقال ‏ "‏ هذا عمن لم يضح من أمتي ‏"‏ ‏.‏ وقال بعض أهل العلم لا تجزئ الشاة إلا عن نفس واحدة وهو قول عبد الله بن المبارك وغيره من أهل العلم ‏.‏


Narrated 'Ata bin Yasar:
"I asked Abu Abyub [Al-Ansari] how the slaughtering was done during the time of the Messenger of Allah (ﷺ). He said: 'A man would sacrifice a sheep for himself and the people in his household. They would eat from it and feed others, until the people (later) would boast about it and it became as you see now."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আতা ইবনু ইয়াসার (রহ.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫১২

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

১৫১২। আহমাদ ইবনু মানী’ (রহঃ) ... জাবালা ইবনু সুহায়ম (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক ব্যক্তি ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে কুরবানী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিল এটা কি অবশ্য করনীয়? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে কুরবানী করেছেন এবং মুসলিমগণও তা করেছেন। লোকটি আবার প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও কুরবানী করেছেন এবং মুসলিমগণ তা করেছেন, বুঝেছ? যঈফ, মিশকাত তাহকীক ছানী ১৪৭৫, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৬ [আল মাদানী প্রকাশনী]

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। আলিমগণ এতদনুসারে আমল করেছেন যে, কুরবানী অবশ্য করনীয় নয়। এ হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্যতম সুন্নাত। তা করা একটি পছন্দনীয় আমল। এ হল সুফইয়ান ছাওরী ও ইবনুল মুবারক (রহঃ) এর অভিমত।

باب

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ أَرْطَاةَ، عَنْ جَبَلَةَ بْنِ سُحَيْمٍ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ عَنِ الأُضْحِيَةِ، أَوَاجِبَةٌ هِيَ فَقَالَ ضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْمُسْلِمُونَ ‏.‏ فَأَعَادَهَا عَلَيْهِ فَقَالَ أَتَعْقِلُ ضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْمُسْلِمُونَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ الأُضْحِيَةَ لَيْسَتْ بِوَاجِبَةٍ وَلَكِنَّهَا سُنَّةٌ مِنْ سُنَنِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُسْتَحَبُّ أَنْ يُعْمَلَ بِهَا وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَابْنِ الْمُبَارَكِ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، أخبرنا حجاج بن أرطاة، عن جبلة بن سحيم، أن رجلا، سأل ابن عمر عن الأضحية، أواجبة هي فقال ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم والمسلمون ‏.‏ فأعادها عليه فقال أتعقل ضحى رسول الله صلى الله عليه وسلم والمسلمون ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا عند أهل العلم أن الأضحية ليست بواجبة ولكنها سنة من سنن رسول الله صلى الله عليه وسلم يستحب أن يعمل بها وهو قول سفيان الثوري وابن المبارك ‏.‏


Narrated Jabalah bin Suhaim :
That a man asked Ibn 'Umar about the Udhiyah, "Is it obligatory?" So he said: "The Messenger of Allah (ﷺ) performed the Udhiyah as did the Muslims." He repeated the question. So he said: "Do you understand ?" The Messenger of Allah (ﷺ) slaughtered as did the Muslims."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ জাবালাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫১৩

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

১৫১৩। আহমাদ ইবনু মানী’ ও হান্নাদ (রহঃ) ... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় দশ বছর অবস্থান করেছেন এবং তিনি (প্রতিবছর) কুরবানীও করেছেন। যঈফ,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৭ [আল মাদানী প্রকাশনী], দেখুন পূর্বের হাদিস।

ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ।

باب

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، وَهَنَّادٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ حَجَّاجِ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ أَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْمَدِينَةِ عَشْرَ سِنِينَ يُضَحِّي ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، وهناد، قالا حدثنا ابن أبي زائدة، عن حجاج بن أرطاة، عن نافع، عن ابن عمر، قال أقام رسول الله صلى الله عليه وسلم بالمدينة عشر سنين يضحي ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏


Narrated Ibn 'Umar :
"The Messenger of Allah (ﷺ) stayed in Al-Madinah for ten years performing the Udhiyah.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫১৪

পরিচ্ছেদঃ ঈদের সালাতের পর যবাহ করা

১৫১৪। আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... বারা ইবনু আযিব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন (ইয়াওমুন নাহার) আমাদের ভাষণ দিলেন। বললেন, সালাত (নামায/নামাজ) আদায় না করা পর্যন্ত তোমাদের কেউ কুরবানী করবে না। বারা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তখন আমার আমার মামা উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আজকের দিনটি তো এমন যে পরে গিয়ে আর লোকেরা মাংস পছন্দ করে না। তাই আমি আমার কুরবানী তাড়াতাড়ি দিয়ে দিয়েছে। যাতে আমার পরিবার, বাড়ীর লোকজন এবং প্রতিবেশীদের তা খাওয়াতে পারি। তিনি বললেন, পুনরায় আরও একটি যবাহ কর। বারা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমার কাছে একটি বকরীর বাচ্চা আছে যা এখনো দুধ খায়। তবে (মোটা তাজা হওয়ায়) দুটো বকরীর মাংস থেকেও এতে বেশী মাংস হবে। এটি কি আমি কুরবানী করতে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এটি উত্তম। এটি তোমার জন্য যথেষ্ট। তবে তোমার পরে কারো যদি এ ধরণের বাচ্চা (জায’আ) কুরবানী করা যথেষ্ট বলে গণ্য হবে না।

সহীহ, ইরওয়া ২৪৯৫, সহীহ আবু দাউদ ২৪৯৫-২৪৯৬, মুসলিম, বুখারী অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে জাবর, জুনদুব, আনাস, ওয়ায়মির ইবনু আশআর, ইবনু উমার, আবূ যায়দ আল-আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। আলিমগণের এতদনুসারে আমল রয়েছে। তারা বললেন, ইমাম সালাত আদায় না করা পর্যন্ত শহরে কুরবানী করা যাবে না। কতক আলিম ঈদের দিন সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই গ্রামাঞ্চলে (যেখানে ঈদের জামাআত হয় না) কুরবানী করার অনুমতি দিয়েছেন। এ হল ইমাম ইবনুল মুবারক (রহঃ) এর অভিমত। এ বিষয়ে আলিমগণ এক মত যে, ছয়মাস বয়সের ছাগলের বাচ্চা (জায’আ) কুরবানী করা যথেষ্ট হবে না। তবে এ ধরণের ভেড়ার বাচ্চা কুরবানী করা যাবে।

باب مَا جَاءَ فِي الذَّبْحِ بَعْدَ الصَّلاَةِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي يَوْمِ نَحْرٍ فَقَالَ ‏"‏ لاَ يَذْبَحَنَّ أَحَدُكُمْ حَتَّى يُصَلِّيَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقَامَ خَالِي فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا يَوْمٌ اللَّحْمُ فِيهِ مَكْرُوهٌ وَإِنِّي عَجَّلْتُ نُسُكِي لأُطْعِمَ أَهْلِي وَأَهْلَ دَارِي أَوْ جِيرَانِي ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَأَعِدْ ذَبْحًا آخَرَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ عِنْدِي عَنَاقُ لَبَنٍ وَهِيَ خَيْرٌ مِنْ شَاتَىْ لَحْمٍ أَفَأَذْبَحُهَا قَالَ ‏"‏ نَعَمْ وَهِيَ خَيْرُ نَسِيكَتَيْكَ وَلاَ تُجْزِئُ جَذَعَةٌ لأَحَدٍ بَعْدَكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَجُنْدَبٍ وَأَنَسٍ وَعُوَيْمِرِ بْنِ أَشْقَرَ وَابْنِ عُمَرَ وَأَبِي زَيْدٍ الأَنْصَارِيِّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنْ لاَ يُضَحَّى بِالْمِصْرِ حَتَّى يُصَلِّيَ الإِمَامُ وَقَدْ رَخَّصَ قَوْمٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ لأَهْلِ الْقُرَى فِي الذَّبْحِ إِذَا طَلَعَ الْفَجْرُ وَهُوَ قَوْلُ ابْنِ الْمُبَارَكِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَقَدْ أَجْمَعَ أَهْلُ الْعِلْمِ أَنْ لاَ يُجْزِئَ الْجَذَعُ مِنَ الْمَعْزِ وَقَالُوا إِنَّمَا يُجْزِئُ الْجَذَعُ مِنَ الضَّأْنِ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، أخبرنا إسماعيل بن إبراهيم، عن داود بن أبي هند، عن الشعبي، عن البراء بن عازب، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في يوم نحر فقال ‏"‏ لا يذبحن أحدكم حتى يصلي ‏"‏ ‏.‏ قال فقام خالي فقال يا رسول الله هذا يوم اللحم فيه مكروه وإني عجلت نسكي لأطعم أهلي وأهل داري أو جيراني ‏.‏ قال ‏"‏ فأعد ذبحا آخر ‏"‏ ‏.‏ فقال يا رسول الله عندي عناق لبن وهي خير من شاتى لحم أفأذبحها قال ‏"‏ نعم وهي خير نسيكتيك ولا تجزئ جذعة لأحد بعدك ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن جابر وجندب وأنس وعويمر بن أشقر وابن عمر وأبي زيد الأنصاري ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا عند أكثر أهل العلم أن لا يضحى بالمصر حتى يصلي الإمام وقد رخص قوم من أهل العلم لأهل القرى في الذبح إذا طلع الفجر وهو قول ابن المبارك ‏.‏ قال أبو عيسى وقد أجمع أهل العلم أن لا يجزئ الجذع من المعز وقالوا إنما يجزئ الجذع من الضأن ‏.‏


Narrated Al-Bara' bin 'Azib :
"The Messenger of Allah (ﷺ) delivered a sermon to us on the Day of Nahr and he said: 'None of you should slaughter until he performs the Salat." He said: 'So my maternal uncle stood and said: ' O Messenger of Allah, this is the day in which meat is disliked, and I hastened my sacrifice to feed my family and the people of my dwellings - or - 'my neighbors.' He said: 'Repeat your slaughter with another.' He said: 'O Messenger of Allah (ﷺ) I have a she-kid that has better meat than my sheep, should I slaughter it?' He said: 'Yes, and it is better and it will suffice for you, but a Jadha' will not be accepted after you.' "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫১৫

পরিচ্ছেদঃ তিন দিনের ঊর্ধ্বে কুরবানীর গোশত খাওয়া পছন্দনীয় নয়

১৫১৫। কুতায়বা (রহঃ) ... ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তিন দিনের ঊর্ধ্বে কুরবানীর মাংস না খায়।

সহীহ, ইরওয়া ১১৫৫, বুখারী, মুসলিম অনুরূপ এই বিধান পরবর্তী হাদীসের দ্বারা বাতিল হয়ে গেছে, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫০৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে আয়িশা ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। এ নিষেধাজ্ঞা ছিল পূর্বের, পরবর্তীতে তিনি এর অনুমতি প্রদান করেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي كَرَاهِيَةِ أَكْلِ الأُضْحِيَةِ فَوْقَ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ يَأْكُلُ أَحَدُكُمْ مِنْ لَحْمِ أُضْحِيَتِهِ فَوْقَ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَأَنَسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ - وَإِنَّمَا كَانَ النَّهْىُ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُتَقَدِّمًا ثُمَّ رَخَّصَ بَعْدَ ذَلِكَ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يأكل أحدكم من لحم أضحيته فوق ثلاثة أيام ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن عائشة وأنس ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح ‏.‏ - وإنما كان النهى من النبي صلى الله عليه وسلم متقدما ثم رخص بعد ذلك ‏.‏


Narrated Ibn 'Umar:
That the Prophet (ﷺ) said: "None of you should eat from the meat of his sacrificial animal beyond three days."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫১৬

পরিচ্ছেদঃ তিন দিনের পরও কুরবানীর গোশত আহার করার অনুমতি

১৫১৬। মুহাম্মদ ইবনু বাশশার, মাহমূদ ইবনু গায়লান, হাসান ইবনু আলী আল-খাললাল (রহঃ) ... সুলায়মান ইবনু বুরায়দা তার পিতা বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি তোমাদেরকে তিন দিনের পরও কুরবানীর মাংস খেতে নিষেধ করেছিলাম যেন স্বচ্ছল ব্যক্তিরা অসামর্থ ব্যক্তিদের উদারভাবে তা দিতে পারে। এখন তোমরা যা ইচ্ছা খাও। অন্যকেও খাওয়াও এবং সঞ্চয়ও করে রাখতে পার। সহীহ, ইরওয়া ৪/৩৬৮-৩৬৯, মুসলিম,তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১০ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে ইবনু মাসঊদ, আয়িশা নুবায়শা, আবূ সাঈদ, কাতাদা ইবনুন নু’মান, আনাস, উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। ফকীহ সাহাবী ও অপরাপর আলিমদের এতদনুসারে আমল রয়েছে।

باب مَا جَاءَ فِي الرُّخْصَةِ فِي أَكْلِهَا بَعْدَ ثَلاَثٍ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَمَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، وَغَيْرُ، وَاحِدٍ، قَالُوا أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كُنْتُ نَهَيْتُكُمْ عَنْ لُحُومِ الأَضَاحِي فَوْقَ ثَلاَثٍ لِيَتَّسِعَ ذُو الطَّوْلِ عَلَى مَنْ لاَ طَوْلَ لَهُ فَكُلُوا مَا بَدَا لَكُمْ وَأَطْعِمُوا وَادَّخِرُوا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَعَائِشَةَ وَنُبَيْشَةَ وَأَبِي سَعِيدٍ وَقَتَادَةَ بْنِ النُّعْمَانِ وَأَنَسٍ وَأُمِّ سَلَمَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ بُرَيْدَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، ومحمود بن غيلان، والحسن بن علي الخلال، وغير، واحد، قالوا أخبرنا أبو عاصم النبيل، حدثنا سفيان الثوري، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كنت نهيتكم عن لحوم الأضاحي فوق ثلاث ليتسع ذو الطول على من لا طول له فكلوا ما بدا لكم وأطعموا وادخروا ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابن مسعود وعائشة ونبيشة وأبي سعيد وقتادة بن النعمان وأنس وأم سلمة ‏.‏ قال أبو عيسى حديث بريدة حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا عند أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم ‏.‏


Narrated Sulaiman bin Buraidah:
From his father that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "I used to prohibit you from (eating) the meat of Sacrifice beyond three days so that those who have the ability would give to those who do not have it. So (now) eat as you like, feed others, and save from it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫১৭

পরিচ্ছেদঃ তিন দিনের পরও কুরবানীর গোশত আহার করার অনুমতি

১৫১৭। কুতায়বা (রহঃ) ... আবিস ইবনু রাবীআ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মূল মু’মিনীন (আয়িশা)-কে বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি কুরবানীর মাংস খেতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, না, তবে কম সংখ্যক লোকই কুরবানী করার সামর্থ রাখতেন। তাই তিনি পছন্দ করতেন তারা যেন যারা কুরবানী দিতে পারে নি তাদের খাওয়ায়, (পরবর্তীতে) আমরা তো কুরবানীর পশুর ঠ্যাং রেখে দিতাম এবং দশ দিন পরেও তা খেতাম।

এই বর্ণনাটি দুর্বল, এর মূল বক্তব্য সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে, ইরওয়া ৪/৩৭০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১১ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ হাদীস হাসান-সহীহ। এখানে উম্মূল মু’মেনীন বলতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী ’আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা-কে বুঝানো হয়েছে। তাঁর থেকে এ হাদীসটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।

باب مَا جَاءَ فِي الرُّخْصَةِ فِي أَكْلِهَا بَعْدَ ثَلاَثٍ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَابِسِ بْنِ رَبِيعَةَ، قَالَ قُلْتُ لأُمِّ الْمُؤْمِنِينَ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْهَى عَنْ لُحُومِ الأَضَاحِي قَالَتْ لاَ وَلَكِنْ قَلَّ مَنْ كَانَ يُضَحِّي مِنَ النَّاسِ فَأَحَبَّ أَنْ يُطْعَمَ مَنْ لَمْ يَكُنْ يُضَحِّي وَلَقَدْ كُنَّا نَرْفَعُ الْكُرَاعَ فَنَأْكُلُهُ بَعْدَ عَشَرَةِ أَيَّامٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأُمُّ الْمُؤْمِنِينَ هِيَ عَائِشَةُ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ رُوِيَ عَنْهَا هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن أبي إسحاق، عن عابس بن ربيعة، قال قلت لأم المؤمنين أكان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن لحوم الأضاحي قالت لا ولكن قل من كان يضحي من الناس فأحب أن يطعم من لم يكن يضحي ولقد كنا نرفع الكراع فنأكله بعد عشرة أيام ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وأم المؤمنين هي عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وقد روي عنها هذا الحديث من غير وجه ‏.‏


Narrated 'Abis bin Rabi'ah:
"I said to the Mother of the Believers: 'Did the Messenger of Allah (ﷺ) prohibit from the meat of the sacrifice?' She said: 'No, but only a few people could slaughter, so he liked that they feed those who did not slaughter. (Later) we would store a leg to eat after ten days."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবিস ইবন রবীআ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
১৫১৮

পরিচ্ছেদঃ ফারা' এবং আতীরাহ

১৫১৮। মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফারা’ এবং ’আতীরাহ বলতে কিছু নাই। ফারা’ হল, প্রথম যে বাচ্চাটি জন্ম নিত সেটিকে আরবরা (মূর্তির উদ্দেশ্যে) যবাহ করত। সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৬৮, নাসাঈ, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১৫১২ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এ বিষয়ে নুবায়শা ও মিহনাফ ইবনু সুলায়ম থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীসটি হাসান-সহীহ। ’আতীরাহ, তৎকালীন আরবরা রজব মাসে একটি কুরবানী করত সে অনুষ্ঠানকে ’আতীরাহ বলা হয়। তারা রজব মাসকে খুবই সম্মান করত। কারণ এটি হল আশহুরে হুরম বা সম্মানিত মাস সমূহের প্রথম মাস। সম্মানিত মাসসমূহ হল, রজব, যুলকা’দা, যুলহিজ্জা ও মুহাররাম। আর হজ্জ-এর মাস হল শাওওয়াল, যুলকা’দা এবং যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত সময়। হজ্জের মাসসমূহের ব্যাপারে কতক সাহাবী ও অপরাপর আলিম থেকে এরূপই বর্ণিত আছে।

باب مَا جَاءَ فِي الْفَرَعِ وَالْعَتِيرَةِ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ ابْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ فَرَعَ وَلاَ عَتِيرَةَ ‏"‏ ‏.‏ وَالْفَرَعُ أَوَّلُ النِّتَاجِ كَانَ يُنْتَجُ لَهُمْ فَيَذْبَحُونَهُ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ نُبَيْشَةَ وَمِخْنَفِ بْنِ سُلَيْمٍ وَأَبِي الْعُشَرَاءِ عَنْ أَبِيهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَتِيرَةُ ذَبِيحَةٌ كَانُوا يَذْبَحُونَهَا فِي رَجَبٍ يُعَظِّمُونَ شَهْرَ رَجَبٍ لأَنَّهُ أَوَّلُ شَهْرٍ مِنْ أَشْهُرِ الْحُرُمِ وَأَشْهُرُ الْحُرُمِ رَجَبٌ وَذُو الْقَعْدَةِ وَذُو الْحِجَّةِ وَالْمُحَرَّمُ وَأَشْهُرُ الْحَجِّ شَوَّالٌ وَذُو الْقَعْدَةِ وَعَشْرٌ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ كَذَلِكَ رُوِيَ عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابن المسيب، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا فرع ولا عتيرة ‏"‏ ‏.‏ والفرع أول النتاج كان ينتج لهم فيذبحونه ‏.‏ قال وفي الباب عن نبيشة ومخنف بن سليم وأبي العشراء عن أبيه ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ والعتيرة ذبيحة كانوا يذبحونها في رجب يعظمون شهر رجب لأنه أول شهر من أشهر الحرم وأشهر الحرم رجب وذو القعدة وذو الحجة والمحرم وأشهر الحج شوال وذو القعدة وعشر من ذي الحجة كذلك روي عن بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم في أشهر الحج.‏


Narrated Abu Hurairah:
That the Messenger of Allah (ﷺ) said: "There is no Fara' or 'Atirah." The Fara' is the first of the offspring that would be born to them, so they would slaughter it. The 'Atirah was an animal that they would slaughter during Rajab to honor the month of Rajab, since it was the first of the sacred months.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
২২/ কুরবানী (كتاب الأضاحى عن رسول الله) 22/ The Book on Sacrifices
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৩১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »